চিরায়ত বই -Chirayato Boi

Directions

চিরায়ত বই -Chirayato Boi 📖 সুলভ মূল্যে মানসম্মত বই 📖

☎️ 01616731718

31/05/2024
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Farhana Gulshan Luna, Maksudur Rahman Monju, মেহসানা আনসা...
12/12/2023

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Farhana Gulshan Luna, Maksudur Rahman Monju, মেহসানা আনসারী, Tasnim Hasan, নীলাম্বরী নীল, অনিকেত হৈমন্তী

হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লে...
13/11/2023

হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। সত্তর দশকের শেষভাগে থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তাঁর সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীও তাঁর সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত। ধরা হয় বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনপ্রিয়তা তিনি শুরু করেন। তাঁর রচিত প্রথম সায়েন্স ফিকশন "তোমাদের জন্য ভালোবাসা" তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহ পেয়েছে অসামান্য দর্শকপ্রিয়তা। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলি ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশী না হলেও তাঁর রচিত গানগুলোও সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। তাঁর নির্মিত কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেঁটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। লেখালিখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাঁকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।
হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার কেন্দুয়ার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শহিদ ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট।
টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শক-নন্দিত নাটক রচনার পর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে শ্রাবণ মেঘের দিন ও ২০০১ সালেদুই দুয়ারী চলচ্চিত্র দুটি প্রথম শ্রেনীর দর্শকদের কাছে দারুন গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মান করেন চন্দ্রকথা নামে একটি চলচ্চিত্র। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মান করেন শ্যামল ছায়া চলচ্চিত্রটি। এটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এছাড়াও চলচ্চিত্রটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। তাঁর সব চলচ্চিত্রে তিনি নিজে গান রচনা করেন। ২০০৮-এ আমার আছে জল চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেন। ২০১২ সালে তাঁর পরিচালনার সর্বশেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (চলচ্চিত্র)।
এছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে ২০০৬ সালে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত দুরত্ব, বেলাল আহমেদ পরিচালিত নন্দিত নরকে এবং আবু সাইদ পরিচালিত নিরন্তর। ২০০৭-এ শাহ আলম কিরণ পরিচালিত সাজঘর এবং তৌকির আহমেদ নির্মাণ করেন বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দারুচিনি দ্বীপ।
আজ তার জন্মবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

অনাহারে মৃত্যু এই প্রথম,এর আগে কেউ জানত না বা বিশ্বাসও করেনি যে অনাহারে আবার মানুষ মরতে পারে।এত ফল থাকতে গাছে গাছে, নদীর...
18/10/2023

অনাহারে মৃত্যু এই প্রথম,এর আগে কেউ জানত না বা বিশ্বাসও করেনি যে অনাহারে আবার মানুষ মরতে পারে।
এত ফল থাকতে গাছে গাছে,
নদীর জলে এত মাছ থাকতে,

বইঃ অশনি-সংকেত
কবিঃবিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বইটি পড়ে খুব ভালো লাগলো।চাইলে আপনারা পড়তে পারেন।

কামিনী রায় একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ...
11/10/2023

কামিনী রায় একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রীধারী ব্যক্তিত্ব। তিনি একসময় "জনৈক বঙ্গমহিলা" ছদ্মনামে লিখতেন।
কামিনী রায়ের জন্ম বাংলাদেশের বাকেরগঞ্জের বাসণ্ডা গ্রামে । তাঁর পিতা চন্ডীচরণ সেন একজন ব্রাহ্মধর্মাবলম্বী, বিচারক ও ঐতিহাসিক লেখক ছিলেন।
স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পর ১৮৮৬ সালেই তিনি বেথুন কলেজের স্কুল বিভাগে শিক্ষয়িত্রীর পদে নিযুক্ত হন। পরবর্তীকালে তিনি ঐ কলেজে অধ্যাপনাও করেছিলেন। যে যুগে মেয়েদের শিক্ষাও বিরল ঘটনা ছিল, সেই সময়ে কামিনী রায় নারীবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর অনেক প্রবন্ধেও এর প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি নারী শ্রম তদন্ত কমিশন (১৯২২-২৩) এর সদস্য ছিলেন।
শৈশবে তাঁর পিতামহ তাঁকে কবিতা ও স্তোত্র আবৃত্তি করতে শেখাতেন। এভাবেই খুব কম বয়স থেকেই কামিনী রায় সাহিত্য রচনা করেন ও কবিত্ব-শক্তির স্ফূরণ ঘটান। তাঁর জননীও তাঁকে গোপনে বর্ণমালা শিক্ষা দিতেন। কারণ তখনকার যুগে হিন্দু পুরমহিলাগণের লেখাপড়া শিক্ষা করাকে একান্তই নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।[১] মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে তিনি কবিতা লিখতেন। রচিত কবিতাগুলোতে জীবনের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, আনন্দ-বেদনার সহজ-সরল ও সাবলীল প্রকাশ ঘটেছে।[৩] পনের বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ খ্রীস্টাব্দে। এ গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রথমে এতে গ্রন্থকর্ত্রী হিসেবে কামিনী রায়ের নাম প্রকাশিত হয় নাই। গ্রন্থটি প্রকাশিত হলে তাঁর কবিখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - আলো ও ছায়া (১৮৮৯), নির্মাল্য (১৮৯১), পৌরাণিকী (১৮৯৭), মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩), অশোক সঙ্গীত (সনেট সংগ্রহ, ১৯১৪), অম্বা (নাট্যকাব্য, ১৯১৫), দীপ ও ধূপ (১৯২৯), জীবন পথে (১৯৩০), একলব্য, দ্রোণ-ধৃষ্টদ্যুম্ন, শ্রাদ্ধিকী।
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাশ্বেতা ও পুণ্ডরীক তাঁর দুটি প্রসিদ্ধ দীর্ঘ কবিতা। এছাড়াও, ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের জন্য গুঞ্জন নামের কবিতা সংগ্রহ ও প্রবন্ধ গ্রন্থ বালিকা শিক্ষার আদর্শ রচনা করেন।

কামিনী রায় সব সময় অন্য সাহিত্যিকদের উৎসাহ দিতেন। ১৯২৩ খ্রীস্টাব্দে তিনি বরিশাল সফরের সময় কবি সুফিয়া কামালকে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করতে বলেন।
আজ তার জন্মবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

চিন্ময় কুমার ঘোষ (শ্রী চিন্ময় নামে বেশি পরিচিত, ২৭ আগস্ট, ১৯৩১ – ১১ অক্টোবর, ২০০৭), ছিলেন একজন মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের ...
10/10/2023

চিন্ময় কুমার ঘোষ (শ্রী চিন্ময় নামে বেশি পরিচিত, ২৭ আগস্ট, ১৯৩১ – ১১ অক্টোবর, ২০০৭), ছিলেন একজন মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক। ১৯৬৪ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটি চলে যান এবং সেখানে যোগ ধর্ম চর্চা শুরু করেন। চিন্ময় নিউ ইয়র্কের কুইন্স শহরে প্রথম মেডিটেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরে ৬০টি দেশে তার অনুসারীর পরিমাণ দাড়ায় ৭,০০০। এছাড়া লেখক, শিল্পী, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে তিনি বিভিন্ন কনসার্ট ও মেডিটেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দৌড়, সাঁতার ও ভার উত্তোলনের মত আথলেটিকের সাথেও জড়িত ছিলেন। তিনি ম্যারাথন ও অন্যান্য দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন এবং তিনি নিজেও দৌড়বিদ ছিলেন। পরবর্তীতে হাঁটুতে আঘাতপ্রাপ্ত হলে ভার উত্তোলনে মনোনিবেশ করেন।
চিন্ময় ১৯৩১ সালের ২৭ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। ১৯৪৩ সালে অসুস্থতার কারণে তার পিতা মৃত্যুবরণ করেন এবং এর কয়েক মাস পর তার মাও মারা যান। ১৯৪৪ সালে ১২ বছর বয়সী চিন্ময় শ্রী অরবিন্দ আশ্রমে তার ভাই ও বোনদের কাছে চলে যান। সেখানে তার বড় ভাই হৃদয় ও চিত্ত আগেই ছিল।
আশ্রমে তিনি পরবর্তী ২০ বছর বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কার্যক্রম, যেমন ধ্যান, বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য অধ্যয়ন, ও আশ্রমের কাজ করেন। চিন্ময় প্রায় আট বছর আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক নলিনী কান্ত গুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। তিনি তার লেখাগুলো বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিতেন।
চিন্ময় ১৯৭৪ সালে কানাডার অত্তাওয়া ভ্রমণকালে অঙ্কন শুরু করেন। তিনি তার এই শিল্পকর্মের নাম দেন ঝর্ণা কলা। তার শিল্পকর্মের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে বৈশ্বিক একাত্মতা ও বৈশ্বিক শান্তি।
তার শিল্পকর্ম প্যারিসের ল্যুভ্র সংগ্রহালয় ও ইউনেস্কোর অফিস, লন্ডনের ভিক্টোরিয়া মিউজিয়াম, আলবার্ট মিউজিয়াম ও মল গ্যালারি, সাংক্‌ত পিতেরবুর্গের মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট, নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিদ্যমান।
চিন্ময়ের অনুসারীদের মতে, তিনি বাংলায় এবং ইংরেজি ভাষায় গীতসহ সহস্রাধিক সঙ্গীতের সুর করেছেন। তার মধ্যে অনেকগুলো গান গীত ও পান্ডুলিপি আকারে শ্রী চিন্ময়ের গান এবং অডিও আকারে রেডিও শ্রী চিন্ময়ে প্রকাশিত হয়। তিনি জ্যামাইকাতে দুইটি গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ১৯৭৬ সালে মিউজিক ফর মেডিটেশন নামে একটি ফোকওয়ে রেকর্ডস অ্যালবাম প্রকাশ করেন।
শ্রী চিন্ময় সেন্টার অনুসারে, চিন্ময় ১২০,০০০ এর অধিক কবিতা লিখেছেন। এর মধ্যে অনেকগুলো কবিতা হল সুক্তির মত - ছোট কিন্তু পুর্ণাঙ্গ ছত্র, যেমন "আমরা সত্যই অসীম, যদি আমরা চেষ্টা করার সাহস করি এবং আস্থা রাখি"। চিন্ময় ধ্রুপদী ধাঁচের কাব্যের কয়েকটি ভলিউম প্রকাশ করেন। ২০০১ সালে চিন্ময় জাতিসংঘে "ডায়লগ অ্যামং সিভিলাইজেশন্স থ্রো পোয়েট্রি"র প্রচারণা হিসেবে তার কবিতা আবৃতি করেন। ২০১০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের গভর্নর ডেভিড প্যাটারসন ৯/১১ এর নবম বার্ষিকীতে আশা নিয়ে রচিত চিন্ময়ের তিনটি কবিতা আবৃতি করেন।
চিন্ময় কুমার ঘোষ-এর গ্রন্থসমূহ হল-
• ইয়োগা অ্যান্ড দ্য স্প্রিরিচুয়াল লাইফ (১৯৭৪, অম পাবলিকেশন্স)
• দ্য ইনার প্রমিজ: পাথ্‌স টু সেলফ পারফেকশন (১৯৭৪, ওয়াইল্ডউড হাইজ)
• সমাধি অ্যান্ড সিদ্ধি: দ্য সামিট্‌স অফ গড লাইফ (১৯৭৪, অম পাবলিকেশন্স)
• দ্য ড্যান্স অফ লাইফ - ভলিউম ১ -২০ (১৯৭৪, অগ্নি প্রেস)
• অ্যাস্ট্রোলজি, দ্য সুপারন্যাচারাল অ্যান্ড দ্য বিয়োন্ড (১৯৭৫, অম পাবলিকেশন্স)
• এভারেস্ট অ্যাস্পায়ারেশন (১৯৭৭, অম পাবলিকেশন্স)
• দ্য সোল্‌স এভলূশন (১৯৭৭, অগ্নি প্রেস)
• ইনার অ্যান্ড আউটার পিস (১৯৮৪, পিস পাবলিশিং)
• দ্য মাস্টার অ্যান্ড দ্য ডিসাইপল - ইনসাইট্‌স ইনটু দ্য গুরু-ডিসাইপল রিলেশনশিপ (১৯৮৫, অগ্নি প্রেস)
• অ্যা চাইল্ড্‌স হার্ট অ্যান্ড অ্যা চাইল্ড্‌স ড্রিমস (১৯৮৬, অম পাবলিকেশন্স)
• বিয়োন্ড উইদিন (১৯৮৮, অগ্নি প্রেস)
• মেডিটেশন: ম্যান-পারফেকশন ইন গড-স্যাটিশফেকশন (১৯৮৯, অম পাবলিকেশন্স)
• অন উইংস অফ সিলভার ড্রিমস (১৯৯০, অম পাবলিকেশন্স)
• কুন্দলিনি: দ্য মাদার-পাওয়ার (১৯৯২, অম পাবলিকেশন্স)
• গার্ডেন অফ দ্য সোল (১৯৯৪, হেলথ কমিউনিকেশন ইন.)
• মাই লাইফ্‌স সোল-জার্নি (১৯৯৪, অম পাবলিকেশন্স)
• গড ইজ... (১৯৯৭, অম পাবলিকেশন্স)
• দ্য উইংস অফ জয়: ফাইন্ডিং ইউওর পাথ টু ইনার পিস (১৯৯৭, সিমন অ্যান্ড শুস্টার)
• উইজডম অফ শ্রী চিন্ময় (২০০০, মতিলাল বানারসিদাশ পাব.)
• পাওয়ার উইদিন সিক্রেট্‌স অফ স্পিরিচুয়ালিতি অ্যান্ড অকাল্টিজম (২০০৭, গুরু নোকা পাবলিকেশন্স)
• হার্ট-গার্ডেন (২০০৭, নিউ হল্যান্ড পাবলিশিং)
• অ্যা সিলেকশন অফ সংস কম্পোজড বাই শ্রী চিন্ময়, ভলিউম ১ (২০০৯, শ্রী চিন্ময় সেন্টার)
• দ্য জুয়েলস অফ হ্যাপিনেস (২০১০, ওয়াটকিন্স পাবলিশিং)
• স্পোর্ট অ্যান্ড মেডিটেশন (২০১৩, দ্য গোল্ডেন শোর) (স্পেনীয় ভাষায়)
• জারদিন দেল আলমা (১৯৯৪, এডিটরিয়াল সিরিও)
কাব্য-
• দ্য ড্যান্স অফ লাইফ (১৯৭৩)
• দ্য উইংস অফ লাইট (১৯৭৪)
• টেন থাউজেন্ড ফ্লাওয়ার-ফ্লেমস - ১০০ ভলিউম (১৯৭৯-১৯৮৩, অগ্নি প্রেস)
• টোয়েন্টি সেভেন থাউজেন্ড অ্যাস্পায়ারেশনাল-প্ল্যান্টস - ২৭০ ভলিউম (১৯৮৩-১৯৯৮, অগ্নি প্রেস)
• সেভেন্টি সেভেন থাউজেন্ড সার্ভিস-ট্রীজ - ৫০ ভলিউম (১৯৯৮-২০০৭, অগ্নি প্রেস)
• মাই ক্রিসমাস নিউ ইয়ার ভেকেশন অ্যাস্পায়ারেশনাল-ট্রীজ - ৫১ ভলিউম (২০০০-২০০৭, অগ্নি প্রেস)
নাটক-
• শ্রী রামচন্দ্র (১৯৭৩)
• দ্য সিঙ্গার অফ দ্য ইটার্নাল বিয়োন্ড (১৯৭৩)
• সিদ্ধার্থ বিকামস দ্য বুদ্ধা (১৯৭৩)
• দ্য সন (১৯৭৩)
• লর্ড গৌরঙ্গ লাভ ইনকার্নেট (১৯৭৩)
• ড্রিংক, ড্রিংক, মাই মাদার্‌স নেক্টার (১৯৭৩)
• দ্য হার্ট অফ অ্যা হলি ম্যান (১৯৭৩)
• সুপ্রীম স্যাক্রিফাইস (১৯৭৩)
• দ্য ডিসেন্ট অফ দ্য ব্লু (১৯৭৪)
চিন্ময় প্রাপ্ত প্রধান প্রধান পুরস্কার ও সম্মাননাসমূহ হল:
• বিশ্ব সমদূত, ১৯৯০ সালে বৌদ্ধ ভিক্ষু কর্তৃক প্রদত্ত। শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে প্রথম অ-বৌদ্ধ যিনি এই পুরস্কার লাভ করেন।
• মহত্মা গান্ধী বিশ্ব ঐক্য পুরস্কার, ১৯৯৬ সালে ভারতীয় বিদ্যা ভবন থেকে মার্টিন লুথার কিংয়ের স্ত্রী করেটা স্কট কিংয়ের সাথে যৌথভাবে।
• ফ্রেড লেবো পুরস্কার, ১৯৯৬ সালে নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যারাথন পরিচালক অ্যালান স্টেনফেল্ড ও রোম ম্যারাথনের সভাপতি উমবের্তো সিল্‌ভেস্ট্রির হাত থেকে।
• হিন্দু অফ দ্য ইয়ার', ১৯৯৭ সালে এবং হিন্দু রেনেসাঁ পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন হিন্দুজম টুডে থেকে যোগ ব্যায়াম শিক্ষা প্রদানের জন্য।
• পিলগ্রিম অফ পিস পুরস্কার, ১৯৯৮ সালে 'ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অফ আসিসি ফর পিস অ্যামং পিপল্‌স' থেকে।
• মাদার তেরেসা পুরস্কার, ২০০১ সালে মেসিডোনিয়ার রাষ্ট্রপতি বরিস ত্রাজ্‌কোভস্কি কর্তৃক প্রদত্ত।
• মেডেল অফ অনার ফর দ্য কজ অফ পিস অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ অ্যামং ন্যাশনস, ২০০৪ সালে জাতিসংঘের ভিয়েতনামীয় রাষ্ট্রদূত লি লুওং কর্তৃক প্রদত্ত।
• অনারারি ডক্টরেট অফ হিউম্যানিটিজ ইন পিস স্টাডিজ, ২০০৫ সালে কম্বোডিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সায়েন্স কাউন্সিল কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত।
• ২০১২ ক্লাস অফ অনারিজ, আন্তর্জাতিক ম্যারাথন সাঁতার হল অফ ফেম, ৩৮ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড় হওয়ার জন্য শ্রী চিন্ময় ম্যারাথন দলকে।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

নীলিমা ইব্রাহিম হলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকির...
10/10/2023

নীলিমা ইব্রাহিম হলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।

১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা প্রফুল্লকুমার রায়চৌধুরী এবং মাতা কুসুমকুমারী দেবী।

নীলিমা ইব্রাহিম বরাবরই একজন মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সকল পরীক্ষায় তিনি কৃতিত্বের পরিচয় দেন। তিনি খুলনা করোনেশন বালিকা বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা (১৯৩৫), কলকাতা ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন থেকে আইএ (১৯৩৭) এবং স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বিএবিটি (১৯৩৯) পাস করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা বিষয়ে এম.এ (১৯৪৩) পাস করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম ‘বিহারীলাল মিত্র গবেষণা’ বৃত্তি লাভ করেন। একই বছর তিনি ইন্ডিয়ান আর্মি মেডিকেল কোরের ক্যাপ্টেন ডাক্তার মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ঢাকায় স্থায়িভাবে বসবাস করতে থাকেন। দীর্ঘকাল পরে ১৯৫৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘সামাজিক ও রাজনৈতিক পটভূমিকায় ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটক’। একই বছর তিনি ঢাকার আলিয়াঁসে ফ্রাঁসেস থেকে ইন্টারমিডিয়েট ইন ফ্রেন্স-এ ডিপ্লোমা লাভ করেন।

কর্মজীবনের শুরুতে নীলিমা ইব্রাহিম কলকাতার লরেটো হাউজে লেকচারার (১৯৪৩-৪৪) হিসেবে চাকরি করেন। তারপর দুবছর (১৯৪৪-৪৫) তিনি ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশনের লেকচারার ছিলেন। ১৯৫৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে যোগদান করেন এবং ১৯৭২ সালে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। তিনি বাংলা বিভাগের প্রধান (১৯৭১-৭৫), বাংলা একাডেমীর অবৈতনিক মহাপরিচালক (১৯৭৪-৭৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ (১৯৭১-৭৭)-এর দায়িত্বও পালন করেন।

নীলিমা ইব্রাহিম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমীর ফেলো এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি, বাংলাদেশ রেডক্রস সমিতি ও বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির জীবন সদস্য ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সভানেত্রী এবং কনসার্নড উইমেন ফর ফ্যামিলি প্ল্যানিং-এর বোর্ড অব গবর্নরসের চেয়ারপার্সন হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব উইমেন-এর সভানেত্রী এবং অ্যাসোসিয়েটেড কান্ট্রি উইমেন অব দি ওয়ার্লাল্ড-এর সাউথ ও সেন্ট্রাল এশিয়ার এরিয়া প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৬৮ সালে তিনি বার্লিন, মিউনিক ও ফ্রাংফুর্টে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক বিশ্বসমবায় সম্মেলন’-এ পূর্বপাকিস্তান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৭৩-এ নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক ওয়ান এশীয় সম্মেলন’-এ অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৪-এ তিনি মস্কোয় অনুষ্ঠিত ‘বিশ্বশান্তি কংগ্রেস’, হাঙ্গেরিতে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্বনারী বর্ষ’ এবং ১৯৭৫-এ মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্বনারী সম্মেলন’-এ যোগ দেন।

নীলিমা ইব্রাহিম বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তাঁর গ্রন্থবদ্ধ রচনাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: গবেষণা শরৎ-প্রতিভা (১৯৬০), বাংলার কবি মধুসূদন (১৯৬১), ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলা নাটক (১৯৬৪), বাংলা নাটক : উৎস ও ধারা (১৯৭২), বেগম রোকেয়া (১৯৭৪), বাঙ্গালীমানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৮৭), সাহিত্য-সংস্কৃতির নানা প্রসঙ্গ (১৯৯১); ছোটগল্প রমনা পার্কে (১৯৬৪); উপন্যাস বিশ শতকের মেয়ে (১৯৫৮), এক পথ দুই বাঁক (১৯৫৮), কেয়াবন সঞ্চারিণী (১৯৬২), বহ্নিবলয় (১৯৮৫); নাটক দুয়ে দুয়ে চার (১৯৬৪), যে অরণ্যে আলো নেই (১৯৭৪), রোদ জ্বলা বিকেল (১৯৭৪), সূর্যাস্তের পর (১৯৭৪); কথানাট্য আমি বীরাঙ্গনা বলছি (২ খন্ড ১৯৯৬-৯৭); অনুবাদ এলিনর রুজভেল্ট (১৯৫৫), কথাশিল্পী জেমস ফেনিমোর কুপার (১৯৬৮), বস্টনের পথে (১৯৬৯); ভ্রমণকাহিনী শাহী এলাকার পথে পথে (১৯৬৩); আত্মজীবনী বিন্দু-বিসর্গ (১৯৯১) ইত্যাদি।

নীলিমা ইব্রাহিম আমৃত্যু মানুষের শুভ ও কল্যাণী চেতনায় আস্থাশীল ছিলেন। মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও উদার মানবিকতাবোধই ছিল তাঁর জীবনদর্শন। তিনি সর্বংসহা ধরিত্রীকে স্বর্গের চেয়েও সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন এবং অধিকতর অস্থাশীল ছিলেন দেবত্বের চেয়ে মানবত্বে।

নীলিমা ইব্রাহিম সমাজকর্ম ও সাহিত্যে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বহু পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছেন। সেগুলি হলো: বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৯), জয়বাংলা পুরস্কার (১৯৭৩), মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার (১৯৮৭), লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৮৯), বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী স্মৃতিপদক (১৯৯০), অনন্য সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৬), বেগম রোকেয়া পদক (১৯৯৬), বঙ্গবন্ধু পুরস্কার (১৯৯৭), শেরে-বাংলা পুরস্কার (১৯৯৭), থিয়েটার সম্মাননা পদক (১৯৯৮) ও একুশে পদক (২০০০)। ২০০২ সালের ১৮ জুন তাঁর মৃত্যু হয়।

আজ তাঁর জন্মবার্ষিকী, আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।🖤

গোলাম সামদানী কোরায়শী (৫ এপ্রিল ১৯২৯ - ১১ অক্টোবর ১৯৯১) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক।সামদানী কোরা...
10/10/2023

গোলাম সামদানী কোরায়শী (৫ এপ্রিল ১৯২৯ - ১১ অক্টোবর ১৯৯১) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক।
সামদানী কোরায়শীর জন্ম ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের ৫ এপ্রিল বর্তমান নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ার কাউরাট গ্রামে। তার পিতার নাম মৌলভী বাবু শেখ আবু আছল মোহাম্মদ আবদুল করিম কোরায়শী এবং মাতার নাম আলতাফুন্নেসা। তার পূর্বপুরুষের বাড়ি ছিল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বীর আহাম্মদপুর। তিনি ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ১১ অক্টোবর পরলোকগমন করেন।
পড়াশোনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর ঘাটুরকোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া মিডল ইংলিশ স্কুল থেকে ১৯৩৫-৩৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর ১৯৩৭–৪১ সাল পর্যন্ত লেখাপড়া করেন নেত্রকোণার চন্দ্রনাথ হাই স্কুল ও বীর আহাম্মদপুর হাই স্কুলে। এরপর ১৯৪৫-৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাস্তা জুনিয়র মাদ্রাসা (নেত্রকোণা) ও কাৎলাসেন মাদ্রাসায় পড়েন (ময়মনসিংহ)। কাৎলাসেন মাদ্রাসা থেকে ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের আলিম ১ম শ্রেণিতে অষ্টম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৯৫২ সালে জামাতে উলা (ফাজিল) ১ম শ্রেণিতে তৃতীয় স্থান ও ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে এম. এ (কামিল) ১ম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৫-৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নাসিরাবাদ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (ময়মনসিংহ) থেকে আই. এ ১ম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলায় ভর্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ বাংলায় (অনার্স) ২য় শ্রেণিতে পঞ্চম ও ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে এম. এ. বাংলা ২য় শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সামরিক শিক্ষা (ইউ ও টি সি) ২০ দিনের মিলিটারি ট্রেনিং, বার্ষিক ক্যাম্প, ময়নামতি, কুমিল্লা (১৯৫৩) হাই মাদ্রাসা শিক্ষা অঙ্ক ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা (১৯৫৫) দেন।
আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে রাখাল তিনি ৩ বছর ধরে রাখাল (১৯৪২-৪৫) ছিলেন। তারপর ধানীখোলা বাজার, ঈদগাহ্‌ মাঠ মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ধানীখোলা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এরপর তিনি ড. মুঃ শহীদুল্লার সম্পাদনা সহকারী, পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প ও পান্ডুলিপি ও সংকলন বিভাগ, বাংলা একাডেমীতে (১৯৬১-৬৮) কাজ করেন। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নাসিরাবাদ কলেজ, ময়মনসিংহ (১৯৬৮-৯১) যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী’র সাহিত্য কর্ম বিশাল। তার মৌলিক রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও সম্পাদনার পরিমাণ বিশাল।
প্রবন্ধ:আরবি সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, বাংলা একাডেমী, সাহিত্য ও ঐতিহ্য (মুক্তধারা), ইসলাম ও আমেরিকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ইসলাম, আসামীর কাঠগড়ায়; পিতৃভাষা, ঐতিহ্য অন্বেষা।
এছাড়া সম্পাদকীয় উপ-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ হলোঃ আজকের বাংলাদেশ (অক্টোবর’৮৫ - জুন’৮৬), সপ্তাহে ৪টি, স্বনামে ও ছদ্মনামে, সাপ্তাহিক ময়মনসিংহ বার্তা, জেলা বোর্ড (১৯৭৮-৮৮)। এছাড়াও অসংখ্য প্রবন্ধ অগ্রন্থিত আকারে পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী ও সংকলনে প্রকাশিত এবং অসংখ্য অপ্রকাশিত অরক্ষিত রয়েছে।
জীবনী ও আত্মজীবিনী: ছোটদের দুদুমিয়া, ছোটদের বঙ্গবন্ধু (শিশু একাডেমী১৯৯০), যখন একাকী, দিনলিপি (১লা জৈষ্ঠ্য ১০ চৈত্র ১৩৮০), সিন্ধুর এক বিন্দু, শিক্ষা ও কর্ম জীবন, দুই খন্ড (১৯৮৩-৯০)।
উপন্যাস: ষষ্ঠীমায়া (সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা, শুরু ১৯৭৯ অসম্পূর্ণ), স্বর্গীয় অশ্রু (১৩৮০), পুত্রোৎসর্গ (১৩৮১), মহাপ্লাবন, চন্দ্রাতপ(১৩৮৩) এগুলো তার সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা।
গল্প ও গল্প সংকলন: শ্রী গোলের আত্মকাহিনী প্রথম গদ্য রচনা (১৯৪৩), লেখার দোকান, কালকেতু উপাখ্যান, কারূণের উট, শাদ্দাদের বেহেস্ত, কাল নাগিনী, কোরবাণী, দুর্ভিক্ষ, কল্পনা ও বাস্তব, এক যে ছিল কুল গাছ, একুশের কড়চা, কান্না, শয়তানের দোকন, জ্ঞানের ঘাট, বাঁশী, জায়দার বাপের বেহেস্ত, হজ্জ্ব, অভিনেত্রী, ভাগ্যরেখা, রক্ত চোষার ফরিয়াদ, থার্ড ক্লাশ, বিসমিল্লাহ, বিশ্বাসঘাতকতা, সাধু, দাদা ইত্যাদি।
গল্প সংকলন: আদি, অভিসার, নরম গরম, দুই ভাই, দুই বোন, দুই মা, দুই বন্ধু, গল্প শুনো , মেঘলা রাতের কাব্য, বুড়া ঘুমালো পাড়া জুরালো, তিন দিন তিন রাত প্রভৃতি।
নাটক: টুপিচোর, আমাদের দেশ (নাটিকা), গাধার কলজে, সাতটি নক্‌শা, সাপের ছোবল, উটের মাংস, শিয়ালের সাফাই, নাটিকা সবুজ পাতা ক্ষুধিত সিংহাসন, হেমলক (নাটিকা), শেষের তিনটি শিশুতোষ নাটক।
উপন্যাস: প্রদীপের নিচে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক (রচনা শুরু ১৯৮৩ - অসম্পূর্ণ), দেব না জানন্তি নাগরিক উপন্যাস (১৯৮৫), রূপ ও রূপা পারিবারিক উপন্যাস (অসম্পূর্ণ), সংলাপ সম্পূর্ণ সংলাপে রচিত (১৯৯১) কামিনী উপাখ্যান।
কবিতা ও কবিতা সংকলন: খেয়ালের ঝুলি, দূর্ঘটনা, উটকোর জিভ, বাদশাজাদা ও গল্পিকা (কিশোর কবিতা সংকলন), মানুষ (১২টি সনেটের সংকলন)।
ছড়া: গোবদা সাধুর কোর্তা (৩৮টি ছড়ার সংকলন), ওলোট পালট, আগডুম বাগডুম (ছড়া সংকলন) (১৩৯৭)।
গান: গান (২৫টি গানের সংকলন), গানের খাতা (৪০টি গানের সংকলন)।
অনুবাদ: কালিলা ও দিমনা (বাংলা একাডেমী-১৯৬৫), হেজাজের সওগাত, মুঝে ভি শেকায়েত নেহী (জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র, ঢাকা-১৯৬৫), ভেজাল নাটক (নাসিরাবাদ কলেজ বার্ষিকীতে প্রকাশিত-১৯৭৮), আল-মুকাদ্দিমা (দুই খন্ডে বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ১৯৮১-৮২), তারিখ-ই-ফিরোজশাহী (বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ১৯৮২), তোহ্‌ফা, ফতেহাবাদের আউলিয়া কাহিনী, অশাস্ত্রীয় পুরাণ, শব্দার্শ অধ্যায়ন, আমার অভিযোগ এগুলো বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রকাশিত হয়। এছাড়া চাটনী, ফিরনী, করিমা, রূপকথা, দোলনা থেকে কবর, পথের সাথী, হাদিস সংকলন, ইসলামের গৌরব ও লজ্জা, দ্বিপদ ১০১টি কবিতার সংকলন, অজানা দ্বীপের কাহিনী (অসম্পূর্ণ)।
সম্পাদনা: পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প (১৯৬১-৬৮), পদ্মাবতী, আলাওল, বাংলা একাডেমী (১৯৬৫), তোহফা, আলাওল, বাংলা একাডেমী (১৯৭৫) ও সাপ্তাহিক ময়মনসিংহ বার্তা সম্পাদনা করেন।
অন্যান্য: নেংটির সংসার সদা সত্য কথা বলিব, মীরজাফর, বিড়ালের ডাক, গরুর শিং এগুলো তাঁর রস রচনা সংকলন। সবুজ ঘাসের দেশে (টি.ভি. কাহিনী চিত্র), লেখার খাতা(বিবিধ বিষয়ের সংকলন) ফার্সি - বাংলা অভিধান (অসম্পূর্ণ)।
গোলাম সামদানী কোরায়শী’র প্রাপ্ত পুরস্কারগুলো হলো- কুমারদী মাদ্রাসা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৫০), এম.এ. কামিল পরীক্ষায় স্বর্ণপদক (১৯৫৪), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৭), অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯০), স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৭)।
অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার মধ্যে তিনি সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ময়মনসিংহ সাহিত্য পরিষদ, আকুয়া জুনিয়র হাই স্কুল কমিটি, আকুয়া প্রাইমারি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ময়মনসিংহ শাখা (১৯৮৪-৯১) উজিরাবাদ সমবায় সমিতি, আকুয়া পৌর কবরখানা, ময়মনসিংহ ও সহ-সভাপতি হিসেবে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (ময়মনসিংহ) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাদ্রাসায়ে আলীয়া, বাংলা সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৮), বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (১৯৮৪-৯১) দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংগঠনের আহ্বায়ক, উপদেষ্টা ও সদস্য ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেট (১৯৮২-৮৫, ১৯৮৭-৮৮) সদস্য, বাংলা একাডেমীর (নং ৪৪৫) আজীবন সদস্য ছিলেন।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯৩৮) একজন বাঙালি লেখক ও উপন্যাসিক।চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৭৭ সালের ১১ই অক্টোবর অব...
10/10/2023

চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯৩৮) একজন বাঙালি লেখক ও উপন্যাসিক।
চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৭৭ সালের ১১ই অক্টোবর অবিভক্ত বাংলার মালদহের চাঁচলে জন্ম গ্রহণ করেন। তাদের আদি বাসস্থান ছিল বর্তমান বাংলাদেশের যশোরে। বাবা গোপালচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, মা মুক্তকেশী দেবী। ১৮৯৫ সালে বলাগড় হাই স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, ১৮৯৬ সালে জেনারেল অ্যাসেম্ব্লিজ (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ) থেকে এফ.এ এবং ১৮৯৯ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। ১৮৯৬ সালে দুমকা নিবাসী রাধারাণী দেবীকে বিয়ে করেন কিন্তু বিয়ের মাত্র চার বছর পরেই ১৯০০ সালে রাধারাণীর মৃত্যু হলে তিনি পদ্মাবতী দেবীর সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। অধ্যাপক কনক বন্দ্যোপাধ্যায় এদের সন্তান।
১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক পদে যোগদানের জন্য তিনি ১৯২৪ সালে ঢাকা চলে যান। ১৯২৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সাম্মানিক এম.এ উপাধি লাভ করেন। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর উল্লেখযোগ্য লেখকদের মধ্যে ইন্দিরা দেবী, অনুরূপা দেবী, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, রাজশেখর বসু এবং অন্যান্যদের সঙ্গে চারুচন্দ্রের নামও করতে হয়। তিনি 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদক এবং 'প্রবাসী'র সহ-সম্পাদক ছিলেন। তার প্রথম ছোট গল্প ‘মরমের কথা’ প্রবাসীতেই প্রকাশিত হয়। ‘স্রোতের ফুল’, ‘পরগাছা’ প্রভৃতি তার রচিত ২৫টি উপন্যাসের অন্যতম। ছোটদের জন্যও তিনি লিখেছেন, বেশ কয়েকটি গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করেছেন ছোটদের উপযোগী করে। তবে তিনি সমধিক পরিচিত তার রবীন্দ্র-গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘রবি-রশ্মি’র জন্য। বাংলা ভাষার উপর তার যথেষ্ট দখল ছিল। সেকালের বহু রচনাতেই যেমন পরাধীন দেশে বিদেশী শাসকদের অবহেলা ও অত্যাচার থেকে উদ্ভুত যন্ত্রণার উল্লেখ রয়েছে, বর্তমান লেখাটির উপজীব্য বিষয়ও সেটাই
চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সাহিত্যকর্মগুলো হলো- আগুনের ফুলকি (১৯১৪), সেরাতের ফুল (১৯১৫), পরগাছা (১৯১৭), দুই তীর (১৯১৮), হেরফের (১৯১৮), পঙ্কতিলক (১৯১৯), দোটানা (১৯২০), আলোকপাত (১৯২০), রূপের ফাঁদে (১৯২৫), কবিকঙ্কণ-চণ্ডী প্রথম ভাগ (পরিলেখন প্রকল্প)
(১৯২৫), সুর বাঁধা (১৯৩৭), অগ্নিহোত্রী (১৯৩৮), রবিরশ্মি, জয়শ্রী (পরিলেখন প্রকল্প)
চারুচন্দ্রের মৃত্যু হয় ১৯৩৮ সালের ১৭ই ডিসেম্বর।
আজ তাঁর জন্মবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।🖤🖤

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিরায়ত বই -Chirayato Boi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category