কারুলতা

কারুলতা crafts and plants

💠শ্বশুরবাড়ি র প্রকার ভেদ........ বিয়ের পর‌ ৯০-৯৫%  মেয়েদের same problem face করতে হয়.... সেই চিরাচরিত শ্বশুড়বাড়ি ত...
15/10/2024

💠শ্বশুরবাড়ি র প্রকার ভেদ........
বিয়ের পর‌ ৯০-৯৫% মেয়েদের same problem face করতে হয়.... সেই চিরাচরিত শ্বশুড়বাড়ি তে adjustment problem....
আমাদের চারপাশে আমরা অনেক রকম শ্বশুরবাড়ি দেখে থাকি.... আজ তাদের কয়েকটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করবো....

🔹১. জুরাসিক ওয়াল্ড টাইপ....
যেখানে প্রতি মুহূর্তে বৌমার দোষ ধরে খুবলে খাবার জন্য...টিরেক্স, রেপ্টার, ভেলোসিরেপ্টর রা (পড়ুন শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ/দেওর রা...) ওৎ পেতে বসে আছে.... যেখানে বর বাবাজীবন সাধারণত নিরীহ তৃণভোজী ডাইনোর রোল প্লে করে থাকেন...😑

🔹২. রানু মন্ডল টাইপ.....
কথায় কথায় বৌয়ের বাড়ির নামে উল্টো পাল্টা বলে মজা পান... কিসের এতো অহংকার বাকি দুনিয়ার আর কেউ বুঝুক চাই না বুঝুক... "ওনারা তো জানেন ওনারা আসলে কি..." 😤

🔹৩. মালী টাইপ বা পরান দাদু টাইপ....
এনারা বেশ ভালো... জানেন, এক যায়গা থেকে গাছ তুলে এনে অন্য যায়গায় বসালেও তো তার সেখানে শেকড় গেড়ে বসতে গেলেও সময় লাগে...! তাই এরা অনবরত "ভালো হয়েছে, কিন্তু আরো ভালো করতে হবে..." মোডে চলেন... 😊

🔹৪. নির্বিকার টাইপ...
" ছেলে বড়ো হয়েছে, বিয়ে দিয়েছি... বাকি তোমাদের সংসার তোমরা বুঝে নাও... যাই হোক ছাতা মাথা... হামারা কুছ নেহি যাতা... যাদা প্যার হো যাতা... তো হাম সহ নেহি পাতা..." এনারা সব পরিস্থিতি তেই অর্জুন কপুরের মতো expression less থাকা পছন্দ করেন....

🔹৫. প্রাইভেট কোম্পানী টাইপ...
Employee দের (পড়ুন বৌদের ) কিভাবে যতটা সম্ভব বেশী খাটিয়ে, যতটা সম্ভব কম ছুটি দেওয়া যায়... সারাদিন এই চিন্তায় মগ্ন থাকেন.... এছাড়াও "বরের সাথে বেশি কথা বোলো না...", "নতুন বৌ এর এতো হাসি ভালো না", "এটাও শিখে আসোনি" এসব অ্যালিগেশন বাবদ ছুটি কাটা হয় বা ওভার টাইম করানো হয়...

🔹৬. আবহাওয়া দপ্তর টাইপ....
এই ধরনের শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে "বাবু তুই বদলে যাচ্ছিস্ " জাতীয় পূর্বাভাস, "তুইতো বৌ এর গোলাম হচ্ছিস" জাতীয় কমলা সতর্কতা, সাথে "তুই আর আমাকে পাত্তাই দিস্ না" জাতীয় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়, কোনও কোনও জায়গায় অতিভারী বৃষ্টি বা ঝড়ের সম্ভাবনাও থাকে.....

🔹৭. Big Boss শ্বশুরবাড়ি...
এই ক্ষেত্রে বৌমাকে বসে থাকতে দেখলেই বাড়ির সবার "কাজ পায়".... ঐ যেমন সবার "ক্ষিদে পায়", "হিসু হাগু পায়".... এটাও ওরকম.... Big Boss এর মতো একের পর এক টাস্ক দেওয়া হয়, এবং cctv র মতো চারদিকের থেকে নজরদারি করা হয়.... এবং অনবরত কূটকাচালি চলে...

৮. কুরকুরে শ্বশুরবাড়ি....
বিশেষ কিছু বলার নেই.... "টেরা হ্যায়.... পর মেরা হ্যায়...." 😜

💠আপাতত এই কটাই বললুম.... এছাড়াও আরো অনেক রকম permutation combination থাকতে পারে....
দেখুন.... এই ৯০-৯৫% মেয়েরা নিজেদের বাড়ি, মা বাবাকে ছেড়ে অন্য একটা নতুন বাড়িতে যায়, নিজের ১০০% দিয়ে adjust করার চেষ্টা করে.... অন্যের বাবা মা কে আপন করার চেষ্টা করে.... আপনারাও‌ একটু adjust করুন, সহযোগিতা করুন.... দোষ তো‌ মানুষ মাত্রেই হয়....!! দোষ না ধরে, ভালোবেসে শোধরানোর উপায় বলে দিন....শিখিয়ে পড়িয়ে আপন করে নিন্.... After all আপনাদেরই তো আজীবন এক সাথে থাকতে হবে...নাকি...??!!
আর নইলে আপনার বাবুর জন্য ভালো দেখে একজন সুন্দর, সুশ্রী, সর্বগুণে সম্পূর্না, perfect Alien 👽 খুঁজে নিন্.... 🤓

© জিনিয়া রায় চক্রবর্তী
ছবি কালেক্টেড।

প্রতিবার আমি যখন কাউকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে দেখি, কি হাসিখুশি প্রাণবন্ত মেয়ে! যে হয়তো কখনো অভাব দ্যাখেনি, কখনো কর্কশ ভাষায়...
09/10/2024

প্রতিবার আমি যখন কাউকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে দেখি, কি হাসিখুশি প্রাণবন্ত মেয়ে! যে হয়তো কখনো অভাব দ্যাখেনি, কখনো কর্কশ ভাষায় কারো ধমক শুনেনি। অথবা হতে পারে নিজের বাড়িতে অনাদরে বড় হওয়া একটা মেয়ে একটা অচেনা ছেলের কথায় পুরো পৃথিবীর সুখকে পায়ে ছুড়ে দিয়ে চলে এসেছে একটু ভালোবাসার জন্য। একটা ভালো বাসার জন্য।

আমি ভাবতে থাকি....
এই লাল শাড়ি, ডিজাইনার লেহেংগা, কক্স কিংবা কাশ্মীরের হানিমুনটা সেরে ফেললেই পরের সপ্তাহেই যে একটা অদ্ভুত অচেনা অগ্নিপরীক্ষার শুরু হবে তার জন্যে, সেই পরীক্ষায় টিকে থাকার যুদ্ধে লড়তে থাকা এই হাসিখুশি বাচ্চা মেয়েটাকে পাঁচ বছর পর কেমন দেখবো?
আদো দেখবো?
নাকি দেখাও পাওয়া যাবেনা আর কখনো?
স্বামীর অফিস, বাবা-মার অসুস্থতা, বাচ্চাদের পরীক্ষার কথা বলে বান্ধবীদের দেখা সাক্ষাৎ এ এটেন্ড করতে পারবেনা, এক বছরে দুটো দিন নিজের জন্যে বের করার অবসর পাবেনা।
পৃথিবীতে টিকে থাকার এই বিচ্ছিরি প্রতিযোগিতায় সব মেনে নিতে নিতে আর সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিতে নিতে দশ বছর পর এই হাস্যোজ্জ্বল চোখদুটো কি জীবিত থাকবে?
নাকি আর দেখবো না কোনোদিন?
বিয়ের পর যেই মেয়েটা বাবার বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে যায়, সে কি আর কোনোদিন ফিরে আসে?
প্রতিনিয়ত নিজেকে ভেঙ্গে সেই ধ্বংসস্তুপের উপর আবার উঠে দাঁড়াতে হয়।
প্রতিবার বাবার বাড়িতে এলেই সবাই অবাক হয়ে যায়।
"আমাদের এইটুকুন মেয়েটা আজ কত্ত কিছু সামলাচ্ছে!"

এইটুকুন মেয়েটাকে কি আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়?
প্রতিরাতে সেই এইটুকুন মেয়েটা নিজেই নিজের জানাযা পড়ে কেউ কি জানে?
জানতে চায়?
আমি খুব খুব খুব ভাবি ওদের কথা।
প্রতিবার আমার মনে হয় এইটুকুন মেয়েটাকে শেষবার জড়িয়ে ধরি। পরেরবার আর পাবোনা ওকে। পরেরবার ও আসবে অমুকের বউ হয়ে৷
তমুকের ছেলের বউ কিংবা অমুকের মা হয়ে।
ওর নাম হবে তখন "বউমা/আম্মু/বউ"
খুব ইচ্ছা করে এইটুকুন মেয়েটার মিষ্টি নামটা ধরে বারবার ডাকি।

বিয়ে এমনই একটা পরীক্ষা।
সংসার মানেই আগুনপানির সাথে খেলা।
কেউ বলেনা।
কোনো প্রবেশনাল পিরিয়ড নেই। কোনো ডিসক্লেইমার নেই। নেই কোনো ট্রেইনিং। হুট করে ঘুম থেকে উঠে মনে হয় জীবন আর জীবনাদর্শ দুটোই বোধয় বদলে গেছে!

পৃথিবীর সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট মেয়েটা, সবচেয়ে ধনী বাবার মেয়েটা, সবচেয়ে দ্বীনি ঘরের মেয়েটা, সবচেয়ে গরীব ঘরের মেয়েটারও বিয়ের পর আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগতে হয়। মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ে, পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায়। দুই ঘন্টা রেস্টুরেন্টে হাত ধরে বসে থাকলেই কেউ কখনো বলতে পারে না সেই মানুষটা এক ছাদের নিচে বসবাস করার সময় কেমন সাপোর্ট দিবে। আদো দিবে কিনা তাও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনা। ভালো প্রেমিক মানেই ভালো স্বামী হবে, ভালো প্রেমিকা মানেই ভালো বউ হবে, তার কোনো গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।
এ যেন সাক্ষাৎ জুয়া খেলা!
যে জিতলো, সে ভাগ্যের জোরে জিতলো।
যে হারলো, সে কিন্তু আবার ভাগ্যের দোষেই হারলো।
লেখা ও ছবি কালেক্টেড।

ছবিটি এক বিদেশিনীর।নাম দিয়েছিলেন সম্ভবত rainbow hibiscus।আল্লাহ তাআলার কি অপরুপ সৃষ্টি।জবার যত্ন- আমি আমার কাছে থাকা ভ্...
03/10/2024

ছবিটি এক বিদেশিনীর।
নাম দিয়েছিলেন সম্ভবত rainbow hibiscus।

আল্লাহ তাআলার কি অপরুপ সৃষ্টি।

জবার যত্ন-
আমি আমার কাছে থাকা ভ্যারাইটিগুলোর আলোকে বলছি।
বেশিরভাগ দেশী বিদেশী বাগানীদের মতামতে জবার মিডিয়া তে এতো বেশি খাবার লাগে না ভালো ঝূরঝূরে মাটি সাথে পচা গোবর বা ভার্মি যেকোনো একটা দিলেই হবে। এরসাথে কয়লা দিতে পারলে আমার মনে হয়েছে শিকড় কম রোগাক্রান্ত হবে(যেটা হাইব্রিড জবা- পুনেজবা, অস্ট্রেলিয়ান জবা ইত্যাদির প্রধান সমস্যা)।টবের ক্ষেত্রে ড্রেনেজ সিস্টেম ভালো হতে হবে।
তেমন এক্সট্রা খাবার দরকার নেই, হাতের কাছে থাকলে খুব কম পরিমাণে দিলেই চলবে। ফুলের জন্য মাঝে মাঝে একটু সরিষার খৈল পঁচা পানি বা তা নাহলে কলা আর পেঁয়াজের খোসা পচা পানি দিলে ভালো হবে। এক/দুইমাসে দিতে পারলেই যথেষ্ট।
এইতো।
জবার অসুখ বিসুখ নিয়ে পরের পোস্টে লিখবো ইনশাআল্লাহ।

আপনি চাইলে মানুষ হয়তো আপনাকে ফুল দিয়ে মুড়িয়ে রাখবে। কিন্তু যার কাছ থেকে চান শুধু সেই মানুষটিই দেয় না, তার কাছেই আপনি অবহ...
29/09/2024

আপনি চাইলে মানুষ হয়তো আপনাকে ফুল দিয়ে মুড়িয়ে রাখবে। কিন্তু যার কাছ থেকে চান শুধু সেই মানুষটিই দেয় না, তার কাছেই আপনি অবহেলিত।
এজন্য হয়তো অভিযোগ করেন, জমে অভিমান...
কিন্তু জানেন তো?
অভিমান করতেও যোগ্য মানুষের প্রয়োজন হয়।
যোগ্য লোক ছাড়া আপনার অভিমান আর কষ্ট হয়ে যায় একপেশে। আর তাদের কাছে আপনি হয়ে যান "সাইকো"।
কালেক্টেড লেখা - tanji আপু।
ছবিও কালেক্টেড

02/09/2024
28/08/2024

***স্বামী কি এবং স্বামীর প্রকারভেদ জেনে নিন---------

দেশে প্রচলিত আইনানুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্কে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর সঙ্গে দাম্পত্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া প্রাপ্তবয়স্ক পুরষটিকে স্বামী বলে। একজন স্বামী তার স্ত্রী'র থাকা-খাওয়া, ভরণ-পোষণ, জৈবিক চাহিদা, মানবিক অধিকার, সামাজিক মর্যাদা, প্রচলিত আইনের বিধি নিষেধ, ঐতিহ্য-সংস্কৃতি,সমসাময়িক যুগোপযোগী দায়-দায়িত্ব পালনকারী হলো স্বামী।'ভালো স্বামী' আর 'খারাপ স্বামী' হিসাবে দুই ভাবে প্রচলিত থাকলেও বারো প্রকার স্বামী বর্তমান সমাজে বিরাজ করে। যথা----------------------------👇

(১) ব্যাচেলর স্বামী:-------এরা কেতাদুরস্ত, মুখে সর্বদা মিষ্টি হাসি থাকে। নিজেকে ব্যাচেলর বলতে ভালোবাসে। বয়স যতই হোক না কেন, কেউ ব্যাচেলর বললে খুশী হয়। স্ত্রীর চেয়ে বন্ধুদের সাথে বেশি আড্ডা দেয়। দাম্পত্য জীবন নিয়ে মোটেও সিরিয়াস নন। এদের অনেক বান্ধবীও থাকে।

২. তপ্ত স্বামী:--------------এরা সবসময় সাপের মতো ফোঁস ফোঁস করে, গরম পানির মতো টগবগ করে, সব সময় রাগান্বিত, হিংস্র মেজাজ, আধিপত্যশীল ও খুব বিপজ্জনক। মধ্যরাত ছাড়া বউয়ের প্রয়োজন অনুভব করে না। গতি প্রকৃতি সাইক্লোনের মতো অনিশ্চিত।

৩. ক্রীতদাস স্বামী:----------শ্বশুর বাড়িতে লজিং থেকে পড়াশোনা, শ্বশুরের টাকায় লেখাপড়া, ছাত্রীর সাথে প্রেম কিংবা “বিবাহের বিনিময়ে চাকুরী” কর্মসূচিসহ কিছু অজ্ঞাত দূর্বলতার কারণে এদের স্বাধীনতার অপমৃত্যু ঘটে। এরপর আর কোন ভাবেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারে না।

৪. সাধারণ স্বামী:----------এরা খুবই গতানুগতিক, আর দশটা স্বামীর মতোই সাধারণ নিরবে সব সয়ে যায়। এরা জেনেই গেছে পুরুষ হয়ে জন্মেছি এটুকু জ্বালা সহ্য করতেই হবে। তাই প্রতিবাদের ঝুঁকি নেয় না।

৫. চামড়ামোটা স্বামী:-------- নানান কথার বাণে বিদ্ধ হয়ে এদের চামড়া গণ্ডারের ন্যায় পুরু হয়ে যায়। “তোমার ভাগ্য ভালো যে আমার মতো ... পেয়েছো আর কেউ হলে সেই কবেই ফেলে চলে যেতো” জাতীয় বাক্যবাণ এদের চামড়া ভেদ করতে পারে না।

৬. নিপীড়িত স্বামী:-------- এরা নিজ বাড়ির চাইতে জেলখানা কিংবা নির্জন বনাঞ্চলকে শান্তির জায়গা মনে করে। সয়ে সয়ে উপরওয়ালার কাছে বিচার চাওয়ারও সাহস করে না। তবে পত্রিকায় কারও বউ মরার সংবাদ খুব মন দিয়ে পড়ে, তারপর কি যেনো ভেবে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আগের মতো চুপচাপ বসে থাকে।

৭. তেজপাতা স্বামী:-----------এরা খুব মুডি, কৃপণ, আত্মকেন্দ্রিক। স্ত্রীর ভালোলাগা, ইচ্ছা ও আগ্রহ মোটেও বিবেচনা করে না, রসবোধ নেই। বউ নিয়ে বেড়ানো রেস্টুরেন্টে যাওয়া, শখ করে বউয়ের জন্য কিছু কেনাকাটা করা এদের কাছে খুব কঠিন একটা কাজ। এরা রিলেশনকে আনন্দদায়ক করতে জানে না।

৮. দাবাড়ু স্বামী:--------- এরা স্ত্রীকে সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, স্ত্রীকে শুধুমাত্র তখনই ভালোবাসে যখন তার কাছ থেকে কিছু প্রয়োজন হয়। এরা খুব চালাক, স্ত্রীর দুর্বলতাগুলি খুব ভালোভাবে জানে, স্বার্থ উদ্ধারে তা ভালোভাবে কাজে লাগাতে জানে।

৯. পরজীবী স্বামী:--------- এরা অলস, শুধুমাত্র অর্থের জন্য স্ত্রীকে ভালোবাসে। বউয়ের রোজগারের টাকায় চলে, ফুটানি করে, কেউ কেউ বিভিন্ন নেশার পেছনে বউয়ের টাকা খরচ করে। সংসারের কাজে স্ত্রী'কে মোটেও সাহায্য করে না। এদের একটি প্রজাতি “ঘর জামাই বা গৃহপালিত স্বামী” নামেও পরিচিত।

১০. অপরিপক্ব স্বামী:-------- এরা দায়িত্ব কাণ্ডজ্ঞানহীন ও শিশুসুলভ। তারা মা বোন বা আত্মীয়দের জিজ্ঞাসা না করে নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু ভুল কিছু ঘটে গেলে দ্রুত বউয়ের কাছে ছুটে যায়।

১১. অতিথি স্বামী:------------এরা সব সময় বাড়িতে থাকে না, মাঝে মাঝে ভিজিটর এর মতো আসে। যে ক'দিন ঘরে থাকে বউকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। পরিবারের বাজার ঘাট বা দরকারি জিনিসপত্র কিনে দিয়ে বউ অশ্রুজল উপেক্ষা করে বিদেয় নেয়।যেমন: চাকরিজীবী, প্রবাসী স্বামী।

১২. যত্নশীল স্বামী:--------- এরা যত্নশীল, প্রেমময়; সকল মানসিক চাহিদা পুরণ করে, পরিবারকে যথেষ্ট সময় দেয়। অত্যন্ত দায়িত্বশীল, স্ত্রীকে অংশীদার বিবেচনা করে, সকল কাজে সাহায্যকারী হিসাবে পাশে থাকে। তবে এরা খুব Limited Edition ও বিলুপ্তপ্রায় বিপন্ন প্রজাতির।

আপনি কোন প্রকারের স্বামী বা আপনারটা কোন প্রকারের স্বামী দয়া করে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের জন্য শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দিন।আপনার স্বামী কত নম্বরের বলে যাবেন প্লিজ

সংগৃহীত

লেখায় চাপ দিয়ে ফলো করে নিন 👉
©️ Motasim Bin Belal ✅

অসম্ভবরকমের ভালো কেউ কখনোই আমায় বাসেনি।কারোর পছন্দের শীর্ষ তালিকায় আমি কখনো নিজের নাম শক্তপোক্তভাবে লেখাতে পারিনি। আমায় ...
28/08/2024

অসম্ভবরকমের ভালো কেউ কখনোই আমায় বাসেনি।
কারোর পছন্দের শীর্ষ তালিকায় আমি কখনো নিজের নাম শক্তপোক্তভাবে লেখাতে পারিনি। আমায় ঝাপটে ধরে কেউ কখনো বলেনি তুমিই আমার জন্য সবটা। আমাকে নিজের করে পাওয়ার জন্য কেউ কখনো ভীষণ মরিয়া হয়ে ওঠেনি।

এত এত মানুষের ভিড়েও কারোর চোখেই আমি তার পরম আদরের প্রিয়দর্শিনী হয়ে উঠতে পারেনি। কেউ কখনো আমাকে ভাবতে গিয়ে চোখের পানি ফেলেনি। আমি কখনো কারোর একান্ত আপন মানুষ বা কারো খুব ভালো বন্ধুর স্থান পাইনি। কারোর ব্যক্তিগত সুখ আমি কখনো ছিলাম না।

আমায় ভেবে কেউ কখনো নির্ঘুম রাত কাটায়নি। কেউ কখনো আমার জন্য অধীর আগ্রহে প্রহর গুনে যায়নি। আমায় হারিয়ে ফেলার ভয়ে কাউকে কোনদিন কুঁকড়ে থাকতে দেখিনি। কারো কখনো মনে হয়নি আমি না থাকলে তার চলবে না। কেউ কখনো আমাকে তার জীবনে রাখতে ব্যস্ত হয়নি।

ছোট্ট এই জীবন গল্পে যুক্ত হয়েছে অনেকগুলো নাম। তবে সবাই যে যার মতো সময় কাটিয়ে, স্বপ্ন দেখিয়ে প্রয়োজন শেষ হলে অপরিচিত করে এমনভাবে চলে গেছে যেন আমি অনুভুতিহীন কোনো জড় পদার্থের মতো কিছু একটা। এমনকি শেষবার ঘাড় ফিরিয়েও আমায় দেখেনি তাদের কেউ।

সত্যি বলতে আমি যতখানি একা, এরচেয়েও বেশি একা হতে চাই। ঠিক দূর আকাশের আবছা জ্বলতে থাকা শুকতারার মতো। যার কোনো উপগ্রহ নেই। উদাসীন সেই তারার মতো যার মাঝে পাওয়ার আকাঙ্খা নেই, হারানোর নেই। যে একা জ্বলে আপনমনে, খসে পড়ে সংগোপনে।


#রুসমিতা

Collected pic

22/08/2024

এক শিক্ষক বলতেন, জীবনে যা কিছুই করো না কেনো, নিজেকে খুশি রাখার কারন অন্য কারো মাঝে খোঁজার চেষ্টা করো না। কখনো কারো উপর এত এক্ট্রিম লেভেলের নির্ভরশীল হবে না যাতে তোমার এক্সপেকটেশন পূরণ না হলে মন ছোট হয়। বিশেষ করে মানসিকভাবে।

তোমার মন খারাপ তুমি হেমন্তের গান শুনো, নিজেকে এক কাপ গরম কফি বানিয়ে দাও, বিকেল বেলা মিষ্টি রোদে আপনমনে নিজের সাথে কথা বলো, পছন্দের লেখকের ব‌ই পড়ো। নিজের কোন বিশেষ ক্রিয়েটিভিটি থাকলে সেটা নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখো। 🥀

অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস লেখা, নিজের দুঃখ, দুর্বলতা জনসম্মুখে প্রকাশ করা কোন বুদ্ধিমান মানুষের কাজ নয়। খুব বেশি মন খারাপ হলে রুম অন্ধকার করে চুপচাপ বসে থাকো। যার যার ধর্ম অনুসারে প্রার্থনা করো।

পুরানো কোন স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো যাই করো নিজের সাথে নিজের এমন একটা সুন্দরম্পর্ক তৈরি করো যাতে নিজের মন খারাপের দিনগুলোতে একটা কাঁধের প্রয়োজন না হয়।

যদি কোন কাজে সফল হ‌ও নিজেকে ট্রিট দাও, যদি অকৃতকার্য হ‌ও নিজের সাথে অভিমান করো, নিজের সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হ‌ও। তবে অন্য কারো চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার চেষ্টা করো না।

অন্যের চোখ তোমার ত্রুটিগুলোর মাঝে যখন তোমার গুণগুলো খুঁজে পাবে না তুমি কষ্ট পাবে, পারলে তুমিই পারবে। রেস্টুরেন্টে একা বসে খাওয়াটাকে নরমালাইজ করতে হবে, পার্কে নিজের সাথে সময় কাটাতে চাওয়াকে হাস্যকর কেন মনে হবে? যদি সম্ভব হ‌য় ফাইনানসিয়ালিও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যাতে তীব্র মুড সুয়িংয়ে নিজেকে একটা চকলেট উপহার দিতে পার, নিজের জন্মদিনে নিজেকে গিফট দিতে পারো অথবা পাড়ার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের ড্রেসটা টাকা জমিয়ে হলেও নিজের জন্য কিনতে দিতে পারো।

মাঝে মাঝে নিজেকে কিছু ফুল দিবে। ঘরের এক কোণায় ফুল থাকবে, সুন্দর একটা গন্ধ ছড়াবে মন আপনা আপনি ভাল হয়ে যাবে। সবাইকে খুশি রাখাও তোমার দায়িত্ব না, দুনিয়ার কারো পক্ষেই সবাইকে খুশি করা সম্ভব না। যেখানে পারবে না, "না" বলাও শিখতে হবে।

আমার বাবা-মা আমাকে এপ্রিসিয়েট করে না, আমার বন্ধু আমাকে সময় দেয় না, আমার কাছের প্রিয়জন আমার সাথে ঠিকমত কথা বলে না, আমার জন্য সময় নেই এসব উপদ্রবের সৃষ্টি করবে না। আমাদের ভাষায় যেটা এটেনশন অন্যের জন্য এই চাওয়াগুলো অযথা টেনশন মাত্র।

কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবেন?

একটা সুন্দর ব্যক্তিত্ব থাকার জন্য খুব কঠিন হ‌ওয়ার দরকার নেই শুধু নিজেকে অতটুকু ভালবাসলেই হবে যাতে অন্যের চোখে নিজের জন্য ভালবাসা খোঁজার প্রয়োজন না হয়।

বর্তমান এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে মানুষের মন প্লাস্টিকের মতোই, কখন জানি রূপ বদলায় কারণে বদলায়, অকারণে বদলায়। তাই মনে হয় নিজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা তুলনামূলক ভাল।

সিইও

স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো খাবার আর বাসস্থান নয়। তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী। সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না। একজন স্বা...
22/08/2024

স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো খাবার আর বাসস্থান নয়। তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী। সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না। একজন স্বামী মানে যার হাত ধরে তার স্ত্রী সব ছেড়ে আজীবন কাটিয়ে দিবে, যার ফলে তার সর্বগুণ থাকা প্রয়োজন। অথচ সমাজ স্ত্রীর পেছনে লেগে থাকে তাকে জাজ করতে।

আপনি জানেননা আপনার স্ত্রীর ত্যাগের গল্প, আপনার চোখে সে সর্বসুখী। এরকম হলে সমস্যা আপনার চোখের,সাথে অন্তরেরও। আপনি আসলে তাকে উপলব্ধি করতে পারেননা। একটা স্বামী শুধু জীবন সঙ্গীই নয়,বরং বাবা মায়ের স্নেহেরও অংশীদার, স্ত্রীর উত্তম বন্ধু। অথচ আপনার মধ্যে ইগো কাজ করে।

স্ত্রীর উপদেশ যদি শুনতে শরীর জ্বলে তাহলে বুঝে নিন শয়তান আপনাকে অহংকারে কাবু করে ফেলেছে।

স্ত্রীর প্রতি যেমন স্বামীর কর্তৃত্ব রয়েছে তদ্রুপ স্বামীর প্রতিও স্ত্রীর পূর্ণ হক্ব রয়েছে।সংসার জীবনে কলহ আসবেই কিন্তু সেই কলহে জবান দিয়ে যেন এমন কিছু বের যেন নাহয় যেটা সাংসারিক জীবটায় বিষাদ করে দেয়।জীবন কেটে যাবে কিন্তু জবানের কষ্টের ঘাঁ কোনো মলমেই শুকাবে না।

স্ত্রী অনুভুতি গুলো তার হয়ে ভাবলে বুঝতেন তাকে।বিশ্বাস করুন জগতের সব নারীই ভালোবাসা, আদর ও আহ্লাদের কাঙাল। এসব দিয়েই প্রতিটি নারীকে সহজেই কাবু করা যায়।

আপনি একটু ভাবুন,স্ত্রীর পরিবার থেকে কেউ আপনার বিরুদ্ধে কিছু বললে আপনি মারাত্মক চটে যাবেন।হয়তো কোনোদিন শ্বশুর বাড়ি পা রাখবেননা। অথচ প্রতিনিয়ত আপনার স্ত্রীর সাথে এটায় হয়ে চলে। যেখানে আপনিই পারেননা ফ্যামিলি ছাড়া কাউকে আপন করতে সেখানে তার ওপর কিভাবে চাপিয়ে দেন?

মেয়ে বলে? মেয়ে বলে কি মানুষ না? আপনিও যেই মায়ের সন্তান সেও মায়েরই সন্তান বরং বাবার রাজকুমারিও। আচ্ছা কোন আইনে লেখা একটা মেয়েকে এসব সহ্য করতেই হবে? না রাষ্ট্রীয় আইন আর না ইসলামিক শরিয়াহ্।শরিয়তের দৃষ্টিতে নারীরা এহসান করে। না করলে বাধ্য নয়। স্ত্রীকে সম্মান দিতে শিখুন। কেননা আল্লাহ্ র কাছে ঐ ব্যক্তিই উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। আমার কথা না হাদিসের কথা।

একজন স্বামীকে খুব বেশিই সাপোর্টিভ হতে হয়। উত্তম জীবনসঙ্গী না পেলে জীবনটা এতো বেশি তিক্ত হয়!!!
এটাও ঠিক সবার নসীবে সব জোটেনা।থাকনা অপূর্ণ, চলুক এভাবেই!!
এইতো কয়টা দিন, মৃত্যু আসলেই তো সব শেষ
দুনিয়ায় কস্টের বিনিময়ে আমার আল্লাহর কাছে সুখ চেয়ে নেবো পরকালে।

কালেক্টেড লেখা।
কালেক্টেড ছবি।

Address

264/7, Dholadia, Taltola
Mymensingh
2200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কারুলতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share