12/01/2022
লাল চালের ভাত, নাকি সাদা ভাত, কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ভাত ছাড়া বাঙালি অচল, একথা বললে বোধ হয় বাড়িয়ে বলা হবে না। কারণ সারা দিনে এটা-সেটা যাই খান না কেন, ভাত না খেলে যেনো মনে হয়, কিছুই খাওয়া হয়নি। অনেকেই বলেন, ভাত যদি খেতেই হয়, তবে লাল চালের ভাত খাবেন।
একটা সময় ছিল যখন লাল চাল কেবল নিম্নআয়ের মানুষের খাবারের তালিকায় ছিল। আর এই লাল চাল খেয়েই নিম্ন আয়ের লোকজন সুস্থ-স্বাভাবিক, বলা চলে নীরোগ জীবনযাপন করতেন। সময়ের পালা বদলে এখন মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা অনেক বেশি স্বাস্থ্য সচেতন। তাই স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসাবে অনেকেই খাবার তালিকায় লাল চাল যোগ করছেন।
তাহলে লাল চাল কি সাদা চালের চেয়ে ভালো?
কেন খাবেন লাল চাল। জেনে নিন লাল চালের ভাত ও সাদা চালের ভাতে যত তফাৎঃ
লাল চালে থায়ামিন ০.৬ মিলি গ্রাম, সাদা চালে থায়ামিন ০.১ মিলি গ্রাম। লাল চালে রিবোফ্লাভিন ০.১৪ মিলি গ্রাম, সাদা চালে রিবোফ্লাভিন ০.০৬ মিলি গ্রাম।লাল চালে নায়াসিন ৫ মিলি গ্রাম, সাদা চালে ২ মিলি গ্রাম। লাল চালে ভিটামিন বি ৫ ১.৩ মিলি গ্রাম আর সাদা চালে ০.৭ মিলি গ্রাম। সাদা চালে আয়রন ২.২ মিলি গ্রাম, লাল চালে আয়রন ৪.৭ মিলি গ্রাম। সাদা চালে সোডিয়াম ৬.৫ মিলি গ্রাম, ১৩ মিলি গ্রাম। লাল চালে ম্যাঙ্গানিজ ৩.২ মিলি গ্রাম আর সাদাতে ২.৫ মিলি গ্রাম। লাল চালে ম্যাগনেশিয়াম ১৩৩ মিলি গ্রাম আর সাদাতে ১২ মিলি গ্রাম। পটাশিয়াম ৩২০ মিলি গ্রাম হচ্ছে লালে, সাদাতে ১২০ মিলি গ্রাম। ভিটামিন-ই ২ মিলি গ্রাম লাল চালের ভাতে, সাদাতে০.৩ মিলি গ্রাম। এবং সাদা চালের ভাতে ৭ মাইক্রো গ্রাম সেলেনিয়াম থাকে। পক্ষান্তরে লাল চালের ভাতে সেলেনিয়াম থাকে ৭৮ মাইক্রো গ্রাম।
কেন খাবেন লাল চাল লাল চালে প্রচুর অ্যানথোসায়ানিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা শরীরে প্রদাহ ও অ্যালার্জি কমায়। পাশাপাশি ক্যানসারের ঝুঁকি এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও সাদা চালের চেয়ে লাল চালের ভাতই ভালো।লাল চালে রয়েছে সেলেনিয়াম। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।আর পলিশ করা সাদা চালে খুবই সামান্য পরিমাণে সেলেনিয়াম থাকে। লাল চালে যে পরিমাণ আয়রন রয়েছে তা রক্ত শূন্যতায় ভোগা মানুষের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে। লাল চাল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও খুব উপকারী। হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে সাহায্য করে লাল চাল। এ জন্য আবার তিনবেলা প্লেট ভরে লাল চালের ভাত খেলে কিন্তু হবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যেটুকু সাদা ভাত খাওয়া প্রয়োজন সেটুকু লাল চালের ভাত খেতে পারেন।
চাল পাঠানোর আগে প্রতিটি বস্তার চালের মান পরীক্ষা করা হয়।তাই কোয়ালিটি নিয়ে থাকুন নিশ্চিন্ত।
*****সিদ্ধ লাল চাল*****
# জামিল ফুল ফাইবার (লাল চাল-১০৫ টাকা কেজি)।
# বাঁশ ফুল হাফ ফাইবার (লাল চাল ১২০ টাকা কেজি)
# বিরই ফুল ফাইবার (লাল চাল ১২৫ টাকা কেজি)
# বিরই হাফ ফাইবার (লাল চাল-১১০ টাকা কেজি)।
# আমন হাফ ফাইবার (লাল চাল-৯০ টাকা কেজি)।
# টেপি বোর হাফ ফাইবার (লাল চাল ১০০ টাকা কেজি)।
# বিন্ন ধানের ফুল ফাইবার (লাল চাল ২২০ টাকা কেজি)
# বিন্ন ধানের সাদা চাল (২১০ টাকা কেজি)।
***টেপি বোরো / বাঁশ ফুল চাল***
প্রবাদ আছে- টেপি বোরো চালের ভাত খেলে ক্ষুধা লাগার উপায় নেই। এর মানে হলো, এ চালের ভাত লম্বা সময় ধরে শক্তির জোগান দেয়।
# টেপি বোরো / বাসফুল চাউল- ৮০ টাকা কেজি।
***সিদ্ধ সাদা চাল***
# মিনিকেট-৭০ টাকা কেজি৷
# বাসমতি-৭৫ টাকা কেজি।
# কাটারিভোগ-৯০ টাকা।
# সিদ্ধ কাটারি-৭০ টাকা কেজি।
# সুগন্ধি কাটারি-১১৫ টাকা কেজি।
# কাটারি নাজির-৭৮ টাকা কেজি।
# সুগন্ধি নাজির-১১০ টাকা কেজি।
# ২৮ চাল- ৫৮ টাকা কেজি।
# পাইজাম-৬২ টাকা কেজি৷
# নাজিরশাল-৯০ টাকা কেজি৷
***আতব সুগন্ধি চাউল***
# কাটারি আতব সুগন্ধি চাউল-১২০ টাকা কেজি।
# কালিজিরা আতব সুগন্ধি চাউল- ১২৫ টাকা কেজি।
অর্ডার করতে মেসেজ করুন অথবা ফোন 01716094835.
আমরা পুরো ঢাকা সিটির মধ্যেই হোম ডেলিভারি দিচ্ছি। ঢাকার বাইরে কন্ডিশনে কুরিয়ার অফিস পর্যন্ত।
ডেলিভারী বা কুরিয়ার চার্জ:
# ২৫ কেজি - ১৫০ টাকা।
# ৫০ কেজি - ২০০ টাকা।