Omar Faruqe

Omar Faruqe online Shop A TO Z products

04/09/2021

নতুন যারা খামার করবেন প্রাথমিক চিকিৎসা নিজে করতে হবে,
না হয় ডাক্তার কেই খামার লেখে দিতে হবে,
লাভ কিছুই পাবেন না,
জেনে নেই কিছু চিকিৎসাও সমাধান,,,,,,
1*সমস্যা: গরুর খামার আছে। গরুর পেটে প্রচুর পরিমাণে কৃমি হয়। কোন ঔষধ খাওয়ালে ভাল ফল পাবো?
*সমাধান: Tab. Endex, নির্দেশনা: প্রতিটি ট্যাবলেট গরুর প্রতি ৭০ কেজি ওজনের জন্য সকাল বেলা খালি পেটে খাওয়াতে হবে। খমারের সবগুলো গরুকে এক সাথে খাওয়াতে হবে।
2*সমস্যা: গরুর খামার আছে। মোটা তাজা করার উপায় বললে উপকৃত হতাম।
*সমাধান: মোটাতাজা করার জন্য ১ থেকে ২ বছরের গরু বেছে নিতে হবে এবং খামারের সকল গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়াতে হবে অতঃপর দানাদার খাদ্য ও ভিটামিন জাতিয় ঔষধ খাওয়াতে হবে এবং কাজ করানো থেকে বিরত রাখতে হবে। ৩-৪ মাস পর বিক্রির উপযোগি হবে।
3*সমস্যা: গরুর এলার্জি হয়েছে, কি করতে হবে দয়া করে জানাবেন,
*সমাধান: ১. Vermic 5 ml, গরুর প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য 1 ml, এই হারে ইঞ্জেকশন টি গরুর চামড়ার নিচে দিতে হবে, ২. Dellergen 10 ml, গরুর প্রতি ২৫ কেজি ওজনের জন্য 1 ml, এই হারে ইঞ্জেকশন টি গরুর মাংসে দিতে হবে, ৩. Zinc Vet, ১ টি করে দৈনিক ১ বার গরুকে খাওয়াতে হবে, এভাবে গরুকে ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
4*সমস্যা: আমার বিদেশী গাভীর দুধ সাভাবিকের তুলনায় কম হচ্ছে, এবার দিয়ে ২ বার দুধ দিচ্ছে, করনিয় কি ?
*সমাধান: প্রাথমিক ভাবে যেসব গাভী ৩ কেজি পর্যন্ত দুধ দেয় তাদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন- ৩ কেজি দানাদার খাবার (চালের কুড়া, ভূসি, ভুট্টা ভাঙ্গা) এর সাথে সাভাবিক খাবার যেমন- ১. ১০-১২ কেজি কাঁচা ঘাস ২. খড় (২০০ গ্রাম মোলাসেস মিশিয়ে দিতে হবে) ৩. DCP (Di calcium Plus)- প্রতিদিন ১০ চা চামচ খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। পরবর্তী বাড়তি প্রতি ১ কেজি দুধের জন্য বাড়তি আধাকেজি দানাদার ও উপরোক্ত সাভাবিক খাবার দিতে হবে।
5*সমস্যা: গাভীর বাচ্চা হওয়ার পর গাভীটির দুধ হত দৈনিক ৪/৫ সের কিন্তু বাচ্চা হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে গাভীটির দৈনিক দুধ হয় ১/২ সের। এ অবস্থায় কি করনীয় ।
*সমাধান: স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি দানাদার জাতীয় খাবার দিতে হবে।
6*সমস্যা: ২টি গাভী আছে। দুটিই গর্ভবতী। কিন্তু খুব দূর্বল। কম খায় এবং দুধের পরিমান কম হয় এথেকে পরিত্রানের কোন উপায় আছে কি ?
*সমাধান: গরুকে সকালের প্রথম খাবার দেওয়ার সময় চারির পানি যাতে কুসুম গরম হয় এটা নিশ্চিত করলে গরু খাবার খাবে।
7*সমস্যা: একটি গরুর খামার আছে। অধিকাংশ গরু রোগাক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। রোগের হাত থেকে বাঁচার উপায় এবং মোটা তাজা করন প্রদ্ধতি জানালে উপকৃত হতাম।
*সমাধান: রোগের আক্রমন থেকে বাচতে হলে নিয়মিত ভাবে তড়কা, বাদলা, ক্ষুড়া ও গলাফুলা রোগের প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। খামারের সাস্থ্যসম্মতবিধি ব্যবস্থা তথা জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা মেনে চলতে হবে। মোটাতাজা করার জন্য ১ থেকে ২ বছরের গরু বেছে নিতে হবে এবং খামারের সকল গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়াতে হবে অতঃপর দানাদার খাদ্য ও ভিটামিন জাতিয় ঔষধ খাওয়াতে হবে এবং কাজ করানো থেকে বিরত রাখতে হবে। ৩-৪ মাস পর গরু বিক্রির উপযোগি হবে।
8*সমস্যা: একটি গরু বীজ রাখতে পারে না। এটা ইনজেকশনের গরু একে হরমোন ইনজেকশন ও দেয়া হয়েছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি । গরুটির অনেক চর্বি ও মোটা তাজা অনেক ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করা হয়েছে কিন্তু তারপরেও বাচ্চা হচ্ছে না। গরুটি আজও ডেকেছে। এর প্রতিকার কি?
*সমাধান: হরমোন ইনজেকশন দেওয়ার পরও গরু বীজ ধরে রাখতে পারে না তাই এবার গরু হিটে আসলে দেশী সার দিয়ে চেষ্টা করতে হবে। অথবা নিকটস্থ পশু হাসপাতাল থেকে কৃত্রিম প্রজনন করে নিতে পারেন।
9*সমস্যা: গরূর খুরায় ফোসকা পড়ে,ছড়িয়ে পরে সারা গায়ে, গা এর মত হয় এর করনীয় জানাবেন
*সমাধান: আক্রান্ত গরুকে রোদযুক্ত জায়গায় নিয়ে পভিসেট তুলা দিয়ে পরিষ্কার করে সুমিটভেট পাউডার পেস্ট করে সকালে ও বিকালে লাগাতে হবে।
*সমাধান: কাচা ঘাস এবং দানাদার খাবার যেমন দিন।

13/04/2021

বিফ ফ্যাটেনিং বা গরু মোটাতাজা কি ভাবে করবেন? আসুন,সোজাসাপটা রাস্তা দেখিয়ে দেই!
------------------ ------------------ ------------------
অনেকেই গরু মোটাতাজা করণ বা বিফ ফ্যাটেনিং করার জন্য সহজ একটা গাইডলাইন খুঁজে থাকেন। আজকের এই পোস্টে আমি সেটাই দিয়ে দিচ্ছি এবং অবশ্যই সেটা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে!
বিফ ফ্যাটেনিং বা গরু মোটাতাজা করণ একটা শিল্প। এটা সম্পূর্ণই কৌশল ভিত্তিক। আপনি যদি মোটাতাজা করণের কৌশল গুলি না জানেন তাহলে যতই ভালো জাতের গরু নির্বাচন করেন বা গরুকে খাওয়ান না কেনো আপনি ভালো ফলাফল আশা করতে পারবেন না। আর এইসব কৌশল গুলি আহামরি কিছু নয়। তবে ভালো ফ্যাটেনিং ফার্মার হতে চাইলে আপনাকে অন্তত কিছুটা হলেও গরুর রোগ-বালাই সম্পর্কিত জ্ঞান,গরুর খাদ্য উপাদান গুলির পুষ্টিমান, বিভিন্ন গরুর জাতের বৈশিষ্ট্য , বাজার ব্যবস্থা ইত্যাদি সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে বা ধারণা নিতে হবে। যাক, এবার মূল আলোচনায় আসি।
আমি গরুর আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে তেমন বিশদ আলোচনায় যেতে চাই না, শুধু বলবো গরুর ঘর বা শেড টা যাতে উত্তর-দক্ষিণ মুখী এবং ঘরের মেঝের ঢাল যাতে ঠিক থাকে যাতে ঘরে পানি না দাঁড়ায় এবং শুকনো থাকে। তাছাড়া গরুর ঘরটি যাতে কিছুটা হলেও রোদ পায় এবং ঘরের ভিতরটা যাতে স্যাঁতসেতে না থাকে।
এতোটুকু হলেই চলবে!
এবার আসি কি ধরণের গরু আপনি মোটাতাজা করার জন্য বাছাই করবেন সেই বিষয়ে। এই ক্ষেত্রে আপনি বড় ফ্রেমের দেশাল বা দেশী ষাঁড় এবং বলদ,সিন্ধি-শাহীওয়াল ক্রস,শাহীওয়াল ক্রস,শাহীওয়াল, শাহীওয়াল-ফ্রিজিয়ান ক্রস,দেশী-ফ্রিজিয়ান ক্রস,ফ্রিজিয়ান,জার্সি-শাহীওয়াল ক্রস এসব জাতগুলি বেছে নিতে পারেন মোটাতাজা করার জন্য। গরু বাছাইয়ের সময় কিছু বিষয়ের প্রতি অবশ্যই নজর রাখবেন,
১। গরুর ফ্রেম বা খাঁচা জাতে বড় হয়।
২। গরুর চোখ উজ্জ্বল ও নাক জাতে ভেঁজা থাকে।
৩। গরুর অস্থি-সন্ধি বা পায়ের গিঁড়া এবং লেজের গোঁড়া যাতে মোটা হয়।
৪। গরুর মুখ যাতে বেঁটে থাকে এবং মাথা বড় হয় এবং গরুটি যাতে ২৪-৩০ মাস বয়সের অথবা দুই বা চার দাঁতের হয়।
৫। গরুর পৃষ্ঠদেশ এবং বুক বা শিনা যাতে প্রশস্ত থাকে।
৬। গরুর খুর যাতে অশ্ব-খুর সদৃশ হয় এবং পিছনের পা দুইটি যাতে একটি আরেকটির সাথে লেগে না থাকে দাঁড়ানো অবস্থায়।
৭। সর্বোপরি গরুটি এমন হতে হবে যাতে গরুর পাজরের হাঁড় দৃশ্যমাণ হয়,গায়ে মাংস কম থাকে এবং আপাত দৃষ্টিতে গরুটি নিরোগ মনে হয়।
জাত যেটাই হোক, মোটামুটি উপরের বৈশিষ্ট্য গুলি থাকলেই সেই গরুটা মোটাতাজা করে লাভবান হওয়া যাবেই। তবে জাতের বোশিষ্ট্য থেকে আমরা আরো বেশী ফলাফল লাভ করতে পারি।এই জন্য জাত বিচার করে গরু মোটাতাজা করার জন্য সংগ্রহ করলে আরো বেশী লাভবান হওয়া যায়!
এবার আসি গরু খামারে সংগ্রহ করে আনার পর আপনি কি কি করবেন সেই বিষয়ে।
আপনি যদি গরু কোনো গৃ্হস্থ্যের ঘর থেকে সংগ্রহ করেন তাহলে সেটাকে ভালো ভাবে পটাশের পানি দিয়ে পরিষ্কার করে আপনার গোয়াল ঘরে প্রবেশ করিয়ে দিবেন। কিন্তু যদি হাট থেকে গরু সংগ্রহ করেন তাহলে সেটাকে পটাশের পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে গোয়াল ঘর বা শেডে প্রবেশ করাবেন। এরপর পানিতে কিছু ইলেক্ট্রোলাইট বা স্যালাইন মিশিয়ে গরুকে খেতে দিবেন। যদি দূর থেকে গরু পরিবহন করে আনেন তাহলে গরুকে তার লাইভওয়েট অনুযায়ী ফাস্টভেট বা প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাইয়ে দিবেন যাতে ব্যাথা বা ব্যাথা থেকে সৃষ্ট জ্বরের উপশম হয়। পানি কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত পরিমাণে খেতে দিবেন না প্রথমেই। পানি খাওয়ানোর ১/২ ঘন্টা পরে খড় বা কাঁচা ঘাস অল্প পরিমাণে খেতে দিবেন গরুকে। এর ঠিক ৬-৮ ঘন্টা পর দানাদার খাদ্য খেতে দিবেন।
★গরু গোয়ালঘরে প্রবেশ করানোর ঠিক ৩ দিন পর গরু যদি সুস্থ থাকে তাহলে FMD বা ক্ষুরা রোগের ভ্যাক্সিন দিয়ে দিবেন প্রত্যেকটা গরুকে। এর ঠিক একসপ্তাহ পর কৃমিনাশক ওষুধ দিয়ে দিবেন প্রতিটা গরুকে।নিয়মমাফিক লিভার টনিক দিবেন কৃমিনাশক ওষুধপাতি দেয়ার পর। কৃমিনাশক ওষুধ দেয়ার ঠিক তিন দিন পর গরুকে ক্যাটাফজ বা ভিটাফজ অথবা এমাইনোভিট জাতীয় ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী ইঞ্জেকশন দিবেন গরুর লাইভওয়েট অনুযায়ী নির্দেশিকা অনুসারে। এই ইঞ্জেকশন দেয়ার ঠিক ছয় দিন পরে এন্থ্রাক্সের (Anthrax) টিকা এবং দুয়েকদিন আগেপিছে করে আইভার ম্যাক জাতীয় বহি ও অন্ত পরজীবির জন্য ইঞ্জেকশন দিয়ে দিবেন চামড়ার নীচে ওষুধ কোম্পানির নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিমাণে। প্রথমবার ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী ইঞ্জেকশণ দেয়ার ১৫ দিন পর আবার ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী ইঞ্জেকশন রিপিট ডোজ করবেন এবং এর পর প্রতি মাসে সেটা রিপিট ডোজ করবেন। মনে রাখবেন প্রচুর পরিমাণে কাঁচা ঘাস থাকলে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী ইঞ্জেকশন তেমন একটা প্রয়োজন পরে না। তবে এই চার মাস সময় কালের মধ্যে অন্তত দুইবার এডি৩ই ইঞ্জেকশন টা দিলে গরুর আকৃতি কিছুটা হলেও বাড়ে!
★প্রথম প্রথম গরুকে দানাদার খাদ্য যখন পরিবেশন করবেন তখন সেটার পরিমান আস্তে আস্তে বাড়াবেন। গরু গোয়ালঘরে প্রবেশ করানোর ১ সপ্তাহের মধ্যে গরুকে তার দৈহিক ওজন বা লাইভওয়েট অনুযায়ী খাদ্য প্রদান করবেন যতটুকু পরিমান নির্দিষ্ট করা থাকবে!
আমি সাধারণত ৪ মাসের স্লট বা ভাগে যেসব গরু মোটাতাজা করে থাকি তাদের জন্য তিনটি পর্যায়ে দানাদার খাদ্যের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেই। আমি নীচে পয়েন্ট আকারে পর্যায় গুলির নাম এবং সেই সময় গরু কতটুকু করে দানাদার খাদ্য পাবে সেগুলি উল্লেখ করে দিচ্ছি।
★স্টার্টার লেভেলঃ আমি প্রথম মাসকে স্টার্টার লেভেল ধরি৷ এই সময়ে গরুকে ১০০ কেজি লাইভওয়েটের জন্য ১ কেজি সুষম দানাদার খাদ্য সরবরাহ করবেন সাথে ৪ কেজি কাঁচা ঘাস এবং ১ কেজি ভিজানো ছোটো ছোটো আকারে কাটা খড় যেটা সামান্য চিটাগুড় দিয়ে মেশানো থাকবে।
★গ্রোয়ার লেভেলঃ গ্রোয়ার লেভেলের ব্যাপ্তিকাল হলো দুই মাস। এই সময়ে গরুকে ১০০ কেজি লাইভওয়েটের জন্য ১.২৫ কেজি সুষম দানাদার খাদ্য সরবরাহ করবেন সাথে ৪ কেজি কাঁচা ঘাস এবং ১ কেজি ভিজানো ছোটো ছোটো আকারে কাটা খড় যেটা সামান্য চিটাগুড় দিয়ে মেশানো থাকবে।
★ফিনিশার লেভেলঃ ফিনিশার লেভেলের সময়কাল হলো একমাস। এই মাসেই গরুকে বাজারে বিক্রয় উপযোগী করে ফেলতে হবে। এই সময়ে গরুকে ১০০ কেজি লাইভওয়েটের জন্য ১.৫ কেজি সুষম দানাদার খাদ্য সরবরাহ করবেন সাথে ৪ কেজি কাঁচা ঘাস এবং ১ কেজি ভিজানো ছোটো ছোটো আকারে কাটা খড় যেটা সামান্য চিটাগুড় দিয়ে মেশানো থাকবে। এই সময়ে গরুর দানাদার খাদ্যে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ একটু বাড়িয়ে দিতে পারেন যদি কোরবানি মৌসুম সামনে থাকে। কারণ, গরুর বাহিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এই সময়ে গরুর শরীরে একটু চর্বি যোগ করতে হয় এবং অনেকেই সেটা চায়! আবার গরুর স্বাস্থ্য যদি পেটানো বা মাংসল চান, তাহলে আবার এই কাজটা করা যাবে না!
★এইবার আসি গরুর দানাদার খাদ্যের তালিকা কেমন হবে সেটা নিয়ে। আমি দুইটা তালিকা দিচ্ছি নীচে। একটা আমি বর্তমানে ফলো করছি, আরেকটা আগে ফলো করতাম। তবে বর্তমানে যেটা আমি ফলো করছি সেটা সাশ্রয়ী এবং এর ফলাফল ভালো। অনেকে গরুর খাদ্য তৈরীতে ঝামেলা করতে চান না, তাদের জন্য দ্বিতীয় তালিকাটি। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের উপর কে কোনটা অনুসরণ করবেন!
*১ নং খাদ্য তালিকাঃ
------------------ ------------------
ঈস্ট ফারমেন্টেড ভুট্টার গুড়া ৫০%
কুরা ১৫%
ফারমেন্টেড এংকর বা মটর ডালের গুঁড়া ২০%
মশুরির ভুষি ৮%
সরিষার খৈল ৫%
লাইমস্টোন পাউডার ২%
----------------------------------------------
মোট ১০০%

*২ নং খাদ্য তালিকাঃ
------------------ ------------------
ভুট্টার গুড়া সিদ্ধ করা ৪০%
এংকর ডালের গুড়া সিদ্ধ করা ২০%
মশুরের ভুষি ১০%
গমের ভুষি ১০%
সরিষার খৈল ৫%
মিহি কুরা ১৩%
লাইমস্টোন পাউডার ২%
--------------------------------------------------
মোট ১০০%
এছাড়াও প্রতিটি গরুকে মাথাপিছু ১০০-১৫০ গ্রাম চিটাগুড় এবং ২৫/৩০ গ্রাম লবণ দানাদার খাদ্যের সাথে মিশিয়ে দিবেন।
যদি আপনাদের কাছে কাঁচা ঘাস না থাকে সেই ক্ষেত্রে ১০০ কেজি লাইভওয়েটের গরুর জন্য দৈনিক ১.৫ কেজি খড় প্রসেস করে দিবেন। কিভাবে প্রসেস করবেন সেটা সংক্ষেপে বলে দিচ্ছি আমি। ১০ কেজি খড়ে ২ কেজি ফারমেন্টেশন করা ভুট্টা ৩-৪ লিটার পানি এবং ৫০০ গ্রাম চিটাগুড় মিশিয়ে মোটা পলিব্যাগের মধ্যে এয়ারটাইট করে ৪৮ ঘন্টা রেখে দিন। এর পর সেটা বের করে গরুকে খেতে দিন। খুব ভালো ফল পাবেন এতে।
মাঝেমধ্যে গরুকে জিংক সাপ্লিমেন্টারী দিতে পারেন যাতে গরুর গায়ের রং সুন্দর হয় এবং তার খাদ্য চাহিদা যাতে বাড়ে।
কাহিনী আর লম্বা করতে চাচ্ছি না। মোটামুটি এইভাবে আপনি অনায়াসে গরুকে স্বল্প সময়ে মোটাতাজা করে বাজারে বিক্রয় উপযোগী করে তুলতে পারেন। আরেকটা কথা গরু পালনের সময় যদি গরুর দৈহিক ওজন নিয়মিত সপ্তাহান্তে রেকর্ড করতে পারেন তাহলে লাভ-লসের ধারণাটা মাথায় থাকবে আপনার। কাজেই সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতেও আপনার সুবিধা হবে।
আজ আলোচনা এতোটুকুই। পোস্ট পড়ার সময় বোঝার চেষ্টা করবেন,একান্তই না বুঝলে কমেন্ট করবেন। কোনো ধরণের বিতর্কে যাবেন না,পোস্ট পছন্দ না হলে এড়িয়ে যাবেন। এটা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে দেয়া পোস্ট,দ্বিমত থাকতেই পারে! কিন্তু আমি কোনো ধরনের তর্ক বা বিতর্কে যাবো না!
.

05/10/2020

আইডিয়া জেনারেটিং (পার্ট - ০১)
------------------------------------
১২টি পাত্র, যেখান থেকে আপনি অসংখ্য নতুন আইডিয়া পাবেন!!
একজন সাধারণ মানুষ উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাইলে প্রথমেই যে সমস্যার মুখোমুখি হন তা হচ্ছে আইডিয়ার অভাব। উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও অফলাইন মিটিং সবখানেই এই প্রশ্নটা বারবার উঠে আসে।
আমি উদ্যোক্তা হতে চাই, কি নিয়ে কাজ করা যায় বলুন? আমার কাছে এই পরিমাণ টাকা আছে, বিনিয়োগ করতে চাই, কোন খাতে বিনিয়োগ করতে পারি? এই প্রশ্ন আমি সবচেয়ে বেশি শুনি এবং ফেসবুকেও দেখি। তাই ভাবলাম এই বিষয়ে আমি যতটুকু জানি তা যদি আপনাদের সাথে শেয়ার করি তাহলে আপনারা হয়তো নতুন কিছু আইডিয়া খুঁজে পেলেও পেতে পারেন।
আজ আলোচনা করবো ১২টি এমন ক্ষেত্র নিয়ে যে ক্ষেত্রগুলো থেকে আপনি অসংখ্য আইডিয়া খুঁজে নিতে পারবেন।
01. আগ্রহের ক্ষেত্র (Self Interest / Passion): যে কাজ করতে আপনি ভালোবাসেন সেটাই হতে আপনার উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতার শীর্ষে ওঠার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম।
02. সামাজিক সমস্যা(Social Problems): ভালোভাবে সামাজিক সমস্যার দিকে নজর দিন অসংখ্য দুর্দান্ত আইডিয়া পেয়ে যাবেন।
03. ব্যাপক জনচাহিদা (Public Demand): মানুষ এই মুহুর্তে কি চায়? বোঝার চেষ্টা করুন। আশা করি আইডিয়ার অভাব হবে না।
04. আমদানি (Import Something): আপনার এলাকায় চাহিদা থাকলেও উৎপাদনের কোন সুযোগ নাই এমন পণ্য আমদানি করুন।
05. নতুনত্ব আনয়ন (Innovative Something): স্থানীয় কোনো পণ্য বা সেবা নির্বাচন করে সেখানে নতুনত্ব নিয়ে আসুন যা আগের পণ্য বা সেবায় ছিলো না।
06. স্থানীয় সম্পদ(Local Resources): আপনার এলাকায় সহজলভ্য কিন্তু অনেক জায়গায় খুব চাহিদা এমন পণ্য বা সেবা চিহ্নিত করুন। স্থানীয় সম্পদ কাজে লাগান।
07. জীবন ব্যবস্থা (Making life easier): মানুষের জীবন কে সহজ, সুন্দর ও উপভোগ্য করতে এগিয়ে আসুন। উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
08. বৃত্তের বাইরে ভাবুন (Think outside the box): এমন কিছু করুন যা অন্য কেউ করেনি এখনও।
09. ভ্রমণ (Travel a Lot): ব্যবসায়ীক এলাকা সহ নানান জায়গায় ঘুরতে যান। চোখ কান খোলা রেখে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করলে আপনি অনেক আইডিয়া পেতে পারেন।
10. বর্তমান সীমাবদ্ধতা (Examine old Mousetraps): বাজারে বিদ্যমান পণ্য ও সেবার সীমাবদ্ধতা কে সম্ভাবনায় রুপান্তর করুন।
11. বই পড়া (Read more books): বই পড়ার চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না আইডিয়া খুঁজে পেতে।
12. অন্তুর্জালের দুনিয়া (Internet -Search Online): কোনো কিছুতেই কিছু না হলে অনলাইনে সার্চ করুন যা মনে আসে খুঁজে বের করুন এমন এক আইডিয়া যা আপনার দুনিয়া বদলে দেবে। copied post

24/09/2020

যে তোমাকে গর্ভ ধারন করেছে সে গর্ভধারিণী মায়ের প্রতি কর্তব্য কর ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর।
– আল কুরআন

 #সবাইকে_এই_পোস্ট_পড়ার_জন্য_অনুরোধ_করছি 🙏🙏🙏🙏 #সতর্কতা_অবলম্বন_করুন সারাদেশের প্রায় গ্রাম অঞ্চলের বাজারে, মহল্লায় ভেনগাড়ি...
24/09/2020

#সবাইকে_এই_পোস্ট_পড়ার_জন্য_অনুরোধ_করছি 🙏🙏🙏🙏

#সতর্কতা_অবলম্বন_করুন
সারাদেশের প্রায় গ্রাম অঞ্চলের বাজারে, মহল্লায় ভেনগাড়িতে নিয়ে অনায়াসে বিক্রি করা হচ্ছে এই বিষাক্ত #পিরানহা_মাছ'টি, যা কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।অনেকে ূপচাঁদা বলে বিক্রি করছে।
িঃদ্রঃ- অনুরুধ এই মাছ ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। যদি সম্ভব হয় এই মাছ বিক্রিতাকে #পুলিশের কাছে সোপর্দ করুন। কারণ এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত মাছ। এটি শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর সকল দেশের সরকার কতৃক ক্রয় ও বিক্রিয় করা নিষিদ্ধ। আপনি সচেতন হউন অন্য কেউ সচেতন করুন।

#কপি

17/09/2020

*** বর্তমানে ১০টি অভ্যাস আপনাকে বাড়তি সময় বের করে দেবে ***

সময় তো থেমে থাকবেই না, বরং চলে গেলে তার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। ২৪ ঘণ্টায় একটি দিন চলে যায় এবং ১৬৮ ঘণ্টা পেরোলেই একটি সপ্তাহ নেই। সময়ের এই হিসেব কখনো বদলায় না। ব্যস্ততার মধ্যেই এই নির্দিষ্ট সময় থেকে সময় বের করে নেওয়ার জন্য কিছু বু্দ্ধি খাটাতে হবে। নির্দিষ্ট কিছু কাজকে অভ্যাস করে নিন। তাহলে নিয়মিত সময় বাঁচাতে পারবেন।

১. সময় খরচের তালিকা বের করুন
সময় বাঁচাতে হলে কোন কোন খাতে সময় ব্যয় করছেন তার আসল হিসেবটি বের করুন। প্রতি ঘণ্টা কোথায় কী কী কাজে যাচ্ছে তার তালিকা করুন। সেখান থেকে কোন কাজগুলোতে অতিরিক্ত সময় দিচ্ছেন তা বোঝার চেষ্টা করুন। এক ভদ্রলোক প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা করে সময় দেন পত্রিকা পড়ার কাজে। তার উদ্দেশ্য হলো, প্রতিদিনের খবরে একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া। শুধুমাত্র চোখ বুলিয়ে নিতেই তিনি সপ্তাহে সাত ঘণ্টা ব্যয় করছেন।

২. প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐচ্ছিক কাজের তালিকা করুন
করতেই হবে এমন কাজগুলো পৃথকভাবে তালিকাবদ্ধ করুন। এবার এই কাজগুলো প্রতিদিন নিয়মমাফিক করে ফেলার পরিকল্পনা করে ফেলুন। চেষ্টা করবেন পুরো ঝরঝরে মন নিয়ে কাজগুলো করতে। এর পাশাপাশি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন কাজের তালিকা করে সেগুলো করার সময় বেঁধে নিন।

৩. সকালে ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠুন
প্রতিদিন যে সময়ে ঘুম থেকে উঠে থাকেন তার চেয়ে ১৫ মিনিট আগে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে সপ্তাহে ছয় দিনের কর্মদিবসে ৯০ মিনিট সময় বের হবে আপনার। মাত্র ১৫ মিনিটের এই বাড়তি সময়টুকুতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল দেখে নেওয়া বা ফোন করার মতো কাজ সেরে ফেলতে পারেন।

৪. ইন্টারনেট ব্যবহারের সময়সূচি করে নিন
প্রতিদিনের কাজে এবং অবসরে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময়ের তালিকা করে নিন। কতোবার ছোটখাটো কাজে ইন্টারনেটে ঢুকছেন হিসেব করে বের করুন। কয়েকবার মাত্র চট করে খেলার স্কোর বা শেয়ার দর দেখার কাজটি করলেও আপনার অন্তত ১৫ মিনিট সময় খরচ হয়।

৫. পরিকল্পনা
প্রতি সপ্তাহের শুরুতে মোবাইলের টু-ডু লিস্টে কাজের তালিকা সেভ করে রাখুন। এবার দিনের শেষে পরদিনের কাজের তালিকা ঠিক করে ফেলুন।

৬. ই-মেইল ও সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট করুন
এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে তো তথ্য চুরির সম্ভাবনা থেকে যায়, তার ওপর অহেতুক এসব জায়গায় বারবার ঢুঁ মারাতে সময়ের অপচয় হয়।

৭. অন্যভাবে চিন্তা করুন
আমি অনেক ব্যস্ত বা অন্য কিছু করার সময়ই পাই না- এসব চিন্তা অহেতুক উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তাই চিন্তাকে একটু বদলে ফেলুন। এভাবে ভাবতে পারেন, আমি প্রতিদিনের কাজগুলো ঠিকমতো করবো অথবা আমার সব কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে হবে।

৮. কাজের ক্ষেত্রগুলো একত্র করার চেষ্টা করুন
যদি আপনার বাইরে দৌড়াদৌড়ির কাজ বেশি করতে হয় অথবা করার প্রয়োজন পড়ে, তবে এমনভাবে করার চেষ্টা করুন যেনো সব কাজকে এক জায়গায় আনা যায়। যদি এক দিনে দুই-তিনটি অ্যাপয়েনমেন্টের কাজ থাকে এবং স্থান নির্ধারণের সুযোগ থাকে তবে তা এক স্থানে করার চেষ্টা করুন।

৯. বিশেষ কাজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন
প্রতিদিনের সাধারণ কাজের মধ্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ কাজ চলে আসতে পারে। ভেবে দেখুন তা করাটা জরুরি নাকি এড়িয়ে চলা যায়? সাধারণ কাজ শেষ করে বাড়তি সময় কী পাওয়া যাবে এই কাজটি করার জন্য? এসব প্রশ্নের জবাব বের করে তার পর সিদ্ধান্ত নিন।

১০. চারপাশ পরিষ্কার এবং গোছানো রাখুন
যে টেবিলে বসেন তা পরিষ্কার এবং গুছিয়ে রাখুন। বাড়িতে রুমটি গুছিয়ে রাখুন। চোখে দৃশ্যমান স্থানগুলো গোছানো থাকলে আপনার মস্তিষ্কও পরিষ্কার-গোছানো থাকবে। collected.

Address

Shothibari
Mithapukur
5460

Telephone

+8801738505386

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Omar Faruqe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share