03/08/2026
ক্লাস নাইনে উঠে হঠাৎ করে আমি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের প্রেমে পড়লাম।তাও যেন তেন প্রেম নয়, একদম উথাল পাথাল প্রেম 🤭🤭
আমি সে সময় নেশার মতো হুমায়ূন আহমেদের প্রেমের উপন্যাস গুলো পড়তাম। পাশাপাশি মিসির আলী সিরিজের গল্প গুলো খুব ভালো লাগত।কিন্তু হিমু সিরিজের গল্প আমার কখনোই ভালো লাগত না 🙃🙃।মানে কেন যেন হিমু ক্যারেক্টারটা আমার পছন্দ না। আমার কাছে তখন টাকা জমা হলেই আমি লাইব্রেরিতে দৌড়ে গিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কোন একটা উপন্যাস কিনে নিয়ে আসতাম। প্রতিটা উপন্যাস পড়ার সময় আমি এত পরিমানে কান্না করতাম যেটা বলার বাহিরে 🤣🤣🤣।এ বিষয়গুলো এখন ভাবলেই হাসি আসে। বইয়ের প্রতিটা পাতায় আমার চোখের পানির ছাপ রয়ে গেছে😁😁।
হুমায়ূন আহমেদ তার উপন্যাসের মেয়ে ক্যারেক্টর গুলোকে খুব সুন্দর ভাবে প্রেজেন্ট করত। মেয়ে ক্যারেক্টার গুলো বেশিরভাগ সময় সুন্দর সুতির শাড়ি পড়তো, চোখে কাজল দিয়ে ছিমছাম, পরিপাটি হয়ে থাকতো।সেখান থেকেই মেইনলি আমার শাড়ির প্রতি তীব্র আকর্ষণ তৈরি হয়। কয়েকদিন পরপরই আমার শুধু শাড়ি পড়তে ইচ্ছে করত। একটু সাজতে ইচ্ছে করতো। কিন্তু কি আর করার বলেন!! বিয়ের আগ পর্যন্ত আমার জন্য সাজগোজ করা এবং শাড়ি পরা একদম নিষিদ্ধ ছিল 🤧🤧।কারন আমার মা খুব ভালো করেই জানতো আমি সাজগোজ করেছি কিংবা শাড়ি পড়েছি এর মানে আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে যাব 😁😁।ক্লাস নাইনে উঠার পর একদিকে যেমন আমি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের প্রেমে পড়লাম, আরেকদিকে আমি আমার ছেলের বাবার প্রেমে পড়লাম।নিজের জীবন নিয়েও হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের মতো রঙিন রঙিন কল্পনা করতাম। কিন্তু বিয়ের পরে বুঝতে পারলাম, হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই 😌😌😌
শাড়িটা যে কি সুন্দর, আপনারা সামনাসামনি না দেখলে বুঝতে পারবেন না 😍😍।মাত্র ৫০০ টাকায় এত সুন্দর শাড়ি কখনো কল্পনা করা যায় ⁉️⁉️খুব শীঘ্রই পেয়ে যাবেন আমাদের পেইজে 😘😘