15/05/2021
আমের শ্রেষ্ঠত্ব বিচার।।
প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে আমকে বলা হয়েছে শ্রীফল। এই উপমহাদেশের প্রাচীন কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের কাছে আম ফল হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে আসীন, যেখানে কোনো বিতর্ক নেই। কিন্তু সমস্যা ভিন্ন ক্ষেত্রে। আমের রয়েছে হাজারো জাত। আর উৎকৃষ্টতার বিচারে কোন জাতের আম শ্রেষ্ঠ, এটিই হচ্ছে প্রশ্ন।
তবে আম বিশেষজ্ঞ বা আমের সঙ্গে যাঁদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা, তাঁরা জানেন এই প্রশ্নের মীমাংসা অত্যন্ত দুরূহ। এর সমাধান সম্ভবত কোনো দিনই হবে না। এর প্রধান কারণ, সমগ্র বিশ্বে আম এমন একটি ফল, যার জাত রয়েছে অসংখ্য আর উৎকৃষ্টতা ও নানা গুণে গুণান্বিত জাতের সংখ্যারও শেষ নেই। স্বাভাবিকভাবে শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রশ্নটি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মুখ্য বিষয় হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে।
বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর অন্য দেশগুলোতে যে যে জাতের আম উৎপন্ন হচ্ছে, সন্দেহ নেই সেগুলো আকারে বেশ বড়। কোনোটির রং আকর্ষণীয় কিন্তু অধিকাংশই আঁশে ভরা। স্বাদ ও সুগন্ধের মধ্যেও অনেক ফারাক।
আম-সংস্কৃতি আমাদের জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের মধ্যে মিশে একাকার হয়ে আছে। আমরা লক্ষ করি, আম উৎপাদনকারী দেশ বা নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের মানুষদের নিজ নিজ এলাকায় উৎপাদিত উৎকৃষ্ট জাতের আম নিয়ে গর্ব আর অহংকারের শেষ নেই। এরূপ ভাবনা এসেছে আঞ্চলিকতা, জাতীয়তাবোধ এবং সর্বোপরি দেশাত্মবোধ থেকে। বাংলাদেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম নয়, যাঁরা বিশ্বাস করেন বাংলাদেশের ফজলি, ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাতি এগুলোই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ আম।
সুত্রঃ প্রথম আলো
আমরা আপনাদের পছন্দের আম রাজশাহী হতে আর লিচু দিনাজপুরের সরবরাহ করতে বদ্ধ পরিকর।এই বিষয়ে আমরা আপস করে পারবো না,আমাদের পূর্বের ব্যাবসায় আমরা তা কখনো করি নি।আপনাদের তৃপ্তি আমাদের সাফল্য।