Shahazahan shopsbd

Shahazahan shopsbd Shahazahan shopsbd

জঙ্গলে একটা কুকুর রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিল। দূর থেকে একটা বাঘ কুকুরটিকে  দেখে বলল এ তো মনে হচ্ছে খাওয়ার যোগ্য।। এই ধরনের ...
06/09/2026

জঙ্গলে একটা কুকুর রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিল। দূর থেকে একটা বাঘ কুকুরটিকে দেখে বলল এ তো মনে হচ্ছে খাওয়ার যোগ্য।।
এই ধরনের জানোয়ার তো এর আগে কখনো জঙ্গলে দেখিনি। এই ভেবে বাঘটি কুকুরটির দিকে দৌড়ে যেতে শুরু করলো।

বাঘটিকে দেখে কুকুরটিও ভীষণ ঘাবড়ে গেল। কুকুরটির পাশে কিছু হাড্ডি পড়েছিল। পালিয়ে যাওয়ার বদলে সেগুলো দেখে কুকুরটি ভাবতে লাগলো কি করা যায়।
হঠাৎ সে জোরে জোরে বলে উঠলো , বাহ বাঘের মাংস খুব মজাদার।
আরেকটা বাঘ যদি পাওয়া যেত খাওয়ার জন্য, তাহলে খুব ভালো হতো।

এটা শুনে বাঘটি হঠাৎ থেমে গেল এবং মনে মনে ভাবতে লাগলো,
এই জানোয়ারটি তো আমার চেয়েও অনেক শক্তিশালী মনে হচ্ছে।
আমার এখান থেকে চলে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বাঘটি ওখান থেকে চলে যেতে লাগলো।

গাছের উপর বসে এই পুরো ঘটনাটি একটি বানর দেখছিল।
বানরটি সুযোগ বুঝে সুবিধা নেওয়ার জন্য বাঘের কাছে গিয়ে হাজির হলো।
পুরো ঘটনাটি বাঘকে খুলে বলল এবং এর বদলে সারা জীবনের জন্য সুরক্ষা দাবি করল।

বাঘটি তাতে রাজি হয়ে গেল এবং বানরটিকে বলল,
আমার পিঠে উঠে বস। আমরা দুজনে মিলে কুকুরটাকে ধরবো।

দূর থেকে কুকুরটি ওদের আসতে দেখেই পুরো ব্যাপারটি বুঝে গেল এবং সে উপায় খুঁজতে শুরু করল।
হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো এবং সে আবারো জোরে জোরে চিৎকার করতে লাগলো।
বলতে লাগলো, আমি এক ঘন্টা আগে একটা বানরকে পাঠিয়েছিলাম বাঘ ধরে আনার জন্য। বানরটা এখনো আসছে না।
কি করা যায় এখন।

এটা শুনে বাঘ সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে গেল এবং রেগে বানরের উপরে আক্রমণ করতে চাইল।
কোনমতে বানর গাছের উপর লাফ দিয়ে জীবন বাঁচালো।

এভাবেই কুকুরটি তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ভয়ংকর বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করল।

ঠিক এভাবেই জীবনে যতই কঠিন মুহূর্ত আসুক না কেন, নিজের আত্মবিশ্বাস কখনোই হারানো যাবে না।
এসব পরিস্থিতিতে সবসময় নিজের বুদ্ধি এবং জ্ঞান পুরোপুরি প্রয়োগ করতে হবে এবং সবচেয়ে মূল্যবান যে জিনিসটি সেটি হল মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের আশেপাশের বানর গুলোর কাছ থেকে সব সময় সাবধানে থাকতে হবে।

যারা কেবল নিজের স্বার্থটাই বোঝে, যারা স্বার্থের জন্য তোমাদেরকে যেকোন বিপদে ফেলে দিতে পারে।

এইসব বানরগুলোকে চিনতে হবে এবং এদের থেকে দূরে থাকতে হবে।

স্বামী স্ত্রী  দুজনে মিলে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে গেল। ঘুরতে ঘুরতে তারা বানরের খাঁচার সামনে এলো। দেখলো বানর এবং বানরি দুজনে...
03/09/2026

স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে গেল।
ঘুরতে ঘুরতে তারা বানরের খাঁচার সামনে এলো।
দেখলো বানর এবং বানরি দুজনে একসাথে খুব মজা করে খেলাধুলা করছে। বানর বানরের পিছনে পিছনে ঘুরছে। এক মুহূর্তের জন্য একা ছাড়ছে না।

এটা দেখে স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, দেখো এই বানরের জুটিটা কত সুন্দর। একজন আরেকজনকে কত ভালোবাসে। একসাথে কি সুন্দর খেলাধুলা করছে। একজন আরেকজনের সাথে সাথে ঘুরছে।

এই কথা শুনে স্বামী কিছু বলল না।
শুধু একটু মুচকি হাসলো আর বলল চলো সামনের দিক আগাই।
কিছু দূর যেতেই তারা একটা বাঘের খাঁচার সামনে চলে এলো। দেখল বাঘ আর বাঘিনী দুজনে অনেকটা দূরত্ব নিয়ে চুপচাপ বসে আছে।
বাঘটিকে দেখে মনে হল তার সঙ্গীর জন্য কোন চিন্তাই নেই।

এটা দেখে স্ত্রী বলে উঠলো,
আরে এদের মধ্যে দেখছি মোটেও ভালোবাসা নেই। একজন আরেকজনের সাথে কোন সম্পর্কই নেই। কত দূরে দূরে এরা বসে আছে।

এটা শুনে স্বামী মাটি থেকে একটা পাথরের তুলে স্ত্রীর হাতে দিয়ে বলল,
নাও এই পাথরটি বাঘিনীর দিকে ছুড়ে মারো।
স্ত্রী যখনই পাথরটি খাঁচার দিকে ছুড়ে মারল বাঘ এক লাফে বাঘিনীর সামনে এসে দাঁড়িয়ে আঘাত পাওয়া থেকে বাঁচালো ।
এভাবেই সে বাঘিনীর রক্ষা করল।

এখন স্বামী আরেকটি পাথর নিয়ে স্ত্রীকে বলল চলো, সেই বানরের খাঁচার দিকে যাই।
সেখানে গিয়ে স্বামী বলল,
এখন এই পাথরটি তুমি বানরির দিকে ছুড়ে মারো।
স্ত্রী খাঁচার ভেতরে যখনই পাথরটি ছুড়ে মারলো,
বানর এক লাফে নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য গাছের উপর গিয়ে উঠলো।
আর বানরি নিচেই বসে থাকলো।

এটা দেখে স্ত্রী অবাক হয়ে গেল।
তখন স্বামী হেসে তাকে বলল,
কিছু লোক এই বানরের মত হয়।
যারা উপর থেকে খুব ভালোবাসা দেখায়।
কিন্তু কঠিন সময় আসলেই, তার নিজের স্বার্থ রক্ষায় আপন জনকে ছেড়ে চলে যায়।

আর কিছু লোক এমন হয়,
যারা সব সময় ভালোবাসার প্রকাশ করে না কিন্তু প্রয়োজনের সময়,
জীবনের কঠিন সময়ে,
আপন জনকে রক্ষা করার জন্য বাঘের মত তার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

সত্যি কারে ভালোবাসা আসলে দেখাতে হয় না।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পাশে থাকলেই তাকে সত্যিকারের ভালোবাসা বলে।

03/09/2026

,,চেষ্টাটা আমাদের হাতে থাকলেও ভাগ্যটা আমাদের হাতে নেই,,,

21/08/2026

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, শহরে কুকুর কমাতে হবে, গ্রামে রাস্তার পাশে ড্রেন তৈরি করতে হবে।

04/08/2026

এক বৃদ্ধ মহিলা বাদশাহর দরবারে গিয়ে ফরিয়াদ জানালো, হে বাদশাহ আমার ফরিয়াদ হলো, আমার ঘরে কোন পোকামাকড় নেই। যদি আপনি পোকামাকড়ের ব্যবস্থা করতেন।

দরবারে উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে গেল। তারা ভাবল, বাদশার দরবারে কেউ আসলে, তারা তাদের দুঃখের কথা বলে। কষ্টের কথা বলে। কিন্তু এই বৃদ্ধা তার ঘরে পোকামাকড় চাচ্ছে?

বাদশা সেই বৃদ্ধ মহিলাকে তার ঘরের ঠিকানা দিয়ে যেতে বললেন এবং আরো বললেন, তোমার ফরিয়াদ পূরণ করা হবে।

দরবারের সবাই অবাক হয়ে গেল।
তার মানে কি?
বাদশা সত্যি সত্যি পোকামাকড় পাঠাবেন নাকি?
এ কেমন কথা?

বাদশা তখন তার লোকদের বললেন,, এই বৃদ্ধ মহিলার বাড়ি পৌছাবার আগেই তার বাড়িতে আটা, দুধ, চিনি, সবজি, মাছ, মাংস পাঠিয়ে দাও।

দরবারে উপস্থিত লোক বলল, কিন্তু বাদশা, সে তো পোকামাকড়ের কথা বলেছে।

বাদশা হেসে বললেন, যেই ঘরে খাবারের কোন জিনিস না থাকে, সেখানে পোকামাকড়ের কি কাজ?

ঠিক তেমনি বাদশা বা যিনি দেশ চালান এবং যারা ঘরের বয়জষ্ঠ ব্যক্তি তাদের এমন হওয়া উচিত যে, তাদের আশেপাশের মানুষের কষ্ট তারা যেন ইশারাতেই বুঝতে পারেন।
তাদেরকে মুখে বলে বোঝানোর প্রয়োজন না হয়।

আর যার মধ্যে এই ধরনের উপলব্ধি আছে সেই কেবল বড় হওয়ার যোগ্য।

হোক সে আমাদের ঘরের বড়।
হোক সে দেশের প্রধান।

এই আবেগ থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।।।
13/07/2026

এই আবেগ থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।।।

11/07/2026
📌এই সেই পৃথিবী কাঁপানো আলোকচিত্র যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই আত্মহত্যা করেছিলেন! ছবিতে একটি শকুন বসে আছে কঙ্কালসার এক শ...
29/09/2025

📌এই সেই পৃথিবী কাঁপানো আলোকচিত্র যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই আত্মহত্যা করেছিলেন! ছবিতে একটি শকুন বসে আছে কঙ্কালসার এক শিশুর মৃত্যুর অপেক্ষায়, যেন মারা গেলেই সে ঝাঁপিয়ে পড়বে লক্ষ্যবস্তুর উপর! ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার।

১৯৯৩ সালের মার্চ মাস। দুর্ভিক্ষ পীড়িত সুদান। কোথাও একফোঁটা দানা নেই। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর শিশুটি এক মুঠো খাবারের সন্ধানে আয়োদ শহর থেকে আধা মাইল দূরে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। এক পর্যায়ে সে তার মৃতপ্রায় নিথর দেহটি নিয়ে উবু হয়ে মাটিতে মাথা রেখে বসে পড়ে। ঠিক তখন পাশ থেকে একটা শকুন লোলুপ দৃষ্টি হেনে শিশুটির মাংস ভক্ষণ করার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে।

এই ছবি The New York Times প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ১৯৯৪ সালে সেরা ফিচার ফটোগ্রাফির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি। কিন্তু ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার পুরস্কার জেতার ৪ মাসের মাথায় মাত্র ৩৩ বছর বয়সে আত্মহত্যা করে বসেন। পরে জানা যায় ছবিটি তোলার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন! মৃত্যুর আগে ছবিটির বিষয়ে কেভিন কার্টার তার ডায়রিতে লিখেছিলেন :

"হে পরম করুণাময়, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি খাবার তা সে যত খারাপ স্বাদেরই হোক না কেন আমি সেটা নষ্ট করব না, এমনকি আমার পেটে ক্ষুধা না থাকলেও না! আমি প্রার্থনা করি, আমরা চারপাশের পৃথিবীর প্রতি আরো সংবেদনশীল হব এবং আমরা আমাদের ভেতরের স্বার্থপরতা এবং সংকীর্ণতা দ্বারা অন্ধ হয়ে যাব না। আমি আরো প্রার্থনা করি, তুমি ওই ছোট্ট ছেলেটিকে রক্ষা করবে, পথ দেখাবে আর ওকে ওর দুঃখ থেকে মুক্তি দেবে। এই ছবি যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয় ওই শিশুটির তুলনায় তারা কতটা ভাগ্যবান, কারণ তোমার করুণা ছাড়া কারো ভাগ্যে একটি দানাও জোটে না। বিদায়!"

Address

Dinajpur City
Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahazahan shopsbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share