07/10/2025
🖐️দাওয়াতি কাজ তো অবশ্যই করতে হবে, তবে দাওয়াতি কাজের পূর্বে এই হাদিসটি একবার পড়ে নিন দাওয়াত দিতে গিয়ে নিজে জাহান্নামী হচ্ছেন না ত❓‼️
📜 হাদীস
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ
«بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً، وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
(رواه البخاري ৩৪৬১، وصححه الألباني في السلسلة الصحيحة رقم ৫)
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযি.) হতে বর্ণিত —
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“তোমরা আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াতই হয়।
আর বনী ইসরাইলের বিষয়ে বর্ণনা করতে পারো, এতে কোনো দোষ নেই।
কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন নিজের জাহান্নামের ঠিকানা প্রস্তুত করে নেয়।”
✅সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
1. “بلغوا عني ولو آية” —
অর্থাৎ, ইসলামি জ্ঞান ও কুরআনের দাওয়াত প্রচার করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। যতটুকু জানো, ঠিকভাবে সেটুকু পৌঁছে দাও; বড় আলেম না হলেও দাওয়াতের কাজ করা যাবে।
2. “وحدثوا عن بني إسرائيل ولا حرج” —
বনী ইসরাইলের কাহিনি বা ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে, যতক্ষণ তা শরিয়তের মূলনীতির বিরোধী নয়।
3. “ومن كذب علي متعمداً” —
রাসূলুল্লাহ ﷺ-র নামে মিথ্যা কথা বলার কঠিন শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে — এটি জাহান্নামের কারণ হতে পারে।
তাই হাদীস বর্ণনা বা প্রচারের আগে সত্যতা যাচাই করুন।