31/07/2024
💐💐 ইসলাম কোনোভাবেই চায় না, মানুষ তার বিধানাবলি কোনোরূপ আবেগ-অনুভূতি ছাড়া কেবলই যান্ত্রিকভাবে পালন করে যাবে; বরং ইসলাম চায় সব কিছুর আগে বিধানাবলি প্রবেশ করবে ব্যাক্তির হৃদয়পটে, মনের গহিনে। ইসলাম চায়, সর্বপ্রথম কলব সিক্ত হবে বিধানাবলির রহমত বর্ষণে। তারপর তা প্রবাহিত হোক দেহে। ইসলাম চায়, শরীয়ার বিধিবিধান পালন করতে একজন মানুষের নিজের ভেতর থেকেই যেন উদ্দীপনা পায়, প্রেরণা লাভ করে।
🌹🌹কারন ইসলাম মনে করে, শরীয়া কোনো বিধান বাস্তবায়িত হওয়ার সর্বপ্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে- ওই বিধানটির আবশ্যকতা, ন্যায্যতা( আদালত) ও যথার্থতার ওপর ঈমান আনা।
🌱🌱তার পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে - একজন ব্যাক্তি এই বিধানটি পালন করার বাধ্যবাধকতা নিজ থেকেই অনুভব করবে। তার অন্তরই তাকে বিধানটি পালনের জন্য ভিতর থেকে ডাকতে থাকবে, হৃদয়ের গহিন থেকে অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকবে। তার হৃদয়ের গভির থেকে সে যেন এই আওয়াজটি শুনতে পাচ্ছে- 'ও (আমার) নফস! আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তোমাকে আদেশ করেছেন এই বিধানটি পালন করতে। আমিও তোমাকে আদেশ করছি, তুমি আল্লাহর এই বিধানটি পালন করো। কেননা এটাই হক, এটাই আদালত।তার অবাধ্যতায় তোমার কোন কল্যান নেই।'
যদি নিজের ভিতর থেকে এই প্রেরণা না আসে, হৃদয় গভীরে যদি এই ঐশী ধ্বনি না ধ্বনিত হয়,তাহলে আল্লাহর কাছে এহেন যান্ত্রিক ইবাদত- বন্দেগির কোন মূল্য থাকে না।এমনকি নীতিবিজ্ঞানের দৃষ্টি কোন থেকেও এমন বন্দেগি, এমন কাজ নিতান্তই মূল্যহীন।
বই- হক ও বাতিল
লেখক - ড. ইউসুফ আর কারজাভি (রহ.)