09/02/2026
রমজান মাস আত্মশুদ্ধির মাস, রহমত এর মাস, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস, রোজা পালন করা ফরজ এবং এ মাসের আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এটি পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস এবং এতে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত—লাইলাতুল কদর—অন্তর্ভুক্ত, যা ইবাদতের জন্য মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।
রমজান মাসের প্রধান ফজিলতসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
১. জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভ: রমজানে শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয়, জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২. কুরআন নাজিলের মাস: এই মাসেই মহান আল্লাহ তালা মানবজাতির হেদায়েতের জন্য পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, তাই এ মাসে বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা অনেক সওয়াবের কাজ।
৩. লাইলাতুল কদরের ফজিলত: রমজানের শেষ দশকে, বিশেষ করে বেজোড় রাতে থাকে 'লাইলাতুল কদর', যা হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই এক রাতের ইবাদত জীবনের পাপ মোচন করতে পারে।
৪. রোজার বিশেষ পুরস্কার: আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "রোজা আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব। এটি সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কারের মাস।
৫. ইফতার ও দানশীলতা: রোজাদারকে ইফতার করালে বা অন্যকে খাবার দিলে সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায় এবং নিজের সওয়াবও কমে না। এই পবিত্র মাসে যাকাত আদায় এবং দান সদগাহ করে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারি।
৬. তাকওয়া অর্জন: রমজানের মূল উদ্দেশ্য হলো খোদাভীতি বা তাকওয়া অর্জন করা, যা মানুষকে অনৈতিক ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।
সংক্ষেপে, রমজান হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুবর্ণ সুযোগ, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত রহমত ও বরকতে ভরপুর। আবারও সেই পবিত্র মাস আমাদের মাঝে খুব শীঘ্রই আসতে যাচ্ছে। আল্লাহ সুবহানাল্লা তালা আমাদের সকলকে এই বরকতময় মাসে, পবিত্র মনে তার কাছে দোয়া খায়ের করবার তৌফিক দান করুক, আমিন।