30/04/2024
মানুষের চিন্তার প্রসার ও কল্পনার জগৎ বিস্তৃত করতে বইয়ের বিকল্প পৃথিবীতে কমই আছে। বইয়ের উপকার সম্পর্কে কমবেশি সবারই জানা। কিন্তু নানান ব্যস্ততায় আর বই পড়া হয়ে ওঠে না।
কেউ যদি বই পড়াকে একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করতে চায়, তবে তার জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে।
প্রথমেই দরকার ইচ্ছাশক্তি। তারপর নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য ঠিক করা। এরপর বই পড়ার আনন্দ খুঁজে বের করা।
👉 তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়—
✅ লক্ষ্য ঠিক করা
পড়ার অভ্যাস জীবনযাপনের অংশ করে তুলতে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বই পড়ার অভ্যাস তৈরিতে সাহায্য করবে। অর্থাৎ কী জন্য পড়া? শুধু ইনফরমেশন গেদার করা? নাকি জীবনের কোনো কাজে লাগানো? যেমন: রাজনীতি, অর্থনীতি, আধ্যাত্মিক জগৎ, শিক্ষা সংস্কৃতি, কর্মজীবন, সম্পর্ক এমন আরও অনেক বিষয়। যখন কারও পড়ার লক্ষ্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে তখন সে স্পষ্টভাবে তার উদ্দেশ্য খুঁজে পাবে। পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে।
✅ গুডরিডসে অ্যাকাউন্ট খোলা
বইপড়ুয়াদের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুডরিডস। গুডরিডার্সরা আদর করে ডাকে গুডি। গুডরিডসে চ্যালেঞ্জ নেওয়া যায় বছরে কয়টা বই পড়বেন। ধরুন আপনি চ্যালেঞ্জ নিলেন ৪৮টা বই পড়বেন। তখন আপনার গুডরিডস কমিউনিটির অন্যান্যদের দেখাদেখি নিজেরও শেষ করতে মন চাইবে।
✅ দিনে অন্তত কয়েক পৃষ্ঠা পড়ুন
একটি পড়ার প্যাটার্ন তৈরি করতে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্টসংখ্যক পৃষ্ঠা পড়ার লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২-৩ পৃষ্ঠা পড়তে পারেন। ঘুমানোর আগে, রাস্তার জ্যামে কিন্তু অনায়াসেই পড়ে ফেলা যায় ২-৩ পৃষ্ঠা। আর এই অভ্যাসটি ধীরে ধীরে আপনাকে আরও পড়ার প্রতি আকৃষ্ট করবে। একসময় দেখা যাবে আপনার পড়ার পরিমাণ নির্দিষ্ট পৃষ্ঠাতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। শুধু তাই নয় বই পড়া আপনার প্রতিদিনের জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠবে।
✅ সময় ও দিন নির্ধারণ
সপ্তাহ/মাসের জন্য নির্ধারিত বই পড়ার জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় আলাদা করে রাখুন। বই পড়ার সময়কে বাধা দিতে পারে এমন জিনিসগুলো আগেই বন্ধ রাখতে হবে। না হলে এগুলো আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে শুরুতে প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪০ মিনিট পড়তে পারেন। এটি দুর্দান্ত শুরু হতে পারে, যা আপনার নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
--- আর্দশ