Deen Style

Deen Style Your God Gifted Style Hut

01/10/2024

এটা শায়খ আহমাদুল্লাহ বনাম শাহবাগীদের ইস্যু না। এটা বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ জনতা বনাম বিকৃত মতবাদ ইস্যু। মসকামী অধিকারের প্রতিষ্ঠার জন্য বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে এত মুসলিম প্রাণ দেননি। আমাদের নতুন প্রজন্মের স্কুলের পাঠ্যবইতে বিতর্কিত ব্যক্তিরা এই দেশের সব ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের পরিপন্থী বিষয় ঢুকিয়ে দেবে এটা হতে পারে না। এই অপচেষ্টা বিগত সময়ে হয়ে এসেছিল, আবারও হচ্ছে।
দাবি একটাই- বইগুলো ছাপাখানায় যাবার আগে রিভিউ করতে দিতে হবে। অন্যথায় পাঠ্যবইতে আপত্তিকর কিছু থাকলে পুনর্মুদ্রণের দায় নিতে হবে শিক্ষা উপদেষ্টাকে।
সবাই নিজ নিজ ওয়ালে লিখি। অন্য কয়েকজনকে লিখতে উদ্বুদ্ধ করি। আমরা অনেকে মনে করি আমার লেখা আর কজন পড়বে? এভাবেই অকার্যকর হয়ে থাকি আমরা। দেশে এত যোগ্য ব্যক্তি থাকতে কিভাবে বিকৃতকাম সমর্থকরা কমিটিতে থাকলো? অথবা ইসলাম শিক্ষা বইয়ের দায়িত্ব কিভাবে হাদিস অস্বীকারকারী আবু সাঈদ খান পেল? এ যৌক্তিক প্রশ্নগুলো লাখো আইডি থেকে করতে হবে। আফসোস অনেকেই এখনো নির্বিকার। কিভাবে এমন সব প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তির লেখা বই আমরা এদেশে পড়াব?
প্লিজ সর্বশক্তি দিয়ে কথা বলি। সবাই অন্যদের জাগাই।

27/07/2024

আজকে এলাকার মসজিদের হুজুর রিসেন্ট ইস্যুতে অনেক কথা বললেন। এর মধ্যে দুটো হাদিস খুব সিগ্নিফিক্যান্ট মনে হলো।

১. এক ব্যক্তি মুহাম্মদ(স) এর কাছে আসলো এবং জানতে চাইলো, "কেউ যদি আমার হক বা অধিকার ছিনিয়ে নেয়, তাহলে আমার করণীয় কি?" নবী(স) উত্তর দিলেন, "তাহলে তার সাথে লড়াই করবা"। লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো, "এই কাজ করতে গিয়ে যদি আমি মারা যাই?" নবী(স) জানালেন, "তাহলে তুমি শহীদের মর্যাদা পাবে, এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে।" এরপর লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো, "যদি এই কাজ করতে গিয়ে আমি লোকটাকে মেরে ফেলি?" নবী (স) উত্তর দিলেন, "তাহলে ওই লোকটা জাহান্নামে যাবে।"(সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৭)

২. কেয়ামতের দিন এক শ্রেণির লোক থাকবে যারা দুনিয়াতে অনেক আমল করবে, নামাজ কালাম করবে, কিন্তু হাশরের দিন আমল নামা খুলে দেখবে তার মধ্যে অসংখ্য হত্যাযজ্ঞের কথা লেখা আছে। লোকগুলো তখন আল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করবে, "হে আল্লাহ আমরা তো দুনিয়াতে কোনো মানুষ কে হত্যা করিনি।" তখন আল্লাহ জানাবেন, "দুনিয়াতে যখন জালেম রা মানুষ হত্যা করছিল, তখন তোমরা চুপ থাকতা, বা মৌন সমর্থন করতা, যেই কারণে জালেম রা আরো বেশি করে জুলুম, হত্যা করার সুযোগ পেয়েছে। এইজন্য জালেমের সমস্ত হত্যাযজ্ঞের পাপ তোমাদের ঘাড়েও যোগ করা হয়েছে।"

© Asif Mahtab

17/07/2024
09/07/2024

চো/র-বাট/পারদের দামী গাড়ি থাকে। দামী গাড়ি দেখলে ভ/ণ্ড লাগে না, কিনতে মন চায়।
সব চো/র-বাট/পাররা দামী আইফোন চালায়। আইফোন দেখলে ভ/ণ্ড লাগে না, আইফোন কিনতে লজ্জা লাগে না।
কিন্তু কোনো চো/র-বাট/পার এর দাড়ি-টুপি থাকলে, দাড়ি-টুপি দেখলেই ভ/ণ্ড মনে হয়। নিজে রাখতে লজ্জা লাগে।
অবশ্য ঠিকই আছে। কলনাইজড মস্তিষ্ক এমনই হওয়ার কথা।

Saifullah Bin Yousuf

24/06/2024

The best political strategy to control the people is to keep them poor and uneducated but ensure they are well-entertained.

মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ আব্দুর রহমান আল  রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন।১. প্রতিদিন এক দি...
29/03/2024

মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ আব্দুর রহমান আল রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন।
১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।
২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।
৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।
তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)
আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আপনি ভাইবেন না দাজ্জাল আপনার সামনে এসে বলবে, ‘আমারে অনুসরণ করো৷’ দাজ্জাল আসার পূর্বে ফেতনার মাধ্যমে প্রথমে আপনার চিন্তা ...
29/03/2024

আপনি ভাইবেন না দাজ্জাল আপনার সামনে এসে বলবে, ‘আমারে অনুসরণ করো৷’ দাজ্জাল আসার পূর্বে ফেতনার মাধ্যমে প্রথমে আপনার চিন্তা শক্তি ইসলাম থেকে দূরে সরাবে৷ চিন্তা শক্তি দূরে সরাতে না পারলেও ফেতনায় আপনার চারপাশে এমন এক পরিবেশ বানাবে, যে আপনি চাইলেও মুখ দিয়ে আল্লাহর নাম নিতে পারবেন না৷

আপনার দৈনন্দিন অভ্যাস চেঞ্জ করাবে৷ আপনার মতো হাজার হাজার, বিলিয়োন মানুষ যখন দাজ্জালের ফেতনায় ডুবে যাবে৷ তখন অই ফিলিস্তিনের আল আকসা ভেঙে যে টেম্পল বানানোর প্লান ইসরায়েলের, সেই টেম্পল দিয়ে আবির্ভাব ঘটবে দাজ্জালের৷

দাজ্জালের ফেতনা এত ভয়ানক যে আল্লাহর কাছে আপনি ক্ষমাও চাইতে পারবেন না কারণ আপনি তখন উঠে পড়ে যাবেন হারামকে হালালের জন্য, হালালকে হারামের জন্য৷ সমাজে হারাম, এমনভাবে হালাল হবে আপনি বুঝবেনও না কোনটা হারাম, কোনটা হালাল৷
আপনি জানবেনও না আপনি দাজ্জালকে কিভাবে অনুসরন করছেন, কিন্তু একনিষ্ঠভাবে দাজ্জালের সৈনিক হয়ে যাবেন৷ আপনার আল্লাহর নাম নিতে লজ্জা লাগবে৷ যে আল্লাহর নাম নিবে, তাকে আপনার ক্ষ্যাত মনে হবে৷ কোনো বন্ধু গ্রুপে আল্লাহ নিয়ে কথা হবে না৷ অস্বস্তি কাজ করবে সবার৷ আল্লাহ ও তার রাসুল যা মানা করেছে, সেসবে আপনার স্বস্তি কাজ করবে৷
নবীর ওয়ারিশ আলেম৷ আলেমদের প্রতি ঘৃণা তৈরি হবে৷ একশটা আলেমের মধ্যে দশটা জাহান্নামি আলেমের কারণে নব্বইটা আলেমকে দেখলেই নাক চেটকানো শুরো করবেন, গালাগালি করবেন৷ একদল উঠে পড়ে লাগবে আলেমদের দোষ ধরার পিছনে৷ এভাবে আস্তে আস্তে আলেমদের থেকে বিশ্বাস উঠিয়ে নিবে৷ আপনাকে বানাবে ধর্মীয় জ্ঞান শূন্য৷
আপনার ইসলাম থেকে চিন্তা শক্তি দূরে সরে যাবে৷

আপনাদের কি দাজ্জালের ফেতনা জোকস মনে হয়? দেবর ভাবির মতো পবিত্র একটা রিলেশন৷ এটা যে খারাপ এঙ্গেলে যাচ্ছে, গিয়েছে৷ এটা কি জোকস মনে হয়? স্টেপ ফাদার, মাদার ইসলামে বৈধ জিনিস যে ইয়াং জেনারেশনের ব্রেইনে সেক্সুয়েল ফান এর পর্যায়ে গেছে এটাকে কি জোকস মনে হয়?

দাজ্জালের ফেতনা আপনার জোকস মনে হয়? অথচ আপনি বুঝতে পারছেন না৷ আপনি হাসতে হাসতে, চেতনার নামে৷ আধুনিকতার নামে আপনার আল্লাহকে নিয়ে মস্করা করছেন৷ যে আল্লাহ আপনার রিযিকের ভাতের দানার পরিমানও লিখে রাখছে৷ আপনার জীবন সঙ্গী কে হবে লিখে রাখছে৷ আপনার মৃত্যু কবে হবে সেটা লিখে রাখছে৷ আপনার আজকের কর্মের কারণে দশ দিন পর বিপদে পড়বেন, অই বিপদ দেখেও যে আল্লাহ এটা অপেক্ষায় থাকে যে আমার বান্দা একটা ভালো কাজ করুক তার বিপদ আমি কাটায়ে দিব৷ দোয়াতে একবার বলুক বিপদ কাটায়ে দেয়ার জন্য, কাটায়ে দিব৷

কাজে, কর্মে কথায়, দুই লাইন ইংলিশ বলতে পেরে অই আল্লাকে অপমান করেন৷
দাজ্জালের ফেতনা আপনার জোকস মনে হয়? মস্করা করছেন সেই নবী (সা:) এর জন্য৷ যে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত আপনার, আমার তার উম্মতের জন্য কেঁদে গেছে৷ সারাটাজীবন কষ্ট সহ্য করে গেছে৷ যে নবী হাসরের ময়দানে বলবে, আল্লাহ আমি আমার একটা উম্মতকে ছাড়াও জান্নাতে যাবো না৷ যে নবীকে অস্বীকার করলে জান্নাত হারাম! হারাম! হারাম!

আপনি খেয়াল করে দেখেন, দুনিয়াতে ১৯৩ দেশ৷ ৮০০ কোটি মানুষ৷ প্রতিটা দেশের প্রতিটা মানুষের পাপের সুতা এক জায়গায়৷ বাংলাদেশে দাজ্জালে ফেতনায় ডুবে থাকা মানুষের যে বৈশিষ্ট্য, চিন্তাধারা৷ বাংলাদেশের একদম অপজিটে, কালচারে, লাইফস্টাইলে সব আলাদা হলেও ওদেরও দাজ্জালের ফেতনায় ডুবে থাকাদের বৈশিষ্ট্য একই।

প্রতিটা ঈমানদারদের সূতা এক জায়গায়, কুরআন এবং হাদীস, আল্লাহ এবং তার রাসুল৷
একটা কথা মাথায় রাইখেন, দাজ্জালের ফেতনা আপনার মস্তিষ্ক কন্ট্রল করে আপনার চিন্তা শক্তি দাজ্জাল তার দাস বানাবে৷ আপনি, আমি আমরা যে স্বাধীনতার কথা বলি, (রাস্ট্রীয় স্বাধীনতা বলিনি৷ ব্যক্তি স্বাধীনতা৷) এটা মূলত ইসলাম থেকে স্বাধীনতা চেয়ে দাজ্জালের মনস্তাত্ত্বিক দাস হইতে চাচ্ছি আমরা৷

এই ফেতনায় আপনার লাভ নাই৷ কোনো লাভ নাই৷
আল্লাহ চাইলেই দাজ্জাল আটকাতে পারতো৷ তা না করে বরং আরো সব গায়েবী শক্তি দিয়ে পাঠাবে৷ শুধু মাত্র আপনাকে, আমাকে পরীক্ষার জন্য৷
আল্লাহ রিযিক ফিক্সড করে দিয়েছে৷ আপনি আল্লাকে গালি দিলেও (নাউজুবিল্লাহ) খেয়ে পড়ে বাঁচবেন৷ আল্লাহ আপনার হাতে দিয়েছে চিন্তা শক্তি৷ আপনি কি চিন্তা করছেন এখানে আল্লাহর হাত নাই৷ আপনার চিন্তা শক্তিই আপনার পরীক্ষা৷ আর এই দাজ্জালের ফেতনা ঠিক আপনার এই চিন্তা শক্তিই দখল করে নিবে৷

আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না দাজ্জালের ফেতনা কি৷ অথচ আপনার কল্পনার জগৎ ভরে যাবে দাজ্জালের ফেতনায়৷ আপনি বুঝতে পারবেন না কি কি ফেতনা আসতে যাচ্ছে৷
আমার নবী (সা:) জানতেন, বুঝতেন৷ আল্লাহ নবীজিকে জানিয়েছেন৷ দাজ্জালের ফেতনা কত ভয়ানক৷

হাদীসে কি আসছে জানেন? নবীজি এভাবে বলে গেছে, "এমন সময় আসবে৷ আমার উম্মত সকালে মুসলিম থাকবে৷ সন্ধ্যায় অমুসলিম হয়ে যাবে৷”
আপনি দাজ্জালের ফেতনা নিয়া মস্করা করেন৷ আর আমার নবী ডাইরেক্ট নির্দেশ দিয়েছে তার উম্মতদের, "তোমরা চারটা দোয়া ছাড়া নামাজে সালাম ফেরাবে না৷ শেষ বইঠকে, সালাম ফেরানোর আগে- ১. আল্লাহ তুমি আমাকে আমার কবরের আযাব থেকে মুক্ত রাইখো৷ ২. তোমার জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্ত রাইখো৷ ৩. জীবন ও মৃত্যুর ফেতনা থেকে হেফাজতে রাইখো৷ ৪. দাজ্জালের ফেতনা থেকে আমারে হেফাজতে রাইখো৷”

দাজ্জালের ফেতনা কোনো মস্করা না ভাই৷ এর ফেতনা ভয়বাহতা আমাদের কল্পনারো বাইরে৷ একবার শুধু চিন্তা করেন, যেই হারাম জিনিসে আপনার শরীর রি রি করে উঠে ঘেন্নায়৷ সেই জিনিস আপনার নেক্সট জেনারেশন হালাল মনে করলো! স্বাভাবিক হয়ে গেল সমাজে!
দাজ্জালের ফেতনা কোনো জোকস না৷ আল্লাহ আমাদের ফেতনা থেকে হেফাজতে রাখুক৷
আমিন

23/03/2024

আজ ইফতার আটকে দিতে পারলে কাল ঈদের নামাজ আটকে দিবে। তারপর জুম্মা বন্ধ করবে। এই ধারাবাহিকতায় ইসলামকে ঘরের মধ্যে ঢোকাবে। ঘরে বসে ইসলাম পালনের কথা বলবে। সামাজিক ইসলামকে নিষিদ্ধ করবে।

তখন ইফতার, জুম্মা আর ঈদের নামাজকে সমাজে অপ্রয়োজনীয় হিসাবে বোঝাবে। তখন মসজিদ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে। অপ্রয়োজনীয় মসজিদ দিয়ে এতটা দামি জায়গা অযথাই দখল করে রাখার কোন মনে হয় না! অতএব এটা সেটা অজুহাত বের করে মসজিদগুলো ভাঙ্গা হবে।

ভারতে অবৈধ জমির উপরে স্থাপিত - এই অজুহাত দিয়ে কত মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে জানেন তো?🙂

একটু সময় লাগবে, তবে এমনই হবে- যদি ব্যাপারটা না ধরতে পারেন, তবে সমবেদনা।

©collected

14/03/2024

ইফতারের আয়োজন করা, কোরআন শরিফ নিয়ে আলোচনা করা যায় না দেশে। কি একটা ভয়াবহ অবস্থা, বুঝতে পারছেন? তাও আবার একটা মুসলিম প্রধান দেশে।
সবাই চেষ্টা করুন জানান দিয়ে ইসলাম পালন করতে। নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু পারা যায়। আল্লাহ তায়লা আমাদের ইবাদাত কবুল করুক।
BUTex Islamic Society - বুটেক্স ইসলামিক সোসাইটি -র পোস্ট...
এটা এই মাটিতে আপনার আমার অস্তিত্বের প্রশ্ন। তাই বিশেষ কিছু আমল গোপনে না করে বরং প্রকাশ্যে জানান দিয়ে করুন।
১)
মসজিদ একটু দূরে হলে মসজিদ না খুঁজে প্রকাশ্য কোন খোলা স্থানে আজান দিয়ে কয়েকজন মিলে জামায়াতের সাথে সালাতে আদায় করুন।
২)
চলতে ফিরতে সালামের ব্যপক প্রচলন করুন। কথায় কথায় মাশাআল্লাহ-আলহামদুলিল্লাহ- জাযাকাল্লাহ বলুন।
৩)
যারা আগে প্যান্ট-শার্ট পড়তেন তারা পাঞ্জাবি পড়ুন। টিশার্ট পড়লে ইসলামি টিশার্ট পড়ুন। যারা পাঞ্জাবি-পায়জামা পড়তেন তারা জুব্বা পড়া শুরু করুন।
৪)
টুপি পড়ুন, পারলে পাগড়িও!
৫)
বোনেরা যারা হিজাব পড়েন নি এতদিন তারা হিজাব পড়া শুরু করুন। যারা নেকাব পড়েননি তারা নেকাব পড়া শুরু করুন। যারা হিজাব-নেকাব পড়েছেন কিন্তু বোরকা পড়েননি তারা বোরকা পড়া শুরু করুন।
৬)
চলতে ফিরতে হাতে তাসবিহ রাখুন এবং জিকির করুন। গণপরিবহন ও পাব্লিক প্লেসে পকেট কুরআন বা মোবাইলের এপ্স থেকে তিলাওয়াত করুন।
৭)
যত বেশী পারুন ইসলামী ইভেন্টের আয়োজন করুন এবং অনলাইনেও এগুলো শেয়ার করুন।
৮)
ক্যাম্পাসে, অফিসে, বাসে, রেস্টুরেন্টে দু-তিনজন একত্র হলেই দ্বীনি মজমা জমিয়ে ফেলুন।
৯)
প্রত্যেক ভার্সিটির মুক্তমঞ্চে ঘন ঘন দ্বীনি প্রোগ্রাম আয়োজন করুন।
১০)
এলাকার মসজিদভিত্তিক কমিউনিটি তৈরী করে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালু করুন।
১১)
শিশুদের জন্য মসজিদে প্রতি মাসে নানা রকমের আয়োজন করুন।
১২)
প্রতিটি ক্যাম্পাস, পাড়া-মহল্লা, অফিস-ফ্যাক্টরিতে সীরাত প্রোগ্রাম, ইসলামী সেমিনার, কনফারেন্স করুন।
১৩)
জনসমাগমের স্থানে Street Dawah Campaign করুন। বিশেষ করে টিকটকার এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা Steet Dawah নিয়ে কন্টেন্ট তৈরী করুন। যার যা যোগ্যতা আছে সেটা কাজে লাগাই। ইনশাআল্লাহ পুরো দুনিয়াবাসীকে আমরা দেখিয়ে দেবো যে, জাতি হিসেবে বাঙ্গালী মুসলিমরা Something Different!
১৪)
পলিটিক্যাল , প্রশাসনিক, একাডেমিক ব্যক্তিদেরকে নিজেদের কাজে ইনভলভ করুন। মনে রাখবেন তাদের অনেকেই মুসলিম বাংলার সম্ভ্রান্ত বংশের সন্তান। তাদের মধ্য থেকেও উমর ফারুক আর হামজা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুম-দেঁর মতো ব্যক্তি বেরিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ।
#আমার_দ্বীন_আমার_জমিন
মোটকথা প্রত্যেকেই আগে প্রকাশ্যে যা আমল করতাম তার থেকে বেশী করা শুরু করি ইনশাআল্লাহ। আমাদেরকে এটা প্রমাণ করতে হবে যে, আমরা এই জমিনের সন্তান, বাঙালী মুসলিম আমার আইডেন্টিটি। আমি আলহামদুলিল্লাহ আমার এই আইডেন্টিটি নিয়ে আনন্দিত।
কখনো এটা মনে করে হীনমন্যতায় ভুগবেন না যে, মুসলিম বাঙ্গালীরা দূর্বল জাতি যাদের কোন গৌরবময় ইতিহাস নেই। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা,আরাকান, মিজোরাম, মনিপুর, বিহার, উরিষ্যা এসব অঞ্চল শত শত বছর আমরা শাসন করেছি। এসব অঞ্চলের ভাষা হিন্দি নয় বরং বাংলার সাথেই বেশী সামঞ্জস্য রাখে। আলহামদুলিল্লাহ আমরা বিজয়ী ছিলাম। শত শত বছর ধরে শাসন করেছি। কিন্তু কেউ দেখাতে পারবে না এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের উপর আমরা জুলুম করেছি। তাই শত শত বছরেও এসব অঞ্চল আমাদের প্রজারা কখনো বিদ্রোহ করেনি। অথচ টেকনোলজির এই যুগে যখন এসব অঞ্চল আমাদের অধীনে নেই তখন এগুলোর বেশীরভাগই বিদ্রোহপ্রবণ অঞ্চল।
আলহামদুলিল্লাহ আমরা বিজয়ী, শাসক এবং সম্ভ্রান্ত জাতি।
সবশেষে মনে রাখবেন আমাদের এই এক্টিভিটিগুলো ফিরিঙ্গিদের গোলাম "কালচাড়াল জমিদারদের" জন্য ইঁদুরের গর্তে গরম পানি ফেলার মতো হবে। "বিকৃত নোমান" এর মতো ওদের প্রত্যেকে রাগে-দু:খে গর্ত থেকে বেড়িয়ে এসে ধরা দেবে ইনশাআল্লাহ |
আমাদের প্রতিটি কাজ যেন হয় শুধুই রবের সন্তুষ্টির জন্য। আমীন ইয়া রব্বাল আ'লামিন।।
[বি. দ্র. টেকনিক্যাল ইস্যুর কারনে পোস্টটি যারা সরাসরি শেয়ার করছেন তাদের অনেকের ওয়ালেই এটি দেখাচ্ছে না। ইনশাআল্লাহ তাই উত্তম হবে কপি করে শেয়ার করা।]
Copy Post.

Address

Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen Style posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Deen Style:

Share