Bismillah Collection & Sunnah Shop

Bismillah Collection & Sunnah Shop সততা আর বিশ্বস্ততার একটি অনলাইন শপ।

তাই বলে দিনে দুপুরে এমন ডাকাতি?ছোট ভাই এর জন্য একটি মিনি ফ্যান কিনতে মার্কেটে গেলাম। অনলাইন হাইপ দেখে দোকানদারকে জিজ্ঞেস...
16/04/2026

তাই বলে দিনে দুপুরে এমন ডাকাতি?

ছোট ভাই এর জন্য একটি মিনি ফ্যান কিনতে মার্কেটে গেলাম। অনলাইন হাইপ দেখে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই JYSUPER 2218 মডেলের ফ্যানটি আছে? বলল জি, আছে।

বললাম ১ পিস দেন তো। দোকানদার হাতে রেখেই বলল-হুজুররা কিন্তু দামাদামি বেশি করে। জিজ্ঞেস করলাম কত এটা? বলল- ২২৫০/-টাকা। তবে আপনি দাম বলতে পারেন। আমি বললাম দাম বলার আর রুচি নাই। শখ মিটে গেছে।

বললাম - ব্যবসা মনে হয় একদিনই করবেন মিয়া। এভাবে ডাকাতি না করলেও পারেন! পরে বলে ১৫০০/- টাকা রাখা যাবে লাস্ট। ব্যাপারটা খেয়াল করেছেন কি পরিমানে ডাকাতি করে?

সেদিন থেকে নিয়ত করলাম। মার্কেটের দোকানদারদের মত ডাকাতি না করে যদি কমে ন্যায্য দামে আমার প্রিয় ভাইদের কে এই ফ্যানটি দিতে পারি মন্দ কি তাতে!

➡️ ফ্যানটি এত জনপ্রিয়তা হওয়ার কারণ কি?

আমার যেটা মনে হল: এটি দেখতে স্টাইলিশ,মজবুত, চার্জ বেকাপ ভালো, মুভিং,টেবিলে বা উপরে ঝুলিয়েও ব্যবহার করা যায়। আবার, এটি মোবাইল স্ট্যান্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

ফ্যানটির বিবরণঃ
⏹️ ফুল চার্জে ৫/৬ ঘন্টা চলবে ঘন্টা(একটানা)
⏹️ স্পিড মোডঃ নরমাল / মিডিয়াম / ফুল স্পিড
⏹️ ব্যাটারিঃ ৪০০০ এমএএইচ লিথিয়াম ব্যাটারি
⏹️ সাইজঃ ১২.৫ ইঞ্চি ব্লেড
⏹️ কালার অপশনঃ সাদা, কালো, গোলাপি

আর হ্যাঁ, স্টাইলিশ, মুভিং,মোবাইল স্ট্যান্ড, ভাইরাল এই ফ্যানটি নিতে চাইলে ইনবক্সে মেসেজ দিন বা এই নাম্বারে কল করুন:01627755372

উফ! গরমে কিছুই ভালো লাগছে না।একটি ফ্যান হলে কতই না ভালো হত!হ্যাঁ, আপনার জন্যই আমরা নিয়ে এসেছি৷ কমপ্যাক্ট, স্টাইলিশ আর শক...
15/04/2026

উফ! গরমে কিছুই ভালো লাগছে না।
একটি ফ্যান হলে কতই না ভালো হত!

হ্যাঁ, আপনার জন্যই আমরা নিয়ে এসেছি৷
কমপ্যাক্ট, স্টাইলিশ আর শক্তিশালী – গরমে আপনার সেরা সঙ্গী! JoySuper JY-2218 রিচার্জেবল মুভিং ফ্যান!

স্পেসিফিকেশনঃ
✅ ফুল চার্জে ৫/৬ ঘন্টা চলবে ঘন্টা(একটানা)
✅ স্পিড মোডঃ নরমাল / মিডিয়াম / ফুল স্পিড
✅ ব্যাটারিঃ ৪০০০ এমএএইচ লিথিয়াম ব্যাটারি

বাংলাদেশের যে কোন জায়গা থেকে অর্ডার করতে ইনবক্স বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন :01627-755372

হুজুররা কিন্তু দামাদামি বেশি করে! ছোট ভাই জুবাইয়ের এর জন্য একটি মিনি ফ্যান কিনতে মার্কেটে গেলাম। অনলাইন হাইপ দেখে দোকানদ...
15/04/2026

হুজুররা কিন্তু দামাদামি বেশি করে!

ছোট ভাই জুবাইয়ের এর জন্য একটি মিনি ফ্যান কিনতে মার্কেটে গেলাম। অনলাইন হাইপ দেখে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই JYSUPER 2218 মডেলের ফ্যানটি আছে? বলল জি, আছে।

বললাম ১ পিস দেন তো। দোকানদার হাতে নিয়েই বলল-হুজুররা কিন্তু দামাদামি বেশি করে। জিজ্ঞেস করলাম কত এটা?২২৫০ টাকা। তবে আপনি দাম বলতে পারেন। আমি বললাম দাম বলার আর রুচি নাই। শখ মিটে গেছে।

বললাম - ব্যবসা মনে হয় একদিনই করবেন মিয়া। এভাবে ডাকাতি না করলেও পারেন! পরে বলে ১৫০০ টাকা রাখা যাবে লাস্ট। ব্যাপারটা খেয়াল করেছেন কি পরিমানে ডাকাতি করে?

সে থেকে নিয়ত করলাম। যদি কমে ন্যায্য দামে আমার প্রিয় ভাইদের কে এই ফ্যানটি দিতে পারি মন্দ কি তাতে!

আর হ্যাঁ, স্টাইলিশ, মুভিং,মোবাইল স্ট্যান্ড এই ফ্যানটি চাইলে অর্ডার করতে পারেন।

নিতে এখনই ইনবক্সে মেসেজ দিন বা এই নাম্বারে কল বা মেসেজ করুন: 01627-755372

আলেমের মৃত্যু জগতের মৃত্যু!!😭
14/08/2023

আলেমের মৃত্যু জগতের মৃত্যু!!😭

01/08/2023

আশেপাশে অনেকেই থাকে, বিপদে সবাই এগিয়ে আসে না।
বিশেষ কেউ থাকে, একটু দেরি হলেও, সে আসেই।
আয়েগা আনেওয়ালা!

©

19/07/2023

বর্তমানে মাদরাসায় পড়ানো কিংবা মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি রোজগারের জন্য কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়ানো অনেকেই খারাপ মনে করে থাকেন।

ভাবেন, আলেম মানেই তো শুধু মাদরাসা, মসজিদ, খানকা নিয়েই পড়ে থাকা এক গোষ্ঠীর নাম।

সাধারণের পাশাপাশি এমনটা আলেমরাও ধারণা করে বসছেন আজকাল।
অথচ নিজ হাতে জীবিকা উপার্জন করা একটা উত্তম কাজ। এটা তাকওয়া, পরহেজগারির বিপরীত কোনো বিষয় নয়।

বুখারি শরিফের ২৭৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ও রয়েছে।

তাছাড়া নবী-রাসুল সা. সাহাবায়ে কেরাম ও আকাবিরদের প্রায় প্রত্যেকেই ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি সংসার পরিচালনার জন্য কোনো একটি পেশা বা কাজ বেছে নিয়েছিলেন।

হজরত দাউদ আ. রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি লৌহবর্ম তৈরি করতেন।
হজরত সোলাইমান আ. ঝুড়ি বানাতেন।

রাসুল সা. ও সাহাবায়ে কেরামের অনেকেই নানা ধরনের ব্যবসা করেছেন।

এই তো কয়েক শ’ বছর আগেও বাদশাহ আওরঙ্গজেব রহ. নিজ হাতে কুরআন শরিফ লিপিবদ্ধ করতেন এবং তা বিক্রি করতেন।

আজও দারুল উলুম দেওবন্দের কুতুবখানায় তার হাতে লেখা কুরআনে কারিমের সেই কপি হুবহু বিদ্যমান।

দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার আগে শাইখুল ইসলাম হজরত মাওলানা কাসেম নানুতুবি রহ. মিরাঠের একটি ছাপাখানায় প্রুফ দেখার কাজ করতেন।

দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর তা ছেড়ে দেওয়ার তাগাদা দিয়ে চিঠি দেওয়া হলো। তিনি আরজ করলেন, ‘সব ছেড়ে দিলে আমার পরিবারের খরচ বহন করব কী করে!’

তাহলে কি তার মাঝে কোনো তাকওয়া, পরহেজগারি ছিল না?
অবশ্যই ছিল।

অধিক তাকওয়ার ফলেই দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে তিনি কোনো দিনও বেতন গ্রহণ করতেন না।

বর্তমানে আমাদের পথপ্রদর্শক দারুল উলুম দেওবন্দের আসাতিজায়ে কেরাম অধ্যাপনার পাশাপাশি কোনো না কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন।

আমি নিজেও বহুদিন কুতুবখানায় কাজ করেছি। ছাপানো, বাইন্ডিং সব নিজ হাতে করেছি। কারো সহযোগিতা নেইনি কখনো।

দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে ভাতা গ্রহণ করে আবার লিল্লাহ ফান্ডে ওয়াকফ করে দিই আজ অবধি।

আলেমরা মাদরাসা-মসজিদ, মক্তব, খানকা সবই দেখবেন।
পাশাপাশি প্রয়োজনমাফিক জীবিকা উপার্জনের জন্য যেকোনো একটি কাজে লেগে যাবেন।

তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন ধর্মীয় কাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।

আর মাদরাসা ও মসজিদ থেকে যা পাবে, তাকে গনিমত মনে করা চাই।
আল্লাহ কবুল করুন।

গত পরশু আমাদের এক উদ্যোক্তা ভাই জানালেন, মাদ্রাসায় খেদমতের পাশাপাশি কওমি উদ্যোক্তায় টুকটাক ব্যবসা করার কারণে মুহতামিম সাহেব করা ভাষায় সমালোচনা করেছেন। দ্রুত সব ছেড়ে দেয়ার জন্য বলেছেন। অন্যথায় তাকে মাদ্রাসায় রাখা হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।

অথচ আমাদের জানা মতে তিনি মাদরাসার সব দরস ও নেগরানি ঠিক রেখেই কাজ করছিলেন। এরপরও এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া কতটা জরুরি ছিল। আল্লাহপাক আমাদের সহিহ বুঝ দিন। আর আকাবিরের পথ ও নীতি অবলম্বনের তওফিক দিন।

©

17/06/2023

বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করার জন্য I এক জায়গায় তিনি দেখলেন, এক লোক কিছু দাস- দাসী নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে I

আব্দুল্লাহ দেখলেন সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ছোট নয় বছরের কালো আফ্রিকান আবিসিনিয়ার মেয়ে I মেয়েটাকে দেখে আব্দুল্লাহর অনেক মায়া হলো, একটু রুগ্ন হালকা-পাতলা কিন্তু কেমন মায়াবী ও অসহায় দৃষ্টি দিয়ে তাঁকিয়ে আছে I

তিনি ভাবলেন ঘরে আমেনা একা থাকেন, মেয়েটা পাশে থাকলে তার একজন সঙ্গী হবে I এই ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিনে নিলেন I

মেয়েটিকে আব্দুল্লাহ ও আমেনা অনেক ভালোবাসতেন I স্নেহ করতেন I এবং তারা লক্ষ্য করলেন যে, তাদের সংসারে আগের চেয়েও বেশি রাহমাত ও বরকত চলে এসেছে I
এই কারণে আব্দুল্লাহ ও আমেনা মেয়েটিকে আদর করে নাম দিলেন "বারাকাহ"I

এই গল্প, বারাকার গল্প I

তারপর একদিন আব্দুল্লাহ, ব্যবসার কারণে সিরিয়া রওনা দিলেন I আমেনার সাথে সেটাই ছিল উনার শেষ বিদায় I

উনার যাত্রার দুই এক দিন পর আমেনা একরাতে স্বপ্নে দেখলেন, আকাশের একটা তারা যেন খুব আলো করে তার কোলে এসে পড়লো I

পরদিন ভোরে তিনি বারাকাকে এই স্বপ্নের কথা বললেন I
উত্তরে বারাকা মৃদু হেসে বললেন, "আমার মন বলছে আপনার একটা সুন্দর সন্তানের জন্ম হবে"

আমেনা তখনও জানতেন না তিনি গর্ভ ধারণ করেছেন কিন্তু কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন, বারাকার ধারণাই সত্যি I

আব্দুল্লাহ আর ফিরে আসেন নি, সিরিয়ার পথেই মৃত্যুবরণ করেছেন I

আমেনার সেই বিরহ ও কষ্টের সময়ে, বারাকা ছিলেন একমাত্র সবচেয়ে কাছের সঙ্গী I

একসময় আমেনার অপেক্ষা শেষ হয় এবং তিনি জন্ম দিলেন আমাদের প্রিয় নবীকে I

শেখ ওমর সুলাইমানের বর্ণনা অনুযায়ী, সর্বপ্রথম আমাদের নবীকে দেখার ও স্পর্শ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে মানুষটির, সে হলো এই আফ্রিকান ক্রিতদাসী ছোট কালো মেয়েটি I

আমাদের নবীকে নিজ হাতে আমেনার কোলে তুলে দিয়েছিলেন, আনন্দে ও খুশিতে বলেছিলেন,
"আমি কল্পনায় ভেবেছিলাম সে হবে চাঁদের মত কিন্তু এখন দেখছি, সে যে চাঁদের চেয়েও সুন্দর "

এই সেই বারাকা I নবীজির জন্মের সময় উনার বয়স ছিল তের বছর I ছোটবেলায় শিশু নবীকে আমেনার সাথে যত্ন নিয়েছেন, গোসল দিয়েছেন, খাওয়াতে সাহায্য করেছেন,আদর করে ঘুম পাড়িয়েছেন I

মৃত্যুর সময় আমেনা, বারাকার হাত ধরে অনুরোধ করেছিলেন তিনি যেন তাঁর সন্তানকে দেখে শুনে রাখেন I
বারাকা তাই করেছিলেন Iবাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে, ইয়াতিম নবী চলে আসলেন দাদা আবদুল মোত্তালিবের ঘরে I

উত্তরাধিকার সূত্রে নবী হলেন বারাকার নতুন মনিব I
কিন্তু তিনি একদিন বারাকাকে মুক্ত করে দিলেন, বললেন,
-"আপনি যেখানে ইচ্ছে চলে যেতে পারেন , আপনি স্বাধীন ও মুক্ত I"

সেই শিশুকাল থেকেই নবী এই ক্রীতদাস প্রথাকে দূর করতে চেয়েছিলেন Iবারাকা নবীকে ছেড়ে যেতে রাজি হলেন না I রয়ে গেলেন I মায়ের ছায়া হয়ে পাশে থেকে গেলেন I

এমনকি নবীজির দাদা উনাকে বিয়ে দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হলেন না I উনার একই কথা, -"আমি আমেনাকে কথা দিয়েছি, আমি কোথাও যাবো না"

তারপর একদিন খাদিজা (রাঃ) এর সাথে নবীজির বিয়ে হলো I বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বারাকাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন I তিনি বললেন, "উনি হলেন আমার মায়ের পর আরেক মা "

বিয়ের পর রাসূল (সাঃ) একদিন বারাকাকে ডেকে বললেন,
-"উম্মি ! আমাকে দেখাশুনা করার জন্য এখন খাদিজা আছেন, আপনাকে এখন বিয়ে করতেই হবে I" (নবীজি উনাকে উম্মি ডাকতেন, নাম ধরে ডাকতেন না )

তারপর রাসূল (সাঃ) ও খাদিজা মিলে উনাকে উবাইদ ইবনে জায়েদের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন I কিছুদিন পর বারাকার নিজের একটা ছেলে হলো, নাম আইমান I এরপর থেকে বারাকার নতুন নাম হয়ে গেলো "উম্মে আইমান"I

একদিন বারাকার স্বামী উবাইদ মৃত্যু বরণ করেন, নবীজি গিয়ে আইমান ও বারাকাকে সাথে করে নিজের বাড়ি নিয়ে আসেন এবং সেখানেই থাকতে দিলেন I

কিছুদিন যাওয়ার পর নবীজি একদিন বেশ কয়েকজন সাহাবীকে ডেকে বললেন,

"আমি একজন নারীকে জানি, যার কোন সম্পদ নেই, বয়স্ক এবং সাথে একটা ইয়াতিম সন্তান আছে কিন্তু তিনি জান্নাতি, তোমাদের মধ্যে কেউ কি একজন জান্নাতি নারীকে বিয়ে করতে চাও?"

এইকথা শুনে জায়েদ ইবনে হারিসা (রাঃ) নবীজির কাছে এসে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন I নবীজি উম্মে আইমানের সাথে কথা বলে বিয়ের আয়োজন করলেন I

বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) জায়েদকে বুকে জড়িয়ে আনন্দে ও ভালোবাসায়, ভেজা চোখে, কান্না জড়িত কণ্ঠে বললেন,
"তুমি কাকে বিয়ে করেছো, জানো জায়েদ ?"
-হাঁ, উম্মে আইমানকে I জায়েদের উত্তর I নবীজি বললেন, -"না, তুমি বিয়ে করেছো, আমার মা কে "

সাহাবীরা বলতেন, রাসূল (সাঃ) কে খাওয়া নিয়ে কখনো জোর করা যেত না I উনি সেটা পছন্দ করতেন না I কিন্তু উম্মে আইমান একমাত্র নারী, যিনি রাসূল (সাঃ) কে খাবার দিয়ে "খাও".." খাও".. বলে তাড়া দিতেন I আর খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাশে বসে থাকতেন I নবীজি মৃদু হেসে, চুপ চাপ খেয়ে নিতেন I

রাসূল (সাঃ) উনার দুধ মাতা হালিমাকে দেখলে যেমন করে নিজের গায়ের চাদর খুলে বিছিয়ে তার উপর হালিমাকে বসতে দিতেন ঠিক তেমনি মদিনায় হিজরতের পর দীর্ঘ যাত্রা শেষে উম্মে আইমান যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন নবীজি উনার গায়ের চাদরের একটা অংশ পানিতে ভিজিয়ে, উম্মে আইমানের মুখের ঘাম ও ধুলোবালি নিজ হাতে মুছে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "উম্মি ! জান্নাতে আপনার এইরকম কোন কষ্ট হবে না"

নবীজি মৃত্যুর আগে সাহাবীদের অনেক কিছুই বলে গিয়েছিলেন I সেই সব কথার মধ্যে একটা ছিল, উম্মে আইমানের কথা Iবলেছেন, "তোমরা উম্মে আইমানের যত্ন নিবে, তিনি আমার মায়ের মত I তিনিই একমাত্র নারী, যিনি আমাকে জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছেন I আমার পরিবারের একমাত্র সদস্য, যিনি সারাজীবন আমার পাশে ছিলেন I"

সাহাবীরা সেই কথা রেখেছিলেন I গায়ের রং নয়, এক সময়ের কোন ক্রিতদাসী নয়, তাঁর পরিচয় তিনি যে নবীর আরেক মা I মায়ের মতোই তাঁরা, এই বৃদ্ধা নারীকে ভালোবেসে আগলে রেখেছিলেন I

সূত্র: ইবনে হিশাম ও শেখ ওমর সুলাইমান, "Woman who cared forever"
Sayeed Mahbub Khan
অতিরিক্ত সচিব

কপি, নাসির আল হাদী গলমুকাপনী

14/06/2023

কেবল মসজিদ মাদরাসা নির্ভর না থেকে যে কোন পেশা গ্রহন করুন:
- আলেমদের উদ্দেশ্যে পালনপুরী রহ.

আলেমগণ জীবিকা উপার্জনের জন্য মসজিদ মাদরাসা নির্ভর না থেকে অন্য যে কোনো পেশা গ্রহন করতে পারেন বলে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের প্রখ্যাত আলেম মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ.।

দারুল উলুম দেওবেন্দের নবীন আলেমদের উদ্দেশ্যে বয়ান প্রদানকালে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে মাদরাসায় পড়ানো কিংবা মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি রোজগারের জন্য কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়ানো অনেকেই খারাপ মনে করে থাকেন। ভাবেন, আলেম মানেই তো শুধু মাদরাসা, মসজিদ, খানকা নিয়েই পড়ে থাকা।

সাধারণের পাশাপাশি এমনটা আলেমরাও ধারণা করে বসছেন আজকাল। অথচ নিজ হাতে জীবিকা উপার্জন করা একটা উত্তম কাজ। এটা তাকওয়া, পরহেজগারির বিপরীত কোনো বিষয় নয়। বুখারি শরিফের ২৭৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ও রয়েছে।

তাছাড়া নবী-রাসুল সা. সাহাবায়ে কেরাম ও আকাবিরদের প্রায় প্রত্যেকেই ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি সংসার পরিচালনার জন্য কোনো একটি পেশা বা কাজ বেছে নিয়েছিলেন।

হজরত দাউদ আ. রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি লৌহবর্ম তৈরি করতেন। হজরত সোলাইমান আ. ঝুড়ি বানাতেন। রাসুল সা. ও সাহাবায়ে কেরামের অনেকেই নানা ধরনের ব্যবসা করেছেন।

এই তো কয়েক শ’ বছর আগেও বাদশাহ আওরঙ্গজেব রহ. নিজ হাতে কুরআন শরিফ লিপিবদ্ধ করতেন এবং তা বিক্রি করতেন। আজও দারুল উলুম দেওবন্দের কুতুবখানায় তার হাতে লেখা কুরআনে কারিমের সেই কপি হুবহু বিদ্যমান।

দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার আগে শাইখুল ইসলাম হজরত মাওলানা কাসেম নানুতুবি রহ. মিরাঠের একটি ছাপাখানায় প্রুফ দেখার কাজ করতেন। দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর তা ছেড়ে দেওয়ার তাগাদা দিয়ে চিঠি দেওয়া হলো।

তিনি আরজ করলেন, ‘সব ছেড়ে দিলে আমার পরিবারের খরচ বহন করব কী করে!’ তাহলে কি তার মাঝে কোনো তাকওয়া, পরহেজগারি ছিল না? অবশ্যই ছিল। অধিক তাকওয়ার ফলেই দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে তিনি কোনো দিনও বেতন গ্রহণ করতেন না।

বর্তমানে আমাদের পথপ্রদর্শক দারুল উলুম দেওবন্দের আসাতিজায়ে কেরাম অধ্যাপনার পাশাপাশি কোনো না কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন।
আমি নিজেও বহুদিন কুতুবখানায় কাজ করেছি। ছাপানো, বাইন্ডিং সব নিজ হাতে করেছি। কারো সহযোগিতা নেইনি কখনো। দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে ভাতা গ্রহণ করে আবার লিল্লাহ ফান্ডে ওয়াকফ করে দিই আজ অবধি।

আলেমরা মাদরাসা-মসজিদ, মক্তব, খানকা সবই দেখবেন।
পাশাপাশি প্রয়োজনমাফিক জীবিকা উপার্জনের জন্য যেকোনো একটি কাজে লেগে যাবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন ধর্মীয় কাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।

আর মাদরাসা ও মসজিদ থেকে যা পাবে, তাকে গনিমত মনে করা চাই। পড়া, পড়ানো, খাওয়া, ঘুম ছাড়া আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় থাকে। সে সময়টা অযথা নষ্ট না করে উপার্জনের উদ্দেশ্যে কোনো না কোনো কাজে ব্যয় করা উচিত।

কাগজ কিনে লেখালেখি করা বা সেলাই মেশিন কিনে ঘরে বসে কাজ করা চাই। এতটুকু শ্রমও সংসার পরিচালনার জন্য যথেষ্ট।
প্রথম তো আসবাব গ্রহণ করতে হবে আমায়। তারপর না হয় তাওয়াক্কুলের পর্ব।

তিরমিজি শরিফের একটি হাদিসে রয়েছে,
এক সাহাবি রাসুল সা.-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ!
আমি কি উটের পায়ে রশি লাগিয়ে তার ওপর ভরসা করে ঘরে বসে থাকব?’ রাসুল সা. বললেন, ‘আগে তো হেফাজতের জন্য আসবাব গ্রহণ করো।
তারপর না হয় ভরসা করো। ’

এ কারণে প্রথমে আসবাব এখতিয়ার করা দোষণীয় নয়, বরং আমরা আমাদের আকাবিরদের থেকেও এ শিক্ষাই পাই।
এজন্য জীবিকার উদ্দেশ্যে শুধু মাদরাসায় পড়ানো বা মসজিদে ইমামতি করার ওপর ভরসা করা উচিত নয়। এতে কোনো বুজুর্গি নেই; বরং নিজ হাতে উপার্জন করে বৈধপন্থায় সম্মানের সঙ্গে জীবন যাপন করাই মোমিনের উত্তম কাজ।

আলহামদুলিল্লাহ!  টানা তৃতীয় জয়। রজব তাইয়েব এরদোয়ান। ❤️🇹🇷Bismillah Collection & Sunnah Shop
29/05/2023

আলহামদুলিল্লাহ!
টানা তৃতীয় জয়। রজব তাইয়েব এরদোয়ান। ❤️🇹🇷

Bismillah Collection & Sunnah Shop

আপনি সর্বনিম্ন কত পয়সার কয়েন দেখেছেন❓ 🤔বা ইউজ করেছেন 🙂 ❓Bismillah Collection & Sunnah Shop
29/05/2023

আপনি সর্বনিম্ন কত পয়সার কয়েন দেখেছেন❓ 🤔

বা ইউজ করেছেন 🙂 ❓

Bismillah Collection & Sunnah Shop

আলহামদুলিল্লাহ! আতরটির প্রথম স্টক শেষ। আবারো স্টক করা হবে। যাদের লাগবে দ্রুত যোগাযোগ করুন।অনেকেই অল্প টাকায় ভালো একটা আত...
26/10/2022

আলহামদুলিল্লাহ! আতরটির প্রথম স্টক শেষ।
আবারো স্টক করা হবে। যাদের লাগবে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

অনেকেই অল্প টাকায় ভালো একটা আতর খোঁজে থাকেন তাদের প্রথম পছন্দ হতে পারে বাখুর তাইবা ২০ মিলির এই আতরটি।

হালকা মিষ্টি ধাঁচের এই আতরটি আপনার ব্যক্তিত্বকে আরো ফুটিয়ে তুলবে। চারপাশ করবে সুভাসিত আর ঘ্রাণও হবে দীর্ঘস্থায়ী। ইনশা আল্লাহ!

আর অল্প টাকায় হাদিয়া দেওয়ার জন্য যারা আতর সিলেকশনের ঝামেলায় ভোগছেন,তাদের জন্য আতরটি হবে বেস্ট চয়েজ।

🟡অফার মূল্য ৩২০
⚫রেগুলার প্রাইস ৩৫০

🟠অর্ডার করতে ইনবক্সে নাম, ঠিকানা ও নাম্বার দিন।
⚫স্টক সীমিত
🔴ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য

Bismillah collection Bd

Address

Narsingdi
1600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah Collection & Sunnah Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share