Halaal Shop

Halaal Shop An authentic source of natural food products.

29/05/2017
সরিষার তেল খান, সুস্থ থাকুন===================আগে বাঙালির রান্নাঘর মানেই সরিষার তেলের ঝাঁঝ, গোসলের আগে সরিষার তেল মেখে ব...
16/03/2016

সরিষার তেল খান, সুস্থ থাকুন
===================

আগে বাঙালির রান্নাঘর মানেই সরিষার তেলের ঝাঁঝ, গোসলের আগে সরিষার তেল মেখে ব্যায়াম, আর নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুম। তবে ওজন কমাতে সবাই এখন ঝুঁকছেন অলিভ অয়েলের দিকে। মালিশ করছেন অ্যারোমাটিক অয়েল। অথচ সরিষার তেল স্বাস্থ্য-গুণে ভরপুর। জেনে নিন সরিষার তেলের গুণ।

১। হার্ট- সরিষার তেলে রান্না খাবার খেলে কার্ডিও ভাসকুলার সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭০ শতাংশ কমে যায় বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকরা।

২। হজম- সরিষার তেল উৎসেচকের ক্ষরণ বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে।

৩। ক্যানসার- সরিষার তেলে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ক্যানসার রুখতে সাহায্য করে।

৪। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল- সরিষার তেলের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল গুণ ত্বকের ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫। সর্দি কাশি- সরিষার তেল ফুসফুসের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। বন্ধ নাকে সরিষার তেল দিলে আরাম পাওয়া যায়। ঘুম ভাল হয়।

৬। গাঁটে ব্যথা- বাতের ব্যথা, যন্ত্রণা উপশমেও ভাল কাজ করে সরিষার তেল।

৭। মালিশ- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে সরিষার তেল। শিশুদের সরিষার তেল মালিশ করলে বৃদ্ধি ভাল হয়। বড়দের ক্ষেত্রেও মালিশ রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

৮। ত্বক ও চুল- সরিষার তেলের ভিটামিন ই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে, বলিরেখা রুখতে সাহায্য করে। স্ক্যাল্পে সরিষার তেল মালিশ করে চুল পাকার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

online-dhaka.com থেকে।

কাঁচা মরিচের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা==========================কাঁচা মরিচ সধারনত খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়...
19/10/2015

কাঁচা মরিচের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা
==========================

কাঁচা মরিচ সধারনত খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন যা মরিচের ঝাল বাড়ায়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের বিস্ময়কর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১। গ্রীষ্ম কালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেড়িয়ে যায় ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।

২। চর্বি জাতীয় খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে মোটা হওয়ার কোনা ভয় থাকে না। কারণ কাঁচা মরিচ খাদ্যের সঙ্গে থাকা চর্বিকে ধ্বংস করে । ফলে স্লিম থাকা যায়।

৩। কাঁচা মরিচে অবস্থিত ক্যাপসাইসিন খাদ্যে থাকা উচ্চমাত্রার চর্বি শুষে নিয়ে শরীরে মেদ রোধ করতে সাহায্য করে।

৪। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

৫। ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাঁচা মরিচে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দারুণ উপকারি। তাছাড়াও রক্তনালী আর তরুনাস্থি গঠনে সাহায্য করে।

৬। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়। ও হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

৭। কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৮। এতে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

৯। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যাও কমে যায়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

১০। কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। ও যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য খুবই উপকারী

কাঁচা মরিচের ঝালের কারনে অনেকেই একে কাঁচা খেতে সাহস পায় না। তাই সবার মনেই প্রশ্ন জাগে, কাঁচা মরিচ কাঁচা খাওয়া ভালো, নাকি রান্নার সাথে খাওয়া ভালো। এর উত্তর হল, কাঁচা মরিচ কাচা খাওয়া ভালো। ৩৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রার বেশি তাপমাত্রায় কাঁচামরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুণ। -সূত্র: বিউটিহেলত।

সম্পাদনা: তাহমিনা শাম্মী।
বি ডি লাইভ ডট কম

তালের শাঁসের অজানা পুষ্টিগুণ===================গ্রীষ্মের এই দিনে বাংলাদেশে কাঁচা তালের শাঁস খুবই প্রিয় একটি খাবার। তালের...
19/10/2015

তালের শাঁসের অজানা পুষ্টিগুণ
===================

গ্রীষ্মের এই দিনে বাংলাদেশে কাঁচা তালের শাঁস খুবই প্রিয় একটি খাবার। তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক সহজলভ্য তালের শাঁসের অজানা কিছু গুণ সম্পর্কে- ১. গরমের দিনে তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ পানিশূন্যতা দূর করে। প্রাকৃতিকভাবে দেহকে রাখে ক্লান্তিহীন। ২.তালে থাকা ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স আপনার পানিপানের তৃপ্তি বাড়িয়ে দেয়। খাবারে রুচি বাড়িয়ে দিতেও সহায়তা করবে। ৩. তালে থাকা ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করে। ৪. তালে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ৫.তাল বমিভাব আর বিস্বাদ দূর করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৬. তালে থাকা উপকারী উপদান আপনার ত্বকের যত্ন নিতে সক্ষম। ৭. কচি তালের শাঁস লিভারের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। ৮.কচি তালের শাঁস রক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে। ৯. তালের শাঁসে থাকা ক্যালসিয়াম হাঁড় গঠনে দারুণ ভূমিকা রাখে। প্রাইম সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এম.এম

দুধ-চা ভালো না লাল-চা?================প্রায় ৩৫ বছর আগে আমি ঢাকার কাছেই পুবাইল রেলস্টেশনের দেয়ালে একটা জীর্ণ বিজ্ঞাপন দেখ...
17/10/2015

দুধ-চা ভালো না লাল-চা?
================

প্রায় ৩৫ বছর আগে আমি ঢাকার কাছেই পুবাইল রেলস্টেশনের দেয়ালে একটা জীর্ণ বিজ্ঞাপন দেখে খুব অবাক হই। সেটা ব্রিটিশ আমল থেকেই ওখানে রয়ে গেছে। তাতে চায়ের উপকারিতা বর্ণনা করে বলা হয়েছে, চা পান করলে টাইফয়েড, বসন্ত, কলেরা, আমাশয়সহ সব ধরনের রোগের উপশম হয়! সে যুগে ইংরেজরা বিনা পয়সায় চা পান করিয়ে ও নানা রকম বিজ্ঞাপন দিয়ে এই বিশেষ পানীয় পানে মানুষকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করত। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কলেরা-টাইফয়েড হয়তো আটকায় না, কিন্তু চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও দেহের জীবকোষের ক্ষয় রোধ করে। কোনো কোনো গবেষণা অনুযায়ী, দাঁতে পোকা ধরা রোধ, রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক রাখা এবং সম্ভবত হূৎপিণ্ডে রক্তবাহী ধমনি-শিরার উপকার করার ক্ষেত্রে চা উপকারী। আমরা অনেকেই দুধ মিশিয়ে চা পান করি। সেটা কতটা ভালো? এ নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে বেরিয়েছে। পূর্ণ বয়স্ক ১৬ ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। তাঁদের লাল-চা, দুধ-চা ও শুধু গরম পানি পান করতে দেওয়া হয়। দেখা গেছে, লাল চায়ে ধমনির কার্যক্রম তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু দুধ মেশালে চায়ের সুফল একেবারে ভোঁতা হয়ে যায়। গবেষকেরা বলছেন, রক্ত পরিবহনতন্ত্রের জন্য চায়ের উপকারিতার বিপরীতে কাজ করে দুধ। এ ব্যাপারে নিউইয়র্ক টাইমস-এর বিজ্ঞান ক্রোড়পত্রের (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২) মন্তব্য হলো, ‘গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী দুধ মেশালে চায়ের স্বাস্থ্যকর কিছু গুণ কমে যেতে পারে।’
এখানে স্মরণ করা যেতে পারে, কয়েক বছর আগে অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ের মধ্যে ট্যানিন নামের যে উপাদান রয়েছে, তা খাদ্যনালির (গলার) ক্যানসারের একটি কারণ হতে পারে। আর চুলায় চা পাতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বাল দিলে চায়ের ট্যানিন বেশি বের হয়। সাধারণ চায়ের দোকানে এ রকম করা হয়। এই চায়ে কিছু দুধ দরকার। কারণ, দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে দেয় না। এ জন্য বেশি জ্বালের চায়ের ক্ষেত্রে দুধ মেশালে উপকার পাওয়া যেতে পারে। আর সাম্প্রতিক গবেষণার ফল অনুযায়ী, হালকা জ্বালের রং চা-ই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

সৌজন্যে: দৈনিক প্রথম আলো

মেথির উপকারিতা============মেথির সবচেয়ে বড় গুণ হলো বাতরোগ নিরাময়। বিভিন্ন ধরনের বাতরোগ নিরাময়ের জন্য মেথির ব্যবহার সেই প্...
19/09/2015

মেথির উপকারিতা
============

মেথির সবচেয়ে বড় গুণ হলো বাতরোগ নিরাময়। বিভিন্ন ধরনের বাতরোগ নিরাময়ের জন্য মেথির ব্যবহার সেই প্রচীনকাল থেকেই। চার গ্রাম পরিমাণ মেথি এবং সমপরিমাণ শুকনো আদা চূর্ণ পরিমাণ মতো গুড়ের সাথে মিশিয়ে খেলে অল্প দিনের মধ্যেই গেঁটেবাত সেরে যায়। এ ছাড়া আমাশা ভালো হয় মেথি খেলে। এ ক্ষেত্রে মেথিগুঁড়ো ঘোলের সাথে গুলিয়ে খেতে হয়। আর দইয়ের সাথে খেলে রক্ত আমাশা সেরে যায়। মেথি খেলে লিভার ভালো থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। মেথিশাক রান্না করে নিয়মিত খেতে পারলে রক্ত শুদ্ধি হয়, বল বৃদ্ধি পায় এবং অর্শ রোগ সেরে যায়। ইন্টারনেট।

সৌজন্যে: ঢাকা প্রতিদিন

পালং শাকের উপকারিতা================পালং শাক কমবেশি প্রায় সবারই প্রিয়। সাধারণত শীতকালে পাওয়া যায় এই শাক। এই শাক রান্না কর...
19/09/2015

পালং শাকের উপকারিতা
================

পালং শাক কমবেশি প্রায় সবারই প্রিয়। সাধারণত শীতকালে পাওয়া যায় এই শাক। এই শাক রান্না করা ঝোল অনেকে স্যুপের মতো করে খায়। এই শাক ভাজি হিসেবে খাওয়া যায়, রান্না করেও মাছের সঙ্গে খাওয়া যায় সহজেই। পালং শাক খেলে শরীর যেমন সুস্থ থাকে, তেমনি রোগ-ব্যাধি সারাতেও এই শাকের রয়েছে ব্যাপক ভূমিকা।

পালং শাক শরীরের অন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্রের ভেতরে জমে থাকা মল সহজে বের করে দেয়। ডায়াবেটিস রোগীরা এই শাক পরিমাণমতো খেলে উপকার পান। এই শাকের বীজও খুব উপকারী। এর বীজের ঘন তেল কৃমি ও মূত্রের রোগ সারায়। পালং শাকের কঁচি পাতা ফুসফুস, কণ্ঠনালীর সমস্যা, শরীর জ্বালাপোড়া ইত্যাদি সমস্যা দূর করতেও ভালো কাজ দেয়। পালং শাক শরীর ঠান্ডা রাখে। জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই শাক বিশেষ উপকারী। এই শাককে বলা হয় রক্ত পরিষ্কারক খাদ্য। রক্ত বৃদ্ধিও করে। চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং মুখের লাবন্য বৃদ্ধি করে। পোড়া ঘায়ে, ক্ষতস্থানে, ব্রনে বা কোথাও কালশিরা পড়লে টাটকা পালং পাতার রসের প্রলেপ লাগালে ভালোই উপকার পাওয়া যায়।

পুষ্টি তালিকা : প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে প্রোটিন আছে ২.০ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট আছে ২.৮ গ্রাম, অাঁশ আছে ০.৭ গ্রাম, আয়রন ১১.২ মি. গ্রাম, ফসফরাস আছে ২০.৩ মি. গ্রাম, অ্যাসিড (নিকোটিনিক) ০.৫ মি. গ্রাম, রিবোফ্লোবিন থাকে .০৮ মি. গ্রাম, অক্সালিক অ্যাসিড থাকে ৬৫২ মি. গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মি. গ্রাম, পটাশিয়াম ২০৮ মি. গ্রা, ভিটামিন-এ আছে ৯৩০০ আই. ইউ, ভিটামিন সি ২৭ মি. গ্রা, থায়ামিন আছে .০৩ মি. গ্রা। অতীতে বাজারে টক পালংও কিনতে পাওয়া যেত। কিন্তু এখন তা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এই শাকও ছিল খুবই উপকারী। শিশুদের জন্য পালং শাক বিশেষ উপকারী।

সৌজন্যে: দৈনিক সংগ্রাম

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খেজুরের অসাধারণ ঔষধি গুন ও উপকারিতা======================================যৌন শক্তির সঙ্গে খোরমা ও খেজু...
14/09/2015

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খেজুরের অসাধারণ ঔষধি গুন ও উপকারিতা
======================================

যৌন শক্তির সঙ্গে খোরমা ও খেজুরের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। খোরমা খেজুর চুষলে পিপাসা দমন হয়। অধিকাংশ হালুয়া তৈরীতে এ কারণেই খোরমা ও খেজুর ব্যাবহার করা হয়। চিকিতসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন গ্রন্থেও খোরমা ব্যবহার যৌন শক্তির জন্য উপকারী বলা হয়েছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খেজুর অসাধারণ ঔষধি গুনে পরিপূর্ণ। সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে খুবই উপযোগি। এছাড়াও এই বিশেষ ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতি রোগকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা৷ তাই আপনাদের জন্য রইল খেজুরের কিছু আজানা তথ্য।


জেনে নিন খেজুরের বিভিন্ন গুনাগুণ ও উপকারিতা


(১) রুচি বাড়ায়
(২) ত্বক ভালো রাখে
(৩) দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
(৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
(৫) খেজুরে অনেক গ্লুকোজ থাকায় এ ঘাটতি পূরণ হয়
(৬) রোজায় অনেকক্ষন খালি পেটে থাকা হয় বলে দেহের প্রচুর গ্লুকোজের দরকার হয়
(৭) খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী
(৮) হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
(৯) খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর হয়
(১০) স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
(১১) হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী
(১২) খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে
(১৩) পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী
(১৪) ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
(১৫) অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে
(১৬) প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।
(১৭) খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
(১৮) খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
(১৯) নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত।
(২০) তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।
(২১) খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
(২২) ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
(২৩) খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
(২৪) আজওয়া খেজুর বিষের মহৌষধ।
(২৫) মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী। খেজুরের বিচিও রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
(২৬) পাতলা পায়খানা বন্ধ করে।
(২৭) এর চুর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়।
(২৮) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী।
(২৯) সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। খেজুর সেটা দ্রুত পূরণে সাহায্য করে।
(৩০) তুলনা মূলক ভাবে শক্ত খেজুরকে পানিতে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই পানি খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
(৩১) পেটের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর। এছাড়াও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী।
(৩২) মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ফলে বদহজম দূর হয়। হৃদরোগ কমাতেও খেজুর বেশ উপকারী।
(৩৩) উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।
(৩৪) নেশা গ্রস্তদের অঙ্গক্ষয় প্রতিরোধ করে খেজুর। স্বাস্থ্য ভালো করতে বাড়িতে তৈরী ঘিয়ে ভাজা খেজুর ভাতের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
(৩৫) খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে খেজুর।
(৩৬) ক্লান্ত শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ শক্তির যোগান দেয় খেজুর।
(৩৭) সুস্থ হৃদপিন্ডে দেহযন্ত্রে স্বাচ্ছন্দ এবং সতেজ বিধান করে এমন শক্তিদায়ক বা বলবর্ধক ঔষধ হিসেবে খেজুরের জুড়ি নেই।
(৩৮) যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।
(৩৯) খেজুরে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।
(৪০) খেজুরে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি থাকে বিধায় যারা একটু দূর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী, সামান্য পরিশ্রমে হয়রান হয়ে যায় তাদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট পথ্য।
(৪১) খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহয়তা করে।
(৪২) দুর্বলতা কাটাতে অনেক সাহায্য করে এবং ডেলিভারীর পর মায়েদের অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে ও খেজুর সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তী সময়ে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে খেজুর কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
(৪৩) দেহকে সচল ও কার্যক্ষম রাখতে শক্তির প্রয়োজন। এর অভাবে দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়,শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হয়। এসব ক্ষেত্রে শর্করা জাতীয় খাদ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।আর এই শর্করা জাতীয় খাদ্য হিসেবে খেজুর খাদ্য শক্তির উল্লেখযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করে।
(৪৪) আয়রনের পরিমাণও রয়েছে খেজুরে। তাই রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।
(৪৫) খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। রক্তে লৌহিত কণিকার প্রধান উপাদানের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। খেজুর লৌহসমৃদ্ধ বলে এই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
(৪৬) খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম বিদ্যমান যা আমাদের শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সচল রাখার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, খেজুরের মধ্যে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম বিদ্যমান থাকে যা মানুষের ষ্ট্রোক হওয়ার ভয়াবহতাকে ৪০% কমিয়ে দেয়।
(৪৭) খেজুর হৃদরোগ, জ্বর ও পেটের পীড়ায় উপকারী এবং বলবর্ধক ঔষধ হিসেবে কাজ করে ।
(৪৮) খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল, যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।
(৪৯) প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ৩২৪ মিলিগ্রাম ক্যালরি থাকে। ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে, তাই খেজুর শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী একটি ফল।
(৫০) প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেজুর ব্লেন্ড করা জুস খেলে হার্টের সমস্যায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি ভাল সমাধান পাবেন।
(৫১) ক্ষুধা নিবারণের বিকল্প খাদ্য হিসেবে আমরা ২-৪টি খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি পান করতে পারি।
(৫২) ৭/৮ মাস সময় থেকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট খাদ্য। এসময় গর্ভবতী মায়েদের শরীরে অনেক দুর্বলতা কাজ করে। তখন খেজুর মায়েদের শরীরের এই
(৫৩) খনিজ পদার্থ দৈহিক পুষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করে। খেজুর দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।

সৌজন্যে: health-bd

দুধের ৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা==================দুধ (milk) আমাদের খাদ্য তালিকার একটি অন্যতম পুষ্টিকর খাদ্য উপাদানের নাম। ...
13/09/2015

দুধের ৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
==================

দুধ (milk) আমাদের খাদ্য তালিকার একটি অন্যতম পুষ্টিকর খাদ্য উপাদানের নাম। দুধে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন বিদ্যমান যা আমাদের স্বাস্থ্যর জন্য খুব উপকারী। প্রতিদিন একগ্লাস দুধ পান করার ফলে আমাদের শরীর নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধে সক্ষম হয়ে উঠে।

১) সুস্থ হাড় গঠনে (bone health):

দুধ ক্যালসিয়ামের একটি অন্যতম উপাদান যা সুস্থ হাড় গঠনে সাহায্য করে। তাই শুধুমাত্র বেড়ে উঠা বাচ্চারা নয় বরং প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষেরাও তাদের দেহের হাড় মজবুত রাখতে প্রতিদিন দুধ পান করতে পারেন। এছাড়া দুধ পান করার ফলে আমাদের শরীর নানা ধরণের হাড়ের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে।

২) সুস্থ দাঁত (healthy teeth) :

দুধ আমাদের সুস্থ দাঁতের জন্যও জরুরী। দুধ দাঁতের যেকোন রোগ সহ ক্যাভিটি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। দুধে উপস্থিত ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম বাচ্চার দাঁতের গঠনে সাহায্য করে। তাই শুধু বাচ্চারা নয় সুস্থ দাঁত পেতে ছোট বড় সবার দুধ পান করা দরকার।

৩) মাংসপেশি গঠন (muscles) :

দুধের পুষ্টি উপাদান শরীরের মাংসপেশি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বাড়তি বয়সী বাচ্চাদের শরীরের সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক গড়ন নিশ্চিত করতে দুধ পানের কোন বিকল্প হয়না। তাছাড়া আপনার ব্যায়াম করা শেষে দুধ খেলে আপনার শরীরের মাংসপেশি আরো সুগঠিত হয়।

৪) মানসিক অবসাদ দূর করতে(less stress) :

আপনার সারাদিনের ক্লান্তি আর মানসিক অবসাদ দূর করতে একগ্লাস দুধের কোন বিকল্প হয়না। গরম একগ্লাস দুধ আপনার মাংসপেশি ও নার্ভ শান্ত করে তোলে আর আপনার কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে।

৫) ত্বক উজ্জ্বল করতে (glowing skin) :

ত্বক উজ্জ্বল করতে প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করতে পারে। দুধের নিউট্রিইয়েন্স ও ল্যাক্টিক অ্যাসিড উপাদান ত্বক সফট রাখে, এর অ্যামিনো অ্যাসিড ত্বক মশ্চেরাইজ করে ও দুধের প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান ত্বকের যেকোন ধরণের ড্যামেজ রোধ করে।
আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দুধ যোগ করুন। দুধ একাই আপনার অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করবে।

সৌজন্যে: পরামর্শ.কম

ছোলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক=======================ছোলা বা বুটকে বলা হয় দানাদার শক্তিশালী খাদ্যশস্য। অর্থাৎ প্রতিদিন ...
07/09/2015

ছোলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক
=======================
ছোলা বা বুটকে বলা হয় দানাদার শক্তিশালী খাদ্যশস্য। অর্থাৎ প্রতিদিন সামান্য পরিমাণে (প্রায় ৫০ গ্রাম) ছোলা খেলে মাছ-গোশত ইত্যাদি ঘাটতি পূরণ হয়। অনেকে বলে থাকেন, ছোলা খাও আর ব্যয়াম কর। মজার ব্যাপার হলো, ছোলায় আমিষের পরিমাণ গোশত, মাছ বা ডিমের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান।

পুষ্টিমান : প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ আছে প্রায় ১৮ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট আছে প্রায় ৬৫ গ্রাম। আর ফ্যাট আছে প্রায় ৫ গ্রাম। ছোলায় আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় রয়েছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। ভিটামিন ‘এ' আছে প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম। প্রচুর পরিমাণে আছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২। আছে ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস।

ছোলার শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম, যা শরীরে প্রবেশ করলে অস্থির ভাব দূর হয়। ছোলা খাওয়ার পর বেশ অল্প সময়েই হজম হয়। এর শর্করা গ্লুকোজ হয়ে দ্রুত রক্তে চলে যায় না। অতএব, ছোলা ডায়াবেটিকস রোগীর জন্য খুবই উপকারী খাবার। ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। ছোলার অাঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। নিয়মিত ছোলা খেলে আর নিয়মমত পায়খানা হলে খাদ্যনালীতে ক্ষতিকর জীবাণু থাকতে পারে না। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে না বলা যায়। এর অাঁশ রক্তের চর্বি কমায়। ছোলা দীর্ঘক্ষণ ধরে শক্তির যোগান দেয় শরীরে। জানা গেছে, প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলা থেকে প্রায় ৩৮০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। ছোলা ডাল হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়। গোশতের সঙ্গেও খাওয়া যায় ছোলা। ছোলার ডালের হালুয়া বেশ মজাদার বা মুখরোচক খাবার। এটি খেলে শিশুর বাড়ন্ত শক্তির যোগান হয় সহজেই। ছোলা ভেজে খাওয়া যায়। সেদ্ধ করেও খাওয়া যায়। তবে তেল-মসলা দিয়ে খাওয়ার চেয়ে তা ভিজিয়ে কাঁচা চিবিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। দেশী-বিদেশী সব ছোলাই উপকারী।

-মোহাম্মদ আব্দুল সেলিম (দৈনিক সংগ্রাম সৌজন্যে)

কালোজিরার ১২টি ঔষধি গুণ===================কালোজিরাকে আমরা কে না জানি? নামে জিরা হলেও আসলে কিন্তু স্বাদে গন্ধে জিরার সাথে...
06/09/2015

কালোজিরার ১২টি ঔষধি গুণ
===================

কালোজিরাকে আমরা কে না জানি? নামে জিরা হলেও আসলে কিন্তু স্বাদে গন্ধে জিরার সাথে এর কোনও মিল নেই। আর ব্যবহারও জিরার মতন নয়। ইংরেজিতে কালো জিরা "Nijella seed" নামে পরিচিত। বাঙালির পাঁচফোড়ন থেকে শুরু করে সিঙ্গারা আর নানান রকম ভর্তায় কালোজিরা না হলে কি চলে?
আয়ুর্বেদিক, ইউনানি ও কবিজারি চিকিৎসাতেও কালো জিরার ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। মসলা হিসেবেও এর চাহিদা অনেক। কালো জিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়, যা মানব শরীরের জন্য খুব উপকারি। এতে আছে ফসফেট,লৌহ,ফসফরাস। এছাড়া এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক কেরটিন , বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান এবং অম্ল রোগের প্রতিষেধক।

আসুন জেনে নেয়া যাক কালো জিরার ঔষধি গুনগুলো -
১) কালো জিরার তেল মাথা ব্যাথা সারাতে দারুন উপকারী । কালো জিরার তেল কপালে মালিশ করলে এবং তিন দিন খালি পেটে ১ চা চামচ তেল খেলে আরোগ্য লাভ করা যায় ।

২) চুল শ্যাম্পু করার পর শুকিয়ে নিন। এবার পুরো মাথায় কালো জিরার তেল ভাল মতো লাগান । এক সপ্তাহ নিয়মিত করলে চুল পড়া অনেক কমে যাবে।

৩) যাদের হাঁপানির সমস্যা আছে তারা বুকে ও পিঠে কালো জিরার তেল মালিশ করতে পারেন,উপকার পাবেন।

৪) কালো জিরার তেল ও চূর্ণ ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। নিয়মিত সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে ।

৫) চা বা গরম পানির সাথে কালো জিরার তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার পাওয়া যায় তেমনি শরীরের বাড়তি মেদও কমে ।

৬) এক কাপ দুধ ও ১ চা চামচ কালো জিরা তেল একসাথে মিশিয়ে দৈনিক পান করুন। পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকলে তা কমে যাবে ।

৭) যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা দৈনিক কোন না কোন ভাবে কালো জিরা সেবনের চেষ্টা করুন, কারন কালো জিরা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গরম ভাতের সাথেও কালো জিরার ভর্তা খেতে পারেন ।

৮) জ্বর হলে সকাল-সন্ধায় লেবুর রসের সাথে কালো জিরার তেল পান করুন । জ্বর দ্রুত সেরে যাবে ।

৯) হাঁটুর ব্যাথা সারাতে রোজ রাতে কালো জিরার তেল হাঁটুতে মালিশ করুন ,হাঁটুর ব্যাথা কমে যাবে ।

১০) ছুলি বা শ্বেতী হলে আক্রান্ত স্থানে আপেলের টুকরো দিয়ে ঘষে নিন,তারপর কালো জিরার তেল লাগান । এভাবে ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর্যন্ত লাগান।

১১) কালো জিরা নারী ও পুরুষে উভয়ের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে । বিশেষ করে পুরুষদের জন্য খুব উপকারি । নিয়মিত কালো জিরা সেবনে পুরুষত্ব হীনতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।

১২) বাতের ব্যাথা সারাতে কালো জিরার তেল নিয়মিত মালিশ করুন ।

সৌজন্যে: প্রিয় ডট কম

সাদা সবজি বেশি করে খান================রং দেখে ফল ও সবজি খাওয়ার কথা বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরেই বলছেন। ভিন্ন ভিন্ন রঙের ফল ও...
05/09/2015

সাদা সবজি বেশি করে খান
================

রং দেখে ফল ও সবজি খাওয়ার কথা বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরেই বলছেন। ভিন্ন ভিন্ন রঙের ফল ও সবজিতে প্রয়োজনীয় ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। আসলে উদ্ভিদের পাতা থেকে শুরু করে ফল ও নানা জাতের শাক-সবজির রং ভিন্ন হয়ে থাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিকের উপস্থিতির কারণে। আর এসব জৈব রাসায়নিকের একেকটি আমাদের শরীরের একেকটি চাহিদা পূরণে সক্ষম। সাদা রঙের সবজির নানা গুণাগুণ তুলে ধরে চারটি সাদা সবজির উপকারিতা তুলে ধরেছে হাফিংটন পোস্ট।

ফুলকপি

ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে সালফার ও সালফারজাতীয় যৌগিক উপাদান আছে। এগুলো ক্যানসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া হাড়ের টিস্যুকে শক্ত করতে এবং রক্তনালি স্বাস্থ্যবান রাখতে সহায়তা করে।

মাশরুম

একদিকে মাশরুমে ক্যালরির পরিমাণ খুবই অল্প, এতে ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় উপাদান নেই, কোলেস্টরল নেই, গ্লুটেন নেই আর সোডিয়াম আছে সামান্য পরিমাণে। অন্যদিকে মাশরুমে আছে প্রয়োজনীয় সেলেনিয়াম, পটাশিয়াম, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন এবং ভিটামিন ডি। এ ছাড়া মাশরুম ওজন নিয়ন্ত্রণেও উপকারী।

রসুন

বলা হয়ে থাকে রসুন চুল গজাতে সাহায্য করে, ব্রণ দূর করে এবং ঠান্ডা-সর্দি তাড়ায়। রসুনের সমৃদ্ধ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আলু

আমরা হরহামেশা যেসব ফল ও সবজি খাই সেগুলোর অনেক কিছুর চেয়ে সাদা আলুতে আঁঁশ এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি। এ ছাড়া আলুতে আছে ভিটামিন বি-৬। আছে ম্যাগনেশিয়াম এবং সামান্য পরিমাণে হলেও উঁচুমানের প্রোটিন।

prothom-alo 'র সৌজন্যে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Halaal Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Halaal Shop:

Share