Boimela 21

Boimela 21 Book Store

 #কবিতা ভাবছি তোমায় জল কিনে দিইসমুদ্রে নয়; নয়তো কোনো বৃষ্টি-বাদল,নদীর শরীর; জ্যোৎস্না সেথায় নাইতে নামে। দুঃখ-কষ্টের নিড়া...
16/01/2025

#কবিতা

ভাবছি তোমায় জল কিনে দিই
সমুদ্রে নয়; নয়তো কোনো বৃষ্টি-বাদল,
নদীর শরীর; জ্যোৎস্না সেথায় নাইতে নামে।
দুঃখ-কষ্টের নিড়ানি দিই বুকের গভীর,
সে জল নেবে?
জল নাহলে বন কিনে দিই
হরিৎ পাতার,
আলোর হয়তো ঘুম ভাঙেনি,
ছায়ারা সব আন্দোলনে।
তেমন কোনো বন না পেলে,
দিন কিনে দিই
অল্প আলোর ; নাতিশীতোষ্ণ,
দিনকে দিন বাড়ছে যেটার বাজারমূল্য।
তুমি বললে শীস কিনে দিই
পাখির কন্ঠের ; হরেকরকম,
ওদের কেউ ধার দেবে না,
কিংবা কিছুর বিনিময়ে
আকাশ দিতাম পোশাক বদলে।
নাহয় রাতের অলংকারে
খুঁজে নিতে রঙিন তারা,
মূল্য দিতাম।
মেঘ কিনবার খুচরোটুকু তোমায় দেবো,
যত্নে রেখো।।

→ মেঘ কিনবার খুচরো
→ মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন

 #কবিতা যদি এমন হয় দ্রাঘিমা রেখাগুলো সব লম্বালম্বি ভেদ করে যায় আমার দুঠোঁট অক্ষাংশ রেখাগুলো তৈরি করে ইস্পাত কঠিন শব্দ-বন...
10/01/2025

#কবিতা

যদি এমন হয়
দ্রাঘিমা রেখাগুলো সব লম্বালম্বি
ভেদ করে যায় আমার দুঠোঁট
অক্ষাংশ রেখাগুলো তৈরি করে
ইস্পাত কঠিন শব্দ-বন্ধ জালিকা
যদি আমি ভুলে যাই কাব্যময় প্রেমময় ছন্দময়
বাক্যবানে তোমাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলতে!
যদি হঠাৎই পরিণত হই বৃক্ষের মত নিরুত্তাপ
নিরুপদ্রব নির্মোহ শিষ্টমিষ্ট এক প্রেমিক প্রবরে!
তবে তুমি কী সেদিনও আমাকে ভালোবাসবে
ঠিক আজকের মত করে?

যদি এমন হয়
তোমাকে লেখা এটি আমার শেষ চিঠি
যদি এটাই হয় আমাদের দুজনের শেষ চা-আড্ডা
অহেতুক চঞ্চল পাঁচটি আঙুল ভুলে যায় দশ হতে
জড়িয়ে ধরে কখনও ভালবাসা না হয় দুজনের
না হয় কোনো গোপন মিলন, প্রেমময় গভীর চুম্বন
থেমে যায় দুজনের প্রবল উন্মত্ত শারীরিক খেলা -

তবে এ পৃথিবীতে কী হবে বলো,
এ আকাশে কখনও জমবে না আর কালো মেঘ
বৃষ্টি এসে কাউকে ভিজিয়ে দেবেনা কখনও
পায়রারা আকাশে উড়তে ভুলে যাবে হঠাৎই
ফুলেরা সব ঝরে যাবে ফোটার আগেই, অথবা
প্রবল আলস্যে মধুকর ভুলে যাবে দৈনন্দিন কাজ
পায়রারা আকাশে উড়তে ভুলে যায় হঠাৎই
শিশুদের চেহারায় জমবে সামাজিক দুশ্চিন্তার ছাপ
সূর্য ভুলে যাবে তার রুটিন, চাঁদ ভুলে যাবে টিপ দিতে

আমি আর পারছি না, এখন ঘুমাবো
আর কী কী হতে পারে তুমি বলো।

--- হাসান তারেক চৌধুরী

 #কবিতা দুটি কদম এগিয়ে গেলেইহারিয়ে ফেলি তোমায়,বৃষ্টি ছাড়াই রাগ অভিমান অশ্রু কেমন জমায়!অশ্রুগুলোর মুক্তি কেবলশিউলি ঝরার ভ...
09/01/2025

#কবিতা

দুটি কদম এগিয়ে গেলেই
হারিয়ে ফেলি তোমায়,
বৃষ্টি ছাড়াই রাগ অভিমান
অশ্রু কেমন জমায়!
অশ্রুগুলোর মুক্তি কেবল
শিউলি ঝরার ভোরে,
অন্য কেউ কুড়িয়ে নেবে
হয়তো অগোচরে।
আমি তখন পেরিয়ে যাবো
শূন্য শিউলি তলা,
নাই-বা পেলাম তোমার দেখা,
অমন ভিন্ন চলা।
তারচেয়ে না হয় দেখা হলো;
অন্য কোনো শহর,
তোমার ছোঁয়ায় কেঁপে উঠুক
রোমাঞ্চিত নগর।

কেউ চেনে না;
নেই তো কারো কোনো মাথাব্যথা,
বুকের সাথে বুক লুকিয়ে
চলুক নানান কথা।
কেউ চেনে না তোমায় আমায়…
আহা! কেউ চেনে না।
স্বপ্ন ভেঙে স্বপ্ন দেখার
বিলাসিতা, কী বেদনা-
কেউ জানে না,
সত্যি বুঝি কেউ জানে না!!

→ পুরোনো ক্ষত
→ মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন

 #কবিতা 🌿হেমন্তের রাতকিছু ঝিরিঝিরি বাতাস আর স্নিগ্ধ কুহেলির হেমন্তের রাতসেদিন রেখেছিলে হাতে হাতমাথার উপরে ছিলো সুরভিত কো...
08/01/2025

#কবিতা

🌿হেমন্তের রাত

কিছু ঝিরিঝিরি বাতাস আর স্নিগ্ধ
কুহেলির হেমন্তের রাত
সেদিন রেখেছিলে হাতে হাত
মাথার উপরে ছিলো সুরভিত কোমল চাঁদ।

সেই চাঁদ আজও কথা কয়
চুপিচুপি কানেকানে সুধায়
কিগো সজনী,সে বুঝি আর আসেনি?
আমি শুধু ওদিক পানে তাকাই
কোনখানে তোমায় না পাই।

দূর দেশে এই ভিন গাঁয়
কতো কথা স্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়,
পাতার মর্মর ধ্বনি,ডালে ডালে শুনি
তুমি ছিলে,তুমি নেই,শুধু স্মৃতিটুকু জানি।

আজি এ বিষন্ন বাতাস আর স্বাক্ষী চাঁদ
তুমি,কেবল তুমিই ছিলে
আমার সেই হেমন্তের রাত।

------সীমা
মোহিনীলয়,দক্ষিণ আলেকান্দা,বরিশাল।

 #বইকথামন খারাপের দিনে তুই এক পশলা বৃষ্টিমন খারাপ হলে কেউ বোতল খায়, কেউ হয়তো মুভি দেখে, কেউবা আবার টেলিফোনে বকবক করে,...
06/01/2025

#বইকথা
মন খারাপের দিনে তুই এক পশলা বৃষ্টি

মন খারাপ হলে কেউ বোতল খায়, কেউ হয়তো মুভি দেখে, কেউবা আবার টেলিফোনে বকবক করে, অনেকে আবার পেট পুরে খায়, কেউ কেউ হয়তো ঘুমিয়ে সময়টা অতিক্রম করতে চায়, কেউ হয়তো প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য খুঁজে। কয়মাস ধরে কতেক নপুংসকের শক্তির ঝনঝনানিতে জীবনটা অসহনীয় বোধ হচ্ছিল। কোন কিছুই ভাল লাগছিল না। প্রচন্ড বিরক্তি চেপে রেখে হাসি হাসি মুখ করে কর্মস্থলের বস ও সহকর্মীদের সাথে কাজ করেছি। বন্ধু ও স্বজনদের মন খারাপ বুঝতে না দেয়ার জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে। তবে আজ মন খারাপের দিনে প্রিয় বন্ধুর স্বীকৃতি জীবনটাকে আবার নতুন করে সাজাতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

‘প্রথমা প্রকাশন’ থেকে অধ্যাপক Helal Uddin Ahmed এর প্রকাশিত বই ‘সন্তান কৈশোরে পা দিচ্ছে’ এর ভূমিকায় এই অধমের স্বীকৃতি মিলেছে। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার নিয়ামক হিসেবে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য গুণী ডাক্তারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সম্মোহন বিদ্যায় এইরূপ কিছু বচন আছেঃ “সকল কাৰ্য্যকারক উত্তম শ্রেণীর চিকিৎসক হইতে পারে না; কারণ সকলের রোগারোগ্যের ক্ষমতা -যাহাকে ‘হাত যশঃ’ বলে, তাহা নাই; ইহা ঈশ্বর দত্ত। যাহাদের এই শক্তি আছে, কেবল তাহারাই ইহাতে সমধিক পরিমাণে সাফল্য লাভে সমর্থ হইয়া থাকেন। এই শক্তি সমন্বিত ব্যক্তিগণ যত সহজে নানা প্রকার রোগ আরোগ্য করিতে পারেন, অপরে তাহা পারেনা”। কথাগুলো প্রমাণিত সত্য হয়ে প্রতিভাত হয়েছে আমাদের এই বন্ধুটির ক্ষেত্রে।

আমাদের সবার ভেতরই বাস করে অদম্য এক লেখক স্বত্বা। হতে পারে তা গভীর বা অগভীর বা অতি সাধারণ। বন্ধু হেলাল নিঃসন্দেহে শীর্ষ দলের। কলেজ জীবনে সমসাময়িক অন্য বন্ধুদের বোধ ও চিন্তা শক্তি যখন অতটা শানিত হয়ে উঠেনি, হেলাল তখন সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের জনপ্রিয় লেখক। যুগের চাহিদার নিরিখে কথাসাহিত্যে নতুন নতুন শব্দ সংযুক্ত হয়। যতটুকু মনে পড়ে, নব্বই দশকের মাঝামাঝি বন্ধু হেলাল ‘কাকুল’ নামে একটা শব্দ উপহার দিয়েছিল। যার অর্থ ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। যে তেমন একটা দুধ খেতে পায় না। কিন্তু খেতে পাবার জন্য যার দিনমান লাফালাফি। কালক্রমে আমাদের সেই সাহিত্যিক বন্ধুটি অধ্যাপক হয়েছে। স্বনামধন্য শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেশ-বিদেশের জার্নালে তার নিত্য নতুন লেখা প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু বন্ধু হিসেবে তার প্রতি বরাবরই আমার একটা অনুযোগ ছিলো। তুই শিশুদের যথাযথ বিকাশের জন্য প্যারেন্টিং সম্পর্কিত কোন বই লিখছিস না কেন?

এত দিনের পুঞ্জীভূত হাহাকারের বিপরীতে, অবশেষে হেলালের যুগল বই প্রকাশ পেলো প্রথমা প্রকাশন থেকে। বইগুলোর শিরোনাম ‘সন্তান কৈশোরে পা দিচ্ছে’ ও ‘মনের ওপর চাপ কমান’। ২০২২ সালে প্রথম প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে- ‘জিপিএ ফাইভের চেয়েও জরুরী’। ডিজিটাল যুগে আমাদের অভিভাবকদের যেই বিষয়টির প্রতি সবচেয়ে অবহেলা, সেটা হলো যথাযথ প্যারেন্টিং। ভাবছেন, আমি তো বাবা-মা হই নাই। মামা-চাচা-খালা-ফুফু তো হইছেন। আপনার জন্যও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যথাযথ প্যারেন্টিং জানাটা অত্যাবশ্যক। কারণ আপনার ভাই বা বোনের ছেলে বা মেয়েশিশুর যথাযথ বিকাশ না ঘটলে সেই ক্ষতির ভার বহন করতে হবে আপনাকেও। একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাক। আমাদের এক সহপাঠী খুবই মেধাবী। স্বনামধন্য সব বিদ্যাপীঠে পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। কিন্তু তার সামাজিক দক্ষতা শূন্যের কোঠায়। কারণ শৈশবে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর বাদে আর কিছু শেখার অবকাশ ছিল না তার। পরিবারও খেয়াল করেনি সেদিকে। ফলাফল সামাজিক বিপর্যয়। বন্ধুদের কাছে সে যেমন অচ্ছুত, তেমনি পরিবারেও। হেলালের জন্য নিরন্তর শুভ কামনা, যাতে তার লেখক স্বত্বা ঝিমিয়ে না পড়ে। ফি বছর আমরা যাতে নিত্য নতুন বই উপহার পাই।

--- হোসাইন মোহাম্মদ জাকি

02/01/2025

"উলঙ্গ রাজা"-নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীসবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুওসবাই হাততালি দিচ্ছে।সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!ক...
27/06/2024

"উলঙ্গ রাজা"
-নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুও
সবাই হাততালি দিচ্ছে।
সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!
কারও মনে সংস্কার, কারও ভয়;
কেউ-বা নিজের বুদ্ধি অন্য মানুষের কাছে বন্ধক দিয়েছে;
কেউ-বা পরান্নভোজী, কেউ
কৃপাপ্রার্থী, উমেদার, প্রবঞ্চক;
কেউ ভাবছে, রাজবস্ত্র সত্যিই অতীব সূক্ষ্ম , চোখে
পড়ছে না যদিও, তবু আছে,
অন্তত থাকাটা কিছু অসম্ভব নয়।

গল্পটা সবাই জানে।
কিন্তু সেই গল্পের ভিতরে
শুধুই প্রশস্তিবাক্য-উচ্চারক কিছু
আপাদমস্তক ভিতু, ফন্দিবাজ অথবা নির্বোধ
স্তাবক ছিল না।
একটি শিশুও ছিল।
সত্যবাদী, সরল, সাহসী একটি শিশু।

নেমেছে গল্পের রাজা বাস্তবের প্রকাশ্য রাস্তায়।
আবার হাততালি উঠছে মুহুর্মুহু;
জমে উঠছে
স্তাবকবৃন্দের ভিড়।
কিন্তু সেই শিশুটিকে আমি
ভিড়ের ভিতরে আজ কোথাও দেখছি না।

শিশুটি কোথায় গেল? কেউ কি কোথাও তাকে কোনো
পাহাড়ের গোপন গুহায়
লুকিয়ে রেখেছে?
নাকি সে পাথর-ঘাস-মাটি নিয়ে খেলতে খেলতে
ঘুমিয়ে পড়েছে
কোনো দূর
নির্জন নদীর ধারে, কিংবা কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায়?
যাও, তাকে যেমন করেই হোক
খুঁজে আনো।
সে এসে একবার এই উলঙ্গ রাজার সামনে
নির্ভয়ে দাঁড়াক।
সে এসে একবার এই হাততালির ঊর্ধ্বে গলা তুলে
জিজ্ঞাসা করুক:
রাজা, তোর কাপড় কোথায়?

PC: Anwar Sohel

একই নামের সাহিত্যকর্ম :১.মানুষ (কবিতা) : কাজী নজরুল ইসলামমানুষ (কবিতা) : নির্মলেন্দু গুনমানুষ (নাটক) : মুনীর চৌধুরী২.মান...
23/01/2024

একই নামের সাহিত্যকর্ম :
১.
মানুষ (কবিতা) : কাজী নজরুল ইসলাম
মানুষ (কবিতা) : নির্মলেন্দু গুন
মানুষ (নাটক) : মুনীর চৌধুরী
২.
মানচিত্র (নাটক) : আনিস চৌধুরী
মানচিত্র (কাব্যগ্রন্থ) : আলাউদ্দিন আল আজাদ
৩.
ফেরারী (গল্প) : আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ফেরারী (কবিতা) : দিলারা হাসেম
৪.
পোস্টমাস্টার (ছোটগল্প) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
পোস্টমাস্টার (ছোটগল্প) : প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
৫.
পদ্মাবতী (কাব্য) : আলাওল
পদ্মাবতী (নাটক) : মাইকেল মধুসূদন দত্ত
পদ্মাবতী (সমালোচনামূলক গ্রন্থ) : সৈয়দ আলী আহসান
৬.
কাঞ্চনমালা (উপন্যাস) : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
কাঞ্চনমালা (উপন্যাস) : শামসুদ্দীন আবুল কালাম
৭.
রেখাচিত্র (গল্পগ্রন্থ) : বুদ্ধদেব বসু
রেখাচিত্র (আত্মজীবনী) : আবুল ফজল
৮.
কবি (উপন্যাস) : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
কবি (উপন্যাস) : হুমায়ুন আহমেদ
৯.
জননী (উপন্যাস) : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
জননী (উপন্যাস) : শওকত ওসমান
১০.
অভিযাত্রিক (কাব্য) : সুফিয়া কামাল
অভিযাত্রিক (উপন্যাস) : বিভূতিভূষন বন্দ্যোপাধ্যায়
১১.
মধুমালা (নাটক) : কাজী নজরুল ইসলাম
মধুমালা (নাটক) : জসীম উদ্দিন
মধুমালা (গল্গ ) : শাবলু শাহাবউদ্দিন
১২.
বনি আদম (কাব্যগ্রন্থ) : গোলাম মোস্তফা
বনি আদম (উপন্যাস) : শওকত ওসমান
১৩.
সাত ভাই চম্পা (কাব্যগ্রন্থ) : বিষ্ণু দে
সাত ভাই চম্পা (কাব্যগ্রন্থ) : আশরাফ সিদ্দিকী
সাত ভাই চম্পা (শিশুতোষ কবিতা) : কাজী নজরুল ইসলাম
১৪.
সাজাহান (কবিতা) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাজাহান (নাটক) : ডি.এল.রায়
১৫.
দেনাপাওনা (ছোটগল্প) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
দেনাপাওনা (উপন্যাস) : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬.
নিরুদ্দেশ যাত্রা (কবিতা) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নিরুদ্দেশ যাত্রা (কবিতা) : শহীদ কাদরী
১৭.
কবর (নাটক) : মুনীর চৌধুরী
কবর (কবিতা) : জসীমউদ্দিন
কবর (ছোটগল্প): নারায়ণ গ‌ঙ্গোপাধ‌্যায়
১৮.
যাত্রা (উপন্যাস) : শওকত আলী
যাত্রা (প্রবন্ধ) : সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৯.
দেয়াল (উপন্যাস): আবু জাফর শামসুদ্দিন
দেয়াল (উপন্যাস): হুমায়ূন আহমেদ
২০.
আছে ও নেই (কবিতা): সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
আছে ও নেই (ছোটগল্প): স্বদেশ দত্ত

Collected from Arman Hossan post

 #অণুগল্প মায়াপোলাও--- আবু সাঈদ আহমেদ আড়াই মাস ধরে মিজানের খুব পোলাও খেতে ইচ্ছে করছে। অর্থাভাবে খাওয়া হচ্ছেনা। ইচ্ছে ক...
12/09/2023

#অণুগল্প
মায়াপোলাও
--- আবু সাঈদ আহমেদ
আড়াই মাস ধরে মিজানের খুব পোলাও খেতে ইচ্ছে করছে। অর্থাভাবে খাওয়া হচ্ছেনা। ইচ্ছে করলে হোটেলে খেয়ে নিতে পারে। কিন্তু হোটেলে বসলে ছেলেমেয়ে দুটোর কথা মনে পড়ে, বৃদ্ধ মা আর শরীফার কথা মনে হয়।

টানাটানির সংসার। পাঁচজনের জন্য দুইবেলা পোলাও রান্না করতে হাজার টাকা খরচ। একবেলা তো আর খাওয়া যাবে না।

মাসের প্রথম সপ্তাহ। বিষ্যুদবার রাতে আলুভর্তা ও ডাল দিয়ে ভাত খেতে খেতে মিজান শরীফাকে বলে-
: কাইল পোলাও রাইন্দো, সকালে মুরগি আর পোলায়ের চাউল আইনা দিমু।
: এতদিন ধইরা জি আকলাইতাছে, হোটেলে পোলাও খাইলেই পারতা। খামাখা বাড়তি খরচ।

মিজানের স্বরে বিস্ময়,
: তোমাগো ছাড়া কিছু খাই? হোটেলে খাইলে গলা দিয়া পোলাও নামবো!
: এই অভ্যাসটাই ভালা লাগে না, আমগো থুইয়া একা দাওয়াত পানিতেও যাও না।
: বাদ দাও, এক কেজি খাসির গোশতো আনুম। ঝাল কইরা আলু দিয়া রাইন্দো।
: আইচ্ছা।

মিজান সাথে সাথে দ্বিমত করে,
: না না ঝাল দিও না, তোতন খোকন জি ভইরা খাইতে পারবো না।

শুক্রবার ভোর। বাড়ি ওয়ালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তিনি বলেন, "নাতির জন্মদিন। দুপুরে সামান্য খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করছি। তোমগো দাওয়াত। না করা পারবা না।" মিজান হাসি মুখে দাওয়াত কবুল করে।

মিজান জুম্মার নামাজে যাবার আগে শরীফার হাতে এক হাজার টাকা দেয়। বাড়িওয়ালার দাওয়াতের সালামি। ছেলেমেয়ে আর মাকে নিয়ে দাওয়াতে যেতে বলে। শরীফা বিষন্ন কণ্ঠে জানতে চায়-
: তুমি যাইবা না!
: না, তুমিই কও এক হাজার টাকা সালামি দিয়া কি পাঁচটা মানুষ খাওন যায়!
: তুমি না গেলে আমিও যামু না।
: শরীফা, বাড়িওয়ালা সব ভাড়াইটার ভাড়া বাড়াইছে। আমগো বাড়ায় নাই। আমগো ভালা পায়। না যাওনটা কি ঠিক অইবো?

মিজানের যুক্তি অগ্রাহ্য করার সামর্থ্য শরীফার নাই, হতাশা গোপন না করেই জানতে চায়,
: তুমি কি খাইবা!
: আমি একশো টাকা দিয়া হোটেলে তেহারী খায়া নিমু। দাওয়াতে গেলে তো পাঁচ শো দিতে অইবো।

মিজান জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদে বসে ভিড় কমার অপেক্ষা করে। বহুদিন পরে আজ বাচ্চারা, মা ও শরীফা পোলাও খাবে। পোলাওয়ের সাথে টিকা কাবাব, রুই মাছ ভাজা, মুরগির রোষ্ট, মাংসের রেজালা, বোরহানি আর জর্দাও আছে। এত চমৎকার আয়োজন নসিবে রাখায় সে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুই রাকাত শোকরানা নামাজ আদায় করে।

মিজান মসজিদ থেকে বের হয়ে টং দোকানে বসে। আয়েশ করে চা'য়ে ডুবিয়ে বানরুটি খায়। মাথার ভিতরে পোলাও খাবার ইচ্ছেটা আবার জেগে ওঠে, তার চোখে সিনেমা চলছে- একটা শীতল পাটিতে প্লেটে প্লেটে সাজানো হালকা গরম সাদা পোলাও, মুরগি ভাজা, আলু দিয়ে রান্না করা মাংসের রেজালা, পেয়াজ কুচি, রসে জবজবে লেবু, কলাপাতা রঙ কাঁচা মরিচ-- সে, তোতন-খোকন, মা আর শরীফা মিলে গোল হয়ে বসে তৃপ্তি নিয়ে খাচ্ছে। অজান্তেই তার চোখ দুটো ভিজে আসে। শুক্রবারের ছুটির ভর দুপুরে মিজানের ভেজা চোখ আরো ভিজিয়ে দিতেই যেন টং দোকানদারের চায়না মোবাইল সেটে এন্ড্রু কিশোর গেয়ে চলেন-
পূর্ণিমাতে ভাইসা গেছে নীল দরিয়া
সোনার পিনিশ বানাইছিলা যতন করিয়া
চেলচেলাইয়া চলে পিনিশ, ডুইবা গেলেই ভুস...।

 #কবিতাআবার অবিন্যস্ত আলাপ---নুরুচ্ছাফা শিমুলআমি ঠিক অমল কান্তির মতন না!মিঠে রোদ্দুর আমারও ভীষণ পছন্দ, কিন্তু ভাই, রোদ্দ...
28/08/2023

#কবিতা
আবার অবিন্যস্ত আলাপ
---নুরুচ্ছাফা শিমুল
আমি ঠিক অমল কান্তির মতন না!
মিঠে রোদ্দুর আমারও ভীষণ পছন্দ,
কিন্তু ভাই, রোদ্দুর হতে চাওয়ার মত
বিলাসীতা আমার কখনো একরত্তিও ছিল না ।
আজ আমাদের অনেকের অনেক কিছু হয়েছে..
আমাদের মধ্যে যে ডাক্তার হবার কথা
সেতো ডাক্তার হয়েছেই,
যার কোন কালেই হবার নয়,
সেও এখন ডাক্তার!
কিছু হতে পারবে এমনটা নিজেই আশা করেনি
এমন একজন এখন শিক্ষক...

আমিও অমল কান্তিকে রোদ্দুরে বসিয়ে রেখে
ছুটছিলাম শিকলে বাঁধা সময়ে,
রোদ্দুরে আর ঘোর বর্ষায়
ঘোর লাগা এক ঘূর্ণিপাকে কোথাও...
কিছু কুয়াশায় হঠাৎ হোঁচট খেয়ে
যখন দাঁড়াতেই হ'লো,
তখন বেলা গড়িয়ে অনেক...
হঠাৎ নিজেকে খুঁজে পাই পার্কের এক বেঞ্চিতে
ওপাশে অমল কান্তি, যে রোদ্দুর হতে পারেনি
এপাশে আমি...

আমি আমার জীবনে অনেক বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলো থেকে অর্জিত বেশীরভাগ তথ্যই আমার এখন মনে নেই। তাহলে এত বই পড়ে আসলে আমার কি লা...
26/08/2023

আমি আমার জীবনে অনেক বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলো থেকে অর্জিত বেশীরভাগ তথ্যই আমার এখন মনে নেই। তাহলে এত বই পড়ে আসলে আমার কি লাভ হচ্ছে?" একজন ছাত্র তার শিক্ষককে ঠিক এই প্রশ্নটি একদিন জিজ্ঞেস করেছিল।

শিক্ষক এই ব্যাপারে মৌন ছিলেন, তিনি প্রথম দিন কোন উত্তর দিলেন না।

কিছুদিন পর নদীর ধারে সেই ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে একদিন দেখা হয়, শিক্ষক ছাত্রকে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্র দেখিয়ে বললো - "যাও, নদীর ধার থেকে পাত্রটি নিয়ে আমার জন্যে এক পাত্র পানি নিয়ে আসো", পাত্রটি সেখানে ময়লার মধ্যে মাটিতে পড়েছিল।

ছাত্রটি কিছুটা বিভ্রান্তিবোধ করলো, এটা অযৌক্তিক উপদেশ, একটা ছিদ্রযুক্ত পাত্র দিয়ে পানি নিয়ে আসা সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষকের উপদেশ অমান্য করা যাবে না, তাই সে মাটি থেকে পাত্রটি তুলে নিয়ে নদীর ধারে ছুটে গেল পানি নিয়ে আসার জন্যে।

পাত্র ভর্তি করে সে পানি নিয়ে উপরে উঠে এলো, কিন্তু বেশি দূর যেতে পারলো না, কয়েকটা কদম দেওয়ার সাথে সাথেই পানিগুলো সব ছিদ্র দিয়ে নিছে পড়ে গেল।

সে আরও কয়েকবার চেষ্টা করলো, কিন্তু সে ব্যার্থ হলো এবং হতাশাবোধ করলো।

এভাবে আরও কয়েকবার চেষ্টা করার পরেও সে পানি নিয়ে পৌঁছাতে পারলো না, সে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ল।

তারপর সে শিক্ষকের নিকট ফিরে গিয়ে বললো - "আমি ব্যর্থ হয়েছি, আমি এই পাত্রটিতে পানি নিয়ে আসতে পারবো না, এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাকে ক্ষমা করুন।"

ছাত্রের কথা শুনে শিক্ষক কোমল একটি হাসি দিলেন এবং ছাত্রকে উদ্দ্যেশ্য করে তিনি বললেন - "না, তুমি ব্যর্থ হওনি। পাত্রটির দিকে তাকিয়ে দেখ, এটি এখন পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, একদম নতুন একটি পাত্রের মত দেখাচ্ছে। ছিদ্রগুলো দিয়ে যতবারই পানি পড়েছে ততবারই পাত্রটির মধ্যে থাকা ময়লাগুলো পরিষ্কার হয়ে বের হয়ে গিয়েছে।

যখন তুমি কোন বই পড় তখন তোমার সাথে একই ব্যাপার ঘটে, তোমার ব্রেইন হচ্ছে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রের মত, আর বইয়ের মধ্যে থাকা তথ্যগুলো হচ্ছে পানির মত।

তাই যখন তুমি কোন বই পড় এর সব কিছু মনে রাখতে পারো না। কিন্তু তুমি একটা বই পড়ে এর সবগুলো তথ্য মনে রাখতে পারলে কিনা সেটা তেমন গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয় না।

কারণ বই পড়ে তুমি যেসব ধারণা, জ্ঞান, আবেগ, অনুভূতি, উপলব্দি এবং সত্য খুঁজে পাও সেগুলো তোমার মনকে পরিষ্কার করে, যতবার তুমি একটি বই পড়ে শেষ কর ততবার তোমার আধ্যাত্মিক রূপান্তর ঘটে, প্রতিবার তোমার পুনর্জন্ম হয়, ফলে তুমি আরও বিশুদ্ধ একজন মানুষে পরিণত হও। এটাই হচ্ছে বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য।"

হ্যাপি রিডিং...।

(Collected)

Address

Kazipara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Boimela 21 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category