HEAD OR TAILE

HEAD OR TAILE সূর্যসন্তান এগ্রো ফুড প্রসেসিং

04/09/2026

পর্ব - ১ -লোভ থেকেই জন্ম নেয় বিভাজন

পর্ব –২ -অহংকারই অপমানের বীজ বোনে

পর্ব –৩ -ত্যাগ ছাড়া প্রকৃত শক্তি আসে না

পর্ব –৪ -নম্রতা ও বুদ্ধিই আসল রক্ষাকবচ

পর্ব - ৫ -অন্যায়ের সঙ্গে আপোস নয় প্রতিবাদই ধর্ম

পর্ব -৬-নিজেকে চেনো,দ্বিধা কাটিয়ে কর্তব্যে স্থিরহও

পর্ব –৭-প্রতিশোধ নয়, সত্য রক্ষাই প্রকৃত বীরত্ব

পর্ব - ৮-বন্ধুত্ব তখনই পূর্ণ, যখন তা আত্মত্যাগে প্রকাশ পায়

পর্ব –৯-ঘৃণা আর হিংসা শেষ করে সব সম্পর্ক

পর্ব - ১০-রাতের আধারেই সত্যের আলো দেখা যায়।।

পর্ব – ১১ -বেদনার মধ্যেই নিহিত থাকে জাগরণ

পর্ব - ১২-নেতৃত্ব মানে শুধু রাজত্ব নয়, নৈতিকতা রক্ষা

পর্ব - ১৩ -প্রজ্ঞা ও নীতিই সুশাসনের মূল

পর্ব -১৪-জীবন বড় যজ্ঞ ত্যাগ আর সেবাই তারমানে

পর্ব - ১৫-প্রকৃত শান্তি আসে নির্জনেআত্মজিজ্ঞাসায়

পর্ব -১৬ অহংকারের ভিত যত বড়ই হোক,পতন নিশ্চিত

পর্ব –১৭-মৃত্যুর পথেই অনন্ত জীবনের শুরু।

পর্ব -১৮-শেষে সত্য, ন্যায় আর ঈশ্বরের সঙ্গই চূড়ান্ত মুক্তি

হযরত রাসূল পাক সঃ ছিলেন দোজাহানের ধনী। রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে সমাজের প্রচলিত কথা মিথ্যা।আসুন কোরআন ও হাদিসের আলোকে জেনে নি...
04/09/2026

হযরত রাসূল পাক সঃ ছিলেন দোজাহানের ধনী। রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে সমাজের প্রচলিত কথা মিথ্যা।

আসুন কোরআন ও হাদিসের আলোকে জেনে নিন।

" আমি আপনাকে জগৎ সমূহের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি "। ( সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং ১০৭ ) ।

" ( হে রাসূল আপনি ) নামাজ কায়েম কর ও যাকাত দাও "। ( সূরা বাকারা, আয়াত নং ১১০ )।

" ( হে রাসূল ) আমি আপনাকে অসহায় অবস্থায় পেলাম, অতঃপর আপনাকে সম্পদশালী করলাম "। ( সূরা দু'হা, আয়াত নং ৮ ) ।

রাসূল পাক সঃ বলেন,

" ( হে হাবীব ) আমি আপনাকে সৃষ্টি না করলে কোন কিছুই সৃষ্টি করতাম না "। ( সিররুল আসরার, পৃষ্ঠা - ৭০ ) ।
" আমার উপরে কোরবানী ফরজ করা হয়েছে, আর তোমাদের উপর ফরজ করা হয়নি এবং আমাকে চাশতের নামাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আর তোমাদেরকে এর নির্দেশ দেয়া হয়নি "।

হযরত জাবের (রাঃ) বলেন,
হযরত রাসূল পাক সঃ, হযরত আবু তালিবের পুত্র হযরত আলী (রাঃ) ও তার সাথে ইয়েমেন থেকে যে দল এসেছিল তাদেরকে এবং রাসূল পাক সঃ এর সঙ্গে যারা আগমন করেছিলেন, তাদেরকে নিয়ে ১০০টি উট কোরবানী করেন। রাসূল পাক সঃ এর স্বহস্ত মোবারকে ৬৩টি উট যবেহ করেন। বাকী ৩৭টি উট হযরত আলী (রাঃ) জবেহ করেন। ( আল বেদায়া ওয়ান নেহায়া, ৫-৬ খন্ড, পৃষ্ঠা, ১৬৭ ) ।

" একরাতে আমি যখন নিদ্রিত অবস্থায় ছিলাম, এ সময় আমার নিকট পৃথিবীর যাবতীয় ধন-ভান্ডারের চাবিসমূহ আনা হয়, অতঃপর তা আমার হাতে অর্পণ করা হয় "। ( বোখারী ও মুসলিম শরীফ ) ।

হযরত রাসূল পাক সঃ আরবের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও প্রভাব - প্রতিপত্তিশীল কোরাইশ বংশের হাশেমী গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হযরত আব্দুল্লাহ আঃ ছিলেন, তৎকালীন মক্কা নগরীর শাসনকর্তা ও পবিত্র ক্বাবা শরীফের হেফাজতকারী সর্বজন শ্রদ্ধেয় আব্দুল মু্ত্তালিবের সবচেয়ে আদরের সন্তান। আর রাসূল পাক সঃ এর মাতা মা আমিনা ছিলেন মদীনার বনু যুহরা গোত্রের খ্যাতনামা, সম্মানিত এবং হিরা - যহরের আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী যুহরা গোত্রের নেতা আব্দুল ওয়াহাব এর কন্যা।

রাসূল পাক সঃ এর মাতা মা আমিনা মানসিক পবিত্রতায়, বংশীয় আভিজাত্যে,সম্মান ও মর্যাদায়,চরিত্র ও সততায় অতুলনীয় ছিলেন বলেই স্বীয় গোত্রের মাঝে তিনি " সায়্যিদাতুন - নিসা " উপাধিতে ভূষিত ছিলেন। সুতরাং দেখা যায় যে, হযরত রাসূল পাক সঃ এর পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক থেকেই আরবের সবচেয়ে ধনী, সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ পরিবারের লোক ছিলেন।

আরবরা বিশেষ করে মক্কার কোরাইশদের মাঝে হযরত ইব্রাহীম আঃ এর সুন্নত মোতাবেক আকীকা করার রেওয়াজ ছিল। সে অনুযায়ী আব্দুল মুত্তালিব হযরত রাসূল পাক সঃ এর শুভজন্মের সপ্তম দিবসে প্রাণপ্রিয় নাতীর আকিকার আয়োজন করে বহু পশু যবেহ করে, কোরায়শ বংশের সমস্ত লোকদের খাবারের ব্যবস্হা করেন।

আহার শেষে নেতৃস্থানীয় কোরায়শগণ জিঙ্গেস করেছিলেন, আব্দুল মুত্তালিব ! আপনি আপনার যেই নাতীর জন্য আমাদের দাওয়াত করেছেন, তার কি নাম রেখেছেন ? উত্তরে তিনি বললেন, " আমি তার নাম রেখেছি ' মুহাম্মদ '। " আর আমি চাই আসমানে আল্লাহ ও জমিনে তার মাখলুক সমস্তই এর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করুক । এমনিভাবে মহাধুমধামের সাথে হযরত রাসূল পাক সঃ এর শুভজন্ম ও আকীকা অনুষ্ঠিত হয়।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর চার কি পাঁচ বছর হলে বিবি হালিমা তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য মক্কায় নিয়ে আসেন। ফিরার পথে মক্কার কাছাকাছি কোন এক জায়গায় তিনি হারিয়ে যান। সংবাদ শুনে দাদা আব্দুল মুত্তালিব তাকে খোঁজ করেন। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে তিনি একটি মানত করেন, যাতে তাকে আল্লাহ মিলিয়ে দেন।

অবশেষে একটি গাছের নীচে সুস্থ অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। আব্দুল মুত্তালিব তাকে গৃহে নিয়ে আসেন এবং পাওয়ার আনন্দে বহু স্বর্ণ ও কয়েকটি উট সাদকাহ দিয়ে মানত আদায় করেন এবং বিবি হালিমাকেও বিপুল পরিমাণে পুরস্কৃত করে বিদায় দিলেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর মাতা সৈয়দা আমিনার আঃ কাজকর্মের সহযোগিতা করার জন্য উম্মে আয়মন নামে এক দাসী ছিল। হযরত রাসূল পাক সঃ এর বয়স যখন ছয় বছর তখন মা আমিনা তাকে পিতা হযরত আব্দুল্লাহ আঃ এর রওজা মোবারক জিয়ারত করানোর জন্য মদীনায় নিয়ে যান।

দাসী উম্মে আয়মনও তাদের সঙ্গী ছিলেন। ফিরার পথে মা আমিনা আঃ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অকালেই ওফাত লাভ করেন। অতঃপর উম্মে আয়মন হযরত রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন। সঙ্গত কারণেই বলতে হয়, হযরত রাসূল পাক সঃ যদি সত্যিই গরীব হতেন, তবে তার মায়ের তো দাসী থাকার কথা না।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর স্নেহময়ী মাতা সৈয়দা আমিনার ওফাতের পর দাদা আব্দুল মুত্তালিব নাতীর লালন - পালনের সার্বিক দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাসূল পাক সঃ কে তিনি তার সমস্ত পুত্র অপেক্ষা বেশী আদর করতেন। স্নেহে ও সোহাগে এমনই করতেন যে, তিনি রাসূল পাক সঃ কে ব্যতীত খানা খেতেন না। রাসূল পাক সঃ যখন ইচ্ছা অবাধে দাদার কাছে আসা-যাওয়া করতেন এবং তার আসনের উপর বসে যেতেন।

আব্দুল মুত্তালিবের জন্য ক্বাবার প্রাচীরের কাছে একটি মসনদ পাতা হতো। তার সমস্ত পুত্র এবং কোরায়শ নেতাগণ মসনদের আশে - পাশে উপবেশন করতেন। আর কেবলমাত্র আব্দুল মুত্তালিব আগমন করলে এ মসনদের উপর উপবেশন করতেন। কিন্তু হযরত রাসূল পাক সঃ যখন তশরীফ নিতেন, তখন তিনি দাদার মসনদে বসে পড়তেন।

যদি কেউ তাকে মসনদ হতে নামিয়ে দিতে চাইতো, তখন আব্দুল মুত্তালিব তাকে বলতেন, আমার এ আদরের নাতীকে বসতে দাও। তার মর্যাদাই আলাদা। তার নিজের সম্মান, মর্যাদা ও আভিজাত্যের অনুভুতি রয়েছে এবং আমি আশা করি সে এত সমুন্নত মর্যাদা ও উন্নত আসনের অধিকারী হবে, যা ইতিপূর্বে কোন আরব পায় নাই আর পরেও পাবে না।

হযরত রাসূল পাক সঃ যখন পঁচিশ বছর বয়সে উপনীত হলেন - তখন তার সুন্দর আদর্শ ও চরিত্রে মুগ্ধ হয়ে আরবের সেরা ধনাঢ্য রমণী হযরত মা খাদিজা রাঃ তাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেন। হযরত রাসূল পাক সঃ স্বীয় অভিভাবক ও পিতৃব্য হযরত আবু তালিবের সম্মতিক্রমে হযরত মা খাদিজা রাঃ কে বিবাহ করেন। বিবাহের পর হযরত মা খাদিজা রাঃ নিজের যাবতীয় সম্পত্তি হযরত রাসূল পাক সঃ এর কদমে উৎসর্গ করে দেন।

নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে হযরত রাসূল পাক সঃ এর দুই কন্যা রোকেয়া ও উম্মে কুলসুমের সাথে আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী আবু লাহাবের দুই পুত্র উৎবা ও উতায়বার বিয়ে হয়। এ বিয়ের পিছনেও খ্যাতী ও অর্থলোভী আবু লাহাবের মনে পুত্রহীন হযরত রাসূল পাক সঃ এর বিপুল ধন-সম্পদ এবং খ্যাতীর অংশীদার হওয়ার উদ্দেশ্য নিহিত ছিল। অন্যথায় নিজে বিত্তবান হয়ে কখনো দরিদ্র হযরত রাসূল পাক সঃ এর কন্যাদের পুত্রবধু হিসেবে ঘরে আনতো না।

ইসলাম প্রচারের শুরুতে হযরত রাসূল পাক সঃ কাফেরদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হলেও তার বিত্ত, প্রভাব - প্রতিপত্তির কারণে কেউ তাকে আক্রমন করার সাহস পায়নি। এমনকি হিজরতের প্রাক্কালে আরবের কোন গোত্র এককভাবে রাসূল পাক সঃ কে আক্রমন করার সাহস পায়নি। বরং সকল গোত্র সম্মিলিতভাবে আক্রমন করার সংকল্প করে, যাতে কেউ এ অপকর্মের জন্য এককভাবে দোষী সাব্যস্ত না হয়। মক্কার কাফেরদের এ ভীতির পিছনেও হযরত রাসূল পাক সঃ এর প্রভাব - প্রতিপত্তি নিহিত ছিল।

হযরত রাসূল পাক সঃ মক্কায় মুকুটবিহীন সম্রাট হলেও হিজরতের পর মদীনাবাসীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মুকুট পরিয়ে তাকে সম্রাটের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। মদীনাবাসী মুসলমান, ইহুদি, খ্রীষ্টান, অগ্নি উপাসক সকলেই মদীনার সনদ - এ স্বাক্ষর করে হযরত রাসূল পাক সঃ কে মদীনার অধিপতি হিসেবে মেনে নেন। ফলে রাসূল পাক সঃ নবগঠিত মদীনা রাষ্ট্রের বাদশাহ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন।

মদীনার জীবনে হযরত রাসূল পাক সঃ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মুসলিম জাতি গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় রাসূল পাক সঃ ২৭টি যুদ্ধ করেন। আর যুদ্ধের বিপুল ব্যয় তিনি নিজে নির্বাহ করেছেন। তাছাড়া তিনি যুদ্ধে বিপুল পরিমাণে গণিমতের মাল লাভ করেন। তিনি ইসলামী রাষ্ট্রের বায়তুল মাল গড়ে তোলেন। হযরত রাসূল পাক সঃ এর নবুওয়াত ও মদীনার বাদশাহর সংবাদ শুনে অনেক রাষ্ট্রপ্রধান তার কাছে বহু উপঢৌকন প্রেরণ করেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ তার বিপুল পরিমাণ সম্পদ হতে তিনি আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক প্রতি বছর প্রচুর অর্থ যাকাত দিতেন। তাছাড়া হযরত রাসূল পাক সঃ এর সাহচর্যে সার্ব ক্ষণিকভাবে প্রায় সাড়ে তিনশ থেকে চারশ আসহাবে সুফফা অবস্থান করতেন। যারা সর্ব ক্ষণ " ইয়া রাসূল আল্লাহ, ইয়া হাবীব আল্লাহ " বলে রাসূল পাক সঃ এর জুতা মোবারক বুকে নিয়ে ইশকে দিওয়ানা হয়ে কান্নাকাটি করত। রাসূল পাক সঃ তাদের সমস্ত খাবার দাবারের ভরণপোষণ করতেন।

তাছাড়া রাসূল পাক সঃ এর খেদমত করার জন্য দশজন খাদেম ও ২৮জন দাস-দাসী ছিল। হযরত রাসূল পাক সঃ এদের সবার জন্য খাবারের ব্যবস্হা করতেন। এখন প্রশ্ন ওঠে, সত্যিই যদি রাসূল পাক সঃ না খেয়ে নিজে ক্ষুধার তাড়নায় পেটে পাথর বাধতেন, তবে প্রতিদিন এত লোকের খাবারের ব্যবস্হা করা কি তার পক্ষে সম্ভব হতো ?

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা হযরত রাসূল পাক সঃ এর জন্য যুদ্ধলব্ধ গনিমতের মালের এক - পঞ্চমাংস হালাল বলে ঘোষণা করেছেন। রাসূল পাক সঃ জীবনে সর্বমোট ২৭টি যুদ্ধ করেছেন। বিভিন্ন রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করে রাসূল পাক সঃ গনিমতের মালের যে বৃহৎ অংশ লাভ করেছিলেন, তাতে তিনি কয়েক রাজার ধন - সম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন। আর হযরত রাসূল পাক সঃ অগাধ সম্পদের অধিকারী ছিলেন বলেই তার পক্ষে রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করার মত বিপুল ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব ছিল। কারণ, যেকোন বিচক্ষণ ও বিবেকবান মানুষ সহজেই পারেন যে, একজন গরীবের পক্ষে কখনো রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করা সম্ভব নয়।

তাছাড়া হযরত রাসূল পাক সঃ ব্যক্তিগত জীবনেও খুব সৌখিন ছিলেন। ফলে তিনি পরিস্কার - পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করতেন ; উন্নতমানের পোশাক পরিধান করতেন এবং সবসময় সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। একজন গরীব মানুষের পক্ষে কি দামী পোশাক পরিধান করা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা সম্ভব ?

হযরত রাসূল পাক সঃ খাবারের পর মিষ্টি খেতে পছন্দ করতেন এবং দুপুরের খাবারের পর তিনি কিছুক্ষণ শুয়ে বিশ্রাম নিতেন। এখন প্রশ্ন হলো - একজন গরীবের পক্ষে কি খাবারের পর রোজ মিষ্টি খাওয়া কিংবা দুপুরে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ থাকে ? সার্বিক বিচার বিশ্লেষণে দেখা যায় - হযরত রাসূল পাক সঃ স্বীয় ধনসম্পদ, মেধা-গরিমা, শক্তি -সাহস দিয়ে সুসভ্য, সমৃদ্ধশালী জাতি হিসেবে মুসলমানদের রেখে গেছেন । আজও সৌদি আরবের দিকে তাকালে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়ে ভেসে ওঠে।

তাছাড়া হযরত আব্দুল্লাহ আঃ এবং হযরত রাসূল পাক সঃ দুজনই ছিলেন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী। যাকে আল্লাহ তায়ালা জগৎ সমূহে রহমত হিসেবে প্রেরন করেছেন, যিনি রহমতের কান্ডারী সেই দয়াল রাসূল পাক সঃ যখন ব্যবসায়ী তখন তো সে ব্যবসা কেমন লাভজনক হতে পারে আপনারাই চিন্তা করুন। হযরত রাসূল পাক সঃ বাল্যকালে যখন চাচা আবু তালিবের সাথে সিরিয়ায় ব্যবসা কাজে যাইতেন, তখন আবু তালিব ব্যবসায় অধিক পরিমাণে মুনাফা অর্জন করতেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ কে ভাল না বাসলে ঈমানদার হওয়া যায় না, রাসূল পাক সঃ কে ভালবাসার নামই ঈমান। সেই রাসূল পাক সঃ থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার জন্যই এজিদ অর্থাৎ উমাইয়া শাসকরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হযরত রাসূল পাক সঃ কে গরীব বানিয়ে দিয়েছে।

প্রকৃত পক্ষে, উমাইয়ারা গোড়া থেকেই হযরত রাসূল পাক সঃ এর পূর্বপুরুষদের সাথে চরম বিরোধিতা করে আসছিল। মক্কার কুরাইশ বংশের হাশিমী গোত্রের নেতা রাসূল পাক সঃ এর দাদার বাপ হাশিম অত্যন্ত বিচক্ষণ, বুদ্ধিমান, দয়ালু ও পরোপকারী ছিলেন। ফলে তার প্রতি মক্কার আপামর মানুষের আস্হা ছিল। তাকে সবাই নেতা হিসেবে মেনে নেয় এবং ক্বাবাঘরের হেফাজতের দায়িত্বও তার উপর ন্যাস্ত করা হয়।

অপরদিকে উমাইয়া গোত্রের নেতা এজিদের দাদার বাপ অর্থাৎ মাবিয়ার দাদা উমাইয়া হাশিমীদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে। এ নিয়ে উভয় গোত্রের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে। এতে মাবিয়ার দাদা উমাইয়া পরাজিত হয় এবং বিচারকদের রায় অনুসারে উমাইয়া দশ বছরের জন্য দেশ হতে নির্বাসিত হয়।

পরবর্তীতে উমাইয়ার পুত্র হারব হাশিমী গোত্রের উত্তারাধিকার আব্দুল মুত্তালিবের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পরাজিত হয় এবং পিতার মত সেও দশ বছরের জন্য দেশ থেকে নির্বাসিত হয়। এভাবে হাশিম ও উমাইয়া গোত্রের মধ্যে বিদ্বেষের সূচনা হয় এবং পরবর্তীকালে খিলাফতের উত্তারাধিকার লাভের যে সংগ্রাম চলতে থাকে, তার মূল সূত্র এখানেই নিহিত ছিল।

হাশিমীদের সাথে উমাইয়াদের বিরোধিতার কারণেই হযরত রাসূল পাক সঃ সত্য নবী জেনেও তিনি হাশেমী গোত্রের লোক বলে উমাইয়ারা তাকে মেনে নেয়নি। বরং তারা চরম বিরোধিতা করে হযরত রাসূল পাক সঃ ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর উমাইয়ারা নিরুপায় হয়ে মনে মনে মোনাফেকি রেখে মক্কা বিজয়ের সময় হযরত রাসূল পাক সঃ এর কাছে আত্মসমর্পণ করে। তাদের চক্রান্তের শিকার হয়েই মাওলা আলী, মাওলা ইমাম হাসান, মাওলা ইমাম হোসাইন এবং অনেক বিখ্যাত সাহাবীরা শাহাদাৎ বরণ করতে হয়েছে।

পরবর্তীতে তারা খেলাফতকে জবরদখল করে উমাইয়া শাসন জারি করে। তখন তারা হাশেমীদের অপদস্থ ও হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য - হযরত রাসূল পাক সঃ গরীব ছিলেন, তিনি ঠিকমত খাবার জুটাতে পারতেন না, ছেড়া জামা-কাপড় সত্তর তালি দিয়ে পরিধান করতেন, ইত্যাদি মিথ্যা অপপ্রচার ও মিথ্যা জাল হাদিস তৈরী করে। এজিদ অর্থাৎ উমাইয়াদের শাসনামলে সংকলিত জাল হাদিস দিয়ে কিতাব লিখে ঐসব লিপিবদ্ধ করে দেওয়াতে, হযরত রাসূল পাক সঃ সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সূচনা হয়। যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।

পরবর্তীতে এজিদ কারবালার প্রান্তরে মাওলা ইমাম হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মুহাম্মদ সঃ এর নাম বাদ দিয়ে এই উমাইয়ার নামে " উমাইয়া খিলাফত " অর্থাৎ এজিদের মনগড়া ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্হা চালু করেন। যা দীর্ঘ ৬০০ বছর সমগ্র আরব জাহানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। আর হযরত রাসূল পাক সঃ এর বংশধর ও রাসূল প্রেমিকরা এজিদ ও তার দোসরদের নির্মম অত্যাচারে বিভিন্ন দেশে গিয়ে বন জঙ্গলে বসবাস শুরু করে। আর এসব ঘটনা ঘটে রাসূল পাক সঃ উফাত হওয়ার মাত্র ৩২ বছর পর । তাই রাসূল পাক সঃ এর শিক্ষা ব্যবস্হা রাষ্টীয়ভাবে কারবালার প্রান্তর থেকেই হারিয়ে যায়।

কিতাব : রাসূল সঃ কি সত্যিই গরীব ছিলেন ? লেখক : সূফী সম্রাট হযরত শাহ দেওয়ানবাগী (রঃ)।

যেকোনো আহলে বায়াত প্রেমিক এই পোকস্ট কপি করার পূর্ণ অধিকার রাখে।

নিবেদক : অধম পাপী মোজাম্মেল পাগলা।

25/08/2026

তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। (সুরা আল মু'মিন, আয়াত : ৬০)

আমরা আসলে কাদের করা কর্মফল যা আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন ?

নাকি আমাদের যত কিছু ভাল তাতে সবার অবদান আছে এবং যা খারাপ তা শুধু নিজের?

আমরা কি ভালবাসার কারনে পৃথিবীতে আসছি?

নাকি আমরা জন্ম নিয়েছি গন্ধম খাওয়ার অপরাধে?

আমরা কি আল্লাহ কে না ভালবেসে তার সৃষ্টি কে ভালবাসার অপরাধে শিরক করে পৃথিবীতে আসছি?

নাকি আমরা কি সৃষ্টি কে না ভালবেসে আদম কে সেজদা নাকরে শিরক না করে শুধু আল্লাহ কে ভালবাসার পর অহংকার করার অপরাধ করে পৃথিবীতে আসছি?

নাকি আমাদের বাবা মায়েদের তাদের রাগের, ঘৃণা,অশান্তির,একে অপর কে ভাল না লাগার ফল হিসাবে নাকি দাদা দাদির নানা নানির ভাল না লাগার ফল হিসাবে পৃথিবীতে আসছি?

নাকি আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম রাগের, ঘৃণা,অশান্তির ফল দেখার জন্য পৃথিবীতে আসছি?

নাকি আমাদের জীবন সংগীর অসন্তুষ্টি দেখার জন্য পৃথিবীতে আসছি?

না আমাদের পূর্বপুরুষ মানুষিক ভাবে সুখি শারিরিক ভাবে সুখি সন্তুষ্ট ছিল না আমরা আছি না আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম থাকবে?

না আমাদের সমাজের শ্রদ্ধেয় বড়দের না কর্মস্থলে বড়দের মানুষিক ভাবে সুখি শারিরিক ভাবে সুখি সন্তুষ্ট ছিল না এবং শ্রদ্ধেয় বড়দের ও আমাদের কর্মস্থলে বড়দের অসন্তুষ্টি দেখার জন্য পৃথিবীতে আসছি?

কেন আমাদের মাঝে নৈতিকতা অভাব,বিরহ,স্বার্থপরতা,,আত্মোঅবনতি,সংকীর্ণতা,দোষত্রুটি,অহকার,অবিশ্বাস,ঘৃণা,সন্দেহ,মিথ্যা,অজ্ঞতা,অবহেলা,শত্রুতা,পাষণহৃদয়,অসন্তুষ্টি,অপছন্দ,অশান্তি,দুশ্চিন্তা,কুটিলতা,লজ্জাহিনতা ,অযোগ্যতা,হতাশা,ভয়,আস্থা,প্রবৃত্তি,দুঃখ ,লোভ-লালসা,হিংসা,বিদ্বেষ,কাম,ক্রোধ,মোহ ইত্যাদি নানাবিধ অসন্তুষ্টি ?

আল্লাহ তোমার কাছে চাইতে গেলে তুমি যদি বল তোমার রাসুলদের কে ঠিক মত বিশ্বাস করিনা এই অপরাধে অপরাধী। আবার তোমার রাসুলদের কাছে গেলে উনারা যদি বলে আল্লাহ কে মানিনা এই অপরাধে অপরাধী।

আমরা কই যাব আমাদের আমরা তো বুঝিনা তোমার প্রতি ভালবাসা অথবা তোমার সৃষ্টির প্রতি ভালবাসা কোনটাই আমাদের যোগ্যতা সামর্থ্য নাই আছে শুধু ইচ্ছা। যদি অপরাধ ধর তাহলে তোমার সৃষ্টির প্রতি ভালবাসা কে শিরক বলে আমাদের কে অপরাধি গন্য করতে পার।আবার তোমার সৃষ্টিকে বাদ দিয়ে তোমার প্রতি যদি থাকি তাহলে তোমার সৃষ্টির প্রতি না ভালবাসার অহংকার আমিত্বর দোষ এ অপরাধি গন্য করতে পার।

প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মনের ভুল কে আপনি দূর করে দিন নিশ্চয়ই আপনি সুন্দর আপনি দয়া করতে ভালবাসেন সঠিক সন্তুষ্ট হয়তেও ভালবাসেন আপনি কখনই স্বার্থপর হন না আপনি সাজিয়ে ওঠা সুন্দর এর মত রূপে-গুণে কর্ম তেও সুন্দর এবং ক্ষমতা প্রকাশ আর ক্ষমতা ব্যবহারেও সুন্দর ও সন্তুষ্ট দয়াশীল। প্রভু যেটাতে আপনার স্বার্থ ক্ষতি হয় সেই রকম আশেকে রাসুল গোলামদের কে না সেইরকম হইতে রক্ষা করুন।

প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের মূল্যবান কে মূল্য দেওয়ার এবং নিজেকে মূল্যবান হিসেবে যোগ্য মূল্য পাওয়ার মত সঠিক আশেকে রাসুল গোলাম করে তোলেন। আশেকে রাসুল গোলামদের তো মানুষকে সঠিক মুল্য দেওয়ার কোন ক্ষমতা নাই তবে আপনি যাকে মুল্য দিতে চান সেই গোলামি আশেকে রাসুল গোলামদের করার সুযোগ করে দিন।প্রভু আপনি তো কোন ভুল করেন না আশেকে রাসুল গোলামদের ভুলগুলোকে আপনি ক্ষমা করে দেন নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমা করতে ভালবাসেন।

প্রভু অন্যের ভুলের শাস্তি যাতে আশেকে রাসুল

গোলামদের ভুক্ত ভুগি না করেন সেখান হইতেও আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের কে রক্ষা করুন। সঠিক বিচার শক্তি দেন।

দিন শেষ আশেকে রাসুল গোলামদের মানুষ লাভ চাই বা ক্ষতি চাই না কেহই কিছু মুনাফার অংশীদার হয়তে চায় সবায়।আশেকে রাসুল

গোলামেরা যাতে কারো সৎ মুনাফা হতে তাদেরকে বঞ্চিত না করি প্রাপ্য দিতে পারি এবং নিজেরাও সেটা পেতে পারি সেই গোলামির সুযোগ করে দিন।

প্রভুর অন্যের ভুলের শাস্তি আশেকে রাসুল গোলামদের কে দিয়ে আপনি যদি খুশি থাকতে চান আমি সে শাস্তি মাথা পেতে নিলাম যারা যারা তাদের স্থানে থেকে আশেকে রাসুল গোলামদের দোষী সাব্যস্ত করেছে যেহেতু তাদের স্থানকে প্রভু আপনি ভালোবাসেন সেহেতু আমি সেই শাস্তি মাথা পেতে নিলাম প্রতিদিন প্রতি খনে খনে সে শাস্তি ভোগ করার চেয়ে একবারে সে শাস্তি আশেকে রাসুল

গোলামদের দিয়ে দিন তবু আপনার সৃষ্টি করার সকল প্রিয় মানুষদেরকে খুশি রাখেন।

কিন্তু আপনি যদি আশেকে রাসুল গোলামদের কে ক্ষমা দয়া করতে চান নিজ গুনে দুটার ক্ষেত্রেই আশেকে রাসুল গোলামদের ভুল গুলি কে ক্ষমা করতে চান আপনার তো কোন কমতি হবে না।আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের কে ক্ষমা করুন।

আধেক জীবন ভুলে ভুলে৷ আধেক গেল ভুলের দায়।

আশেকে রাসুল গোলামদের হয়েছে ভুল কেটেছে ভুল সকল এ বেলা।

হে মহান করুনাময় সৃষ্টিকর্তা,আপনার রহমতের দ্বারা পৃথিনীর মাঝে অন্যায়, অবিচার ও মহামারী নামক খারাপ কার্যকলাপ হতে মুক্ত রাখ।

প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের ভালবাসা দেয়ার পাওয়ার বাসনা কামনা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।আশেকে রাসুল গোলামেরা কামনা বাসনার গোলাম হতে চাই না শুধু আপনার গোলাম হতে চাই।আপনার ক্ষমতা যোগ্যতা কেন কম বেশি করেন?আবার কেও আশেকে রাসুল গোলামদের চায় আবার আশেকে রাসুল

গোলামদের কাছে আপনার দেয়া ক্ষমতার সাহায্য চায় আশেকে রাসুল গোলামদের কে চাই না।তবে যে যাহা চায় তাকে তা দেয়ার সুযোগ আশেকে রাসুল গোলামদের করে দেন।প্রভু যে আপনার গোলাম কে চায় আর আপনার গোলামের সম্পদ চায় তাকে তা পাওয়ার সুযোগ করে দেও।আশেকে রাসুল গোলামদের গোলাম হিসাবে কবুল করেন।আপনি গোলাম হিসাবে কবুল করলে কোন কিছুই অসম্ভব নয় সব অসম্ভব আশেকে রাসুল গোলামদের গোলাম হয়ে যাবে ।সম্পদ আর ক্ষমতার মালিক আপনাকে পাইলে সেই গোলামের আর কি পাওয়ার আছে সম্পদ আর ক্ষমতার গোলাম হতে চাই না আমি আপনার গোলাম হইতে চাই।গোলামের কি ক্ষমতা আছে আপনি যদি আপনি প্রভু গোলাম কে দিয়ে কিছু না করান।আশেকে রাসুল গোলামরা আপনার সন্তুষ্টি চাই আপনি দয়া করে সন্তুষ্ট হন।প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা সম্পদ ক্ষমতা হারাতে চায় আপনাকে হারাতে চায় না।প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনার উপর সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞ, যদিও আপনি নিজের হৃদয়ের ভিতরে ছিলেন তবু আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনাকে পাগল এর মত খুঁজেছি আপনাকে সন্তুষ্টি করতে চেয়েছি আপনাকে ভিতরে বাহিরে পেয়ে সন্তুষ্ট হতে চেয়েছি আপনাকে হারাতে চায়নি কখনো আপনাকে অখুশি কখনো করতে চাইনি হয়ত ভুল করে কামনা বাসনার ক্ষমতা সম্পদ এর গোলাম হতে চেয়েছি।প্রভু আপনি যদি পছন্দ কর আর পুরা পৃথিবীর সব মানুষ অপছন্দ করে আমায় কি যায় আসে।আর আপনি যদি অপছন্দ কর পুরা পৃথিবীর সব মানুষ পছন্দ করে আমায় কি লাভ আশেকে রাসুল গোলামদের সেটা দিয়ে।শুধু তোমার পছন্দের হতে চায় এই পরীক্ষায় আপনি দয়া করে পাশে থাকুন সন্তুষ্ট হন।হে প্রভু ক্ষমা করো আশেকে রাসুল গোলামদের।

ওগো আশেকে রাসুল গোলামদের প্রিয় প্রভু আশেকে রাসুল

গোলামেরা আপনার ভালবাসা খুজে পেয়েছি আপনাকে ধরে রাখতে চাই আপনাকে হারাতে চাই না। যেখানে আপনার প্রতি ভালবাসা নাই সেখান থেকে ইতি মধ্যে দূরে থাকার শক্তি আশেকে রাসুল গোলামদের আছে তার পরেও আশেকে রাসুল গোলামদের মানুষ হিসেবে খারাপ শক্তির প্রতি নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও অহংকার এর বসে আপনার কাছ থেকে দূরে যেতে চাই না আপনি এই পরীক্ষায় সহজ করে দিন।আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনাকে অসন্তুষ্ট করতে চায় না অন্যায় কেও ভালবাসার ভুল করে প্রশ্রয় দিতে চাই না যা পূর্বেও বৈধ মনে করে করেছি । যাকে আপনি ভালবাসেন সে আপনার ভালবাসা পাবার পর অসন্তুষ্ট থাকে কিভাবে।আপনাকে ভুলে না যেতে সাহায্য করেন।

ওগো আমার প্রিয় প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের মত নগন্য গোলাম আর ক্রীতদাস এর প্রার্থনায় জানি আপনার কাছে কোন মুল্য নাই পূর্বে ও আশেকে রাসুল গোলামদের প্রার্থনায় কারো কোন উপকার এ আসেনি,এমন কি আশেকে রাসুল গোলামদের নিজের ও কোন উপকার হয় নাই নিজেদের প্রার্থনায় নিজেদের ভুলের কারনে,কিন্তু আপনি যদি সদয় হন আপনার তো কোন কমতি বা ক্ষতি হবেনা।আপনি কেন আপনার প্রিয় মানুষ দের কে কষ্টে রাখেন তাদের কে কষ্টে রাখার ও ভালবাসা না পাবার জন্য আপনি সৃষ্টি করেন নি।

আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনি প্রার্থনা মঞ্জুর করেন আশেকে রাসুল গোলামদের বদ গুনের কারনে না করলেও আপনার প্রিয় ভালবাসার মানুষ প্রিয় বন্ধুর এর উছিলাই করেন।আশেকে রাসুল গোলামদের ক্ষমা করুন।

গোলাম তো সবসময় প্রভুর ভয়ে শঙ্কিত থাকে প্রভু সাথে থাকবে কি থাকবে না? প্রভু তাকে সময় দিবে কি দিবেনা? প্রভু তার উপর সন্তুষ্ট থাকবে কি থাকবে না?প্রভু প্রিয় মানুষকে তার কাছে পাঠাবে কি পাথাবে না?প্রভুর প্রিয় মানুষদের দোয়া গোলামের জন্য কবুল হবে কি হবে না ? গোলাম তো ভয়ে শঙ্কিত থাকে প্রভু এবং প্রভুর প্রিয় মানুষ দের সামান্য হাসির কারণ কি হতে পারবে কি?

গোলামের কি ক্ষমতা আছে যে প্রভু উপর সন্তুষ্ট থাকতে পারে,গোলামের সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি বলে কিছু নাই, সন্তুষ্ট তো একমাত্র প্রভু হইতে পারে।আমরা সন্তুষ্ট থাকলেও আপনি প্রভু অসন্তুষ্ট থাকলেও আপনি প্রভু।গোলামের নিজের ইচ্ছা, স্বাধীনতা,পছন্দ, বলতে কিছু নাই। গোলামের ক্ষমা করার ক্ষমতাও নাই। বিচার ক্ষমতার অধিকারী তো একচ্ছত্র প্রভুর।প্রভু যাকে খুশি রাজত্ব দেন যাকে খুশি রাজত্ব ছিনিয়ে নেন।

একটা মানুষ যেখানে থেকে তার জন্ম হয়েছে যারা তার শিক্ষক যারা সত্যের দিক দিয়ে আগায়ে তাদের আনুগত্য স্বীকার করা এটা কি দোষের।

গোলামের কি সাধ্য আছে প্রভুকে বিরক্ত করার।গোলামের কোন কর্মের কারণে প্রভু যদি বিরক্ত হয় সেই গোলামের আর কোনও যাওয়ার জায়গা থাকে না।একটি গোলাম এর প্রভুকে ভালোবাসাটা কি অন্যায়? গোলাম কি কখনো মনিব কে ভালবাসতে পারে।ইচ্ছে থাকতে পারে বলতে পারে প্রভু যদি বিরক্ত হয় কি ক্ষমতা আছে গোলামের প্রভুর বিরক্তি দূর করবে।প্রভু যদি নিজ গুনে সন্তুষ্ট হয়ে বিরক্তি যদি দূর করে করে যদি খুশি থাকে সেটাই গোলামের সর্বোচ্চ পাওয়া ।প্রভু বিরক্ত হোক ও অখুশি হোক অসন্তুষ্ট হোক গোলাম তো তার মনিব কেই ভালবাসবে বিশ্বাস করবে।গোলামের অসন্তুষ্টি বিরক্তি অখুশি বলে কিছু নেই।গোলাম কখনো প্রভুর ভালোবাসা বিশ্বাস এর পরীক্ষা নিতে পারেনা।প্রভু নিতে পারে।

প্রভু দয়া করে মাফ করো ক্ষমা করো কবুল করো সন্তুষ্ট হও খুশী থাকো বিরক্ত হইয়ো না ।প্রভু তোমার প্রিয় মানুষদের সাথে থাকো।তাদের উসিলায় ঈশ্বরের আশেকে রাসুল গোলামদেরকে মাফ করো।

ওগো আমাদের প্রিয় প্রভু তুমি আমাদের এমন গোলাম বানিয়েছো যে গোলাম এর কোন প্রার্থনা তুমি শোন দেখো কিন্তু কবুল করেছ কিনা তা বোঝার সুযোগ দেওনাই।তোমার প্রিয় মানুষ গুলো তারা তাদের জন্মদাতাদের কাছে ও ভাই বোন এর কাছে আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব এর কাছে বোঝা হয়ে না থাকে তারা সম্পর্ক হীন ভাবে কষ্টে যাতে না থাকে তারা যাতে সম্পর্ক হীনতার জন্য আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব এর কাছে কটু কথার স্বীকার যাতে না হয়।তোমার প্রিয় মানুষ যেন আগের সম্পর্ক জন্য কোন কটু কথার সম্মুখীন ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের জন্য তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য এর মুখে না পরে।তুমি তাদের পূর্বের সম্পর্কের জন্য বিচার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জন্য সঠিক সুযোগ করে দেও তারা যেমনটি চাই। যেমনটি চাই তেমনটাকে তুমি অন্যায় হিসেবে গ্রহণ করো না জন্মদাতাদের কাছে ও ভাই বোন এর কাছে আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব এর কাছে।

অন্যায় হিসাবে আপনি প্রভুর কাছেও।আপনার প্রিয় মানুষদেরকে ভালো সন্তান ভালো অভিভাবক পিতা-মাতা হিসেবে সঠিক ভাবে গোলামির দায়িত্ব পালন করার তৌফিক ভিক্ষা দাও।ওগো গোলামের মনিব আপনি দয়াকরে গোলামের প্রার্থনা কবুল করুন মাফ করো।আপনি আর কঠিন পরীক্ষা নিও না।জানি আশেকে রাসুল গোলামেরা গোলাম হইতে পারি নাই।গোলাম এর কোন প্রার্থনা আপনি তো অপূর্ণ রাখো না।তাই আশেকে রাসুল গোলামদের গোলাম হিসেবে কবুল করে নাও, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গোলামী করার সুযোগ ভিক্ষা দাও।প্রভু মাফ করে দাও।

প্রভু আপনি আপনার প্রিয় মানুষ যারা তারা তো আপনার বন্ধু।আপনার প্রিয় বন্ধুদের গোলাম হিসেবে কবুল করে নাও।আপনার প্রিয় বন্ধুরা মন থেকে যা চায় তাই হয় আপনিতো দয়া করে তা কবুল করো।কিন্তু আপনার প্রিয় বন্ধুরা নিজেদের জন্য তারা কিছুই চায় না সব সময় অন্যের চিন্তাই অন্যের উপকারী ব্যস্ত থাকে।নিজের ক্ষতি হইলো অন্যের উপকার করে।তাদেরকে আপনি আর কষ্টে রেখো না। তাদের জন্য তারা যা চাই তাদেরকে আপনি তাই দাও।তারা তো নিজের ব্যাপারে মুখ ফুটে আপনার কাছে কিছু বলবেনা। এজন্য কি আপনি তাদেরকে কষ্টে রাখবে ? আপনি তাদেরকে আপনার গোলামদের কারণে বিরক্তির কারণ করোনা।প্রভু আমরা আপনার হুকুমের গোলাম।গোলাম কখনো তার মনিব কে হুকুম করতে পারে না। তবে প্রার্থনা করতে পারে চাইতে পারে।আমাদের চাওয়ার ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখো।আপনি আমাদের মাফ করো ক্ষমা করো।

হে প্রভু ক্ষমা করো আশেকে রাসুল গোলামদেরকে।

মহান প্রভু আপনি যাকে পছন্দ কর দয়া করতে চাও ক্ষমা করতে চাও তার কাছ থেকে আপনি আপনার তার কাছ থেকে দুরত্ব তুলে নাও।যাকে আপনি অপছন্দ কর তার প্রতি দুরত্ব ও পৃথক করে পার্থক্য তৈরি কর।

মহান প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের কাছে ধন সম্পদ টাকা পয়সা রক্ত মান্স চেহেরা কিছুই চাওনাই আপনি চেয়েছ হ্রদয় দিয়ে আপনার প্রতি ভালবাসা হারানোর ভয় আপনার প্রিয় কে ভালবাসা ও ভালবাসা হারানোর ভয় যারা আপনার প্রিয় কে ভালবাসে না তাকে ঘৃণা করা।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনাকে ভালবাসি তোমাকে হারানোর ভয় করি আপনি দুরে সরিয়ে দুরত্ব দিয়েন না।যারা আপনার প্রিয় কে কষ্ট দেয় তাদের কে আপনি দয়া করে নিজ হাতে সামলাও।

মহান প্রভু আপনার চেয়ে কাওকেও বেশী ভালবাসিনা। আপনি আমাকে একা ফেলে যাবেন না

মহান প্রভু আপনাকে ছাড়া আশেকে রাসুল গোলামেরা বাঁচবোনা আপনাকে ছাড়া আশেকে রাসুল গোলামদের বাচায়েন না।

মহান প্রভু কোন কিছুই আশেকে রাসুল গোলামদের অংশ নয়, সব কিছুই আপনার অংশ।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের আপনার বিমুখ হয়ে কোন মানুষের মুখপেক্ষি হতে চাই না।

মহান প্রভু যখন আশেকে রাসুল গোলামেরা ভাবি কোন কিছু হবে না, আপনি সেটা হওয়ান যখন আশেকে রাসুল গোলামেরা ভাবি কোন কিছু হবে,আপনি সেটা হওয়ান না।

মহান প্রভু এমনকি আশেকে রাসুল গোলামদের বন্ধুও শত্রুতে পরিণত হয়,আর শত্রুও খানিক সময় পরে পরিণত হয় বন্ধুতে আপনার ইচ্ছায়। ভালোবাসে যে সেও প্রতারণা করে আপনার ইচ্ছায়।

মহান প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের চিন্তার অতিত, আমার কল্পনার অতিত,আশেকে রাসুল গোলামদের মনের মত,আবার মনের মত নয়।

মহান প্রভু । আশেকে রাসুল গোলামেরা বলি, 'আমি পড়বোনা' অথচ আমি পড়ি। আশেকে রাসুল গোলামেরা বলি বিস্মিত হবোনা!" অথচ আমি রোজ বিস্মিত হই।

এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা বলি আমি মরে গেছি, অথচ আমাকে বাঁচাও। আমাদের স্রষ্টা আমাদেরকে বাঁচায়, আমাদের স্রষ্টা আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে।

তবে আশেকে রাসুল গোলামেরা কেন স্রষ্টা বিমুখ,যে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি হয়ে মানুষকে ভরসা করি? অদ্ভুত এই পৃথিবী!

একটা গোলাম তার প্রভুর সন্মান কিভাবে রক্ষা করতে পারে।একটা সঠিক গোলাম সেই হতে পারে যে যে তার মনিব এর জন্য যুদ্ধ করে যুদ্ধ জয় করে মনিব এ পায়ের কাছে পরে থাকে।আশেকে রাসুল গোলামেরা তো তাও সঠিক ভাবে করতে পারি নাই।মহান প্রভু আমরা তোমার গোলাম হতে চাই বান্দা হতে চাই বন্দি হতে চাই। মুক্তি পেয়ে আপনার সমকক্ষ বা আপনার সমান হইতে চাই না।

আশেকে রাসুল গোলামদের এর মুক্তি মানুষ মূল্য দিয়ে করতে পারে না গোলাম এর মালিক পারে কিন্তু কোন মানুষ কিনতে পারে না।একটি গোলাম কে মুল্য দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।কিয়ামত পর্যন্ত গোলাম মহান মালিক আপনার গোলাম আমরা গোলাম আগেও ছিলাম এখনও আছি ভবিষ্যতে থাকব ।

আপনি ইচ্ছায় নিশ্বাস নেওয়ার তো আমাদের ক্ষমতা নেই আমাদের।জালিমের কাছে মাথা নত করলে মহান প্রভু আপনাকে কি জবাব দিব?নিজের জন্য কখনও রহমত কি ভিক্ষা করবো না।

ওগো মহান প্রভু আপনি পিতা মাতার মাধ্যমে জন্ম দিয়েছেন। কাউকে দিয়ে নাম দিয়েছেন।পরের মাধ্যমে দয়া করেছেন। আমাদের নিজস্ব মুল্য বলতে কিছু নেই।আদব কায়দা কথা বলার ভাষা সবার মাধ্যমে শিখিয়েছেন।শিক্ষক এর মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন।মরার পরে পরের কাধে করে শেষ কাজ হবে এই সংসার এ কোন কিছুই আশেকে রাসুল গোলামদের নিজের নয়। আমরা যে ঠিক কাজ গুলো করেছি তা সব আপনার অবদান আর যা ভুল করেছি তা আশেকে রাসুল গোলামদের দোষ এ করেছি।আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের কে ক্ষমা করে দিন মাফ করে দিন।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের দেহের অংশ পিঠ ও মাথা, যার আকার আছে কিন্তু দেখার ক্ষমতা নিজের নেই তবে আপনি তো আশেকে রাসুল গোলামদের দেখেন।মহান প্রভু আমাদের আছে

ঈর্ষান্বিত চোখ, হৃদয় আর গীবত শ্রবণের কর্ণের

অধিকারী আমরা। মহান প্রভু আমাদের আছে, উপলব্ধি হীন হৃদয়, দৃষ্টিহীন চোখ আর শ্রবণহীন কর্ণ।আমিও এর বাহিরে নই কারন আমারও দেখা, শোনা এবং উপলব্ধির বিচারের সঠিক জ্ঞান নেই।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের চোখের নিজস্ব কোন আলো নেই। অন্য কিছুর আলো নিয়ে সে আলোকিত হয়। আলো ছাড়া অন্ধকারে চোখ কিছুই দেখতে পারেনা।মহান প্রভু ছোট দুটি চোখ বিশ্ব দেখার ক্ষমতা আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের দিয়েছেন।ছোট্ট একটা বালুকণাও ক্ষমতা রাখে সেই চোখকে অকেজো করার।

মহান প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মত ক্ষুদ্র সৃষ্টির অক্ষমতা কে দয়া করে মাফ করে দিন কবুল করে নিন।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা যখন হাসি খুশি তখন আপনি ও হাসি খুশি আবার আমি যখন হাসি তখন আপনি রাগান্বিত হন।আমি যখন কাদি তখন আপনি খুশি হন আবার আমি যখন কাদি তখন আপনি দুঃখ পান।আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মত না আবার যখন আপনি ভালবাসেন তখন নিজের মনে করেন।আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের নিজ থেকে পৃথক বা জুদা আলাদা করবেননা। দয়া করে মাফ করুন ক্ষমা করুন একটু সন্তুষ্ট থাকুন।

নিশ্চয়ই মহান প্রভু আপনি সুন্দর অহংকার হিন। আপনার মুখের হাসি আশেকে রাসুল গোলামদের অহংকার।

আপনাকে ভালবেসে আপনার মুখে হাসি ফুটানোর জন্য আমরা আশেকে রাসুল গোলামদের জীবন যদি আপনার রাহে উৎসর্গিত হয় তাহলে এর চেয়ে আর কি বেশি পাওয়া হতে পারে একটি গোলামের। সেখানে সামান্য সাময়িক কষ্ট মানুষের অপমান বিরধিতা তো ছোট বিষয়।আপনাকে ভালোবাসার সুযোগ ভিক্ষা দিন।

আপনার গোলাম বলে মানুষ যখন আশেকে রাসুল গোলামদের বলবে এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে।

গোলামের তো কোন আমিত্ব অহংকার থাকতে পারে না আমিত্ব অহংকার এর চাদর তো আপনার তবে এই চাদর নিয়ে যদি কেও আপনাকে অসন্মান অপব্যবহার করে গোলাম হিসাবে আমরা তো বসে থাকতে পারি না।

মহান প্রভু আপনার হাসি আশেকে রাসুল গোলামদের শক্তি আমরা আপনার ওই হাসি থেকেই শক্তি পাই।আপনার হাসিই আশেকে রাসুল গোলামদের বেহেস্ত অন্য কোন বেহেশত আমরা চাই না থাক লেও তুমি অন্যদের দিয়ে দাও আমরা শুধু আপনার মুখের হাসি আর আপনার সন্তুষ্টি চাই।

প্রভু আপনি আপনার হাসির আর সন্তুষ্টির মালিক। আপনার খুশি হওয়া আর সন্তুষ্ট থাকার জন্য তো কারোই মুখোপেক্ষি হতে হয়না।

আমরা গোলাম রা আশেকে রাসুল গোলামদের গোলামি দিয়ে আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারব না। একটা গোলামের কি ক্ষমতা আছে তার মনিব কে সন্তুষ্ট করতে পারে। গোলাম আপনাকে পেয়ে সন্তুষ্ট বলতে পারে কিন্তু গোলাম এর আপনার ইচ্ছা ব্যতীত নিজ ইচ্ছা সন্তুষ্ট হাসি খুশি থাকার ও কোন ক্ষমতা নেই, যদি আপনি অসন্তুষ্ট হয়ে যান। গোলামের হাসি সন্তুষ্ট থাকাটাও আপনি স্রষ্টার সৃষ্টি হতে ধার করে নেওয়া, যে ধার আবার ফেরত দেওয়ার জন্য কষ্ট করতে হয়।

আমরা আপনার মুখে হাসী ফুটানোর জন্য পৃথিবী থেকে সব কিছুই ধার করে নিয়ে আসছি যা কিছু নিয়ে আসছি সবই তো আপনার। আপনার সৃষ্টি করা সবকিছু থেকে আপনার জন্য সবকিছু নিয়ে আসছি আশেকে রাসুল গোলামদের আপনাকে খুশি করার দেয়ার জন্য আমাদের নিজের কিছু নাই।সৃষ্টি কখনো স্রষ্টা কে তারি সৃষ্টি কিছু কিভাবে দিতে পারে। তবে আশেকে রাসুল গোলামদের ইচ্ছা আছে চেষ্টা আছে আছে সাধ নাই সামর্থ্য। আমদের অযোগ্যতা কে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন ভুল ত্রুটি ক্ষমা করুন।

আমরা যতবড় বিশ্বাসী আর প্রেমিক সাজি না কে আপনি যদি বলেন আশেকে রাসুল গোলামদের বিশ্বাসী আর প্রেমিক নন তাহলে তাই সত্য।পৃথিবীর সব মানুষ মিলেও আমাকে বিশ্বাসী আর প্রেমিক বানাতে পারবে না। ইমান এর চাবি আল্লাহ আপনারই হাতের দুই আংগুল এর মাঝে আপনি যাকে খুশি ইমানদার বানান যাকে খুশি বিপথগামী করেন।

আমদের অযোগ্যতা কে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন ভুল ত্রুটি ক্ষমা করুন।

প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের ধৈর্য শক্তি দাও। আশেকে রাসুল গোলামদের কে আত্মসমর্পণ কারি হিসেবে কবুল কর।

তবে যেটা আপনার প্রতি অন্যায় অবিচার মিথ্যা অত্যাচার,সেটার প্রতি আমাদের ধৈর্য শক্তি থাকলে,তাহলে তো আমরা অন্যায় অবিচার মিথ্যা অত্যাচার এর প্রতি আত্মসমর্পণ করে ফেললাম। আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের সঠিক ধৈর্য শক্তি এবং সঠিক আত্মসমর্পণ কারি বানিয়ে দাও।আশেকে রাসুল

গোলামেরা যে পৃথিবীর যে সমাজের মাঝে বাস করি ,কোনটা অন্যায়, অবিচার, মিথ্যা, অত্যাচার? কোনটা সঠিক? সেটা বোঝার মত সঠিক জ্ঞান আশেকে রাসুল গোলামদের নাই।আমরা যেটা সঠিক মনে করি , সেটাকে আপনার কাছে যদি ভুল মনে হয়, আর আমরা যেটা কে অন্যায়, অবিচার,মিথ্যা,অত্যাচার মনে করি, সেটাকে আপনার কাছে যদি ঠিক মনে হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমরা তো আপনার ক্ষুদ্র সৃষ্টি, যে সৃষ্টির স্রষ্টার ঠিক আর ভুল এর নির্ণয় বোঝার ক্ষমতা নেই স্রষ্টাকে সঠিক ভাবে বিশ্বাস ভালবাসার ক্ষমতাও নেই,আছে শুধু ইচ্ছা,নাই সাধ্য।আপনি তো জানেন আপনার সৃষ্টির মনে কি আছে। আপনি যদি আপনার সৃষ্টি কে আপনার প্রতি ধৈর্যশীল রাখেন, আত্মসমর্পিত রাখেন, তাহলে কে তাকে বিপধগামি করতে পারে। আর আপনি যদি কাওকে বিপধগামি করেন গোটা পৃথিবী আমাকে ভালো বললেও আমি বিপথগামী। আপনার কাছে ক্ষমা চাই মাফ চাই আশেকে রাসুল

গোলামদের ভুল ত্রুটি ক্ষমা করেন কবুল করে মঞ্জুর করে নেন।

প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের কি ক্ষমতা আছে, তা তো তোমার সবি জানা।আশেকে রাসুল গোলামেরা যতই নিজেকে স্বাধীন ভাবি না কেন,এই সৃষ্টিজগতের কোন কিছুই আপনার হুকুম ছাড়া হয় না।সব কিছুই তো আপনার হুকুমের গোলাম। আমি নিজেকে গোলাম মনে করি আর না করি, কোন কিছুই আপনের অধিনের বাহিরে নয়।আমরা আমদের ইচ্ছাই জন্ম নিতে পারিনি, না মরতে পারব।আমাদের কে মায়ের গর্ভে আপনি রিযিক এর ব্যাবস্থা করেছেন যেটা আমাদের পিতামাতার ও অজানা ছিল।পিতা মাতা যেমন তার সন্তান কে ভালবাসে,আপনি তার চেয়ে ৭০ গুন বেশে ভালবাসেন।আমরা যত বুদ্ধিমান চালাক আর বোকা হইনা কেন? আপনার দয়া আর করুনা বাতিত, আমাদের নিজ ইচ্ছাই যে ভুল ত্রুটির সুচনা এবং যে কর্ম আমরা করেছি তা থেকে মুক্তির বা পরিত্রাণের আশেকে রাসুল গোলামদের কোন ক্ষমতা আমাদের নাই।তবে আপনি তো বলেছেন বান্দার ততটুকু পাপ করার ক্ষমতা নাই, যতটুকু আপনি আল্লাহর মাফ করার ক্ষমতা আছে। আপনি আমাদের কে দয়া করে মাফ করেন ক্ষমা করেন।আমাদের কে সহয সরল পথে তুলে নেন। আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের ধৈর্য দান করুন। আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের আত্মসমর্পণকারী হিসাবে কবুল করেন।আশেকে রাসুল

গোলামদেরকে অন্যায় কারি, অবিচারী,মিথ্যাবাদী,অত্যাচারী করবেন না।আশেকে রাসুল গোলামদেরকে হাত ও মুখের সঠিক ব্যবহারকারী, আলোকিত চরিত্রর অধিকারী করে তুলুন।আপনি দয়া করুন মাফ করুন।

প্রভু আমাদের এই সারে তিন হাত দেহ আপনি সৃষ্টি করে আশেকে রাসুল গোলামদের দিয়েছেন। আশেকে রাসুল

গোলামদের মায়ের গর্ভে থাকতে আপনার প্রতি আত্মসমর্পিত ছিলাম। পৃথিবীতে আসার পরে নিজ ইচ্ছায় তিন হাত দেহ কে আপনার প্রতি আত্মসমর্পিত রাখতে পারি নাই ষড়রিপু কারণে।আশেকে রাসুল গোলামেরা আপনার উপর জুলুম করে ফেলেছি।সারে তিন হাত দেহ কে আপনার গোলাম করতে পারি নাই।এর জন্য আমিই দায়ী।আপনি আমাকে দুঃখ দেন নাই। প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের ভুল ত্রুটিকে ক্ষমা করে দিন।

প্রভু আশেকে রাসুল গোলামেরা বিশ্বাস করলেও আপনি প্রভু, আমি বিশ্বাস না করলেও আপনি প্রভু।আপনি ক্ষমা করলেও আপনি প্রভু, আপনি ক্ষমা না করলেও আপনি প্রভু।আমি পাপ করলেও আপনি প্রভু, আমি পাপ না করলেও আপনি প্রভু। আমি দোষ করলেও আপনি প্রভু, আমি দোষ না করলেও আপনি প্রভু। আপনি বলেছেন আপনাকে বিশ্বাস করতে। আপনাকে অনুসন্ধান করব কিভাবে? আপনি তো হারিয়ে যান না,নিশ্চয়ই আপনি নিকট এ সবার। আপনি তো সন্তুষ্ট হারিয়ে যান না,আপনাকে আশেকে রাসুল গোলামদের কর্ম বিশ্বাস ভালবাসা দিয়ে পাওয়া সম্ভব না,যদি আপনি নিজ গুনে না সন্তুষ্ট হন। আপনি তো কখনও আপনার মায়া দয়া আর করুনার গুনে কখনও দূরে যান না, আর অসন্তুষ্ট হন না। আমরা আপনাকে বিশ্বাস করি না,ভালবাসি না,কোন কর্ম করি না,কিন্তু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের ভালোবাসেন বিশ্বাস করেন।আশেকে রাসুল গোলামদের জন্য সব কিছুই করে দেন।ক্ষমা করে দেন মাফ করে দেন।

প্রভু আপনাকে আশেকে রাসুল গোলামেরা সবসময় ডাকি। আপনি কি আমাদের কাছ থেকে দূরে আছেন? নিশ্চয়ই আপনি আমাদের থেকে দুরে নন আপনি সবসময় কাছে আছেন। আপনাকে দূরে মনে করে আশেকে রাসুল

গোলামেরা অনেক ভুল করেছি নিশ্চয়ই আপনি দয়ালু ও করুনাময় আমার কল্পনার চেয়েও বেশি চিন্তার চেয়েও বেশি।আপনাকে ভালোবাসার বিশ্বাস করার ক্ষমতা আশেকে রাসুল গোলামদের নাই। তবে আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের ভালোবাসেন বিশ্বাস করেন। আমরা ক্ষমা চাওয়ার আগেই আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মাফ করে দেন।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের চিত্ত দৌড়াদৌড়ি করে, আশেকে রাসুল গোলামদের চিত্ত অশান্ত। মহান প্রভু আপনার উপর বিশ্বাস আপনার রূপান্তর ঘটাবে না।আপনার উপর বিশ্বাস করি যদি যে আপনার দুটি হাত আছে, যে আপনার দুটি হাত আছে? এমনকি আপনার চোখ দিয়ে যদি আমাদের নাও দেখেন, তা সত্ত্বেও। আমরা বিশ্বাস করলেও আপনার দুটি চোখ হাত ও কদম মোবারক আছে না করলেও আছে। কিন্তু আপনি বলেছেন বিশ্বাস করতে।

মহান প্রভু আপনি তো উপস্থিত স্বত্তা আমরা অন্ধ হইলেও আপনি আছেন অন্ধ না হইলেও আপনি আছেন।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের বিশ্বাস আপনার প্রতি, আশেকে রাসুল গোলামদের বিশ্বাস রাসুলের প্রতি,বিশ্বাস কিতাব সমুহের প্রতি,বিশ্বাস ফেরেস্তাদের প্রতি,বিশ্বাস ভাগ্যর প্রতি,বিশ্বাস শেষ দিনের প্রতি।

একটি বিশ্বাস নিজের প্রতি যার ক্ষমতা অতি ক্ষুদ্র।

মহান প্রভু নিজের অস্তিত্বকে আশেকে রাসুল গোলামদের যতই এই মহাজগতের এক ক্ষুদ্র কণা রূপে স্বীকার করতে ইচ্ছুক না হই আমরা সেই ক্ষুদ্র কনা মাত্র।

মহান প্রভু আপনি যদি দয়া করেন তাহলেই আপনার অস্তিত্বের অসীমতা জানতে পারবো তাছাড়া না।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের উপলব্ধি করার সক্ষমতা কম।কিন্তু সেই একই জিনিস আপনি যদি উপলব্ধি করান, তাহলে সেটা আশেকে রাসুল গোলামদের কে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তরিত করে ছাড়বে।মহান প্রভু উপলব্ধির স্পর্শ ছাড়া আশেকে রাসুল গোলামদের বিশ্বাসের কোন অর্থই থাকে না।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের মন পরিবর্তনশীল

আশেকে রাসুল গোলামদের বুদ্ধি বেঁচে থাকার জন্য একটা যন্ত্র মাত্র,

অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র আমাদের সীমিত জ্ঞানেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে- দর্শন, শ্রবণ, স্পর্শ, স্বাদ এবং গন্ধের দ্বারা।

মহান প্রভু আমরা সিদ্ধান্তে ঝাঁপিয়ে পড়তে খুবই উৎসুক, কারণ একটা অভিমত ছাড়া আমাদের নিজের বলতে আর কিছুই তো নেই। আমরা যাকে "আমি" বলি, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিত্ব হল জীবন সম্পর্কে উপনীত আমাদের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত মাত্র। কিন্তু আমরা যে সিদ্ধান্তেই উপনীত হয়ে থাকি না কেন, আমাদের ভুল হতে বাধ্য - কারণ জীবন আশেকে রাসুল গোলামদের কোন সিদ্ধান্তের সঙ্গেই খাপ খায় না।

আমরা তো মহা সাগরের ছোট বিন্দু সেই ছোটো বিন্দু কি মহাসাগর কে খুজে পেতে পারে।একটা ছোট বাটি দিয়ে মহাসাগরের গভীরতা যেমন পরিমাপ করা যায় না। তেমন ভাবে আমাদের ক্ষুদ্র জীবন দিয়ে আপনাকে পাওয়ার হারানোর হিসাব আমরা কখনও মিলাতে পারব না।আপনাকে তো কে হারালো কে পাইলো? আপনি তো ছিলেন না এমন কোন সময় ছিল না। যে সময় এর মধ্যে আমরা জন্ম মৃত্যু নেই সে সময় তো সৃষ্টি আপনি তো স্রষ্টা। আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মনের ভুল ত্রুটি দূর করে দিন আমাদের কে দয়া করুন ক্ষমা করুন।

মহান প্রভু অন্যের প্রতি বিশ্বাস, নিজের প্রতি বিশ্বাস, আদর্শের প্রতি বিশ্বাস, লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস – ইত্যাদি অনেক ধরনের বিশ্বাসের সাথেই আশেকে রাসুল গোলামেরা পরিচিত। কিন্তু আপনি যদি দয়া না করেন সব গুলো বিশ্বাস এ আশেকে রাসুল গোলামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হব।

কিন্তু সব ধরনের বিশ্বাসের মধ্যেই একটা ব্যাপার কমন আর তা হল, যে কোনও বিষয়ে সাফল্যের মূল ভিত্তি মহান প্রভু আপনি।

নিজের ওপর ও অন্যের ওপর, আদর্শ বা লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস করতে পারা একজন সফল মানুষের অন্যতম গুণ যা আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের দয়া করে দিতে পারেন যোগ্য করে তুলতে পারেন।

আমরা যদি ঢালাও ভাবে সবার ওপর ভরসা করি সেটা যেমন বোকামী, আবার ঢালাও ভাবে সবাইকে অবিশ্বাস করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের কে বুদ্ধি যাচাই বাছাই করে বিশ্বাস করার শক্তি দাও।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদের কে আদর্শ ও লক্ষ্যের প্রতি আস্থা রাখ যাহাতে পথভ্রষ্ট না হই।

মহান প্রভু আশেকে রাসুল গোলামদেরকে যে কোনও পরিস্থিতিতে কাজ করে যেতে পারি সে সুযগ দান করুন , এবং দিন শেষে সফল করুন।

মহান প্রভু আপনার প্রতি ভালোবাসা আর বিশ্বাস করার ক্ষমতা আশেকে রাসুল গোলামদের কম আছে।

মহান প্রভু আপনার আশেকে রাসুল গোলামদের প্রতি ভালোবাসাই আমাদের পথ প্রদর্শক। যে ভালবাসার যত নিকট এ থাকে তত বিশ্বাসী তত বড় প্রেমিক। আপনার ভালবাসা আশেকে রাসুল গোলামদের ভালবাসে আমরা দেখতে পারিনা এটা আশেকে রাসুল গোলামদের দোষ আপনার ভালবাসার দোষ নয়। আশেকে রাসুল গোলামদেরকে দয়া করে মাফ কর।

প্রভু আপনি সবাই কে সৃষ্টি করেছেন ভালোবাসা পাওয়ার কামনা বাসনা দিয়ে কোন সৃষ্টি সেই ভালোবাসা পায় কোন সৃষ্টি সেই সেই ভালোবাসা হারায়। যে প্রেমিক তার কি হারাইল আর কি পাইল।

আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের মনের ভুল ত্রুটি দূর করে দিন আশেকে রাসুল গোলামদের কে দয়া করুন ক্ষমা করুন।

ওগো দয়াময় প্রভু তুমি মুক্ত স্বাধীন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে আশেকে রাসুল গোলামদের সৃষ্টি করেছো।আপনি তো স্রষ্টা নির্শর্তভাবে আপনার বান্দাকে ও সৃষ্টিকে ভালোবাসেন।

কিন্তু তোমার সৃষ্টি তো শর্তের মধ্যে বন্দি, তাকে সৃষ্টি আর ধ্বংস জন্ম আর মৃত্যু শর্তে মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। শর্তযুক্ত মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টি কি করে শর্তমুক্ত অমুখাপেক্ষী স্বনির্ভর স্বাধীন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ও ভালবাসতে পারে?কি ক্ষমতা আছে আপনার ক্ষুদ্র বন্দি সৃষ্টির?

প্রভু আপনি আশেকে রাসুল গোলামদের কে প্রকৃতির ওপরে নির্ভরশীল, ধর্মে

Address

Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HEAD OR TAILE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HEAD OR TAILE:

Shortcuts

Share