Easily

Easily easily shopping for peaceful life

04/09/2022
28/08/2022
15/08/2022
বাংলা পরীক্ষার্থীদের মূলধন
10/08/2022

বাংলা পরীক্ষার্থীদের মূলধন

10/08/2022

মা এখনও অংক বোঝেনা,

১ টা রুটি চাইলে ২ টা নিয়ে আসে।
কোথাও যাওয়ার সময় ২০ টাকা চাইলে ৫০ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে দেয়।

মা ইংরেজিও বোঝে না,
I hate u বললে উল্টো না বুঝে ছেলেকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেয়।

মা মিথ্যেবাদী,
না খেয়ে বলে খেয়েছি। পেটে খিদে থাকা সত্ত্বেও নিজে না খেয়ে প্রিয় খাবারটা ছেলের জন্য যত্ন করে তুলে রাখে।

মা বোকা,
সারাজীবন কলুর বলদের মতো রান্নাঘর আর আমাদের ভালোমন্দের পিছনে কাটিয়ে দেয়।

মা চোর,
বন্ধুদের সাথে পিকনিকে যাবো বললে রাতেই বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে আমাকে দিয়ে দেয়।

মা নির্লজ্জ,
মাকে কতবার বলি আমার জিনিষে যেন হাত না দেয়। তবুও মা নির্লজ্জের মতো আমার এলোমেলো পড়ে থাকা জিনিসগুলো নিজের হাতে গুছিয়ে রাখে।

মা বেহায়া,
আমি কথা না বললেও জোর করে এসে বেহায়ার মতো গায়ে পড়ে কথা বলে। রাতে ঘুমের ঘোরে আমাকে দরজা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে যায়।

মায়ের কোন কমনসেন্স নেই,
আমার প্লেটে খাবার কম দেখলে কেমন জানি করে। খোকা এতো খাবার কম কেন? এই বলে প্লেটটা ভর্তি করে দেয়। এতো খাওয়ার পরেও মায়ের চোখে যেন কত দিনের না খাওয়া ছেলে।

মা কেয়ারলেস,
নিজের কোমরের ব্যথা, পিঠের ব্যথায় ধুঁকে ধুঁকে মারা গেলেও কখনো ঔষধের কথা বলে না। অথচ আমাদের একটা কাশিতে তাঁর দিনটা যেন ওলটপালট হয়ে যায় ডাক্তার, হাকিম, বৈদ্য সব এক করে বসে।

মা আনস্মার্ট,
অনেকের মায়ের মতো করে মা দামী দামী শাড়ি পড়ে না। ভ্যানিটিব্যাগ ঝুলিয়ে, স্মার্টফোন হাতে নিয়ে ঘুরতেও যায়না। সারাদিন খালি রান্নাঘর আর আমাদের ভালোমন্দের চিন্তায় পুরোনো হয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেয়।

মা স্বার্থপর,
নিজের সন্তান ও স্বামীর জন্য মা দুনিয়ার সব কিছু ত্যাগ করতে পারে।
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ বোধহয় মা। তাই বুঝি আমরা সন্তানেরা তাঁদের এত কষ্ট দেই। তবুও তাঁদের পরিবর্তন হয়না। প্রতিদিন এসব আচরণগুলো বারবার তাঁরা করে। একটু বড় হয়ে গেলেই আমরা তাদের বৃদ্ধাশ্রমে বা জীবন থেকে দূরে রাখি। তবুও তারা বোকার মতো আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করে।
সারাজীবনটা আমাদের খালি ভালোবাসা দিয়েই যায় বিনিময়ে দিনে একবার হলেও সন্তানের মুখে আদর করে 'মা' ডাক শুনতে চান। তাঁরা কতো নির্বোধ তাই না

আসুন যাদের মা বেঁচে আছেন তাদের কে সন্মান করুন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মূল্যয়ন করুন। যাদের মা মারা গেছেন তাদের জন্য নিয়মিত দোয়া করেন।
আমিন
মা ছাড়া দুনিয়া অন্ধকার!

08/08/2022
01/08/2022
29/07/2022

শিক্ষার্থীদের কাছে এই ৪টি অ্যাপ্‌স থাকা উচিত!

🔹 ১. photomath: হঠাৎ গণিতের একটা প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। ঐ সময় আপনার সাথে কেউ নেই যে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। এমতাবস্থায় এই অ্যাপে গিয়ে প্রশ্নটির একখানা ছবি তুইলেই সাথে সাথে স্টেপ বাই স্টেপ সলিউশন দেবে এই অ্যাপটি।

🔸 ২. Buddytalk : ইংরেজি শিখতে গেলে কথা বলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু আমরা সচরাচর কথা বলতে পারি না কথা বলার পার্টনার না পাওয়ায়। তাই আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় না থাকার কারণে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাই। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ইংরেজিতে কথা বলার পার্টনার খুজে পাবেন।

🔹 ৩. Moon+Reader :মোবাইলে কিংবা ট্যাবে বই পড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো অ্যাপ আছে কিনা আমার জানা নেই। এই অ্যাপটির সাইজও খুব কম। অ্যাপের মাঝেই আপনি খুজে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বইটি। এই অ্যাপটি ফোনে থাকা মানে আস্ত একটা লাইব্রেরি থাকা।

🔸 ৪. Camscanner: বন্ধুর কাছে তার নোট খাতাটা ধার নিলেন। তো তার নোটখাতাটি তাকে দিয়ে দেওয়ার আগে আপনি যদি দ্রুতই তার নোট খাতাটির একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নিজের ফোনে রাখেন তাহলে কেমন হয়? এই অ্যাপটি আপনাকে যেকোনো ডকুমেন্ট স্কান করে দিতে পারবে। একেবারে কম্পিউটারের স্ক্যানারের মতো।

চার ক্লাসের পর আর স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়নি। গরু-মহিষ চরিয়ে দিন যেতো। দশ বছর বয়সে বিয়ে হলো ৩০ বছরের এক লোকের সাথে। ১৯ বছর ব...
28/07/2022

চার ক্লাসের পর আর স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়নি। গরু-মহিষ চরিয়ে দিন যেতো। দশ বছর বয়সে বিয়ে হলো ৩০ বছরের এক লোকের সাথে। ১৯ বছর বয়সে হলেন তিন সন্তানের মা। এই সময় ঘটলো জীবনে সবচেয়ে বেদনাদায়ক মর্মান্তিক এক দূর্ঘটনা। যৌতুকের পণ দিতে না পারায় তিনি স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হলেন। দুশ্চিরিত্রা হিসাবে বদনামের ভাগী হলেন। নির্মম প্রহারের আঘাত সহ্য করতে না পেরে মূর্ছা গেলে স্বামী মনে করেছিলো- মনে হয় মারাই গেছে। গোয়ালঘরে যখন তাকে টেনে হিঁচড়ে আনা হলো তখন তিনি সন্তানসম্ভবা। সেই গোয়ালঘরেই তাঁর কন্যা সন্তানের প্রসব হয়। নিজের নাড়ী নিজেই কাটেন।

স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হলেন। বাপের ঘরে আশ্রয় মিললোনা। সমাজে ঠাঁই হলোনা। আশ্রয় নিলেন শশ্মানে। খাবার জুটতো শশ্মানে । শবদেহ পোড়ানোর পর কিছু খাবার ছিটিয়ে দেওয়া হতো। সেসব খেয়েই ক্ষুধা নিবৃত হতো। সমাজে বেরতে চাইলে শশ্মানের ভূত বলে মানুষ মা আর মেয়েকে তাড়িয়ে দিতো।

জীবন থেকে মুক্তিপেতে সুইসাইড করার জন্য রেললাইনে শুয়ে থাকলেন। ট্রেন এলোনা। তিনি জানতেন না সেদিন রেল ধর্মঘট। শ্মশানে ফিরে আসলেন। মেয়ে বুঝতে পারে মা তাকে নিয়ে মরতে চাইছে । সে পালাতে চায়। পরের সপ্তাহে আবার মেয়েকে আঁচলের সাথে বেঁধে শুয়ে পড়লেন রেললাইনের ওপর। এমন সময় শোনেন প্রচণ্ড কান্নার শব্দ। কী মনে করে মাথা তুলে দেখেন গাছের নীচে বসে একটা শিশু কাঁদছে।

তিনি দেখেন গাছের একটি ডাল কোনো রকমে ভেঙে পড়তে পড়তে গাছের সাথে লেগে আছে। সেই ভাঙ্গা ডালেই আবার পাতা হয়েছে। ফুল ফুটেছে। সেই ভাঙ্গা ডালের ছায়ায় বসে ছেলেটি কাঁদছে।

তিনি ভাবলেন ভেঙ্গে যেতে যেতে টিকে থাকা গাছে যদি পাতা গজায়, ফুল ফোটে, সেই ভাঙ্গা গাছের ডাল আবার ছায়া দিয়ে মানুষকে আশ্রয় দেয় তবে তার এই জীবনটা কি শুধুই অর্থহীন। এগুলো কি বিশেষ কোনো ইংগিত।

এক হাতে ছেলে আরেক হাতে মেয়েকে নিয়ে তিনি রেলস্টেশানে আসলেন। ভাগাড় থেকে খাবার খুঁজে খাওয়ালেন। কাজ খুঁজে কাজ পেলেন না। স্টেশানে গান গেয়ে ভিক্ষা করা শুরু করলেন। যত টাকা আয় হতো সেগুলো দিয়ে খাবার কিনে রাতে রান্না করেন। শিশুদুটোকে নিয়ে খান। রেলস্টেশনে ঘুমিয়ে থাকে অন্যান্য শিশুদের নিয়ে এসেও খাওয়ান। ঘুম পাড়ান। স্নান করান। পিতামাতাহীন ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিশুগুলোও যেন মাকে খুঁজে পায়। মাতৃত্বের চির শ্বাসত রুপ তাকে আরো মানবীয় করে তোলে।

এর মাঝে ঘটে আরেক ঘটনা। একটি ব্রিফকেস খুঁজে পেয়ে স্টেশান মাস্টারের অফিসে জমা দেন। লোকটি ভালো মানুষ ছিলো। কয়েক সপ্তাহ পর ভদ্রলোক দেখা করতে এসে তাকে উপহার দিতে চায়। তিনি বলেন কোনো উপহার চাইনা। শুধু আমার শিশুদের নিয়ে থাকার জন্য একটা ঘর বেঁধে দিন। শুরু হলো তার জীবনের আরেকটি অধ্যায়। অনাথ শিশুদের নিয়ে থাকার একটা ঘর পেলেন। বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করে দিলেন। শিশুদের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসা দেখে অন্যান্য মানুষেরাও এগিয়ে আসলো। ঘর বড় হলো। যাদের পৃথিবীতে আরে কেউ নেই এসব শিশুরা তাঁর কাছে আশ্রয় পেলো। অনাথ শিশুরা নতুন এক মা খুঁজে পেলো। এরপর কেটে গেছে অনেকদিন । প্রায় হাজার অনাথের ঠিকানা হলো তাঁর কাছে ।

একদিন দেখেন একজন বৃদ্ধ, জীর্ণ শীর্ণ লোক তার কাছে এসে আশ্রয় চাইছে। ভাত, রুটি যাই থাকুক না কেন এতোটুকু খাবার চাইছে। বৃদ্ধ লোকটিকে তিনি আশ্রয় দিলেন। স্নান করালেন। গায়ের জামা বদলে দিলেন। খাবার খাওয়ালেন। ডাক্তার এসে তার শরীর চেক করে ঔষধ খাইয়ে গেলো। বৃদ্ধ লোকটি তাকে চিনলোনা। কিন্তু তিনি নিজে চিনতে পেরে বললেন- একদিন তুমি এক সন্তানসম্ভবা মেয়েকে মেরে গোয়ালঘরে ফেলে রেখেছিলে। কিন্তু বিধাতার কি নিয়ম দেখো আজকে তুমি সেই মেয়ের কাছেই আশ্রয়ের জন্য এসেছো। শশ্মানে শবের অপেক্ষায় থেকে দুমুঠো খাবারের জন্য যার জীবনে কেটেছে সে জানে খিদের কষ্ট কি। সে জানে মাথার উপর একটু আশ্রয় প্রাপ্তির সুখ কি। তাই তুমি সব কিছুই এখানে আমার কাছে পাবে। কোনো অবহেলা হবেনা। তবে তুমি আর আমার স্বামী হিসাবে না । বরং আমার সন্তান হিসাবেই এখানে থাকবে।

পুরো বিশ্ব থেকে তিনি নানা সম্মান, খ্যাতি এবং প্রায় ৭৫০ টি নানা রকমের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। "মাদার অব থাউজেন্ড অরফ্যানস" নাম দিয়ে সার্চ করলে এই মহিয়ষী নারী সিন্দুতাই শেপকালকে নিয়ে লেখা অসংখ্য আর্টিকেল উঠে আসে। গোয়াল ঘরে জন্ম নেয়া তাঁর মেয়েটি চিকিৎসক হয়ে সব অনাথদের চিকিৎসার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। তাঁর অনাথ আশ্রম থেকে শত শত ডাক্তার , ইন্জিনীয়ার হয়ে শুধু ভারতে না, বিশ্বের নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। এই মহিয়ষী নারী এবার করোনার এই ডিজাস্টারের সময় যাতে একজন মানুষও তার এলাকায় অভুক্ত না থাকেন তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। বিবিসির সাংবাদিককে বলেন বড় চিকিৎসক, বড় প্রযুক্তিবিদ হওয়া অবশ্যই ভালো । কিন্তু এসব না হলে যে মানুষের সেবা করা যায়না তা ঠিক নয়। চারপাশ থেকে যা পেলাম তা শুধু নিজের করেই নিলাম এরকম মানুষ যতবড় বিত্তশালী হোক না কেন তাতে সমাজের কোনো লাভ হয় না। মানুষের সেবা করার জন্য সুন্দর একটা ত্যাগের মন থাকাটাই যথেষ্ঠ। গহনা, অলংকার, পোষাক পরিচ্ছদের কথা বলতে গিয়ে হেসে বলেন মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে বড় অলঙকার আর কিছুই নেই। সততার চেয়ে দামি পরিচ্ছদও আর নেই । আপনার এতো সুন্দর চিন্তা, ভাবনাকে প্রণাম । হাজার সন্তানের জননী আপনাকে প্রণাম l

(সংগৃহীত)

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স স...
09/07/2022

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজিনা গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।

🟣🟣সজিনার পুষ্টিগুণ সমূহঃ
সজিনা ডাঁটার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে কাজ করে থাকে। সজিনার মধ্যে রয়েছে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি,ভিটামিন বি২, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক এবং আরো অনেক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে কাজ করে থাকে।

আম খেলে ঘুম পায়, জানেন কেন এমন হয়?আমের মৌসুম এখন। এ সময় আম খাওয়ার পর অনেকেরই হালকা ঝিমুনি ভাব আসে। ঘুম আসে। এজন্য ভালো ঘ...
03/07/2022

আম খেলে ঘুম পায়, জানেন কেন এমন হয়?

আমের মৌসুম এখন। এ সময় আম খাওয়ার পর অনেকেরই হালকা ঝিমুনি ভাব আসে। ঘুম আসে। এজন্য ভালো ঘুম হবে ভেবে অনেকেই রাতে আম খান। কিন্তু এর কারণ জানেন না বহু মানুষই।

পাকা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ট্রিপটোফ্যান। আম খেয়ে ঘুম পাওয়ার অন্যতম কারণ এটি। কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল সমৃদ্ধ আম শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই ইনসুলিন ট্রিপটোফ্যান মস্তিষ্কে পাঠায়। মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান থেকে বিভিন্ন নিউরোট্রান্সমিটার সিনথেসিস হয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরোটোনিন। মস্তিষ্ক শীতল ও ঠান্ডা রাখে সেরোটোনিন। মস্তিষ্ক ঠান্ডা হলে শরীরও নিস্তেজ হতে থাকে। ফলে ঘুম পায়। আম খাওয়ার পর ঘুম পাওয়ার কারণ এটাই।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Address

Noyamati
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Easily posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share