গল্প কবিতা

Call Directions

গল্প কবিতা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গল্প কবিতা, Comic Bookstore, bogra, Dhaka.

 #একটি_শিক্ষনীয়_গল্পবাসের জানালার পাশের সীটে বসে পত্রিকা পড়ছিলেন এক ভদ্রলোক।তার মুখোমুখি অন্য একটা সীটে বসে আছে একজন যুব...
08/08/2021

#একটি_শিক্ষনীয়_গল্প
বাসের জানালার পাশের সীটে বসে পত্রিকা পড়ছিলেন এক ভদ্রলোক।তার মুখোমুখি অন্য একটা সীটে বসে আছে একজন যুবক।
ভদ্রলোকটি অনেকক্ষণ ধরেই খেয়াল করছেন, যুবকটি খুব উশখুশ করছে আর তাকে খুব বিমর্ষ দেখাচ্ছে।
তিনি পত্রিকা ভাঁজ করলেন,যেচেই যুবকটির সাথে কথা বললেন আর তারা কুশল বিনিময় করলেন।যুবকটির মনমরা ভাব দেখে জানতে চাইলেন যে কি হয়েছে?
যুবকটি কিছুক্ষণ দ্বিধাবোধ করে বলতে শুরু করলো,
--আমি বিবাহিত,আমার দাম্পত্যজীবনের ৬ বছর চলছে।আর আমার একটা ৩ বছরের মেয়েও আছে।
আমাদের সুখের সংসার ছিল।
--তাহলে তুমি বলতে চাইছো এখন তুমি সুখে নেই?
--জ্বী না।
--কেন?
ছেলেটা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলতে লাগলো,
--আমি একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে বেশ ভালো পদেই চাকুরী করি।
কিছুদিন আগে আমাদের সেকশনে খুব সুন্দরী একজন অবিবাহিতা ভদ্রমহিলা যোগদান করেছেন।কাজেকর্মে ও বিভিন্ন অফিসিয়াল রুটিনে আমাদের দুজনকে একসাথেই কাজ করতে হয়।এভাবেই আস্তে আস্তে দুজনের মধ্যে একটা প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
--এখন তুমি কি করতে চাও?
--বউকে তালাক দিয়ে বান্ধবীকে বিয়ে করতে চাচ্ছি।কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি।এখন বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছি,গিয়ে দু'জনে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব।
এদিকে আমার স্ত্রী আমাকে অনেক ভালোবাসে আর ভরসা করে।
ভীষণ দো'টানার মধ্যে আছি।দুজনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া সত্যিই খুব কঠিন হয়ে পড়েছে আমার জন্য।
--তোমার মনে যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব চলছে এটাই স্বাভাবিক। যদি চাও,তাহলে তোমার সমস্যাটাকে আমরা অর্থনীতির ত্বত্ত দিয়ে বিশ্লেষণ করতে পারি।
--কীভাবে?
--ধরো,তোমার কর্মতৎপরতার কারণে তোমার কোম্পানি অনেক লাভবান হলো।আর তোমার উপর খুশি হয়ে কোম্পানির কর্তাব্যক্তিরা তোমাকে পুরস্কৃত করতে চাইলো।তোমাকে বলা হলো,
দুটি পুরস্কারের কোনো একটি বেছে নিতে।
পুরস্কার ২টি হচ্ছে, তোমাকে এখন নগদ ২লাখ টাকা দেওয়া হবে;অথবা ৩ বছর পর ৩ লাখ টাকা দেওয়া হবে।
তুমি কোনটা নিবে?
--আমি অবশ্যই নগদ টাকা নিব।
--কেন?
--কারণ ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ৩ বছরে কত কীই তো ঘটে যেতে পারে।আর ৩ বছর পর বর্তমান কর্তারা থাকবে কিনা সেই নিশ্চয়তাও নেই।টাকার বর্তমান মূল্য হ্রাস পেতে পারে;অথবা আমি বেঁচে নাও থাকতে পারি।
--তুমি একদম ঠিক বলেছো।
ভবিষ্যতের টাকার চাইতে বর্তমান টাকার মূল্য যেমন বেশি তেমনি ভবিষ্যতের সুখের চাইতে বর্তমান সুখের মূল্য অনেক বেশি।ভবিষ্যৎ সবসময় অনিশ্চিত। তোমার অফিসের সুন্দরী ভদ্রমহিলার আজ তোমাকে পছন্দ হয়েছে,কাল নাও হতে পারে।কিন্তু দেখো তোমার স্ত্রী ৬ বছর পরেও তোমাকে সেই আগের মতোই ভালোবাসে।
তাই তোমার উচিত বর্তমানের উপর ভরসা করা।ভবিষ্যতের অনিশ্চিত সুখের জন্য বর্তমানের নিশ্চিত সুখ ত্যাগ না করা।
আর তুমি বলেছিলে,তোমার বান্ধবী অবিবাহিতা?
--জ্বী।
--দেখো,তোমার বান্ধবী চাইলেই একটা ভালো বিয়ে করতে পারবে।কিন্তু তোমার স্ত্রী তোমার সংসারে ৬টা বছর থাকার পর,তার আর ভালো বিয়ে হবে কিনা সেটার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
--বুঝতে পেরেছি।আপনার এই সুচিন্তিত পরামর্শ আমাকে আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।জীবনে একটা বড় ভুল করার হাত থেকে বেঁচে গেলাম।আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার নেই।আল্লাহ আপনার মঙ্গল করবেন।
সাথে সাথেই যুবকটি উঠে গিয়ে চলতি পথে বাস থেকে নেমে গেল এবং ফিরতি বাসে বাড়ির পথ ধরলো।
(সমাপ্ত)
গল্পঃ #সুবুদ্ধি

 #বিয়ের_পর_দাম্পত্যঃএকটা মেয়ে, সেই মেয়েটাকে যখন বিয়ের আগে ছিপছিপে দেহ আর মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক দেখে বিয়ে করেছিলেন!! ক...
29/06/2021

#বিয়ের_পর_দাম্পত্যঃ

একটা মেয়ে, সেই মেয়েটাকে যখন বিয়ের আগে ছিপছিপে দেহ আর মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক দেখে বিয়ে করেছিলেন!! কত স্বপ্ন, তাকে মনে হয়েছিল রাজকন্যা!
সেই রাজকন্যাকে পেলে আপনি গোটা রাজত্বই যেন জয় করে নেবেন।।

অথচ বিয়ের ৫-৬ বছর পর, আপনি আপনার স্ত্রীর দিকে তাকালেন–কি দেখতে পাবেন?

ছিমছিমে দেহের জায়গায় চর্বিযুক্ত একটা আনফিট দেহ, মসৃণ উজ্জ্বল ত্বকের জায়গায় খসখসে আর বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া একটা মুখ, চঞ্চলতায় প্রাণবন্ত মানুষটার জায়গায় চিন্তাগ্রস্থ আর ব্যতিব্যস্ত এক নারী!!

অধিকাংশ পুরুষের তখন আর নিজের স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ কাজ করে না। তাকে তখন আর রাজকন্যা বা রাণী বলে মনে হয় না, তখন তাকে কথায় কথায়
"দুই বাচ্চার মা" বলে সম্মোধন করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।।

এই যে পরিবর্তন, একটি পুরুষের মনে বিরূপ প্রভাব পড়া এটার কারণ কখনো ব্যাখ্যা করা হয়েছে? কখনো পুরুষ এই কারণটা খুঁজে দেখেছে? কিংবা অনুসন্ধান করেছে এই পরিবর্তনের পেছনে দায়ী কে বা কারা?

একটা মেয়ে ২০,২২ কিংবা ২৫,২৬ বছর বয়স পর্যন্ত বাবা-মার কাছে থাকার পর, যাকে দেখে আপনার রাজকন্যার মতো মনে হয়েছিল, চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। মাত্র ৫-৬ বছরের সংসার করে সেই মেয়েটা কেন আপনার চোখে " বাচ্চার মা " হিসেবে ছোট হবে?
কেন সে আপনার কাছে বাবার রাজকন্যা থেকে আপনার সংসারের রানী হতে পারল না?
সমস্যাটা তাহলে কি আপনার কিংবা আপনাদের।।

যে মেয়েকে তার বাবা-মা , ভাই-বোন 'রাজকন্যা' হিসেবে আপনার হাতে তুলে দিয়েছিল, সেই মেয়েকে আপনি এই পরিস্থিতিতে এনে দাঁড় করিয়েছেন। আপনি পারেন নি হয়তো তার যত্ন নিতে, আপনি হয়তো কখনো খোঁজ নেন নি ।

বাসন মাজতে গিয়ে তার হাতটা আস্তে আস্তে খসখসে হয়ে গেছে। কখনো সে হাতে সামান্য মেরিল লাগিয়ে দিয়েছিলেন? আপনার সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য নয় মাস পেটে ধারণ করে সেই ছিমছিমে দেহটা চর্বিযুক্ত হয়ে গেল, তাকে নিয়ে কখনও হাঁটতে বের হয়েছিলেন?

আপনি ঘুমিয়েছেন, আপনার সেই রাজকন্যা আপনার পরিবার এবং সন্তানের দেখাশোনার জন্য ঠিকমতো ঘুমাতে পারে নি। কখনো সেই মসৃণ ত্বকের যত্ন নেয়া হয়ে ওঠে নি। ‌ ঘুমানোর সময় একটু সময় নিয়ে তাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন?

তার উসকো খুসকো চুলে জট লেগে যেত, সে জট খোলার সময় সে পায় নি আপনার পরিবার আর সন্তানের পেছনে সময় ব্যয় করে। আপনি পাশে বসে আঁচড়ে দিতেন কখনো?

এরপরেও পুরুষের মনে আসে তার স্ত্রী আগের মত আকর্ষনীয় নেই। তার খানিকটা বিরক্তি লাগে। কখনো হয়তো কোনো ষোড়শী মেয়েকে দেখে আফসোসও জেগে ওঠে! অতঃপর কেউ কেউ অন্য কারো দিকে ঝুঁকে পড়ে!

আপনার জন্য যে নারী তার সমস্ত সৌন্দর্য কোরবানি করে দিয়েছে, আপনি যে নারীকে বাবা মায়ের আদরের কোল থেকে নিয়ে এসে অযত্নে অবহেলায় এই অবস্থায় এনে দাঁড় করিয়েছেন, সেই নারী কিংবা তার বাবা-মা যদি আপনার দিকে আঙ্গুল তুলে কি জবাব দিবেন??

কতজন নারীকে দেখেছেন তার স্বামীর বয়স্ক চেহারার দিকে তাকিয়ে অভক্তি দেখিয়েছে?

২৬ বছরের সুপুরুষ লোক যাকে বিয়ে করেছিল কোনো নারী। সারাদিন বাইরে রোদে কাজ করার পর সেই তেলতেলে চেহারা, ঘন কালো চুল-দাড়ি, সুঠাম দেহ আর পেশীবহুল শরীর কি থাকে??
থাকে না। পুরুষের চেহারাতেও বয়সের ছাপ পড়ে, চুলে পাক ধরে, সারাদিন কাজের পর তার গায়েও ঘামের দুর্গন্ধ আসে!

একজন স্ত্রী, সে বোন আর মায়ের মমতার জায়গাটাও তার স্বামীকে দেয়। বয়সের ছাপ পড়ে কাঁচা-পাকা চুলের লোকটার দিকে তাকিয়েও, তার কখনও অভক্তি আসে না। বড্ড ভালোবাসা আসে তার প্রতি, ভালো খাবারগুলো না খেয়ে তার জন্য রেখে দেয়। বাসায় আসলে তার পিছন পিছন লেগে থাকে কখন তার কি লাগে!

ছেলেমেয়েকে শাসন করে বলে তোদের বাবা তোদের জন্য কত কষ্ট করে, শরীরটা কেমন পড়ে গেছে। মানুষটাকে যন্ত্রণা দিস না তো। ঘুমন্ত বয়স্ক মানুষটির যেন ঘুম না ভাঙ্গে, তাই পা টিপে টিপে কাজ করে যায়। বাচ্চাদের চুপ করিয়ে রাখে। স্বামীর মলিন, ভগ্ন চেহারা দেখে স্ত্রীর চোখে ভালোবাসার জন্ম নেয়।
অকৃত্রিম ভালোবাসা...

একটা নারী বোঝে ভগ্নচূর্ণ এই পুরুষ, সে তো তার জন্যই ভেঙ্গেছে! তার জন্যই লড়াই করে শরীরের সুখ বিসর্জন দিয়েছে। সে নারী ভালোবাসে, আরও ভালো
ভাবে, আরও মমতায়।

পুরুষ কবে বুঝবে নারীর ভগ্নদশাও তারই জন্য, তারই জন্যে উৎসর্গ! তারা কেন পারে না, সেই ভগ্নচূর্ণ মানুষটাকে একইভাবে ভালোবাসতে???

যেদিন তারা বুঝবে স্ত্রী বোঝা নয় বরং আমানত, হয়তো সেদিন তাদেরও একই অনুভূতি হবে! হয়তো সেদিন একই ভাবে দু'জন মানুষ দু'জনের প্রতি কৃতজ্ঞতায়
বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিবে অনায়াসে।

17/09/2020

বাবার পকেট থেকে কচকচে ৫০০ টাকার নোট,চুরি করা ছেলে আমি।
অথচ আমি তখন চিনতামও না,কোনটা ৫০০ টাকা বা কোনটা ৫ টাকা।
টাকাটা পকেট থেকে নিয়েই দৌড়ে আইসক্রিম ওয়ালার কাছে গিয়েছিলাম।
আইসক্রিম ওয়ালা ৫০০ টাকার নোট দেখে আমাকে দুই টাকা দামের আইস্ক্রিম টা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন,আগামীকাল টাকা দিয়ে দিও।
নিয়ে যাও এই টাকা।
উনি ভালো ছিলেন বলেই হয়তো সেদিন আমার টাকাটা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
নয়তো চারশত আটানব্বই টাকা তিনি খুব সহজেই গায়েব করে ফেলতে পারতেন।
তার মধ্যে মানবতা যে ছিলো।
তারপর টাকাটা নিয়ে আমি একটা মশার কয়েলের প্যাকেটের ভেতর রেখে দেই।
আমি আবার ছোট বেলায় মশার কয়েলের প্যাকেটের ভেতর টাকা জমাতাম।
কেউ টাকা দিলে ওখানে রেখে দিতাম।
কিন্তু নিজের টাকা খরচ করতাম না।
আম্মুর কাছ থেকেই চেয়ে বা আব্বুর কাছ থেকেই চেয়ে চেয়ে নিতাম,কিছু খেতে ইচ্ছে হলে।
কিন্তু সেদিন আইসক্রিম ওয়ালা গান বাজাতে বাজাতে চলে যাচ্ছিলো,আর আব্বু আম্মু কাউকেই আমি পাচ্ছিলাম না তাই টাকাটা নেই।
কিন্তু রাতে হঠাৎ আব্বু টাকা খোঁজা শুরু করেন।
ধমকাতে থাকেন আম্মুকে,টাকা গেলো কই।টাকা গেলো কই।
আমি ভয়ে চুপ করে আম্মুর কানে কানে গিয়ে বলি,টাকাটা কয়েলের প্যাকেটে।
আমি নিয়েছিলাম।
কিন্তু কেন বা কিসের জন্য কিছুই বলা হয়নি আর।
আব্বু সেদিন রাগ টাকে কন্ট্রোল করে আমাকে আদর করে বোঝায়,
এইভাবে না বলে কারো কাছ থেকে টাকা বা কোন কিছু নিতে হয়না।
এটাকে তাহলে চুরি বলে।
আর চুরি করলে আল্লাহ্‌ তায়ালা অনেক বড় গুনাহ দেন।
আমি সেদিন বুঝে গিয়েছিলাম চুরি কি।
আর চুরি করলে যে গুনাহ হয়।আর আমি আমার সব বন্ধুদের বলে দিয়েছিলাম চুরি কি আর চুরি করলে কি হয়।
আজ প্রায় ১৬ বছর পরও আমি বাবার পকেটে হাত দেই।এবং প্রতি মাসেই দেই।
কিন্তু বাবার পকেট থেকে টাকা নিতে নয়,বাবার শূন্য পকেটে
টাকা রাখতে।
#বি:দ্র কেউ ভুল করলে তাকে বকাঝকা না করে তাকে বোঝান।ইনশাআল্লাহ সে নিজেকে শুধরে নিবে যদি তার ভেতর মনুষ্যত্ব এবং জ্ঞান বলে কিছু থেকে থাকে।

11/09/2020

জীবন বদলের চেষ্টায় (এমসেন্স)

Address

Bogra
Dhaka

Telephone

01748609900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গল্প কবিতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share