SONAR Bangla

SONAR Bangla To know everyone about book and general knowledge. Book is the best friend of man

29/04/2026

একজন চেয়ারম্যানের হাতে যেসকল বরাদ্দ সেবা থাকে।
১. বয়স্ক ভাতা
২. বিধবা ভাতা
৩. প্রতিবন্ধী ভাতা
৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা
৫. দুস্থ মহিলা ভাতা
৬. ভিজিডি (VGD)
৭. ভিজিএফ (VGF)
৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা
৯. হতদরিদ্র ভাতা
১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা
১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি
১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)
১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)
১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি
১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি
১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প
১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান
২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ
২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প
২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা
২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
২৪. রাস্তা সংস্কার
২৫. ব্রিজ নির্মাণ
২৬. কালভার্ট নির্মাণ
২৭. ড্রেন নির্মাণ
২৮. বাজার উন্নয়ন
২৯. হাট উন্নয়ন
৩০. ঘাট নির্মাণ
৩১. খাল খনন
৩২. পুকুর খনন
৩৩. বাঁধ নির্মাণ
৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা
৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা
৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন
৩৭. গভীর নলকূপ
৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ
৩৯. পাবলিক টয়লেট
৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প
৪১. পানি সংরক্ষণ
৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন
৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান
৪৬. স্কুল মেরামত
৪৭. শিক্ষা সহায়তা
৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা
৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
৫০. নারী ক্ষমতায়ন
৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম
৫২. সচেতনতা সভা
৫৩. যুব উন্নয়ন
৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন
৫৬. টিকাদান কর্মসূচি
৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য
৫৮. পরিবার পরিকল্পনা
৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
৬০. পুষ্টি কর্মসূচি
৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা
৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা
৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ
৬৫. বীজ বিতরণ
৬৬. সার সহায়তা
৬৭. সেচ সুবিধা
৬৮. গাছ লাগানো
৬৯. বনায়ন
৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা
৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা
৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ
৭৩. ত্রাণ বিতরণ
৭৪. বন্যা সহায়তা
৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা
৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা
৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প
৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ
৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
৮০. জন্ম নিবন্ধন
৮১. মৃত্যু নিবন্ধন
৮২. নাগরিক সনদ প্রদান
৮৩. অনলাইন সেবা, ইত্যাদি।

07/04/2026

সরকারি চাকুরি শেষে আপনি কি কি পাবেন:(সংগৃহীত)
১. GPF ফান্ড:

চাকুরী বয়সসীমা ২ বছর হওয়ার পর বাধ্যতামূলক বেসিকের (৫-২৫) % টাকা GPF ফান্ডে রাখতে হয়। চাকুরী শেষে এই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন( আগেও সুযোগ আছে)। যদি চাকুরী শেষে এই টাকা উত্তোলন করেন তবে GPF Fund এর মোট টাকার ১১% চক্রবৃদ্ধি মুনাফাসহ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

ধরুন আপনার GPF Fund এ ১০ লক্ষ টাকা জমা হলো।

আপনি পাবেন - ১১ লক্ষ ১১ হাজার টাকা।

২. লাম্পগ্রান্ট:

লাম্পগ্রান্ট মানে ছুটিকে টাকায় রুপান্তর করা। সাপ্তাহিক বা সরকারী ছুটির বাদেও প্রতিমাসে অর্জিত ছুটি জমা থাকে। এই ছুটিগুলো জমা থাকলে চাকুরী শেষে ছুটিকে টাকায় রুপান্তর করা হয়। আপনার শেষ বেসিক এর সাথে ১৮ গুন দিয়ে যতটাকা হবে তত টাকা লাম্পগ্রান্ট হিসেবে পাবেন। আপনার শেষ বেসিক যদি ৬০ হাজার টাকা হয় । তাহলে আপনি লাম্পগ্রান্ট হিসাবে পাবেন ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।।

৩৷ গ্রাচুইটি অর্থাৎ এককালীন অর্থ:

আপনার শেষ বেসিক এর ৯০% কে ২ দিয়ে ভাগ দিয়ে এর সাথে ২৩০ দিয়ে গুণ করতে হবে। আপনার শেষ বেসিক যদি ৬০ হাজার টাকা হয় তাহলে আপনি গ্রাচুইটি হিসাবে পাবেন - ৬২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

৪। পেনশন সুবিধা:

সরকারী চাকরী করার বড় সুবিধা হলো পেনশন সুবিধা। অর্থাৎ আপনার চাকরী শেষেও সরকার আপনাকে প্রতিমাসে আপনার শেষ বেসিকের অর্ধেক+ মেডিকেল ভাতা প্রদান করবে যতদিন জীবিত থাকবেন। আপনি মারা গেলে আপনার স্ত্রী যতদিন বেঁচে থাকবে সে তত দিন এই সুবিধা ভোগ করবে। অথবা আপনার স্ত্রী আগে মারা গেলে যদি চাকুরীতে কর্মরত অবস্থায় নতুন করে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিয়ে করেন তাহলে আপনার দ্বিতীয় স্ত্রী এই সুবিধা ভোগ করবে। তবে দুইজন স্ত্রীই জীবিত থাকলে সমান ২ ভাগে তাঁরা পেনশন সুবিধা ভোগ করবে। আর আপনার স্ত্রী বা আপনি জীবিত না থাকলে যদি আপনার প্রতিবন্ধী সন্তান বা অবিবাহীত মেয়ে অথবা ১৮ বছরের কম বয়সের ছেলে থাকে তাহলে সন্তানরা এই সুবিধা ভোগ করবে। ধরুন, আপনার শেষ বেসিক ৬০ হাজার টাকা , তাহলে আপনি চাকুরী শেষে প্রতিমাসে সরকার থেকে পাবেন ৩০ হাজার টাকা + মেডিকেল ভাতা বাবদ ১৫০০। আপনার বয়স ৬৫ বছরের বেশি হলে মেডিকেল ভাতা ১৫০০ এর পরিবর্তে ২৫০০ টাকা পাবেন অর্থাৎ শেষ বেসিকের অর্ধেক + মেডিকেল ভাতা ২৫০০।

৫। পিআরএল সুবিধা: চাকুরী শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে পরবর্তী ১ বছর অফিস না করার শর্তেও সরকার আপনাকে বেতন ভাতাসহ সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করবে চাকুরী পরর্বতী ১ বছর। অর্থাৎ চাকুরী শেষ হওয়ার ১ বছর পরও আপনি বেতন ভাতা আগের মতই পাবেন।

বি.দ্র: সবগুলো হিসাব বা সুযোগ সুবিধা উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৫ সালের ৮ম পে-স্কেলের নীতিমালা অনুযায়ী। প্রতিটা পে-স্কেলে নতুন নতুন নীতিমালা সংযোজন বা বিয়োজন হয়ে থাকে। অর্থাৎ পে-স্কেলে বেতন বাড়লে চাকুরী শেষে টাকাও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।।

22/02/2026

দেরীতে অফিস ত্যাগ: ডেডিকেশন নয়, অযোগ্যতার পরিচয় 🕒❌

সময় ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা, যা একজন কর্মীর পেশাগত সক্ষমতা এবং কর্তব্যনিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে। যদিও অনেকেই মনে করেন অফিসে দেরিতে ত্যাগ করা হলো কাজের প্রতি ডেডিকেশন, বা স্তবে এটি প্রায়শই অযোগ্যতার পরিচয় বহন করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে একজন কর্মী যে নির্ধারিত সময়ের পরেও অফিসে থাকে, তার মানে হলো কাজের সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রাধান্য দেওয়ার অভাব। বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কর্পোরেট ও সরকারী প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, দেরিতে অফিস ত্যাগ করা কর্মীর মধ্যে চাপ, অযোগ্যতা এবং প্রাধান্য ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই এটি কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্বের অভাব নয়, বরং পুরো দল ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে। 😟

মূল পয়েন্টগুলো:

1️⃣ সময় ব্যবস্থাপনার অভাবের প্রমাণ:
অফিসের নির্ধারিত সময়ের পরেও কাজ করা মূলত নির্দেশিত কাজের সময় ঠিকমতো ব্যবস্থাপনা করতে না পারার প্রমাণ। গবেষণা অনুযায়ী, যারা দেরিতে অফিস ত্যাগ করে তাদের মধ্যে অধিকাংশই প্রায়শই অপ্রয়োজনীয় কাজের মধ্যে সময় নষ্ট করে। এটি প্রমাণ করে যে তারা কাজের প্রাধান্য ঠিকমতো দিতে অক্ষম। এছাড়াও, এই অভ্যাস সহকর্মীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে, কারণ দলের কার্যক্রম নির্ভর করে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার উপর। তাই দেরিতে অফিস ত্যাগ কর্মী দক্ষতার অভাবের প্রমাণ। 📊

2️⃣ অযোগ্যতার মানসিক প্রভাব:
অফিসে দীর্ঘ সময় থাকার ফলে অনেক কর্মী মনে করেন তারা অত্যন্ত পরিশ্রমী। তবে মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় থাকার চেয়ে কাজের গুণগত মানই দক্ষতার সূচক। দেরিতে ত্যাগ করা কর্মীরা প্রায়শই কাজের অপ্রয়োজনীয় অংশে সময় ব্যয় করে এবং প্রকৃত উৎপাদনশীলতা কমে যায়। এতে তাদের পেশাগত অযোগ্যতা স্পষ্ট হয়। 😓

3️⃣ কাজের পরিকল্পনার অভাব:
দেরিতে অফিস ত্যাগের মূল কারণ হলো সময়ানুবর্তিতা ও কাজের পরিকল্পনার অভাব। গবেষণা অনুযায়ী, দক্ষ কর্মীরা কার্যক্রম পরিকল্পনা করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে। অপরদিকে, যারা দেরিতে বের হয় তারা অপ্রয়োজনীয় কাজ বা টাস্কের ভুল ক্রমে সময় নষ্ট করে। এটি প্রমাণ করে যে দেরিতে ত্যাগ করা ডেডিকেশন নয়, বরং অযোগ্যতার নিদর্শন। 📝

4️⃣ চাপ ও উত্তেজনা বৃদ্ধি:
দেরিতে অফিস ত্যাগ করা মানে কাজের চাপ বৃদ্ধি পায়, যা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘ সময় অফিসে থাকে, তাদের মধ্যে স্ট্রেস, ক্লান্তি এবং মানসিক অবসাদ বেশি। এটি দেখায় যে দীর্ঘ সময় থাকা সত্ত্বেও কাজের মান কমে যায়, ফলে কর্মী দক্ষতার দিক থেকে কমে যায়। 😰

5️⃣ দলগত কার্যক্ষমতা হ্রাস:
দলের মধ্যে একজন কর্মী যদি কাজের সময় ঠিকমতো না শেষ করে দেরিতে ত্যাগ করে, তবে পুরো দলের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। বাংলাদেশ ও ভারতের কর্পোরেট গবেষণায় দেখা গেছে, দেরিতে অফিস ত্যাগ করা কর্মীরা দলের মধ্যে সহকর্মীদের উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করে। এটি দলীয় উৎপাদনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। 🏢

6️⃣ প্রাধান্য ভুলে যাওয়া:
দেরিতে অফিস ত্যাগ মানে কর্মী প্রকৃত প্রাধান্য নির্ধারণে ব্যর্থ। গবেষণা অনুযায়ী, যারা কাজের অগ্রাধিকার ঠিকমতো নির্ধারণ করে না তারা সময়ের অপচয় করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কাজের মান হ্রাস পায় এবং অযোগ্যতার প্রমাণ স্পষ্ট হয়। 🔄

7️⃣ পরিকল্পনা ও দক্ষতা বৃদ্ধি না হওয়া:
দেরিতে অফিস ত্যাগ করা কর্মীরা সাধারণত নতুন দক্ষতা অর্জন বা কাজের পরিকল্পনা উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে ব্যর্থ হয়। গবেষণা দেখিয়েছে যে দক্ষ কর্মীরা সময়সীমা মেনে কাজ করলে পেশাগত উন্নতি ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। দেরিতে ত্যাগ করলে এই সুযোগগুলো নষ্ট হয়। 📉

8️⃣ ডেডিকেশনের ভুয়া ধারণা:
অনেকে মনে করেন অফিসে দেরিতে থাকা হলো কঠোর পরিশ্রমের চিহ্ন। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের গবেষণায় দেখা গেছে, বাস্তবে এটি শুধু অযোগ্যতার প্রমাণ। কার্যকর ও দক্ষ কর্মীরা প্রয়োজনীয় সময়ে কাজ শেষ করে এবং ব্যক্তিগত সময়ও মেনে চলে। ফলে দীর্ঘ সময় অফিসে থাকা ডেডিকেশন নয়, অযোগ্যতার পরিচয়। 🛑

9️⃣ সমাপ্তি ও প্রভাব:
শেষমেষ, দেরিতে অফিস ত্যাগ করা কর্মীর দক্ষতা, পরিকল্পনা, এবং মানসিক প্রক্রিয়ার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি কোনো ডেডিকেশন বা নিষ্ঠার পরিচয় নয়, বরং অযোগ্যতার স্পষ্ট চিহ্ন। অফিসের সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা এবং কার্যক্রম সঠিকভাবে শেষ করা একমাত্র উপায় দক্ষতা প্রমাণের। 🕰️✅

অফিসে দেরিতে ত্যাগ করা শুধু সময়ের অপচয় নয়, এটি দক্ষতার অভাব, পরিকল্পনার দুর্বলতা এবং অযোগ্যতার প্রকাশ। যারা সত্যিকারের ডেডিকেশন দেখাতে চান, তারা কাজের মান এবং প্রাধান্য ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ে কার্য সম্পন্ন করবে। দীর্ঘ সময় অফিসে থাকা কোনো সাফল্যের সূচক নয়, বরং কার্যক্ষমতার ব্যর্থতার প্রতিফলন।

copy post

12/08/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —
১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি
বিঃদ্রঃ
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে।

29/06/2025

০টি গুরুত্বপূর্ণ MS Word কীবোর্ড শর্টকাট 🎯 (বাংলা ব্যাখ্যাসহ)
💡 যারা অফিস, এসাইনমেন্ট, রিপোর্ট বা যে কোনো লেখালেখির কাজ করেন, তাদের জন্য এই শর্টকাটগুলো জানা জরুরি। সময় বাঁচবে, কাজের গতি বাড়বে।

🔥 ১–১০
1️⃣ Ctrl + N – নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করুন
👉 একটি একদম নতুন Word ফাইল খুলে।
2️⃣ Ctrl + O – পুরানো ফাইল খুলুন
👉 কম্পিউটারে সেভ করা Word ফাইল ওপেন করুন।
3️⃣ Ctrl + S – ফাইল সংরক্ষণ করুন
👉 আপনার কাজটা দ্রুত সেভ করে ফেলুন।
4️⃣ Ctrl + P – প্রিন্ট করার উইন্ডো আনুন
👉 ফাইল প্রিন্ট করতে হলে এটি চাপুন।
5️⃣ Ctrl + C – কপি করুন
👉 যেকোনো টেক্সট বা ছবি কপি করুন।
6️⃣ Ctrl + V – পেস্ট করুন
👉 কপি বা কাট করা কনটেন্ট পেস্ট করুন।
7️⃣ Ctrl + X – কাট করুন
👉 টেক্সট কেটে অন্য জায়গায় নিন।
8️⃣ Ctrl + Z – পূর্বের কাজ বাতিল করুন
👉 ভুল করলে এক ধাপ পিছনে যান।
9️⃣ Ctrl + Y – পূর্বের বাতিল কাজটি আবার আনুন
👉 Undo করার পর আবার Redo করতে।
🔟 Ctrl + A – সবকিছু সিলেক্ট করুন
👉 পুরো ডকুমেন্ট একসাথে নির্বাচন করুন।

📄 ১১–২০
1️⃣1️⃣ Ctrl + B – মোটা (Bold) লেখায় রূপান্তর
👉 টেক্সট হাইলাইট করতে ব্যবহার করুন।
1️⃣2️⃣ Ctrl + I – লেখা হালকা বাঁকিয়ে দিন (Italic)
👉 লেখায় স্টাইল যোগ করতে।
1️⃣3️⃣ Ctrl + U – লেখার নিচে দাগ (Underline)
👉 গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বা বাক্য হাইলাইট করতে।
1️⃣4️⃣ Ctrl + E – টেক্সট মাঝখানে আনুন (Center align)
👉 টাইটেল বা হেডিংয়ে উপযোগী।
1️⃣5️⃣ Ctrl + L – বাম পাশে লেখাকে সাজান (Left align)
👉 সাধারণ প্যারাগ্রাফের জন্য।
1️⃣6️⃣ Ctrl + R – ডান পাশে সাজান (Right align)
👉 কিছু ক্ষেত্রে দরকার হয়।
1️⃣7️⃣ Ctrl + J – লেখাকে দুই পাশে সমান করুন (Justify)
👉 প্রফেশনাল লুক দিতে।
1️⃣8️⃣ Ctrl + Shift + > – ফন্ট বড় করুন
👉 সিলেক্ট করা লেখার সাইজ বাড়ান।
1️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + < – ফন্ট ছোট করুন
👉 সিলেক্ট করা লেখার সাইজ কমান।
2️⃣0️⃣ Ctrl + Spacebar – সব ফরম্যাট রিসেট করুন
👉 লেখার Bold, Italic, Color সব মুছে ফেলুন।

✏️ ২১–৩০
2️⃣1️⃣ Ctrl + F – কোনো শব্দ খুঁজুন
👉 ডকুমেন্টে কোনো টেক্সট সহজে খুঁজে বের করুন।
2️⃣2️⃣ Ctrl + H – শব্দ খুঁজে পরিবর্তন করুন
👉 Find and Replace অপশন চালু হবে।
2️⃣3️⃣ Ctrl + K – হাইপারলিংক যুক্ত করুন
👉 ওয়েবসাইট বা অন্য ফাইলে লিংক দিন।
2️⃣4️⃣ Ctrl + = – লেখা নিচে নামান (Subscript)
👉 যেমন: H₂O
2️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + + – লেখা ওপরে তুলুন (Superscript)
👉 যেমন: X²
2️⃣6️⃣ Ctrl + Shift + L – Bullet List তৈরি করুন
👉 তথ্য বা পয়েন্ট সাজানোর জন্য।
2️⃣7️⃣ Alt + Shift + D – বর্তমান তারিখ ঢোকান
👉 Date Insert হবে।
2️⃣8️⃣ Alt + Shift + T – বর্তমান সময় ঢোকান
👉 Time Insert হবে।
2️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + N – সাধারণ স্টাইল অ্যাপ্লাই করুন
👉 ডিফল্ট Paragraph স্টাইল ব্যবহার।
3️⃣0️⃣ Ctrl + Q – প্যারাগ্রাফ ফরম্যাট রিসেট
👉 ইনডেন্ট বা অ্যালাইনমেন্ট মুছে ফেলুন।

🖱️ ৩১–৪০
3️⃣1️⃣ Ctrl + Shift + >/< – ধাপে ধাপে ফন্ট সাইজ বড়/ছোট করুন
👉 বারবার বাড়ানোর জন্য।
3️⃣2️⃣ Ctrl + Del – পরবর্তী শব্দ মুছুন
👉 একসাথে পুরো শব্দ ডিলিট।
3️⃣3️⃣ Ctrl + Backspace – পূর্ববর্তী শব্দ মুছুন
👉 দ্রুত শব্দ মুছতে কার্যকর।
3️⃣4️⃣ Ctrl + Enter – নতুন পেজ শুরু করুন
👉 Page Break দিতে।
3️⃣5️⃣ Shift + Enter – নতুন লাইন শুরু করুন (প্যারাগ্রাফ ছাড়াই)
👉 যেমন এক লাইন নিচে নামতে।
3️⃣6️⃣ Ctrl + Tab – ট্যাব স্পেস দিন
👉 Bullet বা Table-এর ভেতর ব্যবহৃত হয়।
3️⃣7️⃣ Ctrl + 1 – Single Line Spacing
👉 লাইনের মাঝে কম স্পেস।
3️⃣8️⃣ Ctrl + 2 – Double Line Spacing
👉 লাইনের মাঝে বেশি স্পেস।
3️⃣9️⃣ Ctrl + 5 – 1.5 Line Spacing
👉 মাঝামাঝি স্পেসিং।
4️⃣0️⃣ Ctrl + Shift + E – Track Changes চালু/বন্ধ করুন
👉 কে কী পরিবর্তন করছে সেটা ট্র্যাক করুন।

📌 ৪১–৫০
4️⃣1️⃣ Ctrl + Alt + V – স্পেশাল পেস্ট অপশন
👉 কপি করা কন্টেন্ট নির্দিষ্টভাবে পেস্ট করুন।
4️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + F – ফন্ট পরিবর্তন
👉 ফন্ট টাইপ সিলেক্ট করার জন্য ডায়ালগ বক্স।
4️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + P – ফন্ট সাইজ পরিবর্তন
👉 ফন্ট সাইজ সেটিং খুলবে।
4️⃣4️⃣ Alt + Ctrl + 1 – Heading 1 স্টাইল
👉 ডকুমেন্টে টাইটেল দিতে।
4️⃣5️⃣ Alt + Ctrl + 2 – Heading 2
👉 সাব-টাইটেল বা সেকশন হেডিং।
4️⃣6️⃣ Alt + Ctrl + 3 – Heading 3
👉 আরও সাব-সেকশন।
4️⃣7️⃣ Ctrl + M – প্যারাগ্রাফ ইনডেন্ট
👉 প্যারাগ্রাফ একটু ডানে সরান।
4️⃣8️⃣ Ctrl + T – Hanging Indent
👉 প্রথম লাইন বামে, বাকিগুলো ইনডেন্টেড।
4️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + T – ইনডেন্ট কমান
👉 Ctrl + M এর বিপরীত।
5️⃣0️⃣ F7 – Spelling & Grammar Check
👉 বানান ভুল ও গ্রামার চেক করুন।
✅ ৫১–৭০: অতিরিক্ত শর্টকাটস
5️⃣1️⃣ Ctrl + Shift + C – ফরম্যাট কপি করুন
👉 একটি লেখার ফরম্যাট (Bold, Color, Size ইত্যাদি) কপি করে নিন।
5️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + V – ফরম্যাট পেস্ট করুন
👉 কপি করা ফরম্যাট অন্য লেখায় প্রয়োগ করুন।
5️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + S – স্টাইল নির্বাচন বক্স
👉 লেখার জন্য প্রস্তুতকৃত স্টাইল দ্রুত সিলেক্ট করুন।
5️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + N – Normal স্টাইল প্রয়োগ
👉 লেখার স্টাইল রিসেট করে Default-এ নিয়ে আসে।
5️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + W – শুধু শব্দে Underline
👉 শব্দের মাঝখানে ফাঁকা অংশে দাগ থাকে না।
5️⃣6️⃣ Ctrl + Shift + D – ডাবল আন্ডারলাইন
👉 লেখার নিচে দুইটি দাগ যুক্ত হয়।
5️⃣7️⃣ Ctrl + Alt + S – উইন্ডো স্প্লিট করুন
👉 এক Word ডকুমেন্টকে দুইভাগে ভাগ করে একসাথে কাজ করুন।
5️⃣8️⃣ Ctrl + Alt + M – মন্তব্য যুক্ত করুন (Comment)
👉 রিভিউ বা নোট দিতে কাজে আসে।
5️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + E – Track Changes চালু/বন্ধ
👉 পরিবর্তনগুলো কে করেছে তা ট্র্যাক রাখে।
6️⃣0️⃣ Alt + Ctrl + I – প্রিন্ট প্রিভিউ
👉 প্রিন্টের আগে দেখতে চান? এই শর্টকাট চাপুন।
6️⃣1️⃣ Alt + Shift + P – পেজ নাম্বার দিন
👉 স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃষ্ঠা নম্বর ঢোকান।
6️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + G – Word Count দেখুন
👉 কত শব্দ, অক্ষর বা লাইন আছে তা জানুন।
6️⃣3️⃣ Ctrl + F1 – Ribbon বার লুকান বা দেখান
👉 উপরের মেনু হাইড বা শো করতে পারেন।
6️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + H – Hidden Text
👉 লেখা হাইড করতে এই অপশন।
6️⃣5️⃣ Ctrl + Alt + 1, 2, 3 – Heading Level 1, 2, 3
👉 ডকুমেন্টে হায়ারার্কিক স্টাইল দিতে খুব দরকারি।
6️⃣6️⃣ Ctrl + Left/Right Arrow – শব্দ ধরে ধরে যান
👉 প্রতিবার একটি শব্দ করে কার্সার সরান।
6️⃣7️⃣ Ctrl + Up/Down Arrow – প্যারাগ্রাফ ধরে নেভিগেট
👉 প্রতিবার একটি প্যারাগ্রাফ করে উপরে/নিচে যান।
6️⃣8️⃣ Ctrl + Home – ডকুমেন্টের শুরুতে যান
👉 এক ক্লিকে একেবারে ওপরে চলে যান।
6️⃣9️⃣ Ctrl + End – ডকুমেন্টের একেবারে শেষে
👉 স্ক্রল না করে সোজা নিচে চলে যান।
7️⃣0️⃣ Alt + Shift + →/← – লিস্ট লেভেল পরিবর্তন
👉
📢 শেয়ার করুন – আপনার বন্ধু, সহকর্মী বা শিক্ষার্থীদের কাজে আসবে।

29/06/2025

৭০টি গুরুত্বপূর্ণ MS Word কীবোর্ড শর্টকাট 🎯 (বাংলা ব্যাখ্যাসহ)
💡 যারা অফিস, এসাইনমেন্ট, রিপোর্ট বা যে কোনো লেখালেখির কাজ করেন, তাদের জন্য এই শর্টকাটগুলো জানা জরুরি। সময় বাঁচবে, কাজের গতি বাড়বে।

🔥 ১–১০
1️⃣ Ctrl + N – নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করুন
👉 একটি একদম নতুন Word ফাইল খুলে।
2️⃣ Ctrl + O – পুরানো ফাইল খুলুন
👉 কম্পিউটারে সেভ করা Word ফাইল ওপেন করুন।
3️⃣ Ctrl + S – ফাইল সংরক্ষণ করুন
👉 আপনার কাজটা দ্রুত সেভ করে ফেলুন।
4️⃣ Ctrl + P – প্রিন্ট করার উইন্ডো আনুন
👉 ফাইল প্রিন্ট করতে হলে এটি চাপুন।
5️⃣ Ctrl + C – কপি করুন
👉 যেকোনো টেক্সট বা ছবি কপি করুন।
6️⃣ Ctrl + V – পেস্ট করুন
👉 কপি বা কাট করা কনটেন্ট পেস্ট করুন।
7️⃣ Ctrl + X – কাট করুন
👉 টেক্সট কেটে অন্য জায়গায় নিন।
8️⃣ Ctrl + Z – পূর্বের কাজ বাতিল করুন
👉 ভুল করলে এক ধাপ পিছনে যান।
9️⃣ Ctrl + Y – পূর্বের বাতিল কাজটি আবার আনুন
👉 Undo করার পর আবার Redo করতে।
🔟 Ctrl + A – সবকিছু সিলেক্ট করুন
👉 পুরো ডকুমেন্ট একসাথে নির্বাচন করুন।

📄 ১১–২০
1️⃣1️⃣ Ctrl + B – মোটা (Bold) লেখায় রূপান্তর
👉 টেক্সট হাইলাইট করতে ব্যবহার করুন।
1️⃣2️⃣ Ctrl + I – লেখা হালকা বাঁকিয়ে দিন (Italic)
👉 লেখায় স্টাইল যোগ করতে।
1️⃣3️⃣ Ctrl + U – লেখার নিচে দাগ (Underline)
👉 গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বা বাক্য হাইলাইট করতে।
1️⃣4️⃣ Ctrl + E – টেক্সট মাঝখানে আনুন (Center align)
👉 টাইটেল বা হেডিংয়ে উপযোগী।
1️⃣5️⃣ Ctrl + L – বাম পাশে লেখাকে সাজান (Left align)
👉 সাধারণ প্যারাগ্রাফের জন্য।
1️⃣6️⃣ Ctrl + R – ডান পাশে সাজান (Right align)
👉 কিছু ক্ষেত্রে দরকার হয়।
1️⃣7️⃣ Ctrl + J – লেখাকে দুই পাশে সমান করুন (Justify)
👉 প্রফেশনাল লুক দিতে।
1️⃣8️⃣ Ctrl + Shift + > – ফন্ট বড় করুন
👉 সিলেক্ট করা লেখার সাইজ বাড়ান।
1️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + < – ফন্ট ছোট করুন
👉 সিলেক্ট করা লেখার সাইজ কমান।
2️⃣0️⃣ Ctrl + Spacebar – সব ফরম্যাট রিসেট করুন
👉 লেখার Bold, Italic, Color সব মুছে ফেলুন।

✏️ ২১–৩০
2️⃣1️⃣ Ctrl + F – কোনো শব্দ খুঁজুন
👉 ডকুমেন্টে কোনো টেক্সট সহজে খুঁজে বের করুন।
2️⃣2️⃣ Ctrl + H – শব্দ খুঁজে পরিবর্তন করুন
👉 Find and Replace অপশন চালু হবে।
2️⃣3️⃣ Ctrl + K – হাইপারলিংক যুক্ত করুন
👉 ওয়েবসাইট বা অন্য ফাইলে লিংক দিন।
2️⃣4️⃣ Ctrl + = – লেখা নিচে নামান (Subscript)
👉 যেমন: H₂O
2️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + + – লেখা ওপরে তুলুন (Superscript)
👉 যেমন: X²
2️⃣6️⃣ Ctrl + Shift + L – Bullet List তৈরি করুন
👉 তথ্য বা পয়েন্ট সাজানোর জন্য।
2️⃣7️⃣ Alt + Shift + D – বর্তমান তারিখ ঢোকান
👉 Date Insert হবে।
2️⃣8️⃣ Alt + Shift + T – বর্তমান সময় ঢোকান
👉 Time Insert হবে।
2️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + N – সাধারণ স্টাইল অ্যাপ্লাই করুন
👉 ডিফল্ট Paragraph স্টাইল ব্যবহার।
3️⃣0️⃣ Ctrl + Q – প্যারাগ্রাফ ফরম্যাট রিসেট
👉 ইনডেন্ট বা অ্যালাইনমেন্ট মুছে ফেলুন।

🖱️ ৩১–৪০
3️⃣1️⃣ Ctrl + Shift + >/< – ধাপে ধাপে ফন্ট সাইজ বড়/ছোট করুন
👉 বারবার বাড়ানোর জন্য।
3️⃣2️⃣ Ctrl + Del – পরবর্তী শব্দ মুছুন
👉 একসাথে পুরো শব্দ ডিলিট।
3️⃣3️⃣ Ctrl + Backspace – পূর্ববর্তী শব্দ মুছুন
👉 দ্রুত শব্দ মুছতে কার্যকর।
3️⃣4️⃣ Ctrl + Enter – নতুন পেজ শুরু করুন
👉 Page Break দিতে।
3️⃣5️⃣ Shift + Enter – নতুন লাইন শুরু করুন (প্যারাগ্রাফ ছাড়াই)
👉 যেমন এক লাইন নিচে নামতে।
3️⃣6️⃣ Ctrl + Tab – ট্যাব স্পেস দিন
👉 Bullet বা Table-এর ভেতর ব্যবহৃত হয়।
3️⃣7️⃣ Ctrl + 1 – Single Line Spacing
👉 লাইনের মাঝে কম স্পেস।
3️⃣8️⃣ Ctrl + 2 – Double Line Spacing
👉 লাইনের মাঝে বেশি স্পেস।
3️⃣9️⃣ Ctrl + 5 – 1.5 Line Spacing
👉 মাঝামাঝি স্পেসিং।
4️⃣0️⃣ Ctrl + Shift + E – Track Changes চালু/বন্ধ করুন
👉 কে কী পরিবর্তন করছে সেটা ট্র্যাক করুন।

📌 ৪১–৫০
4️⃣1️⃣ Ctrl + Alt + V – স্পেশাল পেস্ট অপশন
👉 কপি করা কন্টেন্ট নির্দিষ্টভাবে পেস্ট করুন।
4️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + F – ফন্ট পরিবর্তন
👉 ফন্ট টাইপ সিলেক্ট করার জন্য ডায়ালগ বক্স।
4️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + P – ফন্ট সাইজ পরিবর্তন
👉 ফন্ট সাইজ সেটিং খুলবে।
4️⃣4️⃣ Alt + Ctrl + 1 – Heading 1 স্টাইল
👉 ডকুমেন্টে টাইটেল দিতে।
4️⃣5️⃣ Alt + Ctrl + 2 – Heading 2
👉 সাব-টাইটেল বা সেকশন হেডিং।
4️⃣6️⃣ Alt + Ctrl + 3 – Heading 3
👉 আরও সাব-সেকশন।
4️⃣7️⃣ Ctrl + M – প্যারাগ্রাফ ইনডেন্ট
👉 প্যারাগ্রাফ একটু ডানে সরান।
4️⃣8️⃣ Ctrl + T – Hanging Indent
👉 প্রথম লাইন বামে, বাকিগুলো ইনডেন্টেড।
4️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + T – ইনডেন্ট কমান
👉 Ctrl + M এর বিপরীত।
5️⃣0️⃣ F7 – Spelling & Grammar Check
👉 বানান ভুল ও গ্রামার চেক করুন।
✅ ৫১–৭০: অতিরিক্ত শর্টকাটস
5️⃣1️⃣ Ctrl + Shift + C – ফরম্যাট কপি করুন
👉 একটি লেখার ফরম্যাট (Bold, Color, Size ইত্যাদি) কপি করে নিন।
5️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + V – ফরম্যাট পেস্ট করুন
👉 কপি করা ফরম্যাট অন্য লেখায় প্রয়োগ করুন।
5️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + S – স্টাইল নির্বাচন বক্স
👉 লেখার জন্য প্রস্তুতকৃত স্টাইল দ্রুত সিলেক্ট করুন।
5️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + N – Normal স্টাইল প্রয়োগ
👉 লেখার স্টাইল রিসেট করে Default-এ নিয়ে আসে।
5️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + W – শুধু শব্দে Underline
👉 শব্দের মাঝখানে ফাঁকা অংশে দাগ থাকে না।
5️⃣6️⃣ Ctrl + Shift + D – ডাবল আন্ডারলাইন
👉 লেখার নিচে দুইটি দাগ যুক্ত হয়।
5️⃣7️⃣ Ctrl + Alt + S – উইন্ডো স্প্লিট করুন
👉 এক Word ডকুমেন্টকে দুইভাগে ভাগ করে একসাথে কাজ করুন।
5️⃣8️⃣ Ctrl + Alt + M – মন্তব্য যুক্ত করুন (Comment)
👉 রিভিউ বা নোট দিতে কাজে আসে।
5️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + E – Track Changes চালু/বন্ধ
👉 পরিবর্তনগুলো কে করেছে তা ট্র্যাক রাখে।
6️⃣0️⃣ Alt + Ctrl + I – প্রিন্ট প্রিভিউ
👉 প্রিন্টের আগে দেখতে চান? এই শর্টকাট চাপুন।
6️⃣1️⃣ Alt + Shift + P – পেজ নাম্বার দিন
👉 স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃষ্ঠা নম্বর ঢোকান।
6️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + G – Word Count দেখুন
👉 কত শব্দ, অক্ষর বা লাইন আছে তা জানুন।
6️⃣3️⃣ Ctrl + F1 – Ribbon বার লুকান বা দেখান
👉 উপরের মেনু হাইড বা শো করতে পারেন।
6️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + H – Hidden Text
👉 লেখা হাইড করতে এই অপশন।
6️⃣5️⃣ Ctrl + Alt + 1, 2, 3 – Heading Level 1, 2, 3
👉 ডকুমেন্টে হায়ারার্কিক স্টাইল দিতে খুব দরকারি।
6️⃣6️⃣ Ctrl + Left/Right Arrow – শব্দ ধরে ধরে যান
👉 প্রতিবার একটি শব্দ করে কার্সার সরান।
6️⃣7️⃣ Ctrl + Up/Down Arrow – প্যারাগ্রাফ ধরে নেভিগেট
👉 প্রতিবার একটি প্যারাগ্রাফ করে উপরে/নিচে যান।
6️⃣8️⃣ Ctrl + Home – ডকুমেন্টের শুরুতে যান
👉 এক ক্লিকে একেবারে ওপরে চলে যান।
6️⃣9️⃣ Ctrl + End – ডকুমেন্টের একেবারে শেষে
👉 স্ক্রল না করে সোজা নিচে চলে যান।
7️⃣0️⃣ Alt + Shift + →/← – লিস্ট লেভেল পরিবর্তন
👉
📢 শেয়ার করুন – আপনার বন্ধু, সহকর্মী বা শিক্ষার্থীদের কাজে আসবে।

17/03/2024

NTRCA কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন ও সুযোগ সুবিধা
হলো:

NTRCA - Non-Government Teachers Registration & Certification Authority

Ⓜ️১. লেকচারারঃ কলেজ (নবম গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ২২,০০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বোমোটঃ ২৩,৫০০/=✅

🗣️১০ বছর পরে অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর হলে
• মূল বেতন ৩৫,০০০/=
• বাড়িভাড়া ১০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা ৫০০/=
সর্বমোট ৩৬,৫০০/=✅

🗣️প্রিন্সিপাল হলে
• বেতন ৫০,০০০/=
• বাড়িভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ৫১,৫০০/= ✅

Ⓜ️২. সহকারী শিক্ষকঃ স্কুল (এগারো গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ১২,৫০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১৪,০০০/=✅

🗣️যদি বিএড ডিগ্রি থাকে তাহলে দশম গ্রেড হবে তার, তখন বেতন হবে -
• মূল বেতন ১৬,০০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১৭,৫০০/=✅

🗣️নোটঃ শুরুর দিকে বিএড করার জন্য ৫ বছর সময় দেয়।এবং ১০ বছর দশম গ্রেডে চাকুরি করার পর সিনিয়র শিক্ষকে উন্নিত হবেন (নবম গ্রেডে)

Ⓜ️৩. জুনিয়র শিক্ষকঃ ইস্কুল-২ (ষোল গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ৯,৩০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১০,৮০০/=✅

♐ উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ২৫% করে ২ টা উৎসব ভাতা পাবেন।

♐ মূল/বেসিক বেতনের ২০% বৈশাখি ভাতা পাবেন বছরে একবার।

♐ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির জন্য জুলাই মাসে বেসিকের ৫% একটা ভাতা দেয়া হয়।

♐এছাড়া কিছু স্কুল-কলেজ (সংখ্যাটা খুবই সামান্য) ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বাৎসরিক যে বেতন+ফিস নেয় তা খরচ করার পরেও যদি স্কুল/কলেজ ফান্ডে টাকা বেচে যায় তা শিক্ষকদের মধ্যে ভাগ করে দেন।

♐ উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ৫% ইনক্রিমেন্ট পান।

02/01/2024

জেনে নিন.....
➲ ১মিলিয়ন=১০লক্ষ
➲ ১কোটি=১০মিলিয়ন
➲ ১বিলিয়ন=১০০কোটি
➲ ১ট্রিলিয়ন=১লক্ষ কোটি
➲ ১৭৬০গজ=১মাইল
➲ ১ইঞ্চি=২.৫৪সে.মি.
➲ ১ মাইল=১.৬১ কি.মি.
➲ ০.৬২মাইল = ১ কি.মি.
➲ ৬ফুট = ১ ফ্যাদম
➲ ১ বর্গহাত = ১গন্ডা
➲ ২০গন্ডা = ১ছটাক
➲ ১৬ছটাক = ১কাঠা
➲ ২০কাঠা = ১বিঘা
➲ ১৪৪বর্গইঞ্চি = ১বর্গফুট
➲ ৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ
➲ ৪৮৪০বর্গগজ = ১একর
➲ ১০০শতক = ১একর
➲ ৬৪০একর = ১বর্গমাইল
➲ ২৪৭ একর = ১বর্গকিমি
➲ ১০০০০বর্গমি = ১০০এয়র
➲ ১৬ আউন্স = ১পাউন্ড
➲ ২৮ পাউন্ড = ১কোয়ার্টার
➲ ৪কোয়ার্টার = ১ হন্দর
➲ ২০হন্দর = ১বৃটিশ টন
➲ ১০০কিলোগ্রাম = ১কুইন্টাল
➲ ১০০০কিলোগ্রাম = ১মেট্রিক টন
➲ ১পাউন্ড = ০.৪৫৩৬কেজি
➲ ১কেজি = ২.২পাউন্ট=১.০৭সের
➲ ১সের = ০.৯৩কিলোগ্রাম
➲ ১মিটার = ৩৯.৩৭ইঞ্চি
➲ ১২ইঞ্চি = ১ফুট
➲ ৩ফুট = ১গজ
➲ ৭.৯২ ইঞ্চি = ১ লিংক
➲ ২৫ লিংক = ১ রড
➲ ৪ রড = ১মাইল
➲ ১০ চেইন = ১ফার্লং
➲ ৮ ফার্লং = ১মাইল
➲ ৯ বর্গফুট = ১বর্গগজ
➲ ১৬০০বর্গগজ = ১বিঘা
➲ ৮০বর্গগজ = ৭২০বর্গফুট = ১কাঠা
➲ ৫বর্গগজ = ১ছটাক
➲ ৪০ কেজি =১ মন
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
❍ ১ পক্ষ = ১৫ দিন;
❍ ১ মাস = ২ পক্ষ
❍ ১ মাস = ৪ সপ্তাহ;
❍ ১ মাস = ৩০ দিন
❍ ১ ঋতু = ২ মাস = ৪ পক্ষ = ৮ সপ্তাহ = ৬০ দিন
❍ ১ বছর = ১২ মাস = ২৪ পক্ষ = ৩৬৫ দিন = ৫২ সপ্তাহ
❍ ১ অধিবর্ষ = ৩৬৬ দিন
❍ ১ যুগ = ১২ বছর ;
❍ ১ অর্ধযুগ = ৬ বছর;
❍ ১ অর্ধ-শতাব্দী = ৫০ বছর ;
❍ ১ শতাব্দী = ১০০ বছর
❍ ১ কুড়ি = ২০টি
❍ ১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
❍ ১ ভরি = ১৬ আনা ;
❍ ১ আনা = ৬ রতি
❍ ১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
❍ ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
❍ ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
❍ ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
❍ ১ লিটার = ১০০০ সিসি
❍ ১ মণ = ৪০ সের
❍ ১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
❍ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ)
❍ 1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
❍ 1 কি.মি. = 0..62
❍ 1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
❍ 1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
❍ 1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
❍ 1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
❍ 1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
❍ 1 পাউন্ড = 16 আউন্স
❍ 1 গজ= 3 ফুট ;
❍ 1 একর = 100 শতক
❍ 1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য
১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য
১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০,০০০ = ১+১২ শূন্য
১ কোয়াড্রিলিয়ন(Quadrillion) = ১০০০ ট্রিলিয়ন=১০০০ লক্ষ কোটি= ১ + ১৫ টা শূন্য
১ কুইন্টিলিয়ন(Quintillion) = ১০০০ কোয়াড্রিলিয়ন = ১০ হাজার কোটি কোটি=১+১৮ টা শূন্য
সেক্সটিলিয়ন(Sextillion) = ১ এর পর ২১ টা শূন্য
সেপটিলিয়ন(Septillion) = ১+২৪ শূন্য
অক্টিলিয়ন(Octillion) = ১+২৭ শূন্য
ননিলিয়ন(Nonillion) = ১+৩০ শূন্য
ডেসিলিয়ন(Decillion) = ১ + ৩৩ শূন্য
আনডেনিলিয়ন(Undecillion) = ১+৩৬ শূন্য
ডুওডেসিলিয়ন(Duodecillion) = ১+৩৯ শূন্য
ট্রেডেসিলিয়ন(Tredecillion) = ১+৪২ শূন্য
কোয়াটোওরডেসিলিয়ন(Quattuordecillion) = ১+৪৫ শূন্য
কুইনডেসিলিয়ন(Quindecillion) = ১+৪৮ শূন্য
সেক্সডেসিলিয়ন(Sexdecillion) = ১+৫১ শূন্য
সেপ্টেনডেসিলিয়ন(Septendecillion) = ১+৫৪ শূন্য
অক্টোডেসিলিয়ন(Octodecillion) = ১+৫৭ শূন্য
নভেমডেসিলিয়ন(Novemdecillion) = ১০^৬০
ভিজিন্টিলিয়ন(Vigintillion) = ১০^৬৩

01/01/2024
02/12/2023

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি এবং পঞ্চপান্ডব
[আমার পঞ্চপান্ডব নিয়ে করা পোস্টে যারা আমাকে গালি দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ। গালি দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে আপনি আপনার পরিবারের কুলাঙ্গার সন্তান। এরপর গালি দেওয়ার আগে জেনে শুনে গালি দিবেন তাহলে বেশি খুশি হবো।] আপনারা সবাই আমাকে পছন্দ করেন না সেটা আমি জানি। আপনারা সবাই আমাকে পছন্দ করেন এটাও আমি চাই না।] যেহোক, বাংলা সাহিত্যের কবিদলকে একটু জেনে নিন এবং ইংরেজি সাহিত্যে কবিদলের নামগুলি লিখুন। আগামী পোস্টে সেটি নিয়ে লিখবো।]
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি এবং পঞ্চপান্ডব রয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি
একই সাথে গীতিকার, সুরকার এবং গায়ক ছিলেন আধুনিক যুগের এমন পাঁচজন কবিকে একসাথে বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবি বলা হয়। তারা হচ্ছেন-
1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
2. কাজী নজরুল ইসলাম
3. রজনীকান্ত সেন
4. অতুলপ্রসাদ সেন
5. এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
অনেকে আবার পঞ্চকবি এবং পঞ্চপান্ডবকে গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখার একটি পদ্ধতি হচ্ছে কবিদের মাঝে ঠাকুরমশাই নিজেই আছেন, আর, পান্ডবেরা তার বলয় থেকে মুক্ত। আপনারা চাইলে অন্য যেকোন পদ্ধতিতে মনে রাখতে পারেন।

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডব
পঞ্চপান্ডব বলে পরিচিত কবিরা রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় রবীন্দ্র বলয়ের বাইরে গিয়ে কবিতা রচনা করেছিলেন। এই পাঁচজন কবি হচ্ছেন-
1. অমিয় চক্রবর্তী,
2. জীবনানন্দ দাশ,
3. বিষ্ণু দে এবং
4. বুদ্ধদেব বসু,
5. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।
তারা সবাই কল্লোল পত্রিকায় লিখতেন। এই পঞ্চপান্ডবেরাই আধুনিক বাংলা কবিতার সূচনা করেছিলেন। শুধু রবীন্দ্রবলয়ের কথা বললে তাদেরকে খাটো করে দেখা হবে, মৌলিকত্ব এবং মাণে তাদের রচনা সত্যিই অসাধারণ ছিলো।
যেভাবে মনে রাখবেন: #সুধীন্দ্রনাথের #বুদ্ধিতে #অমিয়_চক্রবর্তী #জীবনানন্দ_দাশকে #বিষ খাইয়ে দিল।
#সুধীন্দ্রনাথের - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত,
#বুদ্ধিতে - বুদ্ধদেব বসু,
#অমিয়_চক্রবর্তী - অমিয় চক্রবর্তী,
#জীবনানন্দ_দাশকে - জীবনানন্দ দাশ
#বিষ- বিষ্ণু দে
[মহাভারতের পঞ্চপান্ডব
মহাভারতের পঞ্চপান্ডব ছিলেন পাণ্ডুর পাঁচ পুত্র- যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল এবং সহদেব। মুনি দুর্বাসার দেয়া বর কাজে লাগিয়ে কুন্তি ও মাদ্রী সন্তান লাভ করেছিলেন। পাণ্ডুর ক্ষেত্রজ পুত্র ছিলেন তারা পাঁচজন, যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল তাদেরই পিতৃকূলজাত ভাই, ১০০ জন কৌরব। তারা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন।]
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডব

1. অমিয় চক্রবর্তী
কবিদের কবি অমিয় চক্রবর্তী জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯০১ সালে। তিনি ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন, রবীন্দ্রনাথের, মহাত্মা গান্ধীর এবং একজন আমেরিকান লেখক থমাস মেট্রনের। তিনি হাওয়ার্ড, বোস্টন এবং আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য এবং প্রাচ্য ধর্ম বিষয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি সান্নিধ্যে এসেছিলেন আইনস্টাইন, বার্নার্ড শ, রবার্ট ফ্রস্ট প্রমুখের। পিঁপড়ে কবিতায় তিনি লিখেছিলেন-
আহা পিঁপড়ে ছোটো পিঁপড়ে ঘুরুক দেখুক থাকুক
কেমন যেন চেনা লাগে ব্যস্ত মধুর চলা —
স্তব্ধ শুধু চলায় কথা বলা —
আলোয় গন্ধে ছুঁয়ে তার ঐ ভুবন ভ’রে রাখুক,
আহা পিঁপড়ে ছোটো পিঁপড়ে ধুলোর রেণু মাখুক
2. বুদ্ধদেব বসু
বাংলা সাহিত্যে সত্যিকারের প্রতিভার অধিকারী বলে যদি কেউ থেকে থাকেন তিনি বুদ্ধদেব বসু, তার স্ত্রীর নাম ছিল প্রতিভা। প্রগতি এবং কল্লোল পত্রিকাকেন্দ্রীক কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ইংরেজী ভাষায় লিখে ইংল্যান্ড এবং আমেরিকা থেকেও প্রশংসা পেয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের বুদ্ধদেব বসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে নম্বর পেয়েছিলেন তা এখনো ঐ বিষয়ে সর্বোচ্চ(সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)। তিনি অনেকগুলো প্রেমের কবিতা লিখেছিলেন-
ওগো চপল-নয়না সুন্দরী
তোলো মোর পানে তব দুই আঁখি,
মম শিয়রের কাছে গুঞ্জরি’
গাও সকল অগীত সঙ্গীতে
কল্লোযুগের সূচনাকারী কল্লোল পত্রিকায় পনেরো বছর বয়সে বুদ্ধদেবের কবিতা ছাপা হয়েছিলো। বাংলা কবিতায় আধুনিক কাঠামো প্রবেশ করাতে তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
3. জীবনানন্দ দাস
জীবনানন্দ দাসকে অনেক নামেই ডাকা হয়- রুপসী বাংলার কবি, প্রকৃতির কবি, নির্জনতম কবি, শুদ্ধতম কবি নানা অভিধায় নানা সময়ে তাকে ভূষিত করা হয়েছে। চরম দারিদ্র্যের মাঝে সময় কাটানো এই বরিশাইল্যা মৃত্যুর পরে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন।
এখন পর্যন্ত তার জনপ্রিয়তার কমতি নেই। বাংলা কবিতার জগত জীবনানন্দ দাসকে ছাড়া অপূর্ণতায় ভোগে। কবিতার কথা জীবনানন্দ দাসের লেখা একটি প্রবন্ধ। এছাড়া গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস তিনি লিখেছিলেন।
তার মা কুসুমকুমারী দাসের লেখা আদর্শ ছেলে কবিতাটি এখনও শিশুদের অবশ্যপাঠ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। জীবনানন্দ লিখেছিলেন,
আমার এ-গান
কোনোদিন শুনিবে না তুমি এসে—
আজ রাত্রে আমার আহ্বান
ভেসে যাবে পথের বাতাসে,
তবুও হৃদয়ে গান আসে।
4. বিষ্ণু দে
পটলডাঙার বিষ্ণু দে ছিলেন একজন কবি ও চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্যপুরষ্কার ‘জ্ঞানপীঠ’ লাভ করেছিলেন। বেটোফেনের নাইন্থ সিম্ফনির মূর্ছনায় প্রণতি রায়চৌধুরীর সাথে তার প্রণয় ঘটেছিল। তিনিও ছিলেন কল্লোল পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক।
বামপন্থী দর্শন এবং টি এস এলিয়টের ভক্ত বিষ্ণু দে মাও সে তুঙের কবিতাও অনুবাদ করেছিলেন। সোভিয়েত ল্যান্ড এওয়ার্ড পাওয়া এই ব্যক্তি ছবিও আঁকতেন। তিনি লিখেছিলেন-
সে কবে গেয়েছি আমি তোমার কীর্তনে
কৃতার্থ দোহার |
পদাবলী ধুয়ে গেছে অনেক শ্রাবণে ;
স্মৃতি আছে তার |
5. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
বাংলা কবিতায় ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। কল্লোল যুগের অন্যতম কবি ছিলেন সুধীন্দ্রনাথ। জীবনানন্দ দাস তাকে আধুনিক বাংলা কাব্যের নিরাশাকরোজ্জল চেতনা বলেছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়াশোনা করার সময়ে কোন পরীক্ষাই তিনি দেন নি।
এর আগে অবশ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর পত্রিকা সবুজপত্র সম্পাদনার কাজও তিনি করেছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি পরিচয় পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। যাদবপুর এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অধ্যাপনা করেছেন। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত লিখেছিলেন-
তবু রবে অন্তশীল স্বপ্রতিষ্ঠ চৈতন্যের তলে
হিতবুদ্ধি হন্তারক ক্ষণিকের এ আত্মবিস্মৃতি;
তোমারই বিমূর্ত প্রশ্ন জীবনের নিশীথ বিরলে
প্রমাণিবে মূল্যহীন আজন্মের সঞ্চিত সুকৃতি

Address

Dhaka

Telephone

+8801987366530

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SONAR Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SONAR Bangla:

Share

Category