Shafaah شفاعة

Shafaah شفاعة 'Shafaah.com' - In sha allah, the best place to shop,
you will find what you need with best price

Shafaah.comএ চলছে ১০% ডিস্কাউন্ট অফার।নিয়ে নিন আপনার পছন্দের পন্য টি।খেজুরতীন ফললাল চিনিঘিবাটারমধুমশলাশরিষার তেলনারিকেল ...
14/03/2024

Shafaah.com
এ চলছে ১০% ডিস্কাউন্ট অফার।

নিয়ে নিন আপনার পছন্দের পন্য টি।

খেজুর
তীন ফল
লাল চিনি
ঘি
বাটার
মধু
মশলা
শরিষার তেল
নারিকেল তেল
কালোজিরা তেল
বিটরুট
জাফরান
গূড়
মিক্স ফ্রুটস আন্ড নাটস

সহ ৮০ টির ও বেশী পন্য।

আপনি অর্ডার করলে বিল যাই হোক, অটোমেটিক ডিস্কাউন্ট হয়ে যাবে।

Shafaah.com
Be sure, take pure

Shafaah Super Shop is one of the best Organic Super Shop in Bangladesh. Besides Organic and Natural food products we supply quality electronic items and Medical equipment. Day by day our product is increasing in different category. We are committed to supply quality goods.

কলমি মরিয়ম বা সাফাবি মরিয়ম খেজুর, Safawi Moriom Datesখুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির কলমি  মরিয়ম,বর্তমান বাজারের সেরা কলমি মরিয়...
24/02/2024

কলমি মরিয়ম বা সাফাবি মরিয়ম খেজুর, Safawi Moriom Dates

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির কলমি মরিয়ম,

বর্তমান বাজারের সেরা কলমি মরিয়ম এটি।

একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি খেজুর বাছাই করা।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/kolmi-moriyom/

অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। খেজুরের উপকারিতা এতো বেশি যে গুণে সহজে শেষ করা যাবে না। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর। তবে খেজুরের মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে।স্বাদের দিক থেকে আমরা বিভিন্ন ধরণের খেজুর দেখতে পাই। যেমন- আজওয়া, মরিয়ম, আনবারা, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদর প্রভৃতি খেজুর। এদের মধ্যে আমাদের নিকট সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো আজওয়া এবং মরিয়ম খেজুর। এটি খুবই সুস্বাদু এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খেজুর।

মরিয়ম খেজুরের নাম শোনেনি এ রকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। এ খেজুরের বিভিন্ন উপকারিতার কারনে সকল খেজুরের মধ্যে এ খেজুরটি বেশ জনপ্রিয়। গবেষকদের মতে শুকনো খেজুরের মধ্যে মরিয়ম খেজুর সবচেয়ে বেশি উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। বিশেষ করে রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর মরিয়ম খেজুরের পুষ্টিগুণ শরীরের ব্যাপক উপকারে আসে। তবে ইসলাম ধর্মে রমজান মাস ছাড়াও নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমাদের মহানবী (সাঃ) নিজে প্রতিদিন সাতটি খেজুর খাওয়ার কথা বলেছেন। এতে নানা রোগ-বালাই, বিষাক্ত জিনিস, জাদু-টোনা থেকে মুক্তি মিলবে জানিয়েছেন। এতে বুঝা যায়, শারীরিক সুস্বাস্থ্য অর্জনে মরিয়ম খেজুরের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

মরিয়ম খেজুরের পুষ্টিগুণাগুণ

মরিয়ম খেজুর হল পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ প্রচুর খাদ্য গুণ রয়েছে যা আপনাকে প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা পূরন করতে সাহায্য করে। আসুন এর পুষ্টিগুণ গুলো জেনে নেই।

প্রোটিনঃ মরিয়ম খেজুরে থাকা প্রোটিন আপনার পেশী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিটামিনঃ মরিয়ম খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫ এবং বি৬। এছাড়াও ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণের সহজ একটি মাধ্যম হচ্ছে মরিয়ম খেজুর। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি যেমন ভালো থাকে তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

আয়রনঃ আয়রন মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বিশেষ করে নারীদের দেহে আয়রনের চাহিদা পুরুষদের তুলনায় বেশি। আয়রনের অভাবে রক্তশুন্যতা দেখা দেয়। তাই আয়রনের অভাব পূরণ করতে মরিয়ম খেজুরের তুলনা নেই। এটি হৃদপিন্ডের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। যাদের হৃদপিণ্ড দুর্বল তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি আদর্শ খাদ্য হতে পারে। যা তার রোগ প্রতিরোধে প্রতিশেধক হিসেবে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করবে।

কোলেস্টরেল এবং ফ্যাটঃ মরিয়ম খেজুরে কোন বাড়তি চর্বি এবং কোলেষ্টরেল থাকে না বলে এটি খেল ওজন বেড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

ক্যালসিয়ামঃ মরিয়ম খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা মানুষের হাড় গঠনে সহায়তা করে থাকে। এই ক্যালসিয়াম শিশুদের জন্য খুবই উপকারী এবং তাদের মাড়ি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার শিশু ও পরিবারকে মরিয়ম খেজুর খেতে উদ্বুদ্ধ করুন।

ফাইবারঃ মরিয়ম খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।

১০০ গ্রাম মরিয়ম খেজুরের মধ্যে নিম্নোক্ত পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় –

ক্যালোরি ২৮২ মিলিগ্রাম
ফ্যাট ০.৪ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম ৬৫৬ মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেটেড ৭৫ মিলিগ্রাম
ফাইবার ৭ গ্রাম
সুগার ৬৩ মিলিগ্রাম
প্রোটিন ২ গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩%
আয়রন ৫%
ভিটামিন ১০%
ম্যাগনেসিয়াম ১৪%
কপার ১৮%
মরিয়ম খেজুরের উপকারিতা

বছরে যতগুলো দিন, তার চেয়ে বেশি গুণ আছে মরিয়ম খেজুরে। প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে মরিয়ম খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। যা বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিচে মরিয়ম খেজুরের কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হল-

১। মরিয়ম খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। যা মানুষকে মানসিক প্রফুলতা দেয় এবং মন ভাল রাখতে সহায়তা করে।

২। সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন মরিয়ম খেজুর শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরে গ্লূকোজ এর ঘাটতি পূরণ করে শক্তি বৃদ্ধি করে।

৩। শরীরে রক্ত শূণ্যতা পূরণে মরিয়ম খেজুরে থাকা আয়রন ভাল উপকারে আসে।

৪। ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করতে মরিয়ম খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

৫।মরিয়ম খেজুরে আছে ডায়েটরি ফাইবার যা কলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

৬। পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ, শুষ্ক কাশি এবং এজমা রোধে মরিয়ম খেজুর অনেক উপকারী।

৭। মরিয়ম খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে।

৮।মরিয়ম খেজুর এ প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি থাকে বিধায় যারা একটু দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী, সামান্য পরিশ্রমে হয়রান হয়ে যায় তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি উৎকৃষ্ট পথ্য।

৯। মরিয়ম খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।

১০। মরিয়ম খেজুরের ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁতের মাড়ি মজবুত করে।

১১। মরিয়ম খেজুরে থাকা ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।

১২। খাদ্যে অরুচি দূর করতে মরিয়ম খেজুর ব্যাপক সহায়তা করে।

১৩। মরিয়ম খেজুরে আছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যামিনো এসিড যা খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। তাই বদ হজম থেকে বাঁচতে মরিয়ম খেজুর খুবই উপকারী।

১৪। মরিয়ম খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। তবে শর্ত হচ্ছে খেজুর খাওয়ার সাথে প্রচুর পানিও পান করতে হবে। তাহলেই উপযুক্ত ফল পাওয়া যাবে।

১৫। মরিয়ম খেজুরে থাকা নানা পুষ্টি উপাদান ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে।

সতর্কতা

মরিয়ম ও অন্যান্য সকল খেজুরেরই বেশির ভাগ অংশে চিনি থাকে। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাওয়া উচিত।

পরিশেষে

মরিয়ম খেজুর ইরানে ব্যাপকভাবে চাষ হয়। পাকিস্তান, ইরাক, আলজেরিয়া, মিশরেও মরিয়ম খেজুর চাষ হয়। তবে মদিনার মরিয়ম খেজুরের স্বাদ ভিন্ন। এমনকি মদিনা অঞ্চলের মরিয়ম খেজুর অন্যান্য অঞ্চলের যেকোনো খেজুরের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ।

তবে বাজারে প্রিমিয়াম গ্রেডের মরিয়ম খেজুর তেমন খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে ভরসা রাখুন ন্যাচারালস মরিয়ম খেজুরে। যা সরাসরি মদিনা থেকে আমদানিকৃত। এতে খেজুরের আসল স্বাদ যেমন থাকবে, তেমন পুষ্টিগুণও থাকবে। তাই আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্যে নিয়মিত Shafaah’s মরিয়ম খেজুর খান।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/kolmi-moriyom/

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির কলমি মরিয়ম, বর্তমান বাজারের সেরা কলমি মরিয়ম এটি। একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি .....

মাসরুক মরিয়ম খেজুর/ Mashruk Moriyom datesখুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মাসরুক মরিয়ম,বর্তমান বাজারের সেরা মাসরুক মরিয়ম এটি।একে...
24/02/2024

মাসরুক মরিয়ম খেজুর/ Mashruk Moriyom dates

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মাসরুক মরিয়ম,

বর্তমান বাজারের সেরা মাসরুক মরিয়ম এটি।

একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি খেজুর বাছাই করা।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/mashruk-dates/

অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। খেজুরের উপকারিতা এতো বেশি যে গুণে সহজে শেষ করা যাবে না। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর। তবে খেজুরের মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে।স্বাদের দিক থেকে আমরা বিভিন্ন ধরণের খেজুর দেখতে পাই। যেমন- আজওয়া, মরিয়ম, আনবারা, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদর প্রভৃতি খেজুর। এদের মধ্যে আমাদের নিকট সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো আজওয়া এবং মরিয়ম খেজুর। এটি খুবই সুস্বাদু এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খেজুর।

মরিয়ম খেজুরের নাম শোনেনি এ রকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। এ খেজুরের বিভিন্ন উপকারিতার কারনে সকল খেজুরের মধ্যে এ খেজুরটি বেশ জনপ্রিয়। গবেষকদের মতে শুকনো খেজুরের মধ্যে মরিয়ম খেজুর সবচেয়ে বেশি উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। বিশেষ করে রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর মরিয়ম খেজুরের পুষ্টিগুণ শরীরের ব্যাপক উপকারে আসে। তবে ইসলাম ধর্মে রমজান মাস ছাড়াও নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমাদের মহানবী (সাঃ) নিজে প্রতিদিন সাতটি খেজুর খাওয়ার কথা বলেছেন। এতে নানা রোগ-বালাই, বিষাক্ত জিনিস, জাদু-টোনা থেকে মুক্তি মিলবে জানিয়েছেন। এতে বুঝা যায়, শারীরিক সুস্বাস্থ্য অর্জনে মরিয়ম খেজুরের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

মরিয়ম খেজুরের পুষ্টিগুণাগুণ

মরিয়ম খেজুর হল পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ প্রচুর খাদ্য গুণ রয়েছে যা আপনাকে প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা পূরন করতে সাহায্য করে। আসুন এর পুষ্টিগুণ গুলো জেনে নেই।

প্রোটিনঃ মরিয়ম খেজুরে থাকা প্রোটিন আপনার পেশী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিটামিনঃ মরিয়ম খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫ এবং বি৬। এছাড়াও ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণের সহজ একটি মাধ্যম হচ্ছে মরিয়ম খেজুর। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি যেমন ভালো থাকে তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

আয়রনঃ আয়রন মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বিশেষ করে নারীদের দেহে আয়রনের চাহিদা পুরুষদের তুলনায় বেশি। আয়রনের অভাবে রক্তশুন্যতা দেখা দেয়। তাই আয়রনের অভাব পূরণ করতে মরিয়ম খেজুরের তুলনা নেই। এটি হৃদপিন্ডের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। যাদের হৃদপিণ্ড দুর্বল তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি আদর্শ খাদ্য হতে পারে। যা তার রোগ প্রতিরোধে প্রতিশেধক হিসেবে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করবে।

কোলেস্টরেল এবং ফ্যাটঃ মরিয়ম খেজুরে কোন বাড়তি চর্বি এবং কোলেষ্টরেল থাকে না বলে এটি খেল ওজন বেড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

ক্যালসিয়ামঃ মরিয়ম খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা মানুষের হাড় গঠনে সহায়তা করে থাকে। এই ক্যালসিয়াম শিশুদের জন্য খুবই উপকারী এবং তাদের মাড়ি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার শিশু ও পরিবারকে মরিয়ম খেজুর খেতে উদ্বুদ্ধ করুন।

ফাইবারঃ মরিয়ম খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।

১০০ গ্রাম মরিয়ম খেজুরের মধ্যে নিম্নোক্ত পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় –

ক্যালোরি ২৮২ মিলিগ্রাম
ফ্যাট ০.৪ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম ৬৫৬ মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেটেড ৭৫ মিলিগ্রাম
ফাইবার ৭ গ্রাম
সুগার ৬৩ মিলিগ্রাম
প্রোটিন ২ গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩%
আয়রন ৫%
ভিটামিন ১০%
ম্যাগনেসিয়াম ১৪%
কপার ১৮%
মরিয়ম খেজুরের উপকারিতা

বছরে যতগুলো দিন, তার চেয়ে বেশি গুণ আছে মরিয়ম খেজুরে। প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে মরিয়ম খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। যা বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিচে মরিয়ম খেজুরের কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হল-

১। মরিয়ম খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। যা মানুষকে মানসিক প্রফুলতা দেয় এবং মন ভাল রাখতে সহায়তা করে।

২। সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন মরিয়ম খেজুর শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরে গ্লূকোজ এর ঘাটতি পূরণ করে শক্তি বৃদ্ধি করে।

৩। শরীরে রক্ত শূণ্যতা পূরণে মরিয়ম খেজুরে থাকা আয়রন ভাল উপকারে আসে।

৪। ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করতে মরিয়ম খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

৫।মরিয়ম খেজুরে আছে ডায়েটরি ফাইবার যা কলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

৬। পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ, শুষ্ক কাশি এবং এজমা রোধে মরিয়ম খেজুর অনেক উপকারী।

৭। মরিয়ম খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে।

৮।মরিয়ম খেজুর এ প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি থাকে বিধায় যারা একটু দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী, সামান্য পরিশ্রমে হয়রান হয়ে যায় তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি উৎকৃষ্ট পথ্য।

৯। মরিয়ম খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।

১০। মরিয়ম খেজুরের ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁতের মাড়ি মজবুত করে।

১১। মরিয়ম খেজুরে থাকা ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।

১২। খাদ্যে অরুচি দূর করতে মরিয়ম খেজুর ব্যাপক সহায়তা করে।

১৩। মরিয়ম খেজুরে আছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যামিনো এসিড যা খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। তাই বদ হজম থেকে বাঁচতে মরিয়ম খেজুর খুবই উপকারী।

১৪। মরিয়ম খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। তবে শর্ত হচ্ছে খেজুর খাওয়ার সাথে প্রচুর পানিও পান করতে হবে। তাহলেই উপযুক্ত ফল পাওয়া যাবে।

১৫। মরিয়ম খেজুরে থাকা নানা পুষ্টি উপাদান ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে।

সতর্কতা

মরিয়ম ও অন্যান্য সকল খেজুরেরই বেশির ভাগ অংশে চিনি থাকে। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাওয়া উচিত।

পরিশেষে

মরিয়ম খেজুর ইরানে ব্যাপকভাবে চাষ হয়। পাকিস্তান, ইরাক, আলজেরিয়া, মিশরেও মরিয়ম খেজুর চাষ হয়। তবে মদিনার মরিয়ম খেজুরের স্বাদ ভিন্ন। এমনকি মদিনা অঞ্চলের মরিয়ম খেজুর অন্যান্য অঞ্চলের যেকোনো খেজুরের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ।

তবে বাজারে প্রিমিয়াম গ্রেডের মরিয়ম খেজুর তেমন খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে ভরসা রাখুন ন্যাচারালস মরিয়ম খেজুরে। যা সরাসরি মদিনা থেকে আমদানিকৃত। এতে খেজুরের আসল স্বাদ যেমন থাকবে, তেমন পুষ্টিগুণও থাকবে। তাই আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্যে নিয়মিত Shafaah’s মরিয়ম খেজুর খান।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/mashruk-dates/

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মাসরুক মরিয়ম, বর্তমান বাজারের সেরা মাসরুক মরিয়ম এটি। একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেক...

তিউনেসিয়ান খেজুর/Tuneshian datesখুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তিউনেসিয়ান খেজুরএকেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি খেজুর বাছাই...
24/02/2024

তিউনেসিয়ান খেজুর/Tuneshian dates

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তিউনেসিয়ান খেজুর

একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি খেজুর বাছাই করা।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/tuneshian-dates/

অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। খেজুরের উপকারিতা এতো বেশি যে গুণে সহজে শেষ করা যাবে না। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর। তবে খেজুরের মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে।স্বাদের দিক থেকে আমরা বিভিন্ন ধরণের খেজুর দেখতে পাই। যেমন- আজওয়া, মরিয়ম, আনবারা, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদর প্রভৃতি খেজুর। এদের মধ্যে তিউনেসিয়ান খেজুর অন্যতম। এটি খুবই সুস্বাদু এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খেজুর।

মরিয়ম খেজুরের নাম শোনেনি এ রকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। এ খেজুরের বিভিন্ন উপকারিতার কারনে সকল খেজুরের মধ্যে এ খেজুরটি বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর মরিয়ম খেজুরের পুষ্টিগুণ শরীরের ব্যাপক উপকারে আসে। তবে ইসলাম ধর্মে রমজান মাস ছাড়াও নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমাদের মহানবী (সাঃ) নিজে প্রতিদিন সাতটি খেজুর খাওয়ার কথা বলেছেন। এতে নানা রোগ-বালাই, বিষাক্ত জিনিস, জাদু-টোনা থেকে মুক্তি মিলবে জানিয়েছেন। এতে বুঝা যায়, শারীরিক সুস্বাস্থ্য অর্জনে মরিয়ম খেজুরের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

খেজুরের পুষ্টিগুণাগুণ

খেজুর হল পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ প্রচুর খাদ্য গুণ রয়েছে যা আপনাকে প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা পূরন করতে সাহায্য করে। আসুন এর পুষ্টিগুণ গুলো জেনে নেই।

প্রোটিনঃ খেজুরে থাকা প্রোটিন আপনার পেশী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিটামিনঃ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫ এবং বি৬। এছাড়াও ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণের সহজ একটি মাধ্যম হচ্ছে মরিয়ম খেজুর। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি যেমন ভালো থাকে তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

আয়রনঃ আয়রন মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বিশেষ করে নারীদের দেহে আয়রনের চাহিদা পুরুষদের তুলনায় বেশি। আয়রনের অভাবে রক্তশুন্যতা দেখা দেয়। তাই আয়রনের অভাব পূরণ করতে মরিয়ম খেজুরের তুলনা নেই। এটি হৃদপিন্ডের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। যাদের হৃদপিণ্ড দুর্বল তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি আদর্শ খাদ্য হতে পারে। যা তার রোগ প্রতিরোধে প্রতিশেধক হিসেবে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করবে।

কোলেস্টরেল এবং ফ্যাটঃ খেজুরে কোন বাড়তি চর্বি এবং কোলেষ্টরেল থাকে না বলে এটি খেল ওজন বেড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

ক্যালসিয়ামঃ খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা মানুষের হাড় গঠনে সহায়তা করে থাকে। এই ক্যালসিয়াম শিশুদের জন্য খুবই উপকারী এবং তাদের মাড়ি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার শিশু ও পরিবারকে খেজুর খেতে উদ্বুদ্ধ করুন।

ফাইবারঃ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।

১০০ গ্রাম খেজুরের মধ্যে নিম্নোক্ত পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় –

ক্যালোরি ২৮২ মিলিগ্রাম
ফ্যাট ০.৪ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম ৬৫৬ মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেটেড ৭৫ মিলিগ্রাম
ফাইবার ৭ গ্রাম
সুগার ৬৩ মিলিগ্রাম
প্রোটিন ২ গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩%
আয়রন ৫%
ভিটামিন ১০%
ম্যাগনেসিয়াম ১৪%
কপার ১৮%
খেজুরের উপকারিতা

বছরে যতগুলো দিন, তার চেয়ে বেশি গুণ আছে খেজুরে। প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। যা বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিচে খেজুরের কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হল-

১। খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। যা মানুষকে মানসিক প্রফুলতা দেয় এবং মন ভাল রাখতে সহায়তা করে।

২। সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন খেজুর শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরে গ্লূকোজ এর ঘাটতি পূরণ করে শক্তি বৃদ্ধি করে।

৩। শরীরে রক্ত শূণ্যতা পূরণে মরিয়ম খেজুরে থাকা আয়রন ভাল উপকারে আসে।

৪। ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করতে মরিয়ম খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

৫। খেজুরে আছে ডায়েটরি ফাইবার যা কলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

৬। পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ, শুষ্ক কাশি এবং এজমা রোধে মরিয়ম খেজুর অনেক উপকারী।

৭। খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে।

৮। খেজুর এ প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি থাকে বিধায় যারা একটু দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী, সামান্য পরিশ্রমে হয়রান হয়ে যায় তাদের জন্য মরিয়ম খেজুর একটি উৎকৃষ্ট পথ্য।

৯। খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।

১০। খেজুরের ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁতের মাড়ি মজবুত করে।

১১। খেজুরে থাকা ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।

১২। খাদ্যে অরুচি দূর করতে খেজুর ব্যাপক সহায়তা করে।

১৩। খেজুরে আছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যামিনো এসিড যা খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। তাই বদ হজম থেকে বাঁচতে মরিয়ম খেজুর খুবই উপকারী।

১৪। খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। তবে শর্ত হচ্ছে খেজুর খাওয়ার সাথে প্রচুর পানিও পান করতে হবে। তাহলেই উপযুক্ত ফল পাওয়া যাবে।

১৫। খেজুরে থাকা নানা পুষ্টি উপাদান ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে।

সতর্কতা

সকল খেজুরেরই বেশির ভাগ অংশে চিনি থাকে। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাওয়া উচিত।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/tuneshian-dates/

খুবই প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তিউনেসিয়ান খেজুর একেবারে ফ্রেস কোয়ালিটি। প্রত্যেকাটি খেজুর বাছাই করা।

Sakura Mixed Plum/ সাকুরা মিক্সড প্লামSakura Plum (Mixed) বা সাকুরা প্লাম 200 gram, 100% original product. Lowest price ...
24/02/2024

Sakura Mixed Plum/ সাকুরা মিক্সড প্লাম
Sakura Plum (Mixed) বা সাকুরা প্লাম 200 gram, 100% original product. Lowest price in the market.

Sakura Plum (Mixed) বা সাকুরা প্লাম মূলত একধরনের শুকনা ফল। তাজা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে শুকিয়ে তৈরি হয় চমৎকার এই খাবারটি। স্বাদে হালকা টক মিষ্টি এই ফলটি পুষ্টি গুণেও অসাধারণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, খনিজ উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ডায়াটারি ফাইবার ইত্যাদি। প্রতিটি উপাদানই শারীরিক সুস্থতার জন্য ভীষন কার্যকরি।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/sakura-plum-mixed/

Sakura Plum (Mixed) বা সাকুরা প্লাম মূলত একধরনের শুকনা ফল। তাজা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে শুকিয়ে তৈরি হয় চমৎকার এই খাবারটি। স্বাদে হালকা টক মিষ্টি এই ফলটি পুষ্টি গুণেও অসাধারণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, খনিজ উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ডায়াটারি ফাইবার ইত্যাদি। প্রতিটি উপাদানই শারীরিক সুস্থতার জন্য ভীষন কার্যকরি।

Sakura Plum (সাকুরা প্লাম) এর উপকারিতা
১। এতে চিনির পরিমাণ খুবই কম থাকে। আর বিদ্যমান চিনি মূলত প্রাকৃতিক চিনি যা দেহের জন্য মোটেও ক্ষতিকর নয়।
২। এই ফলটি এনার্জি প্রদান করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
৩। হজমক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখে।
৪। অবসাদগ্রস্থতা কমাতেও কাজ করে।
৫। মেটাবলিজম হার বৃদ্ধি করে।
৬। মুখের স্বাদ ফিরিয়ে আনতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৭। বমি বা বমিভাব দূর করতেও বেশ ভালো কাজ করে।
৮। ত্বক টানটান রাখতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
৯ অতিভোজনের ফলে সৃষ্ট অস্বস্তিভাব দূর করতে বেশ ভালো কাজ করে।
১০। জ্বরের সময় রুচিহীনতা, ক্লান্তি দূর করতে এই ফল বেশ ভালো কাজ করে।
১১। ম্যাকুলার ডিজেনারেশন নামক বয়স জনিত চোখের সমস্যার বিপরীতে ভালো কাজ করে।
১২। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও ভূমিকা রাখে সাকুরা রেড প্লাম।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/sakura-plum-mixed/

Sakura Plum (mixed) বা সাকুরা প্লাম 200 gram, 100% original product. Lowest price in the market. Sakura Plum (Black) বা সাকুরা প্লাম মূলত একধরনের শুকনা ফল। তাজা ফল প্রক্রিয়াজা....

আলকুশি বীজ পাওডার (দুধে শোধন করা)পরিমাণ: ২০০ গ্রামআলকুশি (দুধ দিয়ে শোধিত) আলকুশি শারীরিক শক্তি বাড়াতে বিশেষ সহায়ক।উপকারি...
24/02/2024

আলকুশি বীজ পাওডার (দুধে শোধন করা)

পরিমাণ: ২০০ গ্রাম

আলকুশি (দুধ দিয়ে শোধিত) আলকুশি শারীরিক শক্তি বাড়াতে বিশেষ সহায়ক।
উপকারিতা:
১.দ্রুত বীর্যপাত,লিঙ্গ শৈথিল্য ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।
২.শুক্রু বৃদ্ধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করতে এটির ভূমিকা অতুলনীয়।

সেবন পদ্ধতি: প্রতিদিন রাতের খাবারের দেড় ঘন্টা পর , এক গ্লাস পরিমাণ দুধ বা গরম পানি চুলায় গরমে দেওয়ার আগে আলকুশি পাউডারের ১ চামুচ পাউডার দিয়ে গরম করবেন, সাথে মধু দিয়ে খেলে সবচেয়ে ভাল।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/alkushi/

আলকুশির বৈজ্ঞানিক নাম: মুকুনা পুরিয়েন্স। ইংরেজিতে এর নাম Velvet bean, Cowitch, Cowhage, Kapikachu, Nescafe, Sea bean। এটি ফ্যাবাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। বোটানিক্যাল নামের পুরিয়েন্স শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে, যার অর্থ চুলকানির অনুভূতি। ফলের খোসা ও পাতায় আছে- সেরাটোনিন, যার কারণে চুলকানির উদ্রেক হয়।

মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীচি আগুনে ভেজে চূর্ণ করা হয় কফির বিকল্প হিসেবে। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে। গুয়েতেমালায় কেচি সম্প্রদায়ের মানুষ এখনও খাদ্যশস্য হিসেবে এটি আবাদ করে, সবজি হিসেবে রান্না হয়।

আলকুশি বীজ বা আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা যা প্রাচীনকাল থেকেই রোগ নিরাময় এর উপাদান হিসেবে কাজ করে আসছে।

প্রাচীনকাল থেকেই বহুলভাবে ব্যাবহার হয়ে আসা ভেজষ হল আলকুশি। যার আকার দেখতে অনেকটা শিমের মতো। এর পুরো গাছ দিয়েই নানান রোগের চিকিৎসা করা হয়। এটি একটি প্রোটিন, ফ্যাটি এসিড ও অ্যামাইনো এসিড এর উৎস। এর ইংরেজি নাম Velvet Bean. গ্রাম অঞ্চল এ এটি বিলাই খামছি নামেই বেশি পরিচিত।

আলকুশি বীজ চেনার উপায় ও পুষ্টিগুণ
এটি দেখতে অনেকটা শিম গাছের মতো এবং ছোট ছোট মোমদ্বারা আবৃত। এটির একটি ফল এ ৪-৬ টি বীজ থাকে। এর প্রতিটি বীজ ৫৫ থেকে ৮৫ গ্রাম ওজন হয়। এর বীজ দেখতে অনেকটা কাল হয়ে থাকে। আলকুশি বীজ চেনার উপায় হলো এটি দেখতে প্রায় শিমের মতই। তবে এর ফল এর ওপর লোম থাকে। যা গায়ে লাগলে অনেক চুলকায়। এটির পাতা ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার এর মত লম্বা হয়ে থাকে।

পুষ্টিগুণঃ ভিটামিন সি – ১৭ মিলিগ্রাম, ফ্যাট – ০.০১ গ্রাম, কার্বো হাইড্রেড – ৩.২৪ গ্রাম ও প্রোটিন – ০.৩৪ গ্রাম।

আলকুশি বীজের উপকারিতা
আপনারা অনেকেই আলকুশি বীজের উপকারিতা কি তা জানতে চান। কেউ কেউ আবার নেট মাধ্যমে খুঁজে থাকেন আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা সম্পর্কে। আলকুশি বীজ বা পাউডার সব কিছুরই উপকারিতা রয়েছে প্রচুর। বলা যায় এই গাছের মুল থেকে শুরু করে প্রায় গাছের সকল অংশেরই অউশদি গুনাগুন রয়েছে। তো আলকুশি বীজের উপকারিতা একটু বেশি। তো চলুন আলকুশি বীজের উপকারিতা গুলো এক নজরে জেনে নেওয়া যাক।

কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেক যন্ত্রণা কমে যায়।
পোকা মাকড় কিংবা মৌমাছি অথবা বিছ কামরালে সেখানে আলকুশি বীজের গুড়া লাগালে বা প্রলেপ দিলে দ্রুত ব্যাথা কমে যায়।
আলকুশির শিকরের রস নিয়মিত খেয়ে দীর্ঘ দিনের পুরনো আমাশয় রোগ ভাল হয়ে যায়।
আলকুশি গাছের পাতার রস ফোঁড়ায় দিয়ে কিছুক্ষন রাখলেই তা নরম হয়ে ফেটে যায়।
এই বীজের পাউডার বাত ব্যাথা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করতে বিশেষ ভুমিকা রাখে।
আলকুশির বীজ কে যৌন রোগের মহা ঔষধ বলা হয়ে থাকে। যা সকালে বা রাতে গরম দুধের সাথে খেলে কঠিন যৌন রোগ সেরে যায়।
এটি বহুমুত্র বা ডায়বেটিক্স রোগের ক্ষেত্রেও উপকারি।
আলকুশি গাছের শিকড়ের রস ঠাণ্ডা জর বা কাশি এর ক্ষেত্রে উপকার করে থাকে।
এটি চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ভাল কাজ করে।
ধাতু ক্ষয় বা বীর্য তারল্য রোধ করে।

আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা

আলকুশি বীজ চূর্ণ খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে প্রচুর পরিমানে। বলা হয়ে থাকে আলকুশি বীজের উপকারিতা এর চেয়ে আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা বহুগুন বেশি। তাছাড়া আলকুশি গাছ বা এর শিকড়ের রস এর চেয়েও আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা অনেকটাই বেশি। এটির বীজের চূর্ণ স্বাভাবিক ভাবেই দ্রুত কাজ করতে ভুমিকা রাখে। তাই চলুন আলকুশি বীজের পাউডার খাওয়ার উপকারিতা গুলো জেনে নেওয়া যাক।

যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় ও যৌন রোগ প্রতিরোধেঃ প্রায় দুহাজার বছর আগে থেকেই আলকুশির গাছ, বীজ কিংবা পাতার রস মানব দেহের উপকারে ব্যাবহার হয়ে আসছে। এটি প্রজনন ক্ষমতাকে উন্নত করে। এটি নিয়মিত খেলে শুক্র বৃদ্ধি করে যা প্রজনন এর ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখে। গরম দুধের সাথে আলকুশি পাউডার খেলে বীর্য ঘন করে। টেস্টস্টরেন মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ফলে শুক্রানুর সংখ্যা বৃদ্ধি ও গতিশীল করে। ফলে যৌন ক্ষমতা বহুগুনে বেড়ে যায়।

প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বন্ধ্যাতা দুরীকরনেঃ
কম টেস্টস্টরেন বা ফলিকন স্টিমুলেটিং হরমোন ও পোল্যাক্তিন বন্ধ্যাতা এর কারন। নিয়মিত আলকুশি বীজ এর পাউডার খেলে এই সমস্যা সমধান হয়ে যায়।

ডায়াবেটিকস রোগ প্রতিরোধেঃ আলকুশি বীজ এর পাউডারে ডি চিরো ইনসিডল নামক একটি উপাদান রয়েছে। যা ইন্সুলিন এর প্রভাব অনুকরন করতে পারে এবং রক্তে সুগার এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিকস রোগ প্রতিরধে বিশেষ ভুমিকা পালন করে।

ক্যান্সার রোধেঃ পরিশোধিত ও বিশুদ্ধ আলকুশির বীজের পাউডার নিয়মিত খেলে তা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভুমিকা রাখে। এটি সেবনে গ্লুটাথিয়ন ও ক্যাটালজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে এটি এন্টি অক্সিডেন্ট ও ফ্রি র‍্যাডিক্যাল এর আঘাত থেকে কোষ গুলকে রক্ষা করে।

মস্তিস্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতেঃ আলকুশি বীজ এ রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যামিনো এসিড। এটি ডোপামিন বৃদ্ধিতে কাজ করে। তাছড়া এতে থাকা ডোপামিন নামক উপাদান মানুষের চিন্তাধারা ও মানুশিক শক্তি কে বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। আলকুশি বীজ ন্যুট্রপিক উপাদানে ভরপুর যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।



আলকুশি বীজের পাউডার খাওয়ার নিয়ম:

এইবার আলকুশি খাওয়ার নিয়ম জেনে নেওয়া যাক। আলকুশি বীজের পাউডার খাওয়ার নিয়ম জানা থাকলে কিংবা নিয়ম করে খেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। আলকুশি পাউডার খাওয়ার নিয়ম গুলো দেখে নিন।

পাউডার হিসেবেঃ আগেও বলেছি আলকুশি পাউডার এর উপকারিতা সব থেকে বেশি। এক চা চামচ আলকুশি পাউডার গরম দুধের সাথে নিয়ে রাতে ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে খেতে পারেন। তবে ভাল ও কার্যকরী ফল পেতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ও রাতে খাওয়ার পরে ঘুমানোর আগে খাওয়া উত্তম।

ক্যাপসুল হিসেবেঃ ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসবে আলকুশি ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে। বীর্য ঘার ও শুক্রাণু বৃদ্ধিতে আলকুশি ক্যাপসুল অনেক কার্যকরী। তবে আপনি ক্যাপসুল খাওয়ার আগে অবশ্যই কোন হেকিম বা ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন।

চা হিসেবেঃ আলকুশি বীজ এর পাউডার দিয়ে চা বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এ জন্য এক চা চামচ আলকুশি পাউডার ও গরম এক কাপ পানি সাথে একটু চিনি বা গুড় নেওয়া যেতে পারে। এভাবে গরম পানিয়ে মিক্স করে চা এর মতো করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

বীজ হিসেবেঃ আলকুশি বীজ কাচা অবস্থায় সবজি এর মত করে রান্না করে খাওয়া যায়। শিমের বীজ এর মত করে খেলেও ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। তাছাড়া এই সবুজ বীজ গুলা সিদ্ধ করে বেটে বা ভর্তা করেও গরম ভাতের সাথে খাওয়া যেতে পারে।

আলকুশি + অশ্বগন্ধা

গাছ গাছড়া থেকে তৈরি ঔষধ মানব দেহের জন্য সব থেকে বেশি উপকারি। তাই কিছু কিছু সময় একাধিক উপকারি গাছ থেকে একটা ঔষধ তৈরি করা হয়। যা মানব দেহের জন্য আরও বেশি উপকারি। আলকুশি অশ্বগন্ধা তেমনি একটি ঔষধ। যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারি। পাহাড়ি আলকুশি গাছের বীজ এর পাউডার ও অশ্বগন্ধা বীজ এর পাউডার মিক্সিং করে সকালে বা রাতে ঘুমানোর আগে খেলে আপনি হয়ে যাবেন আঠারো বছরের যুবকের চেয়েও শক্তিশালী। বাজারে আলকুশি + অশ্বগন্ধা মিক্সিং পাউডার হিসেবে পাওয়া যায়। আপনি যে কোন বানিয়াতি দোকানে গিয়ে জইজ্ঞেশ করলেই কিনতে পারবেন।

আলকুশি বীজ খেলে কি হয়
অনেকেই জানতে চান আলকুশি বীজ খেলে কি হয়। তাদেরকে বলে রাখা ভাল যে যৌন দুর্বলতা থেকে শুরু করে আরও বেশ কিছু জটিল রোগের মহা ঔষধ হল আলকুশি বীজ বা পাউডার। ক্যান্সার, বন্ধাত্তা দূরীকরণ, যৌন চিকিৎসা, মস্তিস্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি সহ নানান উপকারে আসে এই আলকুশি বীজ। তাই আলকুশি বীজের উপকারিতা জেনে গেলেন। যাদের উপরক্ত সমস্যা গুলা আছে তারা আলকুশি ক্যাপসুল কিংবা আলকুশির হালুয়া খেতে পারেন।

আলকুশি বীজের অপকারিতা
গাছ মানব দেহের জন্য উপকারি আবার অপকারি ও হয়ে থাকে। তবে আলকুশি বীজের অপকারিতা বলতে কিছু নাই। আলকুশি খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে প্রছুর পরিমানে আলকুশি বীজ চূর্ণ খাওয়ার নিয়ম জেনে তারপর খাবেন। তা না হলে একটু সমস্যা হতে পারে। তবে কোন কিছুই মাত্রা অতিরিক্ত ভাল নয়। যারা যৌন দুর্বলতা বা শারিরিক দুর্বলতায় ভুগছেন তারা দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অধিক হারে খাবেন না। প্রতিদিন নিয়মকরে নির্দিষ্ট পরিমানে খাবেন।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/alkushi/

আলকুসী বীজ পাউডার ( দুধে শোধন করা) পরিমাণ: ২০০ গ্রাম আলকুশি (দুধ দিয়ে শোধিত) আলকুশি শারীরিক শক্তি বাড়াতে বিশেষ সহায়ক...

ত্রিফলা পাওডার ( আমলকি, হরতুকি, বহেড়া)/Trifola Powderত্রিফলা পাওডার ( আমলকি, হরতুকি, বহেড়া)পরিমাণ: ২০০ গ্রামত্রিফলা ওজন ...
24/02/2024

ত্রিফলা পাওডার ( আমলকি, হরতুকি, বহেড়া)/Trifola Powder

ত্রিফলা পাওডার ( আমলকি, হরতুকি, বহেড়া)

পরিমাণ: ২০০ গ্রাম

ত্রিফলা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি বিপাক নিয়ন্ত্রণ, হজমের উন্নতি এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত চর্বি অপসারণে সহায়তা করে। সেইসঙ্গে এর হালকা রেচক প্রভাব পাচনতন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে পারে, যা আপনার ওজন কমানোর প্রচেষ্টায় সহায়তা করে। ত্রিফলা ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং পলিফেনলসহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/trifola-powder/

ত্রিফলা (আমলকি, হরতকি ও বহেড়া) এর উপকারিতাঃ

ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী। প্রচলিত আছে, প্রতি সকালে এক কাপ পরিমাণ হরীতকী ভেজানো পানি ব্যবহার করলে রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। আমলকী ও বিভীতকীর (বহেড়া) সঙ্গে হরিতকী ভেজানো পানি, সব রোগের আশ্চর্য মহৌষধ। আমলকী, হরিতকী ও বহেড়া এই তিন ফলের মিশ্রণকে ত্রিফলা বলে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বহুমাত্রিক উপকারী। হরিতকী চূর্ণ ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে, পিত্তশূল দূর হয়। পাইলস, হাঁপানি, চর্ম রোগ, ক্ষত রোগ, কনজাংটিভাইটিস রোগে হরীতকী ব্যবহৃত হয় বিশেষভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। ইহা রক্ত চাপ এবং অন্ত্রের খিঁচুনি হ্রাস করে। হৃদপিন্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। ইহা রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। তাই ইহা নতুন ও পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজন এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। হরিতকীতে এ্যানথ্রাকুইনোন থাকার কারণে ইহা রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/trifola-powder/

ত্রিফলা পাওডার ( আমলকি, হরতুকি, বহেড়া) পরিমাণ: ২০০ গ্রাম ত্রিফলা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি বিপাক নিয়ন্ত্রণ...

আমলকি পাওডার/ Amla Powder১০০% প্রাকৃতিক, বিশুদ্ধ, বাছাই করা আমলকি পাওডার।পরিমাণ: ২০০ গ্রামদাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট ...
24/02/2024

আমলকি পাওডার/ Amla Powder
১০০% প্রাকৃতিক, বিশুদ্ধ, বাছাই করা আমলকি পাওডার।

পরিমাণ: ২০০ গ্রাম

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/amla-powder/

আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমলকির উপকারিতা:
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে।আমলকি লিভার ভাল রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভাল হয়। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে। শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে।লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

জ্বর, বদহজম, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। আমলকির জুস দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী। পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

ব্রঙ্কাইটেসও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।আমলকি গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে থেকে পারেন। খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

আমলকিতে সামান্য লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর খেতে পারেন। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে।ছাড়াও, প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) -এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর।

আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ। আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের উপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরোদ্ধারে সাহায্য করতে পারে।

দাম জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ
https://www.shafaah.com/product/amla-powder/

১০০% প্রাকৃতিক, বিশুদ্ধ, বাছাই করা আমলকি পাওডার। পরিমাণ: ২০০ গ্রাম

Address

Uttora
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shafaah شفاعة posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share