Tuhin library bd

Tuhin library bd Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tuhin library bd, Book shop, shibo market, Narayanganj.

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:Doedu ১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে ক...
26/09/2024

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:
Doedu
১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে
,
২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী
,
( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)
,
,
৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা
,
৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা
,
৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
,
৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো
,
৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা
,
৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়
,
৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে
,
১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা
,
১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা
,
১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা
,
১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো
,
১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন
,
১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে
,
আমার কাছে এই ১৫ টা পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়ছিল, আশা করি অনেকের কাজে আসবে।
(সংগ্রহীত & পরিমার্জিত)

24/09/2024

পৃথিবী বদলে দেয়া ১০০টি বই

বিশ্বের ৩৫টি দেশের লেখক, বইপ্রেমীদের মধ্যে 'বিবিসি কালচার' থেকে একটি জরিপ চালানো হয়, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিলো, কোন বইগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, সমাজ বদলে দিয়েছে।

১০৮ জন লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, অনুবাদকরা ৫টি করে বই নির্ধারন করেন, যেগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছে। বিশ্বের ৩৩ ভাষার বই রয়েছে এর মধ্যে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে উগান্ডা থেকে পাকিস্তানি, কলম্বিয়া থেকে চায়নার মানুষ রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৫১ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা ইংরেজি।

এই নির্বাচনকারীদের মধ্যে ৬০ ভাগ নারী ও ৪০ ভাগ পুরুষ ছিলেন। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ফ্রাঞ্জ কাফকা, ভার্জিনিয়া উলফ এই লেখকদের ৩ টি করে বই স্থান পেয়েছে এই তালিকায়।
চলুন দেখে নেয়া যাক কোন বইগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছেঃ

১. দ্য ওডিসি (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)

২. আঙ্কল টম'স কেবিন (হ্যারিয়েট বিচার স্টো, ১৮৫২)

৩. ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (মেরি শেলি, ১৮১৮)

৪. নাইটিন এইটি-ফোর (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৯)

৫. থিংস ফল অ্যাপার্ট (চিনুয়া আচেবে, ১৯৫৮)

৬. ওয়ান থাউজ্যান্ড অ্যান্ড ওয়ান নাইটস (বিভিন্ন লেখক)

৭. ডন কিহোতে (মিগুয়েল দে সারভান্তেস, ১৬০৫–১৬১৫)

৮. হ্যামলেট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৩)

৯. ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অব সলিটিউড (গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, ১৯৬৭)

১০. দ্য ইলিয়াড (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)

১১. বিলভড (টনি মরিসন, ১৯৮৭)

১২. দ্য ডিভাইন কমেডি (দান্তে আলিগিয়ারি, ১৩০৮–১৩২০)

১৩. রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৫৯৭)

১৪. দ্য এপিক অফ গিলগামেশ (লেখক অজানা)

১৫. হ্যারি পটার সিরিজ (জে কে রাওলিং, ১৯৯৭–২০০৭)

১৬. দ্য হ্যান্ডমেইড'স টেল (মার্গারেট অ্যাটউড, ১৯৮৫)

১৭. ইউলিসিস (জেমস জয়েস, ১৯২২)

১৮. অ্যানিমেল ফার্ম (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৫)

১৯. জেন আয়ার (শার্লট ব্রন্টি, ১৮৪৭)

২০. ম্যাডাম বোভারি (গুস্তাভ ফ্লবেয়ার, ১৮৫৬)

২১. রোমান্স অব দ্য থ্রি কিংডমস (লুয়ো গুয়ানঝং, ১৩২১–১৩২৩)

২২. জার্নি টু দ্য ওয়েস্ট (উ চেং'এন, আনুমানিক ১৫৯২)

২৩. ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট (ফিয়দোর দস্তয়েভস্কি, ১৮৬৬)

২৪. প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস (জেন অস্টেন, ১৮১৩)

২৫. ওয়াটার মার্জিন (শি নাই'আন, ১৫৮৯)

২৬. ওয়ার অ্যান্ড পিস (লিও টলস্টয়, ১৮৬৫–১৮৬৭)

২৭. টু কিল আ মকিংবার্ড (হার্পার লি, ১৯৬০)

২৮. ওয়াইড সারগাসো সি (জিন রাইস, ১৯৬৬)

২৯. ঈশপ'স ফেবলস (ঈশপ)

৩০. ক্যান্ডিড (ভলতেয়ার, ১৭৫৯)

৩১. মেডিয়া (ইউরিপিডিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১)

৩২. মহাভারত (বেদব্যাস, খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক)

৩৩. কিং লিয়ার (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৮)

৩৪. দ্য টেল অফ গেনজি (মুরাসাকি শিকিবু, ১০২১-এর পূর্বে)

৩৫. দ্য সরোস অফ ইয়ং ওয়ের্থার (জোহান উলফগ্যাং ভন গোথে, ১৭৭৪)

৩৬. দ্য ট্রায়াল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯২৫)

৩৭. রিমেমব্রেন্স অফ থিংস পাস্ট (মার্সেল প্রুস্ট, ১৯১৩–১৯২৭)

৩৮. উইদারিং হাইটস (এমিলি ব্রন্টি, ১৮৪৭)

৩৯. ইনভিজিবল ম্যান (রালফ এলিসন, ১৯৫২)

৪০. মবি-ডিক (হারম্যান মেলভিল, ১৮৫১)

৪১. দেয়ার আইজেস ওয়্যার ওয়াচিং গড (জোরা নীল হার্স্টন, ১৯৩৭)

৪২. টু দ্য লাইটহাউস (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৭)

৪৩. দ্য ট্রু স্টোরি অব আহ কিউ (লু সুন, ১৯২১–১৯২২)

৪৪. অ্যালিস'স অ্যাডভেঞ্চারস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (লুইস ক্যারল, ১৮৬৫)

৪৫ আন্না ক্যারেনিনা (লিও টলস্টয়, ১৮৭৩–১৮৭৭)

৪৬. হার্ট অব ডার্কনেস (জোসেফ কনরাড, ১৮৯৯)

৪৭. মাঙ্কি গ্রিপ (হেলেন গার্নার, ১৯৭৭)

৪৮. মিসেস ড্যালোয়ে (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৫)

৪৯. ইডিপাস দ্য কিং (সফোক্লিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪২৯)

৫০. দ্য মেটামরফোসিস (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)

৫১. দ্য ওরেস্টেইয়া (এস্কাইলাস, খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক)

৫২. সিন্ডারেলা (লেখক অজানা, তারিখ অজানা)

৫৩. হাউল (অ্যালেন গিন্সবার্গ, ১৯৫৬)

৫৪. লে মিজারেবল (ভিক্টর হুগো, ১৮৬২)

৫৫. মিডলমার্চ (জর্জ এলিয়ট, ১৮৭১-১৮৭২)

৫৬. পেদ্রো পারামো (হুয়ান রুলফো, ১৯৫৫)

৫৭. দ্য বাটারফ্লাই লাভারস (লোককাহিনী)

৫৮. দ্য ক্যানটারবরি টেলস (জিওফ্রে চসার, ১৩৮৭)

৫৯. পঞ্চতন্ত্র (বিষ্ণু শর্মা, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০)

৬০. দ্য পোস্টহিউমাস মেমোয়ার্স অফ ব্রাস কিউবাস (হোয়াকিম মারিয়া মাচাদো দে আসিস, ১৮৮১)

৬১. দ্য প্রাইম অব মিস জিন ব্রডি (মুরিয়েল স্পার্ক, ১৯৬১)

৬২. দ্য র‍্যাগেড-ট্রাউজারড ফিলানথ্রপিস্টস (রবার্ট ট্রেসেল, ১৯১৪)

৬৩. সং অফ লাউইনো (ওকোট পি'বিটেক, ১৯৬৬)

৬৪. দ্য গোল্ডেন নোটবুক (ডোরিস লেসিং, ১৯৬২)

৬৫. মিডনাইট'স চিলড্রেন (সালমান রুশদি, ১৯৮১)

৬৬. নার্ভাস কন্ডিশনস (টসিতসি ডাংগারেমবগা, ১৯৮৮)

৬৭. দ্য লিটল প্রিন্স (অঁতোয়া দ্য সেন্ট-একজুপেরি, ১৯৪৩)

৬৮. দ্য মাস্টার অ্যান্ড মার্গারিটা (মিখাইল বুলগাকভ, ১৯৬৭)

৬৯. রামায়ন (বাল্মিকি, খ্রিস্টপূর্ব ১১শ শতক)

৭০. অ্যান্টিগোন (সফোক্লিস)

৭১. ড্রাকুলা (ব্রাম স্টোকার, ১৮৯৭)

৭২. দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস (উরসুলা কে. লে গুয়িন, ১৯৬৯)

৭৩. আ ক্রিসমাস ক্যারল (চার্লস ডিকেন্স, ১৮৪৩)

৭৪. আমেরিকা (রাউল ওতেরো রাইখ, ১৯৮০)

৭৫. বিফোর দ্য ল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)

৭৬ চিলড্রেন অফ গেবেলাওয়ি (নাগিব মাহফুজ, ১৯৬৭)

৭৭. ইল কানজনিয়েরে (পেত্রার্ক, ১৩৭৪)

৭৮. কেবরা নাগাস্ট (বিভিন্ন লেখক, ১৩২২)

৭৯. লিটল ওমেন (লুইসা মে অ্যালকট, ১৮৬৮–১৮৬৯)

৮০. মেটামরফোসেস (ওভিড, ৮)

৮১. ওমেরোস (ডেরেক ওয়ালকট, ১৯৯০)

৮২. ওয়ান ডে ইন দ্য লাইফ অফ ইভান ডেনিসোভিচ (আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিন, ১৯৬২)

৮৩. অরল্যান্ডো (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৮)

৮৪. রেইনবো সার্পেন্ট (অস্ট্রেলীয় গল্প)

৮৫. রেভল্যুশনারি রোড (রিচার্ড ইয়েটস, ১৯৬১)

৮৬. রবিনসন ক্রুসো (ড্যানিয়েল ডিফো, ১৭১৯)

৮৭. সং অফ মাইসেলফ (ওয়াল্ট হুইটম্যান, ১৮৫৫)

৮৮. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ হাকলবেরি ফিন (মার্ক টোয়েন, ১৮৮৪)

৮৯. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ টম সয়ার (মার্ক টোয়েন, ১৮৭৬)

৯০. দ্য আলেফ (হোর্হে লুইস বোর্হেস, ১৯৪৫)

৯১. দ্য ইলোকোয়েন্ট পিয়াজেন্ট (প্রাচীন মিশরীয় লোকগল্প)

৯২. দ্য এম্পেরর'স নিউ ক্লোদস (হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন, ১৮৩৭)

৯৩. দ্য জঙ্গল (আপটন সিনক্লেয়ার, ১৯০৬)

৯৪. দ্য খামরিয়াত (আবু নুওয়াস)

৯৫. দ্য রাডেটজকি মার্চ (জোসেফ রথ, ১৯৩২)

৯৬. দ্য রেভেন (এডগার অ্যালান পো, ১৮৪৫)

৯৭. দ্য স্যাটানিক ভার্সেস (সালমান রুশদি, ১৯৮৮)

৯৮. দ্য সিক্রেট হিস্টরি (ডোনা টার্ট, ১৯৯২)

৯৯. দ্য স্নোই ডে (এজরা জ্যাক কেটস, ১৯৬২)

১০০. টোবা টেক সিং (সাদাত হাসান মান্টো, ১৯৫৫)

তথ্যসূত্রঃ BBC Culture, BBC

16/07/2024

ভুল?
দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই দুধের চেয়ে দামি। যদি সেটা আরো
খারাপ হয়, তাহলে পনীর হয়ে যায়। পনীরের মূল্য দই এবং দুধের চেয়ে
অনেক বেশি। আর আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও অনেক বেশী দামী।

তুমি খারাপ না কারণ তুমি ভুল করেছ। ভুল হল সেই অভিজ্ঞতা যা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আরো মূল্যবান করে তোলে। ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছিলেন যা তাকে আমেরিকা আবিষ্কার করতে সাহায্য করেছিল। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে সাহায্য করেছে।

টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন ? তিনি বলছিলেন 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।

কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই - সবই নতুন শিক্ষা।'

বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'

'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার!

কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না!
মাঝে মাঝে ভুল লেখো তাহলে যে সোশ্যাল সাইটে,
তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবেনা বলে পণ করেছে, সেও কমেন্ট করবে।___

বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের
একটি সমন্বিত পক্রিয়া।

বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।

কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না - তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।

অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।

হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।

কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!
যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না! পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না।

তাই আসুন, আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে
ফুলের মত জীবন গড়ি। আমরা ভুল থেকে যা শিখি, তা আমাদের নিখুঁত করে তোলে।

06/03/2024

ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!
১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে
চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা
আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।
৪ - ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র
চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।
৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।
৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
১১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।
১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে
বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।
১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে
পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা জায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে।
( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা
কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)
১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়?
১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবীতে ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত !
( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )
১৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা, সমান্তরাল... কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে
গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।
১৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !!.....আমাদের সমস্যা হল আমরা সব কিছুই জানি... যারা নাস্তিক তারাও জানে... পার্থক্য টা হল ' বোধ' যেমন ধরুন একজন নেশাকর জানে যে নেশা করলেই তার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, যে ছেলে বাবা কে খুন
করেছে সে জানে যে এই মানুষটি তাকে জন্ম
দিয়েছে... সব জেনে শুনেই আমরা সব থেকে খারাপ কাজ গুলো করি... ব্যাপারটা অজ্ঞানতার না ব্যাপারটা ' বোধ' এর।.. আপনার এই বোধটা থাকতে হবে
--- সবার কাছে অনুরোধ শেয়ার করতে ভুলবেন না প্লিজ,কারন এটা আপনার পবিত্র দ্বায়িত্ব। আল্লাহ্ বলেন.. ঐ ব্যাক্তির কথার চেয়ে কার কথা উওম যে নিজে সৎকর্ম করে এবং অন্যকে সৎকর্মের জন্য আহবান করে।____ সূরা হা-মিম সিজদাহ্--(৩৩)......। নবী সা.বলেন. আমার পরে সবচেয়ে বড় দানশীল ব্যাক্তি তিনি,যে কোন বিষয়ে জানলো এবং অন্যকে তা জানালো.....( বায়হাকী)(সংগৃহীত)

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্য...
29/02/2024

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।

গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নেই তাহলে🥰🥰

🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।

এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।

আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।

যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।

কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।

খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️

🔰চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।

📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।

26/08/2023
🥲বাঁ’শ কাকে বলে শুনেন🥲কালকে এক বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়েবাসায় আসতে প্রচুর লেট হয়েছিল।বাসায় আসার পর😑আম্মুঃ কিরে কই ছিলি?🙄...
23/08/2023

🥲বাঁ’শ কাকে বলে শুনেন🥲

কালকে এক বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়ে

বাসায় আসতে প্রচুর লেট হয়েছিল।

বাসায় আসার পর😑

আম্মুঃ কিরে কই ছিলি?🙄


আমিঃ এইতো এক ফ্রেন্ডের বাসায়।😔


আব্বুঃ ছেলেটা এই মাত্র বাসায় আসলো খেতে দাও😎


তখন আম্মু আমাকে খেতে দিয়ে ভিলেন স্টাইলে এক এক করে 12 টা ফ্রেন্ড এর বাসায় ফোন দিলেন😱😱


তার মধ্য ৫ জনই বললো হ্যা আন্টি ও ত এখানেই ছিলো😊


২ জন বললো হ্যা আন্টি ও ত একটু আগেই বেরিয়ে গেল🙂


৩ জন বললো অ্যান্টি ও তো এখানেই আছে পড়তেছে ফোন দেই😍


১জন বললো টয়লেটে গেছে আন্টি 😁😁


আর একজন ত বেশি পা’ক’না’মী কইরা আমার কন্ঠ ন’ক’ল করেই বললো হ্যা আম্মু কিছু বলবা🤗🤗


এখন বলেন তো কেমন ডা লাগে।

যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন।

স্কুল পালালেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না।ইদানীং দেখা যাচ্ছে কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিতভাবে স্কুলে অনুপস্থিত থাকে। একদিন আসেতো ত...
19/08/2023

স্কুল পালালেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না।

ইদানীং দেখা যাচ্ছে কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিতভাবে স্কুলে অনুপস্থিত থাকে। একদিন আসেতো তিনদিন আসেনা। অভিভাবকদের ফোন দিলে বলেন, স্যার, ছেলে /মেয়ে বলে, স্কুলে ক্লাস হয়না। আসলে এটি সর্বৈব সত্য নয়। কেসস্ট্যাডি করে দেখা গেছে,যে সকল শিক্ষার্থী কারণে অকারণে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে তারাই মূলত: নিজেকে সেভ করতে অভিভাবকদের মিথ্যা তথ্য দেয়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিদ্যালয়ে না গিয়ে তারা বাসায় বসে কী করে! আমার মাঝে মধ্যে ইচ্ছে হয়, আলাদীনের চেরাগ হাতে থাকলে দৈত্যকে বলতাম, ঘরে ঘরে নিয়ে দেখাও, ছেলে মেয়েরা স্কুল ফাঁকি দিয়ে ঘরে বসে কী করছে? কিন্তু সে সক্ষমতা আমার নেই। তাই কল্পনায় বুঝে নেই, নিশ্চয়ই ছেলেমেয়েরা এসময় ভালো কিছু করেনা। হয় টিভি দেখে নাহয় মোবাইল টিপে অথবা আড্ডা দিয়ে কিংবা ঘুমিয়ে এই সময়টা কাটায়। আর যদি তাই হয় তবে কেন স্কুলের মিছে বদনাম করা!

স্কুলে দুয়েকটি ক্লাস মিস হলেও ঘর থেকে বেটার একটা সময় কাটে বাচ্চাদের। স্কুলে বাচ্চারা পাঠ্যপুস্তক জ্ঞান ছাড়াও শিক্ষকদের নীতি নৈতিকতা জ্ঞান, মোটিভেশান লাভ করে। এর বাইরেও স্কুলে তারা ভাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, ধৈর্য্য সহিষ্ণুতা, দেশপ্রেমসহ মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।এমনকি ক্লাসের ফাঁকে কিংবা গ্যাপ ক্লাসে পরিশোধিত দুষ্টুমি, আড্ডা, খেলাধুলা ইত্যাদিও বাচ্চাদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।

কাজেই সম্মানিত অভিভাবকগণ, সচেতন থাকুন। আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠান। স্কুলে না গিয়ে কোন অজুহাত দাঁড় করালে তা খতিয়ে দেখুন। তাদের টেলিভিশন কিংবা মোবাইল আসক্তির কারণেই স্কুল ফাঁকি দিচ্ছে কিনা তা বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে স্কুলে এসে শিক্ষকদের সাথে কথা বলুন।

আর স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছেলেমেয়েরা বাসায় সিরিয়াসলি পড়ছে দেখে যে সকল অভিভাবক খুশি হন কিংবা যে সকল অভিভাবক মনে করেন স্কুলে গিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই বরং তার চেয়ে বাসায় বসে পড়লেই আপনার সন্তান সেরা রেজাল্ট করবে তাদের উদ্দেশ্য বলছি, স্কুলকে অবজ্ঞা করে এপর্যন্ত কোন ছেলে মেয়ে ভালো কিছু করেছে এমন অভিজ্ঞতা আমার তেত্রিশ বছরের শিক্ষকতা জীবনে নেই। প্রবাদে আছে, স্কুল পালালেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না।
এক সম্মানিত শিক্ষকের ওয়াল থেকে
আবুসাইদ আরমান
সিনিয়র শিক্ষক ( গনিত)
০১৫৫৭১৯৯৫১৯

আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন, তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মু...
17/08/2023

আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন,
তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে ।" -আইনস্টাইন তো অবাক!!!
উনি তখন বললেন "বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।"
-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন । উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন । এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন ।
-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন "স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সঙ্গাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?"
-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে । কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন । ড্রাইভার উত্তর দিল।।
-"এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে ।"
বিঃদ্রঃ- জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে চলাফেরা করলে আপনিও জ্ঞানী হবেন। আপনি যেমন মানুষের সাথে ঘুরবেন তেমনই হবেন।
এই জন্যে কথায় আছে,
"সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ"।

collected

অনেকক্ষণ ধরে খেয়াল করছি  বাবা আমার রুমের সামনে আসে তারপর কি একটা চিন্তা করে আবার চলে যায় । আমি বাবাকে ডেকে আমার রুমে নিয়...
17/08/2023

অনেকক্ষণ ধরে খেয়াল করছি বাবা আমার রুমের সামনে আসে তারপর কি একটা চিন্তা করে আবার চলে যায় । আমি বাবাকে ডেকে আমার রুমে নিয়ে আসলাম। তারপর বাবার হাতটা ধরে বললাম,
-- বাবা, কিছু বলবে আমায়?
বাবা নিচের দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমি যদি তোর মত চুল কাটি, দাড়ি কাটি, তুই যে সমস্ত কাপড় চোপড় পড়িস সেই গুলো যদি আমি পড়ি আর তোর বাইকটা যদি আমি মাঝে মধ্যে চালাই তাহলে কি তোর কোন সমস্যা হবে?
আমি বাবার কথা শুনে অবাক হয়ে বললাম,
-- না বাবা কোন সমস্যা নেই। কিন্তু বাবা হঠাৎ কেন এমন করবে সেটা আমায় একটু বলবে?

বাবা এইবার আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমি কখনো আমার জীবনটা উপভোগ করতে পারি নি।খুব অভাব অনটনে বড় হয়েছি। আমি খুব কষ্ট করে আমার ছাত্র জীবন পার করেছি। আমার বন্ধুরা যখন স্টুডেন্ট লাইফটা এনজয় করতো আর আমি তখন টিউশনি করিয়ে নিজের আর নিজের পরিবারের খরচ চালাতাম। যখন ভালো একটা চাকরি পেলাম ভাবলাম এখন জীবনটা উপভোগ করবো কিন্তু তার আগেই বাবা মা আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলো। বিয়ের পর তোর মাকে দেখে মনে হলো আজ থেকে আমার সুখের জীবন শুরু। কিন্তু সেই সুখ আমার কপালে বেশিদিন ঠিকলো না। তুই জন্মের ২ বছর পর হঠাৎ তোর মা মারা যায়। তোর কথা ভেবে দ্বিতীয় বিয়ে করি নি। তারপর তকে মানুষ করতে আর তোর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে টাকার পিছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে বুড়ো হয়ে গেলাম নিজেও জানি না। আর আজ এত বছর পর হঠাৎ ইচ্ছে হচ্ছে নিজের জীবনটা একটু উপভোগ করতে।

বাবার কথা গুলো শোনার পর নিজের চোখের জলটা কোন রকমে লুকিয়ে বাবাকে বললাম,
-- বাবা আমার কোন সমস্যা নেই। এই নাও বাইকের চাবি। আজ থেকে তুমি ২০ বছরের তরতাজা যুবকের মত নিজের জীবনটা উপভোগ করো...
|
|
সেদিন দুপুরে অফিসে বসে কাজ করছি এমন সময় আমার বন্ধু রাকিব আমায় ফোন দিয়ে বললো,
- পিয়াস, চাচা কি ঠিক আছে?
আমি বললাম,
-- মানে?
রাকিব তখন বললো,

- বন্ধু, কিছুক্ষণ আগে গলির মোরের দোকানটাতে বসে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ কে যেনো আমার পিছনে থাপ্পড় মেরে বললো, হোয়াটস আপ ব্রো। তাকিয়ে দেখি তোর বাবা৷ গলায় মোটা চিইন, দাড়ি স্টাইল করে কাটা৷ চুল হাইলাইট করা। একটা টিশার্ট পড়েছে আর তাতে লেখা, "আহো ভাতিজা আহো" আর কাটাছেঁড়া জিন্স প্যান্ট। আমি তোর বাবাকে বললাম, আসসালামুয়ালাইকুম চাচা। কিন্তু তোর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বললো, আমাকে কি চাচার মত লাগে?

আমি রাকিবের কথা শুনে বিরক্ত হয়ে বললাম,
-- দেখ আমার বাবা হলো মর্ডাণ বাবা। তোর বাবার মত ফকিন্নি বাবা না। আজ থেকে তকে আমি চাচা বলে ডাকবো আর তুই আমার বাবাকে ভাই বলে ডাকবি

এই কথা বলে আমি ফোনটা রেখে কাজে মন দিলাম...
|
|
অফিস থেকে ফেরার পথে আমাদের পাশের বাসার করিম আংকেল আমায় ডেকে আমতা আমতা করে বললো,
~ বাবা লজ্জার কথা তোমায় কিভাবে যে বলি। আমার বউ মানে তোমার চাচী একটু বাহিরে বের হয়েছিলো। তোমার বাবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমার বউকে দেখে শিস বাজায় আবার চোখও মারে।

আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- চাচা, চাচী কি বোরকা পরে বের হয় নি?
চাচা মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো,
-না তো, শাড়ি পরে বের হয়েছিলো.

আমি তখন বললাম,
--দেখেন চাচা, বোরকা না পরে বের হলে রাস্তাঘাটে বাচ্চা পোলপান একটু আধটু শিস বাজাবে চোখে ইশারা করবে এটাই স্বাভাবিক।

করিম আংকেল আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো,
- তোমার বাবা বাচ্চা পোলাপান?

আমি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললাম,
-- বাচ্চা না তো আপনার মত বুইড়া না কি? আমার বাবার লুক দেখেছেন, স্টাইল দেখেছেন? আপনার তো এক পা কবরে আর আমার বাবাকে বুইড়া বলেন
|
|
আজ বাবা কালো থ্রি কোয়াটার পড়েছে আর সাদা টিশার্ট। টিশার্টের উপর সুন্দর করে লেখা, "বুঝো না দুধু খাও"। আমি বাবাকে বললাম,
-- বাবা, তোমায় জন আব্রাহামের মত লাগছে।
বাবা মুচকি হেসে বললো,
~ একজনকে আমার খুব ভালো লাগে রে। কিন্তু কিভাবে প্রপোজ করবো বুঝতে পারছি না।
আমি বাবাকে তখন বললাম,
-- তুমি মোটেও চিন্তা করো না। তোমার এই লাভার বয় ছেলে তোমাকে সব শিখিয়ে দিবে

আমি সারারাত বাবাকে প্রেমের সকল নিয়ম কায়দা শিখালাম...
|
|

কয়েকদিন পর কলিংবেলের আওয়াজ শুনে দরজা খুলে আমি পুরো অবাক হয়ে যায়। দেখি বাবা একটা মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছে। আমাকে দেখে বাবা বললো,
~ পিয়াস, সালাম কর। আজ থেকে উনি তোর নতুন মা। আজকাল একা থাকতে ভালোলাগে না। তাই তোর দেওয়া বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে প্রেম করে বিয়ে করে ফেলি...

আমি এই মুহূর্তে ঠিক কি বলবো বুঝতে পারছি না। এমন সময় আমার গার্লফ্রেন্ড শ্রাবণীর ফোন। আমি ফোন রিসিভ করতেই শ্রাবণী কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- পিয়াস, মাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
আমি গোমড়া মুখে বললাম,
-- তোমার মা আমাদের বাসায়। তুমি তাড়াতাড়ি আসো...
|
|
ছাদের এককোণে চুপ করে বসে আছি। শ্রাবণী আমার কাছে এসে আমার পিঠে সমানে কিল ঘুষি মারতে লাগলো। তারপর কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- ৫ বছর প্রেম করে শেষমেষ ভাই বোন হয়ে গেলাম। আরো বাবাকে আধুনিক বানাও। তোমার বাবা দুনিয়াতে আর কোন মানুষ পেলো না শেষ পর্যন্ত আমার মাকেই খুঁজে পেলো?
আমি এইবার রেগে গিয়ে বললাম,
-- তোমার মার কি আক্কেল বুদ্ধি নাই? এই বয়সে মেয়ের বিয়ে না দিয়ে নিজে বিয়ে করে ফেলেছে..
শ্রাবণী আরো রেগে গিয়ে বললো,
-একদম আমার মা নিয়ে উল্টো পাল্টা কথা বলবে না।
আমিও রেগে গিয়ে বললাম,
-- তুমিও আমার বাবা নিয়ে কোন ফালতু কথা বলবে না...

ঝগড়ার এক পর্যায়ে শ্রাবণী আমার চুল আর আমি শ্রাবণীর চুল ধরে টানতে লাগলাম। এমন সময় খেয়াল করি বাবা আর শ্রাবণীর মা আমাদের দেখে হাসছে আর বলছে,
ভাই বোন ঝগড়া করবে এটাই তো স্বাভাবিক...

আমি মনে মনে বলতে লাগলাম,
-- হাইরে আমার বাবা, কি বাঁশটাই না দিলা..
#বাশ

Address

Shibo Market
Narayanganj
1400

Telephone

01915676505

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tuhin library bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tuhin library bd:

Share

Category