ANJUM's TRADE

ANJUM's TRADE Everything needs a start for begining and every small begining is the first step towards big. Because, Rome wasn't built in a day.

15/07/2022

ম্যাডামঃ – বাচ্চারা, বলো তো পদ্মা সেতু কোন নদীর উপর তৈরি করা হয়েছে?

ছাত্রছাত্রীরা সকলে মিলে একসঙ্গে – পদ্মা নদীর উপরে ম্যাম।

ম্যাডামঃ - ভূল, বুড়িগঙ্গা নদীর উপর!

সমস্ত ছাত্রছাত্রী বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল এবং তারা তাদের বাড়িতে গিয়ে এটা জানালো। পরের দিন, সমস্ত শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের এসে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করলো যে স্কুলে ভুল শেখানো হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক – সবার আগে আপনাদেরকে নিজেদের বাচ্চার বকেয়া ফি জমা দিতে হবে, যা গত ছয় মাস ধরে কেউ দেননি এবং ফোন করার পরেও স্কুলে আসেননি। ফি জমা না দেওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতু বুড়িগঙ্গার উপরই থাকবে... 😜😍😀

10/07/2022

ঈদের দিনের শেষে ঈদ মুবারক সবাইকে

13/06/2022

▪️“যখন মৃত ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয়, তখন সে তার নিকট থেকে ফিরে যাওয়া সাথীদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়।

অতঃপর সে যদি মুমিন হয় তবে সালাত তার মাথার দিকে, সাওম তার ডান দিকে, যাকাত তার বাঁ দিকে এবং সদকা, আত্মীয়তা বন্ধন, সৎকাজ ও মানুষকে অনুগ্রহ করা -এ সকল ভালো কাজ তার পায়ের দিকে থাকে।

অতঃপর কবরের ‘আযাব যখন তার মাথার দিক দিয়ে আসে তখন সালাত বলে, আমার দিক দিয়ে কোনো রাস্তা নেই। তারপর যখন তার ডান দিক দিয়ে আসে সাওম বলে: আমার নিকট দিয়ে প্রবেশ করার কোনো পথ নেই। তারপর যখন তার বাঁ দিক দিয়ে আসে যাকাত বলে, আমার দিক দিয়ে কোনো রাস্তা নেই। পায়ের দিক দিয়ে আসলে সদকা, আত্মীয়তা বন্ধন, সৎকর্ম এবং মানুষকে অনুগ্রহ করা -এ সকল ভালো কাজ বলতে থাকে, আমার নিকট দিয়ে প্রবেশ করার কোনো পথ নেই। তখন তাকে উঠতে বললে সে উঠে বসে।

অতঃপর তার জন্য প্রায় অস্ত যাওয়া একটি সূর্য তুলে ধরে বলা হয় তোমাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি ছিল তাকে তুমি চেন কি? তার ওপর তুমি কিসের সাক্ষ্য দাও? সে বলে প্রথমে আমাকে সালাত পড়তে দাও, তারা বলে নিশ্চয় তা করবে।

আমরা যা জিজ্ঞাসা করেছি তার উত্তর দাও। তোমাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি ছিল তাঁর সম্পর্কে তুমি কি জান? তাঁর ওপর কিসের সাক্ষ্য দাও? তিনি বলেন, তখন সে বলে তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে নিশ্চয় তিনি আল্লাহর রাসূল এবং তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে সত্য বাণী নিয়ে এসেছেন। তাকে বলা হবে -এর ওপর জীবন কাটিয়েছ, এর ওপর মারা গিয়েছ এবং এর ওপরই আবার উঠানো হবে ইনশাআল্লাহ। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দিয়ে বলা হবে এটাই তোমার স্থান, এর মধ্যে সব কিছুই আল্লাহ তোমার জন্য তৈরি করেছেন।

তখন তার আনন্দ ও গর্ব বেড়ে যাবে। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের একটি দরজা খুলে দিয়ে বলা হবে, যদি তুমি আল্লাহর নাফরমানী করতে তাহলে তোমার স্থান হতো এটি এবং এতে যা কিছু রয়েছে সবই তোমার জন্য তৈরি ছিল, তাতে তার আনন্দ ও গর্ব আরো বেড়ে যাবে। তারপর তার কবরকে তার জন্য সত্তর গজ প্রশস্ত করে তা নূর দিয়ে আলোকিত করে দেওয়া হবে এবং পূর্বের ন্যায় তার শরীর ফিরিয়ে দিয়ে তার আত্মা ভালো আত্মাসমূহের অন্তর্ভুক্ত করে দিবেন। আর তা হলো জান্নাতের বৃক্ষে ঝুলানো একটি পাখী।
তিনি বলেন: এটাই আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

﴿يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱلۡقَوۡلِ ٱلثَّابِتِ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِۖ ﴾ [ابراهيم: ٢٧]

“আল্লাহ মুমিন বান্দাদেরকে পৃথিবী এবং আখিরাতে মজবুত বাক্য দ্বারা শক্তিশালী করেন।” [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ২৭]

﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُواْ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسۡتَقَٰمُواْ فَلَا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ ١٣﴾ [الاحقاف: ١٣]

“নিশ্চয় যারা বলে আমাদের রব আল্লাহ, অতঃপর এর ওপর দৃঢ় থাকে তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।” [সূরা আল-আহকাফ, আয়াত: ১৩]

আমি একজন বিধবা,আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম। আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর,থাকে অষ্ট্রেলিয়া। আমার হাজবেন্ড যখন  মারা য...
12/06/2022

আমি একজন বিধবা,আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম।
আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর,থাকে অষ্ট্রেলিয়া। আমার হাজবেন্ড যখন মারা যায় তখন আমার বয়স ৪০ বছর। আর আমার ছেলে আশিক আদনান দিপ যাকে আমি দিপ বলে ডাকি ওর বয়স তখন ১৬ বছর।

ছেলে কে আমি একা একা বড় করেছি। নিজে কষ্ট করেছি, কখনো ছেলেকে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেই নাই। সব সময় চেয়েছি ওর সব চাহিদা মেটাতে। কখনো যেন না ভাবে - আমার বাবা থাকলে এ-ই চাহিদাটা পূরণ হতো। বাবা নাই বলে এটা পাচ্ছি না। ছেলে কে দেশের সব চাইতে ভালো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ছেলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে চলে গেলো অষ্ট্রেলিয়া । সব খরচ একা হাতে সামলিয়েছি। নিজের দিকে একদম খেয়াল করিনি। সব সময় দেখতে চেয়েছি আমার সন্তানের সফলতা ! তার ভবিষ্যৎ উজ্জল করাই ছিলো আমার জীবনের লক্ষ।আমাকে সবাই সফল মা বলেন।এই নিয়ে আমারও একধরনের চাপা গর্ব আছে।

গত সপ্তাহে আমার এক পুরাতন বান্ধবীর সাথে দেখা হলো ওর নাম লিপি। ওর ছেলে আমার ছেলে দিপের সাথে এক'ই স্কুলে পড়তো। ওর ছেলের সাথে অবশ্য দিপের খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিলো না। এর কারণ আমি সব সময় চাইতাম দিপ শুধু মাত্র ভালো স্টুডেন্ট যারা আর সব সময় পড়ালেখা নিয়ে কমপিটিশন করে তাদের সাথে মিশবে। তাতে করে ওর ভেতরে পড়ালেখার প্রতি আরো বেশি প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকবে।

সব সময় লিপি বলতো -দেখ আমরা দু'জন কত ভালো বন্ধু। আর আমাদের ছেলেরাও এক'ই স্কুলে পড়ে, তার পরেও ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো না।
লিপির ছেলে আরিফ সব ক্লাসে টেনেটুনে পাশ করে যেতো। তবে সব সময়ই স্কুলের খেলাধুলা অন্যান্য কার্যক্রম গুলোতে অংশগ্রহণ করতো। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকতো, ছবি আঁকতো, এগুলো নিয়েই লিপি খুশি থাকতো।

লিপির কথা,- আমার ছেলে'তো আর ফেল করে না! পাশ করে গেলেই হলো। সবার ছেলেতো ফাস্ট হবে না। আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না কিন্তু ওর অন্য কাজ গুলো কত সুন্দর!
আমার কাছে লিপির এই কথা গুলো অসহ্য লাগতো। মনে হতো,ছেলের মাথায় তো গোবর আছে। তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়। তা না হলে যে ছেলে পড়ালেখায় এত পেছনে পরে আছে। তাকে কোন মা স্কুলের এক্সটা কার্যক্রম নিয়ে সময় নষ্ট করতে দেয়!
দিপ কলেজে উঠে নটরডেম কলেজে ভর্তি হলো আর আরিফ খুবই সাধারণ একটা কলেজে ভর্তি হলো। তার পর ওদের সাথে আর যোগাযোগ ছিলো না।

গত সপ্তাহে শপিং মলে ওদের সাথে দেখা হলো। তাও আমি ওদের দেখি নাই। আমাকে লিপির ছেলে আরিফ দেখতে পেয়ে আমার কাছে এসে বলে
-আন্টি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি আরিফ।
আমি আরিফকে আসলেই চিনতে পারছিলাম না। আরিফ কে যখন শেষ দেখি তখন মাত্র স্কুল ছেড়ে কলেজে যাবে। ছেলে মানুষি এখনো চোখে মুখে। আর এখন রীতি মতো ভদ্রলোক। তার পর আরিফ আমাকে লিপির কাছে নিয়ে যায়। লিপি একটা দোকানে বসা ছিলো। লিপিকে নিয়ে ওর ছেলে শপিং এ এসেছে। তাও আবার লিপির জন্য তার ছেলে পছন্দ করে কি সব রংচঙে থ্রী-পিছ কিনছে।

আমি আর লিপি সব সময় শাড়ি পরতাম, তাই আমি একটু অবাক হলাম। লিপি আমার কাছে বার বার জানতে চাইছিলো।
-তুই বল আমি কোনটা কিনবো আমাকে কোনটায় মানাবে?
-তখনই আরিফ হঠাৎ করে বলে বসে আন্টি আপনি যেটা পছন্দ করবেন আম্মা সেটাই কিনবে।তার পর আমি একটা থ্রী- পিস পছন্দ করি আরিফ সেই একই থ্রী- পিস দুইটা কিনে আমি তা খেয়াল করি।
আমি আর লিপি গল্প করছিলাম কেনাকাটার ফাঁকে ফাঁকে ।
তারপর আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে।
আমি আরিফ কে খেয়াল করছিলাম ও লিপির সাথে কেমন সহজ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলে। মনে হয় আরিফ ওর মাকে নয় মেয়ে কে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে। তার পর আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়।আরিফ টুকটাক খাবার অর্ডার করে শেষে আরিফ বলে -
আম্মা কফি খাবে নাকি কোন আইসক্রিম।
লিপি বলল আগে কফি খাব তারপর কোন আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় যাব।
আমি বললাম- আমি শুধু কফি।
লিপি সঙ্গে সঙ্গে বলল -তা হলে আইসক্রিম খাওয়া বাদ।
খেতে খেতে শুনলাম ওরা বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজারে সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন। সাথে লিপি কে নিয়ে যাবে। যদিও সেটা আরিফের অফিসিয়াল টুর।আরিফ একটা বায়িং হাউস এ আছে। বুঝতে পারলাম ভালো দায়িত্বে আছে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় কতবার যে মেইল চেক করলো। আর টুকটাক অফিসিয়াল কল রিসিভ করলো। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মা'কে শপিং করতে নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে আরো জানা হয়ে গেলো আরিফের বউ-এর কথা আরিফের বউ একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে আছে। তাদের এক সন্তান সে এখন তার নানি বাড়িতে আছে। শপিং শেষ হলে আরিফ তার মেয়ে কে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিবে।

আমি একটা বিছানার চাদর আর আমার জন্য টুকটাক বাজার করতে এসেছিলাম। আমি কিছুই কিনি নাই সেদিন। আমার কিছু কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আর।আমি শুধু আরিফ কে দেখছিলাম। আরিফ কি ভাবে ওর মা'কে এত যত্ন করছে।স্যান্ডেলের দোকানে নিজে তার মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিলো।লিপি এত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। আরিফ তখন বলল আম্মা তুমি মূল্য দেখো কেন? তুমি দেখবে আরাম পাও কিনা?
আরিফের কত খেয়াল তার মায়ের জন্য। সব শেষে সানগ্লাস কিনলো মায়ের জন্য। লিপি সানগ্লাস কিনবে না।তখন আরিফ বলল,
- মা সানগ্লাস কিনতে হবে কারন তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাটবে তখন তোমার চোখে রোদ লাগবে।
ওদের মা - ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? আমি আরিফ কে দেখছি, লিপিকে দেখছি। আর আমার ভেতরে কেমন হীনমন্যতা ঢুকে যাচ্ছে। বার বার মনে হচ্ছে আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে। আমি একজন ব্যর্থ মা। যে তার ছেলেকে সব চাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছি যে, সেই ছেলের নাগাল আমি আর কখনো পাবো না!

এর মধ্যে কয়েকবার আরিফ দিপের কথা জানতে চেয়েছে।দিপের সাথে যোগাযোগের নম্বর চেয়েছে, আমি দেই নাই। বলেছি বাসায় আছে, নোট বইয়ে লেখা। আর দিপ আমাকে কল দেয় সব সময়। আমি তো দেই না তাই মনে নাই। আসলে দিপের অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করবে। আমাকেই বলে
- মা আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দিবে না। এতে করে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের সময়ে এডজাস্ট করতে পারো না কেন?
আরিফ আমাকে আমাদের বাসায় নামিয়ে দ

😍জয় হোক মানবতার😍ফার্মেসিতে ঔষধ ফ্রি,রক্ত দিতে আগ্রহী এইরকম হাজারো নামের লিস্ট আছে যারা যে কোন মুহূর্তে রক্ত দিবেন,কেউ কে...
05/06/2022

😍জয় হোক মানবতার😍

ফার্মেসিতে ঔষধ ফ্রি,
রক্ত দিতে আগ্রহী এইরকম হাজারো নামের লিস্ট আছে যারা যে কোন মুহূর্তে রক্ত দিবেন,
কেউ কেউ পানির বোতল,
আবার কেউ খাবার নিয়ে এসেছেন,
সিএনজি- রিক্সা ওয়ালাদের অনেকেই ফ্রি নিয়ে যাচ্ছেন❣️

আগে ভাবতাম এই পৃথিবীতে কেউ কারো নই।
এখন ভাবতে হবে, পৃথিবী সুন্দর যদি সবাই হাত বাড়িয়ে দেয়💞

আমরা হয় তো তাদের জন‍্য অনেক কিছু করতে পারবো না। কিন্তু সবাই তাদের জন‍্য দোয়াটুকু তো করতেই পারি।

আসুন যার যার জায়গা থেকে সামর্থ‍্য অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব সাহায্য করি। সেটা হোক আর্থিকভাবে, বা দোয়া করে।

চট্টগ্রাম ট্র‍্যাজেডিতে লড়ে যাওয়া ডাক্তার,নার্স সহ হাসপাতাল স্টাফদের সালাম!চমেকের সার্জারী ইউনিট-১ এর Emergency OT বরাবর...
05/06/2022

চট্টগ্রাম ট্র‍্যাজেডিতে লড়ে যাওয়া ডাক্তার,নার্স সহ হাসপাতাল স্টাফদের সালাম!

চমেকের সার্জারী ইউনিট-১ এর Emergency OT বরাবরই বিকেলে শুরু হয়ে মাঝরাতে শেষ হয় (মাঝে মাঝে পরদিন সকালও হয়ে যায়)...
গতকালও বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু করে লাগাতার আমাদের ইমার্জেন্সী অপারেশন চলছিল...
রাত সাড়ে ১১টায় তখন আর মাত্র ২ জন রোগীর অপারেশন বাকি...ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চিন্তা করলাম আজ হয়তো রাত ২টার মধ্যে বাসায় যেতে পারবো; পরদিন (মানে রবিবার) যে আবার সকাল ৮টা থেকে মর্নিং ডিউটি আছে আমার...
অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে থাকায় তখন আমরা বাইরের জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন...ঠিক সেই সময়ই খবর আসলো চট্টগ্রামে Mass Casualty হয়েছে...
শয়ে শয়ে এম্বুলেন্স চমেকের উদ্দেশ্যে আসছে...
Be prepared...
এর ঠিক ১০ মিনিট পরই একজন রোগী আসলেন নাঁড়িভুঁড়ি সব বের হয়ে গেসে...এভাবে পর পর Casualtyর রোগী এসে ভিড় করতে লাগলো আমাদের ওয়ার্ডে...কারো বুকে লোহার পাত ঢুঁকে গেছে তো কারো বুকের মাংসই উড়ে গেসে...একজনের কোমড়ের পিছনে মাংস নাই; সেখান থেকে কিডনি-নাঁড়িভুঁড়ি বাইরে ঝুলতেছে...আবার কোনো রোগীর শরীর থেকে মাংস খসে খসে পরে যাচ্ছে...
এরকম অসংখ্য অসংখ্য আহত রোগীদের চিকিৎসা দিতে দিতেই রাত পার হয়ে আজ বিকেল এখন...কিন্তু থেমে নেই চিকিৎসা সেবা...
খবর পাওয়া মাত্রই সকল চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল স্টুডেন্ট, স্বেচ্ছাসেবীরা একত্রে লড়ে গেছেন এই দূর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের রক্ষার্থে...
স্যালুট তাদের সবাইকে...

এই ছবিগুলো গতকালকে Emergency OT শুরুর ২২ ঘন্টা পরের 'চমেক সার্জারী ইউনিট-১' এর বিধ্বস্ত কিন্তু হাস্যোজ্জ্বল ডাক্তারদের ছবি...
এই হাসির কারণ আমাদের ওয়ার্ডে আসা 'সীতাকুন্ড ট্র্যাজেডির' ৩৬ জন রোগীকেই আমরা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি...
এইটুকুই যথেষ্ট আমাদের টানা ২২ ঘন্টার পরিশ্রম এক নিমিষেই ভুলে যাওয়ার জন্য...
(ছবিতে গতকাল থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া অনেক ডাক্তারই অনুপস্থিত)

ওয়ার্ড-২৪
সার্জারী ইউনিট-১
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
পোস্টঃকালেক্টেড

05/06/2022

🤣🤣🤣🤣🤣🤣
খেলেন তবে সাবধান!

স্বামী-স্ত্রী ঘরে বসে ছিল।
ছুটির দিন।

বউ বলল, চলো সময় কাটাতে দুজনে একটা খেলা খেলি।
তুমি একটা কাগজে পাঁচজন নারীর নাম লেখো, যাদের তুমি পছন্দ করো। আর আমি পাঁচজন পুরুষের নাম লিখছি, যাদের আমি পছন্দ করি।

দুজনে কাগজ-কলম নিয়ে লেখা শুরু করে দিল।

কিছুক্ষণ পরে কাগজ খোলা হলো।

বউ লিখেছে:-
■ ব্র্যাড পিট
■ সাকিব আল-হাসান
■ সালমান খাঁন
■ আমীর খাঁন
■ সাকিব খাঁন

স্বামী লিখেছে:-
◆ লামিয়া (ছেলের স্কুলের বন্ধুর মা)
◆ ফারিয়া (বউয়ের মামাতো বোন)
◆ সাদিয়া (বউয়ের বান্ধবী)
◆ সুমাইয়া (সামনের ফ্ল্যাটের ভাবি)
◆ অপর্ণা (ছেলের গৃহশিক্ষিকা)

মরাল অব দ্য স্টোরি:-
পুরুষ বাস্তববাদী
নারী থাকে স্বপ্নের জগতে।

★এই খেলার পরিণতি:
● স্বামী দশ দিন ধরে হোটেলের খাবার খাচ্ছে
● ড্রয়িংরুমের সোফায় ঘুমোচ্ছে
● অপর্নার চাকরি গেছে
● ফারিয়া মোবাইল নাম্বার ও ফেসবুক ২টাই ব্লক
● বউ বান্ধবী সাদিয়াকে বাড়িতে আসতে বারণ করেছে
● সামনের ফ্ল্যাটের দিকের জানালায় কাঠের ব্যাটাম দিয়ে পার্মানেন্ট বন্ধ
● অনলাইন ক্লাস শেষে স্কুল খুললে লামিয়ার কি ব্যবস্থা হবে সেটা এখনও অজানা

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ:-
এই বিপজ্জনক খেলা নিজের ঘরে খেলবেন না। আমার মনে হয় একটা বয়েসের পরে খেলা ধুলা না করাই ভালো

💔
01/06/2022

💔

আপনি যদি ‘সোজা’ থাকেন, তাহলে অন্যের চোখে আপনি দেখতে ‘বাঁকা’ হলেও কিছু আসে-যায় না।Collected
29/05/2022

আপনি যদি ‘সোজা’ থাকেন, তাহলে অন্যের চোখে আপনি দেখতে ‘বাঁকা’ হলেও কিছু আসে-যায় না।

Collected

Address

Hat Naogaon

Telephone

+8801681466599

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANJUM's TRADE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ANJUM's TRADE:

Shortcuts

Share