13/07/2019
ঢাকা: কোরবানির ঈদের বাকি নেই এক মাসও। তাই দেশীয় খামারিরা পশু বিক্রির সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছেন। এখন তারা কোরবানির পশু বিক্রির সময় গুনছেন। আর দেশীয় পশুতে এবারের কোরবানির চাহিদাও মিটবে বলে আশা করছেন। তাদের চাওয়া, যেনো দেশের বাইরের পশু আমদানি না করা হয়।
যদিও গত ঈদের চেয়ে এবার গো খাদ্যের দাম চড়া, তারপরও একটু লাভের আশায় সে খাদ্যের যোগান দিয়ে কোরবানির গরু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। এই লাভ পাবেন বলে বেশ আশাও করছেন তারা। যদি বিদেশ থেকে কোরবানির পশু দেশে না প্রবেশ করে, তাহলে তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত লাভ হাতে আসবে।
গরুর খামারেই এখন দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। গরু মোটাতাজা করতে ঘাসের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। খামারের এসব গরু দেশের প্রান্তিক এলাকা থেকে ছয় থেকে নয় মাস আগে কিনে এনে তা ঈদে বেশি দামে বিক্রির জন্য মোটাতাজা করছেন বলে জানিয়েছেন খামারিরা।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের খামার সাদিক এগ্রো লিমিটেডে কোরবানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে এক হাজার ৫০০ পশু। চড়া দামে গো খাদ্য কিনে এসব পশু পালন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাদিক এগ্রোর মতো অন্যান্য খামারও প্রস্তুত কোরবানির পশু মোটাতাজা করে।
সাদিক এগ্রোর মালিন ইমরান হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ছয় মাস আগে এক বস্তা (৩৭ কেজি) ভুসি ছিল ৮০০ টাকা। সেটার দাম এখন এক হাজার ৪০০। এবার গরু পালনে খরচা বেশি। তারপরও লাভের আশা করছি। তবে সেটা বাইরে থেকে গরু না এলে পাবো। নয়তো নয়। আমরা ভালো দাম পাবো। টাকা-পয়সাওলারাই কোরবানি দেন। সেক্ষেত্রে চাষিরা কিছুটা পয়সা পেলে ক্ষতি কী? আমরা চাই বিদেশ থেকে যেনো কোনো গরু দেশে না প্রবেশ করে।