Personal Seo books

Personal Seo books SEO Work Station

11/10/2025

পছন্দ না হলে রিটার্ণ করতে পারবেন।
“Style e Always On Top –Three Pices
🔹 কেন নিবেন এই টি-শার্ট?
✔ প্রিমিয়াম ফেব্রিক – সারাদিন আরামদায়ক
✔ স্টাইলিশ মডার্ন লুক
✔ ক্যাজুয়াল & আউটিং – দুই জায়গাতেই পারফেক্ট
✔ টেকসই প্রিন্ট – রঙ যাবে না সহজে

(ডেলিভারী চার্জ ঢাকার মধ্যে ডেলিভারী নিলে ৬০ টাকা এবং
ঢাকার বাহিরে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে ডেলিভারী নিলে ১২০ টাকা প্রযোজ্য হবে স্যার।
📲 অর্ডার করতে এখনই ইনবক্স করুন অথবা কল করুন:
📞 ‪+8801988859192
(WhatsApp / IMO Available)
বিঃদ্রঃ পণ্য যদি কোন কারণে আপনার পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই ডেলিভারী চার্জটি দিয়ে ফেরত দিতে হবে।

10/12/2019

আমরা বর্তমান ব্লগার

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করা কতটা সহজ তাইনা?বাংলাতে নিজের মতো করে আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করা।তারপর গুগল এডসেন্সের এড বসিয়ে শত শত ডলার ইনকাম করা।

-হুমম, বর্তমান ব্লগিং করা মানুষগুলো এরকমই স্বপ্ন দেখে ব্লগিংয়ে নেমে পড়ে।কিন্তু বছর শেষে কষ্টের টাকায় কেনা ডোমেইনটি রিনিউ না করা অবস্থায় পড়ে থাকে।একসময় কেনা সেই ডোমেইনটি এক্সপায়ার্ড ডেটে হারিয়ে যায়।

-হয়তবা সেই ব্লগারদের জানা নেই যে, তার কেনা সেই ডোমেইনটি একসময় লক্ষ টাকায় বিক্রি হতে পারে।ব্লগিং সেক্টরে সফল না হোক,অন্তত সেই ডোমেইনটি বিক্রি করেই একসময় অঢেল টাকার মালিক হতে পারবে।

-আমাদের দেশে চাকরি স্বল্পতা/স্বজনপ্রীতির কারনে অনলাইনে ইনকাম করাটা বেশ ট্রেন্ডিংয়ে চলে আসছে।সে কারনেই অনেকেই নেমে পড়ছে আউটসোর্সিং ও ফ্রীল্যান্সিংয়ের মতো বড় বড় সেক্টরগুলোতে।

-ঠিক তেমনি "ব্লগিং" অনলাইন ইনকামের বড় একটা অংশ জুড়ে অবস্থান করে আছে।কিন্তু আমরা বর্তমান ব্লগাররা কি সেই ব্লগিং সেক্টরকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছি?

-না! হয়তবা হিসেব করলে দেখা যাবে ১ হাজারে ৫০ জন সফল হতে পারছি।আর বাকিরা? - ঐ যে বললাম, বছর শেষে কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা ডোমেইনটা রিনিউ করতে পারিনা।

-এর প্রধান কারন কি জানেন?

-আমার ধৈর্যের অভাব। আমার লেখা এই পোষ্টটি যদি ৩০ জন পড়া শুরু করে থাকেন।তাহলে এতক্ষনে ২০ জন স্কিপ করে চলে গেছে।এটা আমি শিওর।তাহলে কারা এখনও এই পোষ্টটি পড়ছে তাহলে?

-হুমমম! আপনিই সেই ব্যক্তি।যার ধৈর্য শক্তি অসীম।পাছে লোকে কি বলবে, সেগুলোকে আপনি পরোয়া করেন না। আপনি মনযোগ দিয়ে রিসার্চ করতে পারেন।এবং সবশেষে আপনিই একদিন সফলতার মুখ দেখবেন।

-তাহলে চলুন,আপনার সাথেই ব্লগিংয়ের কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করি।মূলত ব্লগিং সেক্টরটা ঝটপট করে সফলতা পাওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়।এটা হয়তবা আপনি এতদিনে জেনে গেছেন। তাইনা?

-এই সেক্টর এমন একটা সেক্টর।যেখানে আপনি হরিণের মতো ছুটতে পারলেও।আপনাকে আপনার গতিকে কিছুটা কচ্ছপ গতিতে নিয়ে আসতে হবে।কারন,ব্লগিংয়ের মুল কর্নধার হলো "রিসার্চ" করা।আপনি যতোবেশি রিসার্চ করবেন,ততোবেশি জানতে পারবেন।

-আমরা সব ব্লগাররা সবকিছু একসাথে করতে চাই।যেমন,ব্লগের ডোমেইন সিলেক্ট + কিওয়ার্ড রিসার্চ +কন্টেন্ট রাইটিং + এসইও। কিন্তু আপনি একটু ভেবে দেখুন তো, অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে অনেকেই আছেন।যারা ভ্যালুয়াবেল ডোমেইন বিক্রি করেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।আবার অনেকেই আছেন, যারা কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং এসইও সার্ভিস প্রোভাইড করেই লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।বাকি থাকলো, "কন্টেন্ট রাইটিং"- আপনি ব্লগিং করলে এটা অবশ্যই জেনে থাকবেন। ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে একজন কন্টেন্ট রাইটারের মূল্য কতটুকু।

-এখন একটু ভেবে দেখুন , এই তিনটি ধাপ একজন মানুষের একার পক্ষে করা সম্ভব? - হ্যাঁ! অবশ্যই সম্ভব।তবে সেই মানুষটিকে অনেক ধৈর্য নিয়ে লেগে থাকতে হবে।ব্লগিংয়ের সাথে যুক্ত এই ধাপগুলিকে পরিপূর্ণভাবে শিখতে হবে।

-কিন্তু আপনিও যদি অন্যদের মতো ১ বছরের জন্য ডোমেইন কিনে ব্লগিং শুরু করেন।তারপর বছর শেষে ইনকাম না হলে, ব্লগিংকে সমাপ্ত বলে বিদায় জানালে তো হবে না।

-আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, অনলাইনে আপনার ওয়েবসাইটিকে একটি ব্রান্ডে পরিনত করতে যাচ্ছেন।আর একটা ব্রান্ড ততোদিন জনপ্রিয়তা পাবেনা।যতোদিন সেই ব্রান্ড একটা জনবহুল কমিউনিটি তৈরি করতে পারবেন না।

-ট্রিকবিডি কিংবা টেকটিউনসের মতো ওয়েবসাইটগুলো একদিনে এতো জনপ্রিয়তা পায়নি।তার জন্য কত সময় ব্যায় করতে হয়েছে।সেটা একমাএ সেই ওয়েবসাইটের মালিকরাই বলতে পারবে।যদিও তাদের সময়ে বর্তমান সময়ের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না। তবুও তাদের কাছ থেকে আমাদের অনেক শেখার আছে।

-২০১৯ সালে যতোগুলো বাংলা ব্লগের জন্য ডোমেইন কেনা হয়েছে।সেগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ ডোমেইন রিনিউয়ের অভাবে পড়ে থাকবে।বাকি ২০% ডোমেইন আপনার মতো হাল না ছাড়া পাবলিকদের ওয়েবসাইট গুলোতে জীবিত থাকবে।

-তাই প্রতিদ্বন্দ্বীতার ভয়ে পিছিয়ে পড়বেন না। বরং আপনার ওয়েবপেজটি পুরাতন হওয়ার কারনে গুগলের Search Rank এ পজেটিভ ইফেক্ট ফেলবে।

-আপনি কতদ্রুত সফলতা অর্জন করবেন।সে চিন্তায় নিজেকে ব্যস্ত না রেখে, কি কি শিখছেন আর কি কি শেখা বাকি আছে।সেগুলোতে মনযোগ দিন।এভাবে হয়তবা একটু সময় ব্যয় হবে।কিন্তু আপনার জানার আগ্রহটা আরও মজবুত হবে।

-নিজে নিজেই একটা সিলেবাস তৈরি করুন।আপনি এসইও শিখতে কতদিন সময় নিবেন, কন্টেন্ট রাইটিংয়ে কতদিন সময় নিবেন।তাহলে আপনি নিজে থেকেই অনুমান করতে পারবেন যে ব্লগিং কি তা জানতে আপনার কতদিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।এভাবে নিজে নিজে সিলেবাস তৈরি করে নিতে পারলে,আপনাকে আর ফেসবুক গ্রুপগুলোতে গিয়ে পোষ্ট করতে হবেনা যে,"এসইও শিখতে কতদিন লাগতে পারে,অভিজ্ঞরা কমেন্টে জানাবেন"?

-যখন আপনি আপনার শেখার ধাপগুলো সঠিকভাবে শেষ করতে পারবেন।তখন আসবে আপনার অর্জিত জ্ঞানগুলোকে প্রয়োগের পালা। আপনাকে প্রতিনিয়ত সেগুলোকে চর্চা করে যেতে হবে।

-আপনি একটা ওয়েবসাইটে আপনার অর্জিত এসইও টিপসগুলো প্রয়োগ করলেন।এমনটা হতে পারে,আপনার জানা এসইও ট্রিকগুলো ঠিক সেভাবে কাজ করলোনা। তার মানে কি আপনি ব্লগিং সেক্টরকে গুডবাই জানিয়ে চলে যাবেন?

-ভাই সফলতা এতোটা সহজ নয়।ইউটিউবে দু-চারটা ভিডিও দেখলাম।তারপর সেই অনুযায়ী কাজ করলাম।আর মাস শেষে সরকারি চাকরির সমান টাকা উপার্জন করলাম।যদি এতোটাই সহজ হতো,তাহলে কেউ চাকরির পেছনে ছুটতো না।সবাই ব্লগ সেক্টরে আসতো ব্লগিং করার জন্য।

-আপনি একটা সাইটকে Google Rank করাতে পারেননি।তাতে কোনো সমস্যা নেই।আপনি আপনাকে আরও দৃঢ হতে হবে।সেই সাইটের পাশাপাশি আপনি আরও কয়েকটি সাইট ক্রিয়েট করে কাজ করতেই থাকুন।

-হয়তবা দেখা যাবে, আপনার ১০ টা সাইটের মধ্যে ১ টি মাএ সাইট গুগলে খুব ভালো Rank করতে পেরেছে।এবার বাকি ৯ টি সাইটের কথা বাদ দিয়ে Google এ Rank করা ঐ ১ টি সাইটে এমন কিছু দিন।যেন সেই সাইট থেকেই আপনি যথেষ্ট পরিমান লাভবান হতে পারেন।

-কিন্তু যদি আপনার কাজ করা ১০ টি সাইটের মধ্যে কোনোটাই Google Rank না করে, তাহলে? -তখন আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি এতোদিনে যেগুলো শিখে এসেছেন।সেগুলোতে শেখার কিছু ঘাটতি আছে।আপনাকে আরও জানতে হবে।আপনাকে আরও বুঝতে হবে ব্লগিং সম্পর্কে।

-আপনি আপনার জানার আগ্রহকে আরো বাড়িয়ে তুলুন।প্রথমে খুজে বের করুন, কোথায় আপনার শেখার ঘাটতি আছে।কোন বিষয়টিতে আপনার দুর্বলতা আছে।সেটিকে খুজে বের করুন।তারপর সেই বিষয়গুলকে যতোদ্রুত সম্ভব ইমপ্রুভ করার চেস্টা করুন।

-আপনি আপনি যদি সাধারন মানুষদের মতো করেন। যে কয়েকটা কন্টেন্ট পাবলিশ করলেন।তারপর গুগল এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করলেন।কিন্তু কারনবশত এপ্রুভাল পেলেন না।মন খারাপ করে ব্লগিং ছেড়ে দিলেন।

-কিন্তু ব্লগিংয়ে হাল ছেড়ে দেয়া সেই মানুষটি হয়তবা জানেনা। গুগল এডসেন্স ছাড়াও যে আরও কতভাবে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকাম করা সম্ভব।

-আচ্ছা, ঠিক আছে।আমি ধরে নিলাম,আপনি গুগল এডসেন্স পেয়ে গেলেন।কিন্তু আপনি এসইও+কন্টেন্ট রাইটিং + কিওয়ার্ড রিসার্চ এসবের কোনোটাই ভালোভাবে জানেন না। তাহলে আপনার সাইটকে আপনি ইমপ্রুভ করবেন কিভাবে? সাইটে ভিজিটর আনবেন কিভাবে? আর সবশেষে মুল বিষয়, আপনি ইনকাম করবেন কিভাবে?

-এর অর্থ দাঁড়ালো,আপনি এডসেন্স তো ঠিকই পেয়ে গেলেন।কিন্তু তার সঠিক ব্যবহার আপনি করতে পারলেন না। তাহলে আপনি একজন ব্লগার হলেন কিভাবে? আপনাকে "ভুলগার" বললে ভুল হবেনা নিশ্চই।

-আগে নিজের একটা অথরিটি তৈরি করতে শিখুন।যেহুতু আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাচ্ছেন।সেহুতু অনলাইনে আপনার উপর বিশ্বাস করে।এমন একটা বড় কমিউনিটি তৈরি করতে শিখুন।

-আজকের দিনে যদি আপনি কোনো এসইও নিয়ে কোর্স বের করেন।তাহলে আপনার কোর্স যে পরিমান সেল হবে।তার থেকে দ্বিগুন পরিমান কোর্স সেল হবে,যদি ফারুখ ভাই অথবা শামীম ভাই কোর্স সেল করে। বলতে পারবেন,এর কারন কি?

-এর প্রধান কারন হলো, তারা অনেক আগে থেকেই আপনার চেয়ে বড় কমিউনিটি বিল্ডআপ করতে পেরেছে।গোটা বাংলাদেশে তারা তাদের নিজেদের একটা অথরিটি তৈরি করতে পেরেছে।

-তাহলে কি আপনি তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবেন না?

-অবশ্যই পারবেন।আপনার জেনে নেয়া উচিত,ফেসবুক আবিস্কারের পূর্বেও কিন্তু অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ছিলো।কিন্তু সেগুলোকে পিছনে ফেলে একসময় ঠিকই ফেসবুক তার প্রাপ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।

-ঠিক তেমনি আপনিও তাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।তবে তাদের থেকে আপনাকে আরও ভালো কিছু জানতে হবে।খুজে বের করতে হবে, তারা মানুষকে এমন কোন টিপসগুলো মানুষকে দিতে পারেনি।

-যখন আপনি সেগুলো জানতে পারবেন।ঠিক তখনি আপনিও আপনার নিজস্ব একটি অথরিটি ক্রিয়েট করতে পারবেন।সফলতা কি তখন বুঝতে পারবেন।ঠিক সে সময়ে আপনিও এসইও নিয়ে বড় বড় প্ল্যাটফর্ম গুলো থেকে বাহবা পাবেন।

-আজকের পোষ্টের মুল উদ্দেশ্য ছিলো, আপনাদেরকে মোটিভেট করা। যেন,সামান্য ব্যার্থতায় আপনারা পিছিয়ে না পড়েন।

-দেখা হবে, পার্ট ২ তে।আর আপনাদের রেন্সপন্স পেলে ধারাবাহিকভাবে লিখে যাবো।

।ধন্যবাদ।

20/01/2016

We are Garments Manufacturer. We are professionally trained in this field all most 10 years. We wil take all responsibility from buyer site up to shipment the goods. We believe in quality and competitive price. We have done many assignment to another customer.

30/07/2015

সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি “প্রফেশনাল ইমেইল মার্কেটিং শিখুন, সফল ক্যারিয়ারগড়ুন” এর ৮ম পর্বে । অনেকেরই অনুরোধ ছিল যে, প্রফেশনাল ইমেইল মার্কেটিং টিউটোরিয়ালের পর্বগুলোর সিরিয়াল ভেঙ্গে ইমেইল

30/07/2015

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ওয়েবসাইট বিল্ডিং/ক্রিয়েট করে কাজ শুরু করাটা হচ্ছে যা একটি কমন ও ট্রেডিশোনাল পদ্ধতি। অনেকে আছেন যারা কিনা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার শুরুর দিকে ওয়েবসাইট বিল্ডিং/ক্রিয়েট করে কাজ করতে আগ্রহী না, তাদের কে উদ্দেশ্য করেই আজকে আমার এই লিখা।

Affiliate Marketing Infographic

বিঃদ্রঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সফলতার চাবি হচ্ছে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক (প্রোডাক্ট) টিকে সম্ভাব্য অডিএন্স(কাস্টমার) এর সামনে তুলে ধরা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে তো এই কাজ টি করতে হবেই , কিন্তু কিভাবে এই কাজটি করে আপনি অডিএন্স(কাস্টমার)কে আপনার পণ্য সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলবেন তা সম্পূর্ণ আপনার ক্রিয়েটিভিটি ও উপস্থাপনার উপর নির্ভর করবে। এই কথা মাথায় রেখে নিচের পদ্ধতি গুলো ট্রাই করতে পারেন।

১)ব্লগ এবং ফোরাম পোস্টঃ

এটি অনেক সিম্পল একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রথম স্বাদ টা নিতে পারেন। প্রথমে আপনাকে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে (যে প্রোডাক্ট বা নিশ নিয়ে আপনি কাজ করতে চান) প্রমট করার জন্য। তারপর আপনার প্রোডাক্ট এর ধরন বুঝে উপযুক্ত ব্লগ এবং ফোরাম সাইটে পোস্ট দিতে হবে এবং উপজুক্ত পরিবেশ তৈরি করে আপনার অ্যাফিলিয়েশন লিঙ্ক টি শেয়ার করতে হবে।

নিচে একটি উদাহরন দেওয়া হোল। এখানে আপনি দেখতে পাবেন এই ফোরাম মেম্বার টি তার পোস্টে অ্যাফিলিয়েশন লিঙ্ক কিভাবে শেয়ার করেছেন এবং তার অ্যাক্টিভিটিস আর রেগুলারিটি দিয়ে নিজেকে একজন ট্রাস্টেড ও রিস্পেক্টেড মেম্বার হিসেবে গরে তুলেছেন…

Forum

অবশ্যই আপনি সেই সব ব্লগ এবং ফোরাম সাইটে আপনার পোস্ট এবং লিঙ্ক শেয়ার করবেন যেখানে আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড অডিএন্স আপনি পাবেন। যেমন, আপনি হেলথ রিলেটেড ব্লগ এবং ফোরাম সাইটে খাদ্য নিয়ে পোস্ট করতে পারেন কিন্তু ফ্যাশন রিলেটেড পোস্ট দিলে সেখানে কোন কাজে আসবেনা কারন সম্ভাব্য কাস্টমার আপনি সেখান থেকে পাবেন না।

আর তাছাড়া আপনি এই পদ্ধতি তে তখনি খুব সহজে সফল হতে পারবেন যখন কিনা আপনি আপনার ব্লগ এবং ফোরাম সাইটে নিজের একটা বিশ্বস্ত অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবেন। এই অবস্থান তৈরি করা বেশি একটা কষ্টের কাজ না, তাই ভয় পাওার কিছু নেই। রেগুলার এবং হেল্পফুল পোস্ট এর মাধ্যমে আপনি আপনার এই অবস্থান অল্প কিছুদিনের মধ্যেই করে নিতে পারবেন।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন, যদি আপনি সেখানে স্প্যামিং অথবা ইউস লেস কিছু পোস্ট করেন তথা ব্লগ এবং ফোরাম সাইটের টপিক এর বাইরে বিভিন্ন পোষ্ট করেন তাহলে আপনি চিরদিনের জন্য সেই সাইট থেকে ব্যান হয়ে যেতে পারেন।

২)ই-বূকঃ

এটি অনেক কার্যকরী একটি মাধ্যম, যার দ্বারা আপনি খুব সহজেই আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংক একটি নিদ্রিস্ট সংখ্যক অডিএন্স এর মাঝে প্রচার করতে পারবেন এবং এর জন্য নিজের কোন ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতা মুলক না।

এক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখবেন যে, “ফ্রী জিনিস সবাই চায় এবং লাইক করে”! এই কথা টি মাথায় রেখে আপনি একটি ই-বূক অথবা কোণো বিষয় নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি কোড়ে ফেলুন। ই-বূক বা রিপোর্ট তৈরির সময় এর ভিতর আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংক টি দিয়ে দিন। এরপর আপনি সেই ই-বূক বা রিপোর্ট টি বিভিন্ন যায়গায় ডিস্ট্রিবিউট করুন এবং সবাইকে স্বাগতম জানান আপনার এই ই-বূক বা রিপোর্ট টি ফ্রীতে নেবার জন্য। অতঃপর জারাই ই-বূক বা রিপোর্ট টি নিবেন তাদের ভিতর থেকেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার।

e-book

ই-বূক বা রিপোর্ট টি অবশ্যই যথাযথ মান সম্পূর্ণ, হেল্পফুল এবং আকর্ষণীয় হতে হবে অন্যথায় আপনি এখান থেকে ০% ও উপকৃত হবেন না। ই-বূক বা রিপোর্ট টি যে যে বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন………

নতুন এবং জনপ্রিয় তথ্য নিয়ে
পুরাতন এবং ক্লাসিক তথ্য নিয়ে
ইন্টারেস্টিং তথ্য নিয়ে
কোন বিষয় নিয়ে টিপস দিয়ে
কোন থিউরি আলোচনা করে
সমসাময়িক বিষয় বস্তু
ইত্যাদি

যদি আপনার ই-বূক বা রিপোর্ট টি যথাযথো হয় তাহলে আপনি এখান থেকে ও বেনিফিটেড হতে পারবেন।

৩)ইউ-টিউব সিরিসঃ

ইউ-টিউব এমন একটি সাইট যেখানে প্রতি মাসে নতুন করে বিলিওন বিলিওন ভিসিটর আসে। চাইলে আপনি এই এডভান্টেজ টি নিতে পারেন। কিছু ইনভেটিভ আইডিয়া নিয়ে ইউ-টিউবে একটি নিশ চ্যানেল খুলে সেই চ্যানেলের জন্য ভিডিও সিরিস তৈরি করুন। তারপর সেই ভিডিওর ডিস্ক্রিপসনে বা কৌশলে ভিডিওর ভিতরে অ্যাফিলিয়েট লিংক টি দিয়ে দিন। এভাবে আপনি আপনার ভিডিও ভিউয়ারস দের সম্ভাব্য কাস্টমারে রুপান্তরিত করতে পারেন।

YouTube-logo-full_color

এই কাজ টি করার সময় আপনাকে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে, না হলে আপনি আপনার উদ্দেশ্য সাধন করতে পারবেন না। বিষয় গুলো হোল………

ভিডিও কন্টেন্ট গুলো অবশ্যই ভিউয়ারস দের কথা চিন্তা করে করতে হবে। যদি ভিউয়ারস দের কাছে আপনার ভিডিও তথা চ্যানেল টি পছন্দনিও হয় তার পর এর দ্বারা মার্কেটিং তথা প্রফিট এর কথা চিন্তা করবেন।
ভিডিও গুলো অবশ্যই আপনার নিশ রিলেটেড হতে হবে এবং সেই অনুপাতে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো ও ভিডিও রিলেটেড হতে হবে।
যদি ভিডিও টাইটেলের সাথে আপনার ভিডিও তথা অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো না মিলে তাহলে কিন্তু ইউ-টিউবের নিয়ম অমান্য করা হবে। এটাকে “violating YouTube’s policies” বলে। এটির আওতায় পরে গেলে পেনাল্টি হিসেবে আপনার চ্যানেল টি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

সাধারনত ইউ-টিউবে ভিডিও মার্কেটিং করাটা রিস্ক, কারন ইউ-টিউবে অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলোকে স্প্যাম লিস্টেড করে ফেলা হয়। কিন্তু এটা কোন ভয়ের বেপারি না, কারন আপনি যদি স্প্যামি কর্ম কাণ্ড বাদ দিয়ে প্রতিনিয়ত নিশ রিলেটেড ইউসফুল ভিডিও কন্টেন্ট যোগ করেন এবং ইউ-টিউবের সকল পলিছি মেনে সৎ ভাবে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলোকে মার্কেটিং করতে থাকেন তাহলে কোন সমস্যা হবেনা।

আপনার ভিডিও কন্টেন্ট গুলো যে যে বিষয়ে বানাতে পারেন………

ইনফরমেটিভ প্রোডাক্ট রিভিউ
ইন্সট্রাকসনাল ভিডিও
টপিকাল ডিসকাশন

বিঃদ্রঃ প্রত্যেক ভিডিওর ডিস্ক্রিপসনে একটির বেশি লিংক দেওয়া উচিৎ না। আপনার ভিডিও গুলো যদি ভিসিটর দের জন্য ইউসফুল হয় এবং ভিসিটর দের মধ্যে ভ্যালু তৈরি করতে পারে তাহলে এটি অবশ্যই আপনার জন্য লাভ জনক।

৪)বিল্ডিং হাবঃ

কোন রকম ওয়েবসাইট বিল্ডিং ছারাই হাব এর মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করাটা হতে পারে আপনার জন্য একটি শুভ সূচনা। হাব হচ্ছে এক ধরনের ১-পেজ মিনি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্যাঁসনেট বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এটি HubPage Site দ্বারা হোস্টেড করা। একটি দৃষ্টি নন্দন ও উপযুক্ত হাব পেজ তৈরি করতে হলে ওয়েব ডেভলোপমেন্ট বা ডিজাইনিং এর কোন কিছুই জানার প্রয়জন নেই , আপনি এভাবেই একটি হাব পেজ তৈরি করতে পারবেন।

12522146_f520

হাব পেজের সব থেকে ভালো দিক হচ্ছে এটি একটি সোশ্যাল নেট-ওয়ার্কিং সাইট, তাই এটির দ্বারা খুব সহজেই অ্যাফিলিয়েট এর জন্য ট্রাফিক জেনারেট করা যায়।

৫)পে-পার-ক্লিক অ্যাডভারটাইসমেন্টঃ

?????????????????????????????????????????????????????????????????????

এই পদ্ধতিটি আমি সবার শেষে আলোচনা করছি কারন এই পদ্ধতিটি আমি আপনাদের জন্য রিকমান্ড করবোনা তবে চাইলে আপনারা করতে পারেন। এটির জন্য কোন দক্ষতার প্রয়জন নেই। আপনি গুগল এবং বিং এর দ্বারা পেইড ক্যাম্পেইং এর মাধ্যমে এটা করতে পারেন। এতে করে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার অ্যাড টি অগ্রাধিকার পেয়ে আগে থাকবে ফলে অ্যাফিলিয়েট লিংক এর জন্য যথেষ্ট পরিমানে ভিসিটর আসবে এবং যারা কিনা আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার হতে পারে।

শেষ কথাঃ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ ইনকাম করার জন্য অনেক রাস্তা বা পদ্ধতি আছে। তবে আপনি যদি লং টাইম বা স্থায়ী ভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে এখানে ওয়েবসাইটের কোন বিকল্প নেই।

30/07/2015

অপটিমাইজার হিসেবে দাবি করতে পারবে না। সুতরাং প্রাথমিক এই গাইডটা আপনাকে ইথিক্যাল অপটিমাইজার হওয়ার ধারনা দিবে।
ই-কমার্সের জন্য এসইও - অনলাইনে পণ্য সেল করার জন্য অর্গানিক ভিজিটর এর ভ্যালু অনেক। কিন্তু এত বেশি কম্পিটিশন যে, আপনি হইত হিমশিম খেয়ে যেতে পারেন। অ্যাডাম এর স্লাইডশেয়ার সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তর লেখা আছে।
ই-কমার্স মার্কেটিং গাইডলাইন - বাংলাদেশের প্রেক্ষপটের জন্য ই-কমার্স মিলিয়ন ডলার এর একটা ইন্ডাস্ট্রি। খুব দ্রুত এই ইন্ডাস্ট্রি হইত বিলিয়ন ডলারে রুপান্তর হবে। কিন্তু এই মার্কেটে নিজেকে প্রবেশ করাতে হলে, এর জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ মার্কেটিং প্ল্যান এবং মার্কেট রিসার্সসহ আরও অনেক কিছু। সেসব নিয়েই বিস্তর লেখা। এই লেখাটি আমার নিজের লেখা।
৫ টি এসইও স্ট্রাটেজি - অনেক পদ্ধতি আছে, যেগুলো অনেকে স্প্যাম এর ফেলে রেখে কাজ করে না। এমনি ৫ টা স্ট্রাটেজি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশন গাইডলাইন - মাল্টি বিলিয়ন ডলারের মার্কেট এটি। সার বিশ্ব জুড়ে এখন অ্যাপ ডেভেলপার এবং ব্যবহারকারীর অভাব নেই। কিন্তু এর মধ্যে থেকে যদি আপনি কিছু না করতে পারেন, তবে সেটা আপনার ব্যর্থতা। লেখাটি আমার নিজের। অ্যাপস স্টোর অপটিমাইজেশন নিয়ে বিস্তর লেখা আছে।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চঃ

বেসিক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ - একদম নতুন যারা, শুধুমাত্র তাদের জন্য এই লেখাটি। এখানে কিভাবে বেসিক একটা ধারনা পাওয়া যায়, সেই সম্পর্কে লেখা আছে।
৬ টি আনট্যাপ কি -ওয়ার্ড সোর্স - নেইট প্যাটেল এর এই লেখাটি নতুনদের জন্য অনেক কাজে দিবে। গুগলে টার্গেটিং করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। যেটা স্পষ্ট করেই দেওয়া আছে এখানে।
কি-ওয়ার্ড রিসার্চ গাইড - ব্রেন ডিন এর একটি অসাধারন লেখা। যেখানে ব্রেন ডিন খুব সুন্দরভাবে স্টেপ বাই স্টেপ কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন - নিক অনেক বেশি রিসার্চ করেন। ইন্ডাস্ট্রিতে তাকে অনেকে রিসার্চার হিসেবে ভালো চিনে। সবার থেকে একটু ভালো রিসার্চ করতে পারেন। লেখাটি যে দারুন হতে পারে সেটা সুধুমাত্র উপলব্ধির ব্যাপারমাত্র।

অনপেজ এসইওঃ

৭ টি অনপেজ স্ট্রাটেজি - ক্রিস শেপার্ড একজন ভালো মানের স্ট্রাটেজিস্ট। তার লেখা সর্বদা আমার পছন্দের তালিকা তে থাকে। অনপেজ এর কিছু ট্রিক্স এখানে আপনি পাবেন। যেটা আপনার অনপেজ কে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
কি-ওয়ার্ড টার্গেটিং অনপেজ অপটিমাইজেশন - র‍্যান্ড এর লেখা আসলে বোঝা একটু কস্টকর। স্ট্রাটেজিক্যাল ফরম্যাটে লিখেন। যা নতুনদের বুঝে উঠতেই কস্ট হয়ে যায়। তবে এই লেখাটি তে সুন্দরভাবে উল্লেখ করেছে। কিভাবে কি- ওয়ার্ড টার্গেট করে অনপেজকে ভালোভাবে অপটিমাইজ করবেন।
মাল্টিল্যাঙ্গুএজ অপটিমাইজেশন - বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা জানি যে, বিভিন্ন দেশের জন্য বিভিন্নভাবে টার্গেট করতে হয়। অনেকে জানে না, মাল্টিল্যাঙ্গুএজে এর ক্ষেত্রে কিভাবে পারফেক্ট অনপেজটা করতে হয়। ফলে সাইট বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ড্রপ হয়। ক্রিসিয়ান এর লেখাটা সেই উপকারিতাটা বহন করতেছে।
৯ টি অনপেজ এসইও এলিমেন্ট- অনপেজ ফ্যাক্টরগুলো জেসন অসাধারন লিখেছেন । এটা অনেক কাজে দিবে সবার, আমি মনে করি।
অনপেজ অপটিমাইজেশন চেকলিস্ট - অনপেজ অপটিমাইজেশন করার এই চেকলিস্ট থেকে যাচাই করে নিতে পারবেন, কোন জিনিসটি বাদ পড়ে গেল আপনার সাইট অনপেজ করার ক্ষেত্রে।

লিঙ্কবিল্ডিং

এনাকোন্ডা লিঙ্কবিল্ডিং - এটি আমার একটি লেখা। অনেকগুলো লিঙ্ক বিল্ডিং এর মেথড বা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা আছে।
সেরা লিঙ্ক বিল্ডিং স্ট্রাটেজি গাইডলাইন - ২০১৫ এর সব লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে আসলে এই লেখাটি। যেখানে অনেক বেশি বিস্তারিত লেখা। আর এই লেখাটিও আমার নিজের লেখা।
আউটরেচ লিঙ্কবিল্ডিং - কনটেন্ট বেস আউটরেচ লিঙ্ক বিল্ডিং নিয়ে এটা লেখা। অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখা এখানে রয়েছে। লিঙ্ক আর্ন এর ব্যাপার নিয়ে জাস্টিন বিস্তর লিখেছেন।
লোকাল লিঙ্কবিল্ডিং গাইডলাইন - লিঙ্ক বিল্ডারদের জন্য এহেরিফ এর ফ্যান্টাসিক একটা কনটেন্ট। লোকাল অপটিমাইজে ছাড়াও অনেক কাজে দিবে আপনাকে।
লিঙ্ক আর্নিং মেথড - লিঙ্ক বিল্ডিং করার থেকে লিঙ্ক আর্ন করাটা এসইও এর সবথেকে ইফেক্টিভ মেথড। কিন্তু এই আর্ন করাটা বলা যতটা সহজ আসলে তার থেকে ১০০ গন বেশি কঠিন ফলাফল পাওয়া। তবে কোয়ালিটি কনটেন্ট এর উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। লেখাটা আমি লিখেছিলাম।
কিভাবে লিঙ্ক এনালাইজ করবেন -আসলে লিঙ্ক করার থেকে বোঝাটা অনেক কঠিন। কোনটা টক্সিক লিঙ্ক আবার কোনটা ভালো লিঙ্ক সেটা না জানতে পারলে পেনাল্টি আপনার জন্য ঘরের দরজা খুলে বসে থাকবে। এজন্য লিঙ্ক বিল্ডিং করার ক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরী। এই কনটেন্ট সেটাই সাহায্য করবে।

টেকনিক্যাল এসইওঃ

নন-টেকনিক্যালদের জন্য ট্যাকনিক্যাল এসইও - টেকনিক্যাল এসইও এর বেসিক ব্যাপারগুলো এরিন সার্চ ইঞ্জিন ওয়াচে খুব ভালো ভাবে তুলে ধরেছেন।
টেকনিক্যাল এসইও গাইডলাইন - পেডি তার এই কনটেন্টে টেকনিক্যাল এসইও সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন তুলে ধরেছেন। ক্রলিং, ইনডেক্সিং এবং র‍্যাঙ্কিং নিয়ে বিস্তারিত লেখা রয়েছে।
টেকনিক্যাল এসইও চেকলিস্ট- এটা একটা সিস্টেম, যা আপনার জানার পরও অনেক ক্ষেত্রে ভুলে যাবেন। চেকলিস্ট আপনাকে একটা পারফেক্ত গাইড দিতে সাহায্য। এরকম একটা পারফেক্ট চেকলিস্ট।

লোকাল এসইওঃ

৪০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর - লোকাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য মাইক এর অসাধারন একটি লেখা।
লোকাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গাইডলাইন - ইলিসের লোকাল সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই এখাতে। সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্ক পাবার জন্য কনটেন্টটি অনেক কাজে দিবে যে কারোর।
পারফেক্ট লোকাল ল্যান্ডিং পেজ অপটিমাইজেশন - মাইক এর আরও একটি অসাধারন ইনফুগ্রাফি। লোকাল ল্যান্ডিং পেজ এর জন্য কি ধরনের এলিমেন্ট আসলে ব্যবহার করছেন এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাক্ট। মাইক এই লেখাতে সেটা খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করেছেন।
ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য লোকাল এসইও - ছোট বিজনেস যারা করে তাদের জন্য মাইকেল এর সুন্দর একটি লেখা। স্টেপ এবং সহজভাবে উপস্থাপনা করেছেন এই লেখাতে।
লোকাল এসইও চেকলিস্ট - লোকাল অপটিমাইজেশনের জন্য যেসব চেকলিস্ট প্রয়োজন, তার কোনটি এখানে বাদ নেই। এক কথায় এই চেকলিস্ট ধরে কাজ করলে কোন কিছু মিস যাওয়ার সুযোগ নেই।

মোবাইল এসইওঃ

মোবাইলের জন্য কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজি - কনটেন্ট মার্কেটিং ইন্সটিটিউটের ডেভিড অসাধারন একটি লেখা শেয়ার করেছেন। কিভাবে মোবাইল মার্কেটিং এ কনটেন্ট স্ট্রাটেজি অ্যাপ্লাই করবেন সেটার একটা পারফেক্ট গাইডলাইন এখান থেকে পাবেন।
কিভাবে মোবাইল এসইও করবেন - মোবাইলে সার্চে কিভাবে র‍্যাঙ্ক করবেন, সেই ধরনের ইফেক্টিভ সব ইন্সট্রুমেন্ট নিয়ে ওয়েব মার্কেটিং গ্রুপ এর ট্রেন্স এই কনটেন্টে তুলে ধরেছেন।
অবনতির ৭ টি ইউএক্স - ইউজার এক্সপেরিয়েন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় মোবাইল সার্চ এর জন্য। শ্যরন সেইসব বিষয়গুলো এখানে সতর্ক করেছেন। এটা আপনার মোবাইল সার্চে র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে খুবই ইফেক্টিভ।
মোবাইল এসইও অডিট - র‍্যাঙ্কিং থেকে যেন না পড়ে যায় সেজন্য এই অডিটটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক্সপেরিয়েন্স মার্কেটাররা ছাড়া আসলে এই ধরনের অডিটে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই কস্টকর। কিন্তু এই লেখাটে সেই কস্টটা লাঘব করার প্রানপন চেস্টা করা হয়েছে।
মোবাইল এসইও এর টেকনিক্যাল গাইড - টেকনিক্যাল ইস্যুগুলো আসলেই সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিং এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একজন কে হুবহু কপি করেন তারপরও সেই যায়গাতে পৌছাতে পারবেন না। এসইও এর সব থেকে বড় ল্যাকিংসটা এই যায়গাতে। যেখান থেকে আসলে ঘোল খাওয়াতে হয়। লেখাটা সেই সমাধান করবে।

কনটেন্ট মার্কেটিংঃ

কনটেন্ট মার্কেটিং ফান্ডামেন্টাল - বেসিক কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে সুন্দর একটা লেখা। প্রাথমিক মানিড সেট-আপ যদি সঠিক না হয় তবে সেটা একটু কষ্টকর পরবর্তী ধাপে পৌছান। কনটেন্টটিসেই অর্থে কাজের একটি লেখা।
কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজি - কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য যদি আপনি পারফেক্ট প্ল্যান না করেন, তবে আপনার টাকা এবং সময় শুধুমাত্র ব্যয় হবে। স্ট্রাটেজি তৈরি করে এগুতে হবে। দূরদর্শন ক্ষমতা থাকতে হবে। রিস্ক প্রতিটি ক্ষেত্রে থাকবে, কিন্তু সেটার পরিমান যেন কম হয় সেদিকে খেয়াল রাখাটা বেশি জরুরী।
মিথ্যা কে সত্যি তে রুপান্তর - ৮ টি মিথ্যা কে কিভাবে মানুষের সামনে সত্যি তে রুপান্তর করলেন, সেটা এক বিশাল মিথ। মিথ্যাবাদী হয়া না, টেকনিক শেখাটা হচ্ছে কনটেন্ট মার্কেটিং মুল হাতিয়ার। অন্যথায় হাজার হাজার ডলার খরচ হলেও প্রোফিট করতে পারবেন না।
কনটেন্ট ডিসকাভারি প্ল্যাটফর্ম - কনটেন্টকে আরও বেশি রিচ করানোর জন্য কনটেন্ট ডিসকাভারি প্ল্যাটফর্মগুলো সাহায্য করবে। অনলাইনে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে এই ধরনের। কোথা থেকে বেনিফিট পাবেন সেটা নিয়েই লেখা। এছাড়া আপনি চাইলে এইপ্ল্যাটফর্ম থেকে ইনকামও করতে পারবেন। লেখাটা আমার নিজের।
কিভাবে ডিপ কনটেন্ট লিখবেন - ইফেক্টিভ কনটেন্ট মার্কেটিং জানতে হলে, অবশই আপনাকে ডিপ কনটেন্ট লেখা জানতে হবে। ইউজার ক্লিয়ার বোঝার পরও কিছু কনফিউশনে থাকে যার কারনে সে কনভার্ট হয়। এই ধরনের কনটেন্ট লেখার জন্য অভিজ্ঞতা বিশাল বড় একটা ইস্যু। লেখাটা সেটা ক্লিয়ার করেছে।
২৫ টি মাধ্যমে কনটেন্ট লেখার - কিভাবে কনটেন্ট লিখবেন যে মানুষ আপনার কনটেন্ট শেয়ার করে, সেইসব ট্রিকি বিষয় নিয়েই লেখা।

কনভার্সন রেট অপটিমাইজেশনঃ

নতুনদের জন্য সিআরও গাইডলাইন - এটা যথেষ্ট না। কিন্তু এই গাইডলাইনটি মাইন্ড সেটআপ করতে হেল্প করবে।
ওয়েবস্পিড অপটিমাইজেশন - স্লো ল্যান্ডিং পেজ আপনার কনভার্ট রেট মাইনাসে নিয়ে আসতে পারে। যার জন্য সাইট স্পিডটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখাটা সেটাই সাহায্য করবে।
ল্যান্ডিং পেজ গাইডলাইন - কপিব্লগার স্টেভেন ল্যান্ডিং পেজ নিয়ে এখানে বিস্তারিত লিখেছেন ইনফুগ্রাফিতে। যা কিনা আপনার কনভার্ট করতে সাহায্য করবে। ল্যান্ডিং পেজ কনসালটেন্সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ল্যান্ডিং পেজ-ই আপনাকে সাকসেস করতে পারবে না। কনভার্ট এর অনেক কিছু নির্ভর করে ল্যান্ডিং পেজ এর উপর।

পেনাল্টি রিমুভালঃ

গুগল পেনাল্টি রিমুভাল আল্টিমেট গাইড - যদি পেনাল্টি খেয়ে থাকেন, তবে সেটা থেকে রিকভার না করা পর্যন্ত আপনার সাইট র‍্যাঙ্কিং-এ আসবে না। মজের লুইস এর এই পোস্টটি অনেক অ্যাকশান-এ্যাবল এবং তথ্যভিত্তিক। স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন দেওয়া আছে।
যেকোনো পেনাল্টি থেকে রিকভার - গুগল এর যেকোনো ধরনের পেনাল্টি থেকে রিকভার করার জন্য কিসমেট্রিক্স এর এই কনটেন্ট অনেক কাজে দিবে যে কারোর।

অ্যালগোরিদম আপডেটঃ

গুগল এলগোরিদম পরিবর্তন ইতিহাস - মজের এই সেকশনটা শুধুমাত্র গুগল এলগোরিদম আপডেট এর জন্য। আপডেট এর সাথে কি ধরনের আপডেট হয়েছে, সেইসব মেজর বিষয়গুলো উল্লেখ করা থাকে।
পেঙ্গুইন, পাণ্ডা, হামিংবার্ড - সার্চ ইঞ্জিন জার্নাল মেজর সব এলগোরিদম আপডেটগুলো এখানে প্রকাশ করে। যেহেতু তারা অনেক বিস্তারিত প্রকাশ করে,তাই যে কারো বুঝতেই সুবিধা হবে।
গুগল ওয়েবমাস্টার চ্যানেল - ইউটিউবের এই চ্যানেলে গুগল তাদের অফিসিয়াল অ্যালগোরিদম আপডেটের সাথে সেটার সঠিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করে। ফলে আপনার পরবর্তী স্টেপ বা ধাপ কি হতে পারে সেটার একটা ধারনা নেওয়া যায়।

টুলসঃ

৪৭ টি সেরা এসইও টুলস - ফ্রী এবং প্রিমিয়াম সবকিছু মিলে সুন্দর একটা টুলস এর লিস্ট। কোনটা ফ্রী আবার কোনটা প্রিমিয়াম এবং তাদের সার্ভিস চার্জসহ খুব ভালোভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে।
কনটেন্ট মার্কেটিং এর সেরা টুলস - কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য টূলস এর বিকল্প নেই। একটা ন্যাচারাল কাজের থেকে অনেক সময় বাঁচিয়ে দেই কনটেন্ট মার্কেটিং টূলস। সিরিয়াস মার্কেটার যারা তাদের জন্য এই ধরনের টুলস এক ধরনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
এসইও এর জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল - সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাজেশন নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের মত আর কারও এত বেশি এক্সেল ব্যবহার করতে হয় না। আমার নিজের ডেক্সটপে এক্সেলশিটে সর্বদা ভরপুর থাকতো। ম্যাক্সিমাম অপটিমাইজাররা এক্সেল ব্যবহার করেন। শুধু আসলে ব্যবহার করলেই হয় না, এটার সঠিক পদ্ধতি জানতে হয়। এই লেখাটা আপনার সময় বাঁচিয়ে দিতে সাহায্য করবে এবং সঠিক ব্যবহার এর দিক নির্দেশনা দিবে।

আমি জানি না আপনি কতটুকু পড়ালেখা করে একটা প্রোজেক্ট এর পেছনে সময় দেন। একটা জিনিস মাথায় রাখবেন কনফিডেন্ট ব্যাপারতা বিশাল একটা মারাত্মক গেম। ম্যাক্সিমাম এসইও অপটিমাইজার কাজের শুরুতেই কনফিডেন্ট হারিয়ে ফেলে। যার ফলশ্রুতিতে তারা আসলে প্রোজেক্ট ভালো করার ক্ষমতা থাকলেও সেটা তে সাকসেস হয় না। আমি যে রিসোর্সগুলো শেয়ার করেছি, আশা করি যদি সবগুলো স্টেপ বাই স্টেপ শেষ করতে পারেন, তবে হইত আজকের দিনের পর আপনার থিঙ্কিং লেবেল এবং আপনার কনফিডেন্ট আজকের মত আর থাকবে না। কালকে আপনি নিজেকে অন্য একটা জগতে দেখতে পাবেন।

তো আর দেরি কেন, এবার অ্যাকশান শুরু হয়ে যাক। Big Grin ডোন্ট ফরগেট টু গিভ থাম্বস আপ, ইফ ইউ লাভ মাই কনটেন্ট

Adwords full explanation learn to easy
31/03/2015

Adwords full explanation learn to easy

Learn easily how to select effective best keywords by using your google adwords keyword tool. Full explanation about keyword tool using and implementation. W...

Top 7 Plugins should use Every Blogger
31/03/2015

Top 7 Plugins should use Every Blogger

Utilizing these Wordpress plugins below, you can then automate for huge traffic building opportunities accessible through SEO, social networking and social bookmarking.

Web Master Tools
31/03/2015

Web Master Tools

Alexa.com is the top most instrument to check site ranking. Being is blogger you must need to enhance your Alexa ranking on the grounds that it demonstrates the power of your blog/site and even promoters likewise check your Alexa ranking to think about your blog traffic and page views before purchas…

How to use All in One SEO Pack for WordPress
28/02/2015

How to use All in One SEO Pack for WordPress

If you have ever thought of optimizing your Wordpress blog for Search engine, you would have found out about All in One SEO plugin. All in one SEO pack is of the most established and most popular and used plugin for Wordpress platform.

How to Increase Traffic To Your Website
28/02/2015

How to Increase Traffic To Your Website

There are many ways to increase traffic to your website. Greater part of individuals accept the best way to driving movement will cost them cash. There are distinctive strategies for driving traffic that you pay for, and the most of them are free

Address

Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

-8801988859192

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Personal Seo books posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Personal Seo books:

Shortcuts

Share