Barjakh

Barjakh A Partner of Your Spiritual Lifestyle...

24/03/2023
কান পে‌তে শো‌নো গায় সাত আসমান,‌খোশ আম‌দেদ এ‌লো মা‌হে রমাদান।।
24/03/2023

কান পে‌তে শো‌নো গায় সাত আসমান,
‌খোশ আম‌দেদ এ‌লো মা‌হে রমাদান।।

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا، اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيئًا، اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَ...
24/10/2022

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا، اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيئًا، اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ


উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ছায়্যিবান নাফিআ, আল্লাহুম্মা ছায়্যিবান হানীআ। আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বি-গদাবিকা, ওয়া লা তুহলিকনা বি-আযাবিকা ওয়া আ-ফিনা ক্বাবলা যা-লিকা।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি আপনার গজব দিয়ে আমাদের হত্যা করে দেবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেবেন না। এসবের আগেই আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন।’
(বুখারি, হাদিস : ৭২১)

14/10/2022

আল্লাহু আকবার
الله اكبر
Allahu Akbar

Song: Iqbal Hossain

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لاَ تَدَعُوا الْعَشَاءَ وَلَوْ...
08/10/2022

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لاَ تَدَعُوا الْعَشَاءَ وَلَوْ بِكَفٍّ مِنْ تَمْرٍ فَإِنَّ تَرْكَهُ يُهْرِمُ ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের আহার ত্যাগ করো না, যদিও তা এক মুঠো খেজুরও হয়। কারণ রাতের আহার ত্যাগ মানুষকে বৃদ্ধ করে দেয়।

07/10/2022

জুমআবা‌রে মন ফ্রেশ করার স‌র্বোত্তম মাধ্যম সুল‌লিত ক‌ন্ঠের তিলাওয়াত।💚

08/07/2022

আরাফাহর দিনের সর্বোত্তম দোয়া-

لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদির।।

07/06/2022

বাংলা‌দে‌শের প্রান্ত হ‌তে সালাম জানাই হে রাসুল...(সাল্লাল্লাহু আলাই‌হিসসালাম)

ঘটনা খারাপের দিকে যাচ্ছে!নিছক আগুন ভেবেছিলেন অনেকে। কেমিকেলের আগুন আর সাধারণ আগুন এক না। সেই ভয়ের কথাই প্রথম আলোর কাছে জ...
06/06/2022

ঘটনা খারাপের দিকে যাচ্ছে!

নিছক আগুন ভেবেছিলেন অনেকে। কেমিকেলের আগুন আর সাধারণ আগুন এক না। সেই ভয়ের কথাই প্রথম আলোর কাছে জানিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নন্দন মুখার্জি। তিনি বলেছেন, এটি চট্টগ্রাম শহরের দিকে এগুচ্ছে। আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে প্রত্যক্ষ প্রভাব আর এর দূরবর্তী প্রভাব পড়েছে ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় গিয়ে পড়েছে।

‘হাইড্রোজেন পারক্সাইড’ ছড়িয়ে পড়লে শ্বাসকস্ট বাড়বে। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা এখনি আন্দাজ করা যাচ্ছে না। আজ বেলা তিনটায় সীতাকুণ্ডের ওই ডিপো এলাকার ওপর দিয়ে বাতাস ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার বেগে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে যায়। আগুন, কালো ধোঁয়া ও উত্তাপের প্রভাব কুমিরা, বাড়বকুণ্ড ও সীতাকুণ্ড শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএম কনটেইনার ডিপো এলাকা থেকে আগুনের প্রভাব যেদিকে বিস্তৃত হচ্ছে, সেই এলাকায় একটি সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে। এটি প্রতিবেশগতভাবে বিপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

প্রতিবেশগতভাবে বিপন্ন এলাকায় কেন কেমিকালের ডিপো করতে দেয়া হলো? প্রশাসন কি ঘুমায়? তাদের কাজ কি? বাতাস গিয়ে পৌছাবে চট্টগ্রাম শহরে? এরপরে কি হবে? ভারতে ভুপালের কথা মনে আছে? সেখানে একটি কেমিকাল কোম্পানিতে বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় এলাকা শ্মশানে পরিণত হয়েছিল। ‘হাইড্রোজেন পারক্সাইড’ বিস্ফোরণের পর উদ্ভত পরিস্থিতি থামাতে পারছি না। আমরা পাবনার রূপপুরে একটা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানানো প্রায় শেষ করেছি।

সুন্দরবনের পাশে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়েছি। আগামি বছর কেন্দ্রটি উৎপাদনে যাবে। আমরা কি এই ভূমিতে মানুষের জন্য অক্সিজেন কিছু বাকি রাখব, নাকি সব পুঁজিপতি ব্যবসায়ীদের লোভের গ্রাসে ছেড়ে দেব?
আমরা কি টাকা খাব? নাকি মৃত্যুর আগে ফোন দিয়ে বলবো আমি পুড়ে যাচ্ছি। পৃথিবীর বুকে দৌড়াচ্ছে অ্যাপোক্যালিপসের চার ঘোড়সওয়ার। আমরা মুর্দার গোসল সেরে অপেক্ষা করবো। কারণ আমাদের জন্য আর কিছুর অপেক্ষা নেই।
নিশাত তাসনীম
© আরিফুজ্জামান তুহিন | সাংবাদিক

  💚
18/05/2022

💚

15/05/2022

নবী-রাসূলদের কার কী পেশা ছিল?
-মুফতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
:
:
নবী-রাসূলদের কোনো না কোনো পেশা ছিল, তাঁরা অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতেন না। বরং স্বীয় হস্তে অর্জিত রিজিক ভক্ষণ করাকে পছন্দ করতেন। মহানবী সা:কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কোন ধরনের উপার্জন উত্তম? তিনি প্রত্যুত্তরে বলেছেন, ‘ব্যক্তির স্বহস্তে অর্জিত অর্থ এবং সৎ ব্যবসায়’। (সুয়ুতি আদ-দুররুল মানসুর খণ্ড, পৃষ্ঠা-২২০)

রাসূলুল্লাহ সা: আরো বলেছেন, ‘হালাল রুজি অর্জন করা ফরজের পর আরেকটি ফরজ’। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) হজরত ঈসা আ: এক ব্যক্তিকে অসময়ে ইবাদতখানায় দেখে প্রশ্ন করলেন, তুমি এখানে বসে ইবাদত করছ, তোমার রিজিকের ব্যবস্থা কে করে? লোকটি বলল, আমার ভাই আমার রিজিকের ব্যবস্থা করে। ঈসা আ: তাকে বললেন, সে তোমার চেয়ে অনেক উত্তম। (হেদায়াতুল মুরশিদিন) নবী-রাসূলগণ হলেন পৃথিবীর সেরা মানব, ফলে তাঁরা সেরা উপার্জন তথা স্বহস্তে অর্জিত সম্পদে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত আদম আ:- তিনি ছিলেন একজন কৃষক। চাষাবাদ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর ছেলেদের পেশাও ছিল চাষাবাদ। তা ছাড়া তিনি তাঁতের কাজও করতেন। কারো কারো মতে, তার পুত্র হাবিল পশুপালন করতেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে কৃষিকাজের যন্ত্রপাতির নাম শিক্ষা দিয়েছেন। যেমন- আল্লাহর বাণী- ‘আর আল্লাহ আদমকে সমস্ত নামের জ্ঞান দান করেছেন’। (সূরা বাকারা-৩১)

হজরত শীস আ:- তিনি পিতা হজরত আদম আ:-এর মতো কৃষক ছিলেন। তাঁর পৌত্র মাহলাইল সর্বপ্রথম গাছ কেটে জ্বালানি কাজে ব্যবহার করেন। তিনি শহর নগর ও বড় বড় কিল্লা তৈরি করেছেন। তিনি বাবেল শহর প্রতিষ্ঠা করেছেন। (ইবনে কাছির)
হজরত ইদরিস আ:- তাঁর পেশা ছিল কাপড় সেলাই করা। কাপড় সেলাই করে যে অর্থ উপার্জন করতেন তা দিয়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত নূহ আ:- তিনি ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। আল্লাহ তায়ালা তাকে নৌকা তৈরির কলাকৌশল শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং আল্লাহর নির্দেশে তিনি নৌকা তৈরি করেছিলেন। আল্লাহর বাণী- ‘আর তুমি আমার তত্ত্বাবধানে ও আমার ওহি অনুযায়ী নৌকা নির্মাণ করো’। (সূরা হুদ-৩৭) তিনি ৩০০ হাত দীর্ঘ, ৫০ হাত প্রস্থ, ৩০ হাত উচ্চতাসম্পন্ন একটি বিশাল নৌকা তৈরি করেন।

হজরত হুদ আ:- তাঁর পেশা ছিল ব্যবসায় ও পশুপালন। ব্যবসায় ও পশুপালন করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত সালেহ আ:- তাঁর পেশাও ছিল ব্যবসায় ও পশুপালন। তিনি পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত লুত আ:- তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা চাষাবাদের সাথে জড়িত ছিল। তিনিও জীবিকা নির্বাহ করতেন চাষাবাদের মাধ্যমে।

হজরত ইবরাহিম আ:- তিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য কখনো ব্যবসায় আবার কখনো পশুপালন করতেন।

হজরত ইসমাইল আ:- তিনি পশু শিকার করতেন। পিতা-পুত্র উভয়ই ছিলেন রাজমিস্ত্রি। উভয়ে মিলে আল্লাহর ঘর তৈরি করেছিলেন।

হজরত ইয়াকুব আ:- তাঁর পেশা ছিল ব্যবসায়, কৃষিকাজ ও পশুপালন। হজরত ইউসুফ আ:- তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন। সুতরাং বেতন হিসেবে বায়তুল মাল অর্থ গ্রহণ করতেন।

হজরত শোয়াইব আ:- তাঁর পেশা ছিল পশুপালন ও দুধ বিক্রি। পশুপালন ও দুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর কন্যাগণ চারণভূমিতে পশু চরাতেন।

হজরত দাউদ আ:- দাউদ আ: নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে লোহা দ্বারা বর্ম ও অস্ত্রশস্ত্র তৈরি করার কৌশল শিক্ষা দেন। শক্ত ও কঠিন লোহা স্পর্শ করলে তা নরম হয়ে যেতো। যুদ্ধাস্ত্র, লৌহ বর্ম ও দেহবস্ত্র প্রস্তুত করা ছিল তাঁর পেশা। এগুলো বিক্রি করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত সোলায়মান আ:- তিনি তাঁর পিতা থেকে অঢেল ধন-সম্পদের মালিক হয়েছিলেন। তিনি নিজেও অঢেল সম্পদের মালিক ছিলেন। ভিন্ন পেশার গ্রহণ করার চেয়ে নিজ সম্পদ রক্ষা ও তদারকি করাই ছিল তাঁর প্রদান দায়িত্ব।

হজরত মুসা আ:- তিনি ছিলেন একজন রাখাল। তিনি মাদায়েনে শ্বশুরের পশু চরাতেন। সিনাই পর্বতের পাদদেশে বিরাট চারণভূমি মাদায়েনের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আট বছর তিনি স্বীয় শ্বশুর শোয়াইব আ:-এর পশু চরিয়েছেন।

হজরত হারুন আ:- তাঁর পেশাও ছিল পশুপালন। পশুপালন করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হজরত ইলিয়াছ আ:- তাঁর পেশাও ছিল ব্যবসায় ও পশুপালন।

হজরত আইউব আ:- তাঁর পেশা ছিল গবাদিপশু পালন। তাঁর প্রথম পরীক্ষাটি ছিল গবাদিপশুর ওপর। ডাকাতেরা তাঁর পশুগুলো লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। (আনওয়ারে আম্বিয়া ই. ফা. বাংলাদেশ)

হজরত ইউনুস আ:- তাঁর গোত্রের লোকদের পেশা ছিল চাষাবাদ। তাঁর পেশাও ছিল চাষাবাদ।

হজরত জাকারিয়া আ:- ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত আছে, মহানবী সা: বলেছেন, জাকারিয়া আ: কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাই তাঁর শত্রুরা তাঁর করাত দিয়েই তাকে দ্বিখণ্ডিত করে। (কিতাবুল আম্বিয়া সহিহ বুখারি)

হজরত ইয়াহইয়া আ:- তিনি জীবনের একটি সময় জঙ্গলে ও জনহীন স্থানে কাটিয়েছিলেন। আহার হিসেবে তিনি বৃক্ষের লতা-পাতা ভক্ষণ করতেন। (আনওয়ারে আম্বিয়া)

হজরত জুলকিফল আ:- তাঁর পেশা ছিল পশুপালন।

হজরত ইয়াসা আ:- তাঁর পেশা ছিল ব্যবসায় ও পশুপালন।

হজরত ঈসা আ:- তাঁর আবাসস্থল প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘আমি তাঁদের উভয়কে (ঈসা ও মরিয়মকে) এক উচ্চভূমি প্রদান করেছিলাম যা সুজলা ও বাসযোগ্য ছিল।’ (সূরা আল মুমিনুন-৫০) এই উচ্চভূমি হলো ফিলিস্তিন। তিনি ফিলিস্তিনে উৎপন্ন ফল-মূল খেয়ে বড় হয়েছেন। তিনি ঘুরে ঘুরে অলিতে গলিতে দ্বীনের দাওয়াতি কাজ করতেন। যেখানে রাত হতো সেখানে খেয়ে না খেয়ে নিদ্্রা যেতেন। তাঁর নির্দিষ্ট কোনো পেশা ছিল না।

হজরত মুহাম্মদ সা:- তিনি ছিলেন একজন সফল ও সৎ ব্যবসায়ী। তিনি ইরশাদ করেছেন, সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ীদের হাশর হবে নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সাথে। (আদদুরুরুল মানসুর ষষ্ঠ খণ্ড পৃষ্ঠা-২২০) তিনি গৃহের কাজ নিজ হাতে করতেন। বকরির দুধ দোহন করতেন। নিজের জোতা ও কাপড় সেলাই ও ধোলাই করতেন, গৃহে ঝাড়– দিতেন। মসজিদে নববী নির্মাণকালে শ্রমিকের মোত কাজ করেছেন। খন্দকের যুদ্ধে মাটি কেটেছেন। বাজার থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতেন। তিনি ইরশাদ করেন, বর্শার ছায়ার নিচে আমার রিজিক নির্ধারণ করা হয়েছে তথা গণিমতের মাল হলো আমার রিজিক। (কুরতুবি-১৩তম খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২) আর ইরশাদ করেন, জমিনের অভ্যন্তরে তথা চাষাবাদ, খনন ও রোপণের মাধ্যমে রিজিক অনুসন্ধান করো।

রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘এমন কোনো নবী নেই যিনি ছাগল চরাননি। জনৈক সাহাবি প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল আপনিও কি ছাগল চরিয়েছেন? প্রত্যুত্তরে রাসূল সা: বলেন- হ্যাঁ, আমিও মক্কায় অর্থের বিনিময়ে ছাগল চরিয়েছি। বলাবাহুল্য, মহানবী সা:-এর সাহাবিগণ অনেকেই ব্যবসায় করতেন। বিশেষ করে মুহাজিরগণ ছিলেন ব্যবসায়ী আর আনসারগণ ছিলেন কৃষক।

লেখক : প্রধান ফকিহ, আল-জামিয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা, ফেনী

Address

Goran

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801511699899

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barjakh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Barjakh:

Share