As Safwan

As Safwan Let's build a holy life! 'As Safwan' is an online shop for Groceries, Fashion, Electronics, Mobile Phones and many more in Bangladesh!

তোমরা কি বা’ল (দেবতা) কে আহ্বান করবে এবং পরিত্যাগ করবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা আল্লাহকে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের এবং তোমাদের পূর্...
02/02/2026

তোমরা কি বা’ল (দেবতা) কে আহ্বান করবে এবং পরিত্যাগ করবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা আল্লাহকে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের?

সূরাঃ আস-সাফফাত: ১২৫-১২৬

লাগবে নাকি?
19/01/2026

লাগবে নাকি?

কখনো কখনো আল্লাহ সব দরজা–জানালা বন্ধ করে দেন, কারণ বাইরে ঝড় বইছে।কখনো কখনো আল্লাহ আপনাকে নদীতে নিক্ষেপ করেন, কারণ আপনার ...
18/12/2025

কখনো কখনো আল্লাহ সব দরজা–জানালা বন্ধ করে দেন, কারণ বাইরে ঝড় বইছে।
কখনো কখনো আল্লাহ আপনাকে নদীতে নিক্ষেপ করেন, কারণ আপনার শত্রু সাঁতার জানে না।
আবার কখনো আল্লাহ আপনাকে এক জায়গায় আটকে দেন, যেন বিপদ আপনার সামনে দিয়ে চলে যায় আর আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে। তাই মানসিকতা বদলান। আপনি ঠিক সেখানেই আছেন যেখানে থাকার দরকার ছিল।
না খুব দ্রুত, না খুব ধীরে—আল্লাহর সময়ই সবচেয়ে নিখুঁত। তাঁর উপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখুন এবং ক্রমাগত দোয়া করুন যেন আল্লাহ আপনার জন্য সহজ করে দেন।
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল"
(আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ কর্মবিধায়ক)।
"রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফকীর"
(হে আমার রব, তুমি যে কল্যাণ আমার প্রতি নাজিল করবে, আমি তারই মুখাপেক্ষী)।

~ সংগৃহীত

AL ASEEL এর অরিজিনাল জুব্বা ❤️
14/09/2025

AL ASEEL এর অরিজিনাল জুব্বা ❤️

বর্ষাকালে দেশের বিভিন্ন রাস্তায় পানিতে নির্বিঘ্নে চলতে পণ্যটি অনন্য। এই পণ্যটি দামে কম এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন। সরাসরি চায়ন...
17/07/2024

বর্ষাকালে দেশের বিভিন্ন রাস্তায় পানিতে নির্বিঘ্নে চলতে পণ্যটি অনন্য। এই পণ্যটি দামে কম এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন। সরাসরি চায়না থেকে আপনার দরজায় পৌঁছে যাবে। এখনই অর্ডার করুন এবং পানির ঝামেলা থেকে মুক্তি পান।

Size: S, M, L, XL, XXL
Color: Black

বিস্তারিত দেখুন কমেন্টবক্সে 👇

আবূ মুসলিম খাওলানি রহিমাহুল্লাহ এত বেশি যিকর করতেন যে, কেউ কেউ তাঁর এই অবস্থা নিয়ে বিরূপ ধারণা করতে লাগলো। তারা আবূ মুস...
29/05/2023

আবূ মুসলিম খাওলানি রহিমাহুল্লাহ এত বেশি যিকর করতেন যে, কেউ কেউ তাঁর এই অবস্থা নিয়ে বিরূপ ধারণা করতে লাগলো। তারা আবূ মুসলিম খাওলানি রহিমাহুল্লাহর সাথিদের বলল, তোমাদের সাথে কি পাগল!

আবূ মুসলিম খাওলানি রহিমাহুল্লাহ এ ধরনের মন্তব্য শুনে বললেন, ভাই! অধিক যিকর তো পাগলামি নয় বরং পাগলামির ঔষধ।

বইঃ জামিউল উলূমি ওয়াল হিকাম, বাংলা- নবিজির পরশে সালাফের দরসে, ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী রহিমাহুল্লাহ

18/05/2023

একদিন ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) দেখতে পেলেন তার এক সঙ্গীর গায়ে মলিন জামাকাপড়। মজলিস শেষে সবাই উঠে চলে গেলে তিনি তাকে থাকতে বললেন। একান্তে বসার পর তাকে বললেন, ‘জায়নামাযটা উঠিয়ে নিচে যা পাও, নিয়ে নাও।’ লোকটা জায়নামায উঠিয়ে দেখল নিচে এক হাজার দিরহাম। ইমাম আবু হানীফা বললেন, ‘এই দিরহামগুলো নিয়ে নিজের অবস্থা বদলাও।’ লোকটা বলল, ‘আমি ধনী মানুষ। আমার এই দিরহাম দরকার নেই।’
তিনি বললেন, “তুমি কি ঐ হাদীসটা শুনোনি? যেখানে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— ’আল্লাহ তার বান্দার মাঝে তার নিয়ামতের চিহ্ন দেখা পছন্দ করেন’। তোমার উচিত নিজের অবস্থা বদলানো; যাতে তোমাকে দেখে তোমার বন্ধু মন খারাপ না করে।”
[আখবারু আবী হানীফা- ৫৮]

প্রসঙ্গ - ভারত কি মুসলমান গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?ভারত খুবই দ্রুত একটা গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এটা একাডেমিক গবেষণ...
10/05/2023

প্রসঙ্গ - ভারত কি মুসলমান গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

ভারত খুবই দ্রুত একটা গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এটা একাডেমিক গবেষণার মাধ্যমেই বলা যাচ্ছে এখন। কেরালা স্টোরিজ নামক একটা চিপ প্রোপাগান্ডা হিন্দুত্ববাদী সিনেমা রিলিজের পর পাবলিক রিয়্যাকশন দেখে মনে করা যায়, অবস্থা আসলেও খারাপ। এই সিনেমা আর লাভ জিহাদে সীমাবদ্ধ নাই, এটা বলতেছে - মুসলমানদের সাথে বন্ধু করা, সম্পর্ক রাখাও বিপজ্জনক। তারা সবাইই আসলে জংগি, জেহাদি। ট্রেইলারে বলা হইছিল ৩২ হাজার মেয়ে সিরিয়াতে গেছে; অথচ আসলে গেছে মাত্র ৩ জন। পুরা কেরালাতে মুসলমান নারী প্রায় ৪৫ লাখ! কেরালাতে বিজেপির বেইল নাই কোনো। তাই এই চেষ্টা।

২০২২ সালে জেনোসাইড ওয়াচের ফাউন্ডিং প্রেসিডেন্ট গ্রেগরি স্ট্যান্টন বলেছিলেন, “আমি রুয়ান্ডার গণহত্যা প্রেডিক্ট করেছিলাম। সামনে ভারতেও এমন কিছু হতে পারে।” এখন দেড়শ কোটি ভারতীয় অনলাইনে গায়ের জোর দেখায়ে সত্যকে ধামাচাপা দিতে চাইলেও বা সত্যকে অস্বীকার করতে চাইলেও, ভারত এখন অনেক দূরে চলে গেছে।

গণহত্যা সঙ্ঘটনের দশটি ধাপ আছে। এই দশটি ধাপ গ্রেগরি স্ট্যান্টন নির্ধারণ করেছিলেন। এই দশটা ধাপ হইল - ক্ল্যাসিফিকেশন, সিম্বলাইজেশন, ডিস্ক্রিমিনেসন, ডিহিউম্যানাইজেশন, অর্গানাইজেশন, পোলারাইজেশন, প্রিপারেশন, পারসেকিউশন, এক্সটারমিনিনেশন আর ডিনায়াল। চোখ বন্ধ করে বলা যায়, ভারত এখন সাত নাম্বার ধাপ - প্রিপারেশনে। আমি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করি যে ভারত আট নাম্বার পর্যন্ত কীভাবে এলো।

১। ক্ল্যাসিফিকেশন - বেসিক আস ভার্সেস দেম আর্গুমেন্ট। ভারতে মুসলিমদের যে আদারিং করা হইছে, অর্থাৎ তাদের যে ভারতীয় হিন্দুদের থেকে ভিন্ন, তারা ভারতের প্রতি অনুগত না, তারা জংগি বা তারা ভারতের রামরাজ্যের প্রতি ক্ষতিকর- এটা প্রতিষতিত করা হইছে।

২। সিম্বলাইজেশন - এ ধাপটা সহজ। মুসলিম চিহ্ন বা ধর্মীয় প্রতীককে প্রতিনিয়ত ভিলিফাই করা হইতেছে। এটা কেবল সমাজে না, সবখানেই। পাঠ্যপুস্তকে মুঘলদের নাম সরায়ে ফেলা হচ্ছে। মুঘলদের ডাকাত, বর্বর হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কোনো এক প্রাচীনকালে আদর্শ হিন্দু রাজ্য ছিল - এটা প্রচার করা হচ্ছে। মুভিতে দেখেন ভিলেনের লম্বা দাড়ি, গায়ে জোব্বা, মাথায় টুপি (অলমোস্ট সব দেশভক্তি মুভিতে এটা দেখবেন। খালি বলিউড না, তামিলেও)। ইভেন রিসেন্ট আদিপুরুষ সিনেমার ট্রেইলারে দেখেন - ভিলেন রাবণের লম্বা মুসলমান স্টাইলের দাড়ি। অথচ রাবণের হিস্ট্রিকাল কোনো চিত্রায়ণেই এইরকম লম্বা দাড়ি ছিল না। এটা নিয়ে ভারতের হিন্দুরাই প্রতিবাদ করেছে। এখানে পরিচালক ওম রাউট রামের বিপরীতে লম্বা দাড়ি রাবণকে দিয়ে কী সিম্বলাইজ করছেন সেটা বোঝা দরকার। ভারতের জায়গায় জায়গায় মুসলমান ইতিহাস সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। মুসলমানদের নিজস্ব লোকালয় বা গেটো বানায়ে থাকতে হচ্ছে নিরাপত্তার জন্য। লাভ জিহাদের ধুয়া তুলে মুসলমানদের নামে একটা ভয়ানক হেইট ক্যাম্পেইন বানানো হইছে।

৩। ডিস্ক্রিমিনেশন - ডিস্ক্রিমিনেশনে আর না যাই। ওইটার ভুরি ভুরি উদাহরণ পাবেন। এত বেশি পাবেন যে এইটা মোটামুটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য হয়ে গেছে।

৪। ডিহিউম্যানাইজেশন - মুসলমানদের এখন ডিহিউম্যানাইজ করে ফেলা হইছে। দেখেন, ভারতে এখন মুসলমানদের নামে খালি নেগেটিভ প্রোপাগাণ্ডাই চলে। তিনটা উদাহরণ দেই। সুল্লি ডিল আর বুল্লি বাই অ্যাপ বানানো হইছিল ২০২১-২০২২ সালে; প্রথমটায় মুসলিম নারীদের অনলাইনে নিলাম করা হইছিল’ দ্বিতীয়টায় মুসলিম নারী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের অনলাইনে নিলাম করা হইছিল। এই কাজগুলা করছিল ট্র্যাড বা কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা। আবার বলা হইছিল ২০২০ সালে তাবলীগি জামাতের মাধ্যমে কোভিড ছড়াইছে; অথচ একই ঘটনা ঘটছে কুম্ভমেলা থেকেও। ইউপিতে আতিক আহমেদ ও তার ছেলেকে পুলিশ হত্যা করে। তারপর সেখানে দেখা যায় এন্টি-মুসলিম সেন্টিমেন্টের জোয়ার। অথচ ইউপি-বিহারের সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে যার বিন্দুমাত্র আইডিয়া আছে, সে জানে ইউপি-বিহারের মত এলাকায় আপনার জাতের গ্যাংস্টার না থাকলে আপনার জাতের কপালে কেবল নির্যাতন আছে। আতিক আহমেদের বাপরা বসে আছে ইউপি-বিহারে; অথচ তারা ব্রাহ্মণ বা ঠাকুর বলে তাদের কিছু করা হইতেছে না (যোগী নিজে ঠাকুর, ঠাকুরদের বিশাল গ্যাং আছে। ২০২০ সালে ব্রাহ্মণ বিকাশ দুবেকে মেরে ফেলা হইছিল, তখনো ধ্রণা করা হইছে যে ঠাকুরদের হাত আছে। কোনোবারেই ঠাকুরদের কিছু হয় না) এইভাবে নানা ভাবে মুসলমানদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করা হইছে।

৫। অর্গানাইজেশন - আরএসএস, বজরং দল, ভিএইচপি এরা সবাই আর্মড এবং তারা রক্ত ঝরাতে প্রস্তুত। ২০২৩ সালের রাম নবমীর দিনে কলকাতায় হাঙ্গামা এটার প্রমাণ।

৬। পোলারাইজেশন - দিনরাত গোদী মিডিয়া আর হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি থেকে এন্টি-মুসলিম প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করা হলে প্রতিবাদকারীদের লিবারেল, বাম বলে ট্যাগ দেয়া হচ্ছে। ভারতে মুসলিমদের সাথে সাথে বাম ও লিবারেলদেরও ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। রাহুল গান্ধী তার ভারত জোড়ো যাত্রা শেষে ভাষণে বলেছিল - আমি ভারতের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত হেটেছি; আমি হেট দেখতে পাইনি। অথচ টিভি খুললেই আমি হেট দেখি। ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারের কমেন্টবক্সে দেখেন, কী বীভৎস হেইট ক্যাম্পেইন।

৭। প্রিপারেশন - ভারতে এখন সব দিক থেকেই মুসলমানদের কোণঠাসা করা শেষ। কালচারাল, সোশ্যাল, রিলিজিয়াস, ইকোনোমিক সবখানেই। ভারতে এখন ওপেনলি মুসলমান ব্যবসায়ীদের থেকে কিনতে না করা হচ্ছে; মুসলমানদের নিজস্ব এলাকায় থাকতে না দিতে বলা হচ্ছে; মুসলমান শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে; মুসলমানদের হয়ে কথা বলতে পারে এমন সবাইকে আক্রমণ করা হচ্ছে; মুসলমাদের আয়োজনে না যেতে বলা হচ্ছে, মুসলমানরা হিন্দুদের উৎসবে এলে না হিন্দুরা মুসলমানদের উৎসবে গেলে তাদের আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব কিছুর টার্গেট একটাই - মুসলমানদের প্রতিরোধের শক্তি শেষ করে দেয়া, তাদের দুর্বল করে দেয়া, হিন্দুত্ববাদের সুপ্রিমেসি প্রতিষ্ঠা করা।

এরপর শুরু হবে মুসলমানদের একজায়গায় জড়ো করে কনসেন্টেশন ক্যাম্প বানানো - এনআরসি, সিএএ এর লক্ষ্য এটাই। এরপর শুরু হয়ে যাবে গণহত্যা। শেষ ধাপে গ্ণহত্যাকে অস্বীকার করা হবে। এখন যেভাবে গুজরাটের গণহত্যাকে অস্বীকার করা হয়।

“Genocide is a process. The Holocaust did not start with the gas chambers. It started with hate speech.” এটা মাথায় রাখা লাগবে। বিজেপি আর হিন্দুত্ববাদীরা এখন অনেক দূরে চলে এসেছে হেইট স্পিচ থেকে।

✍️ সাদিক মাহবুব আলম

ইমাম আবু হানিফা কুফাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি কুরআন শিখেছিলেন ইমাম আসিম হতে। ইমাম আসিম তার ক্বিরাআতের জন্যে পুরো বিশ্ব...
30/04/2023

ইমাম আবু হানিফা কুফাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি কুরআন শিখেছিলেন ইমাম আসিম হতে। ইমাম আসিম তার ক্বিরাআতের জন্যে পুরো বিশ্বে জনপ্রিয়। তার রিয়াওয়াতে “হাফস” নামক ক্বিরাআত হলো বর্তমান বিশ্বে কুরআনের সবচাইতে প্রচলিত ক্বিরাআত।

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কুরআন প্রচণ্ড ভালবাসতেন। কখনো কখনো তিনি পুরো রাত কুরআন পড়ে কাটিয়ে দিতেন। এরকম বহুবার হয়েছে যে মানুষজন আবু হানিফাকে ইশার পর নামাযে কুরআন পড়া অবস্থায় দেখে গিয়েছেন। ফজর নামায পড়তে এসে দেখলেন তিনি তখনও নামাযে দাঁড়িয়ে কুরআন পড়ছেন। এমন ঘটনা বহুবার হয়েছে।

তিনি শুরু থেকেই কুরআন ভালবাসতেন। আর ফকিহ হতে হলে কুরআনের ভিত্তি খুবই শক্ত হতে হয়। কুরআনে ইমাম আবু হানিফার ভিত্তি প্রচণ্ড শক্তিশালী ছিল। এজন্যই আপনারা দেখবেন, হানাফি মাযহাবের বহু বিষয় স্পষ্টভাবে কুরআনের ভিত্তিতে গঠিত। আসলেই ইমাম আবু হানিফার কুরআনের বুঝ ছিল বিস্ময়কর। তিনি ফিকহী মাসআলা উদঘাটনে কুরআনের অনেক গভীরে যেতে পারতেন। আসলে কুরআন এতো বেশী পড়ার কারণেই তা থেকে এই অন্তর্দৃষ্টি ও সূক্ষ্ম বুঝ পেয়েছিলেন তিনি।

~ Life of Imam Abu Hanifah লেকচার হতে...

আল আসমাউল হুসনাঃ পর্ব ২০আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।  তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলার নিরানব্বই নাম আছে, এক কম একশত নাম।  য...
11/04/2023

আল আসমাউল হুসনাঃ পর্ব ২০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলার নিরানব্বই নাম আছে, এক কম একশত নাম। যে ব্যক্তি এগুলোর হিফাযাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আল্লাহ্ বিজোড়। তিনি বিজোড় পছন্দ করেন।
- সহীহ বুখারী হাদিসঃ ৬৪১০

#আসমাউলহুসনা #রমজান২০২৩ #আসসাফওয়ান

Address

Boyra Hazi Foyez Uddin Road, Sonadanga
Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As Safwan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to As Safwan:

Share