Solaiman Hossain

Solaiman Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Solaiman Hossain, Gazipur.

04/06/2026

"প্রকৃতির রঙের জাদু! কেউ কি এই অসম্ভব সুন্দর পাখিটির নাম বলতে পারবেন?
​কমেন্টে জানান তো দেখি কার ধারণা সঠিক হয়!

"একটি বাঁকা গাছ তার নিজের জীবন যাপন করে, কিন্তু একটি সোজা গাছ কাঠে পরিণত হয়।"জীবনটা অনেকটা গাছের মতো।যে গাছটা সবসময় সোজা...
03/06/2026

"একটি বাঁকা গাছ তার নিজের জীবন যাপন করে, কিন্তু একটি সোজা গাছ কাঠে পরিণত হয়।"
জীবনটা অনেকটা গাছের মতো।

যে গাছটা সবসময় সোজা হয়ে থাকে, নিয়ম মেনে চলে, কারও কথায় নড়ে না — মানুষ তাকে খুব পছন্দ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কেটে ফেলা হয়, কাঠ হয়ে যায়। আসবাবপত্র বানানো হয়, আর কেউ হয়তো তার কথা মনেও রাখে না।

আর যে গাছটা একটু বাঁকা, একটু আলাদা, ঝড়ে নুয়ে পড়ে আবার উঠে দাঁড়ায়, নিজের মতো করে বেড়ে ওঠে — তাকে অনেকে পাগল বলে, অনেকে অসুবিধার বলে। কিন্তু সে তার নিজস্বতা ধরে রাখে। সে পাখির আশ্রয় দেয়, ছায়া দেয়, ফুল ফোটায়, ফল ধরায়। সে পুরোপুরি বেঁচে থাকে।

জীবনে সবসময় সোজা হয়ে চলতে গেলে অনেক সময় নিজেকে হারিয়ে ফেলতে হয়।
সমাজের ছাঁচে নিজেকে ঢেলে সাজাতে গিয়ে নিজের স্বপ্ন, নিজের আনন্দ, নিজের সত্তাকে কেটে ফেলতে হয়।

কিন্তু যারা সাহস করে নিজের মতো করে বাঁচে, একটু বাঁকা হলেও নিজেকে অটুট রাখে — তারাই আসলে সত্যিকারের জীবন উপভোগ করে। তারাই ইতিহাসে থেকে যায়।

তাই আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন:
আপনি কোন গাছ হতে চান?
সোজা গাছ, নাকি বাঁকা গাছ যে নিজের মতো করে বেঁচে আছে?
নিজের শেকড়কে শক্ত করুন।
নিজের মতো করে বাঁচুন। বাঁকা হলেও সুন্দর হোন। 💚@
আপনার মতামত কমেন্টে জানান 👇
নিজের মতো থাকতে গিয়ে আপনি কোন কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন?
#নিজেরমতোবাঁচা #জীবনেরদর্শন #বাঁকাগাছ

জীবনে প্রচুর বারাকাহ দরকার.. বারাকাহ থাকলে জীবন সহজ হয়, সুন্দর হয়। বারাকাহ আনার জন্য এই কাজগুলো অবশ্যই আমলে রাখবেন ইনশাআ...
02/06/2026

জীবনে প্রচুর বারাকাহ দরকার..

বারাকাহ থাকলে জীবন সহজ হয়, সুন্দর হয়। বারাকাহ আনার জন্য এই কাজগুলো অবশ্যই আমলে রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

১। ঘরে প্রবেশ করলে সবসময় সালাম দিবেন। তিরমিজির হাদীসে আছে, তুমি যখন তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করো, তখন সালাম দাও। এতে তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর বরকত নাযিল হবে। এমনকি ঘরে কেউ না থাকলেও সালাম দিয়ে ঢুকবেন। এটাও সুন্নাহ।

২। বিসমিল্লাহ বলে ঘরে ঢুকবেন। আল্লাহর নবী বলেছেন, আল্লাহর নাম নিয়ে ঘরে ঢুকলে শয়তান তখন তার সাথীদের বলে এখানে তোমাদের আর জায়গা নেই। এভাবে শয়তান দূরে সরে যায় ঘর পবিত্র থাকে, অশান্তি কমে।

৩। আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখতে হবে। মায়েদের ফুপুদের সাথে সম্পর্ক খারাপ তো বাবাদের চাচা/মামাদের সাথে রেশারেশি থাকে। বলে কয়ে মিটমাটের চেষ্টা করবেন। রিজিক আটকে থাকার জন্য এটা অনেক বড় একটা কারণ।

৪। বাজার থেকে কিছু কিনে আনলে সবাই একসাথে ভাগাভাগি করে খাবেন। উপার্জনের অর্ধেক চলে যায় খাবার যোগান দিতে এজন্য খাবারে পিছনে অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে এবং বরকত চাইলে একসাথে খাওয়া জরুরি। আল্লাহর নবী বলেছেন, তোমরা একসাথে খাও তাহলে তোমাদের খাবারে বরকত হবে।

৫। স্বামী ভালো তো শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভালোনা। আবার শ্বশুরবাড়ির সবাই ভালো হলে স্বামীর দোষ থাকে। কখনো সব ঠিক কিন্তু সংসারের টানাপোড়েন এমন সব অবস্থাতেই বুক ভরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন। সূরা ইব্রাহিমে আল্লাহর কালাম আছে এব্যাপারে, যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব।

৬। বাচ্চাকাচ্চা, স্বামী-সংসার সবকিছুর উর্ধ্বে ফরজ আমল যথাসময়ে পালন করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এইটা মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট।

৭। গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কারণ গুনাহের কারণে আল্লাহর রাগ, আযাব পতিত হয়। একজনের গুনাহের কারণে পরিবারের সবার উপর পরীক্ষা চলে আসে। এজন্য কখনো অভাব দেখা দিলে সবাইকে নিয়ে তাওবা করা ও আমল বাড়িয়ে দেওয়া।

৮। ইস্তেগফার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবেনা। দৈনিক কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার পড়বেন। ইস্তেগফারের ফজিলত বলে শেষ করা যাবেনা। এর উসিলায় সম্পদ, সন্তান, রহমত বর্ষন হয়। বালা-মুসিবত, দুশ্চিন্তা দূর হয়, গুনাহ মাফ হয়। রিজিকেও বরকত আসবে ইনশাআল্লাহ।

৯। প্রত্যেকদিন সামান্য হলেও দান করার অভ্যাস করবেন। দানে সম্পদ কমেনা বরং সম্পদ পবিত্র হয়। তখন সম্পদে প্রচুর বারাকাহ আসবে অল্প সম্পদই যথেষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া প্রতিদিন সকালে দুইজন ফেরেশতা নেমে আসেন তারা বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! যে দান করে তাকে আরও দাও। আর ফেরেশতারা হলেন নিষ্পাপ তাদের দুআ মাকবুল।

১০। ফজরের পর ঘুমাবেন না এই সময়টায় প্রচুর বরকত। রিজিক, কাজ, পড়াশোনা সবকিছুতে। কারণ রাসূল (সাঃ) বিশেষভাবে দোয়া করেছেন এভাবে যে, হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য তাদের সকালবেলায় বরকত দান করুন।

বারাকাহ মানে শুধু টাকা-পয়সার প্রাচুর্য নয়। বারাকাহ হলো কম থাকলেও তাতে তৃপ্তি পাওয়া, কঠিন কাজও সহজে সম্পন্ন হয়ে যাওয়া, আর অল্প জিনিসেই হৃদয়ের প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া।

তাইতো জীবন সহজ করতে হলে প্রচুর বারাকাহ দরকার। এ জন্য আমলগুলো ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ।

লেখিকা: সাদিয়া সামহা আপু

মিশুক হতে হতে একটা জিনিস বুঝলাম—জীবনে একটু অহংকারও দরকার।সব মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়াটা সব সময় ভালো গুণ নয়। কারণ ...
01/06/2026

মিশুক হতে হতে একটা জিনিস বুঝলাম—জীবনে একটু অহংকারও দরকার।

সব মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়াটা সব সময় ভালো গুণ নয়। কারণ সবাই আপনার সরলতা, আন্তরিকতা আর ভালো ব্যবহারের মূল্য দিতে জানে না। কেউ কেউ আপনার ভদ্রতাকে দুর্বলতা ভাবে, আপনার নরম স্বভাবকে সুযোগ হিসেবে নেয়, আর আপনার সহজলভ্যতাকে গুরুত্বহীন মনে করে।

এক সময় আমি ভাবতাম, সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই কারও ডাকে না বলতে পারতাম না, কারও কষ্ট দেখলে দূরে থাকতে পারতাম না, সবাইকে আপন করে নিতে চাইতাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বুঝলাম, সবাই আপন হয় না। কিছু মানুষ শুধু প্রয়োজনের সময় পাশে আসে, আর প্রয়োজন শেষ হলে আপনাকে ভুলে যায়।

তাই এখন মনে হয়, জীবনে একটু আত্মসম্মানবোধের অহংকার থাকা দরকার। সেই অহংকার, যা আপনাকে নিজের মূল্য বুঝতে শেখায়। সেই অহংকার, যা আপনাকে বলে দেয় কোথায় থামতে হবে, কাকে গুরুত্ব দিতে হবে আর কাকে দূরত্বে রাখতে হবে।

সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের শান্তি হারিয়ে ফেলার কোনো মানে নেই। সবাইকে নিজের জীবনে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। কিছু দূরত্ব, কিছু নীরবতা, আর কিছু সীমারেখা মানুষের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আজকাল তাই সবার সঙ্গে মিশি না, সবার কথায় নিজেকে বদলাই না, আর সবাইকে নিজের গল্প জানাতেও ইচ্ছা করে না। কারণ বুঝে গেছি, মূল্যবান জিনিস সব সময় সহজলভ্য হয় না। নিজের সম্মান, নিজের সময় আর নিজের ব্যক্তিত্বেরও একটা মূল্য আছে।

মিশুক হয়ে বুঝলাম—জীবনে একটু অহংকার থাকা দরকার। সহজে সবার সঙ্গে মেশার প্রয়োজন নেই। কারণ সবাই আপনার উপস্থিতির যোগ্য নয়, আর আপনার শান্তির চেয়ে মূল্যবান কিছুই নয়।

🖤 নিজের মূল্য নিজেই বুঝুন। সবাইকে নয়, সঠিক মানুষদের জন্য নিজেকে উন্মুক্ত রাখুন।

#জীবন_উপলব্ধি #আত্মসম্মান #বাস্তবতা #জীবনেরকথা #ফেসবুকপোস্ট ানসিকতা

কবরের উপর ভিড় হইলেই বা কি!যে মরে গেল, সে তো পুরোপুরি একা।জানাজায় হাজারো মানুষ আসুক, কবরের পাশে লাইন পড়ুক, ফুলের তোড়া আর ...
01/06/2026

কবরের উপর ভিড় হইলেই বা কি!
যে মরে গেল, সে তো পুরোপুরি একা।
জানাজায় হাজারো মানুষ আসুক, কবরের পাশে লাইন পড়ুক, ফুলের তোড়া আর কান্নার রোল উঠুক—তবুও যে চলে গেছে, সে একদম একা। কেউ তার সাথে যেতে পারবে না। না ভালোবাসার মানুষটা, না ছেলে-মেয়ে, না বন্ধু, না কেউ।

যতই বড় বাসা, গাড়ি, টাকা, সম্মান, ফলোয়ার আর প্রতিপত্তি থাকুক—শেষ পর্যন্ত একটা সরু কবরেই সব শেষ। ছয় ফুট মাটির নিচে একা শুয়ে থাকতে হবে। সেখানে কোনো এসি নেই, কোনো মোবাইল নেই, কোনো স্ট্যাটাস নেই, কোনো লাইক নেই।

আজ যাদের জন্য আমরা রাত জেগে অফিস করি, সম্পর্ক নষ্ট করি, মানুষের সাথে ঝগড়া করি, টাকার পেছনে ছুটি—কালকে তারা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দু’এক ফোঁটা চোখের পানি ফেলে চলে যাবে। আর আমরা থাকব একা। একদম একা।
তাই এখনো সময় আছে।

যাদের ভালোবাসি, তাদের সাথে সময় কাটাই।
যাদের সাথে রাগ করে আছি, তাদের ক্ষমা করে দেই।

যা করছি, সেটা সৎভাবে করি।
কারণ একদিন সত্যিই সবাই চলে যাবে। শুধু আমরা একা পড়ে থাকব—ঠান্ডা মাটির নিচে, অন্ধকার কবরে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মৃত্যুর আগে জীবনটা সুন্দর করে বুঝতে দিন।

"জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।" — পরম এক চিরন্তন সত্য।মানুষের জীবনের এক অদ্ভুত এবং নির্মম ব...
01/06/2026

"জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।" — পরম এক চিরন্তন সত্য।

মানুষের জীবনের এক অদ্ভুত এবং নির্মম বাস্তবতার নাম "সমাজ"। বেঁচে থাকতে যে মানুষটার ছোট একটা ভুল খুঁজে বের করার জন্য একদল মানুষ আতশিকাচ নিয়ে বসে থাকে, সে মানুষটাই বুক ভরে শেষ নিঃশ্বাসটি ত্যাগ করার পর

—হঠাৎ করেই সবার প্রিয় হয়ে ওঠে!প্রবাদ আছে না? "জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।"আমরা এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে জীবিত মানুষের মেধা, ত্যাগ কিংবা ভালো কাজের মূল্যায়ন করতে আমাদের বড্ড কার্পণ্য। কেউ একটু এগিয়ে যেতে চাইলে তার পা টেনে ধরার মানুষের অভাব হয় না। তার কাজের পেছনে হাজারটা খুঁত বের করা, আড়ালে নিন্দা করা, কিংবা তাকে টেনে নিচে নামানোর এক প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে সমাজ। জীবিত থাকা অবস্থায় মানুষের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে আমাদের অহংকার আর হিংসায় বাঁধে।অথচ, মৃত্যুর অমোঘ নিয়মে যখন সেই মানুষটাই চিরদিনের জন্য চোখ বন্ধ করে ফেলে, তখন যেন জাদুর মতো সবকিছু বদলে যায়!যে শত্রু জীবিত অবস্থায় এক কাপড়ে বিদায় করতে চেয়েছিল, সেও এসে কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে— "মানুষটা কিন্তু মনে কোনো প্যাঁচ রাখেনি, মনটা খুব পরিষ্কার ছিল!" যে সমাজ জীবিত থাকতে তাকে কোনোদিন একটুখানি মানসিক শান্তি দেয়নি, সেই সমাজই তার মৃত্যুর পর গুণগানের জোয়ার ভাসায়। স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা চলে— আমরা কত ভালো একজন মানুষকে হারালাম!কিন্তু লাভ কী? এই শেষ বিকেলের প্রশংসা কি সেই মানুষটা শুনতে পাচ্ছে? এই স্তুতিবাক্য কি তার কোনো উপকারে আসছে?

আসুন একটু ভাবি : নিন্দা করার জন্য মানুষ বেঁচে থাকার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালোবাসার কথা জানানোর জন্য, মানুষকে আপন করে নেওয়ার জন্য তার বেঁচে থাকাটা খুব জরুরি। মৃত্যুর পর সাদা কাফনে মোড়ানো লাশের প্রশংসা করার চেয়ে, বেঁচে থাকতে মানুষকে একটু সম্মান জানানো, একটু ভালো কথা বলা অনেক বেশি দামি।কাউকে ভালোবাসলে, কারো কাজের তারিফ করতে চাইলে তা আজই করুন, সে বেঁচে থাকতেই করুন। মৃত্যুর পর শত্রুও কাঁদে, কিন্তু সেই কান্নায় কোনো প্রাণ থাকে না, থাকে কেবলই এক আনুষ্ঠানিকতা।আসুন, জীবিত মানুষকে ভালোবাসতে শিখি। পিঠ পিছে নিন্দা নয়, সামনাসামনি প্রশংসা করার মানসিকতা তৈরি করি।


"জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।" — পরম এক চিরন্তন সত্য।

মানুষের জীবনের এক অদ্ভুত এবং নির্মম বাস্তবতার নাম "সমাজ"। বেঁচে থাকতে যে মানুষটার ছোট একটা ভুল খুঁজে বের করার জন্য একদল মানুষ আতশিকাচ নিয়ে বসে থাকে, সে মানুষটাই বুক ভরে শেষ নিঃশ্বাসটি ত্যাগ করার পর

—হঠাৎ করেই সবার প্রিয় হয়ে ওঠে!প্রবাদ আছে না? "জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে। মৃত্যুর পর তো প্রশংসা শত্রুও করে।"আমরা এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে জীবিত মানুষের মেধা, ত্যাগ কিংবা ভালো কাজের মূল্যায়ন করতে আমাদের বড্ড কার্পণ্য। কেউ একটু এগিয়ে যেতে চাইলে তার পা টেনে ধরার মানুষের অভাব হয় না। তার কাজের পেছনে হাজারটা খুঁত বের করা, আড়ালে নিন্দা করা, কিংবা তাকে টেনে নিচে নামানোর এক প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে সমাজ। জীবিত থাকা অবস্থায় মানুষের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে আমাদের অহংকার আর হিংসায় বাঁধে।অথচ, মৃত্যুর অমোঘ নিয়মে যখন সেই মানুষটাই চিরদিনের জন্য চোখ বন্ধ করে ফেলে, তখন যেন জাদুর মতো সবকিছু বদলে যায়!যে শত্রু জীবিত অবস্থায় এক কাপড়ে বিদায় করতে চেয়েছিল, সেও এসে কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে— "মানুষটা কিন্তু মনে কোনো প্যাঁচ রাখেনি, মনটা খুব পরিষ্কার ছিল!" যে সমাজ জীবিত থাকতে তাকে কোনোদিন একটুখানি মানসিক শান্তি দেয়নি, সেই সমাজই তার মৃত্যুর পর গুণগানের জোয়ার ভাসায়। স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা চলে— আমরা কত ভালো একজন মানুষকে হারালাম!কিন্তু লাভ কী? এই শেষ বিকেলের প্রশংসা কি সেই মানুষটা শুনতে পাচ্ছে? এই স্তুতিবাক্য কি তার কোনো উপকারে আসছে?

আসুন একটু ভাবি : নিন্দা করার জন্য মানুষ বেঁচে থাকার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালোবাসার কথা জানানোর জন্য, মানুষকে আপন করে নেওয়ার জন্য তার বেঁচে থাকাটা খুব জরুরি। মৃত্যুর পর সাদা কাফনে মোড়ানো লাশের প্রশংসা করার চেয়ে, বেঁচে থাকতে মানুষকে একটু সম্মান জানানো, একটু ভালো কথা বলা অনেক বেশি দামি।কাউকে ভালোবাসলে, কারো কাজের তারিফ করতে চাইলে তা আজই করুন, সে বেঁচে থাকতেই করুন। মৃত্যুর পর শত্রুও কাঁদে, কিন্তু সেই কান্নায় কোনো প্রাণ থাকে না, থাকে কেবলই এক আনুষ্ঠানিকতা।আসুন, জীবিত মানুষকে ভালোবাসতে শিখি। পিঠ পিছে নিন্দা নয়, সামনাসামনি প্রশংসা করার মানসিকতা তৈরি করি।
#আত্মসমালোচনা
#বাস্তবতা #জীবনবোধ #মনুষ্যত্ব #সমাজ #অনুপ্রেরণ
#বাস্তবতা #জীবনবোধ #মনুষ্যত্ব #সমাজ #অনুপ্রেরণা

মানুষের স্বভাবমানুষ অন্যের দোষ দেখতে পেলে তৎক্ষণাৎ বিচারপতি হয়ে যায়।গম্ভীর মুখে, উঁচু গলায়, নৈতিকতার উচ্চাসনে বসে একের প...
01/06/2026

মানুষের স্বভাব
মানুষ অন্যের দোষ দেখতে পেলে তৎক্ষণাৎ বিচারপতি হয়ে যায়।
গম্ভীর মুখে, উঁচু গলায়, নৈতিকতার উচ্চাসনে বসে একের পর এক রায় দিতে থাকে। কোনো প্রমাণ লাগে না, কোনো যুক্তি লাগে না — শুধু দোষটা দেখলেই যথেষ্ট।

কিন্তু যখন নিজের দোষের কথা আসে?
তখনই সেই একই মানুষ দক্ষ উকিল হয়ে যায়।
নানান যুক্তি, ব্যাখ্যা, পরিস্থিতি, অতীত, ভবিষ্যৎ, সমাজ, পরিবার — সবকিছু টেনে এনে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করে। একটা ছোট্ট ভুলকে পাহাড় বানিয়ে দেখায়, আর নিজের বড় ভুলকে ছোট্ট ভুল বলে উড়িয়ে দেয়।
এটা আমাদের সবার মধ্যেই কমবেশি আছে।
আমরা সবাই অন্যের জীবনের জজ, আর নিজের জীবনের উকিল।

সত্যিকারের বড় মানুষ তারা, যারা:

• অন্যের দোষ দেখার আগে নিজের দোষ খুঁজে বের করে

• নিজের দোষ স্বীকার করতে পারে সাহসের সাথে

• আর অন্যের দোষ দেখলে বিচার করার আগে ক্ষমা করতে শেখে

তোমার কী মনে হয়?

তুমি কোনটা বেশি করো — বিচারপতি নাকি উকিল?
নিজের সাথে সৎ থেকে একটা কমেন্ট করো 👇
#মানুষের_স্বভাব #আত্মসমালোচনা #জীবনের_সত্য #ভাবনা

31/05/2026

গ্রামের স্কুলের মাঠে বিবাহিত বনাম অবিবাহিত ফুটবল খেলা।


30/05/2026

গাছ থেকে তাল পেরে খাইলাম।

আপনার এই গভীর অভিমান আর কষ্টের কথাটি একদম হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করে। আপনি মনের অজান্তেই জীবনের একটা মস্ত বড় এবং তিক্ত সত্য প্র...
29/05/2026

আপনার এই গভীর অভিমান আর কষ্টের কথাটি একদম হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করে। আপনি মনের অজান্তেই জীবনের একটা মস্ত বড় এবং তিক্ত সত্য প্রকাশ করে ফেলেছেন।যাদের জন্য নিজের সর্বোচ্চ উজাড় করে দেওয়া হয়, দিনশেষে তাদের কাছ থেকে অবহেলা বা অকৃতজ্ঞতা পেলে নিজেকে খুব একা এবং নিঃসহায় মনে হয়। এই অনুভূতিটা সত্যিই খুব কষ্টের।তবে এই নির্মম বাস্তবতার মাঝেও নিজের মনের শান্তি ধরে রাখার জন্য ছোট একটা দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সাহায্য করতে পারে:

• প্রত্যাশাহীনতা: মানুষ যখন কারো উপকার করে বা কাউকে ভালোবাসে, তখন অবচেতনভাবেই একটা ফিরতি পাওয়ার আশা তৈরি হয়। কষ্টটা তখনই বেশি হয়, যখন সেই আশাটা পূরণ হয় না। তাই কাউকে সাহায্য করার সময় যদি আমরা ধরে নিই যে "আমি এটা আমার নিজের মানসিক তৃপ্তির জন্য করছি, ওর কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জন্য নয়", তাহলে আঘাতটা কম লাগে।

• সবার মানসিকতা এক নয়: হ্যাঁ, পৃথিবীর একটা বড় অংশ মানুষ হয়তো অকৃতজ্ঞ, কিন্তু সবাই একরকম নয়। কিছু মানুষ সত্যিই উপকারের মূল্য দিতে জানে। হয়তো ভুল মানুষের পেছনে সময় দিয়ে আপনি সঠিক মানুষের দেখা পাওয়ার সুযোগটা হারিয়ে ফেলছেন।

• নিজের যত্ন নেওয়া: অন্যের জন্য করতে করতে আমরা অনেক সময় নিজেকে ভুলে যাই। যে মানুষটা আপনার উপকারের দাম দেয় না, তার পেছনে আর অতিরিক্ত আবেগ বা শক্তি নষ্ট না করে, সেই ভালোবাসা আর যত্নটুকু নিজেকে এবং আপনার সত্যিকারের আপনজনদের পেছনে দিন।

"মানুষ উপকার ভুলে যেতে পারে, কিন্তু আপনার ভালো কাজ বা ভালোবেসে যাওয়ার যে সুন্দর ব্যক্তিত্ব—সেটা কিন্তু বৃথা যায় না। সেটা আপনার ভেতরের সৌন্দর্যকেই প্রমাণ করে।"

আপনার এই কষ্টটা সাময়িক হোক। নিজেকে একটু সময় দিন, আর মনে রাখবেন—মানুষের কাছ থেকে প্রতিদান না পেলেও, নিজের ভালো কাজের মানসিকতা কখনো হারিয়ে ফেলবেন না।

Address

Gazipur
1346

Telephone

+8801718383676

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Solaiman Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share