Ameen Book House

Ameen Book House দেশি-বিদেশি মানসম্মত ইসলামিক বইয়ের বিশাল সংগ্রহশালা।

নাহু শিক্ষার জন্য সেরা বই। লেখক- মুফতী আব্দুল কারীম এখনি অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন...01772511352 (WhatsApp)
12/08/2024

নাহু শিক্ষার জন্য সেরা বই।
লেখক- মুফতী আব্দুল কারীম
এখনি অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন...01772511352 (WhatsApp)

বই পড়লেই কেউ জ্ঞানি হয়ে যাবে ব্যাপারটা আসলে তা না। বই পড়লে অনেক কিছু বদলে যায় এবং সুবিধা পাওয়া যায়। নিচের দশটি কারণে প্র...
30/05/2024

বই পড়লেই কেউ জ্ঞানি হয়ে যাবে ব্যাপারটা আসলে তা না। বই পড়লে অনেক কিছু বদলে যায় এবং সুবিধা পাওয়া যায়। নিচের দশটি কারণে প্রতিটি মানুষেরই সময় পেলেই নিয়মিত বই পড়া দরকার-

১) মানসিক উদ্দীপনা বাড়াতে: স্থবির মনের উদ্দীপনা বাড়াতে বইয়ের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।

২) স্ট্রেস কমানো : খুবই মানসিক চিন্তায় আছেন। সুন্দর একটি বই পড়া শুরু করুন। দেখবেন অবসাদ কমে যাচ্ছে।

৩) জ্ঞান বাড়াতে : কথা একটাই বই হলো জ্ঞানের ভাণ্ডার।

৪) শব্দভাণ্ডার বিস্তার : একমাত্র বই পড়ার মাধ্যমেই আপনি নতুন শব্দভাণ্ডারে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

৫) স্মৃতি উন্নয়ন : বই আপনার স্মরণশক্তি বাড়াতে দারুণ এক কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

৬) বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার দক্ষতা : বই পড়ার মাধ্যমে আপনার যেকোনো একটা বিষয়ে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অথবা দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

৭) চিন্তার উৎকর্ষতা : শুধু যে আপনি ভালো বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অর্জন করবেন তা না। ভালো বই পাঠ চিন্তার উৎকর্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৮) ভালো লেখার ক্ষমতা : বই পড়লে শুদ্ধ করে, সুন্দর শব্দ চয়নে লিখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৯)প্রশান্তি : মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে বইয়ের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।

১০) বিনোদন : নির্জনতায় নিজের মতো করে শব্দহীন বিনোদন চান। নিজের মাঝে নির্মল পরিবেশের সুন্দর একটি আবহ তৈরি করতে চান।
তবে বই, বই আর বই।

তাই বই পড়ুন জীবনের জন্য।

চয়ন,,,নামের মতো বইটাও সুন্দর বিষয় ভিত্তিক লেখায় ভরপুর। একের ভিতর অনেক। বইয়ের অসাধারণ ভূমিকা পড়তে কেউ ভুলবেন না। এমন অসাধ...
11/05/2024

চয়ন,,,নামের মতো বইটাও সুন্দর বিষয় ভিত্তিক লেখায় ভরপুর। একের ভিতর অনেক। বইয়ের অসাধারণ ভূমিকা পড়তে কেউ ভুলবেন না। এমন অসাধারণ বই প্রকাশের জন্য কে ধন্যবাদ।

আল হামদু লিল্লাহ। স্টকে চলে এসেছে উন্নত ছাপার হিফজুল কোরআন।এই কোরআনের বিশেষত্ব হলো, উন্নত পেজ ও ছাপার পাশাপাশি ইবতিদা, ও...
05/04/2024

আল হামদু লিল্লাহ। স্টকে চলে এসেছে উন্নত ছাপার হিফজুল কোরআন।এই কোরআনের বিশেষত্ব হলো, উন্নত পেজ ও ছাপার পাশাপাশি ইবতিদা, ওয়াক্বফ ও আয়াতে মুতাশাবিহাত দেখানো আছে। আর এটাকে প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য প্রকাশনী আত-তাওহীদ। তাই দেরি না করে অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন আমাদের ম্যাসেঞ্জার অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে,,,01772511352

31/03/2024

اللهم إنك عفو تحب العفو فأعف عني

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাটা আপনার পছন্দ। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।

 #মিশর_লেবাননসহ_দেশি_বিদেশি_উন্নত_ছাপার_ইসলামিক_কিতাব নিয়ে আমরা আপনাদের খেদমতে হাজির হয়েছি। তাই দেরি না করে ম্যাসেজ অপশন...
26/03/2024

#মিশর_লেবাননসহ_দেশি_বিদেশি_উন্নত_ছাপার_ইসলামিক_কিতাব নিয়ে আমরা আপনাদের খেদমতে হাজির হয়েছি। তাই দেরি না করে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় কিতাবটি অর্ডার করুন। [[ 01772511352 ,,,,bKash/ Nagad]]

26/03/2024

পড়ো, তোমার রবের নামে।

ফ্রান্সের লিবারেশন পত্রিকা এই কার্টুনটি ছাপিয়েছে। গাজায় অভুক্ত ফিলিস্তিনিদের সাথে রমজান নিয়ে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। এখানে ...
12/03/2024

ফ্রান্সের লিবারেশন পত্রিকা এই কার্টুনটি ছাপিয়েছে। গাজায় অভুক্ত ফিলিস্তিনিদের সাথে রমজান নিয়ে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে।

এখানে দেখা যাচ্ছে। এক লোক রাস্তায় ইঁদুর আর তেলাপোকার পিছনে দৌড়াচ্ছে ধরার জন্য। রাস্তার পাশ থেকে এক মহিলা তার হাত ধরে বলছে , "না এখন না! সূর্য ডোবা পর্যন্ত অপেক্ষা করো।"

কার্টুনটির নাম দেয়া হয়েছে "গাজায় রমজান"।
©Sorwar Alam Turkiye

ব্রিটিশ এবং হিন্দু জমিদারদের অখন্ড বাংলার "সোনালি" সময়কালে দেশের শিক্ষার অবস্থা কেমন ছিল________________________________...
31/12/2023

ব্রিটিশ এবং হিন্দু জমিদারদের অখন্ড বাংলার "সোনালি" সময়কালে দেশের শিক্ষার অবস্থা কেমন ছিল
______________________________________
১৭৫৭ সাল সালের আগের সময়ের দেশের অবস্থা কেমন ছিল সে ব্যাপারে বিস্তারিত দলিল-দস্তাবেজে সংরক্ষিত নেই। ব্রিটিশ ফিরিঙ্গিরা পলাশী জয়ের পর এসব দলিলপত্র নষ্ট করে ফেলে।

১৮৩৫ সালে টমাস ববিংটন ম্যাকলের হিসাবনুসারে বাংলা সুবাহতে প্রায় ৮০ হাজার মাদ্রাসা ছিল। এবং এই মাদ্রাসাগুলো দেশের প্রায় ৪০ ভাগ আবাদি জমির মালিক ছিল। এসব জমি ছিল লাখরোজ সম্পত্তি [লাখরোজ সম্পত্তি:
যে সম্পদের খাজনা দিতে হতো না]। মুসলমান সুলতান, সুবাহদার, এবং মুসলমান জমিদারেরা এসব জমি মাদ্রাসাগুলোকে দান করেছিলো। জমির আয় থেকেই মাদ্রাসাগুলো চলতো।

১৮৪০ সালের দিকে ইংরেজরা লাখরোজ সম্পত্তি বিলুপ্ত করে দখল নেয়, এতে মাদ্রাসাগুলো রাতারাতি পথে বসে যায়। মুসলমানেরা প্রথমে রাজ্য, সম্পদ এবং মাদ্রাসা হারিয়ে ফুঁসে ওঠে যার প্রকাশ ঘটে ১৮৫৭ সালে সিপাহি মহাবিদ্রোহে। ঢাকায় বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে শুরু করে বর্তমান শ্যামলীর রিং রোড পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার সৈনিক আর স্বাধীনতাকামীদের লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো। মাওলানা বুরহান উদ্দিন কাশেমীর মতে প্রায় ২ লক্ষ শহীদের মধ্যে আলেমের সংখ্যাই ছিল ৫১, ২০০ জন।

রাজ্য, মাদ্রাসা, এবং উস্তাদ: বাংলার মুসলমানেরা সবই হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে যায়।

অর্থনৈতিকভাবে বাংলার মুসলমানেরা কতটা বিপর্যস্ত হয়েছিল সে ব্যাপারে একটা ধারনার জন্য সর্বশেষ ঢাকার ১৮১৪ সালে চৌকিদারি ট্যাক্সের একটা হিসাব আছে। ১৮১৪ সালে ঢাকার চৌকিদারি ট্যাক্স ছিল ৩০,০০০ টাকা। ১৮৩৬ সালে এটা কমে হয় ৮০০০ টাকা। অর্থাৎ রাজনৈতিক পরিবর্তনে মধ্যবিত্ত মুসলমান পরিবারগুলো ধ্বংস হয়ে যায়।

এরপরে বাকী সব সেক্টরের মত শিক্ষা ক্ষেত্রেও মুসলমানেরা অবর্ণনীয় সাম্প্রদায়িকতার শিকার হয়েছে। স্কুল-কলেজে মুসলানেরা ছিল অচ্ছুত। কারন—

১। সরস্বতী পূজা পালন ছিল বাধ্যতামূলক।
২। কুরবানি ঈদের পরে স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হত না।
৩। বিকৃত নাম দেওয়াসহ নানা কৌশলে মুসলমানদের স্কুল থেকে দূরে রাখা হতো।

এতকিছু সহ্য করে যারা স্কুলে যেত তাদের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। কয়েকদিন একটা ভিডিও ভাইরাল হয়, ভারতের বৃদ্ধা শিক্ষিকা এক মুসলমান ছাত্রকে ক্লাসে দাঁড় করায় এবং ক্লাসের বাকী হিন্দু ছাত্রদের বলে একে একে এসে মুসলমান ছেলেটাকে চপোটাঘাত করতে। কেউ আস্তে মারলে তাকে তিরস্কার করছিলো। একটা ঘটনা ভাইরাল হয়েছে, এমন কত ঘটনা চাপা পরেছে তার হিসাব আমরা জানি না।

হিন্দু জমিদারদের আমলেও এই ধরনের ঘটনা ছিল স্বাভাবিক। কয়েকদিন আগে একজন উনার বাবার স্কুলের অভিজ্ঞতা বলেছিলেন, ক্লাসে মাত্র ২ জন মুসলমান ছাত্র ছিল, কোরবানি ঈদের ৭ দিন পরে স্কুল খুললে মুসলমান ২ জনকে বেঞ্চে বসতে দেওয়া হত না গরুর মাংস খাওয়ার অজুহাতে। বসতে চাইলে মার খেতে হত। স্যারদের কাছে বিচার চাইতে গেলেও স্যারদের রুমে ঢুকার অনুমতি মিলত না ঐ একই অজুহতে, কারণ শিক্ষকরা প্রায় সবাই ছিলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের।

এত কিছু সহ্য করার পরও যারা স্কুলে থাকতো এবং পরীক্ষায় অংশ নিতো, তারা পরতো আরেক বিপত্তিতে। বোর্ড পরীক্ষার খাতায় হিন্দু শিক্ষকেরা মুসলমান ছাত্র নাম দেখলেই ফেল করিয়ে দিতো।

এজন্য শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৩৮ সালে সরকারে গিয়েই পরীক্ষার খাতায় নামের বদলে রোল নম্বর লেখার প্রচলন করেন।

হিন্দু প্রধান পশ্চিম বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সাতটা। মুসলমান প্রধান পূর্ব বাংলায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। মুসলমানদের নেতা খাজা সলিমুল্লাহ (র.) বহু বছর ধরে অনেক চেষ্টা করেন ঢাকায় একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি তার নিজের জমি দান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। মুসলমানদের অব্যাহত চাপের মুখে ইংরেজ সরকার ঢাকায় খাজা সলিমুল্লাহ (র.) এর দান করা জমিতে বিশ্ববিদ্যালয় করতে রাজি হোন। তখন হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠে। কলকাতায় একের পর এক সভা সমাবেশ হতে থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে। হিন্দুরা ইংরেজ সরকারের কাছে ১৬ বার স্মারকলিপি প্রদান করে ঢাবি প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে।

যখন বুঝতে পারে ঢাবি প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে পারবে না তখন তারা ঢাবির বাজেটের প্রায় ৭০% উঠিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণের জন্য বরাদ্দ করতে বাধ্য করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দখল নেয়। ১৯৩৮ সালে ঢাবিতে আরবি, ইসলামিয়াত বিভাগগুলো ছাড়া মুসলমান শিক্ষক ছিলেন মাত্র তিন জন:
১। ড. মাহমুদ হোসেন— ইতিহাস।
২। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্— বাংলা।
৩। ড. মাহমুদ হাসান— ইংরেজি।

সব মিলিয়ে ব্রিটিশ এবং হিন্দু জমিদারদের ২০০ বছরে শাসনে দেশে:

১। মেডিক্যাল কলেজ হয় ১ (এক) টি।
২। বিশ্ববিদ্যালয় হয় ১ (এক) টি।
৩। ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজ ছিল ০ (শুন্য) টি।
৪। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছিল ০ (শুন্য) টি।
৫। টেক্সটাইল কলেজ ছিল ০ (শুন্য) টি।
৬। মেরিন একাডেমি ছিল ০ (শুন্য) টি।
৭। ক্যাডেট কলেজ ছিল ০ (শুন্য) টি।

১৯৪৭ সালে ভারত মাতাকে কেটে দুই টুকরো করা হয়। শুরু হয় ২৩ বছরের পাকিস্তানি উপনিবেশ। পাকিস্তানি উপনিবেশের অন্ধকার যুগে শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন ছিল তা নিয়ে পোস্টের লিংক কমেন্টে।
©Mir Salman Samil

31/12/2023

Address

Gazipur

Telephone

+8801772511352

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ameen Book House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ameen Book House:

Shortcuts

Share

Category