Rehan's Wave

Rehan's Wave A Creative Man Fashion Zone . You Can Find here Exclusive Imported Sunglass , Wallet , Watches , Fashion wires and Your Prayer tools .

।🌌 জোনাকি পোকার অহংকার ও একটি জীবনমুখী শিক্ষা 🐜এক গভীর অমাবস্যার রাতে, একটি ছোট্ট জোনাকি পোকা বাগানের ডালপালায় ডানা মেলে...
03/08/2026

।🌌 জোনাকি পোকার অহংকার ও একটি জীবনমুখী শিক্ষা 🐜এক গভীর অমাবস্যার রাতে, একটি ছোট্ট জোনাকি পোকা বাগানের ডালপালায় ডানা মেলে মনের সুখে উড়ছিল। সে যখনই ডানা ঝাপটাচ্ছিল, তার শরীর থেকে ঠিকরে বের হচ্ছিল সোনালী আলোর ছটা।চারপাশের ঘুটঘুটে অন্ধকার দেখে জোনাকিটার মনে ভীষণ অহংকার হলো। সে বুক ফুলিয়ে ভাবল— "এই বিশাল পৃথিবীতে আমার আলোর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে? চাঁদ-তারা তো অনেক দূরে থাকে, এই বাগানের আসল রাজা তো আমিই! আমার একার আলোতেই পুরো অন্ধকার দূর হয়ে যাচ্ছে।" ✨জোনাকির এই অহংকারী কথাগুলো গাছের নিচে বসে শুনছিল একটি ছোট্ট পিঁপড়ে। পিঁপড়েটি আলতো হেসে জোনাকিকে ডেকে বলল— "ভাই জোনাকি, তোমার আলো সত্যিই খুব চমৎকার। কিন্তু একটু ভেবে দেখেছ কি? তোমার এই ছোট্ট আলো দিয়ে কি পুরো পৃথিবীর অন্ধকার দূর করা সম্ভব?"জোনাকি পোকাটি দম্ভের সাথে বলল— "কেন নয়? আমি তো একাই আলো দিচ্ছি!" 🤨ঠিক তখনই হঠাৎ ঝিরঝিরে বাতাস বইতে শুরু করল। আর ঝোপঝাড়ের আড়াল থেকে একে একে হাজারো, লক্ষ লক্ষ জোনাকি পোকা ডানা মেলে আকাশে উড়ে বেড়াতে লাগল। মুহূর্তে পুরো বাগানটি যেন আলোর এক মায়াবী রাজ্যে পরিণত হলো! 🌟পিঁপড়েটি তখন জোনাকিকে বলল— "দেখো ভাই, একা তুমি কিন্তু পুরো পথ আলোকিত করতে পারোনি। যখন তোমরা সবাই একসাথে মিললে, তখনই কেবল এই অন্ধকার জয় করা সম্ভব হলো। আমাদের ছোট ছোট অস্তিত্ব আর সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই কিন্তু এই দুনিয়াটাকে সুন্দর করে তোলে।" 🤝জোনাকি পোকাটি নিজের ভুল বুঝতে পারল এবং লজ্জায় মাথা নিচু করল। সে বুঝল, একা কোনো বড় কৃতিত্ব অর্জন করা যায় না।

21/07/2026
সুবহান আল্লাহ
19/07/2026

সুবহান আল্লাহ

ফজিলতপূর্ণ সকালের দোয়া: "আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা, ওয়া বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা নাহয়া, ওয়া বিকা নামুতু, ওয়া ইলাইকান নুশুর...
15/07/2026

ফজিলতপূর্ণ সকালের দোয়া: "আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা, ওয়া বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা নাহয়া, ওয়া বিকা নামুতু, ওয়া ইলাইকান নুশুর।
"অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার অনুগ্রহেই আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, আপনার অনুগ্রহেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই। আপনার হুকুমেই আমরা জীবিত থাকি, আপনার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করব এবং আপনার কাছেই আমাদের পুনরুত্থান।
৩টি শক্তিশালী সকালের আমল ।।
ফজরের নামাজ: দিনের শুরুতেই আল্লাহর দরবারে হাজিরা দেওয়া।
সূরা ইয়াসিন পাঠ: সকালে সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করলে সারাদিনের কাজ সহজ হয়।
৩ বার ইস্তিগফার: “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়ে দিনের গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়া।

🤔🤔🤔
14/07/2026

🤔🤔🤔

😅😅
12/07/2026

😅😅

কি হয়🤔🤔🤔
12/07/2026

কি হয়🤔🤔🤔

হযরত মুসা (আ.) একবার আল্লাহ তা'আলার কাছে আরজকরলেন,হে-দয়াময় প্রভু!আমার উম্মতের মধ্যে কে সবচেয়ে' খারাপ ব্যক্তি আমাকে দে...
12/07/2026

হযরত মুসা (আ.) একবার আল্লাহ তা'আলার কাছে আরজকরলেন,হে-দয়াময় প্রভু!
আমার উম্মতের মধ্যে কে সবচেয়ে' খারাপ ব্যক্তি আমাকে দেখিয়ে দিন। অদৃশ্য থেকে আওয়াজ এলো, আগামীকাল সকালে তুমি পথের ধারে বসে থেকো। যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তিই হলো তোমার উম্মতের
সবচেয়ে' খারাপ।
হযরত মুসা (আ.) ঠিক সময়মত নির্দিষ্টস্থানে বসলেন।
কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি একটি ছোট ছেলে কোলে
করে তাঁকে অতিক্রম করলো। হযরত মুসা (আ.) তাকে দেখে
মনে মনে বললেন, ওহ্ এই ব্যাক্তিই আমার উম্মতের মধ্যে
সবচেয়ে 'খারাপ!
কিছুক্ষণ পর হযরত মুসা (আ.) এর ইচ্ছা হলো তাঁর উম্মতের সবচেয়ে' ভালো ব্যাক্তিকে দেখতে। আল্লাহ'র নিকট এবার আরজ করলেন, হে-দয়াময় প্রভু ! এবার আমার উম্মতের মধ্যে কে সবচেয়ে' ভালোব্যাক্তি আমাকে দেখান।
আওয়াজ এলো, হে- মুসা! পথের ধারে বসো, সন্ধ্যা বেলায় যে ব্যাক্তি সর্বপ্রথম আসবে, সে-ই হলো তোমার উম্মতের মধ্যে সবচে'ভালো।
সন্ধ্যা বেলায় হযরত মুসা (আ.) নির্দিষ্ট স্থানে বসলেন। কিছুক্ষণ পর দেখলেন সকালের সে ব্যাক্তি-ই ছোট
ছেলেকে কোলে করে ফিরতি পথে আসছে।
তাকে দেখে হযরত মুসা (আ.) অত্যন্ত অবাক হলেন এবং গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।
হযরত মুসা (আ.) আল্লাহ'র নিকট আরজ করলেন,
হে-দয়াময় প্রভু! আমি এ কী দেখতেছি! সকালে যে সবচেয়ে 'খারাপ ছিলো, সন্ধ্যায় সে কিভাবে সবচেয়ে 'ভালো হয়ে গেলো?
অদৃশ্য থেকে মহান আল্লাহ উত্তর দিলেন, হে- মুসা!
সকালেযখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো,
তখন ছেলে তাকে প্রশ্ন করে ছিলো,
বাবা! এই জঙ্গল কতবড়? সে ব্যক্তি উত্তরে বলেছিলো, অনেক বড়। ছেলে আবার প্রশ্ন
করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ !
ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো, পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ। ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে? সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়।
ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা! তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই? তখন সেই ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে কান্না করে লজ্জিত হয়ে গম্ভীর সুরে বললো, আছে বাবা! আমার পাপ থেকেও আল্লাহ'র রহমত অনেক বড়।
হে-মুসা!
এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতো পছন্দ হয়েছে যে,আমি তাঁকে তোমার উম্মতের সবচেয়ে 'খারাপ ব্যক্তিকে সবচেয়ে' ভালো ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।আল্লাহু আকবার।
শিক্ষাঃ আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হবেন না, আপনার পাপ যত বড়ই হোকনা কেন আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড় , তাই যখনি নিজের ভুল বুঝতে পারবেন তখনই সাথে সাথে আল্লাহর দরবারে তওবা করবেনে এবং পূর্বের গোনাহ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করবেন ইনশা আল্লাহ দয়াময় আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিবেন।

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা কর...
11/07/2026

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা করত, আবার গুনাহে লিপ্ত হতো। এভাবে সে সত্তর বারের অধিক তওবা করেছে এবং প্রতিবারই তা ভঙ্গ করেছে।

জীবনের শেষ মুহূর্তে যখন তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল, সে তার মাকে বলল—"মা, দয়া করে হযরত হাসান বসরি রহ. এর কাছে যাও। তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, যাতে আমি শেষবারের মতো তার হাতে তওবা করতে পারি। হয়তো আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন।"

বৃদ্ধা মা হাসান বসরি রহ. এর কাছে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, "আমি আব্বাসের মা। আমার ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সে আপনার হাতে তওবা নবায়ন করতে চায়।"

হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, বারবার তওবা ভাঙলে মানুষের মনে পাপের প্রতি ভয় কমে যায়। তাই তিনি তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এবং তার মনে সত্যিকার অনুশোচনা জাগানোর জন্য কঠোরতা দেখালেন। তিনি বললেন: "যাও, এমন লোকের আমার কোনো প্রয়োজন নেই, যে বারবার তওবা করে আর তা ভাঙে।"

মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এসে ছেলেকে জানালেন: "বাবা! তোমার খারাপ কাজের কারণে শায়খ আসতে রাজি হননি।"

এ কথা শুনে আব্বাস আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল,
"হে আমার ইলাহ! হে আমার মাওলা! শায়খ ( হযরত হাসান বসরি রহ.) আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিও না। তুমি আমার আশা ভেঙো না।"

সে মাকে বলল: "মা! আমি মারা গেলে তুমি আমার কপালে পা রেখো এবং আমার গলায় রশি বেঁধে আমাকে বাজারের রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেও। আর বলবে, 'যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার শাস্তি এটাই।' হয়তো আল্লাহ আমার এই অপমান দেখে দয়া করবেন।" এ কথা বলেই আব্বাস ইন্তেকাল করল।

মা যখন তার কপালে পা রাখতে উদ্যত হলেন, তখন তিনি যেন একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন,
"থামো! সিজদার জায়গায় (কপালে) পা রেখো না। জেনে রেখো, আল্লাহ তা’আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন।" মা খুশি হয়ে তাকে গোসল দিয়ে দাফন করলেন।

সেদিন রাতে হযরত হাসান বসরি (রহ.) এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখলেন। কেউ তাঁকে বলছেন,
"হে হাসান! তোমাকে কিসে বাধ্য করল আমার বান্দাকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করতে? আমিই তো তাকে সৃষ্টি করেছি এবং আমার রহমত সব কিছুকে ঘিরে আছে। আমার ইজ্জতের কসম! ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করলে তোমাকেও ছাড় দেয়া হবে না ।"

আল্লাহর রহমত মানুষের ধারণার চেয়েও বিশাল। কোনো পাপী বারবার তওবা ভাঙলেও তাকে নিরাশ করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন

[সূত্র: আয যাহরুল ফাতিহ- ইবনুল জাওযি রহ.]

Address

60 West Dolair Par
Gandaria
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rehan's Wave posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rehan's Wave:

Shortcuts

Share