Aron

Aron জীবনকে আরো বেশী স্মার্ট এবং আনন্দময় ক?

10/03/2021

Hi

A new cooking channel to grow up....🧐🧐Please subscribe it.Thanks. 😃😃😃
26/02/2021

A new cooking channel to grow up....🧐🧐
Please subscribe it.
Thanks. 😃😃😃

Welcome to Spicy Flavor. This channel contains different types of yummy recipes of tasty food items in the easiest way. Here you will find Bengali Recipes, B...

Good Morning..
02/02/2021

Good Morning..

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা, যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল, বু...
24/01/2021

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা, যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট সেই মহান ব্যক্তি নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

জীবনী : নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।

(১) নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।

(২) ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠকে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।

(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।

(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।

(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যার আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।

(৮) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্রান্তে ব্রিটিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।

(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।

(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।

আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?
এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনার মাঝেও আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে, সেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!

রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।
কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।

সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

১৬ জানুয়ারী নবাবের মৃত্যুবার্ষিকী। উনার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।

ফ্রান্সের মন্ট-সেন্ট-মিশেল। বিস্ময়কর-দ্বীপটি যে নর্ম্যান্ডি এবং ব্রিটানির সাথে মিলিত হয় তা অন্য জগত এবং অনন্য। প্রযুক্...
23/01/2021

ফ্রান্সের মন্ট-সেন্ট-মিশেল। বিস্ময়কর-দ্বীপটি যে নর্ম্যান্ডি এবং ব্রিটানির সাথে মিলিত হয় তা অন্য জগত এবং অনন্য। প্রযুক্তিগতভাবে দুর্গ না হলেও, এর বিশালত্ব অস্বীকার করা যে কারও পক্ষে মুশকিল।

দ্বীপের শীর্ষে যা রয়েছে তা হ'ল কয়েক শতাব্দী ধরে তীর্থযাত্রীদের আকর্ষণ করে মধ্যযুগীয় মঠ। জনশ্রুতিতে বলা হয়েছে যে কাছের একটি শহর থেকে বিশপ অবার্টকে দ্বীপের শীর্ষে একটি গির্জা তৈরি করার জন্য আর্চেল মাইকেল নিজে আদেশ করেছিলেন। দশম শতাব্দীর শেষদিকে একটি বেনেডিক্টিন অ্যাবে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল।

উপসাগরটির জোয়ারগুলি দ্রুত কমে যেতে পারে এবং দ্বীপটির চারপাশের দৃশ্যগুলি চিরকালের জন্য পরিবর্তিত হয় এবং একেবারে ভিন্ন দৃশ্য প্রকাশ করে। জোয়ারের সময় দ্বীপটি পায়ে পৌঁছানো যায় এবং কয়েকশো পর্যটক প্রতিদিন যান।

কেন পিরামিডসমূহ তৈরি করা হয়েছিল?পিরামিড পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি। প্রাচীন মিশর শাসন করতেন ফারাও রাজারা। তাদের কবরের ...
20/01/2021

কেন পিরামিডসমূহ তৈরি করা হয়েছিল?

পিরামিড পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি। প্রাচীন মিশর শাসন করতেন ফারাও রাজারা। তাদের কবরের উপর নির্মিত সমাধি মন্দিরগুলোই পিরামিড হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মিসরে ছোটবড় ৭৫টি পিরামিড আছে। পিরামিডটি তৈরি করা হয়েছিল বিশাল বিশাল পাথর খন্ড দিয়ে। পাথরের সাথে পাথর জোড়া দিয়ে এমনভাবে পিরামিড তৈরি করা হত যে, একটি পাথর থেকে আরেকটি পাথরের মাঝের অংশে একচুলও ফাঁক থাকত না।মিশরীয় পিরামিডগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত পিরামিডগুলি দেখা যায় কায়রো শহরের উপকণ্ঠে গিজায়।গিজায় অবস্থিত খুফুর পিরামিড মিশরীয় পিরামিডগুলির মধ্যে বৃহত্তম।মিশরীয়রা মনে করত যতদিন রাজাদের দেহ রক্ষা করা যাবে ততদিন তারা স্বর্গে বাস করবে। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী এখনো তাদের অনেক রাজা স্বর্গে আছেন।

খ্রীস্টের জন্মের প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের নীল নদের তীরে গড়ে উঠেছিল এই সমৃদ্ধ সভ্যতাটি। বিশাল সব পাথর কেমন করে শত শত ফুট ওপরে তোলা হয়েছিল জানে না কেউ। জানে না কেমন করে কাঁটা হয়েছিল পাথরগুলো। কারণ পাথরগুলোর ধার এতই মসৃণ যে অতি উন্নত যন্ত্র ছাড়া যেটা সম্ভব নয়। পিরামিড তৈরির সব থিওরীই এখন পর্যন্ত অনুমান ও যুক্তি নির্ভর। ঠিক কোন পদ্ধতিতে কিভাবে আসলেই এগুলো তৈরী করা হয়েছিলো তা নিশ্চিতভাবে কেউই এখন পর্যন্ত প্রমান করতে পারেনি। জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখরে আরোহনের পর গত কয়েক শতাব্দীতে মানুষ পিরামিডের উচ্চতার এই রেকর্ডকে ভাঙ্গতে সক্ষম হয়।পিরামিডটির অবস্থান ৩১.১৩১০১৩ দ্রাঘিমাংশ এবং ২৯.৯৭৬৯৭৭ অক্ষাংশে।

পিরামিড মজার ব্যাপার হচ্ছে যে,চার হাজার চারশত বছর ধরে এটিই ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্থাপত্য কর্ম, ১৮৮৯ এ আইফেল টাওয়ার নির্মাণের পর এটি তার গৌরব হারায়।ইতিহাসের জনক হেরোডেটাসের মতে, এই পিরামিড তৈরিতে ১ লাখ লোকের ২০ বছর লেগেছিলো।তবে হেরোডেটাস যে মতবাদ দিয়ে গেছেন তা পরবর্তীকালে ভুল প্রমাণিত হয়েছে।বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে, প্রতিটি পিরামিড ই নির্মিত হয়েছে কোন না কোন তারার অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। বৈদিক যুগে সমগ্র পৃথিবী বৈদিক শাস্ত্র মতে পরিচালিত হত । তৎকালীন সময়ে সমগ্র পৃথিবীর মানুষ ভারতবর্ষে এসে তপস্যা, সংযম এবং শাস্ত্রগ্রন্থাদি অধ্যয়ন করতেন । গত ৩০০০ হাজার বছরে অন্তত ১৬ টি মারাত্মক ভূমিকম্প কে হেলায় অবজ্ঞা করে টিকে আছে পিরামিড।

সকালে যখন সূর্যের আলো ফোটে তখন প্রথম আলো পড়ে পিরামিডের চূরায়। এরপর ধিরে ধিরে তা আলো বাড়ার সাথে সাথে পিরামিডে ছরিয়ে পরে। কড়া রোদের মাঝে দূর থেকে দেখলে মনে হয় পিরামিড পানির মাঝখানে দাড়িঁয়ে রয়েছে । দিনের শেষ আলোটুকুও শেষ হয় পিরামিডের চূরা থেকে । এই আলোর খেলা আজও রহস্যময় হয়ে আছে । বিস্ময়কর পিরামিডের জন্য সারাবিশ্বেই মিসরের সুখ্যাতি আছে, যা দেখার জন্য প্রতি বছর অসংখ্য পর্যটক আসে। মিসরের আরও বিখ্যাত যে ক’টি জিনিস আছে তা হলো—বিশ্বে সবচেয়ে বড় নদী ‘নীল নদ’ ।মিশরের ফারাও রাজবংশই হচ্ছে পিরামিডের মূল নির্মাতা। ধারণা করা হয়, পিরামিডের প্রথম নির্মাণ কাজ শুরু হয় জোসার শাসনামলে। পিরামিড নির্মাণের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছিল বিপুল সংখ্যক দাস।

প্রাচীনকালে মিশরীয়রা বিশ্বাস করত যে মানুষ মারা গেলেই জীবন শেষ হয়ে যায় না বরং এর পরও জীবন আছে। এজন্য মিশরের ফারাও(রাজা) রা মারা গেলে তাদের বংশ ধরেরা মৃত্যুর পর যাতে তাদের কোন কষ্ট বা অসুবিধা না হয় তার জন্য তাদের দেহকে মমি করে পিরামিডে রাখত।মমি করতে এক প্রকার মলম ব্যবহার করা হত। একটি মমি করতে প্রায় ৭০ দিন সময় লাগত।শুধু তাই নয়, মমির পাশে তারা বিভিন্ন ধরনের খাদ্য-দ্রব্য, সোনা-দানা প্রভৃতি মুল্যবান সম্পদ রাখত।এছাড়া মমির তত্ত্বাবোধন এর জন্য লোক নিয়োজিত থাকত।

তবে ইদানীংকালে পিরামিড পাওয়ার হাউজ হিসেবে ইউজ হত — এই ধরনের কিছু নিউজ জেনেছি। তবে এটার সত্য-মিথ্যা জানা নাই।

বিশ্বের সেরা ১০ লাইব্রেরিলাইব্রেরি বা পাঠাগারকে বলা বলা হয় জ্ঞানের ভাণ্ডার। বলা হয়ে থাকে, একটি জাতির লাইব্রেরি যত বেশি স...
19/01/2021

বিশ্বের সেরা ১০ লাইব্রেরি

লাইব্রেরি বা পাঠাগারকে বলা বলা হয় জ্ঞানের ভাণ্ডার। বলা হয়ে থাকে, একটি জাতির লাইব্রেরি যত বেশি সমৃদ্ধ সে জাতি তত বেশি সমৃদ্ধ। আবার এমনও প্রবাদ রয়েছে, একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য আগে তার জ্ঞানের ভান্ডার লাইব্রেরি ধ্বংস করে দাও। তাই দেশে দেশে লাইব্রেরির প্রতি রয়েছে আলাদা দরদ।

বিশ্বে এমন সব বিখ্যাত লাইব্রেরি রয়েছে যা পাঠকের জ্ঞানের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি এর দৃষ্টিনন্দন নির্মাণশৈলী পাঠকের শুধু চোখ জুড়ায় না, মনও ভরিয়ে দেয়। চলুন দেখে নিই বিশ্বের সেরা দশটি লাইব্রেরি সম্পর্কে।

আমেরিকান লাইব্রেরি অব কংগ্রেস

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি । সুবিশাল এই লাইব্রেরির সংগ্রহে আছে সর্বাধিক সংখ্যক বই, রেকর্ডিংস, মানচিত্র ও পাণ্ডুলিপি। সংখ্যায় ৩ কোটি ৩০ লাখ ১২ হাজার ৭৫০। আমেরিকার সবচেয়ে পুরোনো এই লাইব্রেরিটি অবস্থিত ওয়াশিংটন ডিসিতে। আমেরিকান লাইব্রেরি অব কংগ্রেস স্থাপিত হয় ১৮০০ সালে। প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস যখন সরকারি কার্যাবলি ফিলাডেলফিয়া থেকে ওয়াশিংটনে স্থানান্তর করেন তখন থেকে এর যাত্রা ।

ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব চায়না

এটি এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ ও বিখ্যাত লাইব্রেরি। এর সংগ্রহে আছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৭ বই। প্রায় ১২ লাখ সাময়িকী এর অন্তর্ভুক্ত । চীনা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ আছে এতে। লাইব্রেরিটি স্থাপিত হয় ১৯০৯ সালে চীনের বেইজিংয়ে। চীনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত সব ধরনের বই আছে এই লাইব্রেরিতে।

ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব কানাডা

এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি। এই লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ৬ হাজার ৫৪টি বই। লাইব্রেরিটি কানাডার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বিভাগ। কানাডার ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত লেখা, ছবি ও দলিলপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত এই লাইব্রেরি। কানাডার সবচেয়ে সুন্দর এই লাইব্রেরিটি কানাডার সরকারি সম্পত্তি ।

ব্রিটিশ লাইব্রেরি

এটি যুক্তরাজ্যের জাতীয় গ্রন্থাগার। লন্ডনে ১৭৫৩ সালে স্থাপিত লাইব্রেরিটি পৃথিবীর বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থাগারগুলোর একটি। এতে আছে প্রায় সব ভাষার বিভিন্ন ধরনের ১ কোটি ৫৫ লাখের বেশি সংগ্রহ। সংগৃহীত বইয়ের সংখ্যা ২ কোটি ৩৫ লাখ। প্রতি বছর ব্রিটিশ লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় যুক্ত হয় প্রায় ৩০ লাখ নতুন বই ।

ডয়েচে বিবলিওথিক

এটি জার্মানির জাতীয় গ্রন্থাগার। এটি স্থাপিত হয় ১৯১২ সালে। এটির কাজ মূলত জার্মান ভাষার প্রকাশনা সংগ্রহ করা। তবে জার্মানিতে প্রকাশিত অন্য ভাষার প্রকাশনাও এখানে সংগ্রহ করা হয়। এটি পৃথিবীর বড় লাইব্রেরিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বিখ্যাত লাইব্রেরির সংগ্রহে আছে ২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ১০টি বই ও অন্যান্য প্রকাশনা ।

রাশিয়ান স্টেট লাইব্রেরি

রাশিয়ার মস্কোতে অবস্থিত রাশিয়ার জাতীয় গ্রন্থাগার। কার্যক্রম শুরু ১৭৯৫ সালে। এটি রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন, বৃহত্তম ও জনপ্রিয় লাইব্রেরি। এর সংগ্রহে রয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি বই।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি

এটি একটি লাইব্রেরি সিস্টেম। প্রায় ৯০টি শাখা সমন্বিত। সর্বমোট বইয়ের সংখ্যা ১ কোটি ৫০ লাখ। এটি আমেরিকার সবচেয়ে পুরোনো লাইব্রেরি সিস্টেম এবং পৃথিবীর প্রাচীন একাডেমিক লাইব্রেরি সিস্টেমগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম লাইব্রেরি। স্থাপিত ১৬৩৮ সালে।

ন্যাশনাল ডায়েট লাইব্রেরি

লাইব্রেরিটি জাপানের টোকিওতে অবস্থিত। ১৯৪৮ সালে এটি জননীতি সংক্রান্ত গবেষণার জন্য স্থাপিত হয় । এতে আছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪ হাজার ১৩৯টি বই। জাপান জুড়ে এর ২৭টি শাখা আছে। বিজ্ঞান, ধর্ম, রাজনীতি, আইন, মানচিত্র, সংগীতসহ সব ধরনের বই এতে আছে।

নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি

পৃথিবীর অন্যতম প্রধান গ্রন্থাগার এবং আমেরিকার বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থাগার এই লাইব্রেরি। এটি স্থাপিত হয় ১৮৯৫ সালে। লাইব্রেরিটির ৮৭টি শাখা রয়েছে। এই লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৯২টি বই।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিটি স্থাপিত হয় ১৭০১ সালে। একাডেমিক লাইব্রেরির মধ্যে এটি অন্যতম। ২২টি আলাদা লাইব্রেরির সমন্বয়ে গঠিত এই লাইব্রেরিতে ১ কোটি ৩০ লাখ বই রয়েছে। সংগ্রহের দিক থেকে এটি শ্রেষ্ঠ লাইব্রেরিগুলোর একটি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জ্ঞানী-গুণীদের আগমনস্থল বলা হয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিকে।

বই পড়ার উপকারিতাবই হাসায়-কাঁদায়। নিয়ে যায় অন্য এক ভুবনে। যদি জানতেন প্রতিদিন বই পড়ার কী উপকারিতা তাহলে ঠিকই সময় বের করে ...
18/01/2021

বই পড়ার উপকারিতা

বই হাসায়-কাঁদায়। নিয়ে যায় অন্য এক ভুবনে। যদি জানতেন প্রতিদিন বই পড়ার কী উপকারিতা তাহলে ঠিকই সময় বের করে বই পড়তেন। চলুন দেখে নিই প্রতিদিন বই পড়ার কিছু উপকারিতা।

বুদ্ধিমত্তা বাড়ে : যত পড়বেন তত জানবেন, তত শিখবেন। নতুন একটি বইয়ের মধ্যে ডুব দিলেই নতুন এক জগতের দুয়ার খুলে যাবে। প্রতিটি বইয়ে থাকে হাজারো তথ্য। যখন কোনো বই পড়া হয় বইয়ের যাবতীয় তথ্য মস্তিষ্কে থেকে যায়। বিভিন্ন ভাষার বই পড়লে শব্দ ভান্ডার বৃদ্ধি পায়। জ্ঞান সবসময়ই ব্যক্তিকে সমৃদ্ধ করে। টিভি, মোবাইল ফোন না দিয়ে শিশুকে বই পড়তে উৎসাহিত করুন। ছোট শিশুরা খুবই উৎসুক হয়। তাদের উৎসুক মনের ক্ষুধা মেটাতে বই অনেক সাহায্য করে। এতে করে তাদেরও শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হয়।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় : গবেষণায় দেখা গেছে বই পড়লে ব্যক্তির মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে আলঝেইমার ও ডেমেনশিয়ার মতো মানসিক সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কারণ বই পড়লে মস্তিষ্ক উদ্দীপনা হয় যা এক ধরনের ব্যায়ামও বটে। শরীরের অন্যান্য অংশের মতোই মস্তিষ্কেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন রয়েছে।

মানসিক চাপ কমে : অফিসের চাপ, পরিবারের চাপ কত ধরনের চাপই না রয়েছে ব্যক্তির জীবনে। আর এই সব মানসিক চাপ কমাতে সবাই কত কিছুই না করে। তবে সব থেকে সহজ সমাধান হচ্ছে বই পড়া। বই মুহূর্তের মধ্যেই পারে সম্পূর্ণ এক অজানা জগতে কাউকে নিয়ে যেতে। সেটা হতে পারে কোনো ভ্রমণ কিংবা মজার কোনো উপন্যাস বা ছোটগল্প। প্রতিদিনের বাস্তবতা থেকে বই একটু হলেও রেহাই দেবে। এভাবে মানসিক চাপ কমে গিয়ে মনে আসবে প্রশান্তি।

ঘুম ভালো হয় : নিয়মিত ভাবে প্রতিদিন শোয়ার আগে কয়েক পৃষ্ঠা বই পড়ে দেখুন। নিশ্চিত ভাবেই ঘুম ভালো হবে। কারণ এ সময় শরীর ও মস্তিষ্কে এক ধরনের সিগন্যাল পৌঁছায় যে ঘুমিয়ে পড়ার সময় চলে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে ঘুমানোর আগে বই পড়লে মানসিক চাপ কমে ৬৮ শতাংশ। শরীর হয়ে যায় রিলাক্সড।

সহানুভূতিশীলতা বাড়ে : মানুষের সহানুভূতি ও মানবিক মূল্যবোধ বাড়াতে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। বই পড়লে সহানুভূতি বাড়ে তখন সে অন্য মানুষ বা প্রাণীর কথাও চিন্তা করে। কোনো কথায় বা আচরণে অন্য ব্যক্তি মনে কষ্ট পাচ্ছে কি না বা তার কেমন লাগতে পারে এই সব কিছু বই ভাবতে শেখায়।

Good Morning!!
18/01/2021

Good Morning!!

পড়ার সময় ঘুম তাড়ানোর কৌশলকেন যে পড়ার সময় ঘুম পায়। কি ভাবে এই ঘুমকে তাড়ানো যায়? আপনার সমস্যাও যদি এটি হয় তবে আপনি কি করবে...
16/01/2021

পড়ার সময় ঘুম তাড়ানোর কৌশল

কেন যে পড়ার সময় ঘুম পায়। কি ভাবে এই ঘুমকে তাড়ানো যায়? আপনার সমস্যাও যদি এটি হয় তবে আপনি কি করবেন, তা আজকে বলব।

কিভাবে আপনি পড়ার সময় ঘুম তাড়াবেন আর মন দিয়ে পড়াশুনা করবেন?

একটা সমিক্ষায় দেখা গেছে যে, প্রায় ৭০% ছেলে মেয়ের এই একই সমস্যা হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে অনেকেই তাদের ভূলটা বুঝতে পারে। তারা অনেকেই চেষ্টা করে না ঘুমানোর। কিন্তু সেটি আর সম্ভব হয়ে উঠে না। কেননা সবাই এটা জানে যে, এখানে কোন মটিভেশন কাজ করে না। আপনারা হয়ত অনেক সময় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়েও পড়তে বসেন যে, আজ রাতে না ঘুমিয়ে সারা রাত বই পড়বেন। শেষ পর্যন্ত সেটা আর সফল হয়ে উঠে না। কিন্তু আপনি যদি আজকের টিপস গুলো অনুসরণ করেন তবে আপনি ঘুম থেকে মুক্তি পাবেন।

জোরে জোরে পড়ুন
পড়তে বসে ঘুম আসার অন্যতম কারণ হল আপনি সব সময় চুপ চাপ পড়েন। মুখে হাত আর বই এর দিকে চোখ, এ গুলোই আপনাদের পড়ার স্টাইল। এখনকার দিনে এটি আপনাদের প্রায় অভ্যাস হয়ে গেছে। আপনি যখন লাইব্রেরিতে যান সেখানেও আপনাকে চুপ চাপ পড়তে হয়। কারণ সেখানে তো অনেক লোক থাকে। তাই সেখানে একটি নিয়ম করে দেওয়া হয়েছে যে, আপনাকে চুপ চাপই পড়তে হবে। কিন্তু বাড়িতে তো আপনি একা একাই পড়ছেন। তবে সেখানে কেন একই নিয়ম অনুসরণ করবেন। তাই আপনি যখনই পড়বেন জোরে জোরে পড়ুন। সব সময় জোরে জোরে পড়া সম্ভব না হলেও যখন আপনার মনে হবে যে, ঘুম ঘুম পাচ্ছে। তখনই আপনি জোরে জোরে পড়বেন। আর দেখবেন, আপনার ঘুম পালিয়ে গেছে।

পানি ব্যবহার
আপনি হয়ত শুনে থাকবেন, পড়তে পড়তে যখনই ঘুম আসবে তখনই চোখ মুখ ধুয়ে নিন। ঘুম খুব দ্রুত চলে আসে, তাই উঠে গিয়ে মুখ ধোয়ার মত অবস্থা অনেকের থাকে না। অনেক সময় মুখ ধোয়ার আগেই আপনি ঘুমিয়ে পড়েন। তাই আপনি পরিষ্কার ঠান্ড জল কাছে রাখবেন। যখনই ঘুম আসবে আপনি একটি রুমাল দিয়ে চোখ দুটি মুছে নিন। এতে আপনার ঘুম চলে যাবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি ফ্রিজের ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে পারেন তবে খুব বেশি কাজ হবে।

পড়ার জায়গা
আপনারা অনেকেই পড়ার সময় বিছানায় শুয়ে শুয়ে পড়েন। যেটা একটা প্রধান ভূল। আপনাদের মাইন্ড আপনাদের শারীরিক মুভমেন্ট সব সময় অনুসরণ করে। আপনার শরীরের অবস্থা কেমন আছে সেটা দেখেই আপনার মাইন্ড আপনাকে চালিত করে। আপনি যখন দৌড়ান তখন আপনার মাইন্ডও দৌড়ানোর দিকেই থাকে। তাই তখন আপনার ঘুম পায় না। আবার যখন আপনি স্কুল থেকে বাসায় আসেন, রিলাক্স অবস্থায় ছোপায় বসেন তখন আপনার ঘুম চলে আসে। যেহেতু আপনার শরীর রিলাক্স অবস্থায় থাকে তাই মন ভাবে এটা রিলাক্স করার সময়। তাই তখনই আপনার ঘুম চলে আসে। আপনি যখন বিছানায় বসে পড়েন তখন মন ভাবে এটা নিশ্চয়ই ঘুমানোর সময়। তাই আপনার ঘুম চলে আসে। ঘুমকে তাড়ানোর জন্য অবশ্যই বিছানায় পড়ার ত্যাগ করুন। এর পরিবর্তে আপনি চেয়ার টেবিল ব্যবহার করতে পারেন। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে আপনি আপনার বই উচু স্থানে রেখে পড়ুন। ৪ টি বই নিয়ে উচু করে আপনি পড়তে পারেন। এতে ঘুমের হাত থেকে আপনি মুক্তি পেয়ে যাবেন। আপনি নিজেই আপনার নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।

হাটা এবং পড়া
যদি সব গুলো নিয়ম আপনার ক্ষেত্রে ফেল হয়ে যায় তাহলে এই নিয়মটা অবশ্যই কাজ করবে। আপনি একটি বই হাতে নিন আর দাড়িয়ে দাড়িয়ে পড়াটা পড়ুন। এটি অনুশরণ করলে আপনি অবশ্যই ঘুম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। সব সময় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ার প্রয়োজন নাই। যখন আপনার ঘুম আসবে অর্থাৎ যে সময় আপনার ঘুম আসবে। তখন আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়বেন। অনেকে জিজ্ঞাস করে যে, আপনি কি হাটতে হাটতে পড়তে পারেন? তবে মনে হয় না যে, হাটতে হাটতে আসলে পড়া যায়। কারণ তখন আপনার মন শুধুমাত্র হাটার দিকেই থাকবে। তাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়াটাই শ্রেয়।

একা কখনও পড়বেন না
আপনার সবাই একা একা বদ্ধ ঘরে বসে পড়াশুনা করেন। এখন কার সময়ে এটি একটি বড় রকমের ভূল। আপনি যখন বদ্ধ ঘরে একা একা পড়াশুনা করেন তখন বার বার আপনার মন মোবাইল ফোনের দিকে যায়। ফেসবুক, হোয়াট চ্যাপ, ইমো ইত্যাদি চালাতে ইচ্ছা করে। আবার অনেক সময় হতাসা ও চলে আসে। এছাড়াও একটি বড় সমস্যা হল, আপনি ঘুমিয়ে পড়লেও কেউ দেখার থাকে না, কেউ আপনার উপর রাগও করে না। তাই আপনি অভয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ঠিক এই সমস্যা দূর করার জন্য আপনি এমন জায়গা ঠিক করবেন, যেটি আপনার বাবা বা মায়ের সামনে হবে। সেটা দূরে হলেও সমস্যা নেই। তারা যেন আপনাকে দেখতে পারে। আপনি কি করছেন, সেটা যেন নজর রাখতে পারে। যদি আপনি আপনার মা অথবা বাবার সামনে বই পড়েন তবে আপনার ঘুম আসবে না।

এই সব টিপস যদি আপনি ঠিক মত অনুসরণ করেন তবে আপনি পড়ার সময় আপনার ঘুম দূর করতে পারবেন।

14/01/2021

Have a good day..

জাপানিরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে যে ভাত সেটার নাম 'স্টিকি'। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে।আমার ধারণা ছিল, স্...
13/01/2021

জাপানিরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে যে ভাত সেটার নাম 'স্টিকি'। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে।

আমার ধারণা ছিল, স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিরা এটা এত পছন্দ করে। আমি এই ভাত খেতে একদমই পছন্দ করতাম না। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো জাপানের বাজারে জাপানি কৃষকদের উৎপাদিত এই বিশেষ ভাতের চালের দামই সবচেয়ে বেশি।

বাজার থেকে কয়েকবার বিভিন্ন ধরণের চাল কেনার পর বুঝলাম এই চাল যদি জাপানিরা নিজেরা উৎপাদন না করে আশেপাশের কোনও দেশ থেকে আমদানি করতো তাহলে এর দাম বেশ কম পড়তো।আমি কৌতুহলী হয়ে আমার সুপারভাইজার প্রফেসর কামিজিমাকে একবার জিজ্ঞেসই করে ফেললাম..

"আচ্ছা প্রফেসর, তোমরা এই চাল বিদেশ থেকে আমদানি করো না কেন? আমদানি করলে তো দাম অনেক কম পড়তো!"

কামিজিমা: "তা হয়তো পড়তো.."

আমি: "তাহলে?"

কামিজিমা: "সরকার ইচ্ছে করেই কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদন খরচের অনেক বেশি দামে এই চাল কেনে।"

"কেন?"

"কৃষকদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।"

"মানে?"

"কৃষক যদি ভালো দাম না পায় তাহলে কি ওরা আর কৃষিকাজ করবে? পেশা বদলে ফেলবে না!"

"তাই বলে সরকার এত বেশি দামে চাল কিনবে কৃষকদের কাছ থেকে?"

"শোনো, আমরা আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভুলিনি। জাপান একটা দ্বীপরাষ্ট্র। ঐরকম একটা যুদ্ধ যদি আবার কখনো লাগে আর শত্রুরা যদি আমাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে! তখন কী হবে ভেবেছ?"

"বুঝলাম না!"

"বাইরে থেকে কোনও খাবার জাপানে আসতে পারবে? আমরা কি তখন এই টয়োটা গাড়ি খাব? কৃষক যদি না বেঁচে থাকে তাহলে ঐসময় আমরা বাঁচব?!"

আমি অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলাম কামিজিমার কথা শুনে। ভাবলাম,আমরা কী অবলীলায়ই না আমাদের কৃষকদেরকে মেরে ফেলার যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করছি।

"The Mind Game" বই থেকে উদ্ধৃত।

:

দেশি পেয়াজ কিনুন। দেশি কৃষকদের বাচান।
বিদেশি পেয়াজ বর্জন করুন।
এখন বিদেশি পেয়াজ কমদামে কিনে দেশীয় পেয়াজ চাষীদের ক্ষতি করলে তারা পরবর্তি বছর পেয়াজ চাষ বন্ধ করে দিবে।
ঝোপ বুঝে কোপ মারা দেশ গুলো আবার বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিবে।তখন কি আর করা? না আছে দেশি,না আছে বিদেশি ।
১৫/২০ টাকার পেয়াজ কিনবেন ১৫০/২০০++টাকায়।।।।

Address

393 Divine , Senpara Parbota
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aron posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aron:

Share