NRB Bazaar

NRB Bazaar NRB Bazaar is Bangladesh's first largest global eCommerce portal for Clothing, Electronics, Mobile Phones, Books, Grocery, Stationery and many more!!!
(443)

প্রিয় গ্রাহক, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমাদের সকল কার্যক্রম ১৬ই জুন ২০২৪ হইতে ১৯শে জুন ২০২৪ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আপনাদের ...
15/06/2024

প্রিয় গ্রাহক, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমাদের সকল কার্যক্রম ১৬ই জুন ২০২৪ হইতে ১৯শে জুন ২০২৪ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আপনাদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক! 🙂

সৈয়দ ফররুখ আহমদ ,একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কবি । এই বাঙালি কবি 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বাংলা ...
10/06/2024

সৈয়দ ফররুখ আহমদ ,একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কবি । এই বাঙালি কবি 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বাংলা কাব্যজগতের সর্বাধিক সনেট রচয়িতা।
তার কবিতায় বাংলার অধপতিত মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের অনুপ্রেরণা প্রকাশ পেয়েছে।বিংশ শতাব্দীর এই কবি ইসলামি ভাবধারার বাহক হলেও তার কবিতা প্রকরণকৌশল, শব্দচয়ন এবং বাক্‌প্রতিমার অনন্য বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। আধুনিকতার সকল লক্ষণ তার কবিতায় পরিব্যাপ্ত।

তার কবিতায় রোমান্টিকতা থেকে আধুনিকতায় উত্তরণের ধারাবাহিকতা পরিস্ফুট। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে তিনি যে-কাব্যভাষার সৃষ্টি করেছেন তা স্বতন্ত্র এবং এ-গ্রন্থ তার এক অমর সৃষ্টি।

জন্ম দিবসে কবির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি!

চার্লস জন হাফ্যাম ডিকেন্স। যদিও সবার কাছে চার্লস ডিকেন্স নামেই বেশি পরিচিত । তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরে...
09/06/2024

চার্লস জন হাফ্যাম ডিকেন্স। যদিও সবার কাছে চার্লস ডিকেন্স নামেই বেশি পরিচিত । তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

ভিক্টোরিয়ান যুগে ইউরোপের সাহিত্যে এক নতুন বিপ্লবের নাম চার্লস ডিকেন্স। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, সম্পাদক, সচিত্র প্রতিবেদক এবং সমালোচক ছিলেন। তবে চার্লস ডিকেন্সকে ইতিহাস মনে রাখবে তার অসাধারণ লেখনীর জন্য।
‘অলিভার টুইস্ট’, ‘অ্যা ক্রিস্টমাস ক্যারল’, ‘নিকোলাস নিকলবি’, ‘ডেভিড কপারফিল্ড’, ‘অ্যা টেল অফ টু সিটিস’ এবং ‘গ্রেট এক্সপেকটেশন’- এর মতো কালজয়ী উপন্যাসের রচয়িতা ডিকেন্সকে ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

ডিকেন্স জীবদ্দশাতেই তার পূর্বসূরি লেখকদের তুলনায় অনেক বেশি জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

হুমায়ুন কবির বিশ শতকের বাংলা ভাষার একজন প্রগতিশীল কবি। তিনি বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয...
06/06/2024

হুমায়ুন কবির বিশ শতকের বাংলা ভাষার একজন প্রগতিশীল কবি। তিনি বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন ।

১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স এবং ১৯৬৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম. এ. পাস করেন। ১৯৭০-এ বাংলা একাডেমী গবেষণা বৃত্তিলাভ করেন। বাংলা একাডেমীতে তার গবেষণার বিষয় ছিলো সাম্প্রতিক জীবন চৈতন্য ও জীবনানন্দ দাশের কবিতা।

১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পত্রপত্রিকায় তার অসংখ্য প্রবন্ধ ছড়িয়ে আছে। ১৯৭২ সালের প্রথম দিকে গোপন বিপ্লবী রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সাথে যোগাযোগ গড়ে ওঠে।সে বছরের প্রথম দিকে তিনি ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র সঙ্গে যুক্ত হন।

হুমায়ুন কবিরের লেখকজীবন মাত্র আট বছরের—১৯৬৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত। জীবদ্দশায় তাঁর কোনো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। জীবদ্দশায় জনাব হুমায়ুনের কোনো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। মৃত্যুর কয়েক মাস পূর্বে তিনি গ্রন্থ প্রকাশের কথা সক্রিয়ভাবে ভাবতে শুরু করেন। সৌভাগ্যক্রমে তার অন্যতম শুভানুধ্যায়ী ও বন্ধু জনাব আহমদ ছফার মাধ্যমে তিনি তার প্রথম কাব্য গ্রন্থের জন্য একজন প্রকাশকও পেয়ে যান। কাব্যগ্রন্থের প্রকাশক পাওয়া কঠিন। তাই তিনি তার প্রথম পাণ্ডুলিপিতে যথাসম্ভব বেশি কবিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তৈরি হয় ৭৪টি কবিতা সংবলিত পাণ্ডুলিপি ‘কুসুমিত ইস্পাত’।
গ্রন্থটি যখন ছাপাখানায় পুরোপুরি কম্পোজ হয়ে গেছে তখনই হুমায়ুন লোকান্তরিত হলেন। নিজের মুদ্রিতগ্রন্থের প্রথম কপিটি দেখার সৌভাগ্য তার হলো না।
১৯৭২ সালের ৬ জুন পার্টির মধ্যে বিতর্কের জের ধরে পার্টির নির্দেশে তাঁকে হত্যা করা হয়।

কবির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডাঃ নীহাররঞ্জন গুপ্ত। নীহাররঞ্জন গুপ্ত ছিলেন  বাঙালি লেখক। তবে তিনি জন্মগতভাবে একজন বাংলাদ...
06/06/2024

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডাঃ নীহাররঞ্জন গুপ্ত। নীহাররঞ্জন গুপ্ত ছিলেন বাঙালি লেখক। তবে তিনি জন্মগতভাবে একজন বাংলাদেশি। পেশাগত ভাবে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় রহস্য কাহিনীকার এবং চিকিৎসক।
তিনি বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র কিরীটি রায়ের স্রষ্টা হিসেবে উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন। বড়দের ও ছোটদের উপযোগী - উভয় ধরনের গোয়েন্দা উপন্যাস রচনায় সবিশেষ পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেছেন নীহাররঞ্জন।

বড়দের ও ছোটদের উপযোগী - উভয় ধরনের গোয়েন্দা উপন্যাস রচনায় সবিশেষ পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেছেন নীহাররঞ্জন। মোট দুই শতাধিক গ্রন্থ তিনি রচনা করে গেছেন। উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হলো -কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী, লালুভুলু ,রাতের রজনীগন্ধা, কিরীটী অমনিবাস ,অপারেশন ।

এই লেখকের জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা !

উইলিয়াম সিডনী পোর্টার বিখ্যাত ছোট গল্পকার। তার ছদ্মনাম ও হেনরি । তিনি আমেরিকান জীবনযাপন নিয়ে প্রায় ছয় শতাধিক গল্প লি...
05/06/2024

উইলিয়াম সিডনী পোর্টার বিখ্যাত ছোট গল্পকার। তার ছদ্মনাম ও হেনরি । তিনি আমেরিকান জীবনযাপন নিয়ে প্রায় ছয় শতাধিক গল্প লিখেছেন।

এক সময় কলেজ পাঠ্য হওয়ায় তার লেখা দ্য গিফট অব দ্য ম্যাজাই গল্পটি বাংলাদেশে খুবই পরিচিত ও জনপ্রিয়।

ঘরের দোরগোড়ায় থমকে গেল জিম।
নবদম্পতি জিম আর ডেলা। ভালোবাসার মানুষের জন্য ক্রিসমাসের উপহার কিনতে পরস্পরকে না জানিয়ে তাদের সবথেকে দামি বস্তু বিক্রি করেছে তারা। ডেলার কাছে সবথেকে মূল্যবান তার কোমর ছাড়িয়ে নেমে যাওয়া কেশরাজি। এই চুল বিক্রি করে জিমের জন্য সে কিনেছে পকেটঘড়ির চেন।
জিমের পকেটঘড়ি বংশপরম্পরায় হাতবদল হয়ে আসা। ডেলার পরে সম্ভবত তার কাছে সবথেকে প্রিয় এই ঘড়ি। কিন্তু ঘড়ির পুরনো চেন নষ্ট হয়ে গেছে বহু আগেই। টাকার টানাটানিতে নতুন একটা চেন কিনব কিনব করে কিনতে পারছে না সে। কিন্তু আজ স্ত্রীর জন্য সেই ঘড়ি বিক্রি করে হাতির দাঁতের একসেট চিরুনি কিনেছে। ডেলার বহু আকাঙ্ক্ষিত এই চিরুনির সেট, কিন্তু দামের কথা ভেবে এতদিন কেনা হয়ে ওঠেনি।
ডেলার মাথা আঁকড়ে থাকা ছোট চুল তাই জিমকে থমকে দিয়েছে। স্ত্রীর হাতে উপহার তুলে দিয়ে অনেকটা যন্ত্রচালিতের মতো সোফায় বসে পড়ল সে। এবার স্বামীর উপহার বের করল সে। বেলার হাতে ঘড়ির চেন দেখে হেসে ফেলল জিম। জানো ডেলা, আমাদের উপহার দু’টি এতটাই মূল্যবান যে এ মুহূর্তে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

চট্টোপাধ্যায়, সুনীতিকুমার শিক্ষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক।  পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। তিনি অত্যন...
29/05/2024

চট্টোপাধ্যায়, সুনীতিকুমার শিক্ষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক।

পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং সকল পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দেন। তিনি মতিলাল শীল ফ্রি স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে এফ্‌ প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ, এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য তিনি বিভিন্ন বৃত্তি ও পুরস্কার লাভ করেন।

১৯১৯ সালে তিনি ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে লন্ডন যান এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফোনেটিক্সে ডিপ্লোমা ও ডিলিট (১৯২১) ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘Origin and Development of Bengali Language’। লন্ডনে তিনি ধ্বনিতত্ত্ব, ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাতত্ত্ব এবং প্রাকৃত, ফারসি, প্রাচীন আইরিশ, গোথিক ইত্যাদি ভাষা শেখেন। এখান থেকে তিনি প্যারিস যান এবং সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় আর্যভাষাতত্ত্ব, স্লাভ ও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাতত্ত্ব, গ্রিক ও ল্যাটিন ভাষা ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করেন।
১৯২২ সালে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় ভাষাতত্ত্বের খয়রা অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ত্রিশ বছর কর্মরত থাকার পর তিনি ইমেরিটাস প্রফেসর পদে পুনর্নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৬৩ সালে ভারতের জাতীয় অধ্যাপক হন।

সুনীতিকুমার ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৩৮০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ, দি (ওডিবিএল, ১৯২৬)। এটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভাষাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

ইবনে খালদুন, পুরো নাম- আবু জায়েদ আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন খালদুন আল হাদরামি ছিলেন একজন আরব মুসলিম পণ্ডিত।  তার জন্ম...
27/05/2024

ইবনে খালদুন, পুরো নাম- আবু জায়েদ আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন খালদুন আল হাদরামি ছিলেন একজন আরব মুসলিম পণ্ডিত। তার জন্ম তিউনিসিয়ার তিউনিস শহরে। আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও অর্থনীতি শাস্ত্রের জনকদের মধ্যে তিনি অন্যতম বিবেচিত হন।
তবে ইবনে খালদুন তাঁর বই মুকাদ্দিমার জন্য অধিক পরিচিত।
এই বই ১৭ শতকের উসমানীয় ইতিহাসবিদ কাতিপ চেলেবি ও মোস্তফা নাইমাকে প্রভাবিত করে।

অনেকে বলেন, এটি সমাজবিজ্ঞানের প্রথম বই। সামাজিক ডারউইনবাদের সূচনাগ্রন্থ বলেও মনে করেন কেউ কেউ। অর্থনীতিকেও পথ দেখিয়েছে মুকাদ্দিমা।এতে রাজনীতির তত্ত্বকথা আছে, প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের প্রসঙ্গও আছে, আছে রসায়ন।

মুকাদ্দিমার ছয়টি খণ্ড
মানবসমাজের প্রকার ও ভৌগোলিক বিস্তার; যাযাবর সমাজ, উপজাতি ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণ; রাষ্ট্রসমূহ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক পদ; সমাজ, নগর ও প্রদেশসমূহ; কারুশিল্প, জীবন ধারণের উপায় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, জ্ঞান ও তা অর্জনের উপায়।
তাঁরা উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতন বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে এই বইয়ের তত্ত্ব ব্যবহার করেন। ১৯ শতকের ইউরোপীয় পণ্ডিতরা এই বইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করেন এবং ইবনে খালদুনকে মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দার্শনিকদের অন্যতম হিসেবে গণ্য করতেন।

মুকাদ্দিমায় খালদুন আরো বলেছেন-
ইতিহাস একটি বিজ্ঞান। পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে ইতিহাসকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়; বরং এগুলো অস্বীকার করা উচিত।

জীবনের কোন না কোন সময়ে সবার "মুকাদ্দিমা" পড়া উচিত ।

এই দার্শনিকের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এছাড়াও...
25/05/2024

স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এছাড়াও তিনি ছিলেন বিশিষ্ট গণিতজ্ঞ। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের দৃঢ়চেতা মন ও মহান কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে 'বাংলার বাঘ' আখ্যায়‌ আখ্যায়িত করা হয়।
মেধাবী ছাত্র ছিলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। ১৮৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি ১৮৮৪ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ডিগ্রি ও ১৮৮৫ সালে গণিতে এম.এ পাস করেন। এর পরের বছরে তিনি পদার্থবিদ্যায় এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৮৮৪ সালে ঈশান বৃত্তি লাভ করেন এবং ১৮৮৬ সালে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি পি.আর.এস. অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ জ্যামিতির ওপর তার কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে।

তার প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

নূরজাহান বেগম বাংলাদেশে নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত এবং সাহিত্যিক। তিনি ভারত উপমহাদেশের প্রথম নারী সাপ্তাহিক পত্রিকা "বেগম"...
23/05/2024

নূরজাহান বেগম বাংলাদেশে নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত এবং সাহিত্যিক। তিনি ভারত উপমহাদেশের প্রথম নারী সাপ্তাহিক পত্রিকা "বেগম" পত্রিকার সূচনালগ্ন থেকে এর সম্পাদনার কাজে জড়িত ছিলেন এবং ছয় দশক ধরে বেগম পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তার ডাক নাম ছিল নূরী।

বেগম পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই যখন নূরজাহান বেগম বিএ শ্রেণীতে পড়তেন। তার বাবা নাসিরুদ্দীন প্রতিষ্ঠিত বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন সুফিয়া কামাল। প্রথম চার মাস সম্পাদক হিসেবে এর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
নূরজাহান বেগমের মতো যারা সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল ও লেডি বেবোর্ন কলেজে পড়তেন তারা সবাই মিলে বেগম-এর জন্য কাজ করতেন। বেগমের শুরু থেকে নূরজাহান বেগম ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। তিনি বিয়ে করেন রোকনুজ্জামান খানকে (দাদা ভাই)। ১৯৫০ সালে তারা বাংলাদেশে চলে আসেন।

তিনি তাঁর কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ রোকেয়া পদক (১৯৯০), নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্মাননা (১৯৯৬), গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট (১৯৯৯), অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার (২০০৩) নারীপক্ষ দুর্বার নেটওয়ার্ক (২০০৩), কন্যা শিশু দিবস সম্বর্ধনা (২০০৫), ইনার হুইল সম্মাননা (২০১০), একুশে পদক (২০১১) অর্জন করেন। এছাড়াও কাজী মাহবুবউল্লাহ-জেবুন্নেছা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম, রোটারী ক্লাব কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্বর্ণপদক এবং সম্মানসূচক সম্বর্ধনা অর্জন করেন।
প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

বিহারীলাল চক্রবর্তী, আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।বাংলা সাহিত্যের প্র...
21/05/2024

বিহারীলাল চক্রবর্তী, আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।

বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য-ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। তিনি তার কবিতায় ভাবের আধিক্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রকৃতি ও প্রেম, সংগীতের উপস্থিতি, সহজ-সরল ভাষা বিহারীলালের কবিতাকে দিয়েছে আলাদাধারার বৈশিষ্ট্য।
"সারদামঙ্গল " কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্য। এই কাব্যের বিখ্যাত লাইন ---

সর্বদাই হু হু করে মন,
বিশ্ব যেন মরুর মতন।
চারি দিকে ঝালাফালা।
উঃ কী জ্বলন্ত জ্বালা,
অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গপতন।

কবির জন্মবার্ষীকিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি !

মমতাজ বেগম শিক্ষক ও মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগ্রামী নারী। তিনিই একমাত্র নারী ভাষা-সংগ্রামী; যিনি ভাষার জন্য দ...
20/05/2024

মমতাজ বেগম শিক্ষক ও মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগ্রামী নারী। তিনিই একমাত্র নারী ভাষা-সংগ্রামী; যিনি ভাষার জন্য দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন। তার পুরো নাম কল্যাণী রায় চৌধুরী। তার পূর্বপুরুষ রাজশাহীর রঘুনন্দপুরের জমিদার এবং নাটোরের রানি ছিলেন তাদের আত্মীয়। মমতাজ বেগম বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথনাথ বিশীর বোনের মেয়ে।

কল্যাণী রায় ওরফে মমতাজ বেগমের জীবন ছিল সাহস ও আত্মত্যাগের এক বিরল দৃষ্টান্ত। অভিজাত পরিবারে জন্মেছিলেন কল্যাণী রায়। বাবা ছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি। কল্যাণী ভালোবেসে একজনকে বিয়ে করেছিলেন, নাম বদলে হয়েছিলেন মমতাজ বেগম। তাঁর রায়বাহাদুর বাবা বিয়েটা মেনে নেননি। ফলে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় তাঁর। দেশভাগের পর শিশুকন্যাকে নিয়ে স্বামীর সঙ্গে পূর্ববঙ্গে চলে এসেছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের মর্গান গার্লস স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে। ভাষা আন্দোলনের শুরুতেই নিজ স্কুলের ছাত্রীদের নিয়ে মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। ফলে সরকারের রোষানলে পড়ে জেলে যেতে হয় তাঁকে। স্বামীর কথামতো দাসখত দিয়ে কারামুক্ত হতে চাননি। কারাগারে তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের সঙ্গে একই সেলে ছিলেন মমতাজ। এই কারাবাসের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনদৃষ্টি ও চেতনাকে এমনভাবে গড়ে দেয় যে ৪৪ বছরের আয়ুর বাকি দিনগুলো তিনি ব্যক্তিগত জীবনযাপনের ঊর্ধ্বে উঠে সমষ্টির কল্যাণব্রতে উত্সর্গ করেছিলেন। মমতাজ বেগমের জীবনে রয়েছে একই সঙ্গে এপিকের বিস্তার ও গভীরতা।১৯৬৭ সালের ৩০ জুন এ সংগ্রামী নারী মারা যান।

এই নারী ভাষাসৈনিকের জীবন নিয়ে আবুল হাসনাতের লেখা “কল্যাণী” উপন্যাসটি পাঠককে শুধু যে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার স্বাদ দেবে, তা-ই নয়; জানা ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়ের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেবে।

এই গুণী মানুষটির জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

Address

Level 8, Janata Tower, Software Technology Park, Kawran Bazar
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NRB Bazaar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NRB Bazaar:

Share