অঙ্কুর

অঙ্কুর সকল ধরনের গাছের চারা, ইনডোর প্ল্যান্ট,

🥭রাজা নেই, শাহী নেই, রাজশাহী নামহাতি নেই, ঘোড়া নেই, আছে শুধু আম।"🥭🥭আমাদের সরবরাহ করার পদ্ধতিঃ★সময় অনুযায়ী গোপালভোগ,খিরসা...
06/06/2026

🥭রাজা নেই, শাহী নেই, রাজশাহী নাম
হাতি নেই, ঘোড়া নেই, আছে শুধু আম।"🥭

🥭আমাদের সরবরাহ করার পদ্ধতিঃ

★সময় অনুযায়ী গোপালভোগ,খিরসাপাত/ হিমসাগর ,লখনা,ফজলী,আম্রপালি আম সরবরাহ করা হবে।
★সরাসরি বাগান থেকে পরিপক্ক আধাপাকা আম সরবরাহ করা হবে।

★কীটনাশক মুক্ত আম সরবরাহ করা হবে কারন আম পাড়ার ১৫-২০ দিন আগে কীটনাশক স্প্রে বন্ধ করা হয়।

★শুধু মাত্র বাছাই করা আম সরবরাহ করা হবে।
★আম নেবার ৫দিন আগে অর্ডার দিতে হবে কারন সরাসরি গাছ থেকে আম পেড়ে সরবরাহ করা হবে।

★সর্বনিম্ন ১০ কেজি অর্ডার নেওয়া হবে। এর উপর আপনি যত কেজি নিতে ইচ্ছুক।
★সুন্দর বন, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারাদেশ ব্যাপী আম পাঠানো হবে।

★কুরিয়ার খরচ সম্মানিত ক্রেতা কে পরিশোধ করতে হবে।

★জাত ও সাইজ অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হবে।
এবং বাজার অনুযায়ী দাম কম বেশি হতে পারে।
★অর্ডারের সময় মুল্য পরিশোধ করতে হবে।

20/11/2025
Top Fan রা বিকাশ নং পাঠান! সালামি দেওয়া হবে🌚!
02/05/2022

Top Fan রা বিকাশ নং পাঠান! সালামি দেওয়া হবে🌚!

05/02/2022
❝পাতার কঙ্কাল ❞এই সুন্দর পাতা কোনো কাপড় দিয়ে তৈরি নয়। গাছের আসল পাতা দিয়েই তৈরি করা হয় এটি। একে বলা হয় এস্কেলটোন লিভস বা...
14/08/2021

❝পাতার কঙ্কাল ❞
এই সুন্দর পাতা কোনো কাপড় দিয়ে তৈরি নয়। গাছের আসল পাতা দিয়েই তৈরি করা হয় এটি। একে বলা হয় এস্কেলটোন লিভস বা পাতার কঙ্কাল। নানা রঙের হয় এই পাতাগুলো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ম্যাপল ট্রির পাতাগুলো বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। তবে এগুলো সাধারণ যেকোনো পাতা দিয়েই বানাতে পারবেন। কয়েকটি পদ্ধতিতে এই পাতার কঙ্কাল বানানো যায়।বিশ্বের অনেক দেশেই ঘর সাজাতে এই রঙিন পাতা ব্যবহার করা হয়। এমনকি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে বেশ দাম দিয়েই কিনতে হয় এগুলো
▪️চলুন পাতার কঙ্কাল বানানোর পদ্ধতিগুলো জেনে নেই-
প্রথমে আপনি আপনার পছন্দ মতো যে কোনো গাছের পাতা নিয়ে নিন। এবার সেগুলো একটি হাড়িতে দিয়ে তার সঙ্গে পানি এবং বেশ অনেকখানি ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে দিন। এবার চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। একসময় দেখবেন পাতার রং হালকা হতে শুরু করেছে। এরপর পাতাগুলো হাতে নিতে নিন। একটি টুথব্রাশ দিয়ে হালকা হাতে ঘষতে থাকুন।দেখবেন ধীরে ধীরে পাতার সবুজ অংশ উঠে আসছে। আর ভেতরে উঁকি দিচ্ছে পাতার শিরাগুলো। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। ইচ্ছামতো রঙে রাঙিয়ে তুলুন পাতার হাড় জির্ণ কঙ্কালটিকে।

সোর্স: ডেইলি বাংলাদেশ

নাম তার জুলিয়েট রোজ। পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ফুল,, যার প্রত্যেকটির দাম প্রায় ৫ মিলিওন ডলার থেকে শুরু করে ১৫.৮ মিলিয়ন ডলার পর...
02/07/2021

নাম তার জুলিয়েট রোজ। পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ফুল,, যার প্রত্যেকটির দাম প্রায় ৫ মিলিওন ডলার থেকে শুরু করে ১৫.৮ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত । বাংলা টাকায় ৪২ কোটি থেকে ১২৬ কোটির কাছাকাছি🙂 গাছের কলি থেকে সম্পুর্ন ভাবে ফুলটি ফুটতে সময় নেয় প্রায় ১৫ বছর!!

কার সংগ্রহে কতগুলো আছে?  বলুন দেখি!!!
27/06/2021

কার সংগ্রহে কতগুলো আছে? বলুন দেখি!!!

কোন সারের কি কাজ?গাছের বৃদ্ধিতে সার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই আমরা আপনাকে দিচ্ছি মাত্র ১০০ টাকায় ১০ রকমের সারসহ দর...
24/06/2021

কোন সারের কি কাজ?
গাছের বৃদ্ধিতে সার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই আমরা আপনাকে দিচ্ছি মাত্র ১০০ টাকায় ১০ রকমের সারসহ দরকারি সব উপাদানের মিনি প্যাক এর প্যাকেজ। অনেকেই জানতে চেয়েছিলেন কোন সার কি কাজ করে? কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক । ভাল ফসল উৎপাদনের জন্য এটা জানা খুবই জরুরী। নিচে কোন রাসায়নিক সারের কি কাজ তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

ইউরিয়াঃ
ইউরিয়া সার গাছের ডালপালা, কান্ড ও পাতার
বৃদ্ধি সাধন করে। এই সার গাছপালাকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে। এর নাইট্রোজেন পাতার সবুজ কণিকা বা ক্লোরফিলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উদ্ভিদের প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে।

টিএসপিঃ
টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের ফসফরাস গাছের প্রথম পর্যায়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। এছাড়া উদ্ভিদের জীবকোষের বিভাজনে অংশগ্রহণ করে এবং গাছের মূল বা শিকড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাছাড়া সময় মতো গাছকে ফুল ও ফলে শোভিত করে এবং ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে।

পটাশঃ
এমপি সার বা পটাশ সারের পটাশিয়াম পাতার ক্লোরফিল তৈরির অবিচ্ছেদ্য অংশ যা শর্করা প্রস্তুতিতে সহায়তা এবং সেগুলির দেহাভ্যন্তরে চলাচলের পথ সুগম করে। এই সার নাইট্রোজেনের কার্যকারিতার পরিপূরক এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে গাছকে রক্ষা করে। এই সার গাছের খরা সহিঞ্চুতা বাড়ায়, গাছকে মজবুত করে।

জিপসামঃ
জিপসাম সারের মধ্যে থাকা সালফার নাইট্রোজেন আত্মকরণে সহায়তা করে। এই সার প্রোটিন প্রস্তুতিতে অংশ গ্রহণ করে, তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সালফার ভিটামিন ও কো-এনজাইমের উপাদান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
জিংক সালফেটঃ
জিংক সালফেটের জিংক প্রোটিন প্রস্তুতিতে সহায়তা করে এবং হরমোনের কার্যকারিতার জন্য সহায়তা করে।

বোরাক্সঃ
বোরাক্সের বোরন ফলের বিকৃতি রোধ করে এবং ফুল ফল ধারণে সাহায্য করে।
প্রাকৃতিক সারের মধ্যে জৈব সার,ভার্মি কম্পোস্ট,হাড়ের গুড়া,চা পাতা,কোকোডাস্ট ও ডিমের খোসার গুড়া খুবই উপকারি। এ বিষয়ে প্ল্যান্টশপে অতীতে অনেক পোস্ট লেখা হয়েছে। অামাদের পেইজটা একটু ঘুরে দেখলেই পেয়ে যাবেন।

সার প্রয়োগের কিছু সাধারণ নীতিমালা : বীজ, নতুন শিকড় ও গুল্ম জাতীয় গাছের কান্ডের অতি সন্নিকটে বা কোনো ভেজা কচি পাতার ওপর রাসায়নিক সার ব্যবহার করা মোটেই উচিত নয়। রাসায়নিক সারগুলো এক ধরনের ঘনীভূত লবণ বিধায় এগুলো গাছের নাজুক সব বাড়ন্ত অংশকে পুড়িয়ে দিতে পারে। সার যত দূর সম্ভব ভালোভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সার জমিতে দাঁড়িয়ে থাকা গভীর পানিতে প্রয়োগ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, জিঙ্ক ও ফসফেট সার একত্রে মিশিয়ে প্রয়োগ করা উচিত নয়। কেননা এসব সারের উপাদানগুলো একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায় এবং ফসল তা গ্রহণ করতে পারে না। জৈব সার ফসল বপন/রোপণের কমপক্ষে ৭-১০ দিন পরে জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে হবে। সবুজ সার হিসেবে ধৈঞ্চা মাটিতে মিশানোর কমপক্ষে ৭ দিন পর ধানের চারা রোপণ করতে হবে। গৌণ উপাদানের (গাছের জন্য যে খাদ্যোপাদান কম প্রয়োজন যেমন জিংক, বোরন, ম্যাঙ্গানিজ এসব) দ্রবণ পাতায় ছিটিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে (বিশেষ করে উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে)। সাধারণ ইউরিয়ার পরিবর্তে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করলে শতকরা ১৫-২০ ভাগ বেশি ফসল পাওয়া যায় এবং পরিমাণে শতকরা ৩০ ভাগ কম লাগে। তাছাড়া গুটি ইউরিয়া মৌসুমে একবার ব্যবহার করতে হয়।

জমিতে তিন পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করা হয়। হাতে ছিটানো, স্থানীয় প্রয়োগ এবং পাতায় বা পল্লব গুচ্ছে সিঞ্চন/ছিটিয়ে দেয়া। হাতে ছিটানো পদ্ধতি সাধারণত মাঠ ফসলে এবং স্থানীয় প্রয়োগ সাধারণত ফল বাগান ও সবজিতে করা হয়। রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলপ্রসূতা বাড়ানোর জন্য ফসল ও মৌসুমের ওপর ভিত্তি করে সার ব্যবহারের সাধারণ নির্দেশাবলি অনুসরণ করা উচিত।

ধান চাষের বেলায় ইউরিয়া ০৩ অংশে ভাগ করে প্রয়োগ করা উচিত। শাকসবজি চাষের বেলায় ফসলের বৃদ্ধির পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ইউরিয়া ২-৩ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করা যায়। স্বল্পমেয়াদি ফসলের ক্ষেত্রে ইউরিয়া সারের পুরোমাত্রা শেষ চাষের সময়েই প্রয়োগ করা যায়। অধিকাংশ মশলার ক্ষেত্রে ইউরিয়া সার ২-৩ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে। ভেজা মাটি অথবা জো আসা মাটিতে পড়ন্ত বিকালে ইউরিয়া উপরিপ্রয়োগ করে উত্তমরূপে মিশিয়ে দিলে সর্বাধিক সুফল পাওয়া যায়।

ফসফেট সার জমি তৈরির সময় শেষ চাষের ২/১ দিন আগে প্রয়োগ করা উচিত এবং দস্তা সারও শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরির শেষ চাষে পটাশ ও গন্ধক জাতীয় সারগুলো একবারে প্রয়োগ করা চলে। তবে মোটা বুনটযুক্ত মাটিতে পটাশ সার দুইভাগে ভাগ করে ব্যবহার করা যায়। প্রথম ভাগ জমি তৈরির শেষ সময় এবং দ্বিতীয় ভাগ দ্রুত কুশি বের হওয়ার সময় প্রয়োগ করতে হবে। রসুন ফসলে এমওপি সার ব্যবহারের পরিবর্তে পটাসিয়াম সালফেট সার ব্যবহার করতে হবে। সালফার এবং জিংক সারের সুপারিশকৃত মাত্রা শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করা না হলে প্রয়োজনবোধে এগুলো উপরিপ্রয়োগ করে ব্যবহার করা যেতে পারে। সময়মতো ইউরিয়া প্রয়োগের পরেও পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করলে তা সালফারের ঘাটতি বলে ধরে নিতে হবে। এক্ষেত্রে যত শিগগিরই সম্ভব সুপারিশকৃত সালফার উপরিপ্রয়োগ করতে হবে। কচি পাতা সাদা হয়ে গেলে এবং সে সঙ্গে পাতায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাদামি রঙের ছিট দেখা দিলে তা জিঙ্ক সারের ঘাটতির ইঙ্গিত করে। এরূপ লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমোদিত পুরো মাত্রায় জিঙ্ক সার উপরিপ্রয়োগ করতে হবে।

অর্ডার চলছে ফজলী এবং ল্যাংড়া আমের। বিস্তারিত জানতে পেইজে মেসেজ দিন💝
23/06/2021

অর্ডার চলছে ফজলী এবং ল্যাংড়া আমের। বিস্তারিত জানতে পেইজে মেসেজ দিন💝

Address

Rajshahi Division
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অঙ্কুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share