Mart24bd

Mart24bd Quality Garments Products Available Here... Imported Items and Export Quality Items...

“Be comfortable in Summer with Mart24bd”Round Neck Print T-ShirtRegular Price @ Tk. 450/PcDiscount Price @ Tk. 390/PcPro...
08/12/2021

“Be comfortable in Summer with Mart24bd”
Round Neck Print T-Shirt
Regular Price @ Tk. 450/Pc
Discount Price @ Tk. 390/Pc
Product Description: 100% Cotton, GSM- 160
Color: Yellow, Black, Maroon, Orange, Blue, Sky Blue
Available Size:
Size M : Chest 38", Body Length 27"
Size L : Chest 42", Body Length 28"
Size XL: Chest 44", Body Length 28.5"
Way to Order: Please Message Us With Item Code & Size OR Call + WhatsApp: +8801930077989
Delivery Charge: BDT. 60 for Inside Dhaka City
& BDT. 130 for Outside Dhaka City
[ডেলিভারী চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করিতে হবে]
Buy product from Mart24bd as we ensure premium quality comfortable product.

“Be comfortable in Summer with Mart24bd”Round Neck Solid Color T-Shirt:Regular Price @ Tk. 450/PcDiscount Price @ Tk. 39...
04/12/2021

“Be comfortable in Summer with Mart24bd”
Round Neck Solid Color T-Shirt:
Regular Price @ Tk. 450/Pc
Discount Price @ Tk. 390/Pc
Color: Yellow, Black, Maroon, Orange, Blue, Sky Blue
Product Description: 100% Cotton, GSM- 160
Available Size:
Size M : Chest 38", Body Length 27"
Size L : Chest 42", Body Length 28"
Size XL: Chest 44", Body Length 28.5"
Way to Order: Please Message Us With Item Code & Size OR Call + WhatsApp: +8801930077989
Delivery Charge: BDT. 60 for Whole Dhaka City
And BDT. 130 for Outside Dhaka City
[ডেলিভারী চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করিতে হবে]
Buy product from Mart24bd as we ensure premium quality comfortable product.

Solid Polo T-Shirt:Regular Price Tk. 850/PcDiscount Price  Tk. 750/PcProduct Description: 95% Combed Compact Cotton + 5%...
29/11/2021

Solid Polo T-Shirt:
Regular Price Tk. 850/Pc
Discount Price Tk. 750/Pc
Product Description: 95% Combed Compact Cotton + 5% Spandex
Available Size:
Size M : Chest 36", Body Length 26"
Size L : Chest 40", Body Length 28"
Size XL: Chest 42", Body Length 29"
Way to Order: Please Message Us With Item Code & Size OR Call + WhatsApp: +8801930077989
Delivery Charge: BDT. 60 for Inside Dhaka City
BDT. 130 for Outside Dhaka City
[ডেলিভারী চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করিতে হবে]
Buy product from Mart24bd as we ensure premium quality comfortable product

স্বপ্ন থেকে আবিষ্কারস্বপ্নে যে লেখক থেকে শুরু করে বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা নতুন নতুন আইডিয়া কিংবা জটিল সমস্যার সমাধান পেয়েছে...
28/11/2021

স্বপ্ন থেকে আবিষ্কার

স্বপ্নে যে লেখক থেকে শুরু করে বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা নতুন নতুন আইডিয়া কিংবা জটিল সমস্যার সমাধান পেয়েছেন, সেটি কিন্তু মিথ্যা নয়। এ কথা শুনে এখনো যাঁরা সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছেন, তাঁদের জানা দরকার, এ তালিকায় আছেন লেখক রবার্ট লুই স্টিভেনসন থেকে শুরু করে গণিতবিদ রামানুজন, আলবার্ট আইনস্টাইনসহ আরও অনেকে।
স্বপ্নে পাওয়া সর্বরোগের মহৌষধের কথা কে না শুনেছে। হাটে বা বাজারে, ট্রেনে-বাসে কিংবা গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে রাজধানীর বুকে অনেকটা বুক চিতিয়েই সর্বরোগের ওষুধ বিক্রি করেন অনেকে। সেগুলো নিয়ে ঘোর বিশ্বাসী লোকও সন্দেহের চোখে তাকায়—স্বপ্নে আবার গাছ পাওয়া যায় নাকি! তবে গাছ পাওয়া যাক বা না যাক, স্বপ্নে যে লেখক থেকে শুরু করে বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা নতুন নতুন আইডিয়া কিংবা জটিল সমস্যার সমাধান পেয়েছেন, সেটি কিন্তু মিথ্যা নয়। এ কথা শুনে এখনো যাঁরা সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছেন, তাঁদের জানা দরকার, এ তালিকায় আছেন লেখক রবার্ট লুই স্টিভেনসন থেকে শুরু করে গণিতবিদ রামানুজন, আলবার্ট আইনস্টাইনসহ আরও অনেকে। আর আছেন বিখ্যাত রসায়নবিদ ফ্রেডরিখ অগাস্ট কেকুলে। এ বেলায় জার্মান এই বিজ্ঞানীর স্বপ্নের কথাটাই শোনা যাক। মধ্যযুগে আরব, ইউরোপসহ অন্য দেশগুলোতে সুগন্ধি তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করা হতো ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ থেকে। সেখানে জন্মানো একধরনের গুল্মজাতীয় গাছের ছাল থেকে সংগ্রহ করা হতো এই কাঁচামাল। আরবি ভাষায় একে বলা হতো লুবান জায়ি। অর্থাৎ জাভা থেকে আসা লোবান বা ধূপ। কালক্রমে এ শব্দটি ইতালীয় এবং সেখান থেকে ইউরোপের অন্যান্য ভাষায় ঢুকে পড়ে। তাতে অবশ্য এই লোবানের সুগন্ধের কোনো পরিবর্তন না হলেও শব্দটি রূপান্তরিত হয়ে দাঁড়ায় গাম বেনজিন বা গাম বেনজামিন। সংক্ষেপে বেনজিন বা বেনজোইন। ১৫ শতকের দিকে এই বেনজিন ইউরোপের সুগন্ধি ও ওষুধশিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয়। তবে ১৮২৫ সালেই এ যৌগটি রাসায়নিকভাবে আলাদা করতে ও শনাক্ত করতে সক্ষম হন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে। তিনি এর নাম দেন বাইকার্বোরেট অব হাইড্রোজেন।

১৮৬৫ সালের দিকে তিনি এক রাতে হঠাৎ স্বপ্নে দেখেন, দুটি পরমাণু নাচতে নাচতে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেল। এই দৃশ্য দেখে সেদিন তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। তবে বিষয়টিকে স্বপ্ন বলে উড়িয়ে না দিয়ে তিনি দ্রুত খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়লেন।
এ ঘটনার আট বছর পর গাম বেনজিন থেকে এই যৌগটি তৈরি করতে সক্ষম হন জার্মান রসায়নবিদ ইলহার্ড মিটসচারলিচ। তরল ও হালকা মিষ্টি গন্ধযুক্ত যৌগটিকে তিনি বেনজিন নামেই অভিহিত করেছিলেন। ইউরোপের শিল্পবিপ্লবের সময় অল্প দিনেই বেনজিনের ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয়। সুগন্ধি ছাড়াও এবার রংশিল্পে যৌগটি ব্যবহার হতে থাকে। মিষ্টি গন্ধের কারণে ১৯ ও ২০ শতকের শুরুর দিকে বেনজিন আফটার শেভ লোশনগুলোতে ব্যবহার শুরু হয়। আবার বিষাক্ত জেনেও ১৯৩৪ সালের দিকে লুডভিগ রোজেলাস নামের এক জার্মান ব্যবসায়ী এটি কফিতে ব্যবহার করেন। এখন তো ওষুধ, প্লাস্টিক, কৃত্রিম রাবার, রংসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় বেনজিন ব্যবহার হয়। মূলত এটি অন্যান্য রাসায়নিক তৈরি করতে মধ্যবর্তী যৌগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৯৭ সালের দিকে মহাকাশেও বেনজিন শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
খুবই দরকারি ও গুরুত্বপূর্ণ যৌগ বলে ১৯ শতকের দিকে অনেকেই যৌগটির গঠন নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কয়েকজন বিজ্ঞানী তত দিনে বুঝতে পারেন, বেনজিনের মধ্যে ছয়টি কার্বন আর ছয়টি হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে। তাতে এর রাসায়নিক সংকেত হয় C6H6। কিন্তু এই ব্যাপারটাই তাঁদের মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। কারণ, কার্বন হলো টেট্রাভ্যালেন্ট বা চারযোজী। অর্থাৎ চারটি হাইড্রোজেনের সঙ্গে এটির যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বেনজিনে তো পুরো ব্যতিক্রম। তাহলে এর গঠন কী হবে? এ নিয়ে তো মহা মুশকিল। রসায়নবিদেরা দিশেহারা। ঠিক সে সময় বেনজিনের রাসায়নিক গঠন নিয়ে আরও অনেকের মতো চিন্তা করেছিলেন কেকুলেও। অন্যরা ব্যর্থ হলেও বেনজিনের সঠিক গঠন বর্ণনা করে ১৮৬৫ সালের দিকে একটি জার্নালে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন তিনি।

১৮৯০ সালে বেনজিন রিং গঠন আবিষ্কারের ২৫তম পূর্তিতে এর আবিষ্কারের রহস্য নিয়ে মুখ খোলেন কেকুলে। তখনই জানা যায় এক মজার ঘটনা। কেকুলের ভাষ্যমতে, ১৮৬৫ সালের দিকে তিনি এক রাতে হঠাৎ স্বপ্নে দেখেন, দুটি পরমাণু নাচতে নাচতে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেল। এই দৃশ্য দেখে সেদিন তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। তবে বিষয়টিকে স্বপ্ন বলে উড়িয়ে না দিয়ে তিনি দ্রুত খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়লেন। তারপর স্বপ্নের পরমাণুর নাচনের স্কেচ আঁকতে শুরু করলেন। না, তাতে বেনজিন সমস্যার সমাধান মিলল না।

এর কিছুদিন পরের ঘটনা। একদিন চেয়ারে বসে বই পড়তে পড়তে তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। সে অবস্থাতেই দেখলেন আরেকটি স্বপ্ন। এবার আরও পরিষ্কারভাবে কিছু দেখলেন তিনি। আবারও সেই পরমাণুর নাচন। তবে এবার দেখলেন, অনেকগুলো পরমাণু সর্পিলাকারভাবে চতুর্দিক ঘিরে নাচছে। পরমাণুগুলো নাচতে নাচতে একসময় শুরুর পরমাণুটি সর্পিলাকার আকৃতির শেষ পরমাণুকে যুক্ত করে ফেলল! ঠিক যেন একটা সাপ নিজেই তার নিজের লেজ গিলে ফেলছে, এমন ব্যাপার। এই স্বপ্নই রসায়নের জৈব যৌগের জন্য এক নতুর দ্বার উন্মোচন করেছিল। এই স্বপ্ন থেকেই কেকুলে বেনজিনের সাইক্লিক বা চাক্রিক গঠন সম্পর্কে ধারণা পান। এরপর থেকেই আমরা জানি, বেনজিন রিংয়ে (বলয়ে) ছয়টি কার্বন আর ছয়টি হাইড্রোজেন থাকে। আর এই ছয়টি কার্বন পরমাণু রিংয়ের মতো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি কার্বনের সঙ্গে একটি হাইড্রোজেন পরমাণুও যুক্ত থাকে। শুধু কার্বন আর হাইড্রোজেন নিয়ে বেনজিন গঠিত বলে একে হাইড্রোকার্বনও বলা হয়। ছয়টি কার্বন মিলে হেক্সাগন বা ষড়ভুজ গঠন তৈরি করে। একক আর দ্বিবন্ধনগুলোতে প্রতিটি কার্বন-কার্বন বন্ধনের ব্যাপ্তি সমান এবং বেনজিন রিংয়ের ওপরে ও সমতলে থাকা ডিলোকালাইজড (delocalized) ইলেকট্রন বেনজিনকে স্থায়িত্ব এনে দেয়।

লেখক: শিক্ষার্থী, লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সূত্র: ১৮৬৫ সালে অগাস্ট কেকুলের প্রকাশিত জার্নাল, অ্যাক্ট ফর লাইব্রেরি ডটকম ও উইকিপিডিয়া

তুমি কোন গগনের তারা.......কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে আমাদের এই মহাবিশ্ব। প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আছে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন (১ বিল...
27/11/2021

তুমি কোন গগনের তারা.......

কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে আমাদের এই মহাবিশ্ব। প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আছে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন (১ বিলিয়ন = ১০০ কোটি) নক্ষত্র। একটি নক্ষত্রের মধ্যে ১০ লাখ পৃথিবী সহজেই ঢুকে পড়তে পারে। আলোর বেগে চললে চাঁদে এক সেকেন্ডে পৌঁছানো যায়, সূর্যে যেতে লাগে ৮ মিনিট, ছয় ঘণ্টায় সৌরজগত্ পেরিয়ে যাবেন। সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টাউরিতে পৌঁছাতে লাগবে প্রায় চার বছর। আমাদের গ্যালাক্সি ছায়াপথের এপার থেকে ওপারে যেতে আলোর লাগে ১ লাখ ২০ হাজার বছর। প্রতিবেশী গ্যালাক্সি এন্ড্রোমেডাকে খালি চোখে অস্পষ্ট তারার মতো দেখায়। সেখানে পৌঁছাতে আলোর লাগবে ২৫ লাখ বছর! প্রতিবেশী সুপার ক্লাস্টার ভার্গো ৫ কোটি ৬০ লাখ আলোক বছর দূরে। ওখানে আছে দেড় হাজার গ্যালাক্সির এক জমায়েত। এত সব খবর জানা গেল কী করে?

দূরত্ব মাপার কৌশলটা জানা যাক। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। বেশ খানিকটা দূরে দিঘির পাড়ে একটি তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে। বহুদূরে গগনপ্রান্তে দেখা যাচ্ছে এক পাহাড়। পাহাড়টি কত উঁচু? পাহাড়টির দূরত্ব কত? পাহাড়ে না উঠে কি ওর উচ্চতা মাপা যায়? পাহাড়ের কাছে না গিয়ে দূর থেকে কি ওর দূরত্ব মাপা যায়? হ্যাঁ, যায়। এর জন্য প্রয়োজন সামান্য একটু ত্রিকোণমিতির কৌশল। তিন হাজার বছর আগে ব্যাবিলন এবং মিসরে এ কৌশল জানা ছিল। গ্রিক বিজ্ঞানী অ্যারিস্টারকাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১০-২৩০) এবং টলেমি (১০০-১৬৮ খ্রি.) আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান এবং গতিপথ নির্দেশনায় ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করেছিলেন। সূর্যাস্তের সময়ে এক হাত সূর্যের দিকে প্রসারিত করুন, আরেক হাত সন্ধ্যাতারার (শুক্র গ্রহ) দিকে। আপনার দুটি সম্প্রসারিত হাতের মাঝের কোণ হলো সূর্য এবং শুক্র গ্রহের মাঝের কৌণিক দূরত্ব। গ্রিক বিজ্ঞানীরা জানতেন যে সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের এই কৌণিক দূরত্ব কখনোই ৪৭ ডিগ্রির বেশি হয় না।

তাঁদের পৃথিবীকেন্দ্রিক সৌরজগতের নকশা থেকে এই সর্বোচ্চ কৌণিক দূরত্ব (গধীরসঁস বষড়হমধঃরড়হ) বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। এর ব্যাখ্যা দিতে বেচারা টলেমি কতই না ঝামেলায় পড়েছিলেন!

আবার সেই তালগাছ এবং পাহাড়ের কাছে আসা যাক। এমন জায়গায় দাঁড়ান যেন আপনি, তালগাছ এবং পাহাড়টা একই সরলরেখায় থাকে। এখন বাঁ হাত যদি তালগাছের দিকে বাড়ান এবং ডান হাত পাহাড়ের দিকে, তবে দুই হাতের মাঝের কৌণিক দূরত্ব শূন্য হবে। এবার রাস্তা ধরে কয়েক গজ হাঁটুন। তারপরে আবার এক হাত তালগাছের দিকে এবং আরেক হাত পাহাড়ের দিকে বাড়ালে আপনার দুই হাতের মাঝে একটি কৌণিক দূরত্ব পাওয়া যাবে। এই কৌণিক দূরত্ব আপনি যতখানি হেঁটেছেন সেই দূরত্ব এবং তালগাছ ও পাহাড়ের দূরত্বের ওপরে নির্ভর করবে।

আরও একটা পরীক্ষা করা যাক। আপনার হাত সামনে বাড়িয়ে দিন। হাতের মুঠোয় একটি পেনসিল ধরে রাখুন। পেনসিলের এক মাথা যেন ওপরের দিকে বাড়ানো থাকে। পেনসিল না পেলে হাতের একটি আঙুল উঁচিয়ে ধরলেও চলবে। ডান চোখ বন্ধ করে বাঁ চোখ দিয়ে পেনসিলের দিকে তাকান। চোখ, পেনসিল ও দূরের কোনো জিনিস, যেমন দরজার কোনা, জানালার শিক বা সোফার কিনারা একই সরলরেখায় নিয়ে আসুন। এবারে বাঁ চোখটি বন্ধ করে ডান চোখটি খুলুন। এই চোখ টেপাটিপির খেলাটা কয়েকবার খেলুন। কী দেখছেন? এক চোখ বন্ধ করে অন্য চোখ খোলার সঙ্গে সঙ্গে পেনসিলটি যেন লাফ দিয়ে সরে যাচ্ছে! এই মিথ্যে লাফালাফির নাম লম্বন বা প্যারালাক্স (চধত্ধষষধী)।

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে বছরে একবার ঘোরে। আজ পৃথিবী কক্ষপথের যে স্থানে আছে, ছয় মাস পরে থাকবে তার অন্য প্রান্তে। আর এই দুই স্থানের দূরত্ব হবে পৃথিবীর কক্ষপথের ব্যাসের সমান। এই চলন্ত পৃথিবীটা যদি আমি হই, সূর্য বা কাছের কোনো নক্ষত্রকে যদি তালগাছের সঙ্গে তুলনা করি এবং দূরের কোনো নক্ষত্রকে পাহাড়ের সঙ্গে, তবে কৌণিক দূরত্বের পরিবর্তন মেপে তারাদের দূরত্ব মাপা যায়। পৃথিবীর পথচলার সঙ্গে সঙ্গে দূর আকাশের তারাদের অবস্থানের পরিবর্তনকে নাক্ষত্রিক লম্বন (ঝঃবষষধত্ ঢ়ধত্ধষষধী) বলে। গ্রিক বিজ্ঞানীরা বোকা ছিলেন না! অনেক চেষ্টা করেও তাঁরা এই নাক্ষত্রিক লম্বন মাপতে পারেননি। তাই ধরে নিয়েছিলেন যে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে না। যুক্তিটা ঠিক ছিল, মাপটি ছিল ভুল! তারারা এত দূরে থাকে যে নক্ষত্র লম্বন কোণ বেজায় ছোট।

সেকালের যন্ত্রপাতি দিয়ে এত ছোট কৌণিক দূরত্ব মাপা সম্ভব ছিল না। প্রক্সিমা সেন্টাউরির নাক্ষত্রিক লম্বন কোণের পরিমাণ ০.৭৬৮১৩ সেকেন্ড, ওর দূরত্ব হবে ৪.২৪ আলোক বছর। দূরের তারাদের জন্য এই কোণ এতই নগণ্য, যা তা খুব ভালো দুরবিন দিয়েও মাপা সম্ভব নয়। নাক্ষত্রিক লম্বন পদ্ধতিতে ৫০০ আলোক বছরের ভেতরে যে তারাগুলো আছে, তাদের দূরত্বই শুধু মাপা যায়।

একটি ১০০ ওয়াটের বৈদ্যুতিক বাতির কথা ধরা যাক। ১ ফুট দূর থেকে তাকে যত উজ্জ্বল দেখাবে, ১০ ফুট দূর থেকে তাকে তার চেয়ে ১০০ গুণ কম উজ্জ্বল দেখাবে। দূরত্বের বর্গের অনুপাতে জ্বলন্ত বস্তুর উজ্জ্বলতা দেখতে কম লাগে। তাই আসল উজ্জ্বলতা এবং দৃশ্যমান উজ্জ্বলতার প্রভেদ জানা গেলে যেকোনো তারার দূরত্ব মাপা যায়। একটি তারার দৃশ্যমান উজ্জ্বলতা মাপা কঠিন নয়। কিন্তু তারাটির আসল উজ্জ্বলতা জানা যাবে কী করে?

তারার আসল উজ্জ্বলতা নির্ভর করে ওর বাইরের আবরণের তাপমাত্রা ও আয়তনের ওপরে। তারার রং ও বর্ণালি থেকে তারার তাপমাত্রা বের করা যায়। কিন্তু একটি তারার ব্যাস বা আয়তন সরাসরি বের করা সহজ নয়। তারাদের আসল উজ্জ্বলতা মেপে এবং তার সঙ্গে দৃশ্যমান উজ্জ্বলতার তুলনা করে ওদের দূরত্ব বের করার অনেক উপায় আছে। এখানে বহুল ব্যবহূত একটি কৌশলের কথা লিখছি।

এক ধরনের নক্ষত্র আছে, যাদের উজ্জ্বলতা সময়ের সঙ্গে বাড়ে-কমে। দুই-তিন মাসের মধ্যে এই বাড়া-কমা কয়েকবার ঘটতে পারে। এই তারাগুলোর নাম সিফিয়েড ভ্যারিয়েবল (ঈবঢ়যবরফং াধত্রধনষব) নক্ষত্র। এই তারাগুলো ক্রমাগত সম্প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। যেহেতু একটি তারা কী পরিমাণ আলো ছড়াবে তা তার আয়তনের ওপর নির্ভর করে, তাই এই তারাগুলোর উজ্জ্বলতা ক্রমাগত বাড়ে-কমে। এই বাড়া-কমার হার যতই বেশি, তারাটির উজ্জ্বলতা ততই বেশি। তারার উজ্জ্বলতার পরিবর্তন সহজেই মাপা যায়। এই পরিবর্তনের কম্পাঙ্ক মেপে সিফিয়েড নক্ষত্রের আসল উজ্জ্বলতার খবর মেলে। আর দৃশ্যমান উজ্জ্বলতা মাপা তো একেবারেই সহজ কাজ। এই দুই উজ্জ্বলতা জানার পরে একটু অঙ্ক কষে তারাটির দূরত্ব মাপা যায়। সিফিয়েড নক্ষত্র বিপুল পরিমাণে আলো ছড়ায়। বহুদূর থেকে ওদের দেখা যায়। দূর আকাশের কোনো গ্যালাক্সির দূরত্ব জানতে চাইলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথমেই এমন তারার খোঁজ করেন। ৫ থেকে ১০ কোটি আলোক বছরের দূরত্ব মাপার জন্য এরা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের প্রধান সহায়।

লেখক: ইমিরেটাস অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র

Winter Exclusive Jacket :Regular Price Tk. 1600/PcProduct Description: China Fabrics, Inside Padding.Available Size: Siz...
23/11/2021

Winter Exclusive Jacket :
Regular Price Tk. 1600/Pc
Product Description: China Fabrics, Inside Padding.
Available Size:
Size M : Chest 40", Body Length 25"
Size L : Chest 42", Body Length 26"
Size XL : Chest 44", Body Length 27"
Way to Order : Please Message Us With Item code & Size
OR Call + WhatsApp: +8801930077989
Delivery Charge: BDT. 60 for Inside Dhaka City
& BDT. 130 for Outside Dhaka City
[ডেলিভারী চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করিতে হবে]
Buy product from Mart24bd as we ensure premium quality comfortable product

পিঠে ব্যথা, কী করবেন?চিকুনগুনিয়া রোগ আমাদের অনেক কষ্ট দেয়। জ্বর চলে যায়, কিন্তু সারা শরীরে ব্যথা। বিশেষভাবে পিঠের নিচের ...
15/11/2021

পিঠে ব্যথা, কী করবেন?

চিকুনগুনিয়া রোগ আমাদের অনেক কষ্ট দেয়। জ্বর চলে যায়, কিন্তু সারা শরীরে ব্যথা। বিশেষভাবে পিঠের নিচের দিকে, কোমরে দারুণ ব্যথা (লোয়ার ব্যাক পেইন) আমাদের কাহিল করে ফেলে। কী করব? অনেক সময় চিকিত্সকেরা ব্যথা কমানোর উঁচু মাত্রার ওষুধ দেন, কখনো অপারেশনের পরামর্শ দেন। কিন্তু এখন চিকিত্সকেরা বলছেন, এত কিছুর দরকার নেই। সামান্য অ্যাসপিরিনই যথেষ্ট। একটু অপেক্ষা করতে হবে। সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর সায়েন্স টাইমস-এ বিষয়ে লিখেছেন গিনা কোলাটা। আমরা যদি নিয়মিত যোগব্যায়াম করি, কাজেকর্মে সক্রিয় থাকি, তাহলে ধীরে ধীরে পিঠের ব্যথা সেরে যায়। কখনো আমাদের ফ্রোজেন শোল্ডার হয়। হাত উঁচু করতে পারি না। ভীষণ ব্যথা হয়। এরও চিকিত্সা ব্যায়াম। হয়তো দু-তিন মাস লাগতে পারে। তাতেই কাজ হবে। প্রতিদিন গোসলের পর গা মোছার সময় তোয়ালে বা গামছার দুই প্রান্ত দুই হাতে ধরে পিঠের দিকে কয়েকবার ওপর-নিচ ঘষলে ভালো ব্যায়াম হয়। এটা ফ্রোজেন শোল্ডারের জন্য মহৌষধ। আমাদের দেশের চিকিত্সকেরা এই পরামর্শ এখন দিয়ে থাকেন।

ফোর-জির ভেতর-বাহির‘রানার ছুটেছে তাই ঝুম ঝুম ঘণ্টা বাজছে রাতে...’ প্রযুক্তির এই যুগে সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানারের দেখা প্...
10/11/2021

ফোর-জির ভেতর-বাহির

‘রানার ছুটেছে তাই ঝুম ঝুম ঘণ্টা বাজছে রাতে...’ প্রযুক্তির এই যুগে সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানারের দেখা প্রায় মেলে না বললেই চলে। সাম্প্রতিক কালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যক্তিগত চিঠি লেখার গুরুত্ব কিছুটা কমেছে। এখন মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রিয়জনকে শুধু দেখাই যায় না, বরং বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজও নিজের ঘরে বসে সেরে ফেলা যাচ্ছে।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৯৩ সালে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, চালু হওয়ার প্রায় তিন বছর পর, অর্থাৎ ১৯৯৬ সালে ইন্টারনেট সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর দেশের প্রথম সাইবার ক্যাফেটি চালু হয় ১৯৯৯ সালে, ঢাকার বনানীতে।

আমাদের দেশে একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে মোবাইলে কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহার ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে শুরু করে। মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সেই শুরুর দিকের কথা কারও কি মনে আছে? একটি ওয়েবসাইটে ঢুকতে কত সময় লাগত কিংবা ইউটিউবের একটি ছোট ভিডিও চালাতে কী পরিমাণ ধৈর্য নিয়ে বসে থাকতে হতো! লোডিং হচ্ছে তো হচ্ছেই।

আর আজকে ২০১৮ সালে এসে আমরা চোখের পলকেই একটি ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিতে পারছি। কয়েক শ মেগাবাইটের ফাইল কয়েক মিনিটেই ডাউনলোড হয়ে যাচ্ছে। এ সবই কিন্তু সম্ভব হয়েছে উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রযুক্তির কল্যাণে। জেনে নিই কীভাবে এই পরিবর্তনটা এল।

১৯৮০ সালে প্রথম বেতার টেলিফোন প্রযুক্তিব্যবস্থাকে ১জি বলে ডাকা শুরু হয়। ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিকভাবে টুজি আসার আগে ছিল পুরোটাই এনালগ পদ্ধতির। ১জি (1G) এবং টু-জির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল, যে রেডিও সংকেতে ১জি (1G) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হতো, তা এনালগ আর একই তরঙ্গ সংকেত ডিজিটাল রূপে টু-জি নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয়। টু-জি প্রযুক্তিতে কথা বলার পাশাপাশি খুদে বার্তা পাঠানোর সুবিধা ছিল। এর প্রধান সুবিধা হলো ফোনে নিরাপদে কথা বলার মতোই এনক্রিপশন করা। এর প্রায় ১০ বছর পর প্রতি সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০০ কিলোবিট হারে তথ্য আদান-প্রদান করার প্রযুক্তি উন্মুক্ত হয়। এটিই মূলত থ্রি-জি প্রযুক্তি। দ্রুতগতির ইন্টারনেট, ভিডিও কলসহ মোবাইলে টিভি দেখার সুবিধা এনে দিয়েছিল এই প্রযুক্তি। টু-জির সঙ্গে থ্রি-জির মূল পার্থক্য হচ্ছে এদের বেতার কম্পাঙ্ক এক নয়। ৮০০-৯০০ মেগাহার্জ স্পেকটার্ম ব্যান্ডে টু-জি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো। থ্রি-জির জন্য প্রয়োজন ১৮০০-২৪০০ মেগাহার্জ স্পেকটার্মের ব্যান্ড। মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতার ব্যান্ড কিনে বিভিন্ন দেশে সেবা দিয়ে আসছে।

থ্রি-জি উন্মোচন হওয়ার অল্প সময়ের ব্যবধানে ২০০৮ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন আইইউটি ফোর-জির ধারণা দেয়। তারা বলে, উচ্চ মোবিলিটি যোগাযোগের জন্য প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবিট এবং নিম্ন মোবিলিটি যোগাযোগের জন্য প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবিট গতি থাকতে হবে। এর চেয়ে কম গতি হলে সেটিকে আইইউটির নীতিমালা অনুযায়ী ফোর-জি বলা যাবে না। বলা যেতে পারে, ফোর-জি হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি-জি) টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তরসূরি। প্রযুক্তিটি অনেক উচ্চকম্পাঙ্কের ব্যান্ডে চলে। এটা প্রায় ২-৮ গিগাহার্জের সমান। সেকেন্ডে ২ মেগাবাইট থেকে ৪০ মেগাবাইট পর্যন্ত গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে এই প্রযুক্তির সাহায্যে। তাত্ত্বিকভাবে এর ডাউনলোড গতি ১০০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে। একজন থ্রি-জি ব্যবহারকারী যদি ইন্টারনেটে সেকেন্ডে ১৪ মেগাবাইট গতি পান, তাহলে তিনি ফোর-জিতে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত গতি পাবেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ১ জিবির একটা ফাইল ডাউনলোড করতে থ্রি-জি নেটওয়ার্কে যেখানে ২০ মিনিট লেগেছে, ফোর-জিতে সেটি ৫ মিনিটেই সম্ভব হবে। এ সবকিছুই কিন্তু তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, ইন্টারনেটের গতি আরও বিভিন্ন ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। ধারণা করা যায়, ফোর-জিতে আরও ভালোভাবে মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোন, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, এইচডি মোবাইল টিভি, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন (থ্রিডি টিভি) এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা পাব। আর সবচেয়ে মজার তথ্য, ২০১৯ সালের মধ্যে চাঁদে ফোর-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। মোবাইল কোম্পানি ভোডাফোন, নকিয়া ও গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি অডি মিলে এই অভিযান পরিচালনা করছে। খুশির খবর হলো, বাংলাদেশও গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ফোর-জি যোগাযোগব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে। এখন সবকিছু চলতে থাকুক দ্রুতগতিতে।

*লেখাটি ২০১৮ সালে বিজ্ঞানচিন্তার ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত

08/11/2021

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই চলতি শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ হবে পৃথিবীবাসীর। তবে সব অঞ্চল থেকে নয়।

একটি অসাধারণ ঘটনা পড়লাম....শরীরের লোমগুলো দাঁড়িয়ে গেছে !আমার পড়া শ্রেষ্ঠ ঘটনা...* একটি যাত্রীভরা বাস চলতেছিল। হঠাতড্রাইভ...
26/10/2021

একটি অসাধারণ ঘটনা পড়লাম....
শরীরের লোমগুলো দাঁড়িয়ে গেছে !
আমার পড়া শ্রেষ্ঠ ঘটনা...
* একটি যাত্রীভরা বাস চলতেছিল। হঠাত
ড্রাইভার বাসটিকে থামালেন। সমস্যা কি জানতে চাইল
যাত্রীরা। সে উত্তর দিল, "এই যে বৃদ্ধ লোকটি
বাসে উঠার জন্য হাত নাড়াচ্ছেন, তার জন্য আমি
বাস থামাচ্ছি।" যাত্রীরা বিষ্মিত হয়ে বলল, "আমরা
তো কাউকে দেখছি না।" সে বলল, "ঐ যে ওখানে
তার দিকে তাকান।" আবারও যাত্রীরা বলল,
"কাউকে দেখা যাচ্ছে না।" এবার ড্রাইবার বলল, "এখন
দেখুন লোকটি বাসে উঠছে!!" যাত্রীরা বিষ্ময়ে
কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে চিৎকার করে বলছে,
"আল্লাহর কসম! আমরা কাউকে দেখছি না।" তারপর
এক মুহুর্তের মধ্যেই ড্রাইভার তার আসনেই মারা
গেল। হতে পারে এই বৃদ্ধ লোকটিই ছিলেন মালাকাল
মউত [আযরাঈল (আ)] !
আল্লাহু আকবার!
হে আল্লাহ ! আমাদের সবাইকে তুমি ঈমানের
হালতে মৃত্যু দিও।
আমিন

Please choice your desire product from here......................
17/10/2021

Please choice your desire product from here......................

Address

House/47, 3rd Floor, Road-27, Sector-07, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mart24bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mart24bd:

Share