BookTalk With Zihad

BookTalk With Zihad Bibliophile | GFX Designer | Book Reviewer

বর্তমান AI এর যুগে প্রায় সকলের হাতেই আছে ডিজিটাল ডিভাইস। সকলেই জীবনকে আরো সহজ করার জন্য যা যা করা দরকার সেটাই করতেছে। প্...
04/05/2026

বর্তমান AI এর যুগে প্রায় সকলের হাতেই আছে ডিজিটাল ডিভাইস। সকলেই জীবনকে আরো সহজ করার জন্য যা যা করা দরকার সেটাই করতেছে। প্রযুক্তির সাহায্যে জীবনকে সহজ করার সব ধরনের চেষ্টা মানুষ নামের প্রাণীগুলো করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্ত প্রযুক্তির প্রতি অতিরিক্ত ঝুকে পড়া জাতি কি আদৌ প্রযুক্তির দ্বারা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারছে?? বেশিরভাগ মানুষই আজ মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ। আমাদের অভ্যাস ও কাজকর্ম আমদেরকে নিয়ে যায় হতাশার দিকে। কিন্ত সবকিছুর পরেও এমন কিছু কাজ আছে যেগুলোর মাধ্যমে বেশ শান্তি, সুখ ও মানসিকভাবে ফুরফুরে থাকা যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো নন একাডেমিক বই পড়া। গল্প,উপন্যাস,কবিতা,ফিকশন,নন-ফিকশন বই পড়ার অভ্যাস আমাদেরকে অনেকভাবে উপকৃত করে। তবে বর্তমানে প্রযুক্তির বরাতে এই ভালো অভ্যাসটি এখন আগের তুলনায় কমে গেছে। মানুষ আগের মতো আর বই পড়ে না। এজন্য আজকে কথা বলবো নন একাডেমিক বই পড়ার উপকারিতা নিয়ে।

বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেছে যে নন একাডেমিক বই পড়ার ফলে ব্যক্তির জ্ঞানগত, আবেগগত, সামাজিক, পেশাগত ও আজীবন শিক্ষার বিভিন্ন দিক উন্নত হয়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, গল্প ও উপন্যাস পড়লে মস্তিষ্কের সংযোগ বাড়ে ও পারস্পারিক সহানুভূতি (empathy) উন্নত হয়। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস বার্ধক্যকালে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সংরক্ষণ করে এবং স্নায়ুবিক পটভূমি জাগ্রত করে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উপর এক গবেষণায় দেখা গেছে অবসরকালে বই পড়ার ফলে মানসিক চাপ ও উৎকন্ঠা কমে যায়। নন-একাডেমিক পড়ার ফলে আমরা যে যে উপকারিতা পেয়ে থাকি বিভিন্ন গবেষনালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে নিচে তা উল্লেখ করা হলো।

১)জ্ঞানগত উপকারিতাঃ
নন-একাডেমিক বই পড়া মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও শব্দভান্ডার উন্নত করে। ইমরি ববিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দেখিয়েছেন যে সুদৃঢ় গল্প পাঠের পর মস্তিষ্কের ভাষা ও কল্পনা ক্ষেত্রে সংযোগ বাড়ে যা পরবর্তীতে "Shadow activity" বা মস্তিষ্কের জৈবিক স্মৃতিতে রুপান্তরিত হয়। আরো একটি গবেষনায় দেখা গেছে বৃদ্ধদের নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের শক্তি ক্ষয় (কগনিটিভ ডিক্লাইন) প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। গল্প পাঠের কারণে (Theory of mind) উন্নতিরও প্রমাণ রয়েছে।

২)আবেগগত ও মানসিক সাস্থ্যের উপকারিতাঃ
নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মনোবিজ্ঞান ও মানসিক সাস্থ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। একটি কানাডিয়ান সমিক্ষায় দেখা গেছে যে শিক্ষার্থীরা এক বছরে অবসরবেলা যে বই পড়ে সেটি উক্ত বছরে তাদের মানসিক চাপ এবং উৎকন্ঠা কমাতে সাহায্য করেছে।গবেষকরা রিপোর্ট করেছেন "Recreational reading reduces psychological distress in college students." অর্থাৎ বই পড়া, শিক্ষার্থীদের
মানসিক স্বস্তি এবং ক্ষুদ্র মানসিক সমস্যার উপর প্রভাব ফেলে। এছাড়া UK'র NIHR এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে বই পড়া দৈনন্দিন চাপ থেকে মুক্তি, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও স্মৃতি গড়ে তোলা এবং গল্পের অনুভূতি নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করার মাধ্যমে মানুষকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে। অধ্যাপক ক্রিস্টোফার বার্গল্যান্ড বলেছেন "একজন পাঠক যখন কল্পনার মাধ্যমে অন্য কারো অনুভূতির সঙ্গে নিজেকে সংযুক্ত করে, তখন কল্পনাগুলো মস্তিষ্কে এক ধরনের 'মাসেল'স মেমোরির' মতো কাজ করে।

৩)সামাজিক উপকারিতাঃ
কাহিনী ও উপন্যাস পড়া সহানুভূতি ও সামাজিক বোধ বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষক Bal এবং Veltkamp দেখিয়েছেন, উপন্যাসে গভীর নিমজ্জনের মাধ্যমে পাঠকরা অন্যের অনুভূতির সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে নিতে পারে যার ফলে সহানুভূতির মাত্রা বাড়ে। এ সম্পর্কে লেখিকা ম্যালোরি ব্ল্যাকম্যান বলেছেন, "পড়া হলো সহানুভূতির অনুশীলন; তা কিছু সময়ের জন্য অপর কারোর জুতোয় পা রাখার অনুশীলন। বই পড়ার মাধ্যমে পাঠক বিভিন্ন সংস্কৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে পারে ফলে সামাজিক বোঝাপড়া উন্নত হয়। বই পড়ার মাধ্যমে ভিন্ন মতাবলম্বীদের প্রতি বোঝাপড়া জন্মায়।

৪)পেশাগত ও সৃজনশীল সুফলঃ
বইপড়া সৃজনশীলতা ও নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেয়, যা পেশাগত সফলতাতেও কাজে লাগে। অ্যানগাস ফ্লেচার (ওয়াহো স্টেট) জানান যে, গল্প আমাদের মস্তিষকে জাগিয়ে নতুন উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে। তিনি আরও বলেন গল্প বা উপন্যাস মস্তিষ্ককে যেকোনো কিছু করার ক্ষমতা দেয়। পৃথিবীর অনেক সফল ব্যক্তি তাদের সফলতার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে নন-একাডেমিক পড়াশোনাকে উল্লেখ করেছেন। স্টিফেন কিং বলেছেন, "যদি আপনার কাছে পড়ার সময় না থাকে তাহলে আপনার কাছে লেখার জন্যও সময় (হাতিয়ার) থাকবে না। এজন্য পেশাগত সফলতা অর্জনে এবং নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতাকে বাস্তবে রুপ দিতে বই পড়ার বিকল্প নেই।

৫)আজীবন শিক্ষার সুবিধাঃ
বই পড়া আমাদের শেখার যাত্রা আজীবন ধরে রাখে।নিয়মিত অবসর-পাঠন করা মানে জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি। UNESCO এর শিক্ষা বিষয়ক নীতি গুলো থেকে জানা যায় স্নাতক পরবর্তী বা কর্মজীবনের পরে অবসর-পাঠন জীবনভর শেখার একটি অংশ এবং সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক।

উপরে বিভিন্ন তথ্যের সাহায্যে আমরা জানলাম নন-একাডেমিক বই পড়া কেন জরুরী। তাই উপরে উল্লেখিত উপকারগুলো নিজের জীবনে পাওয়ার জন্য হলেও আপনাকে বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। বের হয়ে আসতে হবে প্রযুক্তিগত আসক্তি থেকে। আসুন আমরা বই পড়ার অভ্যাস ধারণ করি এবং একটি উন্নত সভ্য সমাজ গড়তে নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যায়। পৃথিবী বইয়ের হোক।

সোর্স সমুহঃ

1. Reading Fiction Improves Brain Connectivity and Function | Psychology Today

2. How does fiction reading influence empathy? An experimental investigation on the role of emotional transportation - the University of Bath's research portal

3. (PDF) Reading activity prevents long-term decline in cognitive function in older people: evidence from a 14-year longitudinal study.

4. Short- and Long-Term Effects of a Novel on Connectivity in the Brain - Gregory S. Berns, Kristina Blaine, Michael J. Prietula, Brandon E. Pye, 2013

5. (PDF) For the love of reading: Recreational reading reduces psychological distress in college students and autonomous motivation is the key.

6. A novel way to boost health: research shows how reading can be used to improve mental health and wellbeing - ARC

7. Cognitive effects of reading fiction: A meta-analysis - IGEL 2023 - Concordance.

8. Reading Literary Fiction and Theory of Mind.

9. Kindful Kids Weekly.

10. President Obama says novels taught him how to be a citizen | Fiction | The Guardian.

11. Sparking creativity through reading | The Ohio State University.

12. Literacy | UNESCO.

04/05/2026

তুর্কীতে একটি কবিতা আছে যার বাংলা অনুবাদ দাড়ায় এমন👇

তোমার কাছ থেকে যা আসে তার সবই আনন্দদায়ক।
হোক সেটা গোলাপ,হোক সেটা গোলাপের কাঁটা!
হোক সেটা জীবন,অথবা হোক কাফন!
তোমার থেকে আসা সুখও আনন্দদায়ক,
তোমার থেকে আসা দুঃখও আনন্দদায়ক!
তোমার রাগও আনন্দদায়ক,
তোমার করুণাও আনন্দদায়ক।🥀🥀

সুন্দর না??

সংগ্রহের তালিকায় আরো একটি বই যুক্ত হলো। বইটি সংগ্রহ করা হয়েছে Book Cafe Jessore থেকে।
01/05/2026

সংগ্রহের তালিকায় আরো একটি বই যুক্ত হলো। বইটি সংগ্রহ করা হয়েছে Book Cafe Jessore থেকে।

29/04/2026

উইশলিস্টের বই জমা করা দেখলে হতাশা বেড়ে যায় তাই আর লিস্ট বানিয়ে রাখি না🥲

23/04/2026

একাডেমিক পড়তে গিয়ে নন একাডেমিক পড়ার টাইম ই পাচ্ছি না। খুবই বাজে অবস্থা। আপনাদের পড়শোনার কি খবর ভাইলোগ?

আমরা অনেকেই রাসূল (স) সম্পর্কে জানতে চাই। যিনি এই দুনিয়ার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানব তার সম্পর্কে জানতে চাওয়া উচিৎ বটে। আমাদের ...
18/04/2026

আমরা অনেকেই রাসূল (স) সম্পর্কে জানতে চাই। যিনি এই দুনিয়ার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানব তার সম্পর্কে জানতে চাওয়া উচিৎ বটে। আমাদের জীবনকে সত্যের পথে,ভালোর পথে পরিচালিত করতে হলে রাসূল (স) এর পদাঙ্ক অনুসরণ করা ছাড়া দ্দ্বিতীয় কোনো পথ নেই। শ্রেষ্ঠ মানব মুহাম্মাদ (স) সম্পর্কে তাই বিভিন্ন সময়ে লেখা হয়েছে বিভিন্ন সিরাত গ্রন্থ। সেসকল গ্রন্থে তার সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এমনই একটি ছোট সিরাত গ্রন্থ নিয়ে আজকের এই লেখা। আসলে নবিজীকে (স) নিয়ে লেখা সংক্ষেপে শেষ করা যায় না কখনোই, এজন্য একেক সিরাত গ্রন্থ একেক বিষয় নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনোটা তার ব্যাক্তিগত জীবন,কোনোটা যুদ্ধজীবন,কোনোটা আবার নবুয়ত পরবর্তী জীবন নিয়ে লেখা। এভাবে ভাগ ভাগ করে এবং সম্পূর্ণ আকারেও অনেক সিরাত গ্রন্থ রয়েছে। কিন্ত সকল পাঠক সকল সিরাত গ্রন্থ পড়তে পারেনা বা বুঝতে পারে না। তাই সাধারণ পাঠকদের জন্য উত্তম হলো ছোট সিরাত গ্রন্থ থেকে সিরাত পাঠ শুরু করা। এমনই একটি সিরাত গ্রন্থ হলো মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীর "নবিজী (স) কেমন ছিলেন"। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এটি শুধুমাত্র নবিজীর বৈশিষ্ঠ্যবলী নিয়ে লেখা একটি সিরাত। নবিজী (স) দেখতে কেমন ছিলেন, তার শারিরীক,দৈহিক গঠন,চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য,আচার-আচরণ সমস্ত কিছু উঠে এসেছে এই বইয়ে। যারা শামায়েলে তিরমিজি পড়তে পারেন না বই বড় হওয়ার কারণে তারা এই বইটি পড়তে পারেন।বইটিতে লেখক খুব সুন্দরভাবে নবিজীর সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। পড়ার সময় বইয়ের কথা গুলো আপনার হৃদয় স্পর্শ করবে ইনশাআল্লাহ। আর করবেই বা না কেন? পৃথিবীতে আসা এক মহামানব যিনি সমগ্র বিশ্বকে সত্যের পথ দেখিয়ে গিয়েছেন,যিনি ছিলেন সত্যবাদী,দয়ালু এবং শ্রেষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী তার সম্পর্কে জানলে হৃদয় শীতল হবে এটাই তো স্বাভাবিক। যারা সিরাত পড়া শুরু করবেন ভাবছেন, রাসূল(স) সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন এবং সেগুলোকে নিজের জীবনে কাজে লাগানোর জন্য এই বইটি দিয়ে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে তাহলে বড় বড় সিরাত গ্রন্থ পড়া সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

#সিরাত #সীরাহ #বইকথা

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম🌸
11/04/2026

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম🌸

পড়ছিলাম আহমদ ছফার 'নিহত নক্ষত্র' নামক ছোট গল্পটি। একটি দেশের ক্ষমতাধর শাসকশ্রেনীর কাছে নির্মমভাবে ব্যবহৃত হওয়া ছাত্রশ্রে...
31/03/2026

পড়ছিলাম আহমদ ছফার 'নিহত নক্ষত্র' নামক ছোট গল্পটি। একটি দেশের ক্ষমতাধর শাসকশ্রেনীর কাছে নির্মমভাবে ব্যবহৃত হওয়া ছাত্রশ্রেনীর কথা উঠে এসেছে এই ছোট গল্পটিতে। গল্পটি ১৯৬৯ এর প্রেক্ষাপটে রচিত। অরাজক ও স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে সৎ ও মেধাবী তরুন প্রজন্মের ধ্বংসের আখ্যান হলো এই নিহত নক্ষত্র। গল্পটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে তরুণদের লক্ষ্যচ্যুত হওয়া, লোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় মেধার অপচয় এবং রাষ্ট্র বিনির্মাণে সুযোগসন্ধানী মহলের নেতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরে, যেখানে মুনতাসীর চরিত্রের মাধ্যমে এক অসম্ভব জীবনবোধ ও সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শাসকশ্রেণি কিভাবে মেধাবী তরুণদের নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন সেটাই এই গল্পের মূল উপজিব্য। তবে বাংলা সাহিত্যের একটা বৃহৎ অংশ জুড়ে নাস্তিকতার যে প্রভাব সেটি থেকে এই গল্পটি মুক্ত নয়। গল্পের বেশ কিছু জায়গায় আলেমদের উপেক্ষা করা হয়েছে এবং তাদেরকে জ্ঞানহীন মূর্খের সাথে, সমাজের আদর্শহীন গোষ্ঠির সাথে তুলনা করা হয়েছে। এবং গল্পের প্রধান চরিত্র মুনতাসীরকেও নাস্তিক হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাছাড়া গল্পের কাহিনী দারুণ লেগেছে। ছোট গল্প হওয়ায় এক বসাতেই পড়ে ফেলতে পারবেন। যারা গল্পটি পড়েননি তারা পড়ে দেখতে পারেন। অনলাইনে pdf পেয়ে যাবেন।

#বইপ্রেমী #ছোটগল্প #আহমদছফা

Same book at different places give us different feelings. Agree or not?
27/03/2026

Same book at different places give us different feelings. Agree or not?

বেশ কিছুদিন ছুটি কাটিয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করলাম। ছুটিতে কে কোন বই পড়ছেন??
26/03/2026

বেশ কিছুদিন ছুটি কাটিয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করলাম। ছুটিতে কে কোন বই পড়ছেন??

Address

Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BookTalk With Zihad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category