BCS preparation

BCS preparation BCS preparation জন্য উপযুক্ত একটি পেজ।

22/08/2026

পে স্কেল-----------

বিভিন্ন বিশ্লেষক আবার নতুন করে পে স্কেলের বিপক্ষে যুক্তি দেওয়া শুরু করেছেন। তারা শুধু সমালোচনা করছেন, কিন্তু যৌক্তিক সমাধান কেউ দিচ্ছেন না।

তাই আমি একটা সমাধান দিচ্ছি-

বর্তমানে যে বেতন আছে, সেটি যদি ৫০% কমিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে সরকারের ওপর চাপ অনেকাংশে কমে যাবে। সাথে আরেকটি বিধান যুক্ত করা যেতে পারে প্রতি অর্থবছরে বেতন আরও ৫% হারে কমবে।

যেমন, বর্তমানে বেসিক যদি ২৩,০০০ টাকা হয়, প্রথমে ৫০% কমিয়ে হবে ১১,৫০০ টাকা। এরপর প্রতি বছর ৫% করে কমতে থাকবে।

তাহলে-

- শুরু: ১১,৫০০ টাকা
- ১০ বছর পর: প্রায় ৬,৮৯২ টাকা
- ২০ বছর পর: প্রায় ৪,১৪১ টাকা
- ৩০ বছর পর: প্রায় ২,৪৮৯ টাকা
- ৫০ বছর পর: প্রায় ৮৯৮ টাকা
- ১০০ বছর পর: মাত্র ৭০ টাকা!

এভাবে চলতে চলতে ১৮৪ বছর পর বেতন প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে আসবে। তখন সরকারের বেতন বাবদ চাপও প্রায় শূন্যে নেমে আসবে। মূল্যস্ফীতির চাপও থাকবে না।

সমস্যার স্থায়ী সমাধান। সবাই খুশী।

আপনি যদি আজকে পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের পেইজে যান তাহলে বাম দিকের রশীদ মিনহাজ নামের এই লোককে হিরো হিসেবে সেলেব্রেট করতে দেখ...
21/08/2026

আপনি যদি আজকে পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের পেইজে যান তাহলে বাম দিকের রশীদ মিনহাজ নামের এই লোককে হিরো হিসেবে সেলেব্রেট করতে দেখবেন। ওখানে বলা হয়েছে কেউ একজন বিমান হাইজ্যাক করে নিয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু রশীদ মিনহাজ হতে দেন নাই। এজন্য রশীদ মিনহাজ পাকিস্তানের কাছে হিরো। ঐ কেউ একজন হচ্ছেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান (ডানে)। তাকে পাকিস্তানীরা গাদ্দার,বিমান হাইজ্যাকার হিসেবে টৃট করে। মৃত্যুর পর মতিউর রহমানের কবরের উপর লিখে দিছিলো—'ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার' অর্থাৎ এখানে শুয়ে আছে এক গাদ্দার।

আজকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী। পুরো বাংলাদেশ মতিউর রহমানকে স্মরণ করসে। শুধু ব্যতিক্রম হচ্ছে জামাত শিবির। তাদের কাছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গাদ্দার & বিমান হাইজ্যাকার।

অবশ্য তারা মনেপ্রাণে আজও নিজেদের পাকিস্তানি 🇵🇰 হিসেবে ধারণ করে, সেই হিসেবে তাদের কাছে হেইটনেস আশা করাটাও স্বাভাবিক।

এদের জন্য কেউ একজন বলেছিলো—'আমি জামাত শিবির ঘৃণা করি,যখন সে ফুল নিয়ে আসে তখনো'।

https://youtu.be/U_xpLGrm7আগস্ট মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স থেকে.....
15/08/2026

https://youtu.be/U_xpLGrm7

আগস্ট মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স থেকে.....

Recent GK solution for Bangladesh Job preparation. ...

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে সংঘটিত ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম সেই হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস মুছে দেওয়া মানে শুধু একটি...
15/08/2026

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে সংঘটিত ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম সেই হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস মুছে দেওয়া মানে শুধু একটি ঘটনা আড়াল করা নয়, বরং একটি জাতির ইতিহাস থেকে সত্য, সাক্ষ্য ও অতীতের নির্মম বাস্তবতাকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা। ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না, সময় পেরিয়ে গেলেও সত্য তার সাক্ষ্য বহন করে, এই ভাঙা বাড়িটাই মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকবে।

মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে।

ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করা আওয়ামী লীগ কখনো ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান না করলেও, বিএনপি- জামায়াত ঠিকই যুক্তরাষ...
04/07/2026

ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করা আওয়ামী লীগ কখনো ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান না করলেও, বিএনপি- জামায়াত ঠিকই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন অনুষ্ঠান করতাছে তাও আবার সংসদ ভবনে।

সবার আগে আমেরিকা 🤘

02/07/2026

ইউনূস বলছে, সংখ্যাটা কিন্তু ১৫০০ !

ইউএন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং আরও একশ কমিয়ে জুলাই শহীদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছে ১৪০০ !

বাংলাদেশ সরকারের গেজেট অনুযায়ী , সেই সংখ্যা আরো প্রায় ৬০০ কমে ৮৪৪ জন !

বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় মিডিয়া প্রথম আলোর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই মৃতের সংখ্যা আরও ৩০০ জন কমে ৫৪৩ জন।

৬ আগষ্ট শেখ হাসিনা ভারতে ছিলেন। তাহলে ৬ আগষ্টের ১০৭ জন বাদ দিলে ( ৫৪৪- ১০৭) = ৪৩৭ জন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগষ্ট ২ টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। ৫ আগষ্ট বাংলাদেশের অধিকাংশ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের এলাকা ছেড়েছেন। তাহলে ৫ আগষ্ট নিহত ১০৮ জন বাদ দিলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় (৪৩৭-১০৮) = ৩২৯ জন।

এই ৩২৯ জনের মধ্যে সরকারের গেজেট অনুযায়ী, ৪৪ জন হচ্ছেন নিহত পুলিশ কর্মকর্তা। তাই (৩২৯-৪৪) = ২৮৫ জন হচ্ছেন ৩৬ দিনের আন্দোলনে নিহতদের আনুমানিক একটা সঠিক সংখ্যা।

👉 বিবেকের আয়নার দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করুন, এই ২৮৫ জনের মধ্যে কতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন?

প্রথম আলোর ১ জুলাই থেকে ৬ আগষ্ট পর্যন্ত অনুসন্ধানী রিপোর্ট বলছে, "এই নিহতদের মধ্যে ৮৭ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন। তাহলে (২৮৫- ৮৭) = ১৯৮ জন।
👉 এই ১৯৮ জনের মধ্যে কতজন শিশু ছিলেন ❓❓❓

প্রথম আলো সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সঠিক অনুসন্ধানী রিপোর্ট নিয়ে পরিস্কার ভাষায় বলেছে, "জুলাই আন্দোলনের নিহতদের মধ্যে ১৩৩ জন হচ্ছেন শিশু।" তাই ( ১৯৮ - ১৩৩ ) = ৬৫ জন।

“জুলাই আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের সব মিলিয়ে মাত্র ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে আওয়ামী লীগের নিহত হয়েছেন ৮৭ জন।”
এই জুলাইয়ে নিহত অধিকাংশ বিভিন্ন জ-ঙ্গীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। এটাই সত্য এবং সুন্দর।

জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং "মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু" বইয়ের লেখক আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া গণমাধ্যমের কাছে স্পষ্ট করে বলেছেন, "তাদের যোদ্ধাদের অস্ত্রের ট্রেনিং ছিল এবং তারা সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

বাংলাদেশের ৪০ টি সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন এই তথাকথিত জুলাই ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল।
যার উপহার হিসেবে ৫ আগষ্টের পর ৭০০ সাজাপ্রাপ্ত জ-ঙ্গীকে জেল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের আন্ডারগ্রাউন্ডে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এই জুলাই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল। এজন্য উপহার হিসেবে বাংলাদেশের সাজাপ্রাপ্ত সকল শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষিত জঙ্গি ইউনিট এই জুলাই ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত ছিল। মেজর জিয়াদের কথা ভুলে যাননি নিশ্চয়ই।।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ আগষ্টের সরকার পতনের মাত্র এক মাসের মাথায় ক্লিনটন ইনিশিয়েটিভের সভায় উপদেষ্টা ইউনূস নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন, “জুলাই একটি মেটিকুলাস ডিজাইন ছিলো।”

প্রাক্তন মার্কিন কর্মকর্তা মাইক বেঞ্জ আমেরিকার জনপ্রিয় গণমাধ্যম টকশো ( The Tucker Carlson Show) তে স্পষ্ট করে বলেছেন , "বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন জন্য মার্কিন ডিপস্টেট সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর জন্য ২৯ মিলিয়ন ডলার ইউএসএইড দিয়েছে।”
পরবর্তীতে এই ইউএসএইড এর কথা খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ মুখে মিডিয়ার সামনে স্বীকার করেছেন।

জুলাই কোন জনযুদ্ধ ও বিপ্লব ছিলো না।
মাত্র ৩৬ দিনের আন্দোলনে পৃথিবীর কোথাও কোন বিপ্লব হয়নি। বিপ্লব গাছে ধরা আপেল নয়। গালগপ্প করলেই বিপ্লব হয়ে যাবে ! জুলাই ছিল লুঙ্গির তলায় ঢুকে "গুপ্ত শিবির" এর ক্ষমতার গদি দখলের যুদ্ধ। জুলাইয়ে নিহত প্রথম ব্যক্তি আবু সাইদ ছাত্র শিবিরের প্রশিক্ষিত সদস্য ছিলো। প্রথমে অস্বীকার করলেও গদি দখলের পর তারা তা স্বীকার করেছে। শুরু হয়েছে আবু সাঈদ দিয়ে, কিন্তু গুজব আসমানে উঠতে উঠতে সংখ্যাটা একটা হাস্যকর সংখ্যা ১৫০০ বানিয়ে দিয়েছে। মূলত এই জুলাই ছিল মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করার একটি মার্কিন ডিপস্টেট ও পাকিস্তানের আইএসআই এর দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্রের শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে শেখ হাসিনা পতনের জন্য আমেরিকার "অপারেশন বিডি" ৫ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট দিয়ে।

জুলাই পরবর্তী চিত্র দেখলে সবকিছু আয়নার মতো সবার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধ ➡️ জুলাই যুদ্ধ
মুক্তিযোদ্ধা ➡️ জুলাই যোদ্ধা
স্বাধীনতা ➡️ আজাদি
মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান "পিন্ডি না ঢাকা"➡️ দিল্লী না ঢাকা !
মুক্তিযোদ্ধা গণহত্যা ➡️ জুলাই গণহত্যা
মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ➡️ জুলাই যাদুঘর
মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন ➡️ জুলাই ফাউন্ডেশন
মুক্তিযোদ্ধা কোটা ➡️ জুলাই কোটা
মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র ➡️ জুলাই ঘোষণাপত্র

এরপরও কি বলবেন, এসব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিলো না ❓

জুলাই ছিল একটি মুখোশধারী আন্দোলন।
এজন্য "কোটা না মেধা" কে রঙ দেওয়া হয়েছে সরকার পতনের আন্দোলনে।
যেখানে জুলাই আন্দোলন হয়েছে সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলের একজন শিক্ষার্থী মারা গিয়েছে এই প্রমাণ কেউ দেখাতে পারতেন না।অথচ এই জুলাই বিপ্লবীরা ভয়ঙ্করভাবে মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছিল - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা চলছে ‼️জুলাই ছিল পুরোটাই গুজবের আন্দোলন।
এজন্য সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ঢাকা শহরের মূল আন্দোলনের বাইরে উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীতে।

জুলাই আন্দোলনে চট্রগ্রামে ২০ জন মারা গেছে এই প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবেন না।
রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, কুমিল্লা ও রংপুর বিভাগে কয়জন মারা গেছে?

আপনাদের নিজ নিজ উপজেলায় একজনও জুলাই শহীদ মারা গেছে, এই প্রমাণ অধিকাংশ বাংলাদেশের মানুষ দেখাতে পারবেন না। নিজেদের উপজেলা থেকে লাশের হিসাব করা শুরু করুন এখনি। জুলাই ষড়যন্ত্রের সকল মুখোশ বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে।

জুলাই ছিল মার্কিন ডিপস্টেটের ষড়যন্ত্রের ফসল। ইহুদি জর্জ সোরসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন, হিলারীর ক্লিনটন ফাউন্ডেশন ও ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশন ছিল এই জুলাই মেটিকুলাস ডিজাইনের মাস্টারমাইন্ড।
মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে জুলাইকে দাঁড় করানোর জন্য ক্ষমতার গদি দখল করে ইউনূস মুক্তিযুদ্ধকে রিসেট বাটনে পুশ করতে চেয়েছেন।
আজকে দুই বছরের অধিক সময় হয়ে গেলে এখনও জুলাইয়ে নিহতদের ছবি সহ সঠিক পরিসংখ্যান আপনি/ আপনারা কেউ দেখাতে পারবেন ⁉️

বাংলাদেশে প্রতিদিন শুধুমাত্র মশার কামড়ে ২৫৩০ থেকে ৩,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়। মাত্র ৮৪৪ জনের একটা জুলাই তালিকা দিতে ইউনূস সরকারের ৬ মাস লেগে গেল 😁 তারপরও সঠিক তালিকা জাতির সামনে আজ পর্যন্ত উপস্থাপন করতে পারেনি, কোনদিনও পারবে না।
৩৬ দিনের জুলাই আন্দোলন হিসেব করলে দৈনিক গড়ে ২৪ জন মানুষ মারা যাওয়ার কথা ! ইউনূসের এই জুলাই গেজেট সম্পূর্ণ ভূয়া।
সত্য হচ্ছে ১ লা জুলাই থেকে ৪ আগষ্ট পর্যন্ত জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও পুলিশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১১১।। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন আওয়ামী লীগ ও পুলিশের নেতাকর্মী। জুলাই মুক্তিযোদ্ধের মতো জুলাই শহীদ সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে কোন যদি,, কিন্তু এর অবকাশ নাই। এজন্য মুখোশধারীরা স্লোগান নকল করেছে, গুজব ছড়িয়েছে। মনে আছে কি 👇

[] ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান " তুমি কে? আমি কে? বাঙালি বাঙালি

[] ২০২৪ এর জুলাই স্লোগান
" আমি কে? তুমি কে? রাজাকার রাজাকার
😁😁😁😁

"চোরদের কীর্তি আমার সকাল সন্ধ্যা শুধুই হাসি পায় 😁"

সত্য সবসময় সুন্দর।

লুসিড ড্রিম
১ জুলাই, ২০২৬

ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ। আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। য...
29/04/2026

ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।

আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।

১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।

১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।

বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।

১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।

আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।

ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।

পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।

তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।

ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।

ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।

এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।

©️ Adnan Walid Ratul

দুটি খবরই পাশাপাশি দিলাম। কারণ জাতী হিসেবে আমরা টিউবলাইট, সবকিছু মনে করিয়ে দিতে হয়। নিচের একটা সংবাদের শিরোনাম - 'বিএনপি...
25/04/2026

দুটি খবরই পাশাপাশি দিলাম। কারণ জাতী হিসেবে আমরা টিউবলাইট, সবকিছু মনে করিয়ে দিতে হয়।

নিচের একটা সংবাদের শিরোনাম - 'বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় চৌধুরীর হলফনামায় স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ ৫০০ ভরি'। এবার একটু পেছনে যাই।

পবিত্র ডক্টর ইউনুস ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা যখন শেখ হাসিনার কোনকিছুই পাচ্ছিলো না তখন তার ব্যাংকের লকাপ খুলে প্রচার করলো - শেখ হাসিনার লকাপে অবৈধ আয়ের ৮০০ ভরি গয়না পাওয়া গেছে।

যদিও শেখ হাসিনা এক অনলাইন বক্তব্যে জানিয়েছিল সেগুলো তাঁর পরিবার তথা ১৯৭৫ এ স্ব-পরিবারে হত্যা করা তাঁর মা, ভাবী, এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের গয়না। আছে শেখ হাসিনার বোন ও ও অন্যান্য সদস্যের গয়নাও। কিন্তু এদিকে হলোটা কি?

গোটা দেশের মানুষ সেটাকে মাথায় নিয়ে উলঙ্গ নৃত্য করেছে। একজন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে, নিজেও প্রধানমন্ত্রী, তাঁর লকাপে কেনো ৮০০ ভরী গয়না থাকবে? অথচ - এদেশের একটা নিম্মমধ্যবিত্ত পরিবারেও ২০-৩০ ভরী গয়না থাকে। তো?

শেখ হাসিনার থাকতেই পারবে না, শেখ হাসিনা তো ফকিন্নির ঝি! বড়লোকের ঝি তো বেগম জিয়া কিংবা নিপুণ রায় চৌধুরীরা, জামাতের আমিরের বৌ, এরশাদের বৌয়েরা!

নিপুণ রায় চৌধুরীর মতো তৃতীয় পর্যায়ের একজন নেত্রীরও যদি ৫০০ ভরি গয়না থাকে, তাহলে শেখ হাসিনার থাকলে অপরাধ কোথায়?

অপরাধ হৈলো - শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে। এদেশে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কিত সবকিছুতেই রাজাকার, আলবদর আলশামসের বাচ্চাদের সমস্যা ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।

৭৪ দুর্ভিক্ষ শেষ হবার পর কেনো বঙ্গবন্ধু তাঁর দুই পুত্রকে বিয়ে দিলেন, কেনো লোকজনকে দাওয়াত করলেন, এসব নিয়েও এই রাজাকারের বাচ্চাদের হতাশার শেষ নাই।

মানেটা বুঝেন - একজন রাষ্ট্রপ্রধানের দুই সন্তানের বিয়ে, সেখানে না-কি কাউকেই দাওয়াত করাই যাবে না। কেনো আনন্দ উৎযাপন করা হলো, কেনো সেই বিয়েতে কনেরা গয়না পরলো, এই নিয়েও এসব পাকবীজ শুয়োর শাবক গাণৃডুদের উলঙ্গ নৃত্য দেখে আসছি যুগ যুগ ধরে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যদি জুতা পেটার কোনো সুযোগ থাকতো, তাহলে এদেরকে সেটাই করতাম।

- এদেশের মানুষকে সংশোধনের জন্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হয় সবকিছু।

-Zahirul Alam Siddique

11/04/2026

সহ'বাসের দোয়া না পারলে
অন্তত বিসমিল্পাহ পড়েনিবেন|
না হয় ইবলিসের বিনষ্ঠতায়
আক্রান্ত হয়ে আপনার সন্তান জামাত সমর্থক হতে পারে

03/04/2026

তেলের পাম্পে বাইকারদের হাহাকার #তেল_সংকট #পেট্রোল_সংকট #অক্টেন #বাংলাদেশ

Address

Dhaka
1213

Telephone

+8801789352888

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS preparation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category