Al-Quds

Al-Quds An attempt to spread the fragrance of Al-Quds worldwide ���

حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَع...
10/07/2024

حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ عَلَى الْمِنْبَرِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ ‏"‏‏.‏

হুমায়দী (রহঃ) ... আলকামা ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ প্রত্যেক কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের অথবা নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে- সেই উদ্দেশ্যেই হবে তার হিজরতের প্রাপ্য।

হাদীস থেকে শিক্ষা:

১/প্রতিটি কাজের বিশুদ্ধতা, বিনষ্ট হওয়া, পূর্ণতা, অপূর্ণতা, আনুগত্য কিংবা অবাধ্যতা নির্ধারিত হবে নিয়তের ওপর। সুতরাং যদি কেউ লোক দেখানো কিংবা লোক শোনানোর উদ্দেশ্যে আমল করে তবে সে গুনাহগার হবে। যেমন যদি কেউ জিহাদ করে আল্লাহর দীনকে বুলন্দ করার জন্য তবে তার সাওয়াব পূর্ণতা পাবে, আর যদি সে আল্লাহর দীন বুলন্দ করার পাশাপাশি গনীমতের মাল পাওয়ার আশা করে তবে তার সাওয়াব কমে যাবে। আর যদি শুধু গনীমতের আশা করলে সে গনীমতের সম্পদই পাবে, গুনাহ না হলেও মুজাহিদের সাওয়াব পাবে না।

২. কোনো কাজের জন্য নিয়ত বা ইচ্ছা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কিন্তু সেটা মনে মনে স্থির করে নেয়াই যথেষ্ট। এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা যাবে না। বাড়াবাড়ি বলতে এমন করা যে, সেটাকে মুখে আওড়ানো বা বারবার বলা অথবা সে কাজের প্রতিটি অংশের মধ্যে সেটার উপস্থিতি তৈরি করা। এমনটি পরবর্তীতে ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণার পর্যায়ে নিয়ে যাবে। কাজটি করার শুরুতে নিয়ত ঠিক করার পর বারবার বলার প্রয়োজন নেই।

৩. লোক দেখানো কিংবা শোনানোর প্রবণতা থেকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ তা ইবাদাত নষ্ট করে দেয়।

৪. অন্তরের আমল বা অন্তরের কাজের ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, তার মাধ্যমেই ইবাদতের শুদ্ধাশুদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করছে।

৫. দ্বীন ও ইসলামের হেফাযতের জন্য অমুসলিম দেশ থেকে মুসলিম দেশে হিজরত করা অত্যন্ত সাওয়াবের কাজ, উত্তম ও উৎকৃষ্ট ইবাদত। তবে শর্ত হচ্ছে, একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা সংঘটিত হওয়া।

৬. ইবাদত যখন এমন জিনিস হবে যাতে একটি নিয়তই কার্যকর করা যায়, যেমন- সাওম পালন করা, সালাত আদায় করা। এমতাবস্থায় সে কাজের শুরুতে যা নিয়ত করবে তা ই হবে। কিন্তু যে ইবাদতের অংশ ভিন্ন ভিন্ন থাকে, তখন সেটার যে অংশের নিয়ত যা হবে সে অংশের হুকুম তা নির্ধারিত হবে। যেমন- যাকাত প্রদান করা। যখন লোক দেখানোর নিয়ত থাকবে তখন তা রিয়া ও আমল ধ্বংস করবে, আবার যখন সাওয়াবের আশা করবে তখন তা বিশুদ্ধ হবে।

সাহাবায়ে কেরামের নববর্ষ উদযাপন------------------------------------------সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা । বছরটি পূর্ণ কল্যাণ...
07/07/2024

সাহাবায়ে কেরামের নববর্ষ উদযাপন
------------------------------------------

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা । বছরটি পূর্ণ কল্যাণ ও নিরাপত্তার সাথে শুরু হোক ‌। নতুন পৃথিবী ইসলামের ছায়াতলে চলে আসুক । ঈমানের আলোয় দীপ্তমান হয়ে ওঠুক ।

আসুন, আল্লাহর কাছে দোয়া করি । নবীজি যেভাবে দুআ করতেন । সাহাবাগণ যেভাবে দোয়া করতেন ।

اللهم ادخله بالامن والايمان والسلامه والاسلام ورضوان من الرحمن وجوار من الشيطان.

উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা আদখিলহু বিল মানি ওয়াল ঈমানি ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি ওয়া যিওয়ারিন মিনাশ শায়ত্বানি।'

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি নবববর্ষকে প্রবেশ করান নিরাপত্তা ও ঈমানের সাথে, সুস্থতা ও ইসলামের সাথে এবং আপনার সন্তুষ্টি শয়তান থেকে মুক্ততার তার সাথে ।

হাদীসে এসেছে- সাহাবায়ে কেরাম দোয়াটি একে অপরকে শেখাতেন যেমন একে অপরকে কুরআন শেখাতেন

দোয়ার অর্থের প্রতি পূর্ণ লক্ষ রেখে একে অপরকে শেখাবো এবং আল্লাহর কাছে বিষয়গুলো কামনা করবো ।

মুহতারাম Salman Raiyan ভায়ের পেজ থেকে

কুরআন থেকে........হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে সুরা ফাতিহা তিন ভাগে বিভক্ত । প্রথম তিনটি আয়াত আল্লাহর জন্য নিবেদিত এবং শেষ...
02/07/2024

কুরআন থেকে........

হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে সুরা ফাতিহা তিন ভাগে বিভক্ত । প্রথম তিনটি আয়াত আল্লাহর জন্য নিবেদিত এবং শেষের তিনটি আয়াত বান্দার জন্য বিশেষিত আর মাঝের আয়াতটি (اِیَّاکَ نَعۡبُدُ وَاِیَّاکَ نَسۡتَعِیۡنُ ) আল্লাহ এবং বান্দা উভয়ের মধ্যে বিভক্ত ।

সুরা ফাতেহাকে হাদিসে উম্মুল কোরআন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, তওরাত, ইনজিল, জাবুর এবং কোরআনেও এর মত কোন সুরা নাজিল হয়নি। (সুনান তিরমিজি)

সুরা ফাতিহার ফজিলত :

মোল্লা আলী কারী (রহ.) বলেন, ‘সূরা ফাতেহার অক্ষর, শব্দ পড়াতে যেমন শেফা আছে তেমনি লেখাতেও শেফা আছে। যে কোনো ধরনের রোগ চাই দ্বীনি হোক কিংবা পার্থিব, অনুভবযোগ্য হোক বা না হোক সব কিছু এ সূরা পড়া বা লেখার বরকতে আল্লাহর ইচ্ছায় আরোগ্য হবে।’ -(মিরকাতুল মাফাতিহ)

হজরত আবদুল মালেক ইবনে ওমায়ের (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূরা ফাতেহা সব রোগের মহৌষধ।’- (সুনানে দারেমি,মিশকাত,

সুরা ফাতিহার আমল:

হজরত জাফর সাদেক রা: বর্ণনা করেন, সুরা ফাতেহা ৪০ বার পাঠ করে পানির ওপর দম করে কোনো রোগাক্রান্ত লোকের মুখমণ্ডলে ছিঁটিয়ে দিলে, এর বরকতে সমস্ত দূরীভূত হয়ে যাবে।

- ফজরের নামাজের সুন্নত ও ফরজ নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে ৪১ বার এ সুরা পাঠ করে চোখে ফুঁ দিলে চোখের ব্যথা দূর হয়।

- শেষ রাতে এ সুরা ৪১ বার তেলাওয়াত করলে আল্লাহ তাআলা রিজিক বাড়িয়ে দেন।

- এ সুরা ৪০ দিন নিয়মিত তেলাওয়াত করে পানিতে ফুঁ দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তিকে পান করালে আল্লাহ অসুস্থতা দূর করে দেবেন।

সুরা আল ফাতেহার শিক্ষা ও নির্দেশনা

১. আল্লাহ চান বান্দা তার প্রশংসা করুক। তার অনুগ্রহ স্বীকার করুক। সুরা ফাতেহার শুরুতে আল্লাহ এই সুরার শুরুতে নিজের প্রশংসা করেছেন এবং আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন তার প্রশংসা করতে।

২. যে কোনো প্রশংসার যথাযথ কারণ থাকতে হয়। আল্লাহ নিজেকে সব প্রশংসার অধিকারী ঘোষণা করে তার কারণও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক, পরম দয়ালু ও বিচার দিবসের মালিক।

৩. দোয়ার আদব হলো প্রথম আল্লাহর প্রশংসা করা, তার মর্যাদা ও উত্তম গুণাবলি বর্ণনা করা। রাসুল (সা.) তার স্ত্রী উম্মে সালামাকে (রা.) বলেছেন, প্রথমত আল্লাহর প্রশংসা, পবিত্রতা ও বড়ত্ব বর্ণনা করে আল্লাহর কাছে যে কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ ওই দোয়া অবশ্যই কবুল করেন। (সুনান তিরমিজি, সুনান নাসাঈ)

৪. মুসলিম হিসেবে আমাদের কর্তব্য একমাত্র আল্লাহরই ইবাদত করা এবং একমাত্র তার কাছেই সাহায্য চাওয়া, তার ওপরই ভরসা করা।

৫. অনুনয়-বিনয়ের সাথে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত। রাসুল (সা.) বলেছেন, দোয়াই ইবাদত। (মুসনাদে আহমদ) কুরআনের আরেকটি আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, আর তোমাদের রব বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব। নিশ্চয় যারা অহংকার করে আমার ইবাদত থেকে বিমুখ থাকে, তারা অচিরেই লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (সুরা গাফির: ৬০)

৬. আল্লাহর কাছে সরল পথের দিশা বা হেদায়াত প্রার্থনা করা উচিত। হেদায়াত অনেক বড় নেয়ামত।

৭. সব সময় আল্লাহর নেক বান্দাদের অনুসরণ করতে হবে, কাজ ও চিন্তায় তাদের অনুগামী হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পথভ্রষ্ট বান্দাদের পথ অনুসরণ করা, কথা ও কাজে তাদের অনুগামী হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

Address

Noyaati, Muktinagar, Shiddhirgonj
Narayanganj
1361

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Quds posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share