Njoys Shop

Njoys Shop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Njoys Shop, Dhaka.

প্রসংগঃ দুর্ঘটনা - দোষ কারভাইফেয়ার এন্ড লাভলি মাখলে ৭ দিনে রং ফর্সা হয়... এমন বিজ্ঞাপনতো ছোট থেকেই দেখে আসছি... তার সত্য...
26/10/2019

প্রসংগঃ দুর্ঘটনা - দোষ কার

ভাই
ফেয়ার এন্ড লাভলি মাখলে ৭ দিনে রং ফর্সা হয়... এমন বিজ্ঞাপনতো ছোট থেকেই দেখে আসছি... তার সত্যতা কি আমরা পাইছি....

তো dot, ece এসব দ্বারা সার্টিফাইড মানেই কি সব কিছু!!!

বুলেটপ্রুফ একটা হেলমেট যদি ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে তবে কি ঠিক থাকবে?

dot, ece certified হেলমেট মাথায় দিয়ে যদি ৫০+ স্পিডে কোন কিছুর সাথে মাথার সংঘর্ষ হয় তখন কি মাথা ঠিক থাকবে?

হেলমেট বা সেফটি গিয়ার না পড়ে

লোহার শিরস্ত্রান, বর্ম এসব পড়লেও নিরাপত্তা নিশ্চিৎ হবে না...যদি না আপনি আপনার লিমিট বুঝতে পারেন....

গতকাল আমি বাইকে আমার মা কে নিয়ে যাচ্ছিলাম (RTR 4V) হঠাৎ পেছনে ব্রুম ব্রুম দেখলাম ৫/৬ টা বাইক (CBR/ R15 এসব) আমার ২ পাশ দিয়ে অন্যান্য গাড়িকে বিপজ্জনকভাবে পাশ কাটিয়ে এমনভাবে গেল...
গ্রাম থেকে ঢাকায় আসা আমার মা (যে বাইকের পেছনে বসে অভ্যস্থ, কারণ আমাদের অনেক আগে থেকেই বাইক ছিল) বলল- এসব কি বাবা?

আমি বললাম- পোলাপান মানুষতো তাই এমন....
আর মনে মনে ওদের গালি দিলাম....

এভাবে রাস্তায় চললে MT, BILMOLA, LS2 বা কিছু রাইডিং গিয়ার এদের সেইভ করতে পারবে না.....
রাস্তায় সিএনজি বেপরোয়াভাবে চলে....
ওসব হিসাব করতেই হবে....

সাধারণ চলাচলের রাস্তাতো race track না এটা ওদের বুঝতে হবে....
কেউ কেউ ভাবে ১০০+ স্পিড, হুইলি, বাউলি, স্টপি এসব করতে পারলেই লিজেন্ড বাইকার....

Road এ এসব তথাকথিত লিজেন্ড এর বেল নাই....

একটা বাইসাইকেল, ৫ বছরের একটা বাচ্চা, ২ কেজি ওজনের একটা বিড়াল, ২৫০ মিঃলিঃ এর একটা Mojo র বোতল আপনার লিজেন্ডারি ধরাশায়ী করার জন্য ০.২০

10/10/2019
দশম শ্রেণীতে পড়তাম।আম্মা ১০০০ টা টাকা দিলেন।সাথে একটাবাজারের লিস্ট।বাজার করতে গিয়ে পকেটে হাত দিয়ে দেখিটাকা গায়েব।ছোট পথ ...
03/08/2019

দশম শ্রেণীতে পড়তাম।আম্মা ১০০০ টা টাকা দিলেন।সাথে একটা
বাজারের লিস্ট।বাজার করতে গিয়ে পকেটে হাত দিয়ে দেখি
টাকা গায়েব।ছোট পথ বিধায় তন্ন তন্ন করে টাকা খুঁজতে লাগলাম।
মধ্যবিত্ত সংসার। ১০০০ টাকা বলতে আমাদের কাছে পাহাড়সম।
পাবো না জেনেও পাগলের মত টাকা খুঁজতেছি।ঘর থেকে
ছোটভাই পিটুকে আমার খোঁজে পাঠিয়েছেন আম্মা।ঘরে নাকি
রান্না চড়ানো হয়নি এখনো।আমি প্রচন্ড টেনশানে মুখগোমড়া
করে বসে আছি।পিটু বড়ি চল বাড়ি চল বলে ঘ্যানঘ্যান করতে
লাগলো।ঠাস করে গালে একটা চড় বসিয়ে দিলাম।পিটু হততম্ব
হয়ে তাকিয়ে আছে।আমি হু হু করে অবুজের মত কান্না করতে
লাগলাম।পিটুর ফর্সা গালে দাগ বসে আছে।সে কি বুঝলো ঠিক
জানি না।বাড়ি ফিরে গেলো।আমি ভয়ে অস্থির।আজকে পিঠের
ছাল বোধয় আর থাকবে না।কি জানি পিটু গিয়ে মাকে কি বলে।
লুকিয়ে যাবো কিনা তাও বুঝতে পারছি না।আমি কি ভেবে স্তব্ধ
হয়ে বসে কান্না করতে লাগলাম।
একটু পর দেখি পিটু হাতে মাটির একটা ব্যাংক নিয়ে আমার কাছে
এগিয়ে আসছে।আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছি।পিটু এসে
বললো ভাইয়া ব্যাংকটা ভেঙ্গে ফেলো।জানিনা কতটাকা
হয়েছে।একবছর ধরে জমিয়েছি।বাবা প্রতিদিন দুটাকা দেয়।মাও
দিতো।ভাইয়া তুমিও অনেক টাকা দিয়েছো।আমার কাছে হিসেব
আছে।তুমি এ পর্যন্ত একশো পঞ্চান্ন টাকা দিয়েছো।কিছু না
ভেবে পিটুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।বোধয় অনেক্ষণ
ধরে কেঁদেছি।পিটু বললো ভাইয়া শুধু কি কান্না করতে থাকবে
নাকি ব্যাংকটা ভেঙ্গে টাকা বের করবে।মা অপেক্ষা করছে
তো।
দুভাই মিলে রাস্তার উপর ব্যাংক ভেঙ্গে টাকা গুনছি। আমার মনে
হলো এই দৃশ্যটা পৃথিবীর সবচাইতে সেরা একটি দৃশ্য। প্রায়
বারোশত টাকা জমিয়েছে পিটু।অনেকদিনের জমানো টাকা খরচ
করতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু আমার উপায় নেই।বাজার বাবত নয়শো
টাকা খরচ করেছি।পঞ্চাশ টাকা দিয়ে পিটুর জন্যে নতুন একটা ব্যাংক
কিনলাম এবং সেখানে বাকী টাকাগুলো ফেলে দিলাম।তার কাছে
ওয়াদা করলাম এবার থেকে আমিও টাকা জমিয়ে তার দেয়া ঋণ
শোধ করবো।সে তাকিয়ে হাসলো।পিটু আর আমি দুভাই দুটো
জিলাপী কিনে বাজার সহ বাসায় রওয়ানা হয়েছি।
সেদিন দেরি করার জন্যে মার হাতে অনেক মার খেয়েছি।কিন্তু
পিটুর ভালোবাসার কাছে সেদিন মারগুলো অতি তুচ্ছ মনে হল।
পিটুর সপ্তম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে।
সে পাশ করতে পারেনি।আমি বেশ চিন্তিত।বাবা নিশ্চই পিটুকে
আস্ত রাখবে না।ঘরে গিয়ে বাবাকে কিছু জানাই নি।মা বেশ
কয়েকবার জিজ্ঞেস করলেন।আমি ভয়ে ভয়ে জবাব দিলাম পিটু
ফেল করেছে।মা বেশ বিব্রত বোধ করলেন।এটা বাবাবে
বললে ছোট্ট পিটুকে আস্ত রাখবেন না।বাবা বেশ রাগী কিনা!
কিন্তু সে রাতে বাবা কেমন করে জানি জেনে গেলেন
ব্যাপারটা।স্কুলে ফোন করেছিলেন বোধয়।তারপর ছোট্ট
পিটুকে এমন মার মারলেন দেখে আমি আর মা কাঁদতে লাগলাম।
পিটুকে সেদিন বাঁচাতে পারিনি ভয়ে।
রাতে মা জুবুথুবু হয়ে কাঁদছেন।বাবা অনেক বকেছেন মা কে।
আমি জানি পিটু কোথায় লুকিয়ে থাকবে।আমি চুপি চুপি রান্নাঘরে
গিয়ে প্লেটে ভাত বেড়ে পুরোনো আসবাব রাখার ঘরের
ছাদে উঠে গেলাম। হাতে ভাতের প্লেট পকেটে মোমবাতি
আর দেয়াশলাই।পিটুর সারাগায়ে মারের দাগ।সে আমাকে জড়িয়ে
ধরে কাঁদতে লাগলো।সাথে আমি কাঁদছি।মোমবাতি জ্বালিয়ে
পিটুকে ভাত খাইয়ে দিলাম।পিটু বললো ভাইয়া আমাকে কি
কোনো ক্রমেই অষ্টম শ্রেণীতে তুলতে পারবে না?
পরেরবার থেকে খুব ভালো করে পড়বো।আর দুষ্টুমি
করবো না।সত্যি বলছি তোমায়।
কিচ্ছু ভাবিনি সেদিন।পরেরদিন সোজা গিয়ে মাস্টার চাচার পা চেপে
ধরেছি।কঠিন শপথ করে বলেছি আমি খুব করে পড়াবো চাচা।
আপনি না বলেন আমি ভালো ছাত্র।মেধাবী ছাত্র।আমার ভবিষ্যৎ
নাকি উজ্জ্বল।চাচা আপনার সেই মেধাবী ছাত্রই আপনার পা ছুয়ে
বলছে আমার ছোট্ট পিটু পারবে।দয়া করে পিটুকে পাশ করিয়ে
দিন।
মাস্টার চাচার মন গললো।বোর্ড পরীক্ষা ছিলো না বিধায়
হেডস্যারকে খুব রিকোয়েস্ট করে পিটুকে অষ্টম
শ্রেণীতে তুলে দিলো।
ঠিকই পরের বছর অবিশ্বাস্য ভাবে পিটু চারটা সাবজেক্ট লেটার
মার্ক নিয়ে বেশ ভালোভাবে পাশ করলো।আমার কষ্ট পিটু
সার্থক করলো।পুরো স্কুলে সবচাইতে বেশি নম্বর
পেলো।
আমার খুশি দেখে কে।খুশিতে আমি পিটুকে জড়িয়ে ধরে
অনেক্ষণ কাঁদলাম।বেশ মন ভরেই কাঁদলাম।ঠিক যেদিন হাজার টাকা
হারিয়ে ফেলেছিলাম সেদিনের মত।বাবা কাঁদলেন।কাঁদলেন মা
আর মাস্টার চাচা।
অর্থকষ্টের মধ্যেও খুশিতে বাবা ঘোষণা করলেন আমরা
বেড়াতে যাবো।নীলগিরির নীল আকাশে সবাই হারিয়ে যাবো।
২৭ ডিসেম্বর গেলাম পুরো একটা দিন অনেক মজা করলাম।রাতে
ফেরার পথে ঘন কুয়াশার কারণে আমাদের ড্রাইভার দিক হারিয়ে
ফেললো।গাড়ি উঁচুনিচু রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গেলো।
ঠিক কতদিন পর জানি না।চোখ খুলে দেখলাম বাবা-মার চোখ
ভীষণ ফোলা।তারা আমাকে জাগতে দেখে হু হু করে
কেদে উঠলো।মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করলাম।মনের
অজান্তে অস্ফুট স্বরে পিটু পিটু করতে লাগলাম।চোখের
কোণায় অশ্রু গড়িয়ে পড়লো।জানি না কেনো।
হ্যাঁ সেদিন আমি জাগলেও পিটু আর জাগে নি।দুর্ঘটনার সাথে
সাথেই আমার ছোট্ট পিটু আর ড্রাইভার মারা যায়।মা-বাবাও কম বেশি
ব্যাথা পান।আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আর পিটুকে সেদিনই
দাফন করা হয়।
সুস্থ হওয়ার পরে পিটুর কবরের পাশে দাড়িয়ে চিৎকার করে
বললাম পিটু ওঠ আমার ভাই। তোকে আমি নবম শ্রেণীতে ভর্তি
করবো।তুই হবি আমার স্কুলের ছাত্র হয়ে পাশ করা প্রথম ডাক্তার।
তুই আমার কাছে ওয়াদা করেছিলি পিটু ভালো করে পড়বি।তোকে
ওঠতে হবে পিটু।তোর হাজার টাকার ঋণ যে শোধ করা হলোনা!!!
#জীবনের_গল্প

প্রেমে পড়লে প্রথম প্রথম সবপ্রেমিক...ই যত্ন রাখে !আসল প্রেমিক তো সেযে শেষ জীবন পর্যন্ত সঙ্গী হয়েপাশে থাকে ।
02/07/2019

প্রেমে পড়লে প্রথম প্রথম সব
প্রেমিক...ই যত্ন রাখে !
আসল প্রেমিক তো সে
যে শেষ জীবন পর্যন্ত সঙ্গী হয়ে
পাশে থাকে ।

সংসারী ছেলে মা কে ডেকে বলছে......... "মা একটা কথা বলি?আমার একটা অনুরোধ রাখবে?"মা-"তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি?বল তোর স...
02/11/2017

সংসারী ছেলে মা কে ডেকে বলছে......... "মা একটা কথা বলি?আমার একটা অনুরোধ রাখবে?"
মা-"তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি?বল তোর সব কথা আমি রাখবো।"
"তোমার বৌমা বলছিলো...তোমার তো বয়স হয়েছে।এখন তো তোমার শরীরের একটু বিশ্রাম প্রয়োজন... আর এই বাড়িটা তো খুব একটা ভালো না। ছোট ঘুপচি....... তোমার কাশিটাও বেড়ে গেছে। আরো তো ডায়বেটিকস আছেই, হার্টের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা আরো কতো কি!"
মা:"হ্যাঁ রে... মনে হয় আর বেশিদিন..."
" আহ... থামো তো মা। তোমার সবসময় দেখাশোনার জন্য কাউকে রাখতে হবে। আচ্ছা তোমাকে তাহলে গ্রামের বাড়িতে... না না ওই যে বৃদ্ধাশ্রমের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ভর্তি করালে কেমন হয়?......এটাই বলছিলো তোমার বৌমা। ওখানে অনেকে থাকবে তোমার মতোই। তাদের সাথে গল্প করতে পারবে আর এ বাড়িতে তো কেউই নাই, আমি ব্যাবসায় দৌড়াচ্ছি, তোমার বৌমা অফিসে আর মিঠু তো সারাদিনই স্কুলে।ওখানে তুমি আরামেই থাকবে মা।....... মা এটাই আমার . . মানে আমাদের অনুরোধ ছিলো।"
"আচ্ছা তুই চাইলে তাই হবে"।
"থ্যাংকস মা......আচ্ছা কালকে বিকেলেই কিন্তু তাহলে ওখানে যাচ্ছো। তোমার ব্যাগ গুছিয়ে রাখবে।"
পরের দিন:অস্বস্তিকর জ্যামে আটকে আছে মা-ছেলে।নীরবতা ভাঙলেন মা.......
"বাবা ওখানে আমাকে দেখতে যাবি তো ?পারলে একটা ফোন কিনে দিস আমাকে..."
" হা হা হা ...মা তুমি ফোন দিয়ে কি করবে ?আহা... ওখানে ফোন আছে তো......"
কিছুক্ষন পরে একটা পাঁচতলা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামালো। আবার বেশকিছুক্ষন নিরব থেকে এবার ছেলে বলে উঠলো...
"নামো মা..... এটাই তো ওই বৃদ্ধাশ্রম মা।দেখেছো! বলেছিলাম না তোমার পছন্দ হবে।তোমার জন্য দোতালার দক্ষিনের ঘরটা বুকিং করে রেখেছি।"
টিং ডং টিং ডং(দরজা খুললো)
"হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ! !
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ 'মা' ! ! !"
দরজা খুলতেই চমকে গেলেন মা। আরে ওই তো তার একমাত্র নাতি আর বৌমা বিশাল একটা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এতো বেলুন আগে কখনো দেখেননি । এতো আয়োজন করে কখনো কেউ তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায় নি। আরে ওই তো তার দুই মেয়ে আর তাদের জামাই দাঁড়িয়ে। ওদেরও ডেকে এনেছে তার পাগল ছেলেটা।
" হ্যাপি বার্থ ডে মা"
মা:"তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস (কান্নাভেজা কন্ঠে)
কিন্তু এটা কার ঘর?"
" বাড়ির ফলকে নাম দেখোনি! বাবার নামে রেখেছি । মা পুরো বাড়িটাই আমাদের। এবার তুমি আরামে থাকতে পারবে মা।
"তুই না ! !এমন কি কেউ করে?(কান্না ভেজা চোখে জোরে জোরে মাথা নাড়ছেন। আনন্দে কথা বলতে পারছেন না)
পার্টি শেষে ঘুমাতে যাবে এমন সময় পেছন থেকে মায়ের ডাক। হাতের ব্যাগটা আঁতিপাঁতি খুঁজে একটা কৌটা বের করে ছেলের হাতে ধরিয়ে দিলেন।
" নে এটার আর দরকার হবে না। ইঁদুরের বিষ ! চিন্তা করেছিলাম যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসিস তাহলে সেদিনই খেয়ে নেবো।"
"ধুর মা কি যে বলো !এটায় তো সেসব আমি কাল রাতেই পাল্টে তোমার ক্যালসিয়ামের ওষুধ ভরে রেখেছি। তুমি ঘুমাও।"
মার আজ আর কিছুই চাওয়ার নেই। আর কিছু না হোক তার ছেলেকে অন্তত মানুষ করতে পেরেছে সে। যাক আজকের ঘুমটা সত্যিই আরামের হবে, ঘুমের ঔষুধ খেতে হবে না ।

আমার গল্প ভাল লাগলে
I LOVE U MA,,
লিখতে ভুলবেন না!

ঝরের বেগে Share করে সবাইকে সচেতন করে তুলুন।আপনার একটি Share বেঁচিয়ে দিতে পারা একটি তাজা প্রাণ।এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও বি...
10/10/2017

ঝরের বেগে Share করে সবাইকে সচেতন করে তুলুন।
আপনার একটি Share বেঁচিয়ে দিতে পারা একটি তাজা প্রাণ।

এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত একটি মরণ খেলা বা সুইসাইড গেমের নাম 'ব্লু হোয়েল'। প্রযুক্তি নির্ভর এই ভয়ঙ্কর গেমটি নেশার ফাঁদে পড়ে আত্মহত্যা করতেও পিছপা হচ্ছে না তরুণ-তরুণীরা।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মরণঘাতী এই গেমের নির্মাতা কে? কেনই বা তৈরি করলেন এই গেম? চলুন জেনে নিই এ সম্পর্কে-
গেমটির নাম ‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale বাংলা করলে এর অর্থ দাঁড়ায় 'নীল তিমি'। গেমটির নির্মাতার নাম ফিলিপ বুদেকিন। ফিলিপ রাশিয়ার নাগরিক। তার ডাকনাম ফিলিপ ফক্স।

১৮ বছর বয়সে ফিলিপ ২০১৩ সালে প্রথমে ব্লু হোয়েল নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রথমে তিনি সামাজিকমাধ্যমে 'এফ৫৭' নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেন। এরপর ৫ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা করেন। ৫ বছরের মধ্যে যেসব মানুষ সমাজের জন্য অপ্রয়োজনীয় (তার মতে) তাদের ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেন।

ফিলিপ যখন এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেন তখন তিনি রাশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। তিনি সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর পড়াশোনার পর ব্লু হোয়েলের বিষয়টি প্রকাশ হলে ২০১৬ সালে তাকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময়ে তাকে গ্রেফতার করে রাশিয়ার আইনশৃংখলা বাহিনী। গত মে মাসে এক গোপন বিচারের মাধ্যমে ফিলিপকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে দণ্ডভোগ করছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।
ব্লু হোয়েল গেম কীভাবে কাজ করে? ব্লু হোয়েল মোটেও ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিছক গেম নয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক একটি ডিপওয়ে গেম। বলা হচ্ছে, যেসব কম বয়সী ছেলে-মেয়ে অবসাদে ভোগে, তারাই অসাবধানতাবশত এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো ক্লান্তি বা বিষণ্নতা দূর করার গেম নয়। আত্মহত্যার প্রবেশপথ মাত্র।

নেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না এই গেম, খুঁজে পেতে পারেন কারো পাঠানো কোনো
গোপন লিংকের মাধ্যমে। এটি একটি সুইসাইড গেইম অর্থাৎ গেম খেললে মৃত্যু অনিবার্য। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন – একটি গেম খেললে কিভাবে মৃত্যু হবে?

‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি। গেমের ৫০টি ধাপ রয়েছে। মনে রাখবেন – একবার গেমটি ইনস্টল করলে তাকে গেমের সবগুলো স্তর শেষ করার করার জন্য বাধ্য করবে অ্যাডমিন। মানে নিশ্চিত মৃত্যু।
২০১৩ সালে F57 নামক রাশিয়ান একটি হ্যাকার টিম এই গেমটি তৈরি করেছিল। তবে ২০১৫ সালে VK. com নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এবং প্রচুর ডাউনলোড হয় গেমটি। রাশিয়ায় এই গেম খেলে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৫১ জন এবং রাশিয়ার বাইরে মারা গেছে ৫০ জন।

কেন গেমটি থেকে বের হওয়া যায় না ? গেমটি মূলত একটি ডার্ক ওয়েভের (dark wave) গেম। ডার্ক ওয়েভ হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ। মনে রাখবে- গেমটি আপনি একবার ডাউনলোড করলে আর কখনোই আনইনস্টল করতে পারবেন না। গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশান ও তারা জেনে নিচ্ছে! আর এসব তারা করছে খুব কৌশলে।

‘ব্লু হোয়েল’ গেম ওপেন করা মাত্র আপনাকে একজন অ্যাডমিন পরিচালনা শুরু করবে। গেমটির প্রথম দশটা লেভেল খুবই আকর্ষনীয়। ইউজার অ্যাডমিন কিছু মজার মজার নির্দেশনা দেন – যেমন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে হরর ছবি দেখা, চিল্লাচিল্লি করা, উঁচু ছাদের কিনারায় হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এ কারণে গেমের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন কিশোর-কিশোরীরা। আর এই কৌশলেই অ্যাডমিন হাতিয়ে নেবেন আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন। যা চলবে ১৫ লেভেল পর্যন্ত।

এরপর শুরু হবে পরের লেভেলগুলো ভয়ংকর সব টাস্ক। ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা, সারা গায়ে আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করা, কখনো ভোরে একাকি ছাদের কার্নিশে ঘুরে বেড়ানো, রেল লাইনে সময় কাটানো, ভয়ের সিনেমা দেখা ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ নেয়ার পর এসব ছবি কিউরেটরকে পাঠাতে হয়। একবার এই গেম খেললে কিউরেটরের সব নির্দেশই মানা বাধ্যতামূলক। তার শেষের দিকের লেভেলে আত্মনির্যাতনমূলক বিভিন্ন টাস্ক সামনে এলেও কিশোর-কিশোরীরা এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যে, গেম ছেড়ে বের হতে পারে না। আর এরই মধ্যে কৌশল পরিবর্তন করে অ্যাডমিন। আপনি টেরই পাবেন না প্রথম বিশ ধাপে সংগ্রহ করে ফেলা আপনার তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনাকে মোহাক্রান্ত বা হিপনোসিস পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু করা হবে। আপনি তখন ভাববেন এই গেম ছাড়া আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব। একই সঙ্গে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দুর্ব্যবহারর মাধ্যমে আপনাকে কৌশলে নিঃসঙ্গ মানুষ বানিয়ে ফেলা হবে।

পঁচিশ লেভেলের পর নির্দেশনা আসবে মাদক বা ড্রাগ নেবার! এভাবেই সম্মোহিত করে করে আপনাকে তিরিশ লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। আর ৩১তম লেভেলে আপনার নগ্ন ছবি চাওয়া হবে! আপনি হিপনোসিস ও মাদকের কারণে নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেও চিন্তা করবেন না, ড্রাগ নেবার মাত্রা বাড়াতে থাকবেন আপনি!
এরপর নির্দেশনা আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে সেক্স করে গোপনে ছবি তুলে আপলোড করতে বা নিজের শরীরে একাধারে শ' খানেক সুঁই ফোটাতে এবং ফটো আপলোড করে পাঠাতে। এভাবেই চলে যাবেন আপনি ৪০তম লেভেলে! এরপর আপনার জ্ঞান ফিরবে, বাঁচার আকুতি জানাবেন আপনি, কাঁদবেন আর বলবেন দয়া করে গেমটি আনইনস্টল করুন।

ওপরে বলা হয়েছে এই গেমে একবার ঢুকলে আর বের হওয়া যায় না। সেটার ব্যাখ্যা ইতিমধ্যে আপনি পেয়ে গেছেন। তারপরও বলে রাখা ভালো, এই পর্যায়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইলিং করবে অ্যাডমিন। কারণ আপনি বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন, আর গেমার টিম বা অ্যাডমিন তখন আপনারই পাঠানো সকল তথ্য ফাঁস করে দেবার হুমকি দেবে। কারণ নগ্ন ছবিসহ আপনার যাবতীয় তথ্য তখন তাদের হাতে থাকবে। তখন আপনি বাধ্য হয়ে প্রবেশ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় গেমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম ধাপে ইউজারদের এমন কিছু টাস্ক দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ করা মানেই আত্মহত্যা। আর এর মাধ্যমেই ঘটে গেমের সমাপ্তি।

ব্লু হোয়েলে আসক্তদের চিনবেন কীভাবে- যেসব কিশোর-কিশোরী ব্লু হোয়েল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে তারা সাধারণভাবে নিজেদের সব সময় লুকিয়ে রাখে। স্বাভাবিক আচরণ তাদের মধ্যে দেখা যায় না। দিনের বেশিরভাগ সময় তারা কাটিয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। থাকে চুপচাপ। কখনও আবার আলাপ জমায় অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে। গভীর রাত পর্যন্ত ছাদে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় অনেককে। একটা সময়ের পর নিজের শরীরকে ক্ষত-বিক্ষত করে তুলতে থাকে তারা।
এই মরণ ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য মনোবিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। সেগুলো হচ্ছে-

প্রথমতো আপনাকেই সচেতন হতে হবে। কেন আপনি অপরের নির্দেশনায় কাজ করবেন। আপনি যাকে কখনও দেখেননি, যার পরিচয় জানেন না, তার কথায় কেন চলবেন বা তার কথামতো কেন কাজ করবেন- সেটি নিজেকেই চিন্তা করতে হবে। এরকম কোনো লিংক সামনে এলে তাকে এড়িয়ে চলতে হবে। সমাজের তরুণ-তরুণীদের মাছে এই গেমের নেতিবাচক দিক সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

সন্তান, ভাই-বোন বা নিকটজনকে মোবাইলে ও কম্পিউটারে অধিক সময়ে একাকী বসে থাকতে দেখলে সে কী করছে, তার খোঁজ-খবর নিতে হবে। সন্তানকে কখনও একাকী বেশি সময় থাকতে না দেয়া এবং এসব গেমের কুফল সম্পর্কে বলা।

সন্তানদের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। যাতে তারা আত্মহত্যা করা বা নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করা অনেক বড় পাপ- এটা বুঝতে পারে। সন্তান ও পরিবারের অন্য কোনো সদস্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কিনা- সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয় তাকে সঙ্গ দেয়া।
কৌতূহলি মন নিয়ে এই গেমটি খেলার চেষ্টা না করা। কৌতূহল থেকে এটি নেশাতে পরিণত হয়। আর নেশাই হয়তো ডেকে আনতে পারে আপনার মৃত্যু।

এ পর্যন্ত ব্লু হোয়েল পৃথিবীর কোন কোন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই। তবে রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বুলগেরিয়া, চিলি, চীন, ভারত, ইটালি, কেনিয়া, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও উরুগুয়ে ব্লু হোয়েল শনাক্ত হয়েছে।

 েলে " নাটকের পাঁচ বছর পর...মেহজাবিন, কেমন আছো? আমি রাশেদ বলছি। জানো তোমাকে অনেক মিস করি, তোমার দেওয়া হাত ঘড়িটা আমার অনে...
23/09/2017

েলে " নাটকের পাঁচ বছর পর...

মেহজাবিন, কেমন আছো?
আমি রাশেদ বলছি। জানো তোমাকে অনেক মিস করি, তোমার দেওয়া হাত ঘড়িটা আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। আমি রোজ হাতে দিয়ে ঘর থেকে বের হই..!! তোমার দেওয়া জিনিস কি আমার অপছন্দ হবে বলো? এখন আমার মোবাইলে সবসময় চার্জ থাকে, কারন তোমার দেওয়া পাওয়ার ব্যাংকটা সবসময় আমার সাথে থাকে। বাবা, মা, ভাই, বোন সবাই কল দেই, শুধু তুমি ছাড়া। রোজ যখন গাড়ি করে যাওয়ার সময় শরীর ঘামিয়ে পড়ে তোমার দেওয়া আইস টিসু দিয়ে ঘাম গুলো মুছে ফেলি, আর কষ্ট লাগে না।

সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরে তোমার সাথে কথা বলি, তোমার দেওয়া ডাইরির সাথে। তুমি বলেছিলে হুট করে এসে একদিন এই ডাইরী চেয়ে বসবে। তাই তোমার দেওয়া ডাইরির সাথে রোজ কথা বলি। তোমার দেওয়া চকলেট গুলো জেসির খুব পছন্দ হয়েছে।

ওহ, তোমাকে তো বলতেই ভুলে গেছি। আমার অনেক বড় চাকরি হয়েছে..!! বাবার ডায়বেটিসটাএ কমে গেছে। বোনের দোকান ও এখন বেশ ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। ছোট ভাইটা ও এবার HSC তে (GPA5)পেয়েছে। যানো তোমার আর আমার ব্যাপারটা আমার পরিবারের কেউ জানে না।

শুধু একজন ছাড়া, সে হচ্ছে জেসি। তোমার দেওয়া চকলেট গুলো যখন তাকে দিয়েছি, তখন সে খুব খুশি হয়েছিলো। সে আমাকে বললো এগুলো কে দিল মামা? আমি ঐ অবুঝ শিশুকে মিথ্যা বলতে পারিনি। বলে দিয়েছিলাম তাকে তোমার কথা। আজ সে অনেক বড় হয়েছে, ক্লাস ৩য় তে পড়ে। আমাকে ভিষন বিরক্ত করে, তাকে তোমার কাছে নিয়ে যেতে। কিন্তু আমার পক্ষে তো সেটা সম্ভব না।

এখন আমাদের পরিবার অনেকটা অভাব কেটে উঠে দাড়িয়েছে। দেখতে দেখতে ৫ বছর কেটে গেলো। যানো আমি এখন কোথায় বসে আছি? যেখানে বসে আমি তোমাকে বাদামের খোসা ছড়িয়ে দিতাম ঠিক সেখানে বাদাম নিয়ে বসে আছি, সব ঠিক অাগের মতোই আছে নেই শুধু তুমি। খুব জানতে ইচ্ছে করছে তোমার সংসার জীবন কেমন চলছে? শুনলাম তোমার নাকি মেয়ে হয়েছে? সে দেখতে নিশ্চই তোমার মতো কিউট? আজ তোমাকে দেকতে ইচ্ছে করছে। এখন আমার চাকরি হয়েছে কিন্ত এমন সময় পেলাম তুমি নেই পাশে, বড় অসময়ে পেলাম। তুমি হয়তো সারাজীবন দোষারোপ করবে আমাকে, কিন্তু কি করব বলো? আমি তো পরিবারের বড় ছেলে কাঁধে অনেক দায়িত্ব। . বড় ছেলেদের প্রেম করতে নেই হয়তো। তোমাকে অনেক মিস করি না। তবে মাঝরাতে কখনো একটু আকটো মনে পড়ে যায়। তখন কাদিনা, একটু মন খারাপ করি। কারন বড় ছেলেদের কাঁদতে নেই।

তোমার দেয়া শার্ট টি আর কখনো পড়া হয়নি। কারন তুমি তো আর দেখবে না, কি আর হবে মায়া বারিয়ে বলো? বড় অসময়ে ডিপ্রেশন গুলো কমে গেলো। অসময়ে সব পেলাম যখন তুমি নেই পাশে। তার পরও পারিবারিক ভাবে মা,বাবা,ভাই,বোনদের নিয়ে সুখেই আছি। আর ও হ্যা আরেকটা কথা অনুরোধ ও বলতে পারো। তোমার যদি ছেলে হয় তবে নামটা রাশেদ রাখবা প্লিজ। 😑😑

পোষ্টটি কেমন লাগলো তা অবশ্যই Comment করে জানাবেন।

Like, Comment, Share করুন।

আর পরিবারের বড় ছেলেদের। Mention/Tag করুন।

ছবি যখন কথা বলে।এসব কন্নার চিত্র গুলো খুবই খারাপ লাগে। নিজেরা কোরবানি না করে দূরদূরান্ত হতে বাজারের, শহরের, হাটে নিয়ে আস...
31/08/2017

ছবি যখন কথা বলে।

এসব কন্নার চিত্র গুলো খুবই খারাপ লাগে।
নিজেরা কোরবানি না করে দূরদূরান্ত হতে বাজারের, শহরের, হাটে নিয়ে আসে কিছু টাকা বেশি পাওয়ার জন্য।।
গরু গুলো তারা নিজের হাতে বড় করে।।
বিক্রি করে বিদায় বেলা তারা হয়ত এভাবে কান্না করে আমাদের আড়ালে।।
আমরা তো গরু কিনে আনন্দে বাড়ি ফিরি।।
কিন্তু সবচেয়ে বড় কোরবানি তো এরাই দেয়।।
এসব মানুষের ন্যায্যমুল্য না দিয়ে কখনো গরু কিনবেন না।।
কারণ আপনার টাকা দিয়ে তারা কখনো রাজপ্রসাদ বানাবেনা।।

পোষ্টি ভাল লাগলে সিয়ার করে সকলকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Share করে সকলের জনার সুযোগ করে দিন।অনেকে পশুকে তারাতারি হত্যার জন্য জবেহের পর গলার হাড়ে ছুরি দিয়ে খুঁচা দেয়। অর্থাৎ স...
29/08/2017

Share করে সকলের জনার সুযোগ করে দিন।

অনেকে পশুকে তারাতারি হত্যার জন্য জবেহের পর গলার হাড়ে ছুরি দিয়ে খুঁচা দেয়। অর্থাৎ স্পাইনাল কর্ড নষ্ট করে দেয়। এটা কি ইসলাম সম্মত?
উত্তরঃ
যেসব প্রাণীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় তা হারাম। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন-
“তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে... যা কন্ঠরোধে মারা যায়।”
-কোরআন, সুরা মায়িদা, আয়াঃ৩
----------------------
রক্ত প্রবাহিত করা আবশ্যিক।
রাফি ইবনে খাদিজ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সঃ বলেছেন “যা রক্ত প্রবাহিত করে দেয় এবং যে প্রাণীর উপর জবেহের সময় আল্লাহর নাম নেয়া হয় তা তোমরা খেতে পার(হালাল)।”
-সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায়ঃকিতাবুল জাবিহ(Hunting, Slaghtering):: হাদিস ৪০৬
----------------------
অর্থাৎ এমন কিছু করা বৈধ নয় যা রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে অথবা শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ করে দেয়। এজন্য উত্তমভাবে জবেহ করতে হবে। কোনভাবেই স্পাইনাল কর্ডে(গলার অস্থিতে অবস্থিত) আঘাত করা যাবে না। জবেহের সময় কেবল জাগুলার ভেইন(গলার রগ) ও শ্বাসনালী কাটতে হবে। স্পাইনাল কর্ডে আঘাত করলে কি হবে? ব্রেইনের সাথে শরীরের যোগাযোগ হয় স্পাইনাল কর্ডের মাধ্যমে। স্পাইনাল কর্ডে আঘাত করলে এই যোগাযোগ নষ্ট হয়ে যায়। আর ব্রেইনের সিগন্যাল ব্যাতিত হার্ট পাম্পিং সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় পশু দ্রুত ফেইন্ট হয়ে যাবে,কোমায় চলে যাবে, হার্ট পাম্পিং বন্ধ হয়ে যাবে যার কারনে শরীর থেকে যথেষ্ট রক্ত বের হবে না। একইসাথে ফুসফুসও বন্ধ হয়ে যাবে। যা শ্বাসরোধ করে হত্যার মতই। এটাকে বলি বা শিরচ্ছেদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। অর্থাৎ এটা জায়েজ নেই। জায়েজ না হবার দলিল হল উপরে উল্লেখিত কোরআনের আয়া ও হাদিস।
----------------------
স্বাস্থ্যগত সমস্যাঃ রক্ত রোগ জীবাণুর বাহক। রক্ত ঠিকমত বাহির না হলে মাংস সহজেই নষ্ট হয়ে যায়, স্বাদ কমে যায় এবং ঠিকমত রান্না না করলে মানবদেহে রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।
-------------------
অনেকে পশুর ছোড়াছুড়ি দেখে মনে করে এটা ব্যাথা পাচ্ছে। আসলে তা ঠিক নয়। জবেহের অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই এটা সেন্স হারিয়ে ফেলে। এটা তখন আর ব্যাথা পায় না। ছুড়াছুড়ি করে শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যাওয়ার কারনে। এতে পেশির সংকোচন প্রসারণ ঘটে। অনেক সময় দেখবেন পশুর শরীরের কাটা অংশও নড়াচড়া করে। এটা অবশ্যই ব্যাথার জন্য নয়। বরং স্পাইনাল কর্ডে আঘাতের ফলে পশু প্রচন্ড ব্যাথা পায়।
----------------------
এই কাজের জন্য হুজুরগণ সাধারণত দুই ছুড়ি ব্যবহার করেন। একটা জবেহ করার জন্য। আরেকটি ঘাড়ের স্পাইনাল কর্ড কাটার জন্য। প্রশ্ন থাকে রাসুলুল্লাহ (সঃ) ও সাহাবিরা কি এভাবে জবেহ করতেন? বহু হাদিস থেকে আমরা জানতে পাই রাসুলুল্লাহ (সঃ) একটি ছুড়ি দিয়েই পশু জবেহ করেছেন। বুখারি ও মুসলিমে এ ধরনের প্রচুর হাদিস রয়েছে। দুই ছুড়ি দিয়ে অদ্ভুত এই জবেহের সিস্টেম কে আবিষ্কার করল? আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ আসলেই অনেক ক্রিয়েটিভ। তারা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভ না হলেও ধর্মের ক্ষেত্রে তাদের ক্রিয়েটিভিটির তুলনা হয় না। তারা ভুলে যায় ধর্মীয় বিধানে আমাদের ক্রিয়েটিভিটির স্থান নেই। সেটাকে বলে বিদআত।
------------------------------------------------------------
----------------------------
জবেহের সময় কি বলতে হবে?
জবেহের সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ আবশ্যিক।-(কোরআন ৬:১২১)
রাসুলুল্লাহ (সঃ) জবেহের সময় বলতেন “বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার”।–বুখারী ও মুসলিম
“যেসব জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয় না, সেগুলো থেকে ভক্ষণ করো না; এ ভক্ষণ করা গোনাহ। নিশ্চয় শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে প্রত্যাদেশ করে-যেন তারা তোমাদের সাথে তর্ক করে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তোমরাও মুশরেক হয়ে যাবে।” -(কোরআন ৬:১২১)
আদাম ইবন আবূ ইয়াস (র) আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা:) দুটি সাদাকালো বর্ণের ভেড়া দ্বারা কুরবানী করেছেন। তখন আমি তাঁকে দেখতে পাই তিনি ভেড়া দুটোর পার্শ্বদেশে পা রেখে “বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার” পড়ে নিজের হাতে সে দুটোকে যবাহ করেন।
-সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৬৮(কুরবানি) :: হাদিস ৪৬৫
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন নবম খন্ড, হাদিসঃ৫১৬৭)
------------------------------------------------------------
----------------------------
# পশু জবেহের ক্ষেত্রে পশুকে সবচেয়ে কম কষ্ট দেয়া এবং ছুরি ধার করে নেয়া আবশ্যকঃ
রাসুলুল্লাহ সঃ বলেন-
"...যখন জবেহ করবে তখন উত্তম পন্থায় জবেহ করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি ধার দিয়ে নেয় এবং তার জবেহকৃত জন্তুকে শান্তি প্রদান করে (অহেতুক কষ্ট না দেয়) ।"
সহিহ মুসলিম, চতুর্থ খন্ড হাদিস নাম্বারঃ ৪৮৯৭ ও ৪৮৯৮।
উত্তমরূপে পশু জবেহ করতে হবে।শ্বাসনালী সহ ধমনী ও শিরা কেটে দিতে হবে কিন্তু স্পাইনাল কর্ড অক্ষত রাখতে হবে।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসুল সঃ নিষেধ করেছেন শয়তানের কুরবানিকে। এটা হল পশুর গলার কিছুটা কেটেই মৃত্যুর জন্য ছেড়ে দেয়া জাগুলার ভেইন বা গলার শিরা না কেটে।
-আবু দাউদ, বইঃ১৫, হাদিস নাম্বারঃ২৮২৮
পশু জবাই করার পর সেই পশু সম্পূর্ণ মারা যাওয়ার আগেই চামড়া ছাড়ানো উচিৎ নয়।
-------------------------------
সামনে আসছে কুরবানির ঈদ। ঈদে যেন পশু কুরবানি সঠিকভাবে হয় সেজন্য প্রচার করুন যেন যারা কুরবানি করবেন তাদের কাছেও বিষয়টা পরিষ্কার হয়।
প্রয়োজনে আগে থেকেই এসব নিয়ে ভালো আলেমের সাথে আলোচনা করে নিন।

Address

Dhaka
1000

Telephone

01833818088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Njoys Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share