Bangla Book

Bangla Book বই ভালো সঙ্গী। এর
সঙ্গে কথা বলা যায়।
?

22/08/2017

ভয়কে জয় করুন, আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন

প্রত্যেক মানুষের কোন না কোন কিছু নিয়ে ভীতি (fear) থাকে। যেমন-রক্তের, সুঁইয়ের, কুকুরের, গাড়ি চালানো ইত্যাদি। ভীতি দূর করার ফলফসূ উপায় হলো “ভীতির মুখোমুখি” হওয়া। যার পানিতে সাঁতার কাটতে ভয় লাগে। সে যদি এক সপ্তাহে পা হাটু পানিতে ডুবিয়ে রাখে,পরের সপ্তাহে শরীর ভেজান, ধীরে ধীরে এক দুইটা ডুব দেন, এভাবে এক সময় তার সাঁতার ভীতি কেটে যাবে।

যেভাবে ভয়কে জয় করবেন (how to deal with fear)

ভয়কে জয় করতে ভয়ের কাজটি বার বার চর্চা করে যেতে হবে। যতক্ষণ না মনের জড়তা, উৎকন্ঠা, আতংক কাটে। যেমন-গাড়ি চালাতে চাইছেন কিন্ত ভয় আঁকড়ে আছে। কি করবেন? প্রথমে ড্রাইভারের পাশে বসে দেখতে হবে কিছুদিন ক্রমান্বয়ে। তারপর এক-দুই দিন নিজে নিজে ড্রাইভিং সিটে বসে কল্পনা করবেন আপনি চালাচ্ছেন। আশে-পাশের যন্ত্র গুলো স্পর্শ করবেন। এরপর সাথে অভিজ্ঞ কাউকে পাশে বসিয়ে সাহস করে চাবি ঘুরিয়ে দিলেন। ব্যাস, ঐদিনই আপনার অর্ধেক ভয় হাওয়া হয়ে যাবে।জানা যাক আরো কিছু পন্থা।

তালিকা তৈরী করা

যেসব বিষয়ে ভীতি কাজ করে প্রথমেই তার তালিকা বানাতে হবে। তারপর বিষয়ের সংশ্লিষ্ট কিছু পরিকল্পনার তালিকাও করতে হবে। যেমনঃকুকুরের ভীতি থাকলে তালিকায় -কুকুরের ছবি দেখা, দূরত্ব রেখে শিকল বাঁধা কুকুরের পাশে দাঁড়ানো, কুকুর ছানার কাছাকাছি যাওয়া ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ভয়ের মান নির্ধারণ করা

ভীতি মোকাবেলা করতে কোন বিষয়ে ভয় বেশি,কখন ভয় মোটামুটি পর্যায়ে থাকে,কোন অবস্থায় ভয় কম বা থাকে না। এইরকম একটা মান নির্ধারনী তালিকা তৈরী করতে হবে উপর থেকে নিচের দিকে। যেমন- সুঁইয়ের ভীতির ক্ষেত্রে=শিরা থেকে রক্ত নেয়া-বেশি ভয়-মান-১০, হাতে-পায়ে ইঞ্জেকশন নেয়া- মাঝারি ধরণের ভয়- মান ৯, সুঁই হাতে ধরা-কম ভয়- মান-৭, সুঁইয়ের ছবি দেখা-ভয় শূন্য

মুখোমুখি হওয়া

ভয়ের মান ও সংখ্যাতাত্ত্বিক হা্রের তালিকা তৈরী করে ধীরে ধীরে নিচের দিক থেকে এক একটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। যেমন- আজ সুঁই হাতে ধরে ৫ মিনিট থাকলেন, কাল ১০মিনিট। এভাবে সুঁই হাতে ধরার ভীতি চলে যাবে। এরপর অন্য ধাপে যেতে হবে। এক সময় সব স্তর পার হয়ে যাবেন।

অনুশীলন চালিয়ে যাওয়া

একমাত্র চেষ্টা ,পরিকল্পনা আর মুখোমুখি হওয়া মাধ্যমে ভীতি জয় করা সম্ভব।তাই যতক্ষন ভয়ের লেভেল শূন্যের কোঠায় না নামে অনুশীলন বন্ধ করা যাবে না।

নিজেকে পুরষ্কৃত করা

যখন আপনি একটি কাজের ভীতি দূর করবেন। সাথে সাথে নিজেকে বাহবা দিবেন ”আপনি পেরেছেন,পারবেন”। নিজেকে নিজে পুরষ্কার দিবেন। যেমন-বাইরে খেতে যাওয়া,মুভি দেখতে যাওয়া ইত্যাদি। যা আপনাকে আত্মবিশ্বাস যোগাবে।

বিশেষ টিপস

অনেকে আছেন রক্ত দেখে জ্ঞান হারান। মূলত রক্ত ভীতির কারণে আতংকে,উত্তেজনায় হার্ট রেট ও রক্তচাপ হঠাৎ হ্রাস পেয়ে এমনটা হয়। এক্ষেত্রে একটি কৌশল খুব কার্যকরী। সেটি হচ্ছে- যখনোই এমন অবস্থার সম্মুখীন হতে হয় তখন দেহের অভ্যন্তরীণ পেশীকে টান টান ভাব রাখা। এতে করে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। চেয়ারে বসে হাত, পা, মধ্যশরী্রের পেশী সমূহ টান টান করে থাকলে ১০-১৫ সেকেন্ডের মধ্যে মাথায় উষ্ণ ভাব অনুভব হওয়ার সাথে সাথে সেই টান টান ভাব হালকা করে ফেলতে হবে, তবে ছেড়ে দেয়া যাবে না। তারপর ২০-৩০সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করতে হবে। এভাবে পাঁচ বার করতে হবে।

21/08/2017

কেন বই পড়বেন --- মুহাম্মদ জাফর ইকবাল

21/08/2017

মানবদেহের কিছু মজার তথ্য-(B.s)
একজন মানুষের রক্তের
পরিমাণ তার মোট ওজনের
১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ
৬৫ কেজি ওজন মানুষের
রক্তের পরিমাণ হল ৫ কেজি।
কোন অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্রের
মধ্য দিয়ে ঘন্টায় ২০০ মাইল
বেগে প্রবাহিত হয়।
দেহে ও মনে অনুভূতি আসলে
তা মস্তিষ্কে পৌঁছতে ০.১
সেকেন্ড সময় লাগে।
একজন শিশুর জন্মের সময়
হাড় থাকে ৩৫০ টি।
একজন মানুষ সারা জীবনে ৪০
হাজার লিটার মূত্র ত্যাগ করে।
একজন মানুষের শরীরে
চামড়ার পরিমাণ
হচ্ছে ২০ বর্গফুট।
একজন মানুষের চামড়ার ওপর
রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।
মানুষের শরীরে যে পরিমাণ
চর্বি আছে তা দিয়ে ৭টি
বড় জাতের কেক তৈরি সম্ভব।
একস্থান থেকে শুরু করে
সমগ্র শরীর ঘুরে ঐ
স্থানে ফিরে আসতে একটি রক্ত
কণিকা ১,০০,০০০ কিমি পথ
অতিক্রম করে।
আমাদের মস্তিষ্ক প্রায়
১০,০০০ টি বিভিন্ন গন্ধ
চিনতে ও মনে রাখতে পারে।

18/08/2017

খুব তো পড়ছেন, তবে মনোযোগ আছে তো?

একাডেমিক পড়াশোনার জন্যে মনোযোগ অপরিহার্য। এটা তো আর উপন্যাস না যে ইচ্ছে হল পড়বেন, যখন তখন তুলে রাখবেন। ভালো রেজাল্টের জন্যে চাই উপযুক্ত পরিবেশ , রুটিন এবং অখন্ড মনোযোগ। এই টিপস গুলো আপনার মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে-

১। প্রথমেই চাই উপযুক্ত পরিবেশ। ঘরটি অবশ্যই গোছানো এবং পরিচ্ছন্ন হতে হবে। নীরব পরিবেশই অধিকাংশের কাম্য। তবে কেউ কেউ অতটা চান না। হালকা মিউজিক ছেড়ে রাখতে পারেন। অবশ্য এটা সবার জন্যে প্রযোজ্য না। ক্লাসিকাল মিউজিক গণিত জাতীয় সমস্যা সমাধানে সহায়ক হতে পারে। ঘরে যদি পড়ার পরিবেশ না থাকে তাহলে লাইব্রেরিতে পড়ুন।

২। পড়তে বসে যেন বারবার উঠতে না হয়! হাতের কাছেই রাখুন জ্যামিতি বক্স, কাগজ, কলম, মার্কার, বোর্ড ইত্যাদি
উপকরণ। চাইলে হালকা নাস্তা এবং পানিও রাখতে পারেন।

৩। পড়তে পড়তে মন উচাটন হতেই পারে। হয় তো বা কাছেই রাখা থ্রিলার বইটি পড়ার জন্যে, অথবা টেনিস বল নিয়ে কিছুক্ষণ লোফালুফি করতে। এসব তুলে রাখুন, দূরে রাখুন। পড়তে হবে একটানা।

৪। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস গুলো আনপ্লাগ করুন। বিশেষ করে সরিয়ে রাখুন সেলফোন, ল্যাপটপ অথবা আইপড জাতীয় উপাদান গুলো।

BUY NOW
৫। নির্দিষ্ট রুটিন বজায় রাখুন। প্রতি দিন যেমন নিয়ম মেনে গোসল, দাঁত ব্রাশ, অথবা প্রার্থনা করেন, সেভাবেই পড়াশোনা করা টা অভ্যাস বানিয়ে ফেলুন। লক্ষ্য করুন, কোন সময় পড়ায় মনোযোগ বেশি থাকে? দিনে না রাতে? কখন মানসিক বা শারীরিক ভাবে চনমনে থাকেন? এসব কিছু নিরীক্ষণ করে তবেই রুটিন নির্ধারন করুন।

৬। পড়তে খুব বোরিং লাগে? একজন রিডিং পার্টনার খুঁজে নিন। একজন বিচক্ষণ এবং উদ্যোগী রিডিং পার্টনার চাই, যার সাথে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করতে পারবেন।

৭। নিজেকেই নিজে পুরষ্কার দিন। অমুক অধ্যায় শেষ করলে আমি টিভি দেখবো, অথবা হোমওয়ার্ক শেষ হলে কালকে বেড়াতে যাবো, এরকম কিছু।

৮। বৈচিত্র আনুন। শব্দ, সূত্র এবং সংজ্ঞা গুলো রঙীন কাগজে অথবা নোটবুকে তুলে রাখুন। বিভিন্ন ডায়াগ্রাম বা ভেনচিত্রের মাধ্যমে পড়ার সময় এবং এর ফল লিপিবদ্ধ করুন।

৯। নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করতে শিখুন। কেন পড়ছি? কী পড়ছি? এর সাথে বাস্তবের সংযোগটা কেমন? মনকে সবসময় এ্যাকটিভ রাখুন। একটি মুহূর্তও যেন বৃথা অপচয় না হয়।
#শেয়ার #করুন।।।।।

বর-বউয়ের সুন্দর বোঝাপড়া দাম্পত্যে সুখ আনে। কিন্তু এখনকার ব্যস্ত জীবনে সময়ের যেন বড় অভাব! এখনকার আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্...
18/08/2017

বর-বউয়ের সুন্দর বোঝাপড়া দাম্পত্যে সুখ আনে। কিন্তু এখনকার ব্যস্ত জীবনে সময়ের যেন বড় অভাব! এখনকার আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের সময় কেড়ে নিচ্ছে। সম্পর্ক মধুর করতে সঙ্গীকে সময় দিতে হবে। পাশে সরিয়ে রাখতে হবে গ্যাজেটস। সঙ্গীকে বোঝাতে হবে রোমান্টিক মনের ভাবনা। জয় করে নিতে হবে সঙ্গীর মন। দুজন দুজনকে ভালোবাসেন—এ কথা দুজনই মনে মনে জানেন।

ভালোবাসা দেখানো আরেক জিনিস। সামনাসামনি সামান্য প্রশংসা বা কৃতজ্ঞতাবোধ সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। দুজন-দুজনের আরও আপন হতে পারেন কয়েকটি কথায়। জেনে নিন কথাগুলো:

বর-বউয়ের সুন্দর বোঝাপড়া দাম্পত্যে সুখ আনে। কিন্তু এখনকার ব্যস্ত জীবনে সময়ের যেন বড় অভাব! এখনকার আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের সময় কেড়ে নিচ্ছে। সম্পর্ক মধুর করতে সঙ্গীকে সময় দিতে হবে। পাশে সরিয়ে রাখতে হবে গ্যাজেটস। সঙ্গীকে বোঝাতে হবে রোমান্টিক মনের ভাবনা। জয় করে...

করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিওআঙুলের মিহিন সেলাইভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও,এটুকু সামান্য ...
18/08/2017

করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও
আঙুলের মিহিন সেলাই
ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও,
এটুকু সামান্য দাবি চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো
অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি।
চুলের মতন কোনো চিহ্ন দিও বিস্ময় বোঝাতে যদি চাও
সমুদ্র বোঝাতে চাও, মেঘ চাও, ফুল, পাখি, সবুজ পাহাড়
বর্ণনা আলস্য লাগে তোমার চোখর মতো চিহ্ন কিছু দিও!
আজো তো অমল আমি চিঠি চাই, পথ চেয়ে আছি
আসবেন অচেনা রাজার লোক
তার হাতে চিঠি দিও, বাড়ি পৌঁছে দেবে।

" চিঠি দিও "
- মহাদেব সাহা

#ছবিতা

17/08/2017

পৃথিবীতে কত হাজার ভাষা প্রচলিত আছে,
১. তিন হাজার
২. সাড়ে তিন হাজার
৩. সাড়ে তিন হাজারের অধিক
৪. কোনটিই নই

17/08/2017

📝কোন দেশে ট্রেনে চাকরি করছে পুলিশের
পরির্বতে রোবট...
উত্তর : জাপান

📝সুবর্ণভুমি কোন দেশের
বিমানবন্দর?
উত্তর : থাইল্যান্ড

📝বাংলাদেশের বৃহত্তম দীপের নাম কি?
উত্তর: ভোলা

📝বাংলাদেশের ১ম নারী ভিসি
কে...?
উত্তর : অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম

📝কে বাতাস চালিত মোটর সাইকেল
আবিষ্কার করেন...?
উত্তর : নুরুজ্জামান

📝কোন পাখী আকাশে ডিম পাড়ে,সে ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?
উত্তর : হোমা পাখী

📝পানিতে কিচমিচ
ডুবিয়ে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফুলে উঠে , এটা হয় ----
উত্তর : অভিস্রবন প্রক্রিয়ায়

📝বাংলাদেশের নবীনতম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ---
উত্তর : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

📝বাংলাদেশে মহিলা পুলিশ চালু হয় যে
সালে--
উত্তর : ১৯৭৪

📝 'হীরক রাজার দেশে'
ছবিটির পরিচালক কে?
উত্তর : সত্যজিত রায়

📝কোন সমুদ্র সৈকত কে সাগর কন্যা বলা
হয়..?
উত্তর : কুয়াকাটা

📝কোন কবিতা
রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল ?
উত্তর : আনন্দময়ীর আগমনে

📝প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক দলের অধিনায়ক
ছিলেন -
উত্তর : শফিকুল হক হীরা

📝পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন। আর লাইক ও কমেন্ট করে সাথেই থাকুন।

17/08/2017

আইকিউ টেস্ট
একটা ছেলের বয়স ২ বছর আর
একটা মেয়ের বয়স তার অর্ধেক। ৬০
বছর এর সময় ছেলেটা মারা গেলো,
এখন মেয়েটার বয়স কত?

16/08/2017

আমি অফিসে যাবার সময় আমার দুই বছর বয়েসী ছোট্ট মেয়েটা ইদানিং খুব মন খারাপ করে .....!
আমার জুতো, মুজা এগিয়ে দেয় .....,
বুকে বুক লাগিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নেয় !
আমি হয়তো বোঝাতে পারবো না .....কতটুকু কষ্ট আমার হয় - ওকে একা রেখে অফিসে যেতে ! রাতে ঘুমানোর সময় ও সে আমার বুকে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমায় !
ও এখন অনেক ছোট্ট , তবুও মাঝ রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ......, আমি এ ঘর ও ঘর পায়চারী করি ! ভাবি....... মেয়েটার একদিন বিয়ে হয়ে যাবে , আমার এত্তো আদরের মেয়েটা আমাকে রেখে অন্যত্র চলে যাবে ...?
ভাবনা টা হয়তো একটু অ্যাডভান্সড ই হয়ে যাচ্ছে ! কি জানি !!!!! হয়তো .....!!!
আমার দৃষ্টিতে একজন নারী তার জীবনে চারটি মূল প্রতিবন্ধকতা পার করে !
প্রথম স্তর ........
ফুটফুটে একটা কন্যাশিশু জন্ম নিলেও পরিবারের অনেক মুরুব্বী ই মন থেকে খুশি হন না ( যত শিক্ষিত ই হোন না কেন ......, মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি আমাদের আজ ও ) !
আস্তে আস্তে কন্যাশিশু টি বড় হয় একটা অপ্রতিরোধ্য বৈষম্যের মধ্য দিয়ে ! ঈদের সালামি তেও সে বঞ্চিত হয় তার সমবয়েসী ভাইটার তুলনায় !
( তর্ক করবেন ?? নিজের পরিবারের মাঝেই দৃষ্টি দিন ......অনেক উদাহরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে )
আস্তে আস্তে ছোট কন্যাশিশুটি তৈরি করে ভালবাসার এক আশ্চর্য্য বলয় .....! মা বাবার প্রতি সবচেয়ে caring হয় কন্যাশিশু ই l
অত:পর...... দ্বিতৗয় পর্যায়ে তাকে সমাজিকভাবে ই তুলে দিতে অন্যের হাতে ! কন্যার পিতাকে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বরের হাত ধরে বলতে হয় -
" বাবা ! মেয়েটা আমার বড্ডো আদরের ........, ওর দিকে খেয়াল রেখো ! "
বর ও পাগড়ি নাচিয়ে সুবোধ বালকের মতোই বলে - " কোনো চিন্তা করবেন না বাবা ! " ছেলের বাবাও বলেন - " কোনো চিন্তা করবেন না বেয়াই ......!!!! আপনার মেয়ে মানেই আমার মেয়ে !"
সংসার জৗবনে যতো কষ্ট হোক না কেনো !!! আপনার সেই ছোট্ট আদরের মেয়েটিকেই নিজেকে উপযুক্ত প্রমাণের যুদ্ধে নামতে হয় ......! Husband, শ্বশুরবাড়ির মন রক্ষার যুদ্ধ !
এরই মধ্যে আপনার বলয় থেকে আস্তে আস্তে ছিটকে যেতে থাকে আপনার সেই ছোট্ট হাঁটি হাঁটি পা পা করা আদরের মেয়েটা ! সংসার জৗবনের শত কষ্ট গ্লানি টেনে টেনে ক্লান্ত আপনার কন্যা আপনার ফোন পেয়ে চোখে পানি নিয়েও হাসতে হাসতেই বলবে -
" দোয়া করো বাবা! অন্নেক ভালো আছি ! ওষুধ টা ঠিকমতো খেয়ো বাবা ! রাত জেগো না !! "
পাছে আপনি কষ্ট পান ...... শতকষ্টেও মুখ ফুটে বলবে না - " বাবা ! আমাকে তোমার বুকে চেপে ধরো ......আমি একটু প্রাণ খুলে কাঁদি ! "
তৃতীয় পর্যায়ে ....
আপনার কন্যা ব্যাস্ত থাকে তার স্কুল পড়ুয়া সন্তানের চিন্তায় ! আপনার স্নেহের বলয় ছিন্ন করে সে তার নিজের সংসারের বলয় নিয়েই ব্যস্ত ! মাঝে মাঝে আপনাকে দেখতে আসবে - তাও ক্ষনিকের জন্য !!
ততদিনে আপনার চুলে ধরেছে পাক ....., স্বামৗ সন্তানরাও যে আপনার আদরের কন্যার সাথে ভালো ব্যাবহার করবে তার নিশ্চয়তাও এই স্তরে নেই !
এখানেও শাড়ির আঁচলে জমাট কান্না ! তারপরও যতোটুকু সম্ভব - আপনার খোঁজখবর রাখবে ..... সংসারের টাকা থেকে কিছু বাঁচিয়ে আপনার পছন্দের খাবার কিনে আপনার জন্য নিয়ে আসবে .....!
আপনার পুত্র সন্তান অথবা তার ভাইটিও তখন আর তেমন খোঁজখবর রাখেনা হতভাগা বোনটার, সে ব্যাস্ত তার নিজের চরকা নিয়েই ......!
সর্বশেষ স্তরে .......আপনার মৃত্যুর পরে আপনার পুত্র ( তার আদরের ছোট ভাইটিও ) তার কাছে এসে বলে -
" বুবু ! বাবার সম্পত্তি তে তোর কোনো দাবি রাখিস না ......!"
ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে আপনার মেয়েটিই হাসতে হাসতে বলে -
" আমার কোনো দাবৗ নাই রে ভাইয়া ......, তুই ভালো থাকিস !"
অত:পর এই স্তরে আপনার সেই আদরের কন্যা অথর্বে পরিণত হয় ....., বয়স্ক এক অথর্ব ..! স্বামৗর মৃত্যুর পর ফুটবলের মতো আজ এই সন্তান কাল ঐ সন্তানের ঘরে - মূল্যহৗন পড়ে থাকে ....!! আপনার ঔরষেই জন্মানো তার আদরের ভাইগুলোও তেমন খোঁজখবর আর রাখেনা ....!
তার নিজের পুত্রবধুও ফিসফিসয়ে স্বামী কে বলে -
" আম্মাকে কোনো ভালো আশ্রমে দিয়ে দেই !!! কি বলো ? "
আমার প্রশ্ন -
কয়জন নারী জৗবনের এই চারটি স্তর নির্বিঘ্নে পার করতে পারেন ???
একজন ও না ........
একজন ও না .........
একজন ও না ..........!!!!
নারী ই মা ........ নারী ই কষ্টের জননৗ ....... নারী ই স্নেহ মমতার কেন্দ্রবিন্দু .....lll
আমার ইদানিং রাতে আর ঘুম আসে না ....! ছোট্ট মেয়েটাকে বুকে নিয়ে পায়চারী করি, চোখে পানি জন্মে আমার l
ফিসফিসিয়ে বলি -
" তুই আমার ছোট্ট মা মনিটাই থাকিস রে মা .......!!!!!
আর বড় হস না .........!!!!!
বাবাকে একা রেখে কোনোদিন চলে যাস না ......!!! "

- একজন নারী
Asif Soikot ( আসিফ শুভ্র )

Address

Stadium Road , Mirpur 2
Dhaka
1218

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Book posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category