Islamic Bookstore

Islamic Bookstore Authentic Islamic book seller. We have vast collection of books. visit us...... Without their support, we could not have approached for this Islamic Book Store.

Assalamu alaikum wa rahmatullahi wa barakatuhu

Alhamdulillah wassalatu wassalamu ala rasulillah wa ala alihi wa ashabihi azmain. By the grace of Almighty Allah subhanahu ta'ala, we, some young fellow dreamed to establish an Islamic Education Center at Mirpur, Dhaka, Bangladesh. We are taking a step to spread the spirit and knowledge of Islam and inviting people to Islam by opening an Islamic Book

Store. Islamic Book Store should be a place where we will get enough Islamic reference books and material in order to fulfill dawah work among people. Finally we would like to thank all those brothers and sisters who have contributed generously in the past. For further Information please contact:

Phone: 01779969696

Email us: [email protected]

Webpage: www.iec-bd.org

শীত মৌসুমে যেন সব পীর/ অলি বাবারা ঐক্যজোট হয়ে মরেছে।তাইতো আপনারা বিভিন্ন স্থানে ওরশ/উরস/ ওরছ/ উরছের ব্যানার-পোষ্টার দেখত...
29/01/2016

শীত মৌসুমে যেন সব পীর/ অলি বাবারা ঐক্যজোট হয়ে মরেছে।তাইতো আপনারা বিভিন্ন স্থানে ওরশ/উরস/ ওরছ/ উরছের ব্যানার-পোষ্টার দেখতে পাচ্ছেন।সাধারণ মুসলিমদের ঈমান,আমল ধ্বংস এবং টাকা পয়সা আত্মসাৎ করা সহ নারীর ইজ্জত লুণ্ঠন করার একটি অভিনব শয়তানের বীভৎস কাণ্ডের নাম উরস।ব্যাঙের ছাতার মতো পীর ও ওরসের কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মুসলিমদের ঈমান ও আমলের জন্য ক্ষতিকর।ইসলামের সম্ভ্রম নস্যাত করাই ওরসের মূল উদ্দেশ্য। আল্লাহ্‌ বলেনঃ "দূরে সরে থাকো এইরূপ লোক থেকে যারা নিজেদের দ্বীন- ইসলামকে খেল- তামাশা রুপে গ্রহণ করেছে"(সূরা আন'আম, আয়াত নং-৭০) কুরআনের এই আয়াত দ্বারা বুঝতে পারলাম যারাই ইসলামের সঠিক রুপকে বিকৃত করবে তাদের সাথে কোন রকম সম্পর্ক স্থাপন করা বা রাখা যাবেনা।বর্তমান দেখুন কিভাবে আমাদের আল্লাহ্‌র ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে শয়তানের ইবাদত তথা পীর, অলি, দরবেশের ইবাদত মুখী করাহচ্ছে নানা কৌশলে।রুকু,সাজদাহ,দুয়া,নজর-মান্নত ইত্যাদি পীর-অলি,দরবেশের জন্য করা হচ্ছে যা একেবারেই শিরক।যার পরিনতি চিরস্থায়ী জাহান্নাম।এই ইবাদতের পাশাপাশি পীর সাহেবরা মুরিদ-ভক্তদের নিকট থেকে অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করছে।মুরিদ-ভক্তদের নিকট হতে চাল, ডাল, মসলা, গরু, মহিষ,ছাগল, উট ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য মৌজুদ বা গুদামজাত করে রাতারাতি লাখপতি থেকে কোটিপতি বনে যাচ্ছে।এই হল বিনাপুজির ধোঁকাবাজি- হারাম ব্যবসা।পাশাপাশি মা- বোনদের ইজ্জতের উপর হামলাও করা হয়।এই হল ওরসের মূল উদ্দেশ্য মানসম্মান, মর্যাদা খাটো হয় ইসলাম এবং সঠিক ইসলাম প্রচারকের!!! কি মিলবে এই ওরস- পীর পূজা করে??? জাহান্নাম ছাড়া কিছুই না।ক্ষণিক দুনিয়াতে মিলবে টাকা- পয়সা,ধন-দৌলত আর লাঞ্চনা,অপমান,অসম্মান,বেইজ্জতি,দুঃখ-কষ্ট। শুধু থাকবেনা আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে শান্তি।তাই আসুন আমরা সচেতন হই এই ইসলাম বিরোধী ওরস অনুষ্ঠান থেকে। নিজের ঈমান, আমল সুরক্ষিত রাখি কুরআন অর্থসহ পড়ার মাধ্যমে।নিজের পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব, শিক্ষক সকলের সাথে এই বিষয় গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করুন। তাদের সতর্ক সাবধান করুন। এতেই আমরা আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারব ইনশাআল্লাহ, দুনিয়া ও আখিরাতে।ওরস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমার পোস্ট করা ১৪ নং প্রশ্ন মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ রইল।

১৮ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে সূফীবাদের চক্রান্ত??? উত্তরঃ সূফীবাদ শয়তানের অপর একটি অপকৌশলের ফাঁদ।যারা বলে সূফীবাদ শান্...
25/01/2016

১৮ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে সূফীবাদের চক্রান্ত??? উত্তরঃ সূফীবাদ শয়তানের অপর একটি অপকৌশলের ফাঁদ।যারা বলে সূফীবাদ শান্তির পথ আসলে সূফীবাদ শয়তানের পথ।বরং ইসলাম হল আল্লাহ্‌র পথ, শান্তির পথ।ইসলামে পীরগিরি/পীর মুরিদি -সূফীবাদ বলে কোন বিধান নেই। মূলত পীর-মুরিদিতে যা হয় সূফীবাদে তাই হয়। শুধু ল্যাভেল/সাইন বোর্ড/ নামে পার্থক্য!! সুতরাং এতে ধোঁকা খাওয়ার কিছু নেই। কারন জনগন এখন কুরআন ও হাদীস চর্চা শুরু করেছে। যার ফলে এই জাতীয় শতশত নাম, দল, ভণ্ডামি ইসলামের নামে করুক না কেন বা কিয়ামত পর্যন্ত আসুক না কেন কুরআন ও সহী হাদীস তাদের চালাকি, ভণ্ডামি ধরিয়ে দিতে সক্ষম।(আলহামদুলিল্লাহ্‌)। তাই আসুন ইসলাম জানতে, বুঝতে এবং পীর- সূফীদের ভণ্ডামির ফাঁদ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য নিয়মিত অর্থসহ পড়ুন > কুরআন মাজীদ, সহী বুখারী, সহী মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি হাদীস গ্রন্থ সমূহ এবং তাফসীর ইবনে কাসীর। ইনশাআল্লাহ, ইসলামের সঠিক সন্ধান/ হিদায়াত পাবেন। ওরস/ উরসের আসল রুপ সম্পর্কে জানতে ও সচেতন হওয়ার জন্য অনুগ্রহ করে ১৪ নং প্রশ্ন মনোযোগ সহকারে বুঝে পড়ুন।

s.s.c পরীক্ষার্থীদের জন্য সতর্ক বানী!!! আসসালামু আলাইকুম,সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক রসূল(সাল্লাল...
22/01/2016

s.s.c পরীক্ষার্থীদের জন্য সতর্ক বানী!!! আসসালামু আলাইকুম,সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক রসূল(সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি।আশা করি তোমরা সকলে ভাল আছ।বিরামহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে দীর্ঘ ১০ বছরের লেখা-পড়ার সু-ফলাফলের আশায় s.s.c পরীক্ষা সম্পন্ন করেছ।দুআ করি তোমাদের প্রচেষ্টা সফল হোক। তোমাদের জন্য একটি সতর্কবানী! তা হচ্ছে, ইসলাম এর সঠিক তথ্য জানতে শুধু মাত্র কুরআন এবং সহী হাদীস অর্থসহ পড়ে সেখান থেকে ইসলাম জানতে হবে।এর বিকল্প ভিন্ন আর কোন পথ নেই।তবে আছে,মানুষের মনগড়া ইসলাম!!!যা সোজা তোমাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।এখন তোমার প্রশ্ন মানুষের মনগড়া ইসলাম আবার কি???উত্তর হোল ঐযে s.s.c পরীক্ষার পূর্বে তোমাদেরকে ইসলামের কথা বলে খেতা-গাঁটটি দিয়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে সন্যাসির মত ঘুরে বেড়ানো। যা তাবলীগ জামাতের লোকেরা করে থাকে।তার নাম দিয়েছে "চিল্লা" অথচ চিল্লা শব্দ কুরআন ও হাদীসে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।রসূল(সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন দিন চিল্লা দেননি এবং চিল্লায় যেতেও বলেন নাই। সুতরাং এটা ইসলামের নামে মিথ্যাচার করা ছাড়া আর কিছুই নয়।আর ইসলামে সংসার বৈরাগী-সংসার ত্যাগী-সন্ন্যাসী হওয়া হারাম(সূত্রঃ মিশকাত-১ম খণ্ড)।তাই ঘর-সংসার ছেড়ে বৈরাগী হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।তুমি বাড়িতে থেকে প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সলাত পড়,কুরআন তিলাওয়াত,কুরআনের বঙ্গানুবাদ,সহী বুখারী,সহী মুসলিম,আবু দাউদ,নাসাঈ,ইবনে মাজাহ,তিরমিজি এই হাদীস গ্রন্থ সমূহ অর্থসহ পড়ে খাঁটি ইসলামকে জান এবং পালন কর।মা-বাবার সেবা যত্ন কর,আত্মীয়স্বজনদের খোঁজ-খবর নাও।পাশাপাশি নিজেকে ভাল কোন কাজে নিয়োগ কর। যেমনঃ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ,টিউশনি ইত্যাদি।যাতে করে সময়ের মূল্যায়ন করা যায়।আর চিল্লায় গেলে শুধু তাদের কথা-বার্তায় তোমাকে উঠা বসা করতে হবে চাকরের মত।আর এই লোকেরা সাধারন মানুষ।কোন আলেমও না।শুধু বাহ্যিক আলেমদের বেশ ধারণ করে আছে। কিন্তু এরা যে ইসলামের জ্ঞানে কত মূর্খ তা আমি তাদের সাথে থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা জেনেছি। সুতরাং তোমরা তাদের কথায় চলে বিভ্রান্তির শিকার হবে না।পরবর্তী আবার তাদের বিষয় তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ, অপেক্ষায় থাক।এই স্ট্যাটাস শেয়ার করে তোমার বন্ধুদের জানিয়ে দাও।

ইজতিমা হল মক্কায় তথা হজ্জ এর আনুষ্ঠানিকতা।সুতরাং টুঙ্গির ইজতিমায় যাওয়া যাবেনা।কারন আল্লাহ্‌ ইজতিমায় যাওয়ার নির্দেশ কুরআন...
14/01/2016

ইজতিমা হল মক্কায় তথা হজ্জ এর আনুষ্ঠানিকতা।সুতরাং টুঙ্গির ইজতিমায় যাওয়া যাবেনা।কারন আল্লাহ্‌ ইজতিমায় যাওয়ার নির্দেশ কুরআনে বলেননি।এবং রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনিও কোন নির্দেশনা দেন নাই তাই হাদীসেও উল্লেখ নাই।মুসলিম জাতির ইজতিমা হল কেবল হজ্জ।আল্লাহ্‌র নির্দেশে যা মক্কায় অনুষ্ঠিত হয়।নতুন করে দ্বিতীয় ইজতিমা ইসলামের নামে করাটা যে কত বড় অন্যায় তা হাশরের মাঠে বুঝা যাবে!!!সুতরাং জনমানব সংখ্যার আধিক্য যে, এত মানুষ যায় তাই আমিও যাব এইরূপ ধারণা প্রকৃত-সত্য থেকে বিমুখ হওয়ার নামান্তর।কারন মুষ্টিময় বা অনেক মানুষের মধ্যে সত্য নিহিত নেই।সত্য কেবল ইসলাম তথা কুরআন এবং সহী হাদীসেই সীমাবদ্ধ।আর আমরা মুসলিম জাতি।তাই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে কুরআন ও সহী হাদীসের বাহিরে কোন ইবাদত/ আমল যেন আমদের দ্বারা না হোক। লেবাসধারী বা নামধারী কোন মুসলিমের বাহ্যিক কর্ম/আমল দ্বারা আমি প্রভাবিত না হই বরং তার কর্ম/ আমলকে কুরআন ও সহী হাদীসের সাথে মিলিয়ে দেখব কতটুকু সত্য।শুধু বাহ্যিক লেবাস-পোশাক, বিশাল জন সমাবেশ, চাকচিক্যময় অনুষ্ঠান দেখেই তাতে অংশগ্রহণ করলে নিজের ঈমান-আমল নিজ অবস্থায় টিকিয়ে রাখাটা তখন কঠিন হবে।সেই ইজতিমা/অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা যায় যেখানে শুধু কুরআন ও সহী হাদীসের দলীল- প্রমানের আলোকে আলোচনা করা হয় কোন রকম অপব্যাক্ষা ছাড়া।যেমন মক্কার ইজতিমায় তাওহীদের আলোচনা করা হয়।শিরক তথা খাজা বাবা,গাঁজা বাবা,ন্যাংটা বাবা,পীর জিলানী, কবর পূজা,মাজার পূজা, তাবিজ ব্যবহার,মূর্তি পূজা,পীর পূজা সহ সকল প্রকার শিরক থেকে সতর্ক সাবধান করার কথা বলা হয়।ইসলামের পথে অটল অবিচল থাকার উৎসাহ দেয়া হয়।কুরআন ও সহী সুন্নাহ আঁকড়ে ধরে রাখতে বলা হয়। বিদআত তথা ওরস মাহফিল, চল্লিশা, মৃত্যু বার্ষিকী, জন্ম দিন, চিল্লা,পীরের মুরিদ না হওয়া,সম্মিলিত ভাবে মুনাজাত না করা সহ সকল প্রকার বিদআত থেকে সাবধান থাকার কথা বলা হয়।এক কথায় আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের প্রতি যে নির্দেশনা বা দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন তাই মক্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব মুসলিম জাতির ইজতিমায় বলা হয়। আর টুঙ্গির ইজতিমায়???!!!! আপনারাই কমেন্ট করুন।

আশা করি এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করবেন। কারন এই বিষয়টি ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত। এই কথা সত্য যে, সত্যের জয় আর মিথ্যা...
12/01/2016

আশা করি এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করবেন। কারন এই বিষয়টি ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত। এই কথা সত্য যে, সত্যের জয় আর মিথ্যার পরাজয়। সত্যকে গ্রহণ করতে অধিক মত-পথের প্রয়োজন হয়না।মানুষকে বিবেক সম্পন্ন করে সৃষ্টি করা হয়েছে।যার ফলে সে ২ টি পথ সহজে নির্ণয় করতে পারে। প্রথমত হক-সত্য দ্বিতীয়ত বাতিল-মিথ্যা।প্রকৃতপক্ষে অধিকাংশ মানুষ সত্যকে অপছন্দ করে।যার কথা আল্লাহ্‌ কুরআন মাজিদে বহুবার উল্লেখ করেছেনঃ আমি তো তোমাদের নিকট সত্য পৌঁছিয়ে ছিলাম,কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য বিমুখ।(সূরা যুখ্ররুফ- আয়াত নং- ৭৮) তাহলে আমরা কেন ইসলামের সঠিক সমাধান/ তথ্য গ্রহন থেকে বিরত হচ্ছি অধিকাংশ জনগনের কথায়???মনে রাখতে হবে অধিকাংশ মানুষের দোহাই দিয়ে কবরের আজাব, কিয়ামত বা হাশরের মাঠে বাঁচতে পারবেন না।যখন কোন ব্যক্তিকে তার ভুল সংশোধনের জন্য সতর্ক ও সাবধান করা হয় তখনই আমরা সহজেই বলে থাকি বড় আলেম, হুজুরকে এই আমল করতে দেখেছি। ওয়াজ মাহফিলে বা জুম্মার দিন আলোচনা করতে শুনেছিলাম।বাবা-মা এবং পূর্বপুরুষ/বাপ দাদারা করে আসছে তাই আমরা করি আর সবাই করে এতে দোষ কোথায়?!!!এত মানুষ কি ভুলের উপর, সবাই তো মাজারে যায়! মাজারে সিজদা করে, মাজারে পশু জবাই করে, পীরের মুরিদ হয়, কাওয়ালী -মারেফতি গান গায়, চিল্লায় যায়, ইজতেমায় যায় এরা সবাই কি ভুল?!!! উত্তরে বলা যায় আমরা ইসলামের ব্যাপারে কত অজ্ঞ- মূর্খ যে, মানুষের কথা, কাজ,আমল দ্বারা ইসলাম বুঝতেও শিখতে শুরু করেছি, ইসলাম দিয়ে নয়!!!কারন আমরা মনে করি দাঁড়ি, টুপি আর লম্বা জুব্বা গায়ে থাকলেই তার কথা হক!সেই জুব্বা-পাঞ্জাবী ওয়ালার মধ্যেই ইসলামের চাবিকাঠি।সেই জুব্বা-পাঞ্জাবী ওয়ালা যা বলবে তাই ইসলাম! আসলে এইরূপ চিন্তা-ভাবনা একেবারেই ভ্রান্তও মূর্খতা।তাদের কথা এবং কাজ/ আমলকে কুরআন ও সহী হাদীসের সাথে যাচাই করা।তানাহলে আমরা ইসলাম থেকে দূরে সরে পড়ব।জেনে রাখুন সত্য কথা হল সত্য গ্রহনের মাপকাঠি বা চাবিকাঠি হল আল্লাহ্‌র প্রেরিত আল কুরআন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদীস-সুন্নাহ।এই ২ টি গ্রন্থই ইসলামের কষ্টিপাথর। আমাদের জীবন চলার সত্য মাপকাঠি যা প্রতিমুহূর্তেই ভ্রান্ত/ মিথ্যার মুখোশ উন্মোচন করে দিতে সক্রিয়।তবে এর জন্য আমাদের প্রয়োজন কুরআন ও সহী হাদীস গ্রন্থ বাংলা অনুবাদ প্রতিদিন ১০-২০ মিনিট অনুশীলন। আসুন অন্ধ আনুগত্য, অধিকাংশ মানুষের দোহাই বর্জন করত বাংলায় অনুবাদকৃত কুরআন মাজীদ, সহীহুল বুখারী, সহী মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি এই সত্যের সন্ধান দাতা মহা মূল্যবান গ্রন্থ সংগ্রহ করুন আর অনুশীলন করুন। নিজের জীবন সুখীময় করে জ্ঞান সহকারে বলতে শিখি আল্লাহ্‌ বলেছেন, রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন।

[[[বিশ্ব ইস্তেঞ্জা দিবস= বিশ্ব ইজতেমা দিবস]]] পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় পায়খানা বা টয়লেট তৈরি করা হয় এই ইজতেমায়। অসংখ্য মান...
10/01/2016

[[[বিশ্ব ইস্তেঞ্জা দিবস= বিশ্ব ইজতেমা দিবস]]] পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় পায়খানা বা টয়লেট তৈরি করা হয় এই ইজতেমায়। অসংখ্য মানুষের ভিড় যমে এই পায়খানায়।তাই আজথেকে এর নামকরণ করা হল বিশ্ব ইস্তেঞ্জা দিবস। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এই পায়খানায় যাওয়ার জন্য শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছর বয়সের বৃদ্ধরা দাড়িয়ে থাকে। এটা দুঃখ ও হাস্যকর বিষয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাড়িতে অনুকুল পরিবেশে টয়লেট থাকতে এই টঙ্গীর তুরাগ নদীর পারে প্রতিকুল পরিবেশে এসে পায়খানা করার কোন যুক্তিকতা নেই।
আপনার নিজ বাড়ির পায়খানা- টয়লেটে সাযছন্দ ভাবে আরামের সাথে টয়লেটের কাজ সারুন। অযথা সময়, অর্থ, শারীরিক কষ্ট করার জন্য এই বিশ্ব ইস্তেঞ্জা- বিশ্ব ইজতেমায় আসার কোন প্রয়োজন নেই। বাড়িতে থেকে তাহাজ্জুদ সলাত আদায় করে আল্লাহর নিকট প্রান খুলে দুয়া করুন। কুরআন তিলাওয়াত করে আল্লাহর নিকট দুয়া করুন। এতেই আল্লাহ আপনার দুয়া শ্রবণ করবেন, কবুল করবেন, সন্তুষ্ট হবেন। কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিস পড়ে এটাই জানতে পেরেছি। কিন্তু এই বিশ্ব ইস্তেঞ্জা- বিশ্ব ইজতেমার কথা কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসে কোথাও তো পেলাম না !!!
তাহলে অবশ্যই বুঝে নিতে হবে এটা মুহাম্মাদ(সা)-এর কর্তৃক অনুমোদিত নয়। এটা হল ভারত থেকে আমদানি করা পীর ইলিয়াসের মনগড়া ধর্ম !!! ইলিয়াসের ভক্তরাই এই বিশ্ব ইস্তেঞ্জা বা বিশ্ব ইজতেমার প্রসার- প্রচার করে বেড়াচ্ছে। আর আমরাও তাদের কথা অন্ধ ভাবে মেনে নিচ্ছি। আমরা কত মূর্খ !!! একটু ভেবেও দেখলাম না, প্রশ্নও করলাম না এইটার অনুমতি মুহাম্মাদ(সা) দিয়েছেন কিনা??
মুহাম্মাদ(সা) এর একনিষ্ঠ অনুসারীগণ কক্ষনোই এইরুপ মনগড়া ইবাদত-আমল তৈরি করা বা তার প্রচার- প্রসার করতে পারেন না। তারা শুধু কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসের আলোকে কষ্টি পাথরের ন্যায় যাচাই- বাছাই কৃত মুহাম্মাদ(সা)-এর খাঁটি সুন্নাতের অনুসারী এবং প্রচারকও বটে।
সুতরাং খাঁটি মুসলিম হিসেবে আমাদের কর্তব্য হল কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসের অর্থ- অনুবাদ পড়া যেমনঃ সহিহুল বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, রিয়াদুস সলিহিন হাদিস গ্রন্থ সমূহ। যাতে রয়েছে মুহাম্মাদ(সা)-এর উজ্জ্বল সুন্নাত- আদর্শ। হাদিস গ্রন্থ পড়া মাত্রই পাঠক বুঝতে পারবেন( ইনশাআল্লাহ)।
অনুকরণীয়, অনুসরনীয় আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে একমাত্র আমরা মুহাম্মাদ(সা)-কে গ্রহন করলাম( আলহামদুলিল্লাহ)

আমাদের অনুসরনীয় কেবল কুরআন ও সহী-বিশুদ্ধ হাদীস। তাই ছব্দবেশী মুসলিমের কথা এবং আমলকে ইসলামের কষ্টিপাথর তথা কুরআন এবং সহী ...
05/01/2016

আমাদের অনুসরনীয় কেবল কুরআন ও সহী-বিশুদ্ধ হাদীস। তাই ছব্দবেশী মুসলিমের কথা এবং আমলকে ইসলামের কষ্টিপাথর তথা কুরআন এবং সহী হাদীসের দলীল-প্রমানের সাথে মিলিয়ে দেখুন কতটুকু সত্য।

১৭ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে পীর- মুরিদী কেন বৈধ নয়??? উত্তরঃ পীর শব্দ কুরআন ও হাদীসে কোথাও নেই। কারন পীর ফার্সি শব্দ ...
30/12/2015

১৭ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে পীর- মুরিদী কেন বৈধ নয়??? উত্তরঃ পীর শব্দ কুরআন ও হাদীসে কোথাও নেই। কারন পীর ফার্সি শব্দ আর ইসলাম পরিপূর্ণ হয়েছে আরবি ভাষায়।তাই ইসলামে পীরের কোন স্থান নেই।তাহলে কেন এই পীর শব্দটিকে ইসলামে প্রবেশ করানো হল??? সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য।তাই তো পীরেরা বলে বেড়ায় " পীরের মুরিদ না হতে পারলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না।" পীর তার মুরিদের হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে।"( নাউজুবিল্লাহ) এই তো দেখছি পীর নিজেই জান্নাতের ঠিকাদার! জান্নাত কি পীরের নিজস্ব বা বাপ- দাদার অর্জিত সম্পত্তি?? না কখনো নয় বরং আল্লাহই হলেন জান্নাতের প্রকৃত মালিক। তিনিই তাঁর প্রাপ্য বান্দাদের পুরুস্কারসরূপ জান্নাতে প্রবেশ করার অধিকার দিবেন। আর অন্যদিকে এ সকল পীর সাহেবরা যা আদেশ করে মূর্খ মুরিদ ও ভক্তরা তাই চক্ষু বন্ধ করে মেনে নিচ্ছে।হালাল, হারাম যাচাই করেনা।আর করলেও তা পীরের সাথে বেয়াদবি হবে তাই তারা পীরের অন্ধ অনুসরণ করছে। আল্লাহ বলেছেনঃ " তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের আলেম আর দরবেশদের কে রব বানিয়েছে।"( সূরা তাওবা, আয়াত-৩১) অর্থাৎ পীরকে রব( আল্লাহ) হিসেবে গ্রহণ করেছে। পীর যা বলবে তাই চক্ষু বন্ধ করে বিশ্বাস করবে, আমল করবে কোন প্রকার দলীল- প্রমান চাওয়া ছাড়াই। অথচ এইরূপ আনুগত্য কেবল আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। কিন্তু কে মূল্যায়ন করে!!!আর এই সুযোগেই পীর সাহেবেরা মুরিদের নিকট হতে গৃহীত হাঁস, মুরগী, গরু, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, উট,চাল, ডাল, জমি,অর্থ নিয়ে রাতারাতি বিশাল বিত্ত- বৈভবের মালিক হয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদের কত ভালবাসেন দেখুন তিনি এই সমস্ত পীরদের বেড়াজাল থেকে আমাদের পূর্বেই সতর্ক ও সাবধানতার বানী জানিয়ে দিয়েছেন> হে ঈমানদার লোকেরা অবশ্যই বহু আলেম ও দরবেশ এমন আছে, যারা অন্যায়ভাবে সাধারণ মানুষের সম্পদ ভোগ করে।" ( সূরা তাওবা, আয়াত নং- ৩৪) সুতরাং পীর মুরিদি এটা মানুষকে ঠকানোর জন্য অবৈধ পথ অবলম্বন করে চলেছে। সুতরাং কেউ কোন পীরের মুরিদ হবেন না,বাইয়াত করবেন না।বাইয়াত করবেন শুধুমাত্র আল্লাহর নিকট পরিপূর্ণ ইসলাম পালনের মাধ্যমে।জান্নাতে যেতে হলে কুরআন মাজিদ ও বিশুদ্ধ হাদীস অর্থসহ পড়ে, বুঝে, আমল করে শুধুমাত্র মহান আল্লাহ এবং মুহাম্মাদ( সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুসারী হন, নিশ্চিন্তে জান্নাতে প্রবেশ করুন- ইনশাআল্লাহ।পীর,বুজুর্গ , দরবেশ, অলি- আউলিয়া সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা এবং ইসলামের আলোকে তাদের সঠিক পরিচয় জানতে নিয়মিত পোস্ট পড়তে থাকুন ইনশাআল্লাহ প্রতারকদের থেকে নিজের ঈমান,আমল ও সম্পদ সুরক্ষিত থাকবে।আল্লাহ আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন আমীন।

29/12/2015
১৬ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদে মিলাদুন্নবী কেন পালন করা যাবে না??? উত্তরঃ ইসলামে ২ টি ঈদ পালন করার নির্দেশনা পাওয়া য...
18/12/2015

১৬ নং প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদে মিলাদুন্নবী কেন পালন করা যাবে না??? উত্তরঃ ইসলামে ২ টি ঈদ পালন করার নির্দেশনা পাওয়া যায়- ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। অতএব তৃতীয় ঈদ পালন করার কোন সুযোগ নেই।আর তাই মুহাম্মাদ( সাল্লালহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ইসলামের মধ্যে নতুন বিষয় তৈরি করবে যা ইসলামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত- পরিত্যাজ্য - বাতিল বলে গন্য হবে। ( সহীহুল বুখারী- হাদিস নং- ২৬৯৭, সহী মুসলিম- হাদিস নং- ১৭১৮)
সুতরাং ঈদে মিলাদুন নবী তথা জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা স্বপক্ষে মুহাম্মাদ (সাল্লালহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর কোন দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়না। এমন কি সত্য ইতিহাসের পাতায়ও পাওয়া যায়না।সাহাবাদের যুগে এমনকি পরবর্তী তাবিঈন- তাবিতাবিঈন্দের যুগেও কোন রকম ঈদে মিলাদুন্নবি তথা জন্ম দিবস উদযাপন হয়নি!!! তাহলে কিভাবে আমরা অন্ধ ভক্তির সাথে পালন করে চলেছি!? প্রকৃত ব্যাপার হল আমরা সত্য ইতিহাস ভুলতে বসেছি। মীলাদুন্নবী ও মিলাদের প্রচলন শুরু হয় ২০০ হিজরিতে মতান্তরে ৬০০ হিজরিতে এবং শবে বরাত চালু হয় ৪০০ হিজরিতে। এ সকল অনুষ্ঠান সমাজের মানুষ অন্ধভাবে অনুসরণ করে যাচ্ছে কিন্তু এগুলোর সঠিক তথ্য ও ইতিহাস না জেনে খুবই মহব্বত ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে রসূল প্রেমিক সাজছে অথচ এসব কর্মকাণ্ডগুলো ইসলামের নামে নবাবিস্ক্রিত বা বিদআত। যার দলীল- প্রমান কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসে নেই। ইতিহাস সাক্ষী আমাদের চাইতে অনেকগুণ বেশী রসূল ( সাল্লালহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সাহাবীগণ ভালবাসতেন। কিন্তু সেসব সাহাবাগন রসূল (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় বা তাঁর মৃত্যুর পর ইসলামের নামে বা নবীর ভালবাসায় এগুলো কি করেছেন??? এর দৃষ্টান্ত ইতিহাসে কোথাও পাওয়া যাবে??? তাবিঈগন কি এগুলো করেছেন??? মোটেই না!!! তাহলে কি তাঁদের চাইতেও রসূল (সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভালবাসা আমাদের বেশী??? কখনোই নয়। তাহলে কিসের মীলাদ ও ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করছি!!! সত্য হল যে,ধর্ম ব্যাবসায়ীরা সাধারণ জনগণকে কুরআন ও হাদীসের অপব্যাক্ষ্যা করে অর্থ সম্পদ ও মানুষের দুর্বল ঈমান লুটে নিচ্ছে। ইসলামের নামে নতুন করে কোন কিছু অনুপ্রবেশ এর কোন সুযোগ নেই। কারন আল্লাহ বলেছেনঃ আজ আমি তোমাদের দ্বীন- ইসলামকে পূর্ণ করে দিলাম।( সূরা মায়িদাহ- আয়াত নং- ৩) আর রসূল (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ইসলামের মধ্যে নতুন বিষয় তৈরি করবে যা ইসলামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত- পরিত্যাজ্য - বাতিল বলে গন্য হবে। ( সহীহুল বুখারী- হাদিস নং- ২৬৯৭, সহী মুসলিম- হাদিস নং- ১৭১৮) তাই প্রতিটি আমলের সঠিক ভিত্তি বা দলীল যাচাই- বাছাই করে আমল করা একজন মুসলিম ব্যাক্তির ঈমানী দায়িত্ব। মীলাদুন্নবী ও মৃত্যুবার্ষিকী কিংবা কোন জীবিত ও মৃত ব্যাক্তির জন্মবার্ষিকী বা মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা কুরআন ও সহী হাদীসের দৃষ্টিতে বিদআত তথা মনগড়া কাজ, পাপ কাজ। আর ইতিহাসের দৃষ্টিতে ইয়াহুদী, খৃষ্টান ও অগ্নিপূজকদের অন্ধ অনুসরণ তথা ইসলাম বিরোধী কাজ। আর এসব জন্ম-মৃত্যু বার্ষিকী পালন তো বৈধ নয়ই বরং এগুলো থেকে অবশ্যই বিরত থাকা একান্তই জরুরী। সুতরাং ঈদে মিলাদুন নবী ইসলাম সমর্থিত নয়। তাই আসুন ঈদে মিলাদুন নবীর সকল প্রকার আনুষ্ঠানিকতা থেকে বিরত থেকে শুধুমাত্র কুরআন এবং সহী হাদীসের আলোকে নিজের জীবনকে সাফল্যময় করে তুলি। রসূল (সাল্লালহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আদর্শ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করি।তবেই মুহাম্মাদ(সাল্লালহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে পরিপূর্ণ ভালবাসার শর্ত পুরন হবে জান্নাতে যাওয়া সহজ হবে। আল্লাহ আমাদের সকলকে রসূল(সাল্লালহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অনুসরণ করার তাউফিক দিন।(আমীন)

শবে বরাত পর্ব নং ২ > শবে বরাতের রাত্রের গুরুত্ব সম্পর্কে ভুল ধারণা !!! কুরআন মাজীদে যে লাইলাতুম মুবারকার( মহিমান্বিত রাত...
28/05/2015

শবে বরাত পর্ব নং ২ > শবে বরাতের রাত্রের গুরুত্ব সম্পর্কে ভুল ধারণা !!! কুরআন মাজীদে যে লাইলাতুম মুবারকার( মহিমান্বিত রাত্রি) কথার উল্লেখ আছে এবং এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেনঃ " এটাতো সে রাত যে রাত্রিতে প্রতিটি বিষয়ের বিজ্ঞতাপূর্ণ ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত আল্লাহর নির্দেশে প্রকাশ করা হয়।( সূরা দুখান- আয়াত নং- ৪) এ সম্পর্কে ইকরামার মত তাফসীরবিদদের ধারণা এই যে, এই লাইলাতুল মুবারাকা শা'বানের মধ্য ভাগের রাত্রি। এই রাত্রিতে প্রত্যেক ব্যক্তি, জাতি ও দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করে আল্লাহ তার মালাইকাদের( ফিরিশতাদের) নিকট অর্পণ করেন। অন্য দিকে ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু), ইবনু উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু), মুজাহিদ ( রহেমাহুল্লাহ), কাতাদা (রহেমাহুল্লাহ), হাসান বাসরি(রাহেমাহুল্লাহ) সহ অন্যান্য তাফসীরবিদ লাইলাতুল মুবারকা বলতে লাইলাতুল কদরকে উল্লেখ করেছেন যা রমাদান (রমজান) মাসে আগমন করে(অর্থাৎ রমজানের ২১,২৩,২৫,২৭ও ২৯ শে রাত্রিগুলির যে কোন একটি রাত)। লাইলাতুল বারাত অর্থাৎ মাগফিরাতের রাত্রি।বিশ্ব বিখ্যাত তাফসীর ইবনু কাসীরের লেখক হাফিজ ইমাদুদ্দীন ইবনু কাসীর (রাহেমাহুল্লাহ) তিনি বরাতের রাত্রে তাকদির বণ্টনের হাদীস উল্লেখের আগে বলেনঃ এই হাদিসটি মুরসাল, এর দ্বারা কুরআনের সিদ্ধান্ত পাল্টানো যায় না। সূরা দুখানের ৪ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ অর্থাৎ ঐ রাত্রে প্রত্যেক বিজ্ঞানময় কাজের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে রাত্রটি হল বরকত সমৃদ্ধ রাত্রি যে রাত্রে কুরআন অবতরণ আরম্ভ হয়।এই সম্পর্কে ইবনু কাসীর (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ সে রাত্রিটি কদরের রাত্রি।সেটি শবে বরাতের রাত্রি নয়!!!!!! আল্লাহ বলেন> আমি বরকত সমৃদ্ধ রাত্রিতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি।(সূরা দুখান- আয়াত নং- ৩) অন্য জায়গায় আল্লাহ বলেন> আমি কদরের মহিমান্বিত রাত্রিতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি(সূরা কদর- আয়াত নং- ১) এই কদরের রাত্রিটি যে রমযান মাসে তার প্রমান কুরআন থেকেই পাওয়া যায়। যেমন আল্লাহ বলেন> রমযান মাসেই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি।(সূরা বাকারা- আয়াত নং -১৮৫) উপরোক্ত প্রমান দ্বারা স্পষ্ট হল > সূরা দুখানে যে বরকত সমৃদ্ধ রজনীর কথা বলা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে রমযান মাসের কদরের রাত্রি। এই কদরের রাত্রিতে কুরআন অবতীর্ণ হওয়া শুরু হয় এবং নবুওয়াতের দীর্ঘ ২৩ বছরে তার শেষ হয়।সুতরাং সে রাত্রটি অবশ্যই বরকত সমৃদ্ধ লাইলাতুল কদর; আর তা শবে বরাত নয়।১৫ই শা' বানের রাত্রিকে যারা ভাগ্য রজনী বলে আখ্যায়িত করেছেন, তাদের নিকট সহী- বিশুদ্ধ দলীল প্রমান বলতে কিছুই নেই। শেয়ার করে ইসলামের সঠিক তথ্য সকলকে জানিয়ে দিন।

25/05/2015

পর্ব নং ১ প্রশ্নঃ শবে বরাত এর উৎপত্তি বা শবে বরাত কিভাবে এলো??? উত্তরঃ 'শব' অর্থ রাত্রি আর 'বরাত' অর্থ মুক্তি।তাই শবে বরাত এর অর্থ হচ্ছে মুক্তির রাত্রি।উল্লেখ্য শব ফার্সি শব্দ আর বরাত আরবি শব্দ।অর্ধেক ফার্সি আর অর্ধেক আরবি শব্দ সহযোগে কোন আরবি নাম হতে পারে না।আর এ শব্দ সম্পর্কে কুরআন-হাদীস থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায় না।তবে বিভিন্ন দুর্বল ও জাল হাদীসে শবে বরাতের রাত্রিকে" লাইলাতুন নিস্ফে মিন শা'বান" বা অর্ধেক শা' বানের রাত্রি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।শবে বরাত কিভাবে এলো> ইসলামী সন ৪০০ হিজরীর পূর্বেই সকল অগ্নি পূজকদের রাজ্য সমূহ মুসলিমদের দখলে এসে যায়।এরই মধ্যে " বারামাকা" নামক এক শ্রেনীর অগ্নিপূজক প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহন করে কিন্তু সত্যিকার অর্থে মনে প্রানে তারা অগ্নিপূজকই থেকে যায়।তাই এরা মুসলিমদের ছব্দবরনে অগ্নি পূজার এক নতুন পন্থা হিসেবে উদ্ভাবন করে শবে বরাত নামক বিদআতি অনুষ্ঠান!!! সলাতুর রাগায়েব নামে চালু করে একটি সলাত(নামাজ)। এই সলাত ১০০ রাকাত।এটাই শবে বরাতের সলাত বলে খ্যাত। তারা এ সলাতের জন্য জাঁকজমকের সাথে মুসলিমদের লেবাসে মাসজিদে হাজির হত, সাধারণ মুসলিমদের মত সলাত পড়তো, কিন্তু উদ্দেশ্য ছিল অগ্নি পূজা। এরা শবে বরাতে এই সলাতের জন্য মাসজিদের ভিতরে ও বাইরে অসংখ্য আলো জ্বালাত, সম্পূর্ণ মাসজিদকে আলোতে ডুবিয়ে রেখে অগ্নি মন্দিরে পরিণত করত!!! এভাবে আগুন দিয়ে গোটা মাসজিদকে সাজিয়ে যখন সলাত আদায় করতো তখন তাদের চারদিকেই থাকতো আগুন। এই সলাত পড়ার উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি নয় বরং আগুন পূজা ও আগুনকে সিজদা করানো। বারামাকা নামক সেই মুসলিম নামধারী ছব্দ বেশী অগ্নিপুজকদের ফাঁদে পা দিয়ে সরলমনা ও অশিক্ষিত মুসলিমরাও মাসজিদে জমা হত!!! ৪৪৮ হিজরীতে বাইতুল মুকাদ্দাসে ( মাসজিদুল আকসায়) সর্বপ্রথম শবে বরাতের এই প্রচলন শুরু হয়। তৎকালীন ইমামগণ শবে বরাতের এই রীতি তাদের মাসজিদ গুলোতে চালু করে। উদ্দেশ্য ছিল মাসজিদে বেশী লোক উপস্থিত করে ইমামের জনপ্রিয়তা অর্জন করা। ইমামগণ তাদের জনপ্রিয়তা প্রমান করার জন্য শবে বরাতের এই রাত্রে মাসজিদে উপস্থিত লোকদের মাঝে বহু ফযিলতের ওয়াজ ও সলাতের অশেষ নেকী পাওয়ার বানোয়াট বিবরণ পেশ করতো। যে ইমাম শবে বরাতের যত বেশী বানোয়াট ওয়াজ ও তাফসীর করতে পারতো সে মাসজিদে ততবেশি লোক জমা হত!!! ইমামদের এই ভিড় বাড়ানোর উদ্দেশ্য ছিল বাদশাহদের নিকট তাদের জনপ্রিয়তা প্রমান করা। বাদশাহগন গদির স্বার্থে জনপ্রিয় লোকদের হাতে রাখতে চাইতো। তাই ইমামদের মধ্যে জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানে এই শবে বরাতকে নির্বাচিত করেছিল। জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে ইমামদের মর্যাদা বিচার করতো বাদশাহগন!!! কারন সে সময় ঈদের জামাত সহ সরকারী প্রতিনিধিদের দ্বারা সলাত পড়ানো হত। তাই কোন ইমামের ভক্ত সংখ্যা বেশী তা প্রমান করার জন্য শবে বরাত ছাড়া অন্য কোন ব্যবস্থা ছিলনা। তাই তারা ঐ সকল অগ্নিপুজারুপি সলাতকে লোক জমায়েত করার কাজ কর্মের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতো। যার ফলে ব্যাপকভাবে জনসাধারণ জমা হতো বাইতুল মুকাদ্দাসে। এই বিদআত ৩৫২ বছর পর্যন্ত চলার পর তা বন্ধ করে দেয়া হয়। বন্ধ হয়ে যায় সিরিয়া, মিশর সহ আরব এলাকাতে। কিন্তু ইরানে অজ্ঞাতভাবে চলতে থাকে। সেই ইরান থেকে চলে আসা ভারতীয় উপমহাদেশে। অগ্নিপুজকদের অগ্নিপুজার সলাত( নামাজ) গ্রহণ করলো ভারতের নও মুসলিমগণ তাদের পূর্বপুরুষদের দীপালী পূজার অনুকরনে!!! ভারতের দীপালী পূজার ভক্তরা মুসলিম হয়ে দীপালী পূজা ছেড়ে দিয়ে আগুন পূজার উদ্দেশ্যে সৃষ্ট এই শবে বরাতকে মহা ধুমধামে গ্রহণ করলো সেই সকল মুসলিম যারা প্রকৃতপক্ষে দীপালী পূজার ভক্ত ছিল। তারা মুসলিম বাদশাহদের নিকট স্বার্থ হাসিলের জন্য মুসলিম হল কিন্তু শবে বরাতের মাধ্যমে আগুন দেবতার পুজাও চালু রাখল!!!(মিরকাত ২য় খণ্ডের ৩য় অংশ ১৯৭-১৯৮ পৃষ্ঠা) এইভাবেই ভারতীয় উপমহাদেশে এই বিদআতি কর্মকাণ্ড শুরু হয়ে এই পর্যন্ত চলছে!! কিন্তু দুর্ভাগ্য ব্যাপক মুসলিম জনগোষ্ঠী এখনো এর উদ্দেশ্য বুঝতে না পেরে এটাকে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস মনে করে এই বিদআতি আমল করে চলেছে!!! অথচ মুহাম্মাদ( সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন> যে ব্যক্তি আমাদের ইসলামে এমন কিছু আবিস্কার করল যা আমাদের ইসলামে নেই তা বাতিল- পরিত্যাজ- বর্জনীয়।( বুখারী,হাদীস নং- ২৬৯৭,মুসলিম,হাদীস নং- ১৭১৮)।

Address

Plot 1, Road 5, Adarsha Nagar, Mirpur 11
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Bookstore posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Islamic Bookstore:

Share