30/03/2026
⚠️ রাতে কয়েল জ্বালানোর আগে একবার ভাবুন
ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি, রাত হলেই বাসায় কয়েল জ্বলে। মশা তাড়ানোর এই অভ্যাসটা এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে কেউ আর প্রশ্নই করে না.
এই ধোঁয়াটা আসলে আমাদের কী করছে?
কিছুদিন আগে একটা জিনিস জানলাম যেটা মাথায় ঘুরছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একটা কয়েল পোড়ালে যে ধোঁয়া বের হয় সেটা প্রায় ১০০টা সিগারেটের ধোঁয়ার সমান। আমরা সিগারেটের ধোঁয়া দেখলে সরে যাই, কিন্তু কয়েলের ধোঁয়ার মধ্যে ঘুমাই সারারাত। নিজে তো খাচ্ছিই, পাশে যে বাচ্চাটা ঘুমাচ্ছে সেও খাচ্ছে।
কয়েলে যে কেমিক্যাল থাকে সেগুলো শ্বাসের সাথে সরাসরি ফুসফুসে যায়। নিয়মিত ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে। সমস্যা হলো এই ক্ষতিটা একদিনে বোঝা যায় না, বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকে।
এখন প্রশ্ন হলো তাহলে মশা তাড়াবো কীভাবে?
মশারি এখনো সবচেয়ে নিরাপদ অপশন। এছাড়া ইলেকট্রিক মশার র্যাকেট আছে যেটায় কোনো কেমিক্যাল নেই, ধোঁয়া নেই, শুধু একটা সুইং দিলেই কাজ হয়। দাম খুব বেশি না, আর একবার কিনলে বহুদিন চলে।
সবাইকে বলছি না কয়েল একদম বন্ধ করে দেন। কিন্তু প্রতিদিন রাতে ঘরের মধ্যে এটা জ্বালানোর আগে একবার ভাবলে ভালো হয়, বিশেষ করে যাদের ঘরে ছোট বাচ্চা বা বয়স্ক মানুষ আছেন।
নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকে সুস্থ রাখুন।