জনতার কথা

Call Directions

জনতার  কথা আমজনতা

19/05/2024
আপনি জাতীয় সুপার ওম্যান, আপনি আইডল। বিশেষ করে আপনার মত যারা রয়েছে আপনাদের কারনে এখনো দেশে ভাতে মাছে হাহাকার লাগে নাই। বি...
11/05/2023

আপনি জাতীয় সুপার ওম্যান, আপনি আইডল।

বিশেষ করে আপনার মত যারা রয়েছে আপনাদের কারনে এখনো দেশে ভাতে মাছে হাহাকার লাগে নাই।

বিনা ধান ২৫ নামের এক ধরণের ধান আবিস্কার করেছেন ড. সাকিনা খানম (বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী )

সালাম নিবেন, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেন।

আপনার এই ৮ বছরের গবেষণায় দেশে প্রথমবারের মতো অতি লম্বা ও সবেচেয়ে সরু ধান আবিস্কারে আমরা উপকৃত হয়েছি।

অযথা মোটা চাল চিকন করে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি বলে কর্পোরেটরা আর চালাতে পারবে না।

এক কেজি ধান বীজ থেকে পাওয়া যাবে ৮০ কেজি ধান।

“প্রচলিত বোরো ধানের জাতের চেয়ে এই ধানে রোগ ও পোকার আক্রমণ নেই বললেই চলে। এ ধান চাষে পানি যেমন কম লাগে ইউরিয়া সারও কম লাগে।”

অভিনন্দন ড. সাকিনা এবং প্রতিষ্ঠান ❤️

বাংলাদেশ এগিয়ে যাক ❤️

বাংলাদেশের সেলিব্রেশন বাস। ❤️❤️❤️
21/09/2022

বাংলাদেশের সেলিব্রেশন বাস। ❤️❤️❤️

মুনাজাত না ধরে থাকবে কীভাবে ? এটা তো প্রানের চেয়ে প্রিয় নবীর, বিশ্বনবীর মহব্বতের প্রশ্ন। ❤️
02/11/2020

মুনাজাত না ধরে থাকবে কীভাবে ?
এটা তো প্রানের চেয়ে প্রিয় নবীর, বিশ্বনবীর মহব্বতের প্রশ্ন। ❤️

একজন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানো মানুষ।সিলেটের এমসি কলেজের আলচিত ঘটনায় যুক্ত ছয়জন ছাত্রলীগের কর্মীকে আপাতত সারা বাংলাদেশ চ...
29/09/2020

একজন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানো মানুষ।

সিলেটের এমসি কলেজের আলচিত ঘটনায় যুক্ত ছয়জন ছাত্রলীগের কর্মীকে আপাতত সারা বাংলাদেশ চেনে। এই চেনানোটা জরুরী ছিলো।
এবার এই লোকটাকেও চেনানো জরুরী।
ছবিতে থাকা মানুষটির নাম মিহিত গুহ চৌধুরী বাবলা। তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। সৎ বলে দলে বা রাজনীতিতে খুব বেশি প্রতিষ্ঠিত হতে পারেননি। তিনি স্থানীয়ভাবে বাবলা চৌধুরী নামেই পরিচিত।

এই যে সিলেটে ধর্ষণকারীদের নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় হচ্ছে সেই ধর্ষকদের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম রুখে দাঁড়িয়েছেন। মেয়েটি ও তার স্বামী যখন কাঁদতে কাদতে যাচ্ছিল,তার সাথে পথে দেখা ,তিনি ঘটনা শুনলেন এবং বললেন এমন জঘন্য ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। এদের ছাড় দেয়া উচিত হবে না। বলেই বাবলা ফোন দেন শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে।
তবে পুলিশ আসার আগেই ওই নির্যাতিতা ও তার স্বামীকে নিয়ে ছাত্রাবাসের দিকে রওয়ানা দেন বাবলা। সাইফুর-রবিউল এর কাছ থেকে গাড়ির চাবি উদ্ধার করেন। গেইটে দাঁড়িয়ে পুলিশের অপেক্ষা করেন। পুলিশ আসে,এবং কয়েকজন নেতা ও নাকি সেখানে আসে। ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন,
তর্ক হয়, মীমাংসা করতে চান অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু বাবলা অনড় ছিলেন রাজী হননি। বাবলা বলেছিলেন তাদের ছাড় দেয়া উচিত হবে না। তিনি নির্যাতিতার পাশে দাঁড়ান। মেয়েটি ও তার স্বামী ধর্ষণকারীদের ফেইস চিনলেও নাম জানতেন না। বাবলাই বলে দেন তারা কারা। এবং বলেন তাদের বিচার হওয়া উচিত।
আসলে মানুষ মানুষের পাশে থাকলে অপরাধ করতে ও অপরাধীরা চিন্তা করবে।
বাবলার মত মানুষরা এভাবে পদক্ষেপ নিলে মেয়েরা সমাজে চলতে ভয় পাবে না।

বাবলাদেরকেও চিনে রাখুন। ছাত্রলীগে যেমন ধর্ষক আছে তেমন ধর্ষণের প্রতিবাদকারী বাবলারাও আছে। বাবলা'দেরকে ধন্যবাদ দিন। বাবলাদেরকে তাদের কাজের জন্য প্রাপ্য বাহবা টুকু দিন।

ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানবেন বাবলা চৌধুরী।

লেখাঃ মূক্তানন্দ শেরপা

03/08/2020

ইউরোপের দেশ নরওয়ে এর চমৎকার বিস্ময়ঃ

একটি রেস্তোরা,ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন,"৫টা কফি আর একটা সাসপেনশন।" তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন...

কিছুক্ষণ পরে,এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন,"দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন।" উনি চারটে লাঞ্চ এর বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন...

তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন,দশটা কফি ছয়টা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন...

এমন ভাবেই একের পর এক চলতে লাগল। বেশ কিছুক্ষণ পরে এক বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কোনো সাসপেনশন কফি আছে? কাউন্টার থেকে জানানো হল,"অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হল।"

তার অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন,"আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে?" কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হল...

এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন।আর কিছু গরীব,দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন।দিনভর চলছে এই কান্ড।কেউ জানেনা কারুর পরিচয়।না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয়। না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়। প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার।প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে...

এভাবে মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছাল নরওয়ে....

অনুরুপভাবে আমাদের দেশ সহ পুরো পৃথিবীতে রয়েছে এমন কিছু মানুষ জারা অকাতরে আমাদের জন্নে নিরবে করে জান বিনিময়ে কিছু আশা করেন না। তাদের জানাই হাজার স্যালুট ও বিনম্র শ্রদ্ধা।

22/07/2020

দীর্ঘ 27 বছর জেল খাটা নেলসন ম্যান্ডেলা সূর্য কি জিনিস উনি চোখে দেখেনি,
অতঃপর
👉👉👉নেলসন ম্যান্ডেলা দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর
একদিন তাঁর কয়েকজন সহকর্মীকে বললেন-

চলো আজ শহর দেখি। চার দেয়ালের ভিতর বন্দি জীবনের দীর্ঘ সময় কাটানোর পর নিজের শহরটি কেমন হয়েছে। নিজ চোখে না দেখলেই নয়।

সহকর্মীদের সাথে নিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলা শহরের অলি-গলি হাঁটলেন। খুব ক্ষুধা লাগার পর ম্যান্ডেলা বললেন-

সামনের মোড়ে যদি কোনো রেস্তোরাঁ থাকে,
সেখানেই খেয়ে নিতে চাই।ওরা তো অবাক!
বুঝতে পেরে ম্যান্ডেলা বললেন, অবাক হওয়ার কিছুই নাই; ক্ষুধা লেগেছে, খাবো। কয়েদখানার বিভৎস খাবার খেয়েও যেহেতু মরিনি, তাই এতো সহজে মরবো না।

সবাই মিলে টেবিলে খেতে বসেছেন।

অল্পদূরে আরেকজন ভদ্রলোক বসে আছেন, বেশ বয়ষ্ক। হোটেলের ওয়েটারকে ম্যান্ডেলা বললেন-
একটা চেয়ার এনে আমার পাশে রাখো এবং
ওনাকে বলো- আমার টেবিলে বসে খেতে।

ভদ্রলোক আসলেন। এসে আমার পাশের চেয়ারটায় বসলেন।

খেতে খেতে আমরা গল্প করছি। কিন্তু পাশে বসা লোকটি কিছুই খেতে পারছেন না। ওনার হাত কাঁপছে। চামচ থেকে খাবার প্লেটে পড়ে যাচ্ছে।

ম্যান্ডেলার সহকর্মীদের একজন বললেন-
আপনি মনে হয় অসুস্থ।
লোকটি চুপচাপ রইলো। কিছুই বললো না।

ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে খাবার খাইয়ে দিলেন এবং ওয়েটারকে ডেকে বললেন-
ওনার খাবার বিলটাও আমরা পরিশোধ করবো।

খাবার শেষে সেই বয়স্ক ভদ্রলোক বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। কিন্তু সবাই অবাক চোখে দেখলো-
লোকটি ভালো করে দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারছেন না। শরীরের কাঁপুনি ক্রমবর্ধমান!

ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করলেন এবং সহকর্মীদের একজনকে ওনাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে বললেন।

সহকর্মীদের মধ্যে আরেকজন বললেন- এতো অসুস্থ শরীর নিয়ে উনি বাড়ী পৌঁছাতে পারবেন তো!

এই সময় ম্যান্ডেলা বলতে শুরু করলেন-

উনি অসুস্থ না।
আমি জেলের যে সেলে বন্দি ছিলাম উনি ছিলেন সেই সেলের গার্ড।
প্রচন্ড মার খেয়ে আমার খুব তৃষ্না পেতো।
পিপাসায় কাতর আমি যতবার পানি পানি বলে আর্তনাদ করতাম, ততবার উনি আমার সমস্ত শরীরে প্রসাব করে দিতেন।

আজ আমি দেশের প্রেসিডেন্ট।
সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মানুষ হওয়ার পর আমি ওনাকে আমার টেবিলে একসাথে খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করেছি!
তাই সেই সব দিনগুলোর কথা মনে করে উনি খুব ভয় পেয়েছেন।

কিন্তু ক্ষমতাবান হয়েই ক্ষমতাহীন মানুষকে শাস্তি দেয়া তো আমার আদর্শের পরিপন্থী।
এটা আমার জীবনের এথিকসের অংশ নয়।
তাই শাস্তি পাওয়ার পরিবর্তে উনি ভালোবাসা পেয়েছেন।

আমার মুখে/শরীরে উনি প্রসাব করেছেন।
ওনার মুখে আমি খাবার তুলে দিয়েছি।
আমি আপনাদের যেমন প্রেসিডেন্ট, তেমনি ওনারও প্রেসিডেন্ট।

প্রতিটি নাগরিককে সম্মান জানানো আমার নৈতিক দায়িত্ব।

তোমরা মনে রেখো-
শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেয়ার মানসিকতা'ই একটি তৈরী রাস্ট্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
আর সহনশীলতার মানসিকতা একটি ধ্বংস রাস্ট্রকে তৈরী করতে পারে।

Collected

দৃশ্যটি যশোরের চৌগাছা বাজারের!ঠিক এই প্রথাটি তুরস্কে উসমানীয়া খেলাফত থেকে চলে আসতেছে। উসমানীয়া খেলাফতের সময় তুরস্কের প্র...
17/07/2020

দৃশ্যটি যশোরের চৌগাছা বাজারের!
ঠিক এই প্রথাটি তুরস্কে উসমানীয়া খেলাফত থেকে চলে আসতেছে। উসমানীয়া খেলাফতের সময় তুরস্কের প্রতিটি দোকানে এভাবে গরীবদের জন্য আলাদা একটা ঝুড়ি রাখা হতো, যারা দোকান থেকে মালামাল ক্রয় করতেন তারা তাদের ক্রয়কৃত সামগ্রী থেকে সামান্য কিছু সেই ঝুড়িতে রেখে দিতেন গরীব মানুষদের জন্য।
মজার ব্যাপার হলো, কোন গরীব অসহায় মানুষ তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত একটি খাবারও নিতেন না ঝুড়ি থেকে। যতটুকু তার প্রয়োজন ঠিক ততটুকু নিতেন।
এভাবে ঐ গরীব মানুষ গুলো যখন স্বাবলম্বী হতেন ঠিক তখন তারাও এভাবে ঝুড়িতে তাদের ক্রয়কৃত মালামাল থেকে কিছু রেখে আসতেন। তখন কোন মানুষ আর অভুক্ত থাকত না তুরস্কে।

আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশে এই দৃশ্যটি দেখে অনেক ভালো লাগল।

প্রতিটি বাজারে এভাবে গরীবদের জন্য যদি আমরা ঝুড়ি রাখতে পারি, আমার বিশ্বাস কোন মানুষকে আর অভুক্ত থাকতে হবেনা।

লেখা ও ছবি : সংগৃহীত

বিনম্র শ্রদ্ধা১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস
10/11/2019

বিনম্র শ্রদ্ধা
১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস

Address

Dhaka
1000

Telephone

+0880

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জনতার কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category