23/05/2020
দ্য সার্জন
#লেখক: টেস গেরিটসেন
#অনুবাদ: সান্তা রিকি (Saanta Riki)
#ধরণ: মেডিকেল থ্রিলার
#প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬
#প্রকাশনী: বাতিঘর
#পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৩৩৫
#মুদ্রিত_মূল্য: ৩২০ টাকা
#কাহিনী_সংক্ষেপ: অদ্ভুত এক খুনী। বিচিত্র তার খুন করার ধরণ। শিকার হিসেবে সে বেছে নেয় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মেয়েদের।
এরপর.....
রাতের অন্ধকারে সে শিকার করতে বের হয়। ডাক্ট টেপ দিয়ে ঘুমন্ত শিকারের মুখ, হাত, পা শক্ত করে বেঁধে ফেলে। হাতে তুলে নেয় স্কালপেল। অত্যন্ত সুনিপুণভাবে কাঙ্ক্ষিত শিকারের তলপেটে স্কালপেল চালায়। জীবিত অবস্থায়ই কেটে বের করে নিয়ে আসে গর্ভাশয়। শিকারের মৃত্যুভয় আর অসম্ভব যন্ত্রণা দেখে সে এক ধরণের পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করে। সবশেষে একটানে সে শিকারের গলা কেটে ফেলে। আর বিজয়ের স্মারক হিসেবে সাথে করে নিয়ে যায় খুন করা নারীর গর্ভাশয়!
সংবাদমাধ্যম তার নাম দিয়েছে “সার্জন”।
ঠিক দুই বছর আগে সাভানাতেও একজন সিরিয়াল কিলারের আবির্ভাব ঘটেছিলো। তার সর্বশেষ শিকার ছিল ট্রমা সার্জন ড. ক্যাথারিন কর্ডেল। কিন্তু সেখানে সে ক্যাথারিনকে খুন করতে পারেনি। বরং ক্যাথারিনের গুলিতেই তার মৃত্যু ঘটে।
তাহলে আজ দুই বছর পর যে বোস্টনে ধারাবাহিকভাবে খুন করে যাচ্ছে সে কে? কিভাবে সে মৃত খুনীর মত হুবহু একই উপায়ে খুন করছে? ড. ক্যাথারিনকেই বা কেন সে খুন করতে চাচ্ছে? কি শত্রুতা তার সাথে? তাহলে কি “সার্জন” সেদিন ক্যাথারিন এর গুলিতে মরেনি? নাকি নিহত খুনীর অনুসরণ করে যাচ্ছে অন্য কেউ? বোস্টন হোমিসাইড ইউনিটের দুই দুর্ধর্ষ ডিটেকটিভ টমাস মুর আর জেন রিজোলি পারবে কি সার্জনকে খুঁজে বের করতে?