27/05/2022
গ্রীষ্মের এই মধু মাসে বাজারে গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, খিরসাপাত বা হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলি, হাড়িভাঙ্গাসহ নানা জাতের আম পাওয়া যায়। স্বাদে, বর্ণে ও গন্ধে প্রতিটি আমের আলাদা বৈশিষ্ট্য।
আজ ২৭এ মে, রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোপালভোগ আম পাকা শুরু হয়ে গিয়েছে আর অনেকে পাকা আমের ব্যাবসা শুরু করেও দিয়েছে।
তাই যারা আম অনেক পছন্দ করেন কিন্তু ভাল আম হয়ত চিনেন না তাদের জন্য কিছু কথা।
আম সতেজ আছে কি না তা বোঝার জন্য ঘ্রাণশক্তির উপর ভরসা রাখতে হবে। প্রকার অনুযায়ী এর গন্ধ আলাদা হয়।
কেউ কেউ আম কেনেন আমের বোঁটার গোড়ার গন্ধ শুঁকে। কেউ টিপ দিয়ে আম ভালো কি না তা বোঝার চেষ্টা করেন, কেউ আমের গায়ের সুন্দর রঙ দেখে কেনেন। অনেকে আবার বিক্রেতার ওপর বিশ্বাস রেখে ভালো আম কেনার চেষ্টা করেন।
অভিযোগ রয়েছে— অধিক লাভ ও কম সময়ে আম বিক্রি করতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কার্বাইড দিয়ে আম পাকান। আমের গায়ের সুন্দর রঙের জন্য ব্যবহার করেন বিশেষ রাসায়নিক। দীর্ঘদিন আম তাজা রাখতে ব্যবহার করেন ফরমালিন। এসব রাসায়নিক মানবদেহের জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর। সেকথা জেনে বুঝেও আমে এসব ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা।
আমের বোঁটা বা আঠা দেখে বাগান থেকে আম কেনার চেষ্টা করবেন। তবে সেটা সবার পক্ষে সম্ভব হবে না। তাই এক্ষেত্রে আকারে বড় ও সুন্দর চকচকে রংযুক্ত আমের চেয়ে মাঝারি ও কালো দাগযুক্ত আমই হবে সঠিক নির্বাচন।
কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানোর কারণে আমের প্রকৃত স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাইরে থেকে দেখে ভালো মনে হলেও কেনার পর দেখা যায় সেগুলো স্বাদে ও মানে তেমন ভালো না। কৃষিবিদদের মতে, আমের জাত ভেদে হার্ভেস্ট বা আম পাড়ার সময় বাগান থেকে কিনতে পারলে আমের প্রকৃত স্বাদ এবং গুণগত মান পাওয়া যাবে।
ফলের এই রাজাকে কলঙ্কিত করেছে অসাধু ব্যবসায়ী ও তাদের প্রয়োগকৃত রাসায়নিক পদার্থ। তাই রাসায়নিক মুক্ত আম চিনে নিয়ে কিনুন। ভালো আম খান, সুস্থ থাকুন।