DrooM দ্রুম

DrooM দ্রুম Draw your Dreams ! Droom is a trademarked and copyright protected design based online accessories store. We are Droom, the dreamers of Tomorrow.

Its foundation is based in search of a different point of view of our Bengali root, our days of struggle and our great war of liberation. Droom promises to stand alone in this era of turmoil, to enlighten the path of salvation and Illustrate a better future.

🌼🌿🌻বসন্তের শাড়ি🌻🌿🌼 Falgun collections are available now in DrooM 😍😍                    😍 কলের জামদানী শাড়ি 😍🟠 Price Rang...
27/01/2021

🌼🌿🌻বসন্তের শাড়ি🌻🌿🌼
Falgun collections are available now in DrooM 😍😍

😍 কলের জামদানী শাড়ি 😍
🟠 Price Range -
2100 - 2500৳ ➕ courier cost (on spot delivery charge free)

Grab your own choice! 🌿🤗
💌 Inbox us for order or more details. 💌

Grab your own choice! 🌿
25/01/2021

Grab your own choice! 🌿

Available now...  🌿🌿🌸🌸
22/01/2021

Available now... 🌿🌿🌸🌸

অর্ডার করতে এক্ষুনি ইনবক্স করুন। 😍
22/01/2021

অর্ডার করতে এক্ষুনি ইনবক্স করুন। 😍

আসছে ফাগুন তারপরই পহেলা বৈশাখ। দ্রুমের নিয়মিত ক্রেতারা প্রায় সবাই জানেন দ্রুম তাদের নিজস্ব তাঁতে জামদানী বানায়। যারা ...
19/01/2021

আসছে ফাগুন তারপরই পহেলা বৈশাখ।
দ্রুমের নিয়মিত ক্রেতারা প্রায় সবাই জানেন দ্রুম তাদের নিজস্ব তাঁতে জামদানী বানায়। যারা দ্রুমে নতুন এবং পুরাতন সকলের জন্য আবার মনে করিয়ে দিতে চলে এসেছি। এই ফাগুনে যারা সামনের সকল আয়োজনে জামদানী পরতে ইচ্ছুক তারা এখনই যোগাযোগ করতে পারেন দ্রুমের সাথে।
জামদানী পছন্দের ক্ষেত্রে আপনারা এখানে পাবেন সমস্ত ধরণের সুবিধা। আপনারা পছন্দমতো রং ও ডিজাইন দিয়ে অর্ডার করতে পারেন, আপনাদের কাস্টমাইজড ডিজাইনে আমাদের অর্ডার করতে পারেন, আপনাদের মনমতো প্রাইজ রেঞ্জে আমাদের কালেকশন দেখে পছন্দসই অর্ডার করতে পারেন।
এতো এতো ঘরোয়া অনুভূতির সুবিধা দিয়ে দ্রুম টিম আছে আপনাদের পাশে।
অর্ডার করতে এক্ষুনি ইনবক্স করুন।
হ্যাপি শপিং। ❤️

হ্যালো মেম্বারস, আশা করি করোনার এই সময়কালে সবাই নিজ নিজ যায়গায় ভালো আছেন, সুস্থ আছেন।নতুন কিছু ফিচার নিয়ে দ্রুম আবার একট...
19/01/2021

হ্যালো মেম্বারস,
আশা করি করোনার এই সময়কালে সবাই নিজ নিজ যায়গায় ভালো আছেন, সুস্থ আছেন।
নতুন কিছু ফিচার নিয়ে দ্রুম আবার একটিভ করতে চাচ্ছি। আশা করি আগের মতোই আপনাদেরকে পাশে পাবো।
আপডেট জানতে আমাদের পেইজে চোখ রাখবেন আর গ্রুপে মেম্বার এড করতে ভুলবেন না। 😍
সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ এবং আসছে ফাগুনের শুভেচ্ছা।

সবাই ভালো থাকুন, ঘরে থাকুনএকদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। শুভ নববর্ষ ১৪২৭
14/04/2020

সবাই ভালো থাকুন, ঘরে থাকুন
একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।

শুভ নববর্ষ ১৪২৭

22/04/2018

একাত্তরের ৩ আগস্ট। শেরপুর সীমান্তে নকসি বিওপি-তে পাকিস্তানিদের শক্ত প্রতিরক্ষাব্যুহ। ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর দুই কোম্পানি ক্যাপ্টেন আমীন আহম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শত্রুর প্রতিরক্ষা অবস্থান দখল করার জন্য আক্রমণ রচনা করবে। আক্রমণের সময় ভোর ৩:৪৫ মিনিট। দুই কোম্পানির মোট ৩০০ জনের মধ্যে ১০ জন নিয়মিত সৈনিক, ৮ জন ইপিআর, ৩ জন পুলিশ। বাকি সবাই সল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্রাম বাংলার অতি সাধারণ কিশোর, ছাত্র, জনতা – আমাদের গণযোদ্ধা।
আক্রমণের শুরুতে ভারতীয় আর্টিলারীর যে গোলা পড়ার কথা শত্রু অবস্থানের উপর ভুলে সেসব গোলা এসে পড়তে থাকে আমাদের ছেলেদের উপর। শত্রুর কাঁটা তারের প্রতিবন্ধক, মাইন ফিল্ড ডিঙিয়ে ছেলেরা যখন প্রায় শত্রু অবস্থানের উপর উঠে পড়ছে তখন হতাহতের সংখা প্রচন্ডভাবে বাড়তে থাকে। এ পর্যায়ে ক্যাপ্টেন আমীন দু!বার আহত হয়ে পড়ে যান। আক্রমণ আর পরিকল্পিত রইলো না। এমন সময় শত্রুর এক সৈনিক ক্যাপ্টেন আমীনকে বেয়নেট দিয়ে চার্য করতে এগিয়ে আসে। পাশেই ছিল অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র সালাম। শত্রু সেনা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মহূর্তেই সালাম তার .৩০৩ রাইফেলের মাথার লম্বা বেয়নেট দিয়ে ওকে এফোড়-ওফোড় করে ফেলে।
এক সুবাদার মেজরের ছেলে সালাম। বর্বর পাকিস্তানি পশুরা তার বাবা-মা, ভাই-বোনদেরনির্মমভাবে তারই সামনে হত্যা করে। স্বজনদের হত্যার এই বিভীষিকা এই কিশোরকে করেছে এক প্রত্যয়ী যোদ্ধা। বহুদিন, বহুবার সালাম ক্যাপ্টেন আমীনকে অনুরোধ করেছে তাকে আক্রমণে নিয়ে যাবার জন্য। এক জীবনে কতো কষ্টের ভার বহন করা যায়? বাবা-মা হারা এই ছোট ছেলেটির বুকের ভেতর কতো গভীর ক্ষত আমীন তা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। সালামকে বুঝিয়ে আকেরমণে যাওয়া থেকে বিরত রাখতেন। কিন্তু কোনো বাৎসল্যই সালামকে আটকে রাখতে পারেনি। পিছুটানের আর কিছুই ছিল না সালামের এই পৃথিবীতে। তার অন্তরে অপ্রতিরোধ্য প্রতিশোধ স্পৃহা। আক্রমণের আগে সমবেত এলাকায় (Assembly Area) ক্যাপ্টেন আমীন বিস্ময়ে লক্ষ্য করেন সালাম রাইফেল নিয়ে আক্রমণকারী দলে যোগ দিয়েছে। তাকে দেখেই অন্যান্য ছেলেদের আড়ালে নিজকে লুকাবার চেষ্টা করছিলো। পাছে ক্যাপ্টেন আমীন তাকে আক্রমণে যেতে না দেন। আমীন সব দেখেও কিছু বলেননি।নির্বিকার থেকে সালামের ইচ্ছা পূরণের সম্মতি দিলেন।
বিচ্ছিন্নভাবে হলেও আক্রমণ এগিয়ে যাচ্ছে। শত্রুর অবস্থানের প্রায় পাঁচ গজ কাছে এলে ক্যাপ্টেন আমীনের কনুইয়ে গুলি লাগে। আর এগুনো সম্ভব নয়। শত্রু পিছিয়ে গিয়ে পুনসংগঠিত হয়ে প্রতি-আক্রমণের (Counter Attack) প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাইড রোল করে আমীন তার অসাড় দেহ নিয়ে পশ্চাদপসরণের চেষ্টা করছেন। ছোটখাটো গড়ন এবং খর্বকায় দেহের ক্যাপ্টেন আমীনের শরীর থেকে অব্যাহত ধারায় রক্ত ঝরছে। শরীর হীম হয়ে আসছে দ্রুত। সালাম সেই থেকেই ক্যাপ্টেন আমীনের পাশে পাশে। হঠাৎ সালাম নিজের রাইফেল ফেলে নিহত যোদ্ধার এলএমজি তুলে নিয়ে ‘জয় বাংলা’ হুঙ্কার দিয়ে গুলি করতে করতে শত্রু অবস্থানের দিকে একাই দৌড়াতে শুরুকরে। গুলি করছে আর চিৎকার করছে। এই যুদ্ধের মাঠে প্রচন্ড গোলাগুলির শব্দে কেউ কিছু শুনছে না। ক্যাপ্টেন আমীন শুনছেন-সালাম চিৎকার করে বলছে, ‘তোরা আমার মা-বাবা,ভাই-বোনদের মেরেছিস, তোরা কী মনে করেছিস আমি তোদের এমনিতেই ছেড়ে দেবো?’ এইটুকুন এই ছেলে সালামই বেয়নেট দিয়ে শত্রু সেনাকে হত্যা করে ক্যাপ্ট্ন আমীনের প্রাণ বাঁচিয়েছে।রক্তস্নাত নির্ভিক আমীন অতিকষ্টে ক্ষীণস্বরে ডাকলেন,’সালাম চলে এসো,সালাম চলে এসো’। সালামের ভ্রুক্ষেপ নেই। হাতে এলএমজি, সামনে পাকিস্তানি পশু,আর ভাবনা নেই, আর ভয় নেই। এখনইতো প্রতিশোধ নেবার সময়। সালাম আর ফেরেনি। প্রাণ ভরে, প্রাণ দিয়ে সালাম তার সব প্রতিশোধ নিয়েছে।

বই- জনযুদ্ধে গনযোদ্ধারা
লেখক - মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া

সাতচল্লিশ বছর পূর্বে আজকের দিনে......১৯ এপ্রিল ১৯৭১ সোমবার, মাত্র দু'দিন পূর্বে (১৭ এপ্রিল) শপথ নেয়া বাংলাদেশ সরকারের পক...
19/04/2018

সাতচল্লিশ বছর পূর্বে আজকের দিনে......

১৯ এপ্রিল ১৯৭১ সোমবার, মাত্র দু'দিন পূর্বে (১৭ এপ্রিল) শপথ নেয়া বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী 'বঙ্গতাজ' তাজউদ্দিন আহমেদ ১৮ টি নির্দেশনা ঘোষণা করেন। তিনি এই নির্দেশনাসমূহ মেনে চলতে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের আপামর জনগণের প্রতি অনুরোধ করেন।

'বঙ্গতাজ' ঘোষিত ১৮ নির্দেশনাসমূহঃ
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★

১। কোন বাঙালি কর্মচারী শত্রুপক্ষের সাথে সহযোগিতা করবে না। প্রতিটি কর্মচারী স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন। শত্রু কবলিত এলাকায় অবস্থা বিশেষে বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করবেন।

২। সরকারি আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার ও মুক্তিফৌজকে সাহায্য করবেন।

৩। সকল কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য অবিলম্বে নিকটতম মুক্তিসেনা শিবিরে যোগ দেবেন। শত্রুর সাথে সহযোগিতা করবেন না।

৪। বাংলাদেশ সরকার ছাড়া অন্য কারো বাংলাদেশ থেকে কর, খাজনা ও শুল্ক আদায়ের অধিকার নেই।

৫। যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিশেষ করে নৌ চলাচল সংস্থার কর্মচারীরা কোন অবস্থায় শত্রুকে সাহায্য করবেন না।

৬। নিজ নিজ এলাকায় খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের চাহিদার ওপর লক্ষ্য রাখবেন।

৭। চুরি, ডাকাতি, কালোবাজারি,মজুতদারির ওপর কঠোর নজর রাখবেন।

৮। ধর্মের দোহাই দিয়ে ও অখন্ডতার বুলি আউড়ে এক শ্রেণীর দেশদ্রোহী মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এদের চিহ্নিত করে রাখুন। এদের সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করুন। তাদের মুক্তিফৌজদের হাতে অর্পণ করুন।

৯। গ্রামে গ্রামে রক্ষীবাহিনী গড়ে তুলুন এবং রক্ষীবাহিনীর সেচ্ছাসেবকদের মুক্তিবাহিনীর নিকটতম ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

১০। শত্রুপক্ষের গতিবিধির খবর সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে জানাবেন।

১১। মুক্তিবাহিনীর চলাচলের জন্য চাহিবামাত্র সরকারি যানবাহন হস্তান্তর করতে হবে।

১২। বাংলাদেশ সরকার বা মুক্তিবাহিনী ছাড়া জ্বালানী বিক্রি করা চলবে না।

১৩। কেউ পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অথবা তাদের এজেন্টদের সাহায্য করবে না। যে করবে তাকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

১৪। গুজবে কান দেবেন না। চূড়ান্ত সাফল্য সম্পর্কে নিরাশ হবেন না।

১৫। সকল সুস্থ ও সবল ব্যক্তিকে নিজ নিজ আগ্নেয়াস্ত্রসহ নিকটতম মুক্তিবাহিনী শিবিরে রিপোর্ট করতে হবে।

১৬। শত্রুবাহিনীর ধরা পড়া কিংবা আত্মসমর্পণকারী সৈন্যকে মুক্তিবাহিনীর কাছে সপর্দ করতে হবে।

১৭। পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সকল প্রকার যোগাযোগ ও সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত না হতে পারে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এবং

১৮। তথাকথিত পাকিস্তান বেতারের মিথ্যা প্রচারণা আদৌ বিশ্বাস করবেন না।

ছবিঃ একাত্তরে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (প্রবাসী ও মুজিবনগর খ্যাত) দুই কাণ্ডারি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্য কৃতজ্ঞতাঃ গেরিলা ১৯৭১

17/04/2018

আজ মুজিবনগর দিবস।
১৭ এপ্রিল আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটি স্মরনীয় দিন। এইদিন প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহন না হলে, আইনগত সরকার গঠন না হলে আজকের এই বাংলাদেশ হতো না। ভারতের মাটিতে রাজনীতি করার সুযোগ হতো না, বৈদেশিক কুটনৈতিক তৎপরতা চালানো যেত না, মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং, অস্ত্র সরবরাহ, শরনার্থী সমস্যার সমাধান তদুপরি বৈদেশিক সাহায্য ও স্বীকৃতির কোনকিছুই সম্ভব হতো না।
কিন্তু এই শপথ গ্রহন ১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙায় হওয়ার কথা ছিল, এই সিদ্ধান্ত গোপন থাকেনি যার ফলে ১৩ এপ্রিল পাকহানাদার বাহিনী দখল নেয়, বিমান থেকে বোমা বর্ষন করে।
শেষ পর্যন্ত কাউকে না জানিয়ে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলাকে শপথ গ্রহনের জন্য নির্বাচিত করা হলো, ১৬ এপ্রিল রাতে আমীর উল ইসলাম আর আব্দুল মান্নান কলকাতা প্রেসক্লাবে গিয়ে বিদেশি সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি বার্তা আছে, পরদিন কাকডাকা ভোরে হাজির হতে হবে প্রেসক্লাবে আর এই ব্যাপারটি গোপন রাখার অনুরোধ করলেন।
ওসমানির গায়ে কোন সামরিক পোশাক নেই, বিএসএফের স্টকেও ওসমানীর গায়ে লাগার মত কোন পোষাক পাওয়া গেলো না, পরে ঐ রাতেই কাপড় কিনে দর্জি ডেকে তার জন্য পোষাক তৈরি করা হয়।
১৭ এপ্রিল বিএসএফ কে জানানো হলো ১০০টি গাড়ি লাগবে, ৫০টি আওয়ামি লীগ নেতাদের বাংলাদেশ সীমান্তে যাওয়ার জন্য আর ৫০টি প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিক বহন করার জন্য। এই ভোরেও কলকাতা প্রেসক্লাবে লোকে ধরেনি, ক্লাবের বাইরেও অনেক লোক ছিল।
বিদেশি সাংবাদিকদের আমীর উল ইসলাম বললেন স্বাধীন বাংলার মাটিতে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহন হবে, কোথায় হবে কিভাবে হবে তার জন্য আপনাদেরকে এখন নিয়ে যাওয়া হবে। স্থান তখনো গোপন রাখা হলো।
আম্রকাননে পৌঁছতে বেজে গেলো বেলা ১১টা। মাহবুব ও তোফিক এলাহী গার্ড অফ অনার দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম কে। চিফ হুইপ ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করলেন, বললেন এই স্বাধীনতার ঘোষনা ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকরী বলিয়া গন্য হবে।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ভাষন দেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাজউদ্দীন বলেন এই স্থানের নাম "মুজিবনগর"।

Address

Dhaka
1205

Telephone

+8801675545388

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DrooM দ্রুম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DrooM দ্রুম:

Shortcuts

Share