Gulshan Fashion

Gulshan Fashion All kinds of 3 Pc / Cosmetics n Gift items are available Qualityfull products is our Commitment
Mobile:- +8801911063059

হালাল ইনকাম খুব কষ্টের তবে দিন শেষে শান্তি আছে ❣️
23/03/2024

হালাল ইনকাম খুব কষ্টের তবে দিন শেষে শান্তি আছে ❣️

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ।মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি রইলো সহস্র সালাম ।
21/02/2023

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ।মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি রইলো সহস্র সালাম ।

জীবনে উন্নতি করতে চাইলে সূর্যোদয়ের পর ভোরবেলার সময়কে কাজে লাগানকুরআন পড়া বা মুখস্থ করা, ছাত্রদের পড়াশোনা, ব্যাবসা-বাণিজ্...
24/12/2021

জীবনে উন্নতি করতে চাইলে সূর্যোদয়ের পর ভোরবেলার সময়কে কাজে লাগান
কুরআন পড়া বা মুখস্থ করা, ছাত্রদের পড়াশোনা, ব্যাবসা-বাণিজ্য, চাকুরী, সফর কিংবা জিহাদের অভিযানে বের হওয়া...এমন যেকোন ভালো কাজের জন্য সবচাইতে উত্তম এবং বরকতময় সময় হচ্ছে সূর্যোদয়ের পর থেকে দিনের প্রথমভাগ।
আলী রাদিয়াল্লাহু আ’নহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ দুয়া করতেন, “হে আল্লাহ! আমার উম্মত দিনের শুরুতে যে কাজ করবে, তাতে তুমি বরকত দান করো।” মুসনাদে আহমাদঃ ১৩২০, ১৩২৩, ১৩২৯, ১৩৩১, ১৩৩৯। হাদীসটি হাসান।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عَطَاءٍ، حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ حَدِيدٍ، عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا. وَكَانَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً أَوْ جَيْشًا بَعَثَهُمْ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ وَكَانَ صَخْرٌ رَجُلًا تَاجِرًا، وَكَانَ يَبْعَثُ تِجَارَتَهُ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَأَثْرَى وَكَثُرَ مَالُهُ قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَهُوَ صَخْرُ بْنُ وَدَاعَةَ صحيح
(১) সাখর আল-গামিদী রাদিয়াল্লাহু আ’নহু হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম (এই বলে আল্লাহর কাছে দুয়া) করেছেন, “হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে ভোরবেলার সময়ের মাঝে বরকত দান করুন।”
(২) নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো ক্ষুদ্র বা বিশাল বাহিনীকে কোথাও প্রেরণ করলে দিনের প্রথম ভাগেই পাঠাতেন।
(৩) এই হাদীসের বর্ণনাকারী সাহাবী সাখর রাদিয়াল্লাহু আ’নহু একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি তাঁর ব্যবসার পণ্যদ্রব্য দিনের প্রথমভাগে (ভোরবেলায়) পাঠাতেন, ফলে তিনি সম্পদশালী হয়েছিলেন এবং এভাবে তিনি অনেক সম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন।
উৎসঃ সুনানে আবু দাউদঃ ২৬০৬, সুনানে আত-তিরমিযীঃ ১২১২, সহীহ তারগীবঃ ১৬৯৩। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহি’মাহুল্লাহ হাদীসটিকে ‘সহীহ’ বলেছেন।
হাদীসে বর্ণিত فِي بُكُورِهَا বা ভোরবেলার সময় কথাটির অর্থ হচ্ছে দিনের প্রথমভাগ। অর্থাৎ, সূর্যোদয়ের পর থেকে মধ্য দুপুর বা যুহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়া পর্যন্ত সময়টুকু।
অনেকে রাত জেগে পড়াশোনা করে ফযরের পরে ঘুমিয়ে যায়। এটা ভুল। কেননা, আল্লাহ তাআ’লা রাতকে বানিয়েছেন বিশ্রামের জন্য, আর দিনকে করেছেন কাজের জন্য। এইভাবে তারা আল্লাহর সৃষ্টির নিয়মের বিপরীত কাজ করছে। পক্ষান্তরে, যেই সময়ে পরিশ্রম করে সবচাইতে বেশি উপকার পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে ফযরের পরে ভোরবেলার সময়ে। এইভাবে ভোরবেলার বরকত থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তোওফিক্ব দান করুন, আমিন।
ফযরের সালাত আদায় করার পর কি ঘুমানো উচিত?
এই প্রশ্নের উত্তরে শায়খ মুহা’ম্মদ বিন জামিল যাইনূ রহি’মাহুল্লাহ বলেন, “আপনার জন্য জরুরী হচ্ছে সকাল সকাল সব কাজ শুরু করা। কেননা, আল্লাহর রাসুল সাল্লালাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এই দুয়া করেছেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমার উম্মতের জন্য সকালের সময়ের মাঝে বারাকাত দান করুন।” আরকানুল ইসলাম ওয়াল ঈমান। তাওহীদ প্রকাশনী, পৃষ্ঠাঃ ৫৬।
___________________________________
সালাফরা ভোরবেলার সময়টুকু আল্লাহর যিকির করে হেফাযত করতেন
ফযরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত ভোরবেলার এই সময়টুকু খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এটা বরকতের সময়। এই সময়ে ফযরের সালাত ফরয করা হয়েছে, ফযরের সালাত আদায়ের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর যিকির ও দুআ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে এবং এই সময়ে গাফিল বা উদাসীন হতে নিষেধ করা হয়েছে।
আল্লাহ সকালে ও সন্ধ্যায় তাঁর যিকির করার আদেশ দিয়ে বলেন,
وَاذْكُرْ رَّبَّكَ فِيْ نَفْسِكَ تَضَرُّعًا وَّخِيْفَةً وَّدُوْنَ الْجَــهْرِ مِنَ الْقَوْلِ بِالْغُدُوِّ وَالْاٰصَالِ وَلَا تَكُنْ مِّنَ الْغٰفِلِيْنَ
“আর আপনি আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন মনে মনে, বিনয় ও ভীতি সহকারে, অনুচ্চস্বরে; সকালে এবং সন্ধ্যায়। আর আপনি গাফিল (উদাসীন লোকদের) অন্তর্ভুক্ত হবেন না।” সুরা আল-আ’রাফঃ ২০৫।
দিনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ এই সময়টুকু ঘুনিয়ে নষ্ট করলে অনেক বরকত থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
ফযীলাতুশ-শায়খ আব্দুর রাজ্জাক্ব বিন আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হা’ফিজাহুল্লাহ বলেন,
“যদি কোন ব্যক্তি দিনের প্রথম ভাগ নষ্ট করে ফেলে; যেই সময়ের মাঝে অনেক বরকত ও ফযীলত রয়েছে, যেই সময়ে রিযিক্ব বন্টন করা হয়, তাহলে সে যেন পুরো দিনটাকে নষ্ট করে ফেললো! কারণ সকালে যে বরকত রয়েছে, তা হারানোর কারণে সারা দিনে তার যে উপকার ছিলো, সেটা থেকে সে বঞ্চিত থাকবে। এ কারণে একজন মুসলিম ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হচ্ছে, সে যেনো এটা নিশ্চিত করে যে, সকালবেলার সময়টুকু সে অলস, উদাসীন বা নিষ্ক্রিয় থেকে সেই দিনের বরকত থেকে বঞ্চিত না হয়। আমাদের সালাফরা ফযর সালাতের পরে ঘুম কি জিনিস তা তারা জানতেন না। এমনকি ইবনে আল-ক্বাইয়িম রহি’মাহুল্লাহ বলেছেন যে, “সালাফরা যদি দীর্ঘ সফরে থাকা অবস্থায় ক্লান্ত থাকতেন, তবুও তারা ফযরের পরে ঘুমাতেন না। বরং সূর্য উদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন এবং তার পরে ঘুমাতেন। এর কারণ হচ্ছে, ফযরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত সময়টুকু ফযীলতপূর্ণ সময়। এই সময়টুকু আল্লাহর যিকিরের জন্য বরকতময় ও ফযীলতপূর্ণ, এ কারণে সালাফরা ক্লান্তি বা অলসতার কারণে এই সময়টুকু নষ্ট করতেন না। তাঁরা আল্লাহর যিকির বিশেষ করে তাসবীহ (সুবহা’নাল্লাহ) এবং ক্বুরআন ও সুন্নাহতে বর্ণিত অন্যান্য যিকির করে এই সময়কে কাজে লাগাতেন, যেই যিকিরসমূহের প্রায় সবগুলো এই কিতাবে উল্লেখিত হয়েছে।
এ বিষয়ে সহীহ মুসলিমে একটা হাদীস বর্ণিত হয়েছে, হাদীসটি আবু ওয়ায়িল শাক্বিক্ব ইবনে সালামাহ রহি’মাহুল্লাহ নামক একজন তাবেয়ী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “একদা ফযরের সালাত আদায় করার পর আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর সাথে দেখা করতে গেলাম। আমরা (তাঁর বাড়ির) দরজার নিকটে এসে (ভিতরে প্রবেশের জন্য) সালাম দিলাম, তিনি আমাদেরকে অনুমতি দিলেন। কিন্তু আমরা কিছুক্ষণ দরজার বাহিরে অপেক্ষা করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর দাসী মেয়েটি বের হয়ে এসে আমাদেরকে বললো, “আপনারা ভেতরে প্রবেশ করছেন না কেনো?” অতঃপর আমরা ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু তাসবীহ পড়ছেন। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি তোমাদেরকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পরও আমার ঘরে প্রবেশ করতে তোমাদের কি বাঁধা ছিল?” আমরা বললাম “না, তেমন কোন বাঁধা ছিল না, তবে আমরা ভাবলাম, হয়তো ঘরের মধ্যে (আপনার পরিবারের) কেউ ঘুমিয়ে আছে।” আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু বললেন, “তুমি উম্মু আ’বদের পুত্র (অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর) পরিবার সম্পর্কে এই ধারণা করছো যে, তারা এতোটাই অলস (যে ভোর বেলায় ঘুমিয়ে আছে)?”
বর্ণনাকারী আবু ওয়ায়িল রহি’মাহুল্লাহ বলেন, “অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু তাসবীহ পাঠে ব্যস্ত হলেন। শেষে যখন ভাবলেন যে, সূর্য উদিত হয়েছে তখন তিনি তাঁর দাসী মেয়েটিকে বললেন, “দেখো তো, সূর্য উদয় হয়েছে কি না?” আবু ওয়ায়িল বলেন, দাসী মেয়েটি (বাহিরে বের হয়ে) তাকিয়ে দেখল সূর্য তখনও উদিত হয়নি। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু পুনরায় তাসবীহ পাঠে ব্যস্ত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন সূর্য উদিত হয়েছে, তখন বললেন, হে (দাসী) কন্যা! দেখো তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? আবু ওয়ায়িল বলেন, দাসী মেয়েটি তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে ব্যস্ত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে দাসী কন্যা! দেখো তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? দাসী মেয়েটি তাকিয়ে দেখল যে, সূর্য উদিত হয়েছে।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু এই সংবাদ শুনে বললেন, “আলহা’মদুলিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর), যিনি আজকের এই দিনটি আমাদেরকে ফেরত দিয়েছেন।”
এই হাদীসের অধঃস্তন বর্ণনাকারী মাহদী বলেন যে, আমার মনে হয় আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু এও বলেছেন যে, “এবং আমাদের অপরাধের কারণে (আল্লাহ তাআ’লা) আমাদেরকে ধ্বংস করে দেননি।” সহীহ মুসলিমঃ ১৭৯৬।
শায়খ আব্দুর রাজ্জাক্ব বিন আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হা’ফিজাহুল্লাহ এই হাদীসটি ব্যাখ্যা করে বলেন,
“আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু এই হাদীসে একটি আশ্চর্যজনক কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, “আলহা’মদুলিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর), যিনি আজকের এই দিনটি আমাদেরকে ফেরত দিয়েছেন।”
তোমরা ভালো করে খেয়াল করো, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু এই কথা দিনের কোন সময়ে বলেছেন? তিনি এই কথা বলেছেন যখন দিনের প্রথম অংশ অর্থাৎ ভোর বেলা শেষ হয়েছে, কিন্তু তখনও পুরো দিন শেষ হয়নি। বরং দিনের প্রায় সম্পূর্ণ অংশই বাকী রয়েছে। তাহলে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু কেনো এই কথা বললেন যে, আল্লাহ আজকের দিনের (সবটুকু অংশই) তাঁকে ফেরত দিয়েছেন?”
শায়খ আব্দুর রাজ্জাক্ব বিন আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হা’ফিজাহুল্লাহ বলেন, “আমার মনে হয়, এই প্রশ্নের উত্তর সকলেরই জানা। এর উত্তর হচ্ছে, যে ব্যক্তি দিনের প্রথম অংশ হেফাযত করবে, সে যেন বাকী সমস্ত দিনটাকেই হেফাযত করলো। এ কারণে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আ’নহু দিনের প্রথম অংশে আল্লাহর যিকির, তাসবীহ পাঠ করার দ্বারা অতিবাহিত করে আল্লাহর প্রশংসা করে এই কথা বলেছেন যে, “আলহা’মদুলিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর), যিনি আজকের এই দিনটি আমাদেরকে ফেরত দিয়েছেন।” যদিও সেই দিনের দুহা, যুহর, আসরের দীর্ঘ সময় তখনও বাকী ছিলো।
এখান থেকে আমরা অনেক বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় জানতে পারি তা হচ্ছে, যে ব্যক্তি তার দিনের প্রথম অংশকে হেফাযত করবে, তার বাকী দিনও হেফাযত হবে। যে ব্যক্তি তার দিনের প্রথম অংশকে সুন্দর করবে, তার বাকী দিনটা সুন্দর হবে। এটা (অনেকের নিকট) গোপন একটা বিষয় যে, সালাফরা প্রথম দিন থেকেই ভোরবেলার এই সময়কে হেফাযত করতেন, আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন। তাঁরা দিনের প্রথম অংশের এই সময়ের মূল্য জানতেন, এ কারণে তাঁরা এই সময়ে (আল্লাহর যিকির করাকে) গুরুত্ব দিতেন। কিন্তু পরবর্তীতে যারা এসেছে, তারা দিনের প্রথম অংশের গুরুত্ব জানতো না, এ কারণে তারা এই সময়ে অন্য বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া আরম্ভ করলো। এমনকি বর্তমান সময়ে অনেকের কাছে ঘুমানোর জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক সময় হচ্ছে ফযরের পরে। ফযরের সালাতের পরে অনেকে ঘুমানোকে কিছুতেই মিস করতে চায় না। কারো যদি ফযরের পরে কাজে যাওয়ার পূর্বে মাত্র এক ঘন্টা সময় বাকী থাকে, তবুও সে আধা ঘন্টার জন্য হলেও সেই সময়ে ঘুমানোকে ত্যাগ করে না, যদিও এই ঘুম তার কোন উপকারে আসে না। এইভাবে ফযরের পরে ঘুমিয়ে লোকেরা আসলে তাঁদের শরীরকে অলস ও দুর্বল করে, উদাসীন ও নিষ্ক্রিয় অবস্থায় সময় অতিবাহিত করে, এই ঘুম শরীরে কোন শক্তি দেয় না বা শরীরের কোন উপকারে আসে না। কেননা, এই সময়টুকু আসলে আল্লাহ তাবারাকা তাআ’লার যিকিরের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কারণে আলেমরা এই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, সালাফরা এই সময়ের মূল্য জানতেন এবং তাঁরা এই সময়টুকু আল্লাহ তাবারাকা তাআ’লার যিকির করে অতিবাহিত করতেন।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলি, একজন ব্যক্তির জন্য ক্বুরআন ও সুন্নাহর যিকিরসমূহ শিক্ষা করা খুবই জরুরী, যেগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে করতে আদেশ করছেন এবং যে যিকিরসমূহ সকালবেলা (অর্থাৎ ফযর ওয়াক্ত ও সূর্য উদয়ের মাঝে) করা আমাদের জন্য শরীয়ত সম্মত। আমাদের উচিত এই যিকিরগুলো করার অভ্যাস গড়ে তোলা, যাতে করে আমরা প্রতিদিনই এই আমল করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। ভোরবেলা যিকির করার এমন নিয়মিত অভ্যাস হয় যেনো, একদিনের জন্য আমাদের এই আমল ছুটে না যায়। যাতে করে সে এমন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যারা প্রতিদিন সকাল বেলার সময়কে যিকির করে সে তার সারা দিনকে সুন্দর করতে পারে।

01/12/2021

আসুন জানি ও মানি !!
৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে-
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না, যেমন:- যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
১১। প্যান্ট, ট্রাউজার, পা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
১৫। ইকামাত এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না ।
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে!
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন, তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার!
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো মতো আপ্যায়ন করুন ।
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুসূচনা করুন।
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন।
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন। আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই উপদেশমূলক বাণীগুলো মেনে চলার তাওফীক দান করুক। (আমীন)

সংগৃহীত

 #স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয় কেন ?স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে স্নান করার সময় আমরা প্র...
29/11/2021

#স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয় কেন ?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে স্নান করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।

এইভাবে প্রথমেই মাথায় জল দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া,

কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।

বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, স্নানের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে স্নান করার সময় কিছু নিয়ম মেনে স্নান করা উচিত।

সঠিক নিয়ম মেনে স্নান না করলে হতে পারে মৃত্যুও। স্নান করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই জল দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।

#স্নানের সঠিক নিয়মঃ-

প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে জল দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় জল দেওয়া উচিত।

এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।

এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় পরিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।©️❤️❤️
(Collected) See less

12/11/2021
Organdy  unstitch three piece.Price: 900 tkProduct type: Unstitch three piece Kameez, Dupatta, Salwar :  CottonTo place ...
14/09/2021

Organdy unstitch three piece.
Price: 900 tk

Product type: Unstitch three piece
Kameez, Dupatta, Salwar : Cotton

To place your order inbox is your address and contact number.

শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন
05/06/2021

শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন

কাঁঠালের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ:👉 হাড় মজবুত ও শক্ত করে।👉 রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।👉 চোখ ভালো রাখে।👉 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।👉...
05/06/2021

কাঁঠালের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ:

👉 হাড় মজবুত ও শক্ত করে।
👉 রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
👉 চোখ ভালো রাখে।
👉 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
👉 দেহের রক্তাল্পতা দূর করে।
👉 কাঁঠাল হজম শক্তি বাড়ায়।
👉 কাঁঠাল ত্বকের জন্য ভালো।
👉 কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা খুবই কম।
👉 কাঁঠাল ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
👉 উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
👉 কাঁঠাল হাঁপানি প্রতিরোধ করে।
👉 কাঁঠাল থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
👉 পাইলসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
👉 রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
👉 সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
👉 টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।
👉 দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
👉 প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।
👉 গর্ভবতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থসন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।
👉 দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে।
👉 আলসার এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।
👉 বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।
👉 কাঁঠাল রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
👉 রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।

Address

Bushandhara City. Level-5, Block-B, Shop No-6, 7, 8 Dhaka
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gulshan Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Gulshan Fashion:

Share