Aldukaan

Aldukaan Aldukaan is an online mall, a marketplace and a community for its customers. You can find all kinds of products from us.

It brings the best of products at the best value – delivered right at your office, factory or business premises or home. Fashion ( Men and Women ), Electrical Items, Computers, Mobile, Mobile accessories..groceries...
and adding more every month …

সেহেরী ও ইফতারের সময় সূচী-২০২৩......
23/03/2023

সেহেরী ও ইফতারের সময় সূচী-২০২৩......

20/02/2023
They are very dedicated in performing their political activities
26/01/2023

They are very dedicated in performing their political activities

আপনি চাইলে আপনি পুরো মাসের বাজারও ঘরে বসে পেতে পারেন। ইনবক্সে বাজার তালিকা পাঠাতে পারেন অথবা ফোনেও অর্ডার করতে পারেন।আলদ...
01/11/2022

আপনি চাইলে আপনি পুরো মাসের বাজারও ঘরে বসে পেতে পারেন। ইনবক্সে বাজার তালিকা পাঠাতে পারেন অথবা ফোনেও অর্ডার করতে পারেন।
আলদুকানের বিশেষ দিকসমূহ:
🔶 আলদুকান এর পণ্য মানেই অথেনটিক পণ্য। পণ্যের গুণগত মানের ক্ষেত্রে আমরা ছাড় দেইনা ছিটেফোঁটাও।
🔶 ভেজালমুক্ত শতভাগ খাঁটি পণ্য প্রদানে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
🔶 মানিব্যাক গ্যারান্টিতে আমরা আপনার কাছে এগুলো বিক্রি করছি। কোন সমস্যা হলে সাথে-সাথেই পণ্য ফেরত দিয়ে পুরো টাকা রিটার্ন পাবেন।
🔶 আমরা ১০০% কমিটমেন্ট এ বিশ্বাসি, তাই নির্দ্বিধায় আমাদের থেকে যেকোন পণ্য নিতে পারেন।
🔶 একবার পরখ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশা করি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
🔶 বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 01918520477

মসলার জগতে হলুদের রয়েছে নানা গুণাবলি। স্বাদের সঙ্গে সঙ্গে রঙের ক্ষেত্রেও হলুদ সমানভাবে পারদর্শী। অন্যদিকে গুণাবলির দিক থ...
01/11/2022

মসলার জগতে হলুদের রয়েছে নানা গুণাবলি। স্বাদের সঙ্গে সঙ্গে রঙের ক্ষেত্রেও হলুদ সমানভাবে পারদর্শী। অন্যদিকে গুণাবলির দিক থেকেও আছে লম্বা তালিকা। হলুদ মূলত আদা গোত্রীয় পরিবারের সদস্য, সঙ্গে গাছের শিকড় থেকে প্রাপ্ত এক ধরনের মসলা।

nagad-300-250
হলুদের আদি উৎপত্তিস্থল দক্ষিণ এশিয়া। প্রচুর পরিমাণ পানি সঙ্গে ২০-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হলুদ উৎপাদনের জন্য আদর্শ আবহাওয়া। হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত এ হলুদ রান্না ছাড়াও নানা ধরনের ঔষধি কাজের ক্ষেত্রেও সমানভাবে চর্চিত। ধারণা করা হয়, হলুদ নামটি আরবি শব্দ থেকে এসেছে।

ভেষজ গুণে ভরা এ মসলাটি রান্না এবং ওষুধের পাশাপাশি রূপচর্চার ক্ষেত্রেও বেশ সুপরিচিত। এ ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদের নানা ব্যবহার রয়েছে ত্বকের যত্নে। অন্যদিকে ঔষধি হিসাবেও যেমন হজমে যাদের সমস্যা আছে তারা অনায়াসে হলুদ খেতে পারেন। মূলত পরিপাক তন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে আপনার হজম ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে হলুদ। এ ছাড়া ওজন কমাতেও হলুদ বেশ উপকারী। স্থূলতা বাড়াতে থাকা টিস্যুর গ্রোথ কমিয়ে আনতে সহায়তা করে এ মসলাটি।

এ ছাড়া ত্বকের বলিরেখা, কালো দাগসহ ত্বকের রুক্ষতা কমাতে হলুদ বেশ কার্যকর। অন্যদিকে কোথাও কেটে গেলে নিয়মিত হলুদ খেলে তা দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এ ছাড়া শরীরের নানা ধরনের ব্যথা কমাতেও হলুদ বেশ কার্যকর। জাফরানমিশ্রিত দুধে হলুদের এক চিমটি মিশ্রণ আপনার ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া মানসিক অবসাদ দূর করতে, সর্দি কাশি কিংবা জ্বরের ক্ষেত্রে হলুদে রয়েছে প্রাকৃতিক নানা উপাদান। এ ছাড়া মেয়েদের অনিয়মিত ঋতুস্রাবের ক্ষেত্রেও হলুদ বেশ কার্যকর। কাঁচা হলুদ কিংবা হালকা গরম দুধের সঙ্গে অল্প হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই খুব সহজেই ঋতুস্রাবের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এসব কিছুর পাশাপাশি, স্বরভঙ্গ, হৃদরোগ, হাঁপানিসহ স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে হলুদে রয়েছে নানা লুকায়িত গুণাবলি। তাই হলুদ খাবারে যুক্ত করার মাধ্যমে শরীরের ইমিউনিটি আরও বাড়াতে হবে যাতে সব সময় থাকা যায় সুস্থ আর উৎফুল্ল।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

ধনিয়া গুড়া’র আমাদের নিত্য দিনের সংগী এবং আমাদের সবার অনেক প্রয়োজনীয় মসলা বা মসলাজাতীয় উপাদান। ধনিয়ার সঠিক গুনাগুন সম্পর্...
31/10/2022

ধনিয়া গুড়া’র আমাদের নিত্য দিনের সংগী এবং আমাদের সবার অনেক প্রয়োজনীয় মসলা বা মসলাজাতীয় উপাদান। ধনিয়ার সঠিক গুনাগুন সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি; আমরা যতটুকু জানি তার বাহিরেও অনেক অজানা উপকারিতা আছে; আসুন আজকে আমরা ধনিয়া ও ধনিয়া গুড়া’র অজানা গোপন গুরুত্তপূর্ণ কার্যকারিতা জেনে নেই।
তরকারি, সালাদ, স্যুপ সবক্ষেত্রেই ধনিয়া গুড়ার গুনাগুন রয়েছে।
যে কোন তরকারীতে দিলে তার স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ধনিয়া তরকারিতে ব্যবহার করলে যেকোন তরকারীর কাচা গন্ধ দূর হয় এবং অনেক সুন্দর একটি সুঘ্রাণ আসবে। সুতরাং শরীরের ত্বক, খাবারের স্বাদ, শরীরের অনেক সুস্থতার জন্য ধনিয়া আমাদের একান্ত কার্যকরী একটি উপাদান।
১। ত্বকের রোগ সারায় বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন, এক্সিমা, চুলকানি, মুখের আলসার ও ঘা সারতে সাহায্য করে।
২। এটি পটাসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, ফলিক এসিড, মাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের উৎস। সেই সাথে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার নিরাময় করতে পারে।
৩। ধনিয়া বীজ সিদ্ধ করা পানি দিয়ে কলকচি করলে মুখের আলসার দূর হয়। ধনে বীজের সাথে সামান্যে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন, এর সাথে ১ চা চামচ মধু মিশান। এই মিশ্রণটি তকের চুলকানির স্থানে লাগালে খুব দ্রুতো চুলকানি কমে যায়। ধনে বীজে এন্টিসেপ্টিক উপাদান আছে বলে ত্বকের সমস্যা সমাধান করে। প্রতিদিন খাবারে ধনিয়া যোগ করলে ত্বকের উজ্জলতা ফিরে আসে।
৪। ব্রন এর সমস্যা দূর করে- যাদের ত্বক তৌলাক্ত এবং বয়সন্ধিকালে ব্রনের সমস্যা বার বার হয়ে থাকে; ধনের বীজ ব্রনের এধরণের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করে। ধনের বীজ পেস্ট করে নিয়ে এক চামচ মধু ও এক চামচ হলুদ মেশান। যাদের ত্বক বেশি তৈলাক্ত তারা এর সঙ্গে মুলতানি মাটি মেশাতে পারেন। এই পেস্টটি মুখে লাগিয়ে শুখানোর আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ধনে গুড়ার এন্টিব্যাক্টেরিয়াল গুনাগুনের কারনে ব্রনের প্রাদুর্ভাব কমাতে অনেক কার্যকর।
৫। চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে- হরমোন এর ভারসাম্যহীনতার কারণে হেয়ার ফলিকল দুর্বল হওয়ায়, চুল পরার সমস্যা হয়। ধনে বীজ চুল পড়াতে এবং নতুন চুল গজানো সাহায্য করে। সামান্য পরিমান ধনে গুড়া মিশিয়ে মাথার তালুতে মেসেজ করুন; এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে ।
৬। ঔষুধী গুনাগুন- ধনিয়া গুড়া হজমের জন্য উপকার। এক মুঠো বীজ পানিতে ভিজিয়ে সারাদিন রেখে দিন। পরের দিন সকালে দ্রবণটি ছেকে নিয়ে খালি পেটে খান। বদ হজমের সমস্যা দূর হবে। ধনিয়ায় এন্টিওক্সিডেন্ট থাকাই এটি যকৃত এর ভাল কাজ করে। এবং মল নির্গমনের প্রক্রয়িয়া সাহায্য ডাইজেটীভ এনজাইম উপাদানে হজম প্রক্রিয়া সাহায্য করে।
এছাড়াও ধনে বীজ ঠান্ডা ও ফ্লু দুর করতে সাহায্য করে এবং অনিয়মিত পিরিয়ড সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
৭। ডাইবেটিস উপশম- নিয়মিত ধনিয়া ব্যবহারে একমাসে ১০কেজি ওজন কমায় ও এবং অনাকাংখিত চর্বি কমায়। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ও রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখে।
আসুন আমি আপনি আমরা সবাই আজ থেকে ধনিয়া বীজ বা ধনিয়া গুড়া নিয়মিত ব্যবহার করি এবং সুস্থ থাকি।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জিরা বেশ আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিরা ব্যবহার করে কিছু সমস্যার ঘরোয়া সমাধানের কথা...
31/10/2022

স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জিরা বেশ আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিরা ব্যবহার করে কিছু সমস্যার ঘরোয়া সমাধানের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ফেমিনা।

১. হজমের উন্নতি

জিরা হজমের সমস্যা সমাধানে ভালো উপাদান। এর মধ্যে থাকা থাইমল কম্পাউন্ড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তেল হজমকে ভালো করতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি হজমের সমস্যায় ভোগেন, জিরার চা তিনবেলা পান করতে পারেন।

প্রণালি

এক কাপ পানি নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ জিরা দিন। এটি সেদ্ধ করুন। দিনে তিনবার এটি পান করুন।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য

জিরার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ। এটি গ্যাসট্রোএনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের কার্যক্রমকে ভালো রাখে।

প্রণালি

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে এক টেবিল চামচ জিরা ভেজে নিন। রং গাঢ় হলে একে নামিয়ে গুঁড়া করুন। এই গুঁড়ার মধ্যে পানি ও মধু মেশান। এটি প্রতিদিন খালি পেটে পান করুন।

৩. অ্যাজমা ও ঠান্ডা

জিরার মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদানের জন্য এটি অ্যাজমা ও ঠান্ডা প্রতিরোধে সাহায্য করে; সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে।

প্রণালি

এক টেবিল চামচ জিরা এক গ্লাস পানির মধ্যে দিন। এর মধ্যে কিছু কুচি করা আদা দিন। ভালোমতো সেদ্ধ করুন। একে দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।

৪. গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে

জিরার গুঁড়া কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি গর্ভবতী নারীর বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। এ ছাড়া প্রসব ভালোভাবে হওয়ার ক্ষেত্রেও এটি সাহায্য করে।

প্রণালি

এক গ্লাস গরম দুধ নিন। এর মধ্যে আধা চা চামচ জিরার গুঁড়া নিন এবং এক টেবিল চামচ মধু যোগ করুন। ভালোভাবে মেশান। এটি প্রতিদিন পান করুন।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

মরিচের গুঁড়া আমাদের নিজস্ব তত্বাবধানে সংগ্রহ করা, তাই শতভাগ বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি জাস্ট একবার নিয়ে পরখ করে দেখুন। আমর...
31/10/2022

মরিচের গুঁড়া আমাদের নিজস্ব তত্বাবধানে সংগ্রহ করা, তাই শতভাগ বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি জাস্ট একবার নিয়ে পরখ করে দেখুন। আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমাদের মরিচের গুঁড়া এক বার রান্নায় ব্যবহার করার পর আপনি আর অন্য কোন মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করবেন না। আর এটি অল্প পরিমানে ব্যবহারেই ঝাঁঝ বেশি পাওয়া যায়, তাই সাশ্রয়ীও বটে। আজ আমরা মরিচের গুঁড়ার কিছু উপকার নিয়ে আলোচনা করবো।

🔴 টিস (Diabetes)

মরিচের প্রধান রাসায়নিক উপাদানের নাম ক্যাপসিসিন, যা তীব্র ঝাল লাগার অনুভুতি সৃষ্টি করে থাকে।ক্যাপসিসিন নামক এই উপাদানটি রক্তে সুগারের মাত্রা কমায়।

🔴 স্থূলতা (Obesity)

ক্যাপসিসিন হলো এক ধরণের থার্মোজেনিক উপাদান, যা বিপাক ক্রিয়াকে বৃদ্ধি করে এবং চর্বি ভাঙ্গন প্রক্রিয়াতে বিশেষ উপকরন হিসাবে কাজ করে।

🔴 ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি

মরিচে যে ফাইটোকেমিকেল থাকে তা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে ডায়বেটিস নিউরোপ্যাথি সম্পর্কিত ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

🔴 ক্যান্সার

এতে ফাইটোকেমিকেল প্রচুর পরিমানে আছে।ফাইটোকেমিকেল নামক এনজাইমের বিরূদ্ধে কাজ করে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে, জ্যান্থিন অক্সিডেজ এমন একটি এনজাইম, যা ফ্রি-র‍্যাডিকেল তৈরি করে ডিএনএ (DNA) এবং সেলুলার টিস্যু নষ্ট করে দেয়।

🔴 পাকস্থলির ক্ষত

মরিচ পাকস্থলির অভ্যন্তরীণ দেয়াল কে উদ্দীপিত করে এক ধরণের রস নিঃসন করতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে পাকস্থলি ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। হজম এবং অন্ত্রের মাংস পেশির ক্রিয়াশীলতা স্বাভাবিক রাখে, যার ফলে হজমে সহায়ক এনজাইম নিঃসৃত হয় এবং খাবারের পুষ্টি সহজেই শোষিত হয়।
🔶 নিজেরা যেটা খাই, গ্রাহককেও ঠিক সেটাই খাওয়াই।
🔶 আলদুকান এর পণ্য মানেই অথেনটিক পণ্য। পণ্যের গুণগত মানের ক্ষেত্রে আমরা ছাড় দেইনা ছিটেফোঁটাও।
🔶 ভেজালমুক্ত শতভাগ খাঁটি পণ্য প্রদানে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
🔶 মানিব্যাক গ্যারান্টিতে আমরা আপনার কাছে এগুলো বিক্রি করছি। কোন সমস্যা হলে সাথে-সাথেই পণ্য ফেরত দিয়ে পুরো টাকা রিটার্ন পাবেন।
🔶 আমরা ১০০% কমিটমেন্ট এ বিশ্বাসি, তাই নির্দ্বিধায় আমাদের থেকে যেকোন পণ্য নিতে পারেন।
🔶 একবার পরখ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশা করি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
🔶 বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 01918520477

মুড়ি অ্যাসিডটি রোধ করে, এটা আমরা সকলেই জানি। শরীরে যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, যাদের অ্যাসিডিটি হয়, তাদের ক্ষেত্রে মুড়ি খু...
29/10/2022

মুড়ি অ্যাসিডটি রোধ করে, এটা আমরা সকলেই জানি। শরীরে যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, যাদের অ্যাসিডিটি হয়, তাদের ক্ষেত্রে মুড়ি খুবই উপকারী।

তাই নিয়মিত মুড়ি খেলে অ্যাসিডিটি কমবে।
পেটের সমস্যায় শুকনো মুড়ি কিংবা ভেজা মুড়ি খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়। মুড়িতে ভিটামিন বি ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

মুড়ি চিবিয়ে খেতে হয়। এর ফলে দাঁত ও মাড়ির একটা ব্যায়াম হয়। নিয়মিত মুড়ি খেলে দাঁত ও মাড়ি ভাল থাকে। কারণ, মুড়িতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ফাইবার, যা হাড় শক্ত করে। এছাড়া মুড়িতে রয়েছে শর্করা, যা প্রতিদিনের কাজে শক্তি যোগান দেয়।
কম ক্যালরির খাবার খাবেন, আবার পেটও ভরবে, যদি এমনই আপনার ইচ্ছা হয় তাহলে মুড়ি খেতে পারেন। সারাদিন বাড়িতে, অফিসে যখনই হাল্কা ক্ষুধা পাবে, তখন মুড়ি খেয়ে নিলে ক্ষুধা মিটবে, ক্ষতিও হবে না।

যাদের পেটের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে মুড়ি বিশেষ উপকারি। এছাড়া মুড়িতে সোডিয়ামের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে। যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তারা মুড়ি খেতে পারেন।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

আমাদের শরীরে স্বাভাবিক কাজগুলো করতে দৈনিক ৫ গ্রাম বা এক চা চামচের বেশি লবণের দরকার নেই। বেশি লবণ শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। ল...
27/10/2022

আমাদের শরীরে স্বাভাবিক কাজগুলো করতে দৈনিক ৫ গ্রাম বা এক চা চামচের বেশি লবণের দরকার নেই। বেশি লবণ শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। লবণের মূল কাজ পেশী এবং স্নায়ুর কাজে সাহায্য করা ও শরীরে জল নিয়ন্ত্রণ করা।

কাঁচা লবণ খাওয়ার চেয়ে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে যে লবণ থাকে, তার মাধ্যমে শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয় লবণ পেয়ে থাকি আমরা। লবণ বেশি খেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় ব্লাড প্রেশারে। রক্ত চাপ বেড়ে যায়। সাথে বেশি লবণ খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে, হার্টে সমস্যা হয়, হাড় ক্ষয় বেড়ে যায়, পাকস্থলীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা থাকে, কিডনিতে বিভিন্ন জটিলতা বাড়ে।

দৈনন্দিন জীবনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হলো ভালো থাকার একটি উপায়। দীর্ঘদিন বেশি লবণ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত বেশি লবণ খেলে অল্পতে দুর্বল লাগতে পারে। কারণ, অতিরিক্ত লবণ তখন শরীরে শক্তি তৈরিতে বাধা দেয়। শরীর ভালো রাখতে সামান্য লবণ হলেই চলে। এমনকি প্রাকৃতিক অনেক খাবারেই কম বেশি লবণ আছে।

যদিও আমরা বেশিরভাগ লবণ খেয়ে থাকি তরকারি থেকে নাস্তায়। ভাতের সাথে আলাদা করে লবণ খাবেন না। আচারে প্রচুর লবণ থাকে, পরিমিত খাবেন। সস, চানাচুর, মুড়ি, পিজা, ইনস্ট্যান্ট নুডুলস, বার্গার, চিপসে প্রচুর লবণ থাকে। সম্ভব হলে খাবারের টেবিলে আলাদা লবণদানী রাখবেন না।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

গোলমরিচের আদিভূমি ভারতীয় উপমহাদেশ। প্রাচীনকাল থেকেই খাদ্যে মসলা হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লতাজাতীয় এ উদ্ভিদটির ফল শুক...
27/10/2022

গোলমরিচের আদিভূমি ভারতীয় উপমহাদেশ। প্রাচীনকাল থেকেই খাদ্যে মসলা হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লতাজাতীয় এ উদ্ভিদটির ফল শুকিয়ে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এ ফলের রয়েছে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’ ও ক্যালসিয়াম। খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম গোলমরিচে আছে প্রোটিন ১১.৫ গ্রাম, ফ্যাট ৬.৮ গ্রাম, শর্করা ৮৯.২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৬০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৯৮ মিলিগ্রাম, আয়রন ১৬.৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ১৮০০ আইইউ, ভিটামিন বি১ ০.০৯ মি.গ্রা, ভিটামিন বি২ ০১.৪ মি.গ্রা. ও নিয়াসিন ১.৪ মিলিগ্রাম।

তবে পুষ্টিমান জাত ও উৎপাদনের স্থানের তারতম্যের জন্য কিছুটা পরিবতর্ন হতে পারে। গোলমরিচে আছে পাইপারিন নামক রাসায়নিক উপাদান, যা থেকে এর ঝাঁজাল স্বাদ এসেছে।গোলমরিচ শুধু তরকারির স্বাদই বাড়ায় না, রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধকের ভূমিকাও রাখে।

কিন্তু শুধু স্বাদই নয়, গোলমরিচের কয়েকটি উপকারিতাও রয়েছে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে গোলমরিচের অজানা ৭ উপকারিতা সম্পর্কে তুলে ধরা হল-

১। গোলমরিচ পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। তাই এটি হজমে সাহায্য করে। আর হজম ঠিক থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যাকে এড়ানো যায়। পেটে গ্যাস হওয়া রুখতেও গোলমরিচের জুড়ি মেলা ভার।গোলমরিচ হজমে, জ্বরে, পেট ফাঁপা ও গ্যাস দূর করতে বিশেষ সহায়তা করে।

২। গোলমরিচ খেলে ঘাম বেশি হয়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কমতে থাকে। গোলমরিচের বাইরের আবরণ দেহের চর্বিজাতীয় কোষ ভাঙতে সাহায্য করে। তাই ওজন কমানোর চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। শরীর থেকে ফ্রি রেডিক্যালস বের করে দিতে সাহায্য করে। ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে তা প্রতিরোধ করে।

৩। গোটা মরিচের খোসা অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। ফলে গোলমরিচ দেওয়া খাবার খেলে কমতে থাকে শরীরের অতিরিক্ত মেদ। গোলমরিচ কফ ও বায়ুনাশক, রুচিবর্ধক এবং কৃমিনাশক। পানিতে এর গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে আমাশয়ে উপকার হয়।

৪। যারা অতিরিক্ত মাত্রায় ধূমপান করেন, গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিয়মিত সেবন করলে বা সরাসরি ভাবে গোলমরিচ খেলে ধূমপানের অভ্যাস কমতে থাকে।

৫। ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতেও কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়া করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে। এছাড়া পিগমেন্টেশন ও অ্যাকনি দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ। ত্বক ভালো রাখে গোলমরিচের তেল। বিশেষ করে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

৬।ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিরাময় করে। নাক বন্ধ থাকা, হাঁপানি ইত্যাদি সারাতে সাহায্য করে গোলমরিচ। এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ এবং দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে খেলে শ্লেষ্মা দূর হয়। গরম দুধে গোলমরিচ আর চিনি মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি সারে।

৭। দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যথা থাকলে, গোলমরিচ সেই ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে দাঁতের রোগের জন্য লবণ ও গোলমরিচ চূর্ণ মিশিয়ে দাঁত মাজলে ভালো হয়।

৮। প্রচুর আন্টিঅক্সিডেন্ট আছে গোলমরিচে, যা উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। শুধু তা-ই নয়, মরিচের ঝাল কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। মরিচে বিদ্যমান ‘ক্যাপ্সাইসিন’ শরীরে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এলডিএল কোলেস্টেরল হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেইন স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ।পরিমিত পরিমাণে মরিচের ঝাল দেহে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে এসব রোগের হাত থেকে হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ম্যানিব্যাক গ্যারান্টিতে Aldukaan আপনাকে দিচ্ছে নিশ্চয়তা। আর সবকিছুই হচ্ছে Aldukaan এর নিজস্ব তত্বাবধানে। আশাকরি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা ফোন করুন :
হটলাইন : 01945-454441, 019185204

Address

572/K, Wasi Tower, Mirpur DOHS Road, Matikata , Dhaka Cantonment Matikata, Dhaka Division, Bangladesh Mirpur, Dhaka Division
Mirpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aldukaan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aldukaan:

Share