TechTicsBD

TechTicsBD An online & offline service to meet almost all your demands regarding Electronics and Robotics as well as to help you increase your skills in these fields.

‘টেকনোলজি’, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, ‘রোবোটিক্স’ শব্দগুলো শুনলেই চোখের সামনে যা ভেসে উঠে তা ব্যখ্যা করা যায় একটি শব্দ দিয়েই, ‘বিস্ময়’। বিজ্ঞানের এই বিস্ময়কর শাখাগুলো আমাদের কল্পনাকে করেছে বাস্তব, স্বপ্নকে করেছে সত্যি। ইঞ্জিনিয়ারিং আর টেকনোলজির কল্যানে কোনও দূরত্বই আজ আর দূরত্ব নয় তেমনি কোনও দূর্গমও আজ আর দূর্গম নেই। আজ থেকে এক যুগ আগেও যা ছিলো অকল্পনীয়, সাইন্স ফিকশনের পাতায় পাতায় লেখকের লেখনীতে উঠে আসা যেস

ব কল্পনা মানুষের কাছে ছিলো শুধুই বিনোদনের খোরাক জোগানো কল্পকাহিনী, সেসবই আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। এই অভ্যুদয় হার মানায় রূপকথাকেও। কিন্তু আমরা টেকনোলজির এই রহস্যময় জগত সম্পর্কে কতটুকু জানি? কিংবা রোবোট কিভাবে জটিল থেকে জটিলতর কাজে মানুষের জায়গা নিয়ে নিচ্ছে তা আমরা কতটুকু জানি? ইঞ্জিনিয়ারিং আর টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগই বা হয় কয়জনের? কিংবা কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেমন হতো যদি দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক পন্য, সার্কিট বা মডিয়ুল অথবা রোবোটিক্সে ব্যবহার্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যদি অর্ডার করার পর আপনার ঘরে পৌছে যেত? এসব প্রশ্নের উত্তর এবং টেকনোলজি আর ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে প্রায় সব সমস্যার সমাধান দিতে আমরা কয়েকজন তরুন এক হয়েছি TechTicsBD নামের এই প্ল্যাটফর্মে। লাল সবুজ বুকে ধারণ করে আমরা আসছি খুব শীঘ্রই। সাথে থাকুন। কথা দিচ্ছি নিরাশ করবো না ইনশাআল্লাহ।

27/03/2018

#ইন্টারন্যাশনাল_স্পেস_স্টেশন
আচ্ছা, মহাকাশ দেখতে কেমন? লাল নাকি নীল? সেখনে কি ফুলের বাগান করা যাবে? সেখনে কিভাবে বসবাস করা যায়? এমন হাজারো প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের মাথায়। সেই ১৬১১ সালে টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পর থেকে যেন মহাকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষনা আর শেষ হয় না। প্রতিদিন নতুন নতুন আবিষ্কার করেই যাচ্ছে। কিছুদিন আগে শুনলাম মঙ্গলের মাটিতে নাকি ২% পানি পাওয়া গেছে। এ নিয়েও কত মাতামাতি। এই অসম্ভব মেধাবী বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের একটা অন্যতম সাফল্য হল পৃথিবীর আকাশে International Space Station (ISS) স্থাপন। আজকে এই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন বা ISS-কে নিয়েই জানবো মজার কিছু তথ্য। ১৯৪০ সালের আগে ISS ছিল সায়েন্স ফিকশান এর গল্প। এরপর ধীরে ধীরে মহাকাশে একটা আস্তো স্টেশন বসানোর সব কলা কৌশল মানুষ আবিষ্কার করতে থাকে। ১৯৫০ সালের পর রাশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপ, জাপান সহ বিভিন্ন দেশ মহাকাশ গবেশনায় সাফল্য পেতে থাকে। ১৯৮৪ সালে U.S. প্রেসিডেন্ট Ronald Reagan মহাকাশে স্থায়ী গবেষনাগার স্থাপনের জন্য বিভিন্ন দেশেকে আহ্বান জানান। এরপর রাশিয়া, কানাডা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি সহ ১৫টি দেশ একত্রিত হয় মহাকাশে ISS স্থাপন করার জন্য। ১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর রাশিয়া থেকে ISS-এর প্রথম অংশটি পাঠেনোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন তৈরির কাজ। এবং ২০১১ সালে এর নির্মান কাজ শেষ হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, ISS-কে পৃথিবীতে সম্পূর্ণ তৈরী করে মহাকাশে পাঠানো হয় নি। এর বিভিন্ন ছোট ছোট অংশ পৃথিবীতে বানিয়ে রকেটে করে মহাকাশে অরবিটালে নিয়ে যুক্ত করা হয়েছে। এজন্য মহাকাশচারীদের প্রায় ৩০ বারেরও বেশি মহাকাশ যাত্রা করতে হয়েছিল। ISS হল মহাকাশে ভাসমান মানুষের তৈরী সবচেয়ে বড় বস্তু। একটি ফুটবল মাঠের সমান। ISS-কে দেখতে হলে কোন টেলিস্কোপ দরকার নেই। পৃথিবী থেকে খালি চোখেই একে দেখা যায়। সূর্যের reflection-এর জন্য রাতের আকাশে চলমান তারার মত দেখায় একে। পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪০ কিমি. উপরে অরবিটালে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এই বিশাল সাইজের গবেষণাগার। প্রতি ঘন্টায় এটি প্রায় ২৮০০০ কিমি. বেগে ঘুরছে। মাত্র ৯০ মিনিটেই পুরো পৃথিবীকে একবার ঘুরে আসতে পারে। এর মানে দাঁড়ায় ২৪ ঘন্টায় ISS পৃথিবী ও চাঁদের দূরত্বের ২ গুন পথ অতিক্রম করে ফেলে। বিভিন্ন গবেষণার জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞানী পাঠানো হয় ISS-এ। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ জন মহাকাশচারী ও বিজ্ঞনী গিয়েছেন সেখানে। সাইজে বিশাল হলেও একইসাথে ৬ জনের বেশি থাকেন না কখনোই। আবার অনেক বেশি সময়ের জন্যও থাকা যায় না সেখানে। একটানা ৩৪০ দিন ISS-এ থেকে রেকর্ড করেছেন NASA-র মহাকাশচারী Scott Kelly. মহাকাশ গবেষণাই ISS প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও, অন্য কোন গ্রহে গেলে মনুষের বসবাস কেমন হবে, মানুষের চাষবাস পদ্ধতি কেমন হওয়া উচিৎ, বিভিন্ন জীবাণু মহাকাশে কেমন আচরন করে, মহাকাশে বিভিন্ন ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ইত্যাদি বহু রকমের গবেষণা চলে ISS-এ। মহাকাশে microgravity-তে artificial environment তৈরী করে বিজ্ঞানীরা সফলভাবে কয়েক প্রকার সালাদ ও ফুলের চাষ করতে পেরেছেন। যা মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর পথ একধাপ এগিয়ে দিল। বিজ্ঞানীরাও তো মানুষ। মহাকাশে বসবাস যেন বোরিং না হয় সেজন্য রয়েছে gymnasium , সুন্দর এই নীল পৃথিবী দেখার জন্য আছে ৩৬০ ডিগ্রি জানালা, বিশ্রাম ও ঘুমের জন্য আছে বেড রুম। মহাকাশেও কিন্তু facebooking করা বন্ধ নাই। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের জন্য সামাজিক সব যোগাযোগ মাধ্যমই রয়েছে সেখানে। আর খাবার দাবার তো আছেই। তবে একটু বিশেষ ধরনের খাবার। মানুষের মহাকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুজতে ব্যস্ত ISS-এর বিজ্ঞানীরা। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সেখানে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে বিজ্ঞানীদের। এরপর ISS-এর কি হবে সেটা এখনো ঠিক করা হয়নি। পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি একত্রিত হয়ে Scientific Research-এর সবচেয়ে সন্দর উদাহরন হল এই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে।
#নিপুন_কারিগর

তিরিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই পতাকা। চিরদিন বুকে থাক সবার। TechTicsBD র পক্ষ থেকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2017

তিরিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই পতাকা। চিরদিন বুকে থাক সবার। TechTicsBD র পক্ষ থেকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

08/12/2017

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যায়বহুল ১০টি বস্তু :

মানুষের কৌতুহল ও চাহিদার শেষ নেই। কিছু তারা বানায় প্রয়োজনে, কিছু বানায় কৌতুহলে, গবেষনা করার জন্য। এর জন্য প্রচুর ব্যয় তো আছেই। এই লেখাতে দেওয়া হয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যায়বহুল দশটি বস্তুর তালিকা। এখানে মুল্যমান বিলিয়ন ডলারে দেওয়া আছে। এক বিলিয়ন ডলার হল ১০০ কোটি ডলার যা কিনা বাংলাদেশের প্রায় ৭৭০০ কোটি টাকার সমান।

১০। ওরসান্ড সেতু (Oresund Bridge) - ৬ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে ব্রিজ বা সেতু বলা হলেও এটা আসলে আংশিক টানেল অর্থাৎ মাটির নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ। এই ব্রিজটি সুইডেন ও ডেনমার্ক দেশ দুটিকে যুক্ত করেছে। এতে আছে দুই লাইনের রেলওয়ে লাইন ও চার লাইনের মহাসড়ক। এটা ইউরোপের সবচেয়ে লম্বা এই ব্রিজটি প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৩ মিটার (৭৭ ফুট) চওড়া। ২০০০ সালে এটার নির্মান কাজ শেষ হয়। খরচ হয়েছে ৬ বিলিয়ন ডলার।

৯। লার্জ হারডন কোলাইডার (Large Hadron Collider) - ৬ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে সংক্ষেপে LHC বলা হয়। এটা মুলত একটি গবেষনাগার। এটা বিশ্বের সর্বোচ্চ এনার্জি এক্সালেটর (world’s largest and highest-energy particle accelerator) বিজ্ঞানীদের ধারনা ের থেকে পদার্থবিদ্যা ও প্রকৃতির মূল বিষয়ের অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড এর বর্ডারে, জেনেভার কাছে, মাটির ১৭৫ মিটার (৫৭৪ ফুট) গভীরে, ২৭ কিলোমিটার লম্বা একটা চক্রাকার টানেল বা সুড়ঙ্গ এটি। নির্মান কাজ শেষ হয়েছে ২০০৮ সালে। খরচ হয়েছে ৬ বিলিয়ন ডলার।

৮। ফিউসন রয়েক্টরের গবেষনা (Experimental Fusion Reactor ) - ৬.৫ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে সংক্ষেপে বলা হয় ITER ( International Thermonuclear Experimental Reactor) এটিও গবেষনার বস্তু। এর নির্মান কাজ শেষ হতে আরো এক বছর লাগবে (২০১৬ সাল) । বলা চলে, বিশ্বের সব গবেষক দেশগুলি যৌথভাবে এই কাজে হাত লাগিয়ে ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের এই রিয়াক্টর বানানো কাজ করছে। কোন দেশ আছে এই কাজে? আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান, চায়না, দক্ষিন কোরিয়া এমনকি ভারতও।

৭। ওলকিলুওতো পারমানবিক শক্তি কেন্দ্র ( Olkiluoto Nuclear Power Plant) - ৭.২ বিলিয়ন ডলারঃ ফিনল্যনাডের একটি দ্বীপ, ওলকিলুওতো । এখানেই আছে এই পারমানবিক শক্তি কেন্দ্র। ফিনল্যান্ডের দুটি পারমানবিক শক্তি কেন্দ্রের মধ্যে এটি একটি। এটার কাজ শেষ হবার কথা ছিল ২০১২ সালে । যদিও এর কিছু অংশের কাজ এখনো বাকী আছে।

৬। আলাস্কা পাইপ লাইন (Alaska Pipeline) - ৮ বিলিয়ন ডলারঃ যুক্তরাস্ট্রের আলাস্কা অংরাজ্যটি মুল ভুমি থেকে আলাদা। ওটা কানাডার ওইপাশে। ১২২ সেন্টিমিটার (৪৮ ইঞ্চি) ব্যাসের এই পাইপ লাইন ১২৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। একটি বেসরকারী এই পাইপ লাইনের মালিক। অনেকের হয়ত জানা আছে যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উতপাদনকারী দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৩ সালে তেলের দুস্প্রাপ্যতার কারনে দেশটিতে যখন তেলের উচ্চমুল্য হয়ে গিয়েছিল তখন এই পাইপ লাইনের কাজ শুরু হয়। পাইপলাইন বানানো শেষ হয় ১৯৭৭ সালে।

৫। বিমান বহনকারী নৌযান (CVN-78 Class Aircraft Carrier ) - ৮.১ বিলিয়ন ডলারঃ এমন যুদ্ধবিমান বহনকারী জাহাজ আরো আছে। কিন্তু এটি নতুন ডিজাইন ও অনেক আধুনিক ব্যাবস্থা থাকবে এতে। এতে থাকবে তড়িতচুম্বকীয় পদ্ধতীতে বিমান প্রক্ষেপন ব্যাবস্থা (Electromagnetic Aircraft Launch System) আরো থাকবে আকর্ষনীয় ডিজাইন যাতে বেশী বিমান রাখা যায় ও কম লোকবল লাগে। বলাবাহুল্য, এটি যুক্তরাস্ট্রের প্রজেক্ট। এ বছরেই (২০১৫ সালে) এর কাজ শেষ হবার কথা আছে।



৪। জেমস বে প্রোজেক্ট (James Bay Projec) - ১৩.৮ বিলিয়ন ডলারঃ এটি কানাডার কুইবেকে অবস্থিত, একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (hydroelectric power stations)। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। এই প্রকল্পটি এত বড় যে, এটি যতখানি জায়গা দখল করে রেখেছে তা প্রায় বাংলাদেশের সমান। ১৩ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ১৯৭২ সালে।

৩। তিন জর্জ বাধ (Three Gorges Dam) - ২৫ বিলিয়ন ডলারঃ এই বাঁধটি রয়েছে চীনের হুবেই প্রদেশের সান্ডোপিং শহরে। এই বাধটি জলবিদ্যুৎ উতপন্ন করে। বিশ্বের যে কোন ধরনের বিদ্যুৎ উতপাদন কেন্দ্রের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড়। বাধটির মুল কাঠামো বানানো শেষ হয়য় ২০০৬ সালে। এর পরে শিপ লিফটিং, বিদ্যুৎ উতপাদন ইত্যাদি সবকিছু বানিয়ে শেষ করতে ২০১১ গড়িয়ে যায়।



২। ইতাইপু বাঁধ (Itaipu Dam) - ২৭ বিলিয়নঃ এটিও একটি জলবিদ্যুৎ উতপন্নকারী বাঁধ। ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে এর বর্ডারে পারানা নদীর উপরের এই বাঁধ। ওখানে ইতাইপু নামে একটি দিপ আছে যা থেক এই নামটি আসে। চাছাড়া ওখানকার ভাষায় ইতাইপু অর্থ - পাথরের শব্দ। ব্রাজিলের বিদ্যুৎ চাহিদার ১৯% ও প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎ চাহিদার ৯০% মেটায় এই ইতাইপু বাঁধ। এই পর্যন্ত দুনিয়ার বুকে বানানো সবচেয়ে ব্যায়বহুল (২৭ বিলিয়ন ডলার) এই স্থাপনাটি বানানো শেষ হয় ১৯৮৪ সালে।

১। আন্তঃজাতিক মহাকাশ কেন্দ্র ( International Space Station) - ১৫৭ বিলিয়ন ডলারঃ উপরে যে সব স্থাপনার কথা বলেছি সেগুলো সব যোগ করলেও মোট ১১০ বিলিয়ন ডলারের বেশী হয় না। ওদিকে এই স্পেস স্টেশন বানাতে খরচ হয়েছে ১৫৭ বিলিয়ন ডলার। এটা এত বিশাল ব্যয় যে এই টাকা খরচ করলে ইউরোপ থেকে আমেরিকা পর্যন্ত, আটলান্টিক মহাসাগরের নীচ দিয়ে টানেল (সড়ক ও রেল সহ) বানানো যাবে। এটা মহাকাশের একটি স্টেশন যেখানে বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা গিয়ে কিছুদিন থেকে গবেষনা করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলে এই স্থাপনাটির অর্থের যোগান দিয়েছে। ১৯৯৮ সালে কাজ শুরু হয় এবং ২০০০ সালে এটা সম্পুর্ন ব্যাবহারের উপযোগী হয়। এই স্টেশনটি ২০২০ সাল পর্যন্ত ব্যাবহার উপযোগী থাকবে বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা।

উল্লেখ্য যে এর আগেও (১৯৭৩ সালে ) ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এমনই একটি মহাশুন্য স্টেশন বানানো হয়েছিল যার যার নাম ছিল স্কাইল্যাব (skylab)। ১৯৭৯ সালে বৈদুতিক গোলযোগের কারনে আগুন ধরে ধংশ হয়ে পৃথিবীতে আছড়ে পরে এই স্কাইল্যাব। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যায়বহুল ওই দুর্ঘটনাটিতে ৯ জন মহাকাশচারী নিহত হয়।

সংগৃহীত।

04/12/2017

মহাকাশ থেকে ভেসে আসছে আওয়াজ:

২৫০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের একটি বামন আকৃতির ছায়াপথ থেকে ভেসে আসছে রহস্যময় আওয়াজ। জ্যোতির্বিদ্যার সবচেয়ে হেঁয়ালিপূর্ণ সমস্যা বলা হয় রেডিও তরঙ্গকে। আর এবার প্রথমবারের মতো এই তরঙ্গের উৎস উদঘাটন করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। রেডিও তরঙ্গের হিসাবে এর দৈর্ঘ্য মিলি সেকেন্ড।

বুধবার ন্যাচার অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারে এমন তথ্যই জানিয়েছেন গবেষকরা। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডানকান লরিমার বলেন, 'প্রথমবারের মতো মহাকাশের অন্য কোনো উৎস থেকে রেডিও তরঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেল। এটি একটি বিরাট আবিষ্কার।'

প্রথম বারের মতো ২০০৭ সালে এই ধরনের রেডিও তরঙ্গ বা ফাস্ট রেডিও বার্স্টের (এফআরবি) সন্ধান পাওয়া যায়। তবে বিজ্ঞানীরা সেই সময় মাত্র ১৮ সেকেন্ডের জন্য এর সংকেত রেকর্ড করতে পেরেছিলেন। তবে ঠিক কোথা থেকে এই আওয়াজ বা তরঙ্গ ভেসে আসছিল সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তাঁরা। মনে হচ্ছিল গোটা আকাশ থেকেই বুঝি আওয়াজ ভেসে আসছে।

এই রেডিও তরঙ্গ ভেসে আসাকে জ্যোতির্বিদ্যার নতুন দিগন্ত খুলে যাওয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন বিজ্ঞানীরা। অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা, দূরবর্তী কোনো নক্ষত্রপুঞ্জ বিস্ফোরিত হয়ে এই আওয়াজ ভেসে আসছে। অবশ্য কারো কারো ধারণা, আমাদের ছায়াপথেই এই আওয়াজের উৎপত্তি। প্রথমবার ২০০৭ সালে যে আওয়াজ পাওয়া গিয়েছিল সেটিকেও অনেকে দুটি বড় নক্ষত্রের সংঘর্ষের শব্দ বলে মনে করেন। কারণ এর পরে এ শব্দের উৎস খুঁজে যাওয়া যায়নি।

গত বসন্তে গবেষকরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে দেখতে পান, আকাশের কিছু নির্দিষ্ট স্থান থেকে এই শব্দ ভেসে আসছে। কিন্তু আসলে এই শব্দের উৎপত্তি কোথায়? ধারণা করা হচ্ছে, আড়াইশো কোটি আলোকবর্ষ দূরের একটি ছোট ছায়াপথ থেকে আওয়াজটি ভেসে আসছে।

সংগৃহীত।

৬ ডিসেম্বর ঢাকায় বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই দিন কাটবে নাগরিকত্ব পাওয়া বিশ্বের প্রথম রোবট সোফিয়ার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইস...
03/12/2017

৬ ডিসেম্বর ঢাকায় বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই দিন কাটবে নাগরিকত্ব পাওয়া বিশ্বের প্রথম রোবট সোফিয়ার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের বড় বড় প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’ উপলক্ষে ঢাকায় আসছে সোফিয়া। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ঢাকায় সোফিয়ার সম্ভাব্য দিনলিপিও জানা গেছে। সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবে সোফিয়া। অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে কথা বলবে সে।

মেলা উদ্বোধনের পর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবে সোফিয়া। এতে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবে এবং প্রশ্নের উত্তরও দেবে। সোফিয়ার সঙ্গে ঢাকায় আসছেন এই রোবটের ডিজাইনার ডেভিড হ্যানসন। তিনি সোফিয়াকে নিয়ে একটি কারিগরি অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন। সেখানে সোফিয়ার কারিগরি দিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলবেন। সেদিনই সোফিয়া ঢাকা ত্যাগ করবে। রোবট সোফিয়া ঢাকায় আনার ব্যাপারে পৃষ্ঠপোষকতা করছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।

হলিউড কিংবদন্তি অড্রে হেপবার্নের চেহারার আদলে তৈরি সোফিয়ার নির্মাতা হংকংয়ের রোবট বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস। সোফিয়া রোবটটি মানুষের ব্যবহারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এমনভাবে বানানো হয়েছে, যাতে মানুষের আচার-আচরণের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। মানুষের কাজ দেখে শিখে রোবটটি তা নিজেই করতে পারে। সোফিয়া ইংরেজিতে কথা বলে। এটি সক্রিয় হয় ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল।

গত ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্মলনে সোফিয়াকে দেখানো হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা সোফিয়ার কথাবার্তায় এতটাই মুগ্ধ হন যে সেখানেই সোফিয়াকে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব প্রদান করার কথা বলা হয়। ফলে সোফিয়াই প্রথম রোবট, যে কোনো দেশের নাগরিকত্ব লাভ করল।

সোফিয়া নানা বিষয়ে অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশাল তথ্যভান্ডারে যুক্ত থাকে সে। সেখান থেকে ‘মেশিন লার্নিং’ পদ্ধতিতে প্রশ্নের জবাব দেয় সোফিয়া। রোবটটি তথ্যপ্রক্রিয়াজাত পারে। মানুষের মুখ শনাক্ত করতে পারে। মানুষের অঙ্গভঙ্গি ও মুখের অভিব্যক্তি নকল করতে পারে।

সোফিয়া মানুষের সঙ্গী হিসেবেও কাজ করে। তার মালিকের সঙ্গে কথোপকথন কিংবা কোনো বড় অনুষ্ঠান বা পার্কে ভিড়ের মধ্যে সহযোগিতা করতে পারে। হ্যানসন রোবটিকসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধীরে ধীরে সোফিয়া মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করার মতো পর্যাপ্ত সামাজিক দক্ষতা অর্জন করবে।

সংগৃহীত।

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি জানাই শ্রদ্ধা। অম্লান থাকবে তোমরা প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ের গভীরে চিরদিন চিরক...
02/12/2017

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি জানাই শ্রদ্ধা। অম্লান থাকবে তোমরা প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ের গভীরে চিরদিন চিরকাল। 💜

★GOOGLE… শুনেছেন কি শব্দটা??হাসলেন তো? ভাবছেন এই শব্দটা শোনেনি এমন লোকও আছে নাকি দুনিয়ায়?? কিন্তু যদি বলি GOOGLE এর মানে...
11/08/2017

★GOOGLE… শুনেছেন কি শব্দটা??

হাসলেন তো? ভাবছেন এই শব্দটা শোনেনি এমন লোকও আছে নাকি দুনিয়ায়?? কিন্তু যদি বলি GOOGLE এর মানেটা কি?? তাহলে??

আসুন জেনে নেই। গুগল বা গুগোল (Googol) হলো একটি সংখ্যা নির্দেশক শব্দ। টেন টু দি পাওয়ার হান্ড্রেড ১০^১০০ সংখ্যাটিকে এক গুগল বলা হয়। অর্থাৎ, এক লিখে তার পরে একশটি শূন্য বসালে যে বিশাল সংখ্যাটি পাওয়া যায় তা-ই এক গুগল। বাহ! এইতো জেনে গেলেন! কী সুন্দর!
নাকি, কী ভয়ংকর! একের পর একশটি শূণ্য!!

এখন কথা হলো বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google. com এর নাম কেন গুগলের নামে হলো? হলোই না হয় কিন্তু বানানটাই বা কেন ভুল হলো! Googol না হয়ে Google?

যাইহোক, আমাদের এই Googol থেকেই সার্চ জায়ান্ট Google. com এর নামকরণ। তবে, বানান আলাদা। এখানেই ব্যপারটা মজার। তা হলো, গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ তার স্কুল জীবন থেকেই গণিতের গুগল শব্দটির প্রতি বেশ আগ্রহী ছিলেন। স্কুল জীবনে বন্ধুরা মিলে এই নামটিকে পছন্দ করেন। কিন্তু বানান ভুল করে তারা googol-এর বদলে google লিখে ফেলেন। পরবর্তীতে তাঁরা বানানটি ঠিক করার প্রয়োজনীয়তা দেখাননি। একটু ব্যতিক্রম হলেও যদি ভাল হয়, ঠিকঠাক বানানের কি দরকার!

সার্চ ইঞ্জিনটির আরেকজন প্রতিষ্ঠাতা হলেন সের্গেই ব্রিন। দুজন মিলে সাদামাটা একটা ওয়েবসাইট তৈরি করেন। তবে গুগলের নাম কিন্তু শুরু থেকেই এমন না! এর পূর্ব নাম ছিল “ব্যাকরাব”। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাকরাব ডোমেইন নাম গুগল হিসেবে নিবন্ধিত করা হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে এবং কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ সালে।

ভুল করে নামরাখা সেই গুগলই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন Google. com!

#পরিব্রাজক

Today marks 44 yrs since the ! DJ your own mix with turntables & legendary beats 🎧 🎚

 #সুপারকম্পিউটারকার্যক্ষমতার (হিসাব-নিকাষের ও নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্পাদন করার গতি) ভিত্তিতে পৃথিবীর সেরা কম্পিউটারগুলোক...
03/08/2017

#সুপারকম্পিউটার

কার্যক্ষমতার (হিসাব-নিকাষের ও নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্পাদন করার গতি) ভিত্তিতে পৃথিবীর সেরা কম্পিউটারগুলোকে সুপার কম্পিউটার বলা হয়। এগুলো আকার-আকৃতিতে যেমন সাধারন কম্পিউটারের তুলনায় সুবিশাল হয় তেমনি কাজের প্রকৃতিও অনেকটাই আলাদা। ১৯৬০ সালের দিকে কন্ট্রোল ড্যাটা কর্পোরেশন (সিডিসি) এর সেইমার ক্রে সর্বপ্রথম প্রাথমিক ভাবে সুপার কম্পিউটারের একটি ডিজাইন তৈরি করেন এবং তা পৃথিবার কাছে তুলে ধরেন। তাকেই সুপারকম্পিউটারের জনক বলা হয়। সত্তরের দশকের সুপার কম্পিউটারগুলোতে অল্প কিছু প্রসেসর ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও নব্বইয়ের দশকের দিকে এসে সুপার কম্পিউটারগুলোতে কয়েক হাজার পর্যন্ত প্রসেসর ব্যবহার হতো। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে সুপার কম্পিউটারে প্রসেসরের এ সংখ্যা লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
সুপারকম্পিউটারের কার্যক্ষমতার একক হচ্ছে ফ্লপস (FLOPS – Floating Point Operations per Second). সাম্প্রতিক সময়ে তৈরী সুপারকম্পিউটারগুলো পেটাফ্লপস (PetaFLOPS) গতির হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, পেটাফ্লপস বলতে মূলত এক কোয়াড্রিলিয়ন (১ কোয়াড্রিলিয়ন=১০০০ট্রিলিয়ন) ফ্লপ বোঝানো হয়। যদিও এর চেয়েও এক হাজার গুন অর্থাৎ টেরাফ্লপস গতির সুপারকম্পিউটারও ইতিমধ্যে তৈরী হয়েছে।
সুপার কম্পিউটারগুলোতে অসংখ্য প্রসেসর নিয়ে কাজ করার জন্য সাধারণত দুটি পদ্ধতির একটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ১ম পদ্ধতির নাম গ্রীড কম্পিউটিং এবং ২য় পদ্ধতির নাম ক্লাস্টার কম্পিউটিং। গ্রীড কম্পিউটিং পদ্ধতিতে বিশাল সংখ্যক কম্পিউটারের প্রসেসিং ক্ষমতা সুষ্ঠভাবে বন্টিত অবস্থায় থাকে এবং প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারগুলোকে বৈচিত্রময় প্রশাসনিক কিছু উপায় মেনে পুনরায় আবার কাজে লাগিয়ে দেয়া হয়। অপরদিকে ক্লাস্টার কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে খুবই নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত বিশাল সংখ্যক প্রসেসর একত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রনাধীন অসংখ্য মাল্টি-কোর প্রসেসর সংযুক্ত করার মাধ্যমে চালিত উক্ত পদ্ধতিটির জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।
সুপারকম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষনকারী ওয়েবসাইট top500 এর তথ্য অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল সুপার কম্পিউটার চীনের Sunway Taihulight। এর গতি ৩.০৬ টেরাফ্লপস এবং একে সচল রাখতে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার হয়। এছাড়া আরও উল্লেখযোগ্য কিছু সুপারকম্পিউটার হচ্ছে, Titan, IBM Mira, IBM Sequoia, Tianhe-1, Tianhe-2, Super MUC ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই অগ্রদূত যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা ও গতি উভয়ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থামে উঠে এসেছে চীন।
কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া, জলবায়ু গবেষণা, তেল ও গ্যাসের উৎস চিহ্নিত করতে, আণবিক মডেল পর্যবেক্ষণ যেমন কোন কেমিকেল কম্পাউন্ড, বায়োলজিক্যাল ম্যাক্রোমলিকিউল, পলিমার এবং ক্রিস্টালের গঠন ও বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষনের ক্ষেত্রে এবং বাহ্যিক সি্ম্যুলেসন যেমন এয়ারপ্লেন সিম্যুলেসন, নিয়ক্লিয় বোমা বিস্ফোরণ সিম্যুলেসন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন গবেষণার ক্ষত্রে সুপার কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
#উইকিপিডিয়া থেকে অনুদিত এবং সংশোধিত

 #মাইক্রোকন্ট্রোলার কি?মাইক্রোকন্ট্রোলার হচ্ছে এক চিপের কম্পিউটার। যেখানে সুপার কম্পিউটার বিশাল এক রুম দখল করে,পার্সোনাল...
27/07/2017

#মাইক্রোকন্ট্রোলার কি?

মাইক্রোকন্ট্রোলার হচ্ছে এক চিপের কম্পিউটার। যেখানে সুপার কম্পিউটার বিশাল এক রুম দখল করে,পার্সোনাল কম্পিউটার টেবিলের এক বড় অংশ দখল করে, সেখানে মাইক্রোকন্ট্রোলারের আকার মাত্র কয়েক ইঞ্চি। ১৯৬৯ সালে জাপানের কোম্পানী বুশিকম ইন্টেলের কাছে বিশেষ ধরনের প্রসেসর নির্মান করে চাইলো যেটা দিয়ে বিশেষ ধরনের ক্যালকুলেটর বানানো যাবে। ইন্টেলের ইঞ্জিনিয়াররা মাইক্রোপ্রোসেসর বানাতে গিয়ে মাইক্রোকন্ট্রোলার বানালেন।

১৯৭১ সালে আমেরিকান নৌবাহিনী তাদের এফ-১৪ টমক্যাট বিমানে ইন্টেলের তৈরী মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে। সর্বপ্রথম টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্ট ১৯৭৪ সালে TMS1000 নামে মাইক্রোকন্ট্রোলার পেটেন্ট করে।
একটি কম্পিউটারে যা যা থাকে মাইক্রোকন্ট্রোলারেও তাই থাকে।

আকারে ছোট বলে এটাকে মাইক্রো বলা হয়। আর এর ব্যবহার এর উপর ভিত্তি করে একে কন্ট্রোলার নাম দেয়া হয়েছে।
বিভিন্ন ডিভাইস কে কন্ট্রোল করাই এর কাজ। খেলনা থেকে শুরু করে মোটর গাড়ি, রোবট, স্যাটেলাইট পর্যন্ত সব কিছুতেই মাইক্রোকন্ট্রোলার ইউজ করা হয়। বর্তমানে মাইক্রোচিপ, এটমেল, স্যামসাং, মটরোলা, ফিলিপ্স, সিমেন্স মাইক্রোকন্ট্রোলার তৈরী করে। একেক মাইক্রোকন্ট্রোলারের ফিচার একেক রকম হলেও প্রায় সব মাইক্রোকন্টোলারেই চার ধরনের মেমোরী থাকে।

 #অবলোহিতের_জগতে অবলোহিত রশ্মি বা ইনফ্রারেড (Infrared/IR Ray) এমন এক ধরনের আলোক রশ্মি যা হয়তো আলো হয়েও আলো না!! এ আবার ক...
23/07/2017

#অবলোহিতের_জগতে
অবলোহিত রশ্মি বা ইনফ্রারেড (Infrared/IR Ray) এমন এক ধরনের আলোক রশ্মি যা হয়তো আলো হয়েও আলো না!! এ আবার কেমন কথা!! পাঠক হয়তো ভাবছেন লেখকের মাথাটা বুঝি গেলো। প্রিয় পাঠক, আপনি একদমই ভুল ভাবছেন না। অবলোহিতের জগতে ঘুরে এসে লেখকের মাথাটা আসলেই ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছে। সে এক বিস্ময়কর জগত। চলুন ঘুরে আসা যাক সেই জগত থেকে...
প্রথমেই জেনে নেয়া যাক কেন আলো হয়েও আলো না এই অদ্ভুত ধরনের রশ্মিটি। আলো বলতে আমরা আসলে কি বুঝি? আলো মানেই অন্ধকারের বিপরীত বা বলা যায়, আমরা যা দেখি তাই আলো অথবা এও বলতে পারেন যে, আমরা যে কারণে দেখি তাই আলো। কিন্তু অবলোহিত রশ্মি এমন এক ধরনের আলোক রশ্মি যা আসলে দেখা যায় না। কিন্তু কেন? আমরা জানি শুধু আলোই না বরং সৌরজগতে সকল শক্তির উৎসই সূর্য। কিন্তু সূর্য থেকে যে আলোক রশ্মি আসে তার সবই কিন্তু দেখা যায় না। সাধারন দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মানুষের জন্য ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে কিন্তু অবলোহিত রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৭০০ ন্যানোমিটার থেকে ১ মাইক্রোমিটার হয়। এজন্যই আলো হওয়া সত্ত্বেও দৃশ্যমান না অবলোহিত রশ্মি। এই রকম অদৃশ্য আলোর আরও উদাহরন হচ্ছে অতিবেগুনী রশ্মি। তা নিয়ে আরেকদিন আলোচনা করবো। তার চেয়ে বরং দেখে নেয়া যাক এই আলো আমাদের কতোটা উপকারী।
নিঃসন্দেহে পাঠক টেলিভিশন দেখেন। টেলিভিশনের রিমোটটা দিয়ে যথেষ্ঠ দূরত্ব থেকেও চ্যানেল পাল্টানো বা শব্দ নিয়ন্ত্রন করা যায়। রিমোটের প্রত্যেকটা বাটনের জন্য নিঃসৃত আলাদা আলাদা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অবলোহিত রশ্মিই কিন্তু এই কাজটা করে।
নাইট ভিশন বা রাতের অন্ধকারে দেখার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলো অবলোহিত রশ্মির বিকিরণকেই ব্যবহার করে। আবার প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলো শত্রুর অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করে। আজকাল ক্রিকেট খেলায় ‘হটস্পট’ বলে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে তাও আদতে ব্যাট-বলের সংঘর্ষে তৈরী হওয়া তাপ শক্তির দ্বারা কতোটা অবলোহিত রশ্মি তৈরী হচ্ছে সেটারই পরীক্ষা।
আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অবলোহিত রশ্মি খুবই গুরত্বপূর্ণ। কম রেঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিশেষ করে রিমোট টেলিকমিউনিকেশনে এই রশ্মি বহুল ব্যবহৃত।
চিকিৎসাক্ষেত্রে এক্স-রে যেভাবে বিভিন্ন শারীরিক ত্রুটি শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয় একই ভাবে অবলোহিত রশ্মিও ত্রুটি নির্ণয়, তাপমাত্রা পরিমাপসহ বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়।
অবলোহিত আলোর আরেকটি বহুল প্রচলিত ব্যবহার হচ্ছে রোবটের সেন্সর হিসেবে। প্রকৌশল বিদ্যার ছাত্রদের কাছে একটি সুপরিচিত নাম ‘লাইন ফলোয়িং রোবট’। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতাগুলোতে লাইন ফলোয়িং রোবট প্রচুর দেখা যায়। অবলোহিত রশ্মি এক্ষেত্রে কিভাবে কাজ করে? ধরা যাক, সাদার উপর কালো রংয়ের দাগ অনুসরন করে আপনার রোবটটিকে চলতে হবে। ইনফ্রারেড ট্রান্সমিটার থেকে নিঃসৃত অবলোহিত আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে ইনফ্রারেড রিসিভারে ধরা দেবে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দেখেই বোঝা যাবে যে আলো লাইনের কালো দাগে প্রতিফলিত হয়েছে নাকি সাদা অংশে প্রতিফলিত হয়েছে। এভাবেই আপনার রোবট লাইন অনুসরণ করে এগিয়ে যাবে।
এরকম আরও অসংখ্য উদাহরণ আছে যেখানে এই অদৃশ্য আলো মানুষের চোখে ধরা না দিয়েও মানুষের উপকার করে যাচ্ছে। সেসব নিয়ে আরেকদিন কথা বলবো। আজ বরং এইটুকুই থাক।

‘টেকনোলজি’, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, ‘রোবোটিক্স’ শব্দগুলো শুনলেই চোখের সামনে যা ভেসে উঠে তা ব্যখ্যা করা যায় একটি শব্দ দিয়েই, ‘বিস...
16/07/2017

‘টেকনোলজি’, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, ‘রোবোটিক্স’ শব্দগুলো শুনলেই চোখের সামনে যা ভেসে উঠে তা ব্যখ্যা করা যায় একটি শব্দ দিয়েই, ‘বিস্ময়’। বিজ্ঞানের এই বিস্ময়কর শাখাগুলো আমাদের কল্পনাকে করেছে বাস্তব, স্বপ্নকে করেছে সত্যি। ইঞ্জিনিয়ারিং আর টেকনোলজির কল্যানে কোনও দূরত্বই আজ আর দূরত্ব নয় তেমনি কোনও দূর্গমও আজ আর দূর্গম নেই। আজ থেকে এক যুগ আগেও যা ছিলো অকল্পনীয়, সাইন্স ফিকশনের পাতায় পাতায় লেখকের লেখনীতে উঠে আসা যেসব কল্পনা মানুষের কাছে ছিলো শুধুই বিনোদনের খোরাক জোগানো কল্পকাহিনী, সেসবই আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। এই অভ্যুদয় হার মানায় রূপকথাকেও। কিন্তু আমরা টেকনোলজির এই রহস্যময় জগত সম্পর্কে কতটুকু জানি? কিংবা রোবোট কিভাবে জটিল থেকে জটিলতর কাজে মানুষের জায়গা নিয়ে নিচ্ছে তা আমরা কতটুকু জানি? ইঞ্জিনিয়ারিং আর টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগই বা হয় কয়জনের? কিংবা কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেমন হতো যদি দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক পন্য, সার্কিট বা মডিয়ুল অথবা রোবোটিক্সে ব্যবহার্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যদি অর্ডার করার পর আপনার ঘরে পৌছে যেত? এসব প্রশ্নের উত্তর এবং টেকনোলজি আর ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে প্রায় সব সমস্যার সমাধান দিতে আমরা কয়েকজন তরুন এক হয়েছি TechTicsBD নামের এই প্ল্যাটফর্মে। লাল সবুজ বুকে ধারণ করে আমরা আসছি খুব শীঘ্রই। সাথে থাকুন। কথা দিচ্ছি নিরাশ করবো না ইনশাআল্লাহ।

Address

Rajshahi
6204

Telephone

01782457454

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TechTicsBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share