13/03/2024
https://www.facebook.com/share/p/D2qLNVwuaJvgx24Z/?mibextid=WC7FNe
এভাবে নীরবে কেন চলে গেলেন সাদী ভাই ? আল্লাহ আপনার রুহকে শান্তি দান করুন আমিন।
দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ মারা গেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেছে নেন।
সাদি মহম্মদের ভাই নৃত্যশিল্পী শিবলী মহম্মদ সাংবাদিকদের জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ দেখা যায় তার ঘরের দরজা বন্ধ। কিছুক্ষণ পর দরজা ভেঙে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গত বছরের ৮ জুলাই মা জেবুন্নেছা সলিমউল্লাহ মারা যান। এর পর থেকে মানসিকভাবে স্বাভাবিক ছিলেন না। মা হারানোর বেদনা সম্ভবত তিনি নিতে পারেননি।
রাত সাড়ে ৯ টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।
পারিবারিক বন্ধু নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নীপা একাত্তরকে বলেন, তার মা চলে যাওয়ার পর থেকে একটা ট্রমার মধ্যে চলে যান। ঠিক স্বাভাবিক ছিলেন না মানসিকভাবে। মা হারানোর বেদনা সম্ভবত তিনি নিতে পারেননি। এভাবেই চলছিলো। বুধবার রোজা রাখলেন। ইফতারও করলেন। এরপরই তিনি নীরবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছি।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের চিকিৎসক সাগতিক লোহানি জানিয়েছেন, দেশবরেণ্য এই শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তার গলায় দাগ পাওয়া গেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে নিজ কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে আনা হলে আমরা তাকে মৃত পাই। প্রাথমিক সিদ্ধান্তে আমরা এটাকে আত্মহত্যা হিসেবে মনে করছি।’
পরিবারের সদস্যরা তাকে নিজ কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় পেয়েছেন বলেও জানান এই চিকিৎসক।
ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীতে পড়াশোনা করা সাদি মহম্মদের বাবা শহীদ সলিমউল্লাহ। ১৯৭১ সালে মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের সি-১২/১০ বাড়িটি ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সূতিকাগার। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা সলিম উল্লাহর বাড়িতে নিয়মিত বৈঠকে আসতেন দলের শীর্ষ নেতারা, আসতেন বঙ্গবন্ধুপুত্র শহীদ শেখ কামালও।