25/12/2020
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বহু মানুষ আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে মাইগ্রেট হচ্ছেন। ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট বিজনেসে বাংলাদেশীরা ভারত, পাকিস্তানের থেকেও এগিয়ে। আমেরিকার নিউইয়র্কের জ্যামাইকা, ব্রুকলিন, জ্যাকসন হাইটসে বিভিন্ন অভিবাসী-প্রধান এলাকা এখন বাঙ্গালী অধ্যুষিত। এসব এরিয়াতে বেশির ভাগ রেস্টুরেন্ট ও মুদী দোকানের মালিক বাংলাদেশী ভাইবোনেরা। যখন বাংলাদেশীদের কেউ বিদেশের মাটিতে সফল হতে দেখি তখন আসলেই আমাদের গর্ব হয়।
অপরদিকে আমেরিকার টেক-রাজধানী বলে পরিচিত সিলিকনভ্যালী এখন ইন্ডিয়ান ও চাইনিজদের দখলে। কারন তারা টেকনিক্যালি স্কিলড, পরিশ্রমী, ও নতুন চ্যালেঞ্জে নেওয়ার মত সাহসী। ফলে দেখা যাচ্ছে আমরা বিদেশে গিয়ে যখন একটি মুদির দোকানে অল্প বেতনে চাকরী করে সন্তুষ্ট তখন ইন্ডিয়ান ও চাইনিজরা ইন্টেল, মাইক্রোসফট, গুগোল, ফেসবুকের আকর্ষণীয় বেতনের চাকরী গুলো নিজেদের করে নিচ্ছে। আমরা যখন বহু বছর বিদেশে থেকে একটি বাংলা রেস্টুরেন্ট দিয়ে থিতু হয়ে নিজেকে সফল মনে করি তখন ইন্ডিয়ান ও চাইনিজরা নিজেরাই নিজেদের প্রযুক্তি কোম্পানি দিয়ে গোটা বিশ্ববাজারে আলোচনায় চলে এসেছে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে যখন দেখি বিদেশের মাটিতে আমরা ঝালমুড়ি, মিষ্টিপান বিক্রি করে খুব গর্ববোধ করছি তখন ইন্ডিয়ানরা গর্ব করে সত্য নাদেলা (মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী), সুন্দর পিচাই (গুগলের প্রধান নির্বাহী) শান্তনু নারায়ণ (অ্যাডোবের / Adobe প্রধান নির্বাহী) ও আইটি খাতের ওদের হাজার হাজার কর্মী নিয়ে।
এত কিছুর ভিড়ে আমাদের আশা বাঁচিয়ে রাখে বাংলাদেশের বর্তমান তরুণ প্রজন্ম। কারন এই প্রজন্মের তরুণেরা স্মার্ট ও সাহসী। সব-থেকে বড় ব্যাপার এরা নিজেদের পরিবর্তন নিয়ে আশাবাদী। এই আশা-বাদ বা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি হচ্ছে একজন মানুষের সব থেকে বড় হাতিয়ার। এদের প্রয়োজন সঠিক “গাইডলাইন”। গাইডলাইনের অভাবে আজ আমাদের তরুনরা সময় অপচয় করছে ফেকবুক, ইউটিউব, টিকটক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে। অথচ স্মার্ট ভারতীয় এবং চাইনিজরা এখন ব্যস্ত Software Testing, Business Analytics, Digital Marketing, Microsoft DBA, Cloud Computing - এসব নিয়ে। আমরা TEP Solutions, নিজেদেরকে মনে করি একটি গাইডলাইন প্রদানকারী সংস্থা যারা প্রতিনিয়ত আইটি ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছি বিদেশে অভিবাসনে প্রক্রিয়াধীন বাংলাদেশি ভাই-বোনদের। আমাদের ১৯ বছরের ট্রেনিং অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমরা বাংলাদেশীরা যদি সঠিক গাইডলাইন পাই তবে আমাদের সাথে প্রতিযোগীটায় পেরে উঠারমত আর কোন জাতি রয়েছে কিনা সন্দেহ।
নতুন বছরের শুরুতেই টেপ সিলেটের উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে Software Training (using selenium) কোর্স, বিদেশে একজন Software Tester এর গড় বাৎসরিক বেতন $52,789 বা সাড়ে চার লক্ষ টাকা । এই টেস্টিং জব পেতে আপনার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া আবশ্যক নয়, ইন্টার (এইসএসসি) বা অনার্স পাস করা অনেকেই আমাদের কাছে কোর্স করে হয়ে গেছেন সফটওয়্যার টেস্টার। TEP Solutions শুধু কোর্সই নয়, আইটি জব পাওয়ার আগ পর্যন্ত টেপ তাদের শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের প্রফেসনাল সাপোর্ট দিয়ে থাকে (সিভি, ইন্টারভিউ প্রস্তুতি, নেটওয়ার্কিং প্রভৃতি)। আমাদের কত স্টুডেন্টদের আমারা নিজেরা বিদেশে চাকুরীর ব্যবস্থা করেছি তা টেপের প্রাক্তন স্টুডেন্টদের কাছে জিজ্ঞেস করলেই পাওয়া যাবে। উল্লেখ আমাদের টেপ সিলেটের সকল কার্যক্রম আমাদের আমেরিকার নিউ জার্সির প্রধান অফিস (TEP Solutions & Consulting) থেকে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত।
টেপ বরাবরই একটি প্রচার-বিমুখ একটি প্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়িক লাভ ক্ষতি কখনই টেপের কাছে মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল না। টেপের প্রতিষ্ঠাতাগণ প্রত্যেকে নিজের অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী আইটি কমিউনিটি গড়ে তোলা টেপের অন্যতম মুখ্য লক্ষ্য। বাংলাদেশীদের একটি দক্ষ আইটি কর্মী জাতি হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করাই আমাদের স্বপ্ন। আমাদের অনুরোধ, আপনারা টেপের কাছে না হোক অন্য জায়গা থেকে হলেও একটি আইটি কোর্স করে বিদেশে আসুন, নাহলে বছরের পর বছর আপনার অড জব করে যাওয়া লাগবে, এবং আমরা জাতি হিসেবে বিদেশে অদক্ষ শ্রমিক হিসেবেই পরিচিত হব। আমরা চাই এত বাংলাদেশী মানুষ আইটি জব করুক যে সিলিকন ভ্যালীর বড় বড় তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের ক্যাফেটেরিয়া গুলোতে ঝালমুড়ি, মিষ্টিপান ও বাংলা খাবার রাখুক বাংলাদেশী প্রযুক্তি কর্মীদের উদ্দীপনার জন্য। এভাবেই সামনে এগিয়ে যেতে হয়, এভাবেই নিজেদের ও দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে হয়।
মূল্যহ্রাস/ছাড়সহ Software Training (using selenium) কোর্সটি করতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন 01711700939, 01893346215 এই নাম্বার দুইটিতে।