01/06/2026
"জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।" — পরম এক চিরন্তন সত্য।
মানুষের জীবনের এক অদ্ভুত এবং নির্মম বাস্তবতার নাম "সমাজ"। বেঁচে থাকতে যে মানুষটার ছোট একটা ভুল খুঁজে বের করার জন্য একদল মানুষ আতশিকাচ নিয়ে বসে থাকে, সে মানুষটাই বুক ভরে শেষ নিঃশ্বাসটি ত্যাগ করার পর
—হঠাৎ করেই সবার প্রিয় হয়ে ওঠে!প্রবাদ আছে না? "জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।"আমরা এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে জীবিত মানুষের মেধা, ত্যাগ কিংবা ভালো কাজের মূল্যায়ন করতে আমাদের বড্ড কার্পণ্য। কেউ একটু এগিয়ে যেতে চাইলে তার পা টেনে ধরার মানুষের অভাব হয় না। তার কাজের পেছনে হাজারটা খুঁত বের করা, আড়ালে নিন্দা করা, কিংবা তাকে টেনে নিচে নামানোর এক প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে সমাজ। জীবিত থাকা অবস্থায় মানুষের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে আমাদের অহংকার আর হিংসায় বাঁধে।অথচ, মৃত্যুর অমোঘ নিয়মে যখন সেই মানুষটাই চিরদিনের জন্য চোখ বন্ধ করে ফেলে, তখন যেন জাদুর মতো সবকিছু বদলে যায়!যে শত্রু জীবিত অবস্থায় এক কাপড়ে বিদায় করতে চেয়েছিল, সেও এসে কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে— "মানুষটা কিন্তু মনে কোনো প্যাঁচ রাখেনি, মনটা খুব পরিষ্কার ছিল!" যে সমাজ জীবিত থাকতে তাকে কোনোদিন একটুখানি মানসিক শান্তি দেয়নি, সেই সমাজই তার মৃত্যুর পর গুণগানের জোয়ার ভাসায়। স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা চলে— আমরা কত ভালো একজন মানুষকে হারালাম!কিন্তু লাভ কী? এই শেষ বিকেলের প্রশংসা কি সেই মানুষটা শুনতে পাচ্ছে? এই স্তুতিবাক্য কি তার কোনো উপকারে আসছে?
আসুন একটু ভাবি : নিন্দা করার জন্য মানুষ বেঁচে থাকার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালোবাসার কথা জানানোর জন্য, মানুষকে আপন করে নেওয়ার জন্য তার বেঁচে থাকাটা খুব জরুরি। মৃত্যুর পর সাদা কাফনে মোড়ানো লাশের প্রশংসা করার চেয়ে, বেঁচে থাকতে মানুষকে একটু সম্মান জানানো, একটু ভালো কথা বলা অনেক বেশি দামি।কাউকে ভালোবাসলে, কারো কাজের তারিফ করতে চাইলে তা আজই করুন, সে বেঁচে থাকতেই করুন। মৃত্যুর পর শত্রুও কাঁদে, কিন্তু সেই কান্নায় কোনো প্রাণ থাকে না, থাকে কেবলই এক আনুষ্ঠানিকতা।আসুন, জীবিত মানুষকে ভালোবাসতে শিখি। পিঠ পিছে নিন্দা নয়, সামনাসামনি প্রশংসা করার মানসিকতা তৈরি করি।
"জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।" — পরম এক চিরন্তন সত্য।
মানুষের জীবনের এক অদ্ভুত এবং নির্মম বাস্তবতার নাম "সমাজ"। বেঁচে থাকতে যে মানুষটার ছোট একটা ভুল খুঁজে বের করার জন্য একদল মানুষ আতশিকাচ নিয়ে বসে থাকে, সে মানুষটাই বুক ভরে শেষ নিঃশ্বাসটি ত্যাগ করার পর
—হঠাৎ করেই সবার প্রিয় হয়ে ওঠে!প্রবাদ আছে না? "জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।"আমরা এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে জীবিত মানুষের মেধা, ত্যাগ কিংবা ভালো কাজের মূল্যায়ন করতে আমাদের বড্ড কার্পণ্য। কেউ একটু এগিয়ে যেতে চাইলে তার পা টেনে ধরার মানুষের অভাব হয় না। তার কাজের পেছনে হাজারটা খুঁত বের করা, আড়ালে নিন্দা করা, কিংবা তাকে টেনে নিচে নামানোর এক প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে সমাজ। জীবিত থাকা অবস্থায় মানুষের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে আমাদের অহংকার আর হিংসায় বাঁধে।অথচ, মৃত্যুর অমোঘ নিয়মে যখন সেই মানুষটাই চিরদিনের জন্য চোখ বন্ধ করে ফেলে, তখন যেন জাদুর মতো সবকিছু বদলে যায়!যে শত্রু জীবিত অবস্থায় এক কাপড়ে বিদায় করতে চেয়েছিল, সেও এসে কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে— "মানুষটা কিন্তু মনে কোনো প্যাঁচ রাখেনি, মনটা খুব পরিষ্কার ছিল!" যে সমাজ জীবিত থাকতে তাকে কোনোদিন একটুখানি মানসিক শান্তি দেয়নি, সেই সমাজই তার মৃত্যুর পর গুণগানের জোয়ার ভাসায়। স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা চলে— আমরা কত ভালো একজন মানুষকে হারালাম!কিন্তু লাভ কী? এই শেষ বিকেলের প্রশংসা কি সেই মানুষটা শুনতে পাচ্ছে? এই স্তুতিবাক্য কি তার কোনো উপকারে আসছে?
আসুন একটু ভাবি : নিন্দা করার জন্য মানুষ বেঁচে থাকার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালোবাসার কথা জানানোর জন্য, মানুষকে আপন করে নেওয়ার জন্য তার বেঁচে থাকাটা খুব জরুরি। মৃত্যুর পর সাদা কাফনে মোড়ানো লাশের প্রশংসা করার চেয়ে, বেঁচে থাকতে মানুষকে একটু সম্মান জানানো, একটু ভালো কথা বলা অনেক বেশি দামি।কাউকে ভালোবাসলে, কারো কাজের তারিফ করতে চাইলে তা আজই করুন, সে বেঁচে থাকতেই করুন। মৃত্যুর পর শত্রুও কাঁদে, কিন্তু সেই কান্নায় কোনো প্রাণ থাকে না, থাকে কেবলই এক আনুষ্ঠানিকতা।আসুন, জীবিত মানুষকে ভালোবাসতে শিখি। পিঠ পিছে নিন্দা নয়, সামনাসামনি প্রশংসা করার মানসিকতা তৈরি করি।
#আত্মসমালোচনা
#বাস্তবতা #জীবনবোধ #মনুষ্যত্ব #সমাজ #অনুপ্রেরণ
#বাস্তবতা #জীবনবোধ #মনুষ্যত্ব #সমাজ #অনুপ্রেরণা