Neral Food

Neral Food Back to Nature

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় যে তিনটি অসুস্থতায়!শরীরে হৃদযন্ত্রের অবস্থা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। সারা দিনের দৌড়ঝাঁপ, সংসার...
19/05/2023

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় যে তিনটি অসুস্থতায়!

শরীরে হৃদযন্ত্রের অবস্থা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। সারা দিনের দৌড়ঝাঁপ, সংসারের কাজ, অফিসের ব্যস্ততা— সবই দিব্যি চলছে। কোথাও গরমিল নেই। হঠাৎই একদিন বুকে চিনচিনে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগার মতো সমস্যায় শরীর কাহিল হয়ে পড়ে। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে। কেন হয় এমন?

চিকিৎসকরা বলছেন, হঠাৎ নয়, হৃদযন্ত্রের কমজোরি হয়ে পড়ার ঘটনা রাতারাতি হয় না। বরং বেশ আগে থেকে সংকেত দিতে থাকে হার্ট। অনেক সময় দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ভিড়ে সেই সংকেত সব সময় অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, অত্যধিক মানসিক চাপ এমন কিছু কারণে হৃদযন্ত্র ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যেতে থাকে।

তবে শুধু কি অস্বাস্থ্যকর জীবনধারাই হার্ট অ্যাটাকের একমাত্র কারণ? চিকিৎসকরা এ বিষয়ে একমত নন। তাদের মতে, জীবনে কিছু নিয়ম মেনে না চলার ফলে জন্ম নেয় আরও কিছু অসুস্থতা। সেই রোগ থেকেই জন্ম নেয় হার্টের অসুখ। শরীরের যে ৩ সমস্যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ

হৃদযন্ত্রের সমস্যা জন্ম নিতে পারে উচ্চ রক্তচাপের হাত ধরে। স্বাভাবিক সীমার চেয়ে বেশি রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের জন্য প্রাণঘাতী। শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০-৮০। রক্তচাপের বেশি হলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তৈরি করে। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে রক্ত পাম্প করার সময় হার্ট এবং ধমনিতে চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘ দিন এই চাপের ফলে হৃদ‌যন্ত্র ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।

ডায়াবেটিস

রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হলে সাধারণত ওজন কমে যাওয়া, চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেরই হয়তো অজানা যে ডায়াবেটিস হলেও দেখা দিতে পারে হৃদরোগ। উচ্চ রক্তচাপের মতো ডায়াবেটিসও হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে।

কোলেস্টেরল

হার্ট ভালো রাখতে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বলেন চিকিৎসকরা। কোলেস্টেরল হৃদযন্ত্রের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে শরীরে যদি খারাপ কোলেস্টেরল ‘এইচডিএল’-এর মাত্রা বেশি থাকে, তা নিয়ন্ত্রণে না রাখলে হার্টের অসুখ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

হার্ট ব্লকের লক্ষণ ও কারণ:চর্বিজাতীয় পদার্থ জমা হতে হতে রক্তনালীর মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার পথকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভা...
17/05/2023

হার্ট ব্লকের লক্ষণ ও কারণ:

চর্বিজাতীয় পদার্থ জমা হতে হতে রক্তনালীর মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার পথকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ (ব্লক) করে দেওয়াকেই হার্টে ব্লক বলা হয়ে থাকে।

হার্ট ব্লকের লক্ষণ :
হৃদপিণ্ডে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে ব্যথা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় বুকে ব্যথা হয়, থামলে ব্যথা কমে যায়। দম নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়।
বুকে জ্বালাপোড়া ও ধড়ফড় করে। গলা, কপাল ও মাথা ঘাম হওয়া। নিচের দিকে হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়।
খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে।

হার্ট ব্লকের কারণ:
রক্তনালীতে চর্বিজাতীয় বস্তু খুব ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে। তাই হার্ট ব্লক খুবই ধীরগতিতে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। যেমন ধরুন একটি ব্লক ১০% থেকে বৃদ্ধি পেতে পেতে ৮০%-এ পৌঁছাতে ব্যক্তিভেদে ১০ থেকে ৩০/৪০ বছর সময় লাগতে পারে। তাই বলা হয়ে থাকে, ব্যক্তি হার্ট ব্লক নিয়ে দীর্ঘসময় সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

হার্ট ব্লকের সংখ্যা এবং পারসেন্টেজ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় না পৌঁছানো পর্যন্ত রোগী কোনোরূপ শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন না। হার্ট ব্লকের কারণে রোগীর হার্টের রক্ত সরবরাহের স্বল্পতা দেখা দেয়। হার্ট ব্লকের (%) পার্সেন্টেজ বৃদ্ধি পেলে ব্লকের ভাটির দিকের অংশে রক্ত সরবরাহ কমে যায়।

ফলশ্রুতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে পরিশ্রম বা টেনশনকালীন সময়ে রক্ত সরবরাহের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় এ সময়ে রোগী বুকে চাপ, ব্যথা, বুক ধড়ফড় বা সহজে হয়রান বা পেরেশান হয়ে পড়েন। তবে দিনে দিনে রোগী ঘনঘন এসব অসুবিধায় পতিত হয়ে থাকেন। এভাবে বেশ কিছু বছর চলে যেতে পারে। দিনে দিনে ব্লকের তীব্রতা (পার্সেন্টেজ) বৃদ্ধি পেয়ে অসুস্থতাকে আরও জটিল করে তোলে। হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট স্ট্রোক এক ধরনের মারাত্মক অসুস্থতা।

যার ফলশ্রুতিতে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে এবং চিকিৎসা খুবই দ্রুততার সঙ্গে নিতে হয়। প্রায় সময়ই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয়। বহুবিধ কারণে হার্ট ব্লকের চর্বিজাতীয় বস্তুতে রক্তক্ষরণ ঘটতে পারে। তাতে প্রদাহ দেখা দিতে পারে অথবা চর্বি জাতীয় বস্তুর ওপর রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালীতে রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণরূপে বা মারাত্মক পর্যায়ে বন্ধ করে দিতে পারে।

যার ফলে ওই ব্লকের ভাটির দিকের অংশে রক্ত সরবরাহ মারাত্মক পর্যায়ে কমে যাওয়ায় হার্টের ওই অংশের মাংসপেশি অক্সিজেন ও খাদ্য সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে হার্টের পাম্পিং পাওয়ার কমে যায়। হার্ট শারীরিক চাহিদা মাফিক পাম্প করে রক্ত সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। রক্ত সরবরাহ মারাত্মক পর্যায়ে কমে গিয়ে রোগীর মৃত্যুও ঘটে।

হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে যত রোগী ভর্তি হন তার মধ্যে অর্ধেক সংখ্যক রোগীর আগে কোনো ধরনের হার্টের অসুস্থতা আছে তা তিনি কখনো জানতেন না বা বুঝতে পারেননি। বাকি অর্ধেক সংখ্যক রোগী আগে থেকেই হার্টের অসুস্থতায় ভুগতে ছিল বলে রোগীর জানা ছিল। এসব কিছু বিবেচনায় এনে এটা বলা যায় যে, হার্ট অ্যাটাক এক ধরনের দুর্ঘটনা।

অনেককে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় মানে বহু বছর থেকে হার্টের অসুস্থতায় ভুগছেন কিন্তু কখনই হার্ট অ্যাটাক হয়নি। তবে এ কথা সত্য যে, হার্ট ব্লক ছাড়া খুব কমই হার্ট অ্যাটাক ঘটে থাকে অর্থাৎ যাদের হার্ট অ্যাটাক ঘটে থাকে তাদের প্রায় সবারই কোনো না কোনো পর্যায়ের হার্ট ব্লক থাকে, হতে পারে ব্লক প্রাথমিক পর্যায়ের বা জটিল পর্যায়ের। বর্তমানে হার্ট ব্লকে উপযুক্ত মেডিসিন গ্রহণের মাধ্যমে সুচিকিৎসা গ্রহণ করা যায়।

সেই সঙ্গে রোগীকে অবশ্যই নিরাপদ মাত্রায় কায়িক শ্রমে অভ্যস্ত হতে হবে এবং হৃদবান্ধব খাদ্যাভ্যাস অনুশীলন করতে হবে। জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে হার্ট ব্লকের কারণে যাদের হার্ট ফেইলুর দেখা দিয়েছে অথবা হার্ট ব্লক অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের রিং, বাইপাস অথবা ইসিপি থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন হয়।

তবে মনে রাখতে হবে, এসব পদ্ধতি গ্রহণ করেও রোগী সুস্থ থাকতে পারবে না, যদি না জীবনধারা পরিবর্তন না করে উপযুক্ত মেডিসিন গ্রহণ না করে এবং হৃদবান্ধব খাদ্যাভ্যাস অনুশীলন না করে।

উচ্চ কোলেস্টেরল দ্রুত কমাতে কী করবেন:শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ক...
15/05/2023

উচ্চ কোলেস্টেরল দ্রুত কমাতে কী করবেন:

শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দেন। তাদের মতে, খাদ্যাভ্যাস আর জীবনযাত্রায় ছোট-খাট পরিবর্তনে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’স উইমেন’স কার্ডিওভাস্কিুলার সেন্টার’য়ের পরিচালক ও ‘প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজিস্ট’ ডা. লেসলি চো বলেন, উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের উপায় রয়েছে।। ইটদিস নটদ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি আরও বলেন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রেণের মাধ্যমে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়।

ডা. চো'র মতে, খাবারের বৈচিত্র্য কমানোর মধ্য দিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেক্ষেত্রে স্যাচুরেইটেড ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবারের ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।

এছাড়াও কোলেস্টেরল কমাতে আরও যা জরুরি-

পেটের মেদ কমানো: পেটের মেদ সরাসরিভাবে উচ্চ কোলেস্টেরলের সঙ্গে জড়িত। ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক এবং ‘হিউস্টন মেথডিস্ট প্রাইমারি কেয়ার গ্রুপ সেইম ডে ক্লিনিকস’য়ের মেডিকেল পরিচালক জোশুয়া সেপটিমাস একই প্রতিবেদনে বলেন, শরীরের মাঝামাঝি স্থানের স্থূলতার কারণে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে রক্তনালীতে কোলেস্টেরল তৈরি হয়। এতে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

ওজন কমানো : কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে ওজন কমানো। ডা. চো এর মতে, সামান্য পরিমাণ ওজন কমালে দেহে ‘এইচডিএল’বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং ‘এলডিএল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

ধূমপান না করা :ধূমপান প্রদাহ বাড়ায় এবং ধমনীতে ক্ষয় সৃষ্টি করে। এর ফলে কোলেস্টেরলের অনিয়ন্ত্রিত ‘প্লাক’সৃষ্টি করে। আর তা ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ধূমপান থেকে বিরত থাকলে শুধু কোলেস্টেরলের মাত্রায় কমায় না,পাশাপাশি প্রদাহ ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচে।

নিয়মিত শরীরচর্চা: নিয়মিত শরীরচর্চা কোলেস্টেরলের মাত্রা শুধু কমায় না, কম রাখতেও সাহায্য করে। ডা. চো বলেন, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে চাইলে শরীরচর্চা শুরু করা সবচেয়ে ভালো উপায়। তবে এতে সম্পূর্ণ কাজ না হলে শরীরচর্চার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

আপনার শরীরে কি বাড়তি কোলেস্টেরল ? কী খেলে ঝুঁকি এড়াতে পারবেন ?👉 জাপানিজ় সোসাইটি অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের গ...
15/05/2023

আপনার শরীরে কি বাড়তি কোলেস্টেরল ?
কী খেলে ঝুঁকি এড়াতে পারবেন ?

👉 জাপানিজ় সোসাইটি অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের গবেষণা অনুযায়ী প্রতি দিন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

💁‍♀️💁‍♂️ কোলেস্টেরলের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। অনেকের ধারণা, চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। সব ক্ষেত্রে এ ধারণা ঠিক নয়। আসলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে কি না, তা নির্ভর করে প্রত্যেকের শরীরের বিপাকহারের উপর। কারও যদি ডায়াবিটিস থাকে, তা হলেও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে তা রক্তবাহের মধ্যে জমা হতে থাকে। রক্তবাহগুলিকে সরু ও শক্ত করে ফেলে। তাই রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে রক্তচাপ বাড়ে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। শরীরে কোলেস্টেরলের চোখরাঙানি বাড়লে জীবনধারায় কিছু বদল আনতেই হবে।

👉 এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা ভিটামিন ই যুক্ত খাবার বেশি খাওয়া, ডায়েটে সলিউব্‌ল ফাইবার বেশি মাত্রায় রাখা, ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাসে রাশ টানার পরামর্শ দেন।
🙏 তবে রোজের ডায়েটে এমন এক পানীয় রাখা যায়, যা নিয়মিত পান করলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

💁‍♀️💁‍♂️ এ ক্ষেত্রে মুশকিল আসান করতে পারে অ্যাপ্‌ল সিডার ভিনিগার উইথ দ্যা মাদার। এতে থাকা পেকটিন খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ২০০৫ সালে জাপানিজ় সোসাইটি অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি দিন দুই-তিন টেবিল চামচ অ্যাপল সিডার ভিনিগার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

▶️ কোন উপায়ে এই পানীয় খেলে ফল পাবেন সর্বাধিক?

💁‍♀️💁‍♂️ অ্যাপল সিডার ভিনিগারঃ- ১ কাপ
💁‍♀️💁‍♂️ লেবুর রসঃ- ১ কাপ
💁‍♀️💁‍♂️ আদার রসঃ- ১ কাপ
💁‍♀️💁‍♂️ রসুনের রসঃ- ১ কাপ
💁‍♀️💁‍♂️ মধুঃ- পরিমাণ মতো

🤔 কী ভাবে বানাবেন?

💁‍♀️💁‍♂️ সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে আধ ঘণ্টা ফুটিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি ৪ কাপ থেকে কমে ৩ কাপ হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে মিশ্রণটি কুসুম গরম থাকা অবস্থায় মধু মিশিয়ে নিন। আপনার পছন্দসই পাত্রে শুষ্ক স্থানে রেখে দিন।

🤔 কতটা সেবন করতে হবে?

💁‍♀️💁‍♂️ প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ২ টেবিল চামচ এই পানীয়টি সেবন করতে হবে।

🤔 কী ভাবে কাজ করে?

👉 অ্যাপল সিডার ভিনিগারঃ- ইনসুলিন, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।

👉 লেবুঃ- হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, কোলেস্টেরল লেভেল কমায়,হজম সমস্যা দূরীকরণে, এনিমিয়া দূর করতে, কিডনির পাথর দূর করতে, পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে,উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে, ফুসফুসের সুরক্ষায়, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়, লিভার ভালো রাখে, সিজনাল সমস্যা সমাধানে, ph balance রক্ষা করে।

👉 আদাঃ- কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

👉 রসুনঃ- রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়, কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণ করে।

👉 মধুঃ- রক্তবাহিকায় কোলেস্টেরল জমা কমাতে সাহায্য করে।

🙏 মনে রাখবেন এটি কোনো ঔষধ নয়।
এটি একটি ঘরোয়া রেমিডি বা সহযোগী পানীয় বা ফুড সাপ্লিমেন্ট।

জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের ৮টি লক্ষণঃযে কেউ যে কোনও সময়ে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হতে পারেন। শরীরচর্চা না করা, অস্বাস্থ্যকর খ...
14/05/2023

জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের ৮টি লক্ষণঃ

যে কেউ যে কোনও সময়ে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হতে পারেন। শরীরচর্চা না করা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।

✳️০১ : বুকে ব্যথা: সাধারণত বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। আস্তে আস্তে সেই ব্যথা চোয়ালে অথবা বাম কাঁধ ও হাতে ছড়িয়ে পড়ে থাকে। এই রকম ব্যথা দেখা দিলে অব্যশই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

✳️০২ : শ্বাসকষ্ট ও দম ফুরিয়ে যাওয়া: যদি আপনার শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনও সমস্যা না থাকে এবং হঠাৎ করে শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, তবে সেটা খারাপ লক্ষণ। মূলত হৃদরোগ থেকে ফুসফুসে পানি জমা-সহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঠান্ডা ছাড়াও শ্বাস কষ্ট এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। অল্পতেই দম ফুরিয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়াও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।

✳️০৩ : অতিরিক্ত ঘাম হওয়া: অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম, বুক ধড়ফড়, হঠাৎ শরীর খারাপ লাগতে শুরু করলে অব্যশই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

✳️০৪ : কাশি: আপনার যদি দীর্ঘ দিন কাশির সমস্যা থাকে, এবং তার সঙ্গে সাদা বা কিছুটা ঘোলাটে কফ বের হয়। তবে বুঝতে হবে আপনার হার্ট ঠিক মতো কাজ করছে না। ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবে হ্যাঁ, কাশি সব সময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নাও হতে পারে। কফের সঙ্গে নিয়মিত রক্ত বের হলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থেকেই যায়।

✳️০৫ : অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: যদি কাজ করার মধ্যেই আপনি প্রায়ই হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যান, তা হলে বুঝবেন হার্টের সমস্যা রয়েছে।

✳️০৬ : তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়া: আপনি কি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন? কিছু ক্ষণ কাজ করলে বুক ধড়ফড় করে? তবে আপনি এখনই কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে মহিলাদের হার্টের সমস্যার প্রধান লক্ষণ এটি।

✳️০৭ : মাথা ব্যথা: যখনই প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়, আমরা ওষুধ খেয়ে থাকি। কিন্তু জানেন কি, হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম লক্ষণ হল প্রতিদিনের প্রচণ্ড মাথা ব্যথা।

✳️০৮ : অনিয়মিত পালস রেট: আপনি যদি অনেক বেশি নার্ভাস থাকেন বা কোথাও থেকে দৌড়ে আসেন আপনার পালস রেট ওঠা-নামা করতে পারে। তবে এটি যখন কোনও কারণ ছাড়াই হয়, তবে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের আগে এমনটা হয়ে থাকে।

Address

Purana Paltan
Dhaka
1000

Telephone

+8801732057173

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Neral Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Neral Food:

Share